Golpo romantic golpo চেকমেট সিজন ২

চেকমেট সিজন ২ পর্ব ৬


চেকমেট_২ ||৬||

সারিকা_হোসাইন

সুফিয়ান চৌধুরী কে ঝাপ্টে ধরে কোলে তুলে ফেললো শাহরান।এত চোট কুলাতে পারলেন না বৃদ্ধ সুফিয়ান।ভয়ে আঁতকে উঠলেন তিনি।এরপর ধরফরিয়ে বললেন

“আরে থাম থাম,মারবি নাকি আমায়?আমি এখনই মরতে চাই না।তোর বউয়ের হাতের রান্না না খেয়ে মরলে বড্ড আফসোস হবে কবরে।

শাহরান শুনলো না।সে সুফিয়ান চৌধুরীকে কোলে তুলেই হাঁটা ধরলো সিঁড়ি অভিমুখে।প্রানের শঙ্কায় শাহরান কে কয়েক ঘা লাগিয়ে নীচে নামলেন সুফিয়ান।অতঃপর গলা খাকরি দিয়ে বলে উঠলেন

“অনেক মজনু গিরি দেখানো হয়েছে।এবার ফিরে চলো।কোনো না শুনতে চাই না!

ফিরে যাবার কথা শুনে শাহরান স্তম্ভিত হলো।তার বুক কেঁপে উঠলো।চোখ দুটো কেমন কাতর হয়ে উঠলো।মুখের হাসিটাও উবে গেলো।শাহরান ছোট করে জবাব দিলো

“আমার ফিরে যাবার সকল পথ বন্ধ নানা ভাই।

সুফিয়ান চৌধুরী ধমকে উঠলেন

“নিজের বাপের মতো কথা বলো না।আমি তোমাকে নিতে এসেছি।তোমার মা বাবা ভালো নেই।পথ বন্ধ সে আবার কি কথা?তোমার পথে বাউন্ডারি দিয়েছে কেউ?বাউন্ডারি ভাঙার তাকত এখনো এই সুফিয়ান চৌধুরীর আছে।

বলেই শাহরান কে ফেলে লাঠি ভর দিয়ে দুতলায় চলে গেলেন সুফিয়ান চৌধুরী।শাহরান তার নানার নিষ্ঠুর চলনে তাকিয়ে আওড়ালো

“আমিও তো ভালো নেই নানা ভাই।কেউ কোথাও ভালো নেই।শুধু ভালো আছে রুদ্ররাজ চৌধুরীর নিষ্ঠুর মেয়েটা।

নিনাদ দৌড়ে এসে সুফিয়ান চৌধুরীর লাগেজ নিয়ে ঘরে রেখে দিলো।অতঃপর আয়েশ করে বসে শুধালো

“তা হঠাৎ এখানে কেনো নানা ভাই?

“তোদের নিতে এসেছি।বহুত থাকা হয়েছে।তোর বাপ সকাল বিকাল চোখ গরম দেখায় আমাকে।বুড়ো বয়সে এসব নিতে পারি না।আর তোর মা আমাকে দেখলেই ঘ্যান ঘ্যান জুড়ে।ভাগ্নি না হয়ে অন্য কেউ হলে এতদিন সরফরাজ কে দিয়ে তোর মায়ের সমস্ত প্যান প্যানানি বন্ধ করে দিতাম।

বলে শাহরানের পানে তাকালেন সুফিয়ান চৌধুরী।এরপর চোখে মুখে বিতৃষ্ণা ফুটিয়ে বলে উঠলেন

“সরফরাজ আমায় সকাল বিকাল কথার বানে খুন করছে।আমার জন্যই ছেলে বিগড়েছে তার দোষারোপ করছে।বাড়ি তো নয় যেন আস্ত উনুন।পেছন জ্বলে পুড়ে কাবাব হয়ে যাচ্ছে অথচ বাতাস টুকুন করতে পারছি না।

নিনাদ আড় চোখে শাহরান কে দেখলো।এরপর রয়ে সয়ে বললো

“অনেক বুঝিয়েছি।ওই মেয়ের মধ্যে কি আছে জানিনা।কোনো ভাবেই নড়াতে পারছি না এখান থেকে।মেয়েটা ওকে পাত্তাই দিচ্ছে না নানাভাই।তবুও নির্লজ্জের মতো মেয়েটার পিছে পিছে ঘুরছে।

সুফিয়ান চৌধুরী গায়ের ওভারকোট খুলতে খুলতে জবাব দিলেন

“দেবেও না।মেয়েরা ছ্যাচড়া ছেলেদের একদম পছন্দ করে না।ওর জায়গায় আমি হলে বাচ্চা পয়দা করে ফেলতাম দুই ডজন।

বলেই উঠে দাঁড়িয়ে নাতির উদ্দেশ্যে বললেন

“কাল একবার তার মুখোমুখি করো আমায়।আমি সরাসরি কথা বলতে চাই তার সাথে।দেখি কেমন হৃদয়হীন বাপের হৃদয়হীন বেটি হয়েছে।তাছাড়া বহু দিন হয়েছে রুদ্ররাজ এর সঙ্গে সাক্ষাৎ নেই।একবার মুখোমুখি বসে এক কাপ চা খাওয়া প্রয়োজন।

শাহরান মাথা ঝাকিয়ে গেস্ট রুম ইঙ্গিত করে বলে উঠলো

“শুয়ে যাও নানা ভাই।অনেক রাত হয়েছে।

সুফিয়ান চৌধুরী নিজ কক্ষে চলতে চলতে ব্যথিত গলায় জবাব দিলেন

“রাতের গভীরতা আমাকে না দেখিয়ে নিজেকে দেখাও।সুন্দর চোখ জোড়ার নীচে কালচে দাগ ঠিক মানাচ্ছে না।এসব মেয়েদের সৌন্দর্য।পুরুষের নয়।

আর কথা হলো না কারোর।নিনাদ ফস করে শ্বাস ফেলে নিজ কক্ষে দরজা আটকে দিলো।সুফিয়ান চৌধুরী আলো নিভিয়ে গান ধরলেন

“যদি থাকে নসিবে আপনি আপনি আসিবে।

শাহরান পুরো গানটা শুনে তাচ্ছিল্য হাসলো।তার নসিব কি এতোই সুপ্রসন্ন নাকি?


রুদ্ররাজ এর বিশ্বস্ত সঙ্গী কেভিনের একমাত্র ছেলে উইলসন।লম্বা চওড়া আর সৌন্দর্যে হলিউড তারকা হার মানায়।পড়াশোনা করেছে ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে।চাকুরীর প্রতি মোটেও ঝোঁক নেই তার।স্বপ্ন বিজনেস ম্যান হওয়া।রুদ্রের এক কথায় উইলসন নিজের সমস্ত ব্যস্ততা ফেলে হাজির হয়েছে বডিগার্ড হতে।সকাল সকাল রোদ নিজেকে তৈরি করে নিলো।আজ নিজেকে একটু রিফ্রেস লাগছে।প্রিয়ন্তী কে কথায় কথায় অদ্ভুত ভাবে গিফট পাওয়া খরগোশ গুলোর কথা জানিয়েছিলো রোদ।প্রিয় খরগোশ দুটো কে দেখতে চেয়েছে।যেহেতু সঙ্গে উইলসন আছে তাই এদুটোকে সঙ্গে নিয়ে যেতে কোনো ঝামেলা নেই।
দুই হাতে দুটো খরগোশ নিয়ে বুকের সাথে চেপে গাড়ির কাছে এসে দাড়ালো রোদ।গাড়ির পাশ থেকে কালো স্যুট টাই আর ওয়্যারলেস ডিভাইস নিয়ে বেরিয়ে এসে গাড়ির দরজা খুলে মেলে ধরলো উইলসন।এক পলক উইলসন কে দেখে চোখের পলক হারালো রোদ।যেনো ভুল করে হলিউড মুভিতে ঢুকে পড়েছে সে।

“গেট ইন।

উইলসনের ভরাট গলায় সম্বিত ফিরে পেতেই হকচকিয়ে গাড়ির ভেতর বসে পরলো রোদ।কোন বাক্য বিনিময় না করে রোবটের মতো চালকের আসনে বসে ইঞ্জিন স্টার্ট করে স্মুথ স্টিয়ারিং হুইল ঘুরালো উইলসন।চলতে লাগলো ভার্সিটির উদ্দেশ্যে।


গাড়ি থেকে নেমেই প্রিয়ন্তীর সঙ্গে দেখা হলো রোদের।মেয়েটা উইলসন কে দেখে কথা বলার সমস্ত ভাষা হারালো।মনে হলো এসব স্বপ্ন নয়তো সিনেমা।উইলসনের সাদা গাল দুটো টিপে পরখ করতে ইচ্ছে করল তার।সে হাত বাড়ালো।কিন্তু পাত্তা না দিয়ে দূরে সরে আড়াআড়ি হাত ভাঁজ করে দেহরক্ষী স্টাইলে দাঁড়িয়ে রইলো উইলসন।অপমানিত বোধ করলো প্রিয়ন্তী।নিজেকে স্বাভাবিক করতে খরগোশ দুটো নিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগলো।ভার্সিটি আজ প্রায় ফাঁকা।গত দিন ভ্যালেন্টাইন গিয়েছে।প্রেমিক কাপল রা নিজেদের মতো টাইম স্পেন্ড করছে।প্রিয়ন্তী নিজেও জানিয়েছিলো রোদ কে আজ সে আসবে না।কারন ক্লাস হবার সম্ভাবনা খুবই কম।তবুও মেয়েটা এসেছে সঙ্গে তাকেও ঘুম ভাঙিয়ে এনেছে।কি তার কারণ তা জানে না প্রিয়ন্তী।রোদ মেয়েটা বড্ড জটিল।তার মনের কথা বোঝা তো দূর আন্দাজ পর্যন্ত করা যায়না।

প্রিয়ন্তী যেই খরগোশের কানটা বেশি কালো ওটাকে হাতে নিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলো।খরগোশ ছানার পছন্দ হলো না অপরিচিত স্পর্শ।সে লাফিয়ে নামলো মাটিতে।এরপর এদিক সেদিক ছুটোছুটি করতে লাগলো।হঠাৎ খরগোশ ছানার কি হলো কে জানে?মাঠের ভেতর এলোপাতাড়ি দৌড়াতে আরম্ভ করলো।রোদ ঘাবড়ে গেলো ।যদি গেট পেরিয়ে মেইন রোডে চলে যায় তবে গাড়ি চাপা খাবে।নিজের হাতের টা উইলসন এর কাছে দিয়ে ছুটলো ছুটে চলা খরগোশের পিছু।ইতোমধ্যে সে খরগোশ দুটোর নাম দিয়েছে।ফুজি আর ফুতু।ফুজি শান্ত।কিন্তু এই ফুতু বড্ড অশান্ত আর দুস্টু।রোদ খরগোশের পিছু পিছু গুটি গুটি দৌড়াতে দৌড়াতে ডাকতে আরম্ভ করলো

“ফুতু স্টপ হেয়ার।

ফুতু শুনলো না।সে মরিয়া হয়ে দৌড়ালো।খরগোশের পায়ের জোড় বাড়লো।হাঁপিয়ে উঠলো রোদ।প্রিয়ন্তী নিজেও ছুটলো।হঠাতই পরিবেশ তপ্ত হয়ে উঠলো।ফুতু নিয়ন্ত্রণের বাহিরে।এরই মাঝে গেট দিয়ে ধেয়ে আসছে কালো ব্র্যান্ড নিউ মার্সিডিজ গাড়ি।গাড়িটি কার রোদ জানে।রোদ কেঁপে উঠলো।সে ফুতুর নাম ধরে চিৎকার করলো।ফুতু শুনলো না।ফুতু আর গাড়ির দুরুত্ব চুল পরিমাণ।চিৎকার দিয়ে কানে হাত দিয়ে মাটিতে বসে গেলো রোদ।ফুতু ততক্ষনে গাড়ির নীচে।শক্ত ব্রেক কষলো গাড়ির মালিক।সে পড়িমরি করে বেরিয়ে এলো।গাড়ি থেকে শাহরান কে নামতে দেখেই রাগে হিতাহিত জ্ঞান খোয়ালো রোদ।এই নোংরা ছেলেটা যেদিন থেকে তার কপালে জুটেছে সেদিন থেকেই দুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না।রোদ আজ আর নরম খোলসে বন্দি থাকলো না।তার রক্ত এতোটাও শীতল নয়।সে ক্ষিপ্ত গতিতে শাহরানোর সামনে দাঁড়ালো।কোনো কিছু না ভেবেই সপাটে বসালো এক চড়।সহসাই ফর্সা গালে চারটে আঙুলের ছাপ স্পষ্ট লাল হয়ে উঠলো।শাহরান যেনো ঘোরের মধ্যে চলে গেলো।মেয়েটা কি জানে এই খরগোশ তার জীবনে কতোটা জুড়ে ছিলো?ভার্সিটির সকলেই স্তব্ধ দাঁড়িয়ে রইলো এই দৃশ্যে।প্রিয়ন্তী কেঁপে উঠলো।রোদ চিৎকার করে বলে উঠলো

“যেদিন থেকে তুই আমার সামনে পরেছিস সেদিন থেকে আমার লাইফ হেল হয়ে যাচ্ছে ।জীবনের সব শান্তি হারিয়ে যাচ্ছে,নিজের প্রাইভেসি লস হচ্ছে।বিরক্তের পর বিরক্ত করে চলেছিস তুই আমায়।যদি পারতাম তবে তোকে খুন করে নিজের সব কিছু আবার আগের মতো ঠিক করে নিতাম।আই উইস ইউ ওয়ার ডেড!

রোদের কথা শেষ হবার আগেই উইলসন তেড়ে এসে শাহরানের ঠোঁট বরাবর শক্ত এক ঘুসি বসালো।শাহরান পাল্টা দৃষ্টি পর্যন্ত মেললো না।কানে এখনো রোদের কথাটা বেজে চলেছে

“ইশ যদি তুমি মরে যেতে!

শাহরান কাতর চোখে রোদের পানে তাকিয়ে রইলো।কি কঠিন হৃদয়ের অধিকারী অতীব সুন্দরী এই রমণী।অথচ তার পায়ে নিজের জীবন সপেছে সে।

কয়েক মুহূর্ত গড়াতেই ফুতু গাড়ির নিচ থেকে অক্ষত বেরিয়ে এলো।মুখে একটা ঘাস।ফুতু তার মনিব কে চিনে ফেললো নিমিষেই।শাহরানের কাপড় বেয়ে বেয়ে উঠে গেলো কাঁধে এরপর অভিনব কায়দায় ঘাড়ে বসে চিবুতে লাগলো সেই ঘাস।কিন্তু শাহরান নির্বিকার।রোদ ফুতুকে দেখে প্রাণ ফিরে পেলো যেনো।সে দৌড়ে গিয়ে টেনে হিচড়ে আনতে চাইলো ফুতুকে।ফুতু শাহরানের শার্টের কলার কামড়ে ধরলো।সে তার মনিবকে ছাড়া আর কোত্থাও যাবে না।ফুতুর নখের আঁচড়ে শাহরানের ফর্সা ঘাড়, গলা রক্তাক্ত হলো।কিন্তু ফুতু নাছোড়বান্দা।শাহরান শক্তি হীন মানুষের ন্যয় বলে উঠলো

“তুমি চাইলে তো প্রানটাই দিয়ে দিই যাতে তুমি খুশি থাকো,তাহলে কি করে ভাবলে তোমার সেই খুশি আমি নির্দয়ের মতো কেঁড়ে নেবো?আমাকে কি এরকমটাই মনে হয় তোমার রোদসী অরোরা?

রোদ নির্দয়ের মতো ফুতু কে নিজের মুঠোয় নিয়ে হনহন করে হাঁটতে আরম্ভ করলো।অতঃপর পুনরায় বলে উঠলো

“যেদিন শুনবো তুমি আর নেই সেদিন প্রাণ খুলে হাসব।একটু আগেই বললে আমার হাসির জন্য প্রাণ নাকি দেবে।তা দিয়ে দেখাও!

শাহরান ভার ছেড়ে পরে যেতে চাইলো।আহ কি নিদারুণ জন্ত্রনা এক তরফা ভালোবাসার।এ পাশের মানুষ ভালোবাসার কাঙাল আর ওপাশের জন ভালোবাসার সওদায় বড্ড কৃপন।

নিনাদ এসে শাহরানের বাহু চেপে বলে উঠলো

“চল।

শাহরান রোদের যাবার পানে আঙ্গুল উঁচিয়ে আনমনে শুধালো

“ও আমাকে মরে যেতে বললো রাইট?দেখেছিস কতোটা ঘৃণা করে আমায়?

বলেই ছলছল চোখে নিনাদের পানে তাকালো শাহরান।উন্মাদের ন্যয় শুধালো

“আমাকে কি আসলেই এভাবে ঘৃণা করা যায়?

নিনাদ মাথা ঝাকিয়ে শাহরান কে টেনে নিয়ে বলে উঠলো

“লিভ হার।বাড়ি চল।

শাহরান যেনো পাগল হয়ে উঠলো।মিহি কন্ঠটা কানের চারপাশে চিৎকার করে চলেছে।নিজেকে সামলানো দায় হয়ে পড়লো।শাহরান নিনাদ কে ছাড়িয়ে গাড়িতে উঠে বসলো।নিনাদ কিছু বুঝে উঠবার আগেই পুরো মাঠে চক্কর কেটে বেরিয়ে গেলো রাস্তায়।নিনাদ মাথার চুল খামচে ধরে চিৎকার করে উঠলো

“ওহ শীট।

নিনাদ উপায়ন্তর না পেয়ে রোদের কাছে দৌড়ে গিয়ে বলে উঠলো

“প্লিজ কল করে একবার ওকে চলে আসতে বলো প্লিজ।ও সত্যি মরে যাবে।

এই ছেলেটার এসব বাড়াবাড়ি দেখতে দেখতে রোদ ত্যাক্ত বিরক্ত।নিশ্চয় নতুন কোন নাটক ভেবেই রোদ কঠিন গলায় জবাব দিলো

“মরে যাক।তাতে আমার কি?

“তুমি পস্তাবে রোদ

ধমকে উঠলো নিনাদ

“কোন দুঃখে?

রোদের প্রশ্নে নিনাদ তপ্ত শ্বাস ফেলে দৌড়ে বেরিয়ে গেলো।এরপর নিজের ফোন থেকে কল করলো সরফরাজ কে

“চাচ্চু শাহরান সুইসাইড এটেম্পট করেছে।

সারফরজ নিনাদের কথায় বাঁকা হাসলো।অতঃপর বললো

“ওটা সিংহের বাচ্চা কোনো বিড়ালের বাচ্চা নয়।তুই রিল্যাক্স কর বাসায় গিয়ে।রেসিং খেলা শেষ হলে নিজেই ফিরে আসবে।

নিনাদ ভয়ার্ত গলায় বলে উঠলো

“চাচ্চু মেয়েটা ওকে মরে যেতে বলেছে।

সহসাই সরফরাজ এর চোয়াল শক্ত হয়ে কেঁপে উঠলো।হাত মুঠি হয়ে পেশী ফুলে উঠলো।সেই মুঠি বদ্ধ হাত দাঁত দিয়ে কামড়ে নিনাদের কল কেটে দিলো।ডায়াল করলো রুদ্ররাজ এর নম্বর।
কল বাজতেই ব্যস্ত ভঙ্গিতে রিসিভ হলো কল

“ডক্টর রুদ্ররাজ স্পিকিং,হু’স দেয়ার?

সারফরাজ তাচ্ছিল্য ভয়ানক গলায় বলে উঠলো

“মেয়ের মুখে লাগাম দাও ডক্টর।কাপুরুষ পয়দা করিনি ,একদম বন্য জন্তু।পাগল হলে প্রানের অস্তিত্ব নস্যাৎ হবে।

চলবে…..

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply