Golpo কষ্টের গল্প শেষ পাতায় সূচনা

শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৪৬.১


শেষপাতায়সূচনা [৪৬.১]

সাদিয়াসুলতানামনি

পূর্ণতা আজকের রান্নাগুলো নিজের হাতে না করতে পারলেও, সকলকে নিজ হাতে বেড়ে বেড়ে খাওয়ায়। পূর্ণতা যে একটা আইটেমও রান্না করেনি তা নয়। সে দু’টো আইটেম রেঁধেছে। মি.শেখের পছন্দের লাউ দিয়ে গলদা চিংড়ি মাছের তরকারি। আর জাওয়াদের জন্য সুজির হালুয়া। তাকে বেশিক্ষণ গরমে থাকা নিষেধ করেছেন ডাক্তার। তাই এই দুটোই রেঁধেছে। কিন্তু সকলে জানে মালতী কাকীই পূর্ণতার নির্দেশ মোতাবেক রান্না গুলো রেঁধেছে। সকলে কিছু মনে করে না বিষয়টা জেনে। কারণ তারা তো জানে পূর্ণতা এখনও কতটা অসুস্থ।

মি.শেখ ও জাওয়াদ আজ বহুদিন পর পূর্ণতার রান্না পেয়ে ভীষণ তৃপ্তি করে খায়। ডেজার্ট খেতে গিয়ে জাওয়াদ ঠিকই বুঝে যায়, হালুয়াটা পূর্ণতাই রেঁধেছে। আর নিজের পছন্দের একটি খাবার এতগুলো বছর পর প্রিয় মানুষটির রান্না করেছে বিষয়টা উপলব্ধি করে জাওয়াদ আজ যেন একটু বেশিই খেয়ে ফেলে ডেজার্ট।

দুপুরের কড়া রোদের তাপটা একটু পড়ে যেতেই, মি.শেখ ও জাওয়াদ বেরিয়ে পড়ে নিজেদের বাসার উদ্দেশ্যে। যাওয়ার আগে মি.শেখ নাতিকে মন ভরে আদর করে যায়। তাজওয়াদেরও নতুন দাদু ভীষণ পছন্দ হয়ে যাওয়ায়, সে তার থেকে প্রমিজ নেয় সে যেন আবারও আসে তাজওয়াদকে দেখতে। মি.শেখ হাসিমুখে নাতিকে কথা দেয়, সে আবারও আসবে।

জাওয়াদরা চলে যাওয়ার পর পূর্ণতা ছেলেকে নিয়ে রুমে চলে আসে। তাজওয়াদকে ঘুম পাড়ানোর জন্য। তাজওয়াদ প্রায় ঘুমিয়ে পড়েছে, তখন সে আধো আধো গলায় বলে–

—মাম্মা, ভালো আঙ্কেলকে আমাদেল সাতে লাকা যায় না? ভালো আঙ্কেল যখন আমাল সাথে থাকে, তখন আমাল অনেক ভালো লাগে। আল যখন চলে যায়, তখন মনটা স্যাড স্যাড হয়ে যায়। তাজওয়াদেল শুধু ভালো আঙ্কেলেল সাতে থাকতে মন চায়। তাল আদল পেতে তাজওয়াদেল ভালো লাগে মাম্মা।

ঘুমের ঘোরে ছেলের মুখে এমন আকুতিভরা কথা শ্রবণ করে পূর্ণতার বুকটা ভার হয়ে গেলো। যতই হোক রক্তের টান, এত সহজে শেষ হয়ে যায় না। জন্মলগ্ন থেকে এই পর্যন্ত তাজওয়াদ না পেয়েছে তার বাবার সানিধ্য পেয়েছে, আর না-ই বা পরিচিত হয়েছে বাবা নামের মানুষটির সাথে। অথচ গত কয়েকমাসের চেনা পরিচয়ে তাদের মধ্যে এমন এক আত্মার সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছে যে, সেই সম্পর্কের জেরে আজ একটা ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক পুনরায় জোড়া লাগার পথে।

তাজওয়াদ আরো কিছুক্ষণ ঘুমের ঘোরে বিড়বিড়ায়। তারপর গভীর ঘুমে ঢলে পড়ে। সকাল থেকে বিকাল অব্দি দশটা মিনিটের জন্য না নিজে শান্ত হয়ে বসেছে, আর না-ই বা জাওয়াদকে বসতে দিয়েছে। এই খেলা, ঐ খেলা করতে করতেই তাদের সময় কেটেছে। এত দৌড়াদৌড়ি করার পর স্বভাবতই বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল তাজওয়াদ যা তার মুখ দেখে যে কেউই বলে দিতে পারত। তাই পূর্ণতা বিকেলে তাকে ঘুম পাড়াল।

তাজওয়াদকে ঘুম পাড়িয়ে বিছানা ছাড়তেই আসরের আজান দিয়ে দিলে, পূর্ণতা অজু করে এসে নামাজ আদায় করে নেয়। নামাজ পড়া শেষে আত্মিক শান্তির জন্য কিছুক্ষণ কুরআন তেলাওয়াত করে। সবসময় করা হয় না কাজের চাপের জন্য। কিন্তু যখনই তার মন-মেজাজ বেশি বিক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছে। তখন এই বিক্ষিপ্ত মনোভাবকে শান্ত করতে রবের সানিধ্য লাভের প্রয়াস করে সে।

পুরোটা বিকেল তার কুরআন তেলাওয়াত ও অলস ভাবেই কেটে যায়। মাগরিবের নামাজ আদায় করে তাজওয়াদকে ঘুম থেকে উঠিয়ে ফ্রেশ করিয়ে নাস্তা করে আহনাফ সাহেবের সাথে বসেই। এরই মাঝে আরিয়ানও এসে পড়ে। পূর্ণতা তার মুখের দিকে তাকালে সদা চঞ্চল ও হাস্যোজ্জ্বল আরিয়ানের মুখে ছেয়ে থাকা মন খারাপের কালো মেঘ সহজেই ধরা পড়ে তার কাছে। গতকাল থেকেই দেখছে তার ভাইটার মুখটা মলিন। সেই সাথে মনটাও। কিন্তু কেনো? জানতে ইচ্ছে হয় পূর্ণতার প্রচন্ড। তাই সে তার ইচ্ছেটাকে আর দমিয়ে না রেখে তাজওয়াদকে আহনাফ সাহেবের পাশে বসিয়ে রেখে, আরিয়ানের জন্য কড়া এক কাপ কফি বানিয়ে নিয়ে তার রুমের উদ্দেশ্যে পা বাড়ায়।

আরিয়ান তখন নিজের রুমে এসে ফ্রেশ না হয়েই সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে বসেছিল। আজ আরওয়ার সাথে খোলাখুলি আলোচনা হয়েও কোন সমাধান হয়নি। আরওয়া সময় চেয়েছে তার কাছে। এবং, এ-ও বলেছে, আরিয়ান যাতে তার পজিটিভ অথবা নেগেটিভ উভয় সিদ্ধান্ত শোনার মন-মানসিকতা রাখে। মূলত এই কথা শোনার পর থেকে আরিয়ানের চিত্ত আরো অস্থির হয়ে আছে। গতকালের থেকেও বেশি।

পূর্ণতা দরজায় নক করতেই আরিয়ান তাকে পারমিশন দেয় ভেতরে প্রবেশ করার। পূর্ণতা রুমে প্রবেশ করে হাতের কফির মগটা আরিয়ানের দিকে বাড়িয়ে দেয়। আরিয়ান সেটা নিজের হাতে নিতেই পূর্ণতা অপর একটি সিঙ্গেল সোফায় বসে পড়ে। অতঃপর কোন তাড়াহুড়ো ব্যতীত, শান্ত গলায় তাকে জিজ্ঞেস করে–

—তোমার কি হয়েছে ভাই? কাল থেকে দেখছি তুমি ভীষণ টেনসড। তুমি কি আঞ্জুমানের বিষয়টা নিয়ে টেনশনে আছো? নাকি অন্যকোন বিষয়ে? চাইলে আমাকে খুলে বলতে পারো তোমার সমস্যার কথা।

আরিয়ান লম্বা করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্রচন্ড হতাশা নিয়ে বলে–

—সবসময় সমস্যাকে ভয় পেয়ে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা আমি, কিভাবে যে এত সমস্যায় জড়িয়ে গেলাম জানতেও পারলাম না। বলবো, দাঁড়া। আমি একটু ফ্রেশ হয়ে আসছি তুই ততক্ষণে এটা পড়।

আরিয়ান নিজের জায়গা থেকে উঠে তার স্টাডি টেবিলে কাছে যায়। তারপর সেই ডায়েরিটা নিয়ে এসে পূর্ণতাকে দিয়ে নিজে জামাকাপড় নিয়ে ফ্রেশ হতে চলে যায়। পূর্ণতা আরিয়ান চলে যাওয়ার পর কিছুটা দ্বিধা নিয়েই ডায়েরিটা পড়া শুরু করে। কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সাথে তার সকল দ্বিধা কর্পূরের ন্যায় উবে গিয়ে সেখানে এসে জমা হয় ক্রোধ।

পূর্ণতা আরওয়ার ডায়েরিটা যতই পড়ছে, ততই সে বিস্মিত হয়ে যাচ্ছে এই ভেবে, কি করে একটা মেয়ে এতটা নিকৃষ্ট হতে পারে। পরপর দুটো মেয়ের থেকে তার ভালোবাসা মানুষটিকে কেড়ে নিয়েছে। এই আঞ্জুমান কোন মাটির তৈরি সে ভেবে পায় না।

পূর্ণতার ডায়েরি পড়ার মাঝেই আরিয়ান ফ্রেশ হয়ে চলে আসে। পূর্ণতাকে মন দিয়ে ডায়েরিটা পড়তে দেখে সে শব্দ না করে সোফায় বসে পড়ে। এতক্ষণ লাগিয়ে শাওয়ার নিয়েও তার ক্লান্তিভাব দূর হচ্ছে না। আসলে মন-মস্তিস্ক যখন ক্লান্তিভাব ছেয়ে থাকে, তখন শরীরও সেই পথেই পা বাড়ায়।

পূর্ণতা ডায়েরিটা পড়া শেষ করে রাগে-দুঃখে কাঁপতে থাকে থরথর করে। তার মনটা বলছে, সেদিন আঞ্জুমানকে একেবারে জানে মে’রে দেওয়া উচিত ছিল। আঞ্জুমানের মতো নিকৃষ্ট শ্রেণির মানুষের কোন দরকার নেই বেচে থাকার। হঠাৎই তার মনে পড়ে সেই দিনটির কথা, যেদিন আরওয়া প্রথমবারের মতো তাদের বাসায় এসেছিল। সেদিন রাতে পানি নিতে এসে, সিঁড়ির পেছনে আরওয়ার বলা সেই দান করার মানে আরিয়ানকে বুঝিয়েছিল।

পূর্ণতা ডায়েরিখানা সেন্টার টেবিলের উপর রেখে ভাইয়ের দিকে তাকায়। ভাইয়ের মলিন মুখ দেখতে তার একটুও ভালো লাগছে না। নিজেরই কেমন কান্না কান্না পাচ্ছে তার। সে খানিক ধরা গলায় বলে–

—এখন কি করবে বলে সিদ্ধান্ত নিলে ভাই?

—আরওয়ার সাথে কথা বলে আসলাম। বললাম, আমার হাতটা আবারও ধরবে নাকি। সময় চেয়েছে আমার কাছে ভাবার জন্য। এবং এ-ও বলেছে, পজিটিভ-নেগেটিভ উভয় মতামত শোনার মানসিকতা নিয়ে রাখতে।

আরিয়ান একটু থামে। কথাগুলো তার জড়িয়ে আসতে নেয় একটার সাথে আরেকটা। চোখও জ্বালাপোড়া শুরু করেছে। কিন্তু সে বর্তমানে ছোট বোনের সামনে অশ্রু বিসর্জন দিতে নারাজ। খানিকক্ষণ সময় নিয়ে নিজেকে শান্ত করে আরিয়ান। তারপর মলিন গলায় আবারও বলে ওঠে–

—সত্যি বলতে নিজেরই কেমন জানি লজ্জা লাগছিলো কথাটা বলতে। শত হোক, একটা সেকেন্ড হ্যান্ড জিনিস আমি। আরেকটা মেয়েকে বিয়ে করে সংসারও করলাম কতদিন। যতই আমি অজ্ঞাত হয়ে করি না কেন বিয়েটা। কিন্তু এটা তো ধ্রুব সত্য যে, আমি বর্তমানে একজন বিবাহিত পুরুষ। আরওয়া কেনোই বা চাইবে আমার মতো একজন বিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করতে? তারও তো ইচ্ছে করতেই পারে, কোন পুরুষের প্রথম নারী হওয়ার। নিজের স্বামীর সবকিছুতে প্রথমা হিসেবে থাকার। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ও যাই সিদ্ধান্ত নেক না কেন আমায় নিয়ে সেটা আমি মাথা পেতে সম্মানের সহিত মেনে নিবো। না পেলাম ভালোবাসার মানুষটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে। একজীবনে সবকিছু পেয়ে গেলে, অবসর সময়ে আফসোস করার মতো কোন টপিক থাকবে না।

শেষের কথাটা বলতে বলতে সে হেঁসে দেয়। কিন্তু পূর্ণতা ঠিকই বুঝতে পারে, এই হাসির পেছনে কতটা হাহাকার, কষ্ট, আর্তনাদ রয়েছে ভালোবাসার মানুষটিকে না পাওয়ার। পেয়েও হারিয়ে ফেলার দূর্ভাগাদের তালিকায় সেও রয়েছে। তাই সে সহজেই আরিয়ানের কষ্টটা উপলব্ধি করতে পারছে।

অনেকক্ষণ ধরে মাকে দেখছে না বলে, তাজওয়াদ নিজেই সিঁড়ি বেয়ে পূর্ণতাকে খুঁজতে খুঁজতে আরিয়ানের রুমে চলে আসে। পূর্ণতাকে কি একটা দেখাবে বলে তাকে টেনে নিয়ে যেতে চায় নিচে। পূর্ণতা যাওয়ার আগে আরিয়ানের উদ্দেশ্যে বলে–

—হতাশ হয়ো না ভাই। আর আগের থেকেই এত নেগেটিভ ভেবো না। আরওয়া বুদ্ধিমতী, বিচক্ষণ ও বাস্তবধর্মী চিন্তাধারার মেয়ে। উপরওয়ালা যা করবেন, নিশ্চয়ই ভালোর জন্যই করবেন।


চট্রগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার অন্তর্গত লক্ষীপুর গ্রামে (কাল্পনিক গ্রাম) সদ্য গড়ে ওঠা ছোট একটি ক্লিনিকে শারীরিক যন্ত্রণায় তড়পাচ্ছে এক নারী। ডাক্তার তাকে একটা ঘুমের ইনজেকশন ও ব্যথা কমার ইনজেকশন দিয়ে কেবিন থেকে বের হয়ে আসে।

ডাক্তার বের হয়ে আসতেই মাঝবয়সী নারীটি তার কাছে এগিয়ে গিয়ে বিচলিত ভঙ্গিমায় জিজ্ঞেস করে–

—ডাক্তার আমার মেয়ের কি অবস্থা?

ডাক্তার গম্ভীর গলায় মহিলাটিকে বলেন–

—আমার সাথে আসুন।

মহিলাটি তার পেছন পেছন হাঁটতে থাকে। ডাক্তার ইকরাম ও মহিলাটি ডাক্তারের চেম্বারে এসে বসে। তারপর ডা.ইকরাম বলেন–

—আপনার মেয়ের অবস্থা বেশি একটা ভালো না মিসেস
করিম। ডান হাতটার অবস্থা একদমই ভালো না। মনে হচ্ছে না, ভবিষ্যতে এই হাত দিয়ে কিছু করতে পারবে। আর মুখের বাম সাইডের চোয়ালের হাড় ভে’ঙে গিয়েছে। সেই সাথে তিনটা দাঁতও পরে গিয়েছে। সব মিলিয়ে একটা দীর্ঘ মেয়াদি ভোগান্তি পোহাতে হবে আপনাদের। আমি সাজেস্ট করবো, আপনারা উনাকে নিয়ে ঢাকায় চলে যান। সেখানে ভালো চিকিৎসায় উনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যেতে পারেন।

ঢাকায় যাওয়ার কথা শুনে মহিলাটির চোখে-মুখে আতঙ্ক দেখা দেয়। সে একপ্রকার ধমকের সুরেই বলে–

—আমাদের যদি ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার অপশনই থাকত, তাহলে আপনার কাছে আসতাম নাকি? আপনি বলুন, আপনি ওকে সুস্থ করাতে পারবেন কিনা? টাকা পয়সা নিয়ে টেনশন করবেন না। কত লাগবে সেটা বলুন।

মহিলাটির বলার ধরণ ডা.ইকরামের একটুও ভালো লাগে না। তাও সে ভাবে, সন্তানের অসুস্থতায় হয়ত তিনি মেন্টাল আপস এন্ড ডাউনে আছেন। সে পূর্বের ন্যায় যথেষ্ট ভদ্রতা নিয়েই বলেন–

—আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব আমি ইনশা আল্লাহ করবো। কিন্তু বেস্ট রেজাল্ট পেতে হলে আপনাকে এই অজপাড়াগাঁ থেকে বেড়িয়ে শহরে যেতেই হবে।

একজন নার্স এসে ডা.ইকরামকে ডাকতেই তিনি চলে যান আরেকজন পেসেন্ট দেখতে। মহিলাটি ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হয়ে ছোট ছোট কদম ফেলে হেঁটে চলে যায় মেয়ের কেবিনে। মেয়ের ব্যথাতুর ক্লান্ত ঘুমন্ত মুখশ্রীর দিকে তাকিয়ে তার ভেতরকার মাতৃ সত্ত্বা প্রতিশোধের আ”গুনে ঘি ঢালার কাজ করে। সে কোমল হাতে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলেন–

—যারা তোকে এত কষ্ট দিয়েছে, তাদের কাউকে আমি ছাড়বো না আঞ্জু। সবার মুখের হাসি কেড়ে নিয়ে তোর মুখে হাসি ফোটাবো আমি।

[গল্পটি ভালো লাগলে বেশি বেশি শেয়ার করে আপনার গল্প প্রেমী বন্ধুদের নিকট পৌঁছে দিন ]

শব্দসংখ্যা~১৫১০

চলবে?

[এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসবে, এই মহিলা কোথা থেকে টপকালো আবার। উত্তর রয়েছে, ৭নাম্বার পর্বে। যাদের মনে আছে, তাদের তো আছেই। যাদের মনে নেই ৭নান্বার পর্বে কি পড়েছিলেন, তারা একটু কষ্ট করে আবারও পড়ুন পর্বটা।

প্রচণ্ড রাইটিং ব্লকে পড়েছি। তিনদিন লাগিয়ে লিখেও এর চেয়ে আর বড় করতে পারলাম না। আপনাদের থেকে আমারই বেশি মন খারাপ। চেষ্টা করব, পরবর্তী পর্ব তাড়াতাড়ি দেওয়ার।

ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠনমূলক মন্তব্য করবেন। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স ]

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply