সীমান্তরেখা
লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক
পর্ব_২
[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ!]
আকসা সন্ধ্যার পর থেকে আর ঘরের বাইরে বের হয়নি একবারের জন্যও। মেজবাহ চলে যাওয়ার পর সেই যে নিজ ঘরে এসে বসেছে, এরপর আর ওর মা ওকে রাতে খেতে ডেকেও ঘরের বাইরে নিয়ে আসতে পারেননি। আকসা জানিয়েছে, ও আর রাতে খাবে না। মেজবাহ যেই পরিমাণ রুঢ় কথা ওকে শুনিয়েছে আজ, তাতেই ওর পেট ভরে গেছে৷ অন্যকিছু খাওয়ার আর প্রয়োজন পরবে না।
কলি সবে ফোন করেছে ওকে৷ ফোনের রিং বাজতেই আকসা কম্বলের নিচ থেকে ফোনটা বের করে কল রিসিভ করলো। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে কলির উচ্ছ্বসিত কন্ঠস্বর শোনা গেল। কলি বললো, “কী রে? ভদ্রলোক তোকে মাফ করেছে?”
“আর মাফ!”
আফসার কন্ঠস্বরে সে কি মারাত্মক উপহাস নিজের প্রতি! কলি ওর কথার সুর ধরতে পেরে পাল্টা প্রশ্ন করলো, “তারমানে তোকে মাফ করা হয়নি?”
“না হয়নি। বরং অজস্র উপহাস আর অপমানযুক্ত রুঢ়কথা ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে আমার দিকে। তুই ভাবতে পারছিস? আমার মতো মেয়েকে কিনা অপমান করা হয়েছে! আমি কি অবলা নারী? উনি আমাকে অপমান করার সাহস পেলেন কোথা থেকে?”
আকসার রাগে শরীর কাঁপছে। কিছুক্ষণ আগেও যেই মনের বিষন্নতা ছিল, সেটা এই রাগের কাছে ঠুনকো হয়ে গেছে। আকসাকে কলি শান্ত করতে বলো, “শান্ত হ আকসা। জানি, এই অপমান তোর পক্ষে মেনে নেওয়া সহজ নয়। তুই তো অমন মেয়ে না৷ তবে এমন আচরণ কেন করলেন তোর সাথে? তুই যেভাবে উনার সম্পর্কে বলছিলি, তাতে তো ভেবেছিলাম মেজর মেজবাহ ইফতেখার একজন জেন্টেলম্যান।”
“জেন্টেলম্যান! হাহ! জেন্টেলম্যান-ই বটে উনি। নাহলে তার এতো শান্তভাবে বলা কথার প্রভাবেও আমার এমন অসহ্য ঠেকতো না।”
আকসা সামান্য উপহাসের হাসি হাসলো৷ এসব নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে নিজের-ই শরীর খারাপ করে ফেলছে। একটু বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন ওর। তাছাড়াও, আগামীকাল ভার্সিটিতে একটা প্রেজেন্টেশন দেওয়ার কথা। রাতের মধ্যেই সেটা কমপ্লিট করে রাখতে হবে। এজন্য কলির সাথে দ্রুত কথা শেষ করলো ও। দুই মিনিটের জন্য ফেসবুকে ঢুকে নিউজফিড স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ চোখে পরলো, ওর ভাই মেজবাহ ইফতেখারের আইডি ট্যাগ করে একটা ফটো পোস্ট করেছে। যেখানে ক্যাপশনে লেখা আছে — ‘অন দ্য ওয়্যে।’
তারা বাইকে ছিল। বাইকটা ওর ভাইয়ের। কিন্তু ড্রাইভ করছে মেজবাহ। এককালে যখন মেজবাহকে চিনতো, তখন থেকেই ও জানতো, মেজবাহ একজন ভালো বাইকার। মেজবাহরও বাইক আছে। অবশ্য, তার বাবার নাকি গাড়িও আছে। কিন্তু মেজবাহ খুব একটা গাড়ি ব্যবহার করে না। বাইক নিয়েই চলাচল করে বেশিরভাগ সময়।
আকসা ফটোটা একপলক দেখেই সরিয়ে দিয়েছে। বড়ভাইয়ের প্রত্যেকটা পোস্ট, প্রত্যেকটা ছবিতেই রিয়্যাক্ট-কমেন্ট থাকে ওর৷ কিন্তু এই পোস্টে ও রিয়্যাক্ট দিলো না। একেবারেই এড়িয়ে গেল।
.
.
আজ শুক্রবার। মেজবাহদের বাসায় যাওয়ার কথা আজ। কথা রয়েছে, জুম্মার নামাজ আদায় করেই একসাথে ওরা সবাই যাবে। কিন্তু মেজবাহ নাকি হঠাৎ সকালে কল করে ইফানকে বলেছে, বারোটার আগেই পৌঁছাতে। জুম্মার নামাজ নাহয় তারা একসাথে সেখারকার মসজিদে আদায় করে নেবে।
মেজবাহ’র কোনো কথা-ই ফেলতে পারে না ইফান। তাই এককথায় রাজি হয়ে গেছে ও।
আকসা সকাল থেকে বসে ভাবছিল, ও যাবে কিনা৷ যেই ব্যক্তি ওকে এভাবে অপমান করলো, তার বাসায় যাওয়াটা কি সমীচীন হবে? অনেকক্ষণ যাবত ঘরের ভেতরে পায়চারি করতে করতে একথা ভাবছে আকসা। তখনই ওর মা আয়েশা বেগম এসে তাড়া দিলেন। আকসাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “ও আকসা, জলদি তৈরি হয়ে নে। আমাদের যেতে দেরি হয়ে যাবে কিন্তু। তোর রেডি হতে হতেই তো একঘন্টা।”
মায়ের কথা শুনে আকসা আলমারি খুলে জামাকাপড় বের করে নিলো গোসল করতে যাওয়ার জন্য। তখনই আয়েশা বেগম আরেকবার এসে বললেন, “তোর আব্বু কল দিয়েছে। তোর সাথে কথা বলবে। কথা বলে নে আগে। তারপর গোসলে যাস।”
আকসার আব্বু থাকেন কাতারে। আজ প্রায় দীর্ঘ পনেরো বছর যাবত কাতারে আছেন ওর আব্বা ইসহাক খন্দকার। অবশ্য দুই-চার বছর পরপর তিনি দেশে আসেন দুই-তিন মাসের জন্য। এইতো, গতবছরও এসে গেছেন তিনি।
আকসার প্রতিদিনই ওর আব্বুর সাথে কমপক্ষে একবার হলেও কথা হয়। আজ-ও গোসলে যাওয়ার আগে আব্বুর সাথে কথা বলে নিলো৷ ইসহাক খন্দকার মেয়ের সাথে কথা বলা শেষে ফোনটা মেয়েকে ওর মায়ের কাছে দিতে বললেন৷ আকসা গিয়ে ফোনটা ওর মায়ের কাছে দিলো। ইসহাক খন্দকার ফোনের ওপাশে ভিডিওকলে ছিলেন। বিবিকে ফিসফিসিয়ে বললেন, একটু নিরিবিলি জায়গায় যেতে।
আয়েশা বেগম স্বামীর কথা শুনে নিজ ঘরের ব্যালকনিতে চলে গেলেন। ইসহাক খন্দকার তখন বললেন, “মেয়ের বিয়ের কথা তো এবার ভাবতে হচ্ছে আয়েশা। মেয়েটা বড় হচ্ছে। ছেলের কথা নাহয় পরে দেখা যাবে। ব্যাটাছেলে আর কিছুদিন দেরি করে বিয়ে করলেও অসুবিধা নেই। কিন্তু ছোট্ট মেয়েটা চোখের সামনে বড় হয়ে যাচ্ছে, ওর তো এবার বিয়ে দিতে হবে৷ নেহাতই আমি আসতে পারছি না এখন। তুমি একটু ভাইসাব আর তোমার বাপের বাড়ির লোকজনকে বলেকয়ে একটা ভালো ছেলের খোঁজ করো তো।”
আয়েশা বেগম বুঝতে পেরেছিলেন, তার স্বামী কি নিয়ে কথা বলতে পারেন। কয়েকটা দিন যাবত একমাত্র মেয়ের বিয়ে নিয়ে টেনশন করছিলেন ইসহাক খন্দকার। ফোনে কয়েকবার একথা বউকে বলেছেনও তিনি। আয়েশা বেগম একটুও দ্বিধান্বিত হলেন না। বরং শান্তভাবে বললেন, “আপনি চিন্তা করবেন না ইফানের আব্বু। আমি যত দ্রুত সম্ভব আমাদের আকসার জন্য ভালো ছেলে খুঁজবো।”
.
.
আকসা আজ একটা অলিভ কালারের পাকিস্তানি ডিজাইন কোডের কামিজ পরেছে। ওর এই ড্রেসটা ভীষণ পছন্দের। বিশেষ উৎসব গুলোতে এই ড্রেসটাই বারবার পরা হয় ওর। কামিজের ওড়নাটা গাঢ় মেরুন রঙের। আকসা মেক-আপ করতে তেমন পছন্দ করে না। মু্খে ঠিকমতো সানস্ক্রিনটা মেখে তারওপর হালকা বেবি পাউডার দিয়ে ঠোঁটে লিপ-অয়েল লাগিয়ে নিলো ও। কানে মাঝারি আকৃতির একটা ঝুমকো, ওপর দুই কানে ছোট দু’টো টপ আর বাঁহাতের আঙুলে দুটো রিং— ব্যস, আকসার সাজ সম্পূর্ণ। ও নিজেকে একবার ড্রেসিং টেবিলের মিররে দেখে নেয় ভালোভাবে। ওড়নাটা মাথায় টেনে ঘাড়ে ব্যাগটা নিয়ে ও তাড়াহুড়ো করে দৌড়ে বেরিয়ে যায়। ওর মা সেই কখন থেকে ড্রয়িংরুমে দাঁড়িয়ে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে ডাকছেন ওকে। তারা সবাই তৈরি। শুধু আকসার-ই তৈরি হতে দেরি হয়েছে। ঠিক সাড়ে এগারোটার দিকে ইফানের বাইকটা তাদের বাড়ি থেকে মেজবাহ’দের বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হলো। আকসা প্রকাশ না করলেও যত পথ এগোচ্ছে, তত বেশি আড়ষ্ট হলো যেন। সেই সাথে সেদিনের অপমানগুলোও চোখের সামনে ভেসে উঠতে লাগলো বারবার।
.
.
মেজবাহ তার বাড়ির বড় ছেলে। এই বাড়িটা তিনতলা এবং সুবিশাল। মেজবাহ’র আব্বু এহসানুল হক এই বাড়ির কর্তা। তার ছোটভাইয়ের পরিবারকে নিয়ে এই বাড়িতে থাকেন তিনি। এছাড়াও, তার দু’টো বোনও আছে৷ বোনেরা এই শহরেই তাদের শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। তবে প্রায়শই এখানে আসেনও বটে।
আকসা এর আগে কখনো মেজবাহদের বাড়িতে আসেনি। তবে তার ভাই বহুবার এসেছে। সুবিশাল এই বাড়ির সামনে বেশ বড় একটা উঠান। বাড়ির নকশাটা পুরোনো জমিদারি আমলের বাড়ির মতো। এই বাড়ি নাকি মেজবাহ’র দাদার তৈরি সেই মুক্তিযুদ্ধের সময়কালের পরে। আকসা বাড়ির গেইটের সামনে দাঁড়িয়ে এসব কথা-ই শুনছিল ওর ভাইয়ের কাছ থেকে। কলিংবেল বাজানো হয়েছে মিনিটখানেক আগে। তারপর দেখা গেল, সামনের সিঁড়ি বেয়ে একজন মহিলা নেমে এসে কেচিগেইট খুলে দিলেন। মহিলাটি সম্ভবত মেজবাহ’র মা হবেন। কিছুক্ষণের মধ্যে তার কথাতেই বোঝা গেল, তিনিই মেজবাহ’র মা। তাকে এর আগে আকসা খুব একটা দেখেনি। আর মনেও নেই সেভাবে। তবে, ওর মা আর ভাইয়ের খুব ভালো পরিচিত বোঝা গেল। ওরা ভেতরে যেতেই মেজবাহ’র মামনি ইশা বেগম বললেন, “আপনাদের তো আরো আগে আসার কথা বলেছিলাম আপা৷ দেরি করলেন যে?”
মেজবাহ’র মা কপট রাগ দেখালেন। আয়েশা বেগম মৃদু হেঁসে বললেন, “ওদের রেডি হতেই দেরি হয়ে গেল আপা। কিছু মনে করবেন না।”
আকসারা নিচতলা, এরপর দোতলা ছাড়িয়ে তিনতলায় গেল। ইশা বেগম ওদেরকে দেখিয়ে দেখিয়ে নিয়ে যেতে লাগলেন। বললেন, “আমরা পুরো পরিবার তিনতলায় থাকি। নিচের দুই তলায় ভাড়াটিয়ারা থাকে৷ আমাদের তিনতলায় একটাই ফ্ল্যাট আবার বিশাল বড়। সেই ফ্ল্যাটে সাতটা শোবার ঘর, প্রত্যেক ঘরে অ্যাটাচড বাথরুম, বসার ঘর, রান্নাঘর দু’টো, খাওয়া হয় একঘরেই। আসলে আলাদা থাকার কথা কখনো ভাবেনি আমার মেজবাহ’র আব্বু। আর তাদের দুইভাইয়ের যে মিলমিশ। এজন্য দু’টো ফ্ল্যাট অ্যাটাচড করেই একটা ফ্ল্যাট করে থাকছি সবাই।”
কথা বলতে বলতেই সবাই সদর দরজা পেরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলো। আকসা ঢুকেই বুঝলো, আসলেই অনেক বড় ফ্ল্যাট। সম্পূর্ণ তিনতলা জুড়েই তারা থাকেন। বসার ঘরটা অনেক বড়। ইশা বেগম তাদেরকে সোফায় বসতে বলে বাড়ির সবাইকে ডাকলেন একে একে।
আকসা ফোনটা হাতে নিয়ে লক খুলে ফেসবুক স্ক্রল করছিল সবে। তখনই দেখলো, মেজবাহ একটা কালো রঙের টি-শার্ট আর ব্লু ট্রাউজার পরিহিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে বসার ঘরে প্রবেশের খোলা দরজার সামনে।
ওর হাতদু’টো প্যান্টের পকেটে ছিল। এগিয়ে আসতেই ইফান উঠে দাঁড়ালো। মেজবাহ ইফানের সাথে করমর্দন করে কোলাকুলি করে নিলো। ইতিমধ্যেই সেখানে একটা বছর ষোলো বয়সী ছেলে, একজন আকসা— এমনকি মেজবাহ’র থেকেও সম্ভবত কয়েক বছর বড় বয়সী একটি মেয়ে, আরেকটা পনেরো বছর বয়সী মেয়ে এসে হাজির হলো। আকসার থেকে বয়সে বড় মেয়েটার কোলে একটা বাচ্চা ছেলে। আকসা বাচ্চাটাকে দেখেই একধ্যানে তাকিয়ে রইলো। এতো মায়াবী বাচ্চাটা! এমনিতেই, আকসার চোখে ছোট্ট সকল শিশুরাই মায়াবী, সুন্দর। ওর এই বাবুটাকে দেখে কোলে নিতে মন চাইলো। তবে মুখ ফুটে বলতে পারলো না। ইতিমধ্যেই ড্রয়িংরুমে মেজবাহ’র ছোট চাচি ফাতিমা খাতুন এসে দাঁড়িয়েছেন। তিনি এগিয়ে এসে আকসার মায়ের সাথে কথা বলতে লাগলেন। আকসা খেয়াল করেনি, কথা বলার মাঝেও তার চোখ আকসার দিকেই ছিল। কোনোভাবেই দৃষ্টি ফেরাতে পারছিলেন না তিনি। আকসা এদিক-ওদিক তাকিয়ে দেখছিল চারপাশ। পুনরায় ওর দৃষ্টি গিয়ে আটকালো সদর দরজার সামনে। মেজবাহ ধীর পায়ে এগিয়ে এলো। আয়েশা বেগমের সাথে কথা বলে কুশলাদি বিনিময় করে নিল। ওর ঠোঁটের কোণে এক চিলতে ভদ্রতাসূচক হাসি। এরমধ্যেই টেবিলে ডাক পরলো। আয়েশা বেগম আর ইফান আগে গিয়ে বেসিনে হাত ধুয়ে টেবিলের দিকে গেল। মেজবাহ ওর চাচির সাথে কথা বলছিল একপাশে দাঁড়িয়ে। আকসা তখনও দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে। বেসিনের কাছে মেজবাহ’র চাচাতো বড় বোন জেমি দাঁড়িয়ে। জেমি সরতেই আকসা এগিয়ে গিয়ে বেসিনের সামনে দাঁড়ালো। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, এই বেসিনের কলটা এমন সিস্টেমে তৈরি করা; যা আকসার বোঝার বাইরে। ওদের বাসার কলটা এমন প্রকৃতির নয়। এজন্য ওর চালু করতে অসুবিধা হচ্ছে। আকসা দাঁড়িয়ে ইতস্তত বোধ করতে লাগলো। বিব্রতও হলো ও। কেউ বিষয়টা লক্ষ্য করলে মনে মনে নিশ্চয়ই ওকে নিয়ে উপহাস করবে। নাহয় বোকা ভাববে। হঠাৎ পেছন থেকে একটা শান্ত কন্ঠস্বর শোনা গেল, “এতোবড় মেয়ে বেসিনের কল চালু করতে জানো না?”
মেজবাহ’র সূচালো কন্ঠস্বর শুনে পেছনে ফিরে তাকালো আকসা। তার মুখ একদম স্বাভাবিক, শান্ত-শিষ্ট। এই বাড়ির সবচেয়ে ভদ্র ছেলেটা, যাকে সবাই পারলে মাথায় তুলে রাখে। মেজবাহ আকসার দিকে শান্ত চাহনিতে তাকিয়ে থেকে বললো, “নেহাতই আমাদের বাসায় অতিথিদের অসম্মান করার চল নেই, নাহলে. . .”
মেজবাহ থেমে যায়। পুনরায় পেছনে ঘাড় ঘুরিয়ে বলে উঠে, “জেমি আপু, এসে বেসিনের কলটা চালু করে দিয়ে যাও। একজন কল চালু করতে পারছে না।”
কথা শেষ করে মেজবাহ গটগট পায়ে হেঁটে চলে গেল ডাইনিং রুমের দিকে। আকসা ওখানেই ঠাঁই দাঁড়িয়ে রইলো। মেজবাহ চাইলে নিজেই কল চালু করে দিয়ে যেতে পারতো। কিন্তু খুবই ভদ্রভাবে কতগুলো কথা বলে চলে গেল। ভদ্রভাবে বললো, অথচ কথাগুলো সোজা গিয়ে আকসার হৃদপিণ্ডে আঘাত করলো। লোকটা আসলেই জেন্টেলম্যান!
চলবে
নোটবার্তা : যাদের জনাব মেজবাহ সাহেবের অল্প সময়ের মধ্যে মেজর হওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে, তাদের বিভ্রান্তি আমি কমেন্টবক্সে দূর করে দিচ্ছি। গল্প নিয়মিত আসবে। পেইজ ফলো দিয়ে রাখুন।
Share On:
TAGS: ঝিলিক মল্লিক, সীমান্তরেখা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২০
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১
-
সীমান্তরেখা পর্ব ৮
-
সীমান্তরেখা পর্ব ৭
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২২
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২১
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৩
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৭
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৫
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৭