Golpo ডিফেন্স রিলেটেড মেজর ওয়াসিফ

মেজর ওয়াসিফ পর্ব ২৪


মেজর_ওয়াসিফ

লেখনীতেঐশীরহমান

পর্ব_২৪

[ 🚫 কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ 🚫]

এই বাড়ির দুই কর্তা, তিন গিন্নী, আর বড়ো ছেলে ওয়াসিফ মিলে বসার ঘরে ঠিক কি আলোচনা হলো সেই সম্পর্ক ধারা বা লুইপা ওরা আর কেউ ই কিছু জানেনা।
সেই তখন থেকে লুইপা’টা প্যাছপ্যাছ করে কাঁদছে। ধারা আপাকে সান্তনা দেওয়া বদলে ক্ষেপেছে ওয়াসিফের উপর। ইচ্ছে করছে নিজের মাথাটা দেয়ালে ঠুকতে। কেনো যে ঐ লোক কে তখন ফেরাতে গেলো ও? মাথা গরম লোক একটা। হয়েছে, হয়েছে মুনিব ভাইয়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, ঝামেলা, তাই বলে কি এখন হুট করে এই ভাঙা মনের মেয়েটাকে ধরে বিয়ে করিয়ে দিতে হবে নাকি? একটু সময় দিলে কি হতো?

আবার অন্য দিকে ধারার রাগ ঐ মুনিবের উপরও হচ্ছে। এই মানুষটা এতোদিন এমন ভোল ধরে থাকতো যে ভাজা মাছটাও উল্টে খেতে জানেনা এমন। আর আজ কিভাবে চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বললো? মুনিবের আজকের এই রুপ ধারাকেও ভীষণ আশাহত করেছে।

ধারা এসব ভাবতে ভাবতেই কয়েকবার আপার দিকে তাকায়। সেই তখন থেকে একরকম ভাবে কেঁদেই যাচ্ছে মেয়েটা। নাহ এই কান্না আর ধারার সহ্য হচ্ছে না। মনে মনে ধারা তৈরি হয়, এবার ও ওয়াসিফকে গিয়ে বলবে ‘ এই আপনি এখন চলে যানতো। আপনাকে ফিরিয়ে ছিলাম আপার দুঃখ ঘুচাতে সেই আপনি এখন আপার দুঃখ আবার বাড়িয়ে দিলেন। আপনি চলে যান প্লিজ ‘

এর মধ্যেই ধারার ফোনে কলেজ গ্রুফ থেকে পরপর দুটো ম্যাসেজ নোটিফিকেশন আসতেই ও খপ করে ফোনটা হাতে তুলে নিলো। মিনিট খানেক পর কলেজ থেকে পাঠানো নোটিশ গুলো পড়ে ও ঢুকলো ফেইসবুকে। আকস্মিক ওর চোখে পড়লো মুনিবের একটি পোস্টে। সঙ্গে সঙ্গে ফোন থেকে চোখ সরিয়ে ধারা তাকায় লুইপার দিকে। আবার তাকায় ফোনের দিকে। ঘন্টা খানেক আগে মুনিব আনজেরা নামের একটা মেয়েকে ট্যাগ লাগিয়ে ইনগেজমেন্টের পোস্ট পাবলিশ করেছে। ক্যাপশনে লিখেছে। ‘ আলহামদুলিল্লাহ, সম্পূর্ণ পারিবারিক ভাবে নতুন একটি অধ্যায়ের সাক্ষী হলাম’

রাগে দুঃখে থরথর করে কাঁপছে ধারা। একে এই মুহুর্তে সামনে পেলে ধারা যে কি করতো ওর মাথায় আসছে না। চোখ দুটো ছলছল করে আসলো এটা ভেবে যে ওর আপা ঠিক কতটা নির্মম ভাবে ঠকে গেলো এই লোকটার কাছে। কাঁপা হাতে ধারা টেকস্ট করে কিছু লিখতে চেয়েও ফিরে এসে ঠাস করে ব্লক করে ফোনটা ফেলে রাখলো বিছানায়। উল্টো ঘুরে বসলো আপার থেকে। যাতে আপা ওর চোখের পানি না দেখে। মিনিট খানেক সময় নিয়ে নিজেকে সামলে আবার মুখোমুখি বসে আপার। কন্ঠ ঠিক করে বুঝ দেওয়ার মতো করে বলে।

‘ দুই রাকাআত নফল নামাজ পরবি বুঝলি আপা? আল্লাহ তোকে রহম করেছে। এমন মেরুদণ্ডহীন, নাপাক মানুষের থেকে তোর ফুলের মতো জীবনটাকে বাচিয়ে দিয়েছে’

লুইপা চোখের পানি মুছে এক ধ্যানে বিছানার চাদরের নকশার দিকে তাকিয়ে থাকে। ধারা আবার ও বলে।

‘ জীবনে এমন কিছু ধাক্কা আমাদের খাওয়া উচিত তবেই না আমরা জীবন বুঝতে শিখি। কার জন্য জীবন খোয়াতে বসেছিলি ঐ পশুর জন্য? যে তোর জীবন থেকে কতগুলো বছর নষ্ট করে দিলো? তুই তো বোকা না আপা। তুই অনেক বুঝদার একটা মেয়ে। তুই চাইলেই তোর জীবনটাকে সুন্দর করে গুছিয়ে নিতে পারিস’

লুইপা শুনছে ধারার কথা গুলো, তবে কথার জবাব দেয় না। একটা ভাঙ্গা চোরা মনের মালকিন কি ই বা আর কথা বলবে? ওর বলার মতো আর কি ই বা আছে?
ধারা চুপচাপ আপার দিকে তাকিয়ে বসে থাকে। এভাবে দুই বোনের নিরব সময় কাটে। হঠাৎ নিরবতা ভেঙে লুইপা বলে।

‘ আমাকে একটা নতুন সিম ম্যানেজ করে দিবি’
ফোনটা ধারার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে, ‘পাসওয়ার্ড এতো এতো, ফেইসবুক আইডিটা ডিলিট করে দে। হোয়াটসঅ্যাপটাও ডিলিট মার। ফোনের যে যে জায়গাতে ওর ছবি পাবি সব ডিলিট করে দে। কখনো যেনো আমার সামনে না আসে। নিজেই করতাম, আমি চাচ্ছিনা ওকে আর দেখতে ‘

ধারা চোখ ভরা নোনাপানি নিয়ে শুধু চেয়ে দেখে আপাকে। এই কয়েকটা কথা বলতে গিয়ে কন্ঠ কতবার কাঁপছে তা ধারা টের পেয়েছে। ধারার মনে পড়ে, গত হওয়া রাতগুলো তে ধারা যখন এসে আপার পাশে শুতো, আপা তখন ওকে জড়িয়ে রেখে কল্পনার সংসারের গল্প শোনাতো। ধারাও সেই আপার মুখের গল্প শুনে আপার একটা সাজানো সংসারের দৃশ্য আকতো মনে মনে। আজ সেই মানুষটা ভেতরে ভেতরে কতটা ভেঙে গেছে সেটা ও চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে স্পষ্ট করে।


এপ্রিলের এই মাসটাতে দিন ভরা রৌদ্রতাপের পর বিকালে এক ঝাপটা ঝড়ো হাওয়া বইয়ে এখন টিপটপ বৃষ্টিতে মেতে উঠেছে পরিবেশ। সেই ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারেন্ট যে গেলো আর এলোনা।

আজকে এই পাড়ার বাড়িটিতে একটা ছোটমোটো বিয়ের আয়োজন চলছে। তবে এখানে না আছে সানাই আর না আছে কোনো হৈ হুল্লোড়। বরপক্ষের থেকে এখনো কেউ আসেনি। ওয়াসিফ জানিয়েছে আসতে রাত হবে, চিন্তা না করতে। মেহমান বলতে লুইপার বড়ো মামা, মামি এসেছে মামা বাড়ির পক্ষ থেকে। খালারা আসতে পারেনি এমন দূরের পথ আর হুট করে বিয়ের ডাক পরাতে। এ বাড়ির বাইরের রান্না ঘরে রান্নার আয়েজন চলছে, শাহেনূর বসেছে চুলার কাছটাতে। ওরা দু জা তাকে সব কিছু গুছিয়ে দিচ্ছে। আশপাশ থেকে পাড়া প্রতিবেশি বৌ, মুরুব্বিরা আসছে, উঁকি দিচ্ছে, খোঁজ নিচ্ছে বর কে? কি করে? এমন হুট করে বিয়ে কেনো? তোমাদের বাড়ির মেয়ে গুলোকে এভাবে হুট করেই বিয়ে দিয়ে দেও কেনো তোমরা? সে কত কথা। ওরা তিন জা শুধু চুপচাপ শুনে যাচ্ছে, উত্তর দেওয়ার মতো হলে দিচ্ছে।


সন্ধ্যের একটু পরপরই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শাহীন এলো বাড়িতে। সেই ঢাকা থেকে এলো বেচারা। বেচারা ভিজেপুরে একাকার হয়েছে। এতোদিন পর মেজো ভাই কে দেখে ধারা ছুটতে ছুটতে এগিয়ে এসে হাতের ব্যাগ দুটো নিতে নিতে বললো।

‘ আপনি কে? ঠিক চিনলাম না তো’?

ধারা ফাজলামি করছে বুঝতে পেরে ওর মাথায় হালকা চাপট মেরে বলে।

‘ আরে পিচ্চি যে’
পরপর বিষ্ময়কর কন্ঠে বলে।

‘ আমার ভুল হয়েছে, মাফ করবেন ভাবি’
একগাল হেঁসে শাহীন বলে।

‘ আমার এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না তোর মতো পিচ্চি কে ভাবি ডাকতে হবে। কত ছোট তুই আমার, কিন্তু সম্পর্কের দিক থেকে কত বড়ো হয়ে গেলি’?

‘ তাতে কি? ওসব ভাবিটাবি ভুলে যাও, আমি তোমার বোনই, ভাবিটাবি কিছু না’

শাহীন হাসে, বলে।

‘ আম্মারা কই রে? আমাকে একটা গামছা দে’

‘ আম্মারা সব রান্না ঘরে, দাঁড়াও তোমাকে গামছা দিচ্ছি ‘

ধারা ব্যাগগুলো টেনে নিয়ে হাটা ধরতেই পেছন থেকে শাহীন বলে।

‘ তোর বাম হাতের ব্যাগটাতে দুটো সেম শাড়ি আছে। একটা তোর আরেকটা লুইপার। তোদের বিয়ের উপহার। বেকার মানুষ, চাকরি বাকরি এখনো করিনা। পরিস কেমন? আমার ভালো লাগবে’


এশার আজান শেষ হয়েছে, বাইরে এখনো টিপটপ বৃষ্টি পড়ছে। কারেন্ট নেই এলাকার কোথাও। বিকেলের সেই ঝড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে এরাতে আর আসবে। দোতলা থেকে ধারা দেখে, শাহীন ভাই এসেই কাজ কর্মে হাত লাগিয়েছে। বসার ঘর সহ রান্না ঘর, উঠানে বড়ো বড়ো সব ব্যাক লাইট লাগাচ্ছে। ও আশেপাশে চোখ বুলিয়ে কোথাও ওয়াসিফ কে দেখেনে। আশ্চর্যের বিষয় হলো এটা যে মানুষটাকে বিকেলের পর থেকে ধারা আর দেখেই নি। কোথায় গেলো বা কি করছে এসব বিষয় কিছুই জানেনা।

এভাবে সময় কাটছেনা ধারার। আপা ঘরে কেঁদে কেটে ক্লান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে একটু। লোপা, মাহিন ওরা শাহীন ভাইয়ের পিছু পিছু ঘুরছে। বাবা আর মেজো চাচা বাজারের দিকে। ধারা ওখান থেকে সোজা হেঁটে উঁকি দেয় শাহেনূরের ঘরে। পুরো ঘরে ছোট একটা চার্জার লাইট জ্বালিয়ে এশার নামাজ পড়ছে শাহেনূর। ধারা দরজার কাছে দাড়িয়ে থেকে অপেক্ষা করে, নামাজ শেষ করে সালাম ফেরাতেই ধারা বলে।

‘ তোমাদের পাত্র কই? আর বৌ ই বা কখন সাজাবে তোমরা ‘?

শাহেনূর মাথা ঘুরিয়ে ধারাকে দেখে বলে।

‘ ওয়াসিফ কে একটা কল দিয়ে শোন তো ও কতদূর? বলে তো গেলো ও না ফেরা অব্ধি আমরা যেনো হাত বাড়িয়ে কিছু করতে না যাই’

ধারা বড়ো মায়ের ঘরের সামনে থেকে চলে গিয়ে দাঁড়ায় দোতালার বারান্দায়। ফোন যে দেবে ভালো কথা, কিন্তু নেটওয়ার্ক তো পেতে হবে। ধারা দুহাত উঁচু করে এদিকে সেদিকে ধরে নেটওয়ার্ক খুজতে খুজতে পেলে ওমনি কল দেয় ওয়াসিফের নাম্বারে। কল হচ্ছে কিন্তু রিসিভ হচ্ছে না। সেকেন্ড কল দেওয়ার আগেই নেটওয়ার্ক হাওয়া হয়ে গেলো। অধৈর্য্য ধারা ‘ ধূরো ছাতার মাথা ‘ বলে গটগট পায়ে নিচে নামে।


ঘড়ির কাটা ঠিক রাত পৌনে বারোটার ঘরে। এবাড়ির মানুষ গুলো নির্জীব ভঙ্গিতে বসে আছে বসার ঘরটাতে। কাজী কে এনে গুছিয়ে রাখা হয়েছে সেই রাত নয়টার পরপর। শাহীন চুপচাপ দুই চাচার ভার করে রাখা মুখ দুটো চোখ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছে। শাহেনূর কতক্ষণ বসে থাকে আবার বাটন ফোনটা চেপে বড়ো ছেলের ফোনে কল দেয়। ওর পাশে বাকি দুই জা ও চুপচাপ বসে থাকে। ধারা, সে তো ছুটে একবার আপার ঘরে যাচ্ছে তো আরেকবার নিচে আসছে সবার কাছে। বাড়ির এসব কাহিনি দেখে ওর মেজাজ ও বহুত খারাপ হচ্ছে। ওর এইটুকু জীবনে এমন বিয়ে পাড়ায় বা মহল্লায় আরেকটি দেখেনি। যেখানে বোনের বিয়ের কথা তুলে পাত্রীর ভাই নিজেই নিখোঁজ হয়ে যায়।

আচমকা উঠানে জিপ গাড়ির হর্নের কর্কশ শব্দ আর আলোয় বসার ঘরে উপস্থিত প্রতিটা মানুষ ই এবার নড়েচড়ে বসে। সবাইকে ডিঙিয়ে শাহীন এগিয়ে যায় উঠানে। ওর দেখাদেখি পেছনে যায় ধারা।

একে একে ওদের পেছনে এসে জড়ো হয় বাকিরা। মিনিট খানেকের মধ্যে এক গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে তিন পুরুষ সদস্য, যাদের দুই জনের গায়ে ইউনিফর্ম রয়েছে। আর বাকি যে একজন সে ওয়াসিফ। ওয়াসিফ এতোক্ষণ সদরের বাজারেই ছিলো। ওদের সঙ্গে নিয়ে সাথেই এলো।
ওয়াসিফ এগিয়ে এসে দাঁড়ায় বাড়ির মুরুব্বি দের কাছে, বলে, ‘ও ক্যাপ্টেন শাহরিয়ার সামির। চিনেছো নিশ্চয় ‘?

পাত্র হিসেবে ওয়াসিফ তার বোন জামাই হিসেবে সামির কে বেঁছে নিয়েছে। গত দুই বছরের পরিচয়ে মেজর শাহেদ ওয়াসিফের আজ হুট করেই মনে হয়েছে মাতৃহারা এই সরল তবে বুদ্ধি সম্পন্ন ছেলেটাই তার ভাঙা চোরা বোনের জন্য চমৎকার একজন অভিভাবক হবে।

ভেতরে বসার ঘরে মোটামুটি এবার একটু সোরগোলের আভাস মিলছে। সামির কে এবাড়ির আরেক সদস্য করে নেওয়াতে বিন্দু পরিমাণ আপত্তি নেই কারোর। গতবার ওরা যখন এসেছিলো তখন থেকেই পারুলের চোখে ছেলে দুটোকে পড়েছিলো কিন্তু সাহস করে সে কথা আর কারো সামনে তুলতে পারেনি।
গতবার স্যারের বাড়িতে আরিয়ান আর সামির এসেছিলো ভীষণ হৈ হুল্লোড় করতে করতে তবে এবার সামির ভীষণ ই চুপচাপ। ওর লজ্জা করছে। স্যারের সঙ্গে ওর পরিচয় বদলে যাবে। এই বাড়ির সঙ্গে ওর একটা যোগ সূত্র হবে। কিন্তু ওর পাশে বসে থাকা আরিয়ান চোখ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আশপাশ দেখছে। শাহেনূর আর লোপা ওদের আপ্যায়নে শরবত, মিষ্টি দিলো। শাহীন একটা চার্জার ফ্যান সেট করতে ব্যস্ত হলো।
আরিয়ান শরবত মিষ্টি দুটোই খেলো কিন্তু সামিরের গলা দিয়ে শরবত টুকুও নামছেনা আজ।
ওয়াসিফ ও পাশে সরে যেতেই লুইপার বাবা, ভদ্রলোক উনি ভাইপোকে আস্তে করে জিজ্ঞেস করলেন।

‘ ছেলের বাড়ির লোক কেউ আসেনি সঙ্গে’?

‘ আপনাকে তো আগেই বলেছি চাচা, ওর মা নেই, বাবা গতবছর থেকে শয্যাশয়ী, বরিশাল ওদের স্থানীয় বাড়ি। বাড়িতে ওর বাবাকে দেখাশোনা করার জন্য দুইজন পুরুষ লোক রেখে দিয়েছে সামির। প্রতি ছুটিতেই বাড়ি যায় সামির। বাবা কে তো এখানে টেনে আনা সম্ভব না ওর পক্ষে। ধরে নিন ওর বিয়ের গার্ডিয়ান আমি। আর বিয়ের পর আপনার মেয়ের গার্ডিয়ান ও। ‘

এইটুকু বলে থামে ওয়াসিফ, ফের বলে।

‘ আপনার মেয়ে কে বিয়ে করে বাপের বাড়ি ফেলে রাখবেনা, বা আপনার মেয়ে কে দিয়ে তার বাবার সেবাও করাবেনা। ওর চাকরি জীবন যতদিন চলবে কোর্টেজ নিবে ও। তারপর ওদের হিসাব মতো ওদের পরিপূর্ণ একটা সংসার হোক এতটুকু ই দোয়া করুন’

কথা শেষ করেই ওয়াসিফ সোজা হেঁটে দোতলায় ওঠে, ঘরে যাওয়ার আগে শাহীনকে ডেকে বলে ওদের গেস্ট রুমে নিয়ে যেতে। আর বলে, গাড়িতে একটা লাগেজ রাখা আছে ঐটা যেনো লুইপার ঘরে পাঠিয়ে ওকে তৈরি করা হয়।

চলবে

ধৈর্য্য রাখুন, লুইপার বিয়ে টা সামনের একটা পর্বে মিটিয়ে আমি ফোকাস করবো ওয়াসিফ, ধারার দিকে।

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply