শেষপাতায়সূচনা [০২]
সাদিয়াসুলতানামনি
জাওয়াদ দৌড়াতে থাকে চলন্ত গাড়ির পেছনে, জীবনের সবচেয়ে প্রিয় সম্পদগুলোকে ছোয়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালায় শেষবারের মতো। কিন্তু নির্মম ভাগ্য তাকে থামিয়ে দেয়। হঠাৎ এক পাথরে হোঁচট খেয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে যায় সে ধুলোমাখা রাস্তায়। গাড়িটিও ততক্ষণে মিলিয়ে যায় দৃষ্টির সীমানার ওপারে।
কোনোরকমে উঠে দাঁড়িয়ে আবার ছুটতে উদ্যত হয় জাওয়াদ, কিন্তু পিছন থেকে মাহবুব তাকে শক্ত করে জাপটে ধরে। আর এগোতে দেয় না। তখনই ভেঙে পড়ে সে, পঁইত্রিশ বছরের একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ অথচ কণ্ঠে ও আচরণে শিশুসম হাহাকার।
—মাহবুব, ছাড় আমাকে… যেতে দে আমাকে! আমার সুখ আবারও ফসকে যাচ্ছে। পূর্ণ… পূর্ণ যেও না! আমার তাজওয়াদকে আমার বুকে ফিরিয়ে দাও একবার… প্লিজ! আল্লাহ… আল্লাহআআ! আমার প্রতি আর এত নিষ্ঠুর হয়ো না। ওদেরকে ফিরিয়ে দাও আমায়…
মধ্যরাস্তায় বসে পড়ে জাওয়াদ, বুক ভাসিয়ে কান্না করতে করতে আঁকড়ে ধরে মাহবুবকে। চারপাশের মানুষ থমকে যায় সেই হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখে।
একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের ভেঙে পড়া কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। কারো চোখ শুকনো থাকে না, কারণ সেদিন রাস্তায় শুধু জাওয়াদেরই নয়, তার এমন আর্তনাদ দেখে উপস্থিত অসংখ্য হৃদয়েরও অশ্রু ঝরে।
এদিকে আরো একজন নিজের চোখের অশ্রুতে বুক ভাসাচ্ছে। তাজওয়াদকে নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে মাথাটা গাড়ির সিটে এলিয়ে দিয়ে অশ্রু বির্সজন করছে আনাবিয়া আহমেদ পূর্ণতা। আহমেদ গ্রুপ এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রিসের একমাত্র কর্ণধর। পূর্ণতা চোখ বন্ধ রেখেই বলে–
—টনি, ফ্লাইটের টিকিট কাটো আজকের রাতের। আমরা আজই ব্যাক করছি কানাডা।
টনি (পূর্ণতার বডিগার্ড) বরাবরের মতো বাধ্যগত দাসের ভূমিকা পালন করে। পূর্ণতা অর্ডার দিতে দেরি কিন্তু টনি নামক পূর্ণতার দেহরক্ষীর ফোন তুলে টিকেট কাটতে দেরি হয় না। এদিকে পূর্ণতার কথা শুনে আরিয়ান ধমকে ওঠে টনিকে–
—এই ব্যাটা ফোন রাখ। (পূর্ণতার দিকে ফিরে রেগেমেগে বলে) এই ছেমড়ি ব্যাক করবি মানে? আমার বিয়ে শেষ না করে কোথাও যাবি না তোরা।
আরিয়ানের ধমকে ঘুমন্ত তাজ নড়চড়ে উঠতেই পূর্ণতা চোখ মেলে তাকায়। ছেলেকে নিজের সাথে আরেকটু আগলে নিয়ে তার পিঠে স্নেহের চাপড় মেরে আবারও ঘুম পাড়াতে ব্যস্ত হয়। চোখ ঘুরিয়ে আরিয়ানের দিকে কড়াভাবে তাকায়। তার এমন গরম চোখের চাহনি দেখে আরিয়ান ভয় পায় খানিকটা। কয়েক মিনিটের জন্য চুপচাপ থাকে।
জাহিন পুনরায় গভীর ঘুমে তলিয়ে যেতেই পূর্ণতা গলার স্বর দাবিয়ে বলে–
—ব্যাক করছি মানে ফিরে যাচ্ছি। একটু আগে যার সাথে দেখা হলো, সে কে জানো?
—তাজওয়াদের বাবা ও তোর এক্স হাসবেন্ড।
নির্লিপ্ত গলায় বলল আরিয়ান। এক্স হাসবেন্ড কথাটা শুনে পূর্ণতাট বুকের ভেতর কেমন একটা চাপ খায়। সত্যিই কি জাওয়াদ তার এক্স? হয়ত। পূর্ণতা অন্যসব করা ভাবা বাদ দিয়ে থমথমে গলায় বলে–
—এবসিলিউটলি রাইট। আজ এতবছর পর দেখা হলো, তাজকে দেখে চিনতে পেরে গিয়েছে। কেমন করে চাইছিল তাজকে। নিশ্চিত সে ছেলের দাবী ছাড়বে না। আমি আমার সব হারিয়েছি ঐ লোকটাকে ভালবেসেছিলাম।
আমার ব্যক্তিত্ব, সম্মান, আত্নমর্যাদা শেষ পর্যন্ত আমার মাথার একমাত্র ভালোবাসার আশ্রয়স্থল আমার বাবা কেও। এত কিছু হারিয়ে তাও চুপচাপ চলে গিয়েছি তার জীবন থেকে। বাচার শেষ অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছি এই জানটা। ওকেও যদি আমার থেকে এখন কেড়ে নেয় আমি কি নিয়ে বা কিসের জন্য বাঁচব একটু বলতে পারো?
এ জীবনে আমি আর কোনদিন দেশে ফিরতে চাই নি, ঐ লোকটার সাথে তাজের সাক্ষাতের ভয়ে। সেই ভয়টাই সত্যি হয়ে গেলো। আমি আর একটা দিনও এই দেশে থাকব না, আমি আজই দেশ ছাড়ব।
—তারপর? দেশ ছাড়ালেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? তুই বলবি হ্যা, কিন্তু আমি বলব না। কারণ এটা কোন স্থায়ী সলিউশন না। এমন লুকিয়ে চুরিয়ে আর কয়দিন ঋত? দেশে তোর বাবার তিল তিল করে গড়ে তোলা হাজার হাজার কোটি টাকার কষ্টের বিজনেস তুই আরেকজনের কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে অন্য দেশে সামান্য স্কুল শিক্ষিকা হয়ে জীবনযাপন করছিস। এটা কোন সলিউশন আদৌও?
পূর্ণ মলিন গলায় বলে–
—আমি তোমার উপর চাপিয়ে দিয়েছি ভাই? তুমি না বলো, তুমি দুইজন আপন ভাইবোন কিন্তু ভিন্ন মায়ের গর্ভের। তাহলে তোমার উপর চাপানো হলো কিভাবে?
—কিভাবে হয়নি বল! তোর বাবা মানে ছোট বাবা কত কষ্ট করে গড়ে তুলেছে এই বিজনেস, কার জন্য? তোর। সে আজ নেই, তাহলে তার অবর্তমানে এই দায়িত্ব কার উপস বর্তায়? তোর উপর। তাহলে তুই কেন তোর পাস্টের ভয়ে তোর বাবার এত কষ্টের অর্জন আমায় দিচ্ছিস। তোর কি উচিত নয়, শক্ত হাতে বিজনেসের দায়িত্ব টা নেওয়া?
আর হ্যাঁ, আমি আগেও বলেছি এখনি বলছি আমরা আপন ভাইবোন কিন্তু আমাদের বাবা-মা ভিন্ন। কিন্তু তোকে আমার কথাটাও একটু ভাবতে হবে। আমার বাবারও কম বয়স হয়নি, সে এখনও অফিসের ঝক্কি সামলায়। আমি তার একমাত্র সন্তান হয়ে তার কাঁধে ভরসার হাত রাখতে পারছি না। কেনো পারছি না, কারণ তুই তোর দায়িত্ব আমার কাঁধে তুলে দিয়েছিস। ছোট বাবার বিজনেস সামলে আমার দম ফেলার সময় থাকে না, সেখানে কিভাবে আমি আমার বাবার কাঁধে হাত রেখে বলি, “বাবা তুমি একটু রেস্ট নাও এখন, আমি আছি।”
জীবনের এই পর্যায়ে এসে পূর্ণতা আবারও একটা বড় ভাইয়ের অভাব অনুভব করল। আজ যদি তার একটা বড় ভাই থাকত, তাহলে তাকে এমন দায়িত্ব নিতে ভয় পেতে হতো না। সেও তাকে সকল ভয় থেকে আগলে রাখত। এমন একা অনুভব করাতো না। কিন্তু আফসোস তার কেউ নেই, শুধু মাত্র তার সন্তান ব্যতীত। এমন না যে, তার বড় বাবা, বড় মা আর আরিয়ান তাকে ভালোবাসে না। বাসে, তাও কোথাও একটা কিন্তু থেকেই যায়।
আরিয়ান আবারও বলতে শুরু করে–
—আর কয়দিনই বা নিজের দেশ, নিজের আপন মানুষদের ছেড়ে ভিনদেশে পড়ে থাকবি একজনের ভয়ে? ভয়কে জয় করতে পারলেই জীবন স্বার্থক। দেখ, আমার কথায় তুই কষ্ট পেয়েছিস হয়ত আমি জানি। কিন্তু আমারও তো কিছু করার নেই বল।
পূর্ণতা আর কিছুই বলে না। ছেলেকে বুকের আসে চেপে ধরে বাহিরের দিকে তাকিয়ে থাকে।
সিলেটের প্রকৃতিকে বলা হয় বাংলার স্বর্গ। পাহাড় আর সবুজের যে অপরূপ মেলবন্ধন সেখানে পাওয়া যায়, তা মনকে মুহূর্তেই প্রশান্ত করে তোলে। চারদিকে বিস্তৃত চা-বাগান, যেন সবুজ গালিচা বিছিয়ে রেখেছে পাহাড়ের গায়ে। ঝরনা থেকে নেমে আসা সাদা জলের ধারা পাহাড়ি পথে বয়ে গিয়ে মিশে যায় ছোট ছোট নদীতে। কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল, পাখির কিচিরমিচির, আর বাতাসে ভেজা মাটির গন্ধ সব মিলিয়ে সিলেটের প্রকৃতি যেন কবিতার মতো।
যখন গাড়ি পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা বেয়ে চলে, দু’পাশে দেখা যায় অসংখ্য গাছের সারি, কখনো শাল-গজারির জঙ্গল, কখনো বাঁশঝাড়, আবার কখনো চা-বাগানের শৃঙ্খলিত সবুজ। পাহাড়ের ঢালে ঢালে রঙিন বুনোফুল ফুটে আছে, পাখির ডানার ঝাপটা শোনা যায় নীরবতার মাঝে। দূর থেকে দেখা যায় মেঘের দল পাহাড়ের গায়ে বসে আছে, যেন হাত বাড়ালেই ছুঁয়ে ফেলা যায়।
সব মিলিয়ে সিলেটের প্রকৃতি শুধু চোখে দেখার সৌন্দর্য নয়, এটা যেন মনকেও শান্তির এক অপরূপ স্পর্শ দিয়ে যায়।
প্রায় বেশ কিছুক্ষণ পর “সজীবতা” নামল এক রিসোর্টের সামনে এসে পূর্ণতাদের গাড়িটি থামে।রিসোর্টটির গেট পার হতেই যেন অন্য এক জগতে প্রবেশ করার অনুভূতি। চারদিকে ঘন সবুজের বিস্তার। সজীব বৃক্ষরাজির ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো ছায়ার খেলা করছে। গেটের দুপাশে সারি সারি ফুলের গাছ, লাল-হলুদ-নীল রঙে যেন স্বর্গীয় কারুকাজ এঁকে দিয়েছে। রিসোর্টের সামনের খোলা প্রাঙ্গণে ঘাসের গালিচা বিছানো, যার ওপরে হাওয়ার দোলায় সাদা কাশফুল দুলছে।
কাছেই ছোট্ট একটা কৃত্রিম ঝরনা তৈরি করা হয়েছে, যার টুপটাপ শব্দ মিলেমিশে যাচ্ছে চারপাশের পাখির ডাকের সাথে। পাথরের বাঁধানো পথ ধরে হাঁটলে দু’পাশে দেখা যায় টবে সাজানো গাছপালা, সাথে ঝুলন্ত লতাগুল্ম যেন একে ঘিরে রেখেছে সবুজের আস্তরণে। দূরে পাহাড়ের সারি চোখে পড়ে, মেঘ এসে মাঝে মাঝে গা ঘেঁষে যায়।
পুরো রিসোর্ট যেন পাহাড়ি প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে আছে—মানুষ বানালেও, তাতে প্রকৃতির স্বাভাবিক ছোঁয়া অক্ষত রয়ে গেছে।
টনি ব্যস্ত ভঙ্গিতে নিজে আগে বের হয়ে পূর্ণতার পাশের সিট খুলে দেয়। পূর্ণতা ছেলেকে একহাত দিয়েই কষ্ট করে জড়িয়ে ধরে আরিয়ানের সাথে কোনরূপ বাক্যালাপ না করেই তার জন্য বরাদ্দকৃত রুমে চলে যায়। পথে আরিয়ানের মা রোমানা বেগম ডাকলেও সে কানে নেয় না সেই ডাক। নিজের মতো করে রুমে চলে গিয়ে দোর লাগিয়ে দেয়।
এতেই যেনো রোমানা বেগম আরো ফুঁসে ওঠেন। কর্কশ গলায় বলেন–
—এহহহ, আমাদের খেয়ে, আমাদের পরে কত দেমাগ। এতিমদের এত দেমাগ থাকতে নেই। নিজে এক আপদ ছিল, ভেবেছিলাম বিদায় হয়েছে। কিন্তু আমার কপালে কি এত সুখ আছে নাকি? নিজের সাথে আরেকটাকে নিয়ে এসেছে এবার। যত্তসব আজাইরা উটকো মানুষজন!
“মম…..”
হুংকার দিয়ে ডেকে ওঠে আরিয়ান তার মা’কে। রোমানা বেগম ভয় পেয়ে যান ছেলের এমন হুংকার শুনে। সে খেয়াল করেনি, পূর্ণতার পেছন পেছন আরিয়ানও এসেছে যে। খেয়াল করলে হয়ত নিজের আসল রূপটা বের করত না।
আরিয়ান রাগে থরথর করে কাঁপছে। সে ভাবতেও পারেনি তার মা এমন ছোট মনমানসিকতা নিয়ে থাকে। সে বড় বড় কদম ফেলে রোমানা বেগমের সামনে এসে ক্রোধান্বিত গলায় বলে–
—এসব কি বলছিলে মম? তোমার মাথা ঠিক আছে তো?
—আসলে বাবা আমি ঐসব বলতে চাই নি, ভু….
—বলতে চাও নি কিন্তু কি অবলীলায় বলে দিলে। বাহ, মম বাহ! তাই তো বলি ছোট বাবাই মারা যাওয়ার পর কেন বোনু এত তাড়াহুড়ো করে দেশ ছাড়ল। তুমি ওকে ম্যানিপুলেট করেছিলে না এসব বলে, যাতে ও কষ্ট পেয়ে দেশ ছাড়ে?
রোমানা বেগম হুড়মুড়িয়ে বলেন–
—না না বাবা। আমি এসব কিছুই করি নি। আমি ওকে আগে কখনোই এমন কথা বলি নি, আজ একটু মেজাজ খারাপ ছিল কি বলতে কি বলে ফেলেছি আমার মেয়েটাকে!
তুই বল, তোর ছোট মা মারা যাওয়ার পর আমি কি ওকে নিজের বুকে টেনে নেই নি? আদর-ভালোবাসা দিয়ে বড় করি নি। আজ একটা ভুলের জন্য আমার পূর্বের করা সব কাজের কথা ভুলে যাবি?
আরিয়ান আর কিছু বলতে পারে না। সত্যিই বলছে তার মা, পূর্ণতার মা তার সাত বছর বয়সে মারা যান। তারপর থেকে তার মা’ই তাকে ও পূর্ণতাকে লালন-পালন করে বড় করেছে। সে কিছুটা শান্ত হয়ে বলে–
—ওকে কষ্ট দিয়ে কথা বলো না মম। মেয়েটা জনম দুঃখী,। সুখের দেখা খুব কমই পেয়েছে ওর জীবনে। ওকে কষ্ট দিলে উপর ওয়ালাও আমাদের কষ্ট দিবেন। আরেকটা কথা, ও না আমাদেরটা খায়, আর না পরে। ছোট বাবাই ওকে যাতে কারো দারে দারে না ঘুরতে হয়, তাই জন্য সারাটা জীবন কষ্ট করে ইনকাম করে গিয়েছে।
আমি যেই অফিসে বসি সেই অফিসটা কিন্তু ওর বাবার, মানে বুঝতে পারছো তো? আর বাবার বিজনেসও দাড় করিয়ে দিয়েছে এই ছোট বাবাই। অকৃতজ্ঞ হয়ো না মা।
রোমানা বেগম কুমিরের অশ্রু ফেলতে ফেলতে বলেন–
—ভুল হয়েছে আমার স্বীকার করছি তো, তাও এতগুলো কথা শোনালি। এখন কি ওর পায়ে ধরে মাফ চাইলে তারপর থামবি?
আরিয়ান বিরক্ত হয় মায়ের কথা শুনে। তাই সেখান থেকে চলে নিজের রুমে চলে যায়। আরিয়ান চলে যেতেই রোমানা বেগম নিজের চোখের পানি মুছে নেয়, তারপর দাঁত কিড়মিড়িয়ে বলে–
—ঐ মেয়ের জন্য এত কথা শুনালি না আমায় আরিয়ান। দেখ ঐ মেয়েকে আমি কি শাস্তি দেই এবার।
[কার্টেসী ছাড়া কপি করা নিষেধ ❌]
📌গল্পটি ভালো লাগলে শেয়ার করে আপনার গল্পপ্রমী বন্ধুমহলের কাছে পৌঁছে দিন।🤍
শব্দসংখ্যা~১৬০০
~চলবে?
[ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স 🥹🫶]
Share On:
TAGS: শেষ পাতায় সূচনা, সাদিয়া সুলতানা মনি
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১০
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৪
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৮
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৬
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩১
-
শেষ পাতায় সূচনা গল্পের লিংক
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৯
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৯