চেকমেট_২ ||১৫||
সারিকা_হোসাইন
(গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক।বাস্তবের সাথে কোনো মিল নেই)
দীর্ঘ বছর বাদে নিজের ঘরের দরজায় নাতনি এবং মেয়েকে বিধস্ত অবস্থায় দেখে চমকে উঠলেন চুপকথার বাবা।ব্যতিব্যস্ত হয়ে মেয়ের হাত চেপে শুধালেন
“কি হয়েছে?
চুপকথা জবাব না দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেলো।ভদ্রলোক আরেকটু চিন্তিত হলেন।রোদের পানে তাকালেন ঘটনা জানতে।জিজ্ঞেস করলেন
“তোমার বাবা মা কি ঝগড়া করেছে?
রোদ মাথা নাড়লো নিঃশব্দে।ভদ্রলোক কপাল কুচকালেন।বললেন
“এতো গুলো বছর কোনো অনুরোধ,অনুনয় বিনয় করেও তোমাদের এখানে আনা গেলো না।হঠাৎ তল্পিতল্পা গুটিয়ে এলে যে!
“এখানেই থাকবো নানা ভাই।ওখানের বাতাস বিষাক্ত হয়ে গেছে।
“তোমার পড়াশোনা?
“মানসিক ভাবে আমি অসুস্থ নানা ভাই।আম ডিপ্রেসড।প্লিজ ডোন্ট আস্ক মোর কুয়েশ্চন!
নিজের নানা কে ঠেলে ক্লান্ত শরীরে হেলে দুলে ভেতরে ঢুকলো রোদ।তপ্ত শ্বাস ফেলে মেয়ে আর নাতনির দিকে আরেকবার নজর ফেললেন ভদ্রলোক।এরপর নিজের ফোন থেকে ডায়াল করলেন রুদ্রের নম্বর।রুদ্র যেনো ফোনের অপেক্ষাতেই ছিলো।রিং হওয়া মাত্রই তুললো তা।
“বাবা!
“মেয়ে নাতনি দুটোকেই পাগল ছাগল বানিয়ে শেষমেষ পাঠালে নাকি ওরাই তোমার খাঁচা ছেড়ে পালিয়ে এসেছে?
রুদ্র জবাব দেবার ভাষা পেলো না।ভদ্রলোক চোখ বুজে বলে উঠলেন
“তোমার জেদ সব কিছু শেষ করে দিলো।এখনো সময় আছে মানুষ হও।
ভদ্রলোক আর কথা বলতে চাইলেন না মেয়ের জামাইয়ের সঙ্গে।জীবনের চরম ভুলটাই যেন হয়েছে এমন আনাড়ি ঘাড় ত্যা*ড়া লোকের সাথে মেয়ের বিয়ে দেয়া।
চুপকথার বাবা মেইন দরজা লাগিয়ে ধীর পায়ে মেয়ের ঘরের দিকে অগ্রসর হলেন।দরজা সামান্য ভেড়ানো।দরজায় নক করলেন ছোট করে।এরপর নিঃশব্দে মেয়ের ঘরে প্রবেশ করলেন।বিছানায় স্থির বসে আছে চুপকথা।চোখে মুখে হাজারো অভিযোগ।কিন্তু গলা ফাটিয়ে বলার ক্ষমতা দেয়নি বিধাতা।ভদ্রলোক একটা চেয়ারে বসে ইতস্তত করে বলে উঠলো
“তোমার মেয়ের জেদ তোমার স্বামীর মতো হবে এটা আমি কল্পনাতেও ভাবতে পারি নি।শাহরান খুব ভালো একটা ছেলে।তোমাদের দেমাগ বেশি।হেলায় হারালে এমন সমন্ধ।সুফিয়ান চৌধুরী খুব দুঃখ করলেন সেদিন।যাক সেসব কথা।অতীত ভুলে যাওয়াই ভালো।তোমার মেয়ের কপালে ছাই পরেছে এর জন্য সে নিজে দায়ী।এসব নিয়ে কথা বলতে গেলেই রাগ হচ্ছে।রেস্ট নাও।
বলেই চট করে উঠে দাঁড়ালেন তিনি।চুপকথা হতাশা মিশ্রিত শ্বাস ফেলে বলে উঠলো
“একবার ও বাড়িতে যেতে চাই।
চুপকথার বাবা ঠোঁট কামড়ে বলে উঠলেন
“ওরা আগের বাড়িটিতে এখন আর থাকেনা।ঠিকানা পাল্টেছে।নতুন ঠিকানা নেয়া হয়নি।সুফিয়ান চৌধুরীর আগের নম্বরটাও বন্ধ।
চুপকথা সমস্ত আশা যেন হারিয়ে ফেললে।সে হাতের আজলায় মুখ মুছে বলে উঠলো
“মানুষটা সব শেষ করে দিলো।সব।
মেয়ের আর্তনাদ আর করুন চেহারায় চুপকথার বাবা ব্যথিত হলেন।বললেন
“বাদ দাও।ভাগ্যে যা আছে তাই হবে।আর আরেকটা কথা!আর ফিরবে রাশিয়া?
চুপকথা ত্বরিত মাথা নাড়লো।
“কক্ষনো না।
আর কথা বাড়ালেন না ভদ্রলোক।মেয়েকে দুঃখ যাপন করতে দিয়ে বেরিয়ে এলেন।করিডোরে এসে নাতনির ঘরের দিকে একবার ঢু মারলেন।দেখলেন বারান্দার খোলা দরজায় এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে।নাতনির এহেন বিষণ্ণতা বৃদ্ধের মনে পীড়া দিলো।সে গলা খাকরি দিয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে বললেন
“রেস্ট নাও।সন্ধ্যায় তোমাকে একটা ফেস্টিভ্যালে নিয়ে যাবো।ভালো লাগবে তোমার।
রোদ মলিন মুখে নানার দিকে তাকিয়ে শুধালো
“কিসের ফেস্টিভ্যাল নানা ভাই?
“স্যাক্রমেনটো রিভার ফেস্টিভ্যাল।গেলেই দেখতে পাবে।জীবনে তো কিছুই দেখোনি রাশিয়ান বরফ ছাড়া।এবার যেহেতু এসেছো।জীবন টা উপভোগ করো।যেই হাল দেখতে পাচ্ছি তোমার।বেশিদিন বাঁচতে পারবে না।মরার আগে দেখে যাও দুনিয়াটা কত সুন্দর।
বৃদ্ধ বেরিয়ে এলেন নাতনির ঘর ছেড়ে।ভেবেছিলেন মেয়েটাকে বিয়ে দিয়ে মুক্ত হলেন।এবার শান্তিতে স্ত্রীর কাছে চীর নিদ্রায় শায়িত হতে পারবেন।কিন্তু সব যেন উলট পালট হলো।মানুষের স্বপ্ন সব সময় সত্যি হয় না।
ক্যালিফোর্নিয়া সাক্র্যামেন্ট নদীর তীরে আয়োজন করা হয়েছে বিশাল এক রিভার ফেস্টিভ্যাল এর।এই উৎসব কে কেন্দ্র করে নদীর আশেপাশের যত দূর দৃষ্টি যায় তত দূর সাজানো হয়েছে বাহারি রঙের আলোতে।সোনালী,হলুদ,বেগুনি ,কমলা আলোয় ঝলমল করছে চারপাশ।আকাশে উড়ছে হাজার হাজার ফানুস।সাক্র্যামেন্ট নদীর কালো জলে সাজানো আছে সারি সারি ছোট নৌকা।সেই নৌকায় রয়েছে একটি করে লন্ঠন।নিজের ভালোবাসার মানুষকে এই ছোট নৌকায় তুলে লন্ঠনের আলোয় নদীর ওপাড় পারি দিতে পারলেই আজীবন অটুট থাকবে বন্ধন।কোনো অপ শক্তি কিংবা পার্থিব বাধা ভাঙতে পারবে না এই ভালোবাসার বন্ধন।
সাধারণত বছরের নির্দিষ্ট একটি মাসের শেষের দিকে অন্ধকার চাঁদহীন একটা রাত কে বেছে নেয়া হয় এই উৎসবের জন্য।অনেকেই এই উৎসব কে বন্ডিং লাভ নাইটস হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।কারন তাদের ধারণা এই রাত সত্যিকারের ভালোবাসা বয়ে নিয়ে আসে।
রোদ তার নানা ভাইয়ের সাথে যখন সাক্র্যামেন্ট নদীর তীরে এসে পৌছালো তখন সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে গিয়েছে।নদীর জলে তার টকটকে কমলা রঙের আলো প্রতিফলিত হয়েছে।এই বুঝি নদীর ওপাড়ে ডুবলো তা।রোদ চারপাশে অপলক চমকিত দৃষ্টি নিক্ষেপ করে দেখলো।এত সুন্দর দৃশ্য এর আগে সে কখনো দেখেনি।নদীর বুকে চিরে ধেয়ে আসা শীতল বাতাস মুহূর্তেই তার সমস্ত বিষণ্নতা উড়িয়ে নিয়ে গেলো।নাতনির স্বস্তি বুঝতে পেরে বৃদ্ধ হাসলেন ঠোঁট এলিয়ে।এরপর মজা করে বললেন
“আবার বিদেশি কারো চোখে চোখ রেখো না।তাহলে কিন্তু সে তোমার পিছু ছাড়বে না।
রোদ বুঝলো না তার নানার কথার মানে।কিন্তু আশেপাশের যুবক যুবতীর উচ্ছাস এবং কথাবার্তায় কিছু বিষয়ে সে ক্লিয়ার হলো এবং উৎসব এর মূল হেতু আবিষ্কার করলো।মানুষের এসব কুসংস্কারী বিশ্বাস দেখে মনে মনে তাচ্ছিল্য হাসলো সে।এও কি কখনো সম্ভব?কোনো অন্ধবিশ্বাস আর উৎসব কি আর ভালোবাসা বয়ে নিয়ে আসতে পারে?
নানা ভাইকে ছেড়ে আনমনে রোদ হাটতে আরম্ভ করলো।ধীরে ধীরে সূর্য ডুবে রাত নেমে এলো।কোমল আলো গুলো চাঁদ হীন রাতের নিকষ অন্ধকার পুরোপুরি দূর করতে পারছে না।যেদিকে দুচোখ যাচ্ছে সেদিকেই মানুষের ভীড়।তাদের সকলের পরনে শুভ্র পোশাক।এদের মধ্যে কেউ নিজেদের ভালোবাসার পূর্ণতা প্রতিষ্ঠা করতে কেও উৎসব দেখতে কেউ অন্যের ভালোবাসার সৌন্দর্য উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছে এখানে।
আনমনে অন্ধকারের বুক চিরে হাটতে হাটতে কারো সঙ্গে শক্ত ধাক্কা খেলো রোদ ।মুখ তুলে উপরে চাইলো।কারো প্রশস্ত বুকের সাথে ধাক্কা খেয়ে বসে আছে সে।রোদ মিন মিন করে সরি বললো।সে মানুষটার মুখভঙ্গি বুঝার চেষ্টা করলো।কিন্তু ঘুটঘুটে অন্ধকার দৃষ্টি রোধ করলো।সামনের মানুষটা বুঝি বড্ড অহংকারী আর দাম্ভিক।দ্রুত নিজেকে সরিয়ে ভারী গলায় বলে উঠলো
“ইটস ওকে।
এরপর লম্বা পা ফেলে মিলিয়ে গেলো কোথায়।কিন্তু মানুষটার কথা রোদের কানে বাজতে লাগলো বারংবার।রোদ ঘোরের মধ্যে চলে গেলো।তার শরীর শিউরে উঠলো।সে পেছনে তাকালো।কেউ নেই।বাতাসে ভাসছে শুধু মানুষটার গায়ের নতুন গন্ধ।রোদ নিজেকে বুঝাতে চাইলো এটা তার মস্তিষ্কের ভ্রম।বার কয়েক মাথা নাড়ালো সে ।এগুতে চাইলো সামনে।কিন্তু বালু চরের শক্ত লতা গুলো যেনো তার পা পেঁচিয়ে ধরে আছে।রোদ নড়তে পারলো না এক মুহূর্ত।তার বুক ধড়ফড় করলো।শক্ত ভাবে মনকে প্রতিবাদ করলো।নিজেকে নিজেই বুঝ দিলো সে মানসিক ভাবে অসুস্থ।এটা শাহরান হতেই পারে না।আজকাল মানুষটাকে নিয়ে অধিক ভেবে অনুশোচনায় তার এমন অনুভূতি হচ্ছে। অবচেতন মন মানতে নারাজ এই অমোঘ সত্যি।তবুও রোদ নিজেকে সামলালো।বড় বড় শ্বাস ফেলে এদিক সেদিক ঘুরে নিজেকে ব্যস্ত করতে চাইলো।রোদের চারপাশে ভালোবাসায় অন্ধ কাপল।তারা একেক জন একেক জনের চাইতে বেশি ভালোবাসা উবস্থাপন করছে।কেউ কেউ করছে নানান পাগলামি।রোদের চোখে হঠাৎ ভেসে উঠলো বরফ ঝরা রাতে একাকী শাহরানের দাঁড়িয়ে থাকা।ছেলেটির করুন চোখ জোড়া কেমন তীক্ষ্ণ ভৎসর্না করে ধমকে উঠলো তাকে।রোদ কেঁপে উঠলো সেই ভৎসর্নায়।মনের পুরোনো দাগ মুছে ফেলে নদীর জলে দৃষ্টি পাতলো সে।অদূরে ছোট একটা নৌকা বাধা।তাতে টিমটিমে হারিকেন জ্বলছে।সলতে টা বোধ হয় তেলের নাগাল পাচ্ছে না।দমকা বাতাসে নিভু নিভু হাল তার।চারপাশের মানুষের ভালোবাসা নিজের মনকে জন্ত্রনা দগ্ধ করে পুড়িয়ে মা*রতে চাইছে।এসবের থেকে দূরে সরে যেতে চাইলো রোদ।দ্রুত পা চালিয়ে নৌকাটায় উঠে বসলো সে।এমন সময় মাইকে এনাউসমেন্ট বেজে উঠলো।
“নৌকা চালিয়ে নদীর ওপাড়ে গিয়ে যেই প্রথম কাপল চার্চের ঘন্টা বাজিয়ে অন্ধকার রাতের নীরবতা ভাঙতে পারবে সেই কাপল কে চার্চের ফাদার নিজে দাঁড়িয়ে বিয়ে দেবেন।
ঘোষণার সাথে সাথেই উন্মাদনা আর হৈচৈয়ে ভরে গেলো চারপাশ।কে কার প্রিয়তমা কে নিয়ে নৌকায় উঠবে তার শোরগোল শুরু হলো।এদিকে রোদ কে খুঁজে না পেয়ে বৃদ্ধ এদিক সেদিক ঘুরতে লাগলেন।একমাত্র নাতনিকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে এলো তার।এই বুঝি রুদ্ররাজ যমের ন্যয় সামনে দাঁড়িয়ে শুধায়
“আমার মেয়ে কোথায়!
রোদ নৌকার মাস্তুলে বসে বসে মানুষের পাগলামো দেখছে আর ভাবছে
“এই যুগে এসেও মানুষ এসব বিশ্বাস করছে?আর ভালোবাসা বুঝি এতই অমৃত?
রোদের ভাবনার মাঝেই কেউ লাফিয়ে উঠলো নৌকায়।এরপর বৈঠা হাতে নিয়ে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে চালাতে লাগলো নৌকা।বাতাস আর ঢেউ দুইএর সাথে পাল্লা দিয়ে ছুটে চলেছে নৌকা।রোদ হকচকিয়ে উঠলো।মিহি গলায় ইংরেজিতে বলে উঠল
“আরে আরে করছেন কি?পাগল নাকি?এসবের কোনো ভিত্তি নেই।তাছাড়া আপনাকে আমি চিনিও না।ঘন্টা বাজালেও লাভ নেই।আমি কিছুতেই আপনাকে বিয়ে করবো না।
রোদের অহেতুক বকবকানিতে পানি ঢেলে আগন্তুক বধির বোবার ন্যয় নৌকা চালানোতে মন দিলো।মিনিট বিশেকের মাথায় সমস্ত নৌকা পিছনে ফেলে পৌঁছে গেলো ওপাড়ে।এরপর কোনো বাক্য বিনিময় ছাড়াই নৌকা থেকে নেমে দৌড়ে চলে গেলো নদীর তীরের চার্চে।কোনো ভাবনা ছাড়াই বাজিয়ে দিলো ঘন্টা।অতঃপর চিৎকার করে বলে উঠলো
“যতদিন আমার বিয়ে না হচ্ছে ততদিন আমি কাউকে বিয়ে করতে দেব না।ফা***ইউ গায়েজ”
বলেই ফ্লাইং কিস ছুড়ে পুনরায় মিলিয়ে গেলো আঁধারে।এদিকে কিনারায় পৌঁছে যাওয়া সকল কাপল ফুঁসে উঠলো উক্ত মানবের এহেন আচরণে।নিজেদের অসম ক্ষোভ ধরে রাখতে না পেরে সকলেই ছুটলো সেই বদমা য়েশ মানব কে ধরতে।কিন্তু তাকে ধরে শা*স্তি দেয় কার সাধ্যি?
রোদ আহাম্মক হয়ে সবটাই দেখলো।কিছু মেয়ে তেড়ে গিয়ে রোদকে চেপে ধরলো
“তোমার প্রেমিকের জন্য আমাদের ভালোবাসা আটকে রইলো।
রোদ বড় বড় চোখ করে মাথা নেড়ে বলে উঠলো
“তোমরা ভুল ভাবছো।সে আমার প্রেমিক নয়।আমি তাকে চিনিই না।
সবাই তাজ্জ্বৰ হলো এই কথায়।কেউ কেউ মন ভার করে বলে উঠলো
“ইশ সে যদি তোমার সত্যিকারের প্রেমিক হতো কত ভাগ্যবতী’ই না হতে তুমি!
একে একে বিষন্ন মনে চলে গেলো সকলে।নৌকায় একাকী বসে রইলো রোদ।অদ্ভুত মানুষটাকে সামনে থেকে দেখার খায়েশ হলো তার।এত দুস্টু ও কোনো পুরুষ হয়?
এমন সময় রোদের ফোন বেজে উঠলো।স্ক্রিনে নানা ভাই লেখা।এতো হট্টগোলের মধ্যে ফোন কানে তুলতেই ওপাশ থেকে ব্যস্ত গলা ভেসে এলো
“কোথায় হারালে?
“নদীর এপাড়ে আমি
“কি সঙ্ঘাতিক কথা!ওখানে কিভাবে গেলে?
“যে ঘন্টা বাজিয়েছে তার সাথে!
“কে সে?
“জানিনা!
“আমাকে না জানিয়েই বিয়ে করে ফেলছো?
“সে পালিয়ে গেছে নানা ভাই।
চলবে
Share On:
TAGS: চেকমেট সিজন ২, সারিকা হোসাইন
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৫
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৪
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৯
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৮
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৩
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ৪
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ১২
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ১৩
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ৬
-
চেকমেট সিজন ২ পর্ব ২