চেকমেট_২ ||৭||
সারিকা_হোসাইন
রুদ্ররাজ কে কোন প্রত্যুত্তর করতে না দিয়ে খট করে লাইন কেটে দিলো সারফরাজ।রুদ্র যেনো এখনো ঘোরের মাঝে আছে।দীর্ঘদিন বাদে এভাবে সারফরাজ এর সাথে তার কথা বলতে হবে এটা তার কাছে কল্পনাতীত।সে যত সারফরাজ এর জীবন থেকে নিজের কালো ছায়া সরাতে চায় ততই পিশাচ ছায়াটা প্রকট হয়।রুদ্র এখনো ফোনটা কানে ধরে আছে।কর্ণকুহরে বার বার বেজে চলেছে সারফরাজ এর ভয়ানক হুংকার।রুদ্র শ্বাস নিতে ভুলে গেলো।এমন সময় আচমকা কলিং বেল বেজে উঠলো।রুদ্র কেঁপে উঠলো।হেঁটে দরজা পর্যন্ত যাবার শক্তি তার নেই,সারফরাজ যেনো কথার বানে সব শুষে নিয়েছে।ওপাশের ব্যাক্তি বড্ড ধৈর্য হীন।সে আবার বাজালো কাঁপন তুলানো বেল।চুপকথা আশেপাশে নেই বোধ হয়।থাকলে দরজা খুলে দিতো।বাসার হেল্পিং হ্যান্ড কে চোখ মেলে চারিধারে খুজলো রুদ্র ।মেয়েটা নেই।রুদ্র তার অবশ হয়ে মাটির সাথে সেটে থাকা পা টা টেনে হিচড়ে দরজার কাছে এলো।যেই দরজায় পৌঁছাতে সেকেন্ডের সময় লাগে সেখানে আসতে রুদ্রের পাঁচ মিনিটের অধিক সময় ব্যায় হলো।রুদ্র কম্পিত হাতে হ্যান্ডেল ঘুরিয়ে দরজা খুললো।দরজার সামনে বৃদ্ধ একজন মানুষ দাঁড়ানো।মাথা নিচু করে রয়েছে উক্ত ব্যাক্তি।বেশভূষা বলে দিচ্ছে অতীব ভদ্রলোক সে।ধবধবে সাদা দাড়ি আর কপালে নামাজের কালো দাগ নুরানী ছড়াচ্ছে চেহারায়।রুদ্র চিনতে পারলো না মানুষটিকে।রুদ্র অবাক হয়ে ধীর গলায় শুধালো
“হু আর ইউ?
এবার বৃদ্ধ মাথা তুলে উপরে তাকালো।কুঁচকানো ঠোঁট জোড়ায় ফুটিয়ে তুললো অমায়িক হাসি।হাতের লাঠি খানা শক্ত করে চেপে শুধালো
“কেমন আছো রুদ্ররাজ?
গলার স্বরে চমকে উঠলো রুদ্র।চেহারায় আরেকটু গভীর নজর বুলাতেই সুফিয়ান চৌধুরীর চেহারা খানা স্পষ্ট হলো।রুদ্রের চোখ চিনে নিলো কমিশনার সাহেব কে।রুদ্র তাল হারা হলো।আজ যেনো তার চমকিত হবার দিন।নিজের ভারসাম্য ধরে রাখার জন্য চৌকাঠ চেপে ধরলো রুদ্র।অতঃপর কম্পিত গলায় বলল
“আংকেল ভেতরে আসুন।
সুফিয়ান চৌধুরী প্রশস্ত হাসলেন।লাঠিতে ভর দিয়ে রুদ্রের বিশাল ড্রয়িং রুমের কাউচে আরাম করে বসলেন।চুপকথা বেরিয়ে এলো রান্না ঘর থেকে।সুফিয়ান চৌধুরী কে দেখে সে অবাক হলো।সুফিয়ান চৌধুরী চুপকথাকে হাতের ইশারায় শুধালো
“ভালো আছিস মা?
হাতের ইশারায় চুপকথা চিনে ফেললো সুফিয়ান চৌধুরী কে।সে আবেগে আপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেললো।মানুষটা তার বাবার মতো।যতবার দেখা হয়েছে অমায়িক আচরণে কাছে টেনে নিয়েছে।রুদ্র নিজে থেকেই এই সুন্দর মানুষগুলোর সাথে দূরত্ব সৃষ্টি করেছে।দেখা শোনা হয়নি দীর্ঘ বছর।চুপকথা তাই বলে ভুলে যায়নি কাউকে।কিছু কিছু বন্ধন হয় আত্মিক।শারীরিক দূরত্ব বাড়লেও মন পরে থাকে সেই ভালোবাসার মানুষ গুলোর কাছে।
কিন্তু এতো গুলো বছর পর হঠাৎ সুফিয়ান চৌধুরী এখানে?কিছু দুর্ঘটনা হলো বুঝি?
চুপকথা আর রুদ্র রাজের চিন্তিত অবাক মুখ দেখে সুফিয়ান চৌধুরী ব্যাথিত হাসলেন।সারফরাজ হাজার চেয়েও মানুষ গুলোকে নিজের কাছে টানতে পারে নি।মায়া চৌধুরী আজীবনের একাকী।ছেলে ছাড়া আর কেউ নেই তার।সুফিয়ান চৌধুরী হাতের ইশারায় চুপকথা কে বলল
“একটু গরম পানি পাওয়া যাবে?
চুপকথার টনক নড়লো।মাথা নাড়িয়ে ঝটপট কিচেনে পা বাড়ালো চা নাস্তা তৈরি করতে।চুপকথা চলে যেতেই সুফিয়ান চৌধুরী কাতর নজরে রুদ্রের পানে তাকালো।নাতির মায়াবী মুখ খানা মনে পড়তেই তার বুক মুষড়ে উঠছে শুধু।অস্বস্তিতে রুদ্র চোখ নামিয়ে নিলো।সুফিয়ান চৌধুরী ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটিয়ে বললেন
“ভয় পেও না রুদ্র,আমি এখনই চলে যাবো।নাতিকে নিয়ে যেতে এসেছি তো,তাই তোমাকে দেখতে এলাম।বহু বছর তোমাদের দেখি না।কবে না কবে মরে যাই।ভুল ত্রুটি হলে মাফ করে দিও।
প্রত্যুৎরে রুদ্র কিছুই বলতে পারলো না।সুফিয়ান চৌধুরী হতাশা মিশ্রিত শ্বাস ফেললেন।তিনি কিছুক্ষন নিস্তব্ধ থেকে বললেন
“কি ভাবছো কিছু চাইতে এসেছি?না না কিছুই চাইতে আসিনি।এভাবে চুপ থেকো না।রুদ্ররাজ চৌধুরী কে এমন নিশ্চুপ মানায় না।তাছাড়া আজকাল বুড়ো হয়ে গেছি তো!বড্ড বকবক করতে ভালো লাগে ।নীরব শ্রোতা হয়ে কেউ কথা শুনলে ভালো লাগে না।তাই যতক্ষন আছি একটু কথা বলো।এরম ভুতের মত বসে থেকো না।
রুদ্র তপ্ত শ্বাস ফেললো।এরপর বললো
“শাহরান কে নিয়ে যাবেন মানে?ওর কি পড়াশোনা শেষ?
সুফিয়ান চৌধুরী মাথা নাড়লেন।তিনি বললেন
“অনেক পড়েছে এখানে।আর দরকার নেই।আমার মনে হয় ওর ফিরে যাওয়া উচিত এবার।নয়তো তোমরা বাপ ,মেয়ে মিলে আমার সহজ সরল নরম মনের নাতিকে মেরে ফেলবে।তোমরা বড্ড নিষ্ঠুর রুদ্ররাজ।সুবহান চৌধুরীর নাম আজীবন উজ্জ্বল করে রেখো তোমরা।
রুদ্র মাথা নিচু করে ফেললো।অতঃপর নিচু গলায় বলল
“আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে আংকেল।
সুফিয়ান চৌধুরী হাসলেন।বললেন
“কোনো ভুল হচ্ছে না রুদ্ররাজ।ভুল তোমার হচ্ছে,তোমার মেয়ের হচ্ছে।আসলে দোষ আমার নাতির।বয়সের তুলনায় ভালোবাসা বেশি দেখিয়ে ফেলেছে।কি করবো বলো?মনটাই এমন তার।যাকে দেয় সব উজাড় করে দিয়ে ফেলে।
বলেই পকেট হাতড়ে কিছু বার করলেন।এরপর রুদ্রের সামনে হাত জোড়া মেলে ধরলেন।সুফিয়ান চৌধুরীর হাতে ছোট মেয়ে বাচ্চার এক খানা জুতো দেখে রুদ্রের ভ্রু সরু হলো,চোখে মুখে স্পষ্ট হলো চূড়ান্ত অবাকতার ছাপ।রুদ্র কিছু বলার আগেই সুফিয়ান চৌধুরী বলে উঠলো
“তোমাদের কাছে আমাদের আর কিছুই চাইবার নেই রুদ্র।অনেক চেয়েছি তোমরা দাও নি।এতো গুলো বছর পর এসে মনে হলো তোমাদের যা কিছু আমাদের কাছে ছিলো তা ফিরিয়ে দেবার সময় এসে গেছে।
রুদ্র কম্পিত গলায় বলল
“এভাবে বলবেন না আংকেল।
সুফিয়ান চৌধুরী নাক ফুলিয়ে শ্বাস নিলেন।কেমন কেঁপে কেঁপে নির্গত হলো সেই শ্বাস।এই জুতো নিজের নাতির কত পছন্দের আর ভালোবাসার ছিলো তা মনে পড়তেই সুফিয়ান চৌধুরীর বুক হাহাকার করে উঠলো।সুফিয়ান চৌধুরী পলক ঝাপ্টালেন।বৃদ্ধ চোখ জোড়া আজকাল একটু কিছু হলেই জলে ভিজে উঠে।
“নাও তোমার মেয়ের জুতোটা ফেরত নাও।এতদিন এই জুতো শাহরানের ভালোবাসার বস্তু ছিলো।যেই বয়সে বাচ্চারা খেলা ধুলায় ব্যাস্ত থাকে সেই সময় গুলো শাহরানের কেটেছে তোমার মেয়ের জুতো দেখে দেখে।কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এই জুতা টা বড্ড অভিশপ্ত।জুতোটার ভার দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। তোমার মেয়ের এই নিষ্ঠুর জুতো আমার সহজ সরল কোমল সুন্দর নাতিকে কবর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে।জান দিয়ে ভালোবেসে নাতিকে বড় করেছি।চোখের সামনে এসব অনাচার সহ্য করতে পারছি না।
বলেই জুতোটা রুদ্রের হাতে গুঁজে উঠে দাঁড়ালেন সুফিয়ান চৌধুরী।এরপর লাঠিতে ভর দিয়ে বেরিয়ে আসতে চাইলেন।নাস্তার ট্রে নিয়ে চুপকথা দৌড়ে এলো।এসে আকুল হয়ে সুফিয়ান চৌধুরীর মুখ পানে তাকিয়ে রইলো।চুপকথার ভেজা চোখ জোড়ার পানে তাকিয়ে সুফিয়ান চৌধুরী হাসলেন অল্প।অতঃপর চুপকথার মাথায় হাত বুলিয়ে বলে উঠলেন
“আজ আসি।আমাদের আর কখনো বোধ হয় দেখা হবে না রে মা।তোরা আজীবন আমাদের শত্রুই রয়ে গেলি।মিত্র আর হতে পারলি না।
বলেই চোখ মুছে বেরিয়ে এলেন সুফিয়ান চৌধুরী।পেছন পেছন রুদ্র এলো।কিন্তু এর নিষ্ঠুর গলনালি ডিঙিয়ে কোনো আওয়াজ এলো না।সুফিয়ান চৌধুরী আর পেছন ফিরলেন না।দুর্বল পায়ে হেটে চললেন সম্মুখে।
সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে থামলো শাহরানের গাড়ি।চলতে চলতে শহর পেরিয়ে কখন নদীর ধারে চলে এসেছে শাহরান টের ই পায়নি।তার কানে এখনো রোদের সেই চিৎকার বেজে চলেছে।ভেজা মাটিতে দেবে গাড়ির চাকা আটকে যেতেই গাড়ির গতি থামলো।শাহরান স্টিয়ারিং এ ঘুষি মারলো।শীতল মাইনাস ওয়েদারে তার শরীর ঘেমে জুবুথুবু হলো।শাহরান গাড়ির সিটে মাথা হেলিয়ে চোখ বুজে ফেললো।মস্তিষ্কে খেলে গেলো বিগত আঠারো বছরের একটা একটা স্মৃতি।সমস্ত আবেগ,ভালো লাগা ভালোবাসা মুহূর্তেই বিতৃষ্ণায় রূপ নিলো।ফর্সা চোখের কার্নিশ গড়িয়ে দু ফোটা নোনতা জল গড়ালো।নিজেকে সামলে নিলো শাহরান।ঝটপট চোখ মুছল।নরম হৃদয়টা মুহূর্তেই কেমন শক্ত হয়ে গেলো।শাহরান বিড়বিড় করে বলে উঠলো
“আমার সমস্ত ভালোবাসা তোমার থেকে তুলে নিলাম আমি।আজ থেকে আমি মুক্ত।
গাড়ির পেছন গিয়ার ফেলে পেছনের দিকে গাড়ি স্টার্ট দিলো শাহরান।শক্ত করে স্কেলেটর চেপে বার কয়েক চেষ্টায় কাদা মাটি থেকে তুলতে সক্ষম হলো গাড়িখানা।অতঃপর হুইল ঘুরিয়ে ছুটে চললো কংক্রিটের রাস্তায়।বহু দিন বাদে বাড়ি ফেরার তাগাদা হানা দিলো মনে।
শাহরান যখন নিজের এপার্টমেন্ট এ ফিরলো তখন সব কিছু স্বাভাবিক শান্ত।সুফিয়ান চৌধুরীর কক্ষের আলো নেভানো।বেলকনিতে অস্থির অবস্থায় দাঁড়ানো দেখা গেলো নিনাদ কে।শাহরান কে দেখেও না দেখার ভান করে আকাশের পানে তাকিয়ে রইলো সে।কোনো প্রশ্ন করলো না।শাহরান এলোমেলো পায়ে এগিয়ে এলো।বললো
“খুব শীঘ্রই ক্যালিফোর্নিয়া ফিরে যাবার সময় এসেছে।আগামী সপ্তাহের ভার্সিটি ট্যুর শেষ করেই ফিরে যাবো।এখানে আর ভালো লাগছে না।
বলেই নিজের ঘরের দিকে হাঁটা ধরলো।নিনাদ ফট করে শুধালো
“ট্যুরে যাওয়া খুব জরুরি বুঝি?
তপ্ত শ্বাস ফেললো শাহরান।তাচ্ছিল্য হেসে জবাব দিলো
“এখানের সমস্ত দুঃখ কষ্ট মাটি চাপা দিয়ে তবেই দেশে ফিরবো।সঙ্গে করে কোনো স্মৃতি ওখানে নিবো না।লাইফটা গুছানো দরকার।বড্ড এলোমেলো হয়ে গেছে কি না সব কিছু।
আর দাঁড়ালো না শাহরান।চোখ জোড়া বড্ড ক্লান্ত।একটু ঘুমানো প্রয়োজন।
পরের দিন সকালে শাহরান নিজেকে একদম পাল্টে ফেললো।পোশাক থেকে শুরু করে চুলের কাটিং সব।এক রাতের ব্যাবধানেই তার মধ্যে ম্যাচিউরিটি এসে ভর করলো।সারফরাজ এর দেয়া গিটারটা আজ আর যত্নে ছুঁয়ে দিলো না।প্রথম বার গীটার ছাড়াই বেরিয়ে গেলো সে।সুফিয়ান চৌধুরী বায়না ধরলেন নাতির সঙ্গে যাবার জন্য।শাহরান হাসলো বিনিময়ে।বললো
“ওখানে তোমার বয়সী কেউ নেই নানাভাই।গিয়ে লাভ নেই।আমার ইম্পরট্যান্ট কিছু ক্লাস আছে।করেই ফিরে আসবো।
নিনাদকে নিয়ে বেরিয়ে গেলো শাহরান।বাইকে করে পৌঁছে গেলো ভার্সিটিতে।ভার্সিটির মাঠে ম্যাপল গাছের নিচে বেঞ্চে বসে আছে রোদ আর প্রিয়ন্তী।নিনাদ এক পলক তাদের দেখে বলে উঠলো
“সামনে রোদ বসে আছে।
শাহরান কাঁধ উচালো।পকেট থেকে কালো রোদ চশমা চোখে তুলে ঠোঁট উল্টে শুধালো
“হু ইজ শি?আ ডোন্ট নো হার!
নিনাদ অবাক হলো।শাহরান কোনো দিকে না তাকিয়ে ঠোঁটে কঠিন ভাব এনে সামনে দৃষ্টি স্থির করে হেঁটে চললো।শাহরানের নতুন লুকে ভার্সিটির মেয়ে গুলো দৌড়ে এলো।জিজ্ঞেস করলো নানান প্রশ্ন।কেউ কেউ ছুঁয়ে দিতে চাইল শাহরানের বলিষ্ঠ হাত জোড়া।কিন্তু সবাইকে পাশ কাটিয়ে ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে ক্লাস রুমের দিকে এগিয়ে গেলো শাহরান।দূর থেকে প্রিয়ন্তী সব খেয়াল করে রোদ কে বলে উঠলো
“কাল তোমার উচিত হয়নি ওকে এভাবে চড় মারা।অল্পতে বেশি রিয়াক্ট করেছো তুমি।আমার মনে হচ্ছে ও অনেক হার্ট হয়েছে।
রোদ শাহরানের দাম্ভিক চলনে মুখ বাকিয়ে বলে উঠলো
“মেয়ে পটানোর নতুন নাটক এসব।তুমি বুঝবে না।এই ছেলে চরম লেভেলের লজ্জাহীন।যখন দেখলো পিছন পিছন ঘুরে কাজ হচ্ছে না তখন নতুন ট্রিক্স ফলো করছে।বাট সে হয়তো জানেনা এসব ট্রিক্স বহু পুরোনো হয়ে গেছে।
প্রিয়ন্তী মাথা নাড়লো।ঘোর প্রতিবাদ করে বলে উঠলো
“তোমার কোথাও ভুল হচ্ছে রোদ।শাহরান শাহজাইন মেয়ে পটানোর মতো ছেলে নয়।
“ওর হয়ে সাফাই গাচ্ছ?
“সাফাই নয়।তুমি খুব পস্তাবে এমনটাই মনে হচ্ছে আমার।
এমন সময় প্রিয়ন্তীর এক ফ্রেন্ড দৌড়ে এলো।হাঁপাতে হাঁপাতে বললো
“গরম খবর আছে।
প্রিয়ন্তী অবাক হয়ে বলল
“কি গরম খবর?
এলিজা নামক মেয়েটি জোরে জোরে শ্বাস নিতে নিতে বললো
“ভার্সিটির হার্টথ্রুব শাহরান টিসি নিয়ে চলে যাচ্ছে।ভার্সিটি জুড়ে হৈচৈ শুরু হয়েছে এটা নিয়ে।প্রিন্সিপাল কিছুতেই মানতে পারছে না এই কথা।
প্রিয়ন্তী একবার রোদ কে দেখলো।এরপর তপ্ত শ্বাস ছেড়ে বলে উঠলো
“আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বার বার জানান দিচ্ছে তুমি বড্ড আফসোস করবে রোদ।বড্ড।
চলবে
Share On:
TAGS: চেকমেট সিজন ২, সারিকা হোসাইন
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৬
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন গল্পের লিংক
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ১০
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৪
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ৩
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৮
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৫
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৩