Golpo romantic golpo সীমান্তরেখা

সীমান্তরেখা পর্ব ২৯


সীমান্তরেখা

লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক

পর্ব_২৯

[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।]

মেজবাহ আকসার সাথে কথা বলছে না ঘন্টাদুয়েক হলো। ব্যাপারটা প্রথমে তোয়াক্কা করেনি আকসা। তবে এখন খেতে বসে বেশ উপলব্ধি হচ্ছে ওর।

ওরা এখন জেমির শ্বশুরবাড়ি। জেমি খাবার বেড়ে দিয়ে চেয়ারে বসেছে সবে। আফসান এতোক্ষণ মেজবাহ’র সাথে জরুরি আলোচনা করছিল৷ সিদ্ধান্ত হয়েছে, আকসা সুস্থ হলে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সোমবার সিলেট ট্যুরে যাবে ওরা৷ সিলেটের বেশকিছু স্থানে ভ্রমণ করবে। ওরা যাবে বোটে। আকসার সুস্থতা নিশ্চিত হলেই বোটের টিকেট কাটবে। ওদের কথাবার্তা সব শুনলো আকসা। খাওয়া আগে শেষ হতেই উঠে গেল ও। জেমি তখন রান্নাঘরে। আকসা ওর কাছে গেল। জেমি থালা-বাসন সব পরিষ্কার করছিল সিঙ্কে। আকসা গিয়ে হাত লাগালো। বললো, “আপনি সরুন আপু। আমি হেল্প করছি।”

“তোমার হেল্প করতে হবে না। তুমি এখানে মেহমান। সোফায় গিয়ে চুপটি করে বসো।”

“আমি আপনার এখানে থাকি?”

জেমি কাজ বন্ধ রেখে একপলক ওকে দেখলো। তারপর বরাবর স্বভাবত গম্ভীর মুখে বিরল এক মিষ্টি হাসি আকসার জন্য ফুটিয়ে তুলে বললো, “ওইযে টুল আছে। ওটা এনে বোসো।”

আকসা ঝটপট টুল এনে জেমির পাশে বসে ওর কাজ দেখতে লাগলো৷ জেমি হঠাৎ কাজে মনোযোগ রেখেই আকসার দিকে না তাকিয়ে ওর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করলো— “ভাই তোমার সাথে কথাবার্তা বলে না তেমন?”

আকসা একটু থতমত খেল। জেমি প্রশ্নটা করে কাজে আবারও ব্যস্ত হয়েছে৷ যেন খুবই স্বাভাবিক একটা প্রশ্ন করেছে। আকসা স্থির হয়ে মৃদু হেঁসে জবাব দিলো, “আপনার ভাই তো খুবই কম কথা বলে আপু।”

“ও আসলে সবার সাথে মিশতে পারে না৷ একটু ইন্ট্রোভার্ট তো৷ তবে যার সাথে আবার সহজে মিশে যায়, তার সাথে মোটামুটি কথাবার্তা বলে। তুমি ওর স্ত্রী। তোমার উচিত, এমন কিছু করা, যাতে ও সহজে তোমার সাথে মিশতে পারে। বিয়ের তো কম দিন হলো না তোমাদের।”

আসলেই। জেমি আপু একটু গম্ভীর আর কড়া স্বভাবের হলেও ঠিক কথা বলেন সবসময়। এই কথাটাও ভুল নয়। বিয়ের এতোগুলা দিন হলো, অথচ মেজবাহ’র সাথে এখনও সম্পর্কটা স্বাভাবিক হলো না৷ এক্ষেত্রে আকসা নিজেকেও দোষ দেয়। আসলে ওদের বোঝাপড়ার ঘাটতি আছে। যেটা একটা সম্পর্কে থাকা সবচেয়ে জরুরি। জেমি আপু কি ইঙ্গিত করতে চাইছেন, সেটাও বেশ ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে আকসা। ও মৃদু স্বরে বললো, “আচ্ছা আপু। আমি চেষ্টা করবো।”

কিছুক্ষণ চুপ রইলো জেমি। তারপর হঠাৎ কি মনে করে বললো, “এক কাজ করতে পারো।”

“কী কাজ?”

“ভাইয়ের জন্য স্পেশাল কিছু করো৷ এমন কিছু, যা ও কখনো এক্সপেক্ট করবে না৷ উদাহরণস্বরূপ ধরো, ভাইয়া মিষ্টি খাবার তেমন পছন্দ করে না৷ তেমন পছন্দ না করলেও পায়েস ওর বিশেষ পছন্দের খাবার। বড় মামি সবসময় ওর জন্য সুগার-বিহীন পায়েস রান্না করেন। আর এই একটা খাবার-ই ভাই বিনা দ্বিধায় খেয়ে নেয়। তুমি তো কখনো ওর জন্য কোনোকিছু রান্না করোনি, তাই-না?”

“জি আপু।”

জেমির সাথে আরো টুকটাক কিছু কথাবার্তা চললো। আগে ওর সাথে এতোটা সহজ ছিল না আকসা৷ বরং, সবসময় ধারণা করতো, জেমিও কিছুটা মেজবাহ’র মতো। দুই ভাই-বোন একইরকম স্বভাবের। তবে বর্তমা সময়ে আকসার এই ধারণা কিছুটা হলেও ভেঙেছে৷ হ্যাঁ, দুই ভাই-বোনের মনের বেশ মিল। তবে স্বভাবগত দিক থেকে জেমি গম্ভীর হলেও নরম এবং সহায়তা করে বেশ। তবে মেজবাহ’র মতোই মানুষের সাথে মিশতে একটি সময় নেয়। যদিও জেমিকে কখনোই খারাপ লাগেনি আকসার। প্রত্যেকটা জায়গায় এমন কিছু মানুষ থাকে, যারা এমন গম্ভীর স্বভাবের হয়ে থাকে। আকসার কাজিন মহলেও আছে এমন একজন।
.
.
আকসা এখন প্রায় সুস্থ। ডাক্তার কিছু অ্যান্টিবায়োটিক, ক্যালসিয়ামের ওষুধ এবং আরো কিছু জরুরি ওষুধ লিখে দিয়েছিলেন প্রেসক্রিপশনে। সেই সাপ্লিমেন্টের ওপরেই দিন চলছে আকসার। দু’টো দিন কেটে গেছে। পরশু ওরা সিলেট যাবে। সেই কথাবার্তাও হয়ে গেছে। আজ আকসা শ্বশুরবাড়িতে একা। কেউ নেই বাসায়। ওর শ্বশুর-শাশুড়ি এবং বাকিরা সবাই গ্রামে গিয়েছেন সেখানে থাকা তাদের জমিজমার জরুরি কাজের জন্য। তাহসিন আর রিমুও গিয়েছে তাদের সাথে। আকসাকে যাওয়ার জন্য বলেছিল তার শ্বশুর-শাশুড়ি। কিন্তু ও এখনো বেশ ক্লান্ত থাকায় না করেছিল বলে তারা আর জোরাজুরি করেননি। মেজবাহ আর আকসাকে বাসায় রেখে গ্রামে গিয়েছেন তারা।

তারা যাওয়ার পরপরই মেজবাহ বেরিয়েছিল কোথাও। বেশ তাড়াহুড়ো করেই বেরিয়েছে। বোধহয় কোনো জরুরি কাজ আছে। আকসাকে এব্যাপারে বলেনি কিছু। অবশ্য বলার কথাও নয়। আকসার সাথে গত দু’দিন থেকেই খুব-একটা কথা বলছে না ও। আকসা সেধে কথা বলার চেষ্টা করেনি। তবে কাজে হয়নি কোনো।
.
.
শ্বশুরবাড়ির রান্নাঘরে এই প্রথমবার একা প্রবেশ করেছে আকসা। ওর শাশুড়ি সব দিকে খেয়াল রাখা মানুষ। বিশেষত, ছেলে আর ছেলের বউয়ের সুবিধা-অসুবিধার দিকে সর্বক্ষণ খেয়াল থাকে তার। একারণে দেড়দিনের জন্য গ্রামে যেয়েও যাওয়ার আগে তিনি এই দেড়দিনের সকল খাবার রান্না করে ফ্রিজে রেখে গিয়েছেন। আকসাকে বলেছেন, শুধু ফ্রিজ থেকে বের করে গরম করে নিলেই হবে। আকসা শাশুড়ির কথায় তৎক্ষনাৎ মাথা নেড়ে সায় জানালেও পরিকল্পনা করে রেখেছে ভিন্ন।

আকসা রান্নাঘরে কাজটা সারতে সারতে বারকয়েক সোজাসুজি ড্রয়িংরুমের দেয়ালঘড়ির দিকে বারবার তাকাতে লাগলো। অস্থির হচ্ছে প্রচন্ড। যদি মেজবাহ সময়ের আগেই চলে আসে! এদিকে আকসার রান্না সম্পন্ন হতে এখনো কমপক্ষে ঘন্টাদুয়েক লাগবে। রাত দশটা তো বাজবেই। আনাড়ি হাতের রাঁধুনি। জীবনে এই প্রথমবার কারো জন্য কষ্ট-ক্লেশ করে একা হাতে রাঁধছে। সময়সাপেক্ষ ব্যাপার বটে।

তবে আকসার মনের আতঙ্ক ধীরে ধীরে অধৈর্যে পরিণত হলো তখন, যখন রান্নাবান্নাসহ সকল কাজ শেষ হওয়ার দেড়ঘন্টার মধ্যেও মেজবাহ ফিরলো না৷ লোকটা এতো রাত তো করে না। অন্তত আকসাকে একা বাড়িতে রেখে নিশ্চয়ই রাত করে ফিরবে না। এতোটুকু বিশ্বাস মেজবাহ’র ওপরে রেখেছিল আকসা। কিন্তু সেটা এক নিমিষে ধূলিসাৎ হয়ে গেল। সারাদিনের ভালো লাগা চোখের পলকে মন খারাপে বদলে গেল। আকসা খাবারটা ঠান্ডা হওয়ার পরে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রেখে ড্রয়িংরুমে গেল। সোফায় বসে টিভি চালু করলো৷ টিভি দেখলে আগমনী ঘুমটা কাটানো যাবে। অন্তত মেজবাহ ফেরা পর্যন্ত জেগে থাকতে হবে।
.
.
আকসা ঘুমে ঢুলছে। কুশনে হাতের কনুই দাবিয়ে মাথায় হাতটা ঠেকিয়ে রেখেছে। বেশ কয়েকবার ঘুমে ঢুলে পরতে পরতে আবার চমকে জেগে উঠেছে। বারবার মনে হচ্ছে, এই বুঝি মেজবাহ এলো৷ এই বুঝি দরজা খোলার শব্দ হলো। ক্লান্ত চোখে দেয়ালঘড়িতে সময় দেখলো। বারোটা বাজতে চললো প্রায়! লোকটার এখনো ফেরার নাম নেই! আকসা আবার ঘুমে কাত হয়ে পরেছিল প্রায়। হঠাৎ দরজার নব ঘোরানোর শব্দ কানে যেতেই চমকে ধড়ফড় করে উঠে গেল। দাঁড়িয়ে ওড়নাটা টেনে সামনে তাকাতে দেখলো, মেজবাহ বাইরের র‍্যাকে জুতা উঠিয়ে রেখে ধীর পায়ে ভেতরে প্রবেশ করছে। আকসা ড্রয়িংরুমের আরেকটা আলো জ্বালাতে গিয়েও থমকে গেল। মেজবাহকে দেখে অস্বাভাবিক মনে হলো ওর। এগিয়ে গিয়ে সামনে দাঁড়ালো। মেজবাহ ওকে দেখে শান্ত স্বরে জিজ্ঞাসা করলো, “ঘুমাওনি?”

“উহুঁ।”

মেজবাহ জবাব শুনে কিছু বললো না। সোফায় এসে বসলো। মাথা এলিয়ে দিলো পেছনের দিকে। ভীষণ ক্লান্ত মনে হচ্ছে। আকসা ওর কাছে এসে বললো, “এতো লেইট হলো যে আসতে?”

“তাতে তোমার কী?”

পাল্টা প্রশ্নটা শান্ত গলায়-ই করেছে মেজবাহ৷ আকসা থতমত খেয়ে বললো, “অপেক্ষা করছিলাম আপনার জন্য।”

“আমার জন্য?”

“হ্যাঁ।”

“কারণ?”

আকসার জড়তা বাড়লো। এতোক্ষণ অস্থির থাকলেও এবার ও প্রচন্ড রকমের আড়ষ্ট হলো। মিইয়ে যাওয়া স্বরে কোনোরকমে বললো, “আপনার জন্য পায়েস বানিয়েছিলাম। আপনার পছন্দ, তাইনা? সুগার-ফ্রি বানিয়েছি। নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন।”

মেজবাহ উঠে বসে। অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকায় আকসার দিকে। আকসার দৃষ্টি স্থির থাকে। চোখাচোখি হয়। মেজবাহ যেন চরম অবাক হয়েছে— এমনভাবে প্রশ্ন করে, “তুমি রান্না করেছো?”

“জি।”

“নিয়ে আসো তো।”

আকসা অনুমতি পাওয়া মাত্র দ্রুত গেল রান্নাঘরে। ফ্রিজ থেকে পায়েসের বোল বের করে এনে অতি যত্নে বাটিতে তুললো। চামচ নিয়ে পুনরায় ড্রয়িংরুমে গেল। মেজবাহ তখন টানটান হয়ে বসে আছে। আকসা পায়েসের বাটি এগিয়ে দিলো ওর দিকে। মেজবাহ এক চামচ পায়েস মুখে দিলো। এরপর আরেক চামচ। তারপর আরেক…এভাবে কিছু সময়ের ব্যবধানে সবটুকু পায়েস খেয়ে ফেললো। আকসা ভাবতেও পারেনি এমনটা হবে! একটা আন্দাজ করেই রেখেছিল যে, মেজবাহ পায়েসটা খাবেই না৷ আর খেলেও এক চামচের বেশি মুখে তুলবে না। সেখানে পুরো বাটি খালি করে ফেললো! ওকে আরো চমকে দিয়ে মেজবাহ মুখ তুলে প্রশ্ন করলো, “আর আছে?”

“হুঁ? হ্যাঁ..হ্যাঁ আছে। নিয়ে আসছি আমি।”

ও হন্তদন্ত হয়ে রান্নাঘরে ছুটলো। এবার পায়েসের বোলটা এনে টি-টেবিলের ওপরে রাখলো। বাটি ভর্তি করে উঠিয়ে দিলো। মেজবাহ আরো এক বাটি পায়েস শেষ করলো। লোকটাকে কখনো মিষ্টিজাতীয় খাবার এভাবে খেতে দেখেনি আকসা। অবাকের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে ও। সেই বিস্ময়-ঘোর নিয়েই প্রশ্ন করলো, “কেমন লেগেছে?”

এই প্রশ্নের জবাব তৎক্ষনাৎ দিলো না মেজবাহ। ধীরেসুস্থে পায়েসের বাটিটা সামনের টি-টেবিলের ওপর রাখলো। আকসাও সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল। আচনক ওকে একটানে কোলের ওপরে বসিয়ে নিলো মেজবাহ। আকসা হতচকিত হলো৷ আকস্মিক ঘটনায় টাল সামলাতে না পেরে মেজবাহ’র গলা জড়িয়ে ধরলো দুই হাতে। ও এখনো সেই প্রশ্নের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে। এসবের প্রতি কোনো খেয়াল নেই ওর৷ একারণেই দ্বিধাবোধ কাটিয়ে পুনরায় প্রশ্ন করলো, “কেমন লেগেছে পায়েসটা?”

অতর্কিত একটা ঘটনা ঘটলো। না ঠিক ঘটলো নয়, ঘটানো হলো। একপাক্ষিক ঘটানো। আকসার শরীর কেঁপে উঠলো। মেজবাহ’র লায় জড়িয়ে ধরে রাখা হাতের বাঁধন আরো তৎপর হলো। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইলো মেজবাহ’র আবেশে বুঁজে রাখা চোখদু’টোর দিকে। আকসা যেন রোবট হয়ে গেছে। সরার চেষ্টাও করতে পারছে না৷ মেজবাহ টানা মিনিট দুয়েক শুষে নিলো ওর ঠোঁটদু’টো। এরপর ছেড়ে দিয়ে ওর চোখে চোখ রেখে মোহময় গলায় বললো, “উমম..ভালো লেগেছে!”

একটি মাত্র বাক্য৷ আকসার জন্য যেন অমৃতবাণী। তবে বাক্যটা যে ঠিক কীসের জন্য প্রযোজ্য, সেটা বুঝে ওঠা দায়। আকসা দ্বিধান্বিত। দ্বিধা কাটাতে আবারও জিজ্ঞাসা করে, “কোনটা ভালো লেগেছে?”

“কোনটার কথা শুনতে চাচ্ছো এক্সাক্টলি?”

প্রশ্নটা শুনে আকসা এবার বুঝতে পারলো, ও কী বলে ফেলেছে! মুখ নত হয়ে গেল। মেজবাহ’র হাত তখন ওর কোমরে বিচরণ করছে। আলতোভাবে চাপ প্রয়োগ করে ও আরো কাছে টেনে নিয়ে বললো, “নিজের প্রশংসা শুনতে চাও? সেল্ফ-অবসেসড গার্ল! আই লাইক ইট!”

আকসা গলা হতে হাত সরিয়ে মেজবাহ’র পিঠে জড়িয়ে ধরতেই কিছু একটার উপস্থিতি অনুভব করতে পেরে চমকে ওঠে। মেজবাহ’র পিঠ ভেজা! ঘাম নয় এটা। ঘামে-ভেজা কেমন হয়, তা জানা আছে আকসার। পিঠে শার্টের নিচে কিছু একটা রয়েছে। কেমন বাঁধছে হাতে। কৌতূহলী হয় ও। পাশেই ফোনটা পরে ছিল। মেজবাহ বুঝে ওঠার আগেই ফোনের ফ্ল্যাশ চালু করে নিচের দিক থেকে ওর শার্ট উঠিয়ে দেখার চেষ্টা করে আকসা৷ একটু ভালোভাবে ওঠাতেই দেখতে পায়, মেজবাহ’র পিঠে সামনে থেকে পেছন অবধি গোল করে একটা ব্যান্ডেজ বাঁধা! রক্তে ভিজে গেছে সাদা ব্যান্ডেজ! আঁতকে উঠলো ও। চিৎকার দিলো সঙ্গে সঙ্গে! মেজবাহ হতভম্ব হয়ে তাকাতেই জিজ্ঞাসা করলো, “রক্ত! আপনার..আপনার পিঠ থেকে রক্ত পরছে!”

চলবে

[রি-চেক করিনি। পরে করে দিবো ইন শা আল্লাহ।]

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply