অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ সিজন ২ পর্ব ১২
অবন্তিকা_তৃপ্তি
‘আমার রাজ্যটা তাহলে জয় করেই ফেলি; তিতলি? কি বলো?’
তিতলির বুকটা কেপে উঠে থরথরিয়ে। ও শোয়েবের চোখের দিকে একপল তাকাল। শোয়েব ওর চোখেই চেয়ে আছে। ওই চোখে কেমন একটা সমুদ্র ভাসছে। নীল, উত্থাল সর্বনাশা কোনো সমুদ্র দেখতে পাচ্ছে তিতলি। তিতলির শরীর কাপে। ও শোয়েবের থেকে চোখ নামিয়ে ফেলে, বলল কোনরকমে. . .—‘মাত্র. . .মাত্র সন্ধ্যা এখন।’
শোয়েবও আরো, আরো নিচু গলায় বলে——‘রাত ছাড়া কি মুড আনা যায়না?’
তিতলি ঢোক গিলে একটা।যতটা সহজ ভেবেছিলো; এই অনুভূতি; এই লজ্জাগুলো এতটাও সহজ নয়। বরং তিতলির ভীষন ভয় লাগছে। অস্থির; অশান্তি লাগছে, হুট করে।
তিতলি আলগোছে শোয়েবের বুকে ধাক্কা দিল——‘এখন..এখন না। আম্মু ডাকবে এখন।’
শোয়েব পুনরায় নিচু স্বরে মুখ ঝুঁকিয়ে এনে শোধালো——-‘মুখের কথা এমন আটকে . .আ-আ হয়ে যাচ্ছে কেন? ফোনে তো একটু আগে সেই রাগটা ঝাড়লে? এখন কথা বেরুচ্ছে না কেন; তিতলি? নাকি আমি ছুঁলেই এমন হয়ে যাও?’
তিতলি হেসে ফেলল এবার। কিছু বলবে, হঠাৎ পায়রার গলা শুনে——-‘তিতলি, নাস্তা রেডি। শোয়েবকে নিয়ে এসো।’
তিতলি উকি দিয়ে একবার দরজার দিকে তাকাল। দরজাটা ভেতর থেকে সিটকিনি আটকে দেওয়া। তিতলি সেটা দেখে তড়িগড়ি করে শোয়েবের থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে করতে বলল,
‘আম্মু ডাকছে। ছাড়ুন এবার।’
শোয়েবও আলগোছে ছেড়ে দিল তিতলিকে। তারপর তিতলির ড্রেসিং টেবিলের আয়নার সামনে দাড়িয়ে চুল ঠিক করতে করতে; হঠাৎ কিছু একটা সুঘ্রাণ নাকে এলো। শোয়েব শুকতে গিয়ে নিজের শার্ট উঁচু করে শুকলো এবার। ওর শার্টে তিতলির বডি মিস্টের স্মেল করছে। শোয়েব সাথেসাথে পেছন ফিরে তাকাল, তড়িগড়ি করে বলল,
‘এই তিতলি। শার্ট এ তো তোমার স্মেল করছে। কি একটা অবস্থা। আম্মু-আব্বু বাইরে; যাব কি করে?’
তিতলি বিছানা গোছাচ্ছিল নিজের। শোয়েবের কথা শুনে বলল, ——‘আমি তো পারফিউম বাসায় ইউজ করিনা।’
‘বডি মিস্ট দাও?’ — শোয়েব তখনও লজ্জায় শেষ একপ্রকার।
তিতলি তাকাল শোয়েবের দিকে—‘হ্যাঁ, চকলেট মিস্ট।’
শোয়েব হতাশ——‘স্মেল করছে তো। কি করব এখন? এভাবে বাইরে যাব?’
তিতলি ভীষণ হতাশ হয়ে ভ্রু কুচকে তাকিয়ে থাকে শোয়েবের দিকে। এই যে এখন এতটা অস্থির হচ্ছে শোয়েব;লজ্জায় যেন মারাই যাচ্ছে দেখো। আর ওর কাছে এলে; নির্লজ্জের সীমা পেরিয়ে ফেলে। এক মানুষের যে দুটো রূপ হয়, সেটা শোয়েবকে দেখেই সবার শেখা উচিত।
তিতলি হাতের বালিশ রেখে দিল বিছানায়। কি মনে করে, একটা শয়তানি বুদ্ধি হুট করে; আচমকা এটে ফেলল তিতলি। ও নাদান মুখ করে শোয়েবের দিকে এগুলো। শোয়েব ওদিকে বারবার শার্ট ঝাড়ছে যেন স্মেলটা একটুও যদি যায়। কিন্তু যাচ্ছেই তো না।
তিতলি এগুলো, মাসুমের মতো বলল,
‘স্মেলটা ঝাড়লে চলে যাবে না। এভাবেই বাইরে যেতে হবে, কিছুই করার নেই।’
শোয়েব তাকাল; ভ্রু কুঁচকে ফেলে—-‘মানে কি? ছেলেদের পারফিউম বা কিছু নেই তোমার কাছে?’
তিতলি ভ্রু কুচকে তাকাল, —-‘আশ্চর্য! কেন থাকবে ওগুলা? আমি কি ছেলে নাকি?’
শোয়েব বলে,
‘আরে আজকাল তো অনেকেই ইউনিসেক্স পারফিউম ইউজ করে: করো না তুমি?’
‘না, করিনা।’ — তিতলির সোজা জবাব।
শোয়েব আবারও আয়নায় তাকাল, বলল ওভাবেই,
‘আংকেলের রুম থেকে মিস্ট বা স্প্রে কিছু একটা নিয়ে আসো, যাও। এভাবে আমি বেরুব না, ইম্পসিবল জাস্ট। খুব কড়া স্মেল; কাছে এলেই বোঝা যাবে।’
বলতে বলতে শোয়েব এবার রাগলো,
—‘মেয়ে হয়ে এত কড়া বডি মিস্ট কেন মাখো? আর যেন না দেখি। এভাবে প্রতিবার জড়িয়ে ধরার পর যদি স্মেল শিফট করে, তাহলে আমার জন্যে তো প্রবলেম হয়ে যাবে, তিতলি। রিডিকিউলস পুরো। বিশ্রী একটা ব্যাপার।’
তিতলি চুপচাপ শোয়েবের এসব রাগ দেখে। পরপর এগিয়ে গিয়ে সিটকিনি খুলে দিয়ে শোয়েবের দিকে তাকাল,
—‘লজ্জা রাখুন। আর খেতে আসুন। স্মেল শিফট হয়ে গেলে আহামরি কিছুই হয়না। বাড়াবাড়ি করবেন না এখন। আম্মু ডাকছে। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আব্বুর রুম থেকে পারফিউম এনে দিব। এখন আসুন।’
‘মানে? আমি এভাবে এখন বাইরে . .এই তিতলি; কই যাচ্ছ? শুনো তো!’
ওদিকে তিতলি পুরো কথাটা না শুনেই মুখ বাকিয়ে চলে গেল ডাইনিং রুমে। শোয়েব ওদিকে গো-বেচারা পুরোই। আয়নার দিকে আবারও হতাশ দৃষ্টিতে তাকাল বেচারা। শশুরবাড়িতে এই লজ্জাটা তিতলি ওকে এভাবে দিল? মজা দেখাবে শোয়েব।
অতঃপর শোয়েব মুনতাসীর ডাইনিং টেবিলে একপ্রকার কোনঠাসা হয়ে বসে থাকল পুরোটাসময়। শার্ট খুলে টিশার্ট পড়েছে একটা এখন। তাও মনে হচ্ছে গলার দিকে স্মেল রয়ে গেছে ওর। কি একটা বিশ্রী ব্যাপার। শোয়েবের ভাবতেই লজ্জা লাগছে।
পায়রা এগিয়ে এলেন, পরোটা এগুবেন বলে, শোয়েব সাথেসাথেই উনাকে আটকে দিল। পায়রা অবাক, শোয়েব আমতা-আমতা করে বলল,
‘আমি নিয়ে খেতে পারব আম্মু। আপনি বসুন প্লিজ। হাঁটবেন এভাবে।’
পায়রা তো শুনে কি খুশি। ঘরের জামাই উনার জন্যে এত ভাবছে। উনি গিয়ে চুপচাপ বসলেন চেয়ারে। শোয়েব যেন বড় বাচা বেচে গেছে। শ্বাস ফেলে কিরমির করে তিতলির দিকে তাকাল শোয়েব। ওদিকে তিতলি চোরের মতো মুখ ঝুঁকিয়ে খেতে ব্যস্ত।
পায়রা খেতে খেতে বললেন,
‘তোমাদের বাস কখন শোয়েব?’
‘তোমাদের? আমরা কোথাও যাচ্ছি নাকি?’ — তিতলি এতক্ষণে মাথা তুলে প্রশ্ন করল।
শোয়েব নির্বিগ্নে জবাব দিল,
‘আজকে রাতে, বারোটায় পর।’
‘ও। এত রাতে কেন রাখলে? বিপদ তো বলে আসেনা আজকাল। এমনিতেই রাস্তার অবস্থা খুব একটা ভালো না। পারবে তোমরা?’
‘সমস্যা হবে না আশা করছি। সবাই তো যাচ্ছে। আমার বন্ধু আর ওর ওয়াইফও যাচ্ছে।’
পায়রা-শোয়েব ওদের মতো কথা বলে যাচ্ছে। ওদিকে তিতলি ভ্যাবলার মতো ওদের দুজনকে দেখে যাচ্ছে। শোয়েবকে এবার বলল তিতলি,
‘কই যাচ্ছি আমরা? আমি কেন জানি না এটার ব্যাপারে?’
শোয়েব জবাব না দিয়ে পায়রার দিকে তাকাল,
‘আপনি আর আব্বু চলেন আমাদের সাথে আম্মু।’
খুবই ফর্মাল একটা কথা। শোয়েব জানে, পায়রা মেয়ে-মেয়ে জামাইয়ের সাথে যাবে না কোনদিন, তবুও কথার কথার জন্যে জিজ্ঞেস করা আরকি। পায়রার উত্তরও একই ছিলো,
‘না, এখন তোমরা দুজন ঘুরে আসো। আমি নাহয় পরে যাব।’
শোয়েব খেতে খেতে মাথা দুলালও স্রেফ। তিতলির রাগ হচ্ছে: ওকে কেউ কিছুই বলছে না, অথচ ও জানেইনা আজ রাতে ওর বাস টিকেট কাটা।
পায়রা ওদিকে শোয়েবকে বললেন,
‘আমার মেয়ে এটা তোমাকে অনেক জালাবে দেখো। একদম শান্তি করে দু দণ্ড এক জায়গায় বসে না। আর হোচট তো দিনে একশোটা কমপক্ষে খাওয়া লাগে ওর। খুবই যন্ত্রণা তিতলিকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়া। তোমার আব্বু আর আমি তো ওকে নিয়ে গেলে ওর টেনশনেই থাকি সবসময়। ভালো একটা বাচ্চা না আমাদের।’
পায়রা কথাটা বলে চোখ রাঙিয়ে তাকালেন তিতলির দিকে।যেন তিনি এখুনি দেখতে পাচ্ছেন উনার আদরের মেয়ে জামাই শোয়েবকে বেড়াতে গিয়ে টেনশন আর যন্ত্রণা দিচ্ছে তার চূড়ান্ত এই ক্লামসি মেয়ে।
ওদিকে শোয়েব স্রেফ উত্তর মুচকি হাসল, এটুকু বলল,
‘সমস্যা নেই, আমি দেখে রাখব এনাকে।’
পায়রা তবুও আশ্বস্ত হলেন না। তিতলিকে বললেন,
‘একদম লম্ফ-ঝম্প করবে না ওখানে, তিতলি। শোয়েবের আশেপাশেই থাকবে, ও যেখানে যায় সেখানে যাবে: এক বেরুবে না।তোমার সাজেক তো যাওয়া হয়নি কোনদিন। শোয়েব তো গেছে কবার। তুমি তাই ওকে ফলো করবে, ওর কথা শুনবে ওইখানে।’
‘সাজেক? হোয়াট?’ —- তিতলি আহাম্মক পুরোই। হা করে শোয়েবের দিকে পরপর তাকাল। তিতলির ভীষণ রাগ হলো, দাঁত কিরমির করে তাকাল ও শোয়েবের দিকে,
‘ও. . আমরা তাহলে সাজেক যাচ্ছি। তাইনা?’
শোয়েব পুরোই বাচ্চাদের মত মাসুম চেহারা নিয়ে তাকাল তিতলির দিকে,
‘হ্যাঁ। তোমার বন্ধ আছে কদিন তাই প্ল্যানটা করলাম। খুশি হয়েছ?’
তিতলি রাগ বাড়ছেই তরতর করে। কিন্তু মায়ের সামনে তার আদরের মেয়ে-জামাইকে তো আর কিছু বলা যাচ্ছে না। তাই তিতলি বুদ্ধিমতির ন্যায় চুপ থাকল পুরোটাক্ষণ।
তিতলি রুমে এসেই বালিশ ঠিক করে বিছানার একদম কোন ঘেষে শুয়ে পড়ল। শোয়েব ওই রুমে নিউজ দেখছিল, আর গরম পানি খাচ্ছিল। শোয়েব কিছু খাওয়ার পর উম গরম পানি খায় প্রতিবেলা, শরীর ফিট রাখার জন্যে। সেটা খাওয়া আইস করে খানিক পর রুমে এলো। এসে দেখে তিতলি ঘুমিয়ে গেছে।
শোয়েব সিটকিনি আটকে দিয়ে তিতলির পাশে এসে বিছানায় বসল। ডাকল ওকে,
‘এই তিতলি? এখন ঘুমালে কেন? ব্যাগ প্যাক করবে না? টাইম নাই তো আমাদের। অলরেডি নয়টা বাজে।’
তিতলি চোখ বন্ধ করে; শান্ত কণ্ঠে জবাব ছুড়ল,
‘যাব না আমি। আপনি একাই যান।’
শোয়েব বুঝতে পারল— আবহাওয়া ভালো না, বেশ গরম, উত্তপ্ত।
শোয়েব হাসল। বোকা বোকা হেসে তিতলির চোখের উপর থেকে কুশন সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করে বলল,
‘আরে রাগ করলে নাকি? কি একটা অবস্থা। তোমাকে সারপ্রাইজও কি দিতে পারব না আমি? প্রতিবার সারপ্রাইজ দেখলেই রাগ করে যাও। কি মুসিবত।’
তিতলির আরো রাগ হলো। ও শোয়েবের থেকে কুশন ছাড়িয়ে এনে ওপাশ ফিরে গেল, উত্তর দিল না একটা কথারও।
শোয়েব ওদিকে হাসে। ওর বেশ মজা লাগছে তিতলির রাগ দেখে। শোয়েব আলগোছে তিতলির পাশটাতে শুয়ে ওকে পেছন থেকে জোড়ওয়ে ধরল। তিতলির রাগ হলো বেশ। ও জোর করে পেটের উপর থেকে শোয়েবের হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বলল,
‘স্মেল শিফট হয়ে যাবে, ছুঁবেন না।’
‘হোক। স্মেল শিফট হলে প্রবলেম নেই। আমরা রাতে রেস্টুরেন্টে খাব,বাস থেকে নেমে। আম্মু-আব্বুর সামনে পড়বো না আর।’
‘তাও ছাড়ুন। আমি ঘুমাব। আপনি যান, বাস জার্নি করেন গিয়ে। আমি যাব না।’
তিতলি কথাটা বলে শোয়েবের থেকে আরো সরে শুলো। শোয়েবও আরো ঘেঁসল,
‘আর কত কর্নারে যাবে? এখন নির্ঘাত বিছানা থেকে ধপাস করে পড়া যাবা। এদিকে ঘেঁষে আসো।’
তিতলি শান্ত, —-‘পড়ব না, ছাড়ুন আমাকে। আমি ঘুমাব।’
তিতলি কথাই শুনছে না। তাই শোয়েব একটা কাজ করল হঠাৎ, আচমকা। ও তিতলির পিঠের নিচে হাত ঢুকিয়ে আচমকা তিতলিকে শুন্যে তুলে এনে নিজের ওপাশে টেনে এনে বুকে রাখল। ওদিকে তিতলি অবাক। হা করে শোয়েবের দিকে একবার তাকিয়ে, নিজের দিকে আবার তাকাল।
ও কি এতই শুকনো? শোয়েব এভাবে শুন্যে তুলে ফেলল? ইয়া খোদা.!
শোয়েব তিতলিকে কঠিন করে দুহাতে আটকে জড়িয়ে ধরল,
‘এখন কই যাবা? আমার সাথে শক্তি দেখাও? হু? বাতাসেই তো উড়ে যাবা; যা বডি তোমার।’
তিতলি দাঁত কিরমির করে শোয়েবের দিকে তাকাল,
‘আমার ফিগার পারফেক্ট একদম। মডেল ফিগার বলে এটাকে।’
‘কে বলছে এটা পারফেক্ট ফিগার? সিরিয়াল দেখে জেনেছ?’
‘সিরিয়ালে এগুলা বলে না।’
‘যেখান থেকেই জানো, এখন আমি বলছি। এমন ফিগার থাকলে তোমারই ভবিষ্যতে কষ্ট হবে। ধকল নিতে পারবে না। তাই মোটা হও একটু, বুঝছো?’
‘না, মোটা হলে বাজে দেখবে আমাকে। কুমড়ো পটাশ লাগবে দেখতে।’
‘কচু লাগবে। ভালো লাগবে দেখতে পাগল। আমিও ধরে আরাম পাব। এখন তো হাড্ডি লাগে হাতে শুধু। তখন মাংস বাড়লে আরাম পাব হাতে।’
তিতলি লজ্জা পেয়ে গেল হুট করে। শোয়েবের হাতটাতে থাপ্পড় বসায়, শাসায়ও——‘চুপ, অসভ্য। কিসব বলেন এগুলো?’
‘আরে, সত্য কথা এগুলো। মারো কেন? শরীর একটু মোটা হলে তোমারই লাভ, বুঝেছো? শুকনা শরীরে অনেক কষ্ট রে পাগল। বুঝবা একদিন।’
তিতলি এবার লজ্জায় মরিমরি। কুশন তুলে শোয়েবের বুকের উপর মারতে থাকে——-‘চুপ, চুপ, একদম চুপ। খালি অসভ্য কথা। মুখ সেলাই করে দিব একদম। ইশশি!’
শোয়েবও হাসতে থাকে। ও হাসতে হাসতে তিতলির থেকে কুশন কেড়ে নিয়ে একপাশে ফেলে দিল। তারপর তিতলিকে আবার বুকে টেনে এনে, মৃদু স্বরে বলল,
‘সাজেকে কিন্তু আমাদের প্রথম হানিমুন তিতলি।’
তিতলি কেপে উঠে। ও শোয়েবের বুকের টিশার্ট খামচে ধরে দুটো আঙুলে, ছোট শ্বাস ফেলে নিজেকে স্বাভাবিক করে আবারও। শোয়েব একসময় বলে উঠে,
‘সাজেকেই বুঝতে পারবে মোটা হওয়ার কথা তোমাকে এত কেন বলি? প্রাক্টিক্যালি বুঝতে পারবে তখন।’
‘ইছ! আবার জঘন্য চিন্তা।’ —- তিতলি খামচে ধরে শোয়েবের গলার পাশটা। শোয়েব হেসে উঠে শব্দ করে,—‘খামচায় না পাগল।’
চলবে
বেশ বড় পর্ব। সবাই রিঅ্যাক্ট-কমেন্ট করবেন। আমি আজ সবার কমেন্টের রিপ্লাই করব। গত পর্বে করা হয়নি; সরি তার জন্যে। আজ অবশ্যই করব।
Share On:
TAGS: অবন্তিকা তৃপ্তি, অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ সিজন ২
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ ২ পর্ব ২
-
ডেনিম জ্যাকেট পর্ব ২৩
-
ডেনিম জ্যাকেট পর্ব ৫২
-
অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ সিজন ২ পর্ব ৪
-
ডেনিম জ্যাকেট পর্ব ৭
-
ডেনিম জ্যাকেট অন্তিম পর্ব
-
ডেনিম জ্যাকেট পর্ব ১৭
-
ডেনিম জ্যাকেট পর্ব ৬
-
ডেনিম জ্যাকেট পর্ব ৪৯
-
ডেনিম জ্যাকেট পর্ব ৩০