Golpo romantic golpo সীমান্তরেখা

সীমান্তরেখা পর্ব ২৪


সীমান্তরেখা

লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক

পর্ব_২৪

[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।]

জেমিদের বাসায় আজ লোক সমাগম অনেক। ওর বাপের বাড়ির সকলেই আছেন এখানে। মেজবাহ’র আবার আফসানের সাথে খুব ভালো সম্পর্ক। শালাকে আগেই ডেকে নিয়ে সোফায় নিজের পাশে বসিয়েছে আফসান। ওর সাথে টুকটাক আলাপ করছে কর্মক্ষেত্র নিয়ে। আফসান মেজবাহকে জিজ্ঞাসা করলো, “তোমার না ট্রান্সফার হওয়ার কথা ছিল?”

“আপাতত হচ্ছে না দুলাভাই। একটা দীর্ঘমেয়াদী প্রজেক্ট হাতে এসেছে। সেটা কমপ্লিট না করে ট্রান্সফার হতে পারছি না। আপনার বিজনেসের কী খবর?”

“আরেকটা নতুন বিজনেস শুরু করেছি। ট্রান্সপোর্টের। ভালোই চলছে। অলরেডি ফিফটিন পার্সেন্ট প্রফিট।”

“যাক আলহামদুলিল্লাহ। আপনার তো লাকি চার্ম। যেখানে ইনভেস্ট করেন, সেখানেই প্রফিট।”

“নিজেকে দেখো। শালাবাবু তুমি তো সবদিক থেকে সাকসেসফুল। দোয়া করি, তোমার সাফাল্য আরো বাড়ুক।”

মেজবাহ’র পিঠ চাপড়ে দিলো আফসান। এরমধ্যে জেমির শাশুড়ি মাজেদা বেগম এসে সবাইকে খাওয়ার জন্য টেবিলে ডাকলেন। তবে টেবিলে সবার বসার জায়গা না হওয়ায় তিনি বললেন, ভেতরের ঘরে বিছানার ওপরে বাকিদের বসার ব্যবস্থা করতে। আফসান উঠতেই মেজবাহও ওর সাথে উঠে গেল। নিজেদের চেয়ারে ওরা মুরব্বিদের বসতে দিলো৷ এহসানুল হক ভাইয়ের সাথে পাশাপাশি চেয়ারে বসে ওদের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেঁসে সামনে সবার উদ্দেশ্যে বললেন, “আমি সবসময় বলি না আমার জীবনে দেখা দু’জন ওয়েল-ম্যানারড ছেলে আছে আমাদের কাছেরই? এই হচ্ছে তারা দু’জন। আমাদের মেয়েজামাই আর আমার ছেলে। মুরব্বিরা থাকলে নিজেরা উঠে গিয়ে যে তাদের বসার ব্যবস্থা করে দিতে হয়— এই শিষ্টাচার তারা ভালোই পেয়েছে।”

এহসানুল হকের কথা শুনে মেজবাহ আর আফসান ভদ্রতাসূচক হাসে। দু’জনের স্বভাবে একটা সাধারণ মিল রয়েছে। দু’জনেই ভীষণ অন্তর্মুখী স্বভাবের। এজন্য তাদের বনিবনাও ভালো।

মেজবাহদের জেমির শাশুড়ি ভেতরে শোবার ঘরে দস্তানা বিছিয়ে খাবার খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিলেন। ওরা ডাইনিং থেকে সেখানে যেতেই আকসার ফুপুশাশুড়ি ওকে আর জেমিকে বললেন, “তোমরাও ওঘরে যাও। স্বামীদের সাথে একলগে বসে খাও।”

আকসা আড়চোখে জেমি আপুকে দেখে। সে বরাবরই একটু গম্ভীর, চুপচাপ স্বভাবের। দু’টো কথা রা পড়ে না সহজে। চোখে-মুখে সবসময় একটা কঠোরত্ব বজায় থাকে যেন। জেমি আপুর মুখের ভাবভঙ্গি আজ আসার পর থেকেই অন্যরকম দেখছে আকসা। আপু আগের চাইতে আরো বেশি চুপচাপ হয়ে গেছে। মুখটা দেখে ভীষণ দুঃখী দুঃখী মনে হচ্ছে। ভেতরে যেন অজস্র দুঃখ-কষ্ট, যন্ত্রণা লুকিয়ে রেখেছে সে। জেমি আপু বোধহয় শাশুড়ির কথা মানতেই মাথা নাড়িয়ে সায় দিয়ে ভেতরের ঘরে গেল৷ এমনটাই মনে হলো আকসার। ও বাধ্য হয়ে জেমি আপুর পিছু পিছু ডাইনিং রুম ত্যাগ করলো।
.
.
বিছানার চারপাশে গোর হয়ে বসে আছে সকলে। মেজবাহ’র পাশে হাঁটু মুড়ে বসে আকসা। মেজবাহ’র আরেক পাশে আফসান। তার পাশে জেমি। মাঝখানে বিশাল বড় সাদা দস্তরখান বিছানো। তার ওপরে খাবার-দাবার রাখা। পোলাও, সাদাভাত, গোরুর কালাভুনা, রেজালা, মাছ, সবজি, ফিরনিসহ মিষ্টান্ন সব রকমের খাবার-ই আছে।

মেজবাহ বরাবরের মতোই এক চামচ সাদাভাত আর সবজি তুলে নিয়েছে প্লেটে। ওকে খাবার সার্ভ করছে আফসান। ওর প্লেটে আরো কয়েক টুকরো গোরুর মাংস তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিতেই মেজবাহ উদ্বিগ্ন হয়ে বললো, “আর দিয়েন না দুলাভাই। এর বেশি খেতে পারবো না।”

“বেশি কোথায়? মাত্র তো এক পিস নিলে।”

“আমি একপিসের বেশি খাই না।”

মেজবাহ ফিচেল হেঁসে কথাটা বলে।

“স্বাস্থ্য-সচেতন মানুষ!”

আফসান মৃদু হেঁসে আকসার প্লেটের দিকে মাংসের বোলটা এগোতেই ও তাড়াহুড়ো করে প্লেট সরিয়ে নিয়ে বলে, “আমাকে আর দিয়েন না দুলাভাই।”

“একটু নাও। তোমরা কেউ-ই তো কিছুই খাচ্ছো না। এভাবে হলে চলবে? মেজবাহও নিলো না৷ তুমি আরেকটু নাও।”

“হ্যাঁ ভাইয়া, ওকে দেন। যদিও ডায়েট করে। তবে একদিন একটু বেশি খেতেই পারে।”

পাশ থেকে ফোঁড়নটা কাটলো মেজবাহ। আকসা খাওয়া থামিয়ে ওর দিকে ভ্রু কুঁচকে আড়চোখে তাকালো। মেজাজ প্রচন্ড খারাপ হলো ওর। তবে এখানে উপস্থিত মানুষের মধ্যে মুখে কিছু বললো না ও।

হঠাৎ খাওয়ার মাঝে মেজবাহ বিষম খেল। কাশি উঠলো ওর। মিহি সামনে থেকে তাড়াহুড়ো করে পানির গ্লাস এগিয়ে দিলো। ওপাশ থেকে জেমি উদ্বিগ্ন হয়ে আকসাকে উদ্দেশ্য করে বললো, “ভাইয়ার পিঠ টেনে দাও আকসা।”

এই মোক্ষম সুযোগ। এতোক্ষণ মনের ভেতরে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনটা নেভানোর সুযোগ পেয় গেল ও। জেমির কথা শুনে ভদ্রতাসূচক হাসি দিয়ে এবার পাশ থেকে মেজবাহ’র পিঠে হাত রাখলো। তবে পিঠে হাত বুলিয়ে দেওয়ার বদলে জোরে জোরে চাপড় মারতে লাগলো ও। একদিকে খাওয়ার মাঝে বিষম, তারওপর আকসার এবারে থাপ্পড় মারা— সবমিলিয়ে বেহাল দশা হলো ওর। চোখ লার হয়ে গেল। সেই লাল চোখে কঠিন দৃষ্টিতে দেখলো আকসাকেম তবে এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারলো না। যেন ওই দৃষ্টি দ্বারা-ই বোঝাতে চাইলো, “তোমাকে তো আমি পরে দেখে নিচ্ছি।”

আকসা একটু ভড়কে গেল ওর এমন চাহনি দেখে। চটজলদি পিঠ থেকে হাত সরিয়ে নিলো ও।

এরমধ্যে খাওয়ার ফাঁকে আফসান একটা প্রস্তাব রাখলো সবার মাঝে। মেজবাহকে জিজ্ঞাসা করলো, “তুমি এখানে কতোদিন আছো শালাবাবু?”

“এই সপ্তাহ দুয়েক।”

“ছুটিটা তাহলে বেশ লম্বা। চলো, সবাই মিলে একটা ট্যুর দিয়ে আসা যাক।”

“কোথায়?”

”পাহাড়ে আর সমুদ্রে।”

“সবাই বলতে কে কে?”

“যে যে যাবে, তাদেরকে নেওয়া হবে। এখন বাকিটা সবার সিদ্ধান্তের ওপরে নির্ভর করছে। তবে মাস্ট আমরা তো থাকবো-ই। তোমার বোন অনেকদিন যাবত বলছিল, কোথাও ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে। আমারও এরমধ্যে ফ্রি টাইম আছে। আর তুমিও এখন এখানেই আছো। তাই ভাবলাম, সবাই মিলে একটা ট্যুর দিয়ে আসা যাক।”

নিজের কথা শুনে জেমি যেন আকাশ থেকে পরলো। ও আবার এমন কথা কবে বলেছে আফসানকে! ওর তো মনে পরছে না। বিব্রত হয়ে ঠোঁট চেপে দেখলো লোকটাকে। অবশ্য সেই লোক বউয়ের অমন চাহনির তোয়াক্কা করলো না। দিব্যি শালার সাথে এই বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে গেল৷ সিদ্ধান্ত হলো, আগামীকাল আফসানের অফিস শেষ হলেই ট্যুরের বিষয়টা নিয়ে পরিকল্পনা করবে ওরা।
.
.
আকসার আম্মু কল দিয়েছেন সন্ধ্যা নাগাদ। হঠাৎ জরুরি তলব করেছেন ওকে। আকসা তখনও সবার সাথে জেমি আপু্র শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছে৷ সবার সাথে ড্রয়িংরুমে বসে ছিল ও। মায়ের কল আসতেই উঠে গিয়ে কথা বলে এসে পুনরায় বসলো সোফায়। শাশুড়িকে বললো, “আম্মা আমাকে একটু আমার বাসায় যেতে হবে। আম্মু কল করেছিল৷ জরুরি দরকার আছে বললো৷ এখনই যাওয়া দরকার।”

“এখন? কিন্তু রাতের খাবার তো এখানে খাবে।”

মাজেদা বেগম উৎকন্ঠা নিয়ে কথাটা বললেন৷ আকসাকে বড্ড অসহায় দেখালো। ওর জন্য সবাই এখনই চলে যাবে এখান থেকে! ব্যাপারটা কেমন দেখায়!

আকসা থিতু হয়ে শাশুড়িকে বললো, “আপনারা নাহয় থাকেন। আমি একাই চলে যাচ্ছি আম্মা।”

এহসানুল হক ওপাশ থেকে বললেন, “একা যাবে কেন? মেজবাহ, বাইক টান মেরে ওকে গিয়ে দিয়ে আয়।”

মেজবাহ বাইক নিয়ে এসেছিল। আব্বুর কথা শুনে ও ভদ্রভাবে মাথা নেড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলো। এদিকে আকসা পরেছে বিড়ম্বনায়। এই লোকের সাথে যেতে হবে ওর! অসহ্যকর ব্যাপার-স্যাপার। তবে এই মূহুর্তে শ্বশুরবাড়ির মানুষদের সামনে কোনো বিরোধিতা করতে পারলো না ও। চুপচাপ উঠে গেল।
.
.
মেজবাহ বাইক চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে মফস্বল এরিয়া ধরে। এটা গ্রাম্য-নির্জন ধাঁচের এলাকা৷ গাছপালা,বনজঙ্গল বেশি। জনমানবহীন, ঘনবসতি একেবারেই নেই।

রাত তখন প্রায় আটটা। তবে এই অঞ্চল দেখে মনে হচ্ছে, রাত বারোটার ওপরে বেজে গেছে। জেমি শ্বশুরবাড়ি ছাড়িয়ে এসেছে প্রায় মিনিট পনেরো হলো৷ লোকাল এলাকা ছাড়িয়ে এই এলাকায় প্রবেশ করতেই আকসা হঠাৎ বাইকের পেছন থেকে বলে উঠলো, “বাইক থামান।”

মেজবাহ সামনের মিররে দেখে প্রশ্ন করলো, “কেন?”

“সেই কৈফিয়ত আমি আপনাকে দিতে যাবো না। বাইক থামান, নাহলে আমি ঝাঁপ দিবো।”

“চুপচাপ বসে থাকো। পাগলামি করবে না!”

মেজবাহ’র রূঢ় জবাবটা পেয়ে আকসার জেদ আরো বেপরোয়া হলো৷ ও একইরকম জিদ্দি স্বরে বললো, “ঝাঁপ দিলাম কিন্তু!”

ওর হুমকিতে একপ্রকার বাধ্য হয়ে সরু রাস্তার পাশে বাইক থামিয়ে দিলো মেজবাহ। সঙ্গে সঙ্গে আকসা বাইক থেকে নেমে কঠোর গলায় বললো, “এবার আপনি আসতে পারেন।”

“আসতে পারেন মানে? কী বলছো তুমি? মাথা ঠিক আছে তোমার?”

“আপনার সাথে আমি যাবো না৷ একা-ই যেতে পারবো। তাই আপনি আসতে পারেন।”

মেজবাহ এবার কঠোর মুখে আকসার দিকে একদৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে অতঃপর স্বাভাবিক গলায় বলে, “ওকেহ।”

মেজবাহ বাইক ইউটার্ন মারলো৷ আকসা এতক্ষণের ভারী নিঃশ্বাসটা ছেড়ে হালকা হয়ে এবার সামনের পথে হাঁটতে থাকে। এই দশ-পনেরো মিনিটের নির্জন রাস্তা পেরোলেই আবারও লোকালয়৷ সেখানে গেলে রিকশা বা সিএনজি পাওয়া যাবে।
.
.
আকসা হাঁটছে পথের একপাশ থেকে। হঠাৎ ওর শাড়ির আঁচলে টান পরতেই চমকে দাঁড়িয়ে গেল। এই রাস্তায় তো কোনো মানুষজনের দেখা পাওয়া যায়নি৷ তাহলে ভূত-প্রেত নাকি? ভয়ে ভয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখলো, একটা ছেলে ওর শাড়ির আঁচল টেনে ধরে দাঁড়িয়ে আছে! আবছা অন্ধকারে চোখে-মুখে পৈশাচিক এবং অসাধু উদ্দেশ্য স্পর্শ অবলোকন করা যায়! সেই ছেলের পেছনে আরেকটা ছেলে দাঁড়িয়ে। তারও ভাবভঙ্গি একইরকম৷ আকসার পিলে চমকে উঠলো। ও বুঝতে পারলো, এদের উদ্দেশ্য অবশ্যই খারাপ। কিছু না বলে শাড়ির আঁচলে টান মেরে দৌড় দিতে যাবে, তখনই পেছন থেকে ছেলেটা ওর হাতের বাহু চেপে ধরে বিশ্রীভাবে বললো, “এত সেজেগুজে কোথায় যাচ্ছো রূপসী? আমাদেরও একটু দেখিয়ে দিয়ে যাও।”

আকসার বুকের ভেতর ভয়াবহ হাহাকার শুরু হলো৷ ভয়ে অবশ হয়ে গেল ও। এখন এখানে যদি ওরা ওর সাথে খারাপ কিছু করে, তাহলে কেউ দেখতেও আসবে না৷ কারণ, এই পথে কোনো মানুষ-ই নেই! একপাশে ঘন জঙ্গলের ন্যায়।

“আল্লাহ আমার কি হবে! আমাকে রক্ষা করো তুমি। এদের হাত থেকে বাঁচিয়ে দাও আল্লাহ।”

আকসা মনে-প্রাণে দোয়া করতে লাগলো। ছেলেগুলো ততক্ষণে ওকে জঙ্গলের দিকে টানছে। আকসার হুঁশ নেই প্রায়। গায়ে জোরও নেই। এখন ওর আফসোস হচ্ছে, কেন যে মেজবাহকে চলে যেতে বললো!
লোকটাও এককথায় চলে গেল! কেমন দায়িত্ব-জ্ঞানহীন লোক! আকসার রাগও হলো এই মুহূর্তে। যখন একেবারে আশা হারিয়ে ফেলেছে, ঠিক সেসময় আঁধার হতে একজনের হাত ছেলেগুলোকে টেনে নিতেই আকসা ধড়ে প্রাণ ফিরে পেল যেন। মেজবাহ ইফতেখার! মেজবাহ এসেছে! আকসা এবার শরীরে শক্তি ফিরে পেল যেন। সাহারা পেল। মেজবাহকে দেখে ছেলেগুলোর কোনো নড়চড় হলো না৷ পৈশাচিক হেঁসে ওকে প্রশ্ন করলো, “তোমারও ভাগ চাই ব্রো?”

কথাটা শোনামাত্র মেজবাহ ছেলে দু’টোকে ধরে ঘুষি মারতে লাগলো। মারতে মারতে রক্ত বের করে ফেললো নাক থেকে৷ আচনক এমন হামলা ওরা আশা করেনি বোধহয়। দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলো সেখান থেকে। মেজবাহ ওদেরকে টেনে ধরে আরো কয়েকটা ঘুষি মারতেই ওরা এবার হাউমাউ করে কান্না করে ফেললো। এরমধ্যে আকসা আঁতকে চিৎকার করে উঠতে মেজবাহ’র ধ্যান ওর ওপরে পরতেই ছেলেগুলো এই সুযোগে ছুটে পালালো। মেজবাহ মাটির ওপরে বসে আকসার কাছে এগিয়ে এলো। সঙ্গে সঙ্গে ওর বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ওকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ডুকরে কেঁদে ফেললো আকসা। কান্নারত স্বরে বললো, “আপনি না চলে যাচ্ছিলেন? তাহলে ফিরে কেন আসলেন?”

মেজবাহ ওর মাথায় ঠোঁট ঠেকিয়ে চাপা স্বরে বলে, “মেজবাহ ইফতেখার তার শত্রুর ওপরেও কৃপা করে। সেখানে তুমি তো আমার ঘরের বউ।”

চলবে


রিচেক ভালোভাবে করতে পারিনি। চোখ থেকে পানি পরছে। পরে করে দেবো৷

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply