দ্যাব্ল্যাকমার্ক
লেখনীতেআশুও_নিশু
পর্বসংখ্যা_১৯
★★★
ভার্সিটির ক্লাস শেষ হয়েছে সবে মাত্র। আকাশ এখন ভীষণ রকমের মেঘলা।লাগছে যেনো বৃষ্টি নামবে এখন।তুবা আর তিশা ক্লাস শেষ করে বাইরে বের হয়।তুবা তিশার সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে বাইরে দাড়িয়ে।হঠাৎ পেছন থেকে একজন বলল,
—“এই যে সুন্দরী?বাসায় যাবে না?”
তুবা অবাক হয়ে পেছনে তাকায়।একটা ছেলে দেখে লাগল তার ই ব্যাচের।তিশা তুবার কানে ফিসফিসিয়ে বলল,
—“এই ছেলেটা খুব খারাপ!কথা না বলাই ভালো হবে।”
তুবা আর তিশা নিজের মতো কথা বলতে থাকে।
—“ছেলেটার নাম নাহিদ।প্রিন্সিপালের ছেলে।তাই এখানে এসে দেমাগ দেখায়।মেয়েদের কেও ইভটিজিং করে আর কেউ ভয়ে বলেও না।”
তিশা এগুলো বলতে বলতেই ছেলেটা এসে তুবার ডান হাতটা ধরল।তুবার রাগ হলো বেশ।নাহিদ ইয়ার্কি করে বলল,
—“সুন্দরী দেখি পাত্তায় দেই না।”
পাশ থেকে নাহিদের সাথে থাকা ছেলেগুলো জোরে হেসে উঠে।তিশা রাগী চোখে তাকাল।
ছেলেটা তুবার হাত ধরে এবার নিজের কাছে নিয়ে আসল।তুবার শুধু দুটো চোখ ছাড়া কিছুই দেখা যাচ্ছে না।আবায়া,নিকাবে যেনো নিজের সৌন্দর্য আরো ফুটিয়ে তুলেছে।পেছন থেকে একটা হাত নাহিদের হাতকে শক্ত করে ধরল।নাহিদের শরীররের জন্য চেহারাটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে না যদিও।নাহিদ রাগী চোখে পেছনে তাকায়।তুবা কৌতূহল বশত তাকিয়ে দেখল ইফতিশাম। সেইদিনের “ইফতিশাম জাওয়াদ”।তুবা দেখল ছেলেটা রেগে তাকিয়ে আছে নাহিদের দিকে।
রাগী কন্ঠে বলল,
—“হাত ছাড়!”
নাহিদ হাত ছাড়ল না।ইফতিশাম আবারো বলল,
—“হাত ছাড়।”
নাহিদ এবারেও ছাড়ল না।ইফতিশাম আবারো বলে,
—“হাত ছাড়।”
এবারে হাত না ছাড়ায় নিজের হাত দিয়ে ঘুষি বসাল নাহিদের নাকে।তৎক্ষনাৎ ধাক্কা দিয়ে ছেড়ে দিল তুবাকে।ধাক্কা খেয়ে তুবা নিচে পড়তেই যাচ্ছিল নিহান এসে কোমড় জড়িয়ে বাঁচিয়ে নেয়।
তুবা চোখদুটো খিঁচে বন্ধ করে আছে।মনে মনে ভাবল হয়তো এতক্ষণে কাঁদায় পড়ে মাখামাখি হয়ে গেছে।চোখদুটো খুলে দেখল রাগী মানবটিকে।মাথার রগগুলো ফুলে নীল হয়ে আছে।মুখটাও লাল হয়ে আছে।তুবাকে ছেড়ে দাড়া করাল।হাত মুষ্টিবদ্ধ করে এগিয়ে গেল নাহিদের দিকে।ইফতিশাম মা’রছে নাহিদকে।নিহান গিয়ে ইফতিশাম থেকে ছাড়িয়ে নেয় নাহিদকে।দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
—“কি বলেছিলি যেনো?সুন্দরী?”
বলেই পুরুষালি হাতের শক্তপোক্ত থাপ্পড় মারল।নাহিদ ও তেড়ে উঠে থাপ্পড় মা’রতে যাবে নিহান হাত ঘুড়িয়ে পেছনে চেপে ধরে।রাগে ফুসতে ফুঁসতে বলল,
—“তোর সাহস কতটুকু?কলিজায় বা কতটুকু?ওর দিকে হাত বাড়িয়েছিস?রিয়েলি?”
নাহিদ রেগেমেগে বলল,
“হাত ছাড় আমার।আর তুই কে রে?কোন ক্ষেতের মুলা তুই?”
—“শালা তোর বাপেরও বাপ আমি।খোঁজ নিয়ে দেখ একবার নিহান এহসান কে। খুব ভালো করেই জানবি।”
—“ছাড় আমাকে।”
—“না ছাড়লে কি করবি?কারে ডাকবি?”
—“তুই বুজি জানস না আমার বাবা এ ভার্সিটির প্রিন্সিপাল।”
নিহান সহসা জবাব দিল,
—“আমার বা*লের প্রিন্সিপাল তরো বাপ।”
পুরো ভার্সিটির মানুষের আকর্ষণ যেনো ওরাই কারছে।সবাই হা করে তাকিয়ে আছে তাদের দিকে।বিশেষ করে নিহানের দিকে।বিশেষ করে মেয়েদের নজর ফিরছেই না এতো সুদর্শন একটা ছেলে শুধু শুধু কেন মা*রছে? কেউ কেউ ঘটনা জানলেও সবাই তো আর সেটা জানেনা।আর এ ছেলেকে আগে কখনো এখানে দেখেনি।
নিহান এবার মেইন জায়গায় লাথি মারলো একটা।নাহিদ ব্যাথায় চোখ মুখ কুঁচকে আসল।পাশের ছেলেগুলো নিহান মা*রতে আসলেই তাদেরকেও দিলো কয়েকটা।
ইফতিশাম এসে কয়েকটা মারলো।নিহান এবার রাগল বেশ।সে মারছে তারপরও এই ছেলেটা এসে বারবার কেনো তার শিকারে হাত দিচ্ছে বুঝলোনা।ইফতিশাম কে সরিয়ে কলারে হাত দিয়ে মা*রতে যাবে তখনিই পেছন থেকে এ ভার্সিটির প্রিন্সিপাল মিহাল খান বলল,
—“এখানো কি হচ্ছে? তোমরা শুধু শুধু ওকে মা*রছো কেন?”
নিহান ঘাড় কাত করে পেছনে তাকাল।কয়েক সেকেন্ড পর বলল,
—“আমাকে চিনেছেন নিশ্চই?”
মিহাল খান গলা খাঁকড়ি দিয়ে বলে,
—“নিহান না?”
—“ঠিক ধরেছেন।”
—“তুমি আমার ছেলেকে মা*রছো কেন?”
নিহান গম্ভীর কন্ঠে বলে,
—“আপনার ছেলে আমার জিনিসে হাত দিয়েছে… জানেন তো, আমার জিনিসে হাত দেওয়া মানে কী?
এই পৃথিবীতে আমার প্রিয় কোনো কিছুর দিকে যে চোখ তোলে, সেই চোখ উপড়ে ফেলার সাহস, শক্তি ক্ষমতা আমি রাখি।হ্যাঁ… আমি নিহান এহসান। আর এই ক্ষমতা আমার আছে।”
কথাগুলো যেনো ভার্সিটির মাঠে আরো ভয়ংকর শুনালো।মিহাল খান চোখ গোল গোল করে তাকিয়ে আছে।ইফতিশামের দৃষ্টি স্থির কোনোকিছু বলছেনা রাগী চেহারা নিমিশেই শান্ত হয়ে গেল।
তুবা,তুশা দুজনিই হতভম্ব। এতক্ষণ তাই ই ছিলো এখন আরেক দফা বেড়েছে।নাহিদ পেছন থেকে নিহানের গলা চেপে ধরতে হাত বাড়ালেই নিহান সামনে থেকে নিজের হাত দিয়ে নাহিদের হাত ধরে ফেলে।পেছনে তাকিয়ে গগন কাঁপানো হাসি দিল।সে হাসিতে যেনো পুরো ভার্সিটি কেঁপে উঠল।
হাত দুটো ছেড়ে পকেট থেকে মোবাইল বের করে কাকে জানি কল করল।পুরো মাঠের সবাই তাকিয়ে আছে অবাক হয়ে।নিহান দীর্ঘশ্বাস নিয়ে তাকাল তুবার দিকে।মেয়েটা ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে আছে।নিহানের রাগ যেনো হালকা কমে গেলো মেয়েটার দিকে তাকিয়ে।মিহাল খান বলল,
—“নিহান তুমি এটা ঠিক করলে না।”
—“আপনার যদি সাহস থাকে আমার বা*লটা ছিঁড়ে দেখান।এত কথা বলে কি লাভ?”
—“নিহান।”
—“শাট আপ!”
মিহাল খান চুপ করে গেল।নাহিদ বাবার দিকে তাকিয়ে বলল,
—“বাবা তুমি চুপ করে আছো এখনও।এই ছেলেটা আমাকে মা*রলল আর তুমি চুপ করে আছো।”
মিহাল খান শান্ত গলায় বলল,
—“আসো আমার সাথে আসো ঘরে যাবে।”
—“বাবা।”
—“চুপ।”
নিহান গম্ভীর গলায় বলল,
“মিস্টার মিহাল আমি কিন্তু যাওয়ার পারমিশন দিইনি।ওকে নিয়ে যেতে চাইলে ম*রা নিয়ে যাবেন। এ ছাড়া নিয়ে যেতে পারবেন না।”
মিহাল খান রেগে বলল,
—“নিহান এটা বেশি করছো।আমার ক্ষমতা কতটুক তুমি নিশ্চয় জানো।”
নিহান তাচ্ছিল্য হেসে বলে,
—“আর আমার ক্ষমতা শুনে আপনি চুপ করে আছেন সেটাও আমি জানি।”
ইফতিশাম তুবার পাশে গিয়ে বলল,
—“এটা কে?”
—“আমি ওনার বাসায় কাজ করি।”
—“কাজের লোকের জন্য কেউ এমন করে?মিথ্যা বলছো কেন?”
—“সত্যি বলছি।”
ইফতিশাম মনে মনে বলল,
—“তুমি আমার ই হবে।হ্যা আমারিই হবে।”
কিছুক্ষণ পর কয়েকটা লোক এসে নাহিদকে নিয়ে গেল।মিহাল খানের একটা কথাও শুনলো না নিহান ও লোকগুলো।নাহিদ কে নিয়ে উঠে গাড়িতে চলে গেল।নিহান আর এক মুহুর্ত অপেক্ষা করলো না তুবার হাত ধরে হনহনিয়ে ভার্সিটির বাইরে চলে গেল।মাঠে উপস্থিত অধিকাংশ মেয়ের নিহান কে পছন্দ হয়েছিলো কিন্তু যখন তুবার কথা বললো একপ্রকার আশা ছেড়ে দিয়েছে সবাই।ইফতিশাম ও বেরিয়ে গেল এখানে আর থেকে ফয়দা নেই আকাশ থেকে এক্ষুনি বৃষ্টি নামবে লাগছে।নিহান গাড়ির দরজা খুলে তুবাকে বলল,
“ভেতরে ঢুকো।”
তুবা এক ঝটকায় হাত ঝেড়ে ফেলে দেয়।আর রাগী কন্ঠে বলে,
—“আমাকে ধরবেন না ওখানে কাহিনি করে শুধু শুধু এখন আবার গাড়িতে বসাতে এসেছেন?শুধু শুধু ওই ছেলেটাকে এমন করেছেন কেনো তার উপর একন একটা বাবা থেকে ছেলেকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন।”
নিহানের রাগ আরো বাড়ল।নিজের শক্তপোক্ত পুরুষালি হাত দিয়ে থাপ্পর মারল ডানগালে।পরপর পাঁচটা। তুবা চোখ জ্বলজ্বল করছে।তাও নিজেকে শক্ত রেখে বলে,
—“আমি দরকার হলে পতিতালয়ে থাকবো তাও আপনার মতো জা’নোয়ারের সাথে কোনোমতো থাকব না।”
ঠাস্!এবার থাপ্পড় পড়ল ডানগালে।গতবারের তুলনায় এবার আরো জোড়ে পড়ল থাপ্পড়টা।
চোখ থেকে এবার পানি বের হয়ে গেল।চোখের পানিতে নিকাব ভিজে গিয়েছে।নিহান হাত মুষ্টিবদ্ধ করে রেখেছে।কপালে ও ঘাড়ের রঙগুলো পুলে আছে।নিহান নিকাবের উপর দিয়ে তুবার গাল চেওে ধরে বলে,
—“বেয়া’দবের বাচ্চা,বা’ন্দির বাচ্চা রাস্তায় যদি আরেকটা কথা বাড়াস এখানে মেরে পুঁতে দিয়ে যাবো।এত দরদ দেখাস কেনো?হ্যা?এই জা’নোয়ারগুলোর জন্য এত দরদ আর আমার জন্য একফোঁটা ও হয় না তার।একটা কথা মনে রাখবি তুই যদি মরে কবরেও চলে যাস তাও আমার সাথেই থাকতে হবে ইয়েস আমার সাথেই।”
তুবা নিহানকে ধাক্কা দেয়। কাঁদতে কাঁদতে বলে,
—“পঁচা আপনি খারাপ লোক,শয়তান লোক থাকবো না আমি আপনার সাথে। দরকার হলে মরে যাবো।বললেন না মেরে ফেলবেন।মেরে ফেলুন আমাকে অন্তত স্বস্তি টুকুও পাবো আপনার থেকে মুক্তি পাবো।”
নিহান ধাক্কা খেয়ে গাল ছেড়ে দেয়।নিহান রেগে বলল,
—“তুই ম*রলেও আমার থেকে নিস্তার নেই।”
তুবা আর কিছু বলল না।নিজের মতো করে সামনে এগিয়ে হাটতে লাগল।আকাশ থেকে বৃষ্টি নামা শুরু হলো।তবে গুড়িগুড়ি নয় তুমুল বৃষ্টি।তুবা বৃষ্টির মধ্যেই হাটতে থাকে।নিহান পিছন থেকে গাড়ি নিয়ে এসে হর্ণ বাজাল।তুবা তাড়াহুড়ো করে হাটছে।যেদিকে দুচোখ যাবে আজ সেদিকেই চলে যাবে।দরকার হলে কাজ করে কাবে তাও নিহানের সাথে যাবে না।নিহান এবার গাড়ি থামিয়ে পেছন থেকে তুবার সামনে এসে দাঁড়ায়।তুবা নিহানকে পাশ কাটিয়ে যেতে নিলেই নিহান তুবাকে কোলে তুলে নেয়।তুবা হাত পা ছুড়ছে আর নিহানের বুকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। যদিও এই নরম হাতগুলোর প্রভাব পড়ছে না নিহানের শক্ত বুকে। আশেপাশের যত মানুষ ছিলো সবার চোখ যেনো সেদিকেই।কি অপরূপ লাগছে দৃশ্যটা!
নিহান গাড়ির সামনে এসে থামে গাড়ির দরজা এক হাতে খুলে তুবাকে বসিয়ে দেয়।বোরকা ভিজে পানি পরছে।তুবা এখনো কাঁদছে।হাউমাউ করে কাঁদছে।নিহান ড্রাইভিং সিটে বসল ঠিকই কিন্তু গাড়ি না চালিয়ে বসে থাকল।রাগে পুরো শরীর জ্বলছে।তুবাকে কাঁদতে দেখে আরো রাগ উঠল।নিহান বিরক্ত স্বরে বলে,
—“কাঁদবি না!একদম না।তাহলে এমন শাস্তি দিবো সারাজীবন মনে থাকবে।”
তুবা হাউমাউ কাঁদতে কাঁদতে বলল,
—“আমি চলে যাবো।আমি ম*রে যাবো।”
নিহান দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
“আরেকবার শব্দ করবি দেখিস।কাঁদার যদি আরেকটা শব্দ পাই তাহলে দেখিস।”
তুবা অবাধ্য মেয়ের মতো আরো জোড়ে কেঁদে উঠল।নিহানের রাগী চোখে তাকানোর পরেও থামলোনা।নিহান ভাবল একে এমন করে ঠিক করতে পারবেনা।তুবার দিকে হাত বাড়িয়ে কোমড় চেপে ধরে নিজের উরুর উপর বসালো।নিহানের কাপড় ও ভিজে রয়েছে।তুবাকে নিজের দিকে ঘুড়িয়ে ঠোঁট আঁকড়ে ধরল গভীরভাবে। আঁকড়ে ধরল বললে ভুল হবে নিজের রাগ ডালছে সব তুবার ঠোঁটের উপর।গাড়ির গ্লাস লাগানো।বৃষ্টির ফোটাগুলো গ্লাসের উপর পরে ঝাপসা হয়ে উঠছে।নিহান এক হাত দিয়ে কোমড়ে হালকা প্রেস করল।তুবা কেঁপে উঠছে বারবার।একেতো এরকম ঠান্ডা আবহাওয়া তার উপর এরকম পুরুষের ছোয়া যেনো শরীরে ঝড় বয়ছে।কাঁপা কাঁপা হাত দিয়ে জানালার গ্লাসে হাত দিল।নিহানকেও হাত দিয়ে সড়াতে চেয়েও ব্যার্থ হলো।তুবার শ্বাস যেনো বন্ধ হওয়ে যাওয়ার উপক্রম।
চলবে?
(সবাই বড় বড় মন্তব্য করবেন।)
Share On:
TAGS: আশু ও নিশু, দ্যা ব্ল্যাক মার্ক
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ১৫
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ২৫ এর সকল পর্ব
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ১৪
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ৩(প্রথমাংশ +শেষাংশ)
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ১৬
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ১
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ১৭
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ১২
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ১০
-
দ্যা ব্ল্যাক মার্ক পর্ব ৫