Golpo romantic golpo যেখানে প্রেম নিষিদ্ধ

যেখানে প্রেম নিষিদ্ধ পর্ব ৬


যেখানেপ্রেমনিষিদ্ধ

ইশরাতজাহানজেরিন

পর্ব_৬

মীর বংশের প্রধান কর্তা হচ্ছে মীর আফজাল শাহরিয়ার। মীর বংশের যেই আইটি কোম্পানিটা আছে তার চেয়ারম্যান সে নিজেই, যদিও তার পিতা মীর মোহাম্মদ আলী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই কোম্পানি। তার স্ত্রীর মৃত্যুর পর সে কোম্পানি প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। যদিও শেষ সময়ে ছেলেদের কারণে সবটা বেঁচে যায়। তাই বলা চলে কোম্পানি দাঁড় করিয়েছেন তার চার পুত্রই। আফজালের স্ত্রী হচ্ছেন নাজিরা ওয়ালেদ। পুরান ঢাকার খানদানি বংশের মেয়ে বিয়ে করেছিলেন তিনি। শশুর বাড়ির অবস্থা বেশ ভালো। আফজাল আর নাজিরার ঘরে দুই ছেলে। এই বাড়িতে এমনিতেও মেয়ে মানুষের অভাব। আফজালের একটা কন্যা সন্তানের খুব শখ ছিলেন, তবে মেয়ের আশা করে তার ঘরে জন্ম নিলো মীর আরযান শান। ৩৩ বছরের এই সুদর্শন পুরুষ পেশায় তাদের কোম্পানির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার। কেবল যে বাবার কোম্পানি সামলাচ্ছে তেমনটা নয়। সে একই সাথে একজন পেশাদার ফুটবলার। তবে বাংলাদেশে এত ফুটবলের কদর কোথায়? সে বর্তমানে বার্সোলনার একটা দলের সঙ্গে আছে। যার একটা শাখা বাংলাদেশে। কিছুদিন পরপর বিদেশ গিয়ে ম্যাচ খেলে এই শ্যামর্বনের পুরুষ ট্রফি নিয়ে ফিরে। আরযানের ছোট ভাই মীর আরবিন প্রাণ৷ বয়স ২৯ বছর। পেশায় সে একজন প্রফেশনাল এক্টর এবং ডিরেক্টরও। পড়ালেখাও বাইরের থেকে করে এসেছে সে এই বিষয় নিয়েই। রূপের বিষয়ে এরা কেউ কারো থেকে কম নও। আফজাল শাহরিয়ারের পরে ভাইয়েদের মধ্যে রয়েছেন মীর আয়মান হোসেন। সেও কোম্পানি সামলাচ্ছেন। তার স্ত্রী ইলমা হোসাইন। তাদের ঘরে আবার তিন ছেলে। বড় ছেলে মীর আব্রাহাম তাজ। ৩১ বছরের এই পুরুষ বাংলাদের এয়ারলাইনসের একজন দক্ষ পাইলট। তারই পরে আছে তার ভাই মীর আব্রাজ রোদ। সে হচ্ছে আবার ক্রীয়া মন্ত্রী,বয়স এই তো ৩০ চলছে। আর তার ছোট ভাই হচ্ছে মীর আরনাভ রাত। সে একজন প্রফেশনাল গায়ক। বয়স চলছে তার ২৮। এই বাড়ির ৩য় কর্তার নাম মীর আজিজ হাসান। যদিও ভাইয়েদের মধ্যে তার আগে আয়মান হোসেন কিন্তু সেই আগে বিয়ে করেছিল বড় ভাইয়ের আগে। তার স্ত্রী হাফসা বেগম। তাদের ঘরেও দুই ছেলে। বড় ছেলে মীর আবরিজ রাজ একজন সাইকোলজিস্ট, বয়স তার ৩২। বয়সের হিসেব করলে ভাইয়েদের মধ্যে সে ২য়। আর তারই পরে হচ্ছে মীর আরভিদ তেজ। তার পড়ালেখাও শেষ। বয়স ২৭। সে একজন ফটোগ্রাফার পাশাপাশি, কোম্পানিতেও সদ্য যোগ দিয়েছে। আর এই বাড়ির একেবারে ছোট কর্তার নাম হচ্ছে মীর আরসালান হোসেন। তার স্ত্রী সাইরা শেখ। তাদের অনেক সাধনায় জন্ম নেওয়া মেয়ে মীর আদ্রিজা সাঁঝ। দেখতে দেখতে সেই মেয়ের কিছুদিনের মাথায় বয়স হবে ১৯। এই বাড়ির চার কর্তা থাকলেও তাদের একজন বোনও আছেন। তার নাম মীর আর্জুয়া এহসান। তার স্বামী সারওয়ার এহসান। তারা লন্ডন থাকেন। তাদের ঘরেও এক ছেলে এবং এক মেয়ে আছে। ছেলে প্রান্তিক এহসান মেয়ে প্রত্যাশা এহসান। প্রান্তিকের ৩১ বছর চলছে। সে সফটওয়্যার ইন্জিনিয়ার। তার বোন এখনো পড়ালেখা করছে। বয়স ২২ চলে যাবেমাত্র।

বাড়ির মানুষের আজ চিন্তা কিছুতেই কমছে না। আরযান না এখনো কোম্পানি গিয়েছে না ফিরেছে বাড়িতে। তাহলে চিন্তা কেমন করে কমবে? তার ওপর আরভিদ যা করল! তার বউকে তো মেনে নেওয়া হয়েছে তবুও এই বিয়েটাকে যতটা না সহজ ভাবে নেওয়া হচ্ছে বাস্তবে ততটাও সহজ নয়। আরযান এখনো কিছুই জানে না। ভাইয়েদের মধ্যে আরভিদ সবার ছোট অথচ বিয়ে করে বসে আছে সবার আগে। আল্লাহ এবারের মতো তাঁকে বাঁচালেই হয়। আরভিদের মা হাফসা বেগমের যদিও খুশির সীমা নেই। সে একেবারে ছেলের বিয়ের তোরজোর শুরু করার জন্য প্রস্তুত। তার ওপর ঘরবাড়ি এখন সাজাতে হবে। ছেলের আজকে বাসর রাত। বউকেও তেমন ভাবে ঘরে তুলতে পারেনি। কতকাজ বাকি এখনো।

ড্রয়িং রুমে বসে আছে আব্রাহাম। তার ফ্লাইট রাতে। দিনের বেলা একটু ছুটি পেয়েছিল, তাই রেস্ট নিবে বলে ঠিক করেছিল এরই মাঝে বাড়ির মধ্যে এত কাহিনি হয়ে গেল। আজ আরযান বাদে সব ছেলেরা বাড়িতে। সবারই কাজ ছিল কিন্তু কাজে কি করে যাবে? আরভিদ এমন একটা কান্ড ঘটিয়ে বসেছে। কত বড় সাহস ওর? বড় ভাইয়েদের আগে বিয়ে সেরে ফেলা? আরযান কল ধরছে না। সে আসুক একবার, আগুনে ঘি ঢেলে দিবে একেবারে। নির্গাত প্রেম করেই বিয়ে। যেখানে প্রেম নিষিদ্ধ সেখানে প্রেম করে বিয়ে করা কেমন যৌক্তিক বিষয়?

নাজিরা ড্রয়িং রুমে কাজের মেয়েকে দিয়ে ফল কেটে পাঠালেই একপিস আপেল মুখে দিয়ে আবরিজ জিজ্ঞেস করল, “আমার মা কোথায়? তাকে বল গিয়ে আমার চেম্বারে যেতে হবে অনেক কাজ বাকি। এই বাড়িতে আরযানের পরে আমি সবার বড় অথচ নবাবজাদা আরভিদ আমার আগে সংসার পেতেছে? এখন এসব দেখার জন্য নাকি আমাকে বাসায় কাজ ছেড়ে থাকতে হবে? হঠাৎ তার ফোনে একটা কল আসতেই সে উঠে গেল। জানত ফোন চলেই আসবে তাই হলো এত জলদি? তাও ভালো বাড়ির এই ঝামেলা থেকে তো বাঁচা গেল। আবরিজ উঠে যেতেই হঠাৎ আব্রাহাম বলল, ” উঠে যাচ্ছিস ভাই?”

“তো এখানে বসে বসে ছোট ভাইয়ের বাসর ঘর সাজাবো নাকি? একটু পর দেখবি মা-চাচিরা এসে ওই কাজও ধরিয়ে দিবে। তোর কাজ নেই আজকে?”

“আছে, তবে রাতে। আমি ভাবছি রুমে গিয়ে একেবারে দরজা লক করে ঘুমিয়ে থাকব। যত জ্বালা।”

“তাহলে তাই কর। আমি উঠলাম।”

আবরিজ চলে যেতেই আব্রাজ এসি বাড়াল। তা দেখে আরবিন বলল, “কিরে ভাই উত্তেজিত হচ্ছিস নাকি?”

“বালের উত্তেজিত হবো। বউ আছে আমার? আমার থেকে বয়সে তিন বছরের ছোট হয়েও ওই ব্যাটা আরভিদ বিয়ে করে বাসর করবে, আর উত্তেজিত হবো আমি? আমার সুযোগ কই উত্তেজিত হওয়ার? জীবনটাই বালমার্কা আমার।” হঠাৎ আব্রাজের চোখ যায় আরনাভের দিকে। সে আরনাভকে বলল, “কিরে তোর না আজকে কনসার্ট আছে? তুই এখনো বাসায় কেন?”

“সময় হলে চলেই যাবো। ডোন্ট ওয়ারী।”

আব্রাজ মুখ বাঁকিয়ে বলল, “এইযে ইংরেজের ওউলাদ। বালের ইংরেজি মারায়৷ খাও বাঙালি, বাথরুমে ছাড়ো বাঙালি আর কথায় কথায় বের হয় ইংরেজি তাই না? দেশের সাথে করো বেইমানি। মন্ত্রী হয়েও তোমাদের যে বাল দেশে থাকতে দিচ্ছি এটাই অনেক।”

আরবিন সকলকে মাঝ থেকে থামিয়ে বলল, “ এখন এসব বাদ দিয়ে চলো সবাই নিজেদের একটা গতি করি। প্রেম ছাড়া জন্ডিস হয়ে যাচ্ছে,কালি কী জন্ডিস? আমি, আমাশয়, বদহজম সব একেবারে ঘিরে ধরছে। আমি এবার সত্যি আরভিদের মতোই বিয়ে করে বসে থাকব।” সে আব্রাহামের দিকে তাকিয়ে বলল, “ভাই আপানরা বড় মানুষ, একটু বিয়ে সাদি করে আমাদের ওপর রহম করেন না। এভাবে আর কত দিন চলবে? আমার বাচ্চাকাচ্চা তো ওপরে বসে বসে কান্নাকাটি করছে।”

“এত বউ দিয়ে তুই আর কী করবি? রাত তো ঠিকই রঙিন হচ্ছে। আর আমাকে বিয়ে করতে বলছিস? আমি তো আমার মতো যোগ্য কাউকে চোখেই দেখি না।”

“কালো সানগ্লাস লাগালে মানুষ এমনিতেও চোখে কমই দেখে। এই আরনাভ উঠবি না? চল, আমার নতুন মুভির টাইটেল সংটা যে তৈরি করতে বলেছিলাম না কী হয়েছে করা?”

“রুমে আসো।” দু’জনে উঠে গেল। আব্রাহামের ও এখনে আর ভালো লাগছে না সে উঠে যেতেই আব্রাজ পা ছড়িয়ে বসে বলল, “ যাও ভাই সব যাও। রুমে তো তোমাদের উত্তেজনার সাগরে ফেলার জন্য বউ বসে আছে। তোমরা রুমে যাবা না তো কে যাবে? শালার আমার কপাল। একদিন ওই বিএনপির আপোষহীন নেত্রী নৈশি জ্বালিয়ে মারছে অন্যদিকে বাড়ির লোক। এখন তো ছোট ভাইটাও বিয়ে করে বউ এনে রুমে বাক-বাকুম খেলছে। জীবনে এসব দেখা ছাড়া আর গতি নেই। মাওলা এভাবেই এক ঠ্যাং কবরে নিয়ে যাবে।”

গোসল করে তোয়ালে পড়ে চুল ঝাড়তে ঝাড়তে রুমে আসতেই হঠাৎ আরভিদ চিৎকার করে ক্ষেপে উঠল। ক্ষেপবে না তো কী করবে? সামনে নে ওই ডাইনীটা দাঁড়িয়ে। শাড়ি পড়েছে ঢং কতো। পেট বের করে শাড়ি পড়লেই তো ডাইনী, মানুষ হয়ে যায় না। এটার থেকে সুন্দর তো ওই ঠাকুরমার ঝুলির বিদঘুটে সবুজ রঙা শাঁকচুন্নিটা। তবে দু’টো মধ্যে মিল আছে। ওটাও যেমন নিজের শ্যাওরা গাছ ছেড়ে আরেকজনের বাড়ি দখল করেছিল, এই সামনের মালটাও একই পদের। খানদানী পাগলের গুষ্টি।

“এই নেন সুয়ামী চা খান।” বলেই আর্যা চাপের কাপটা আরভিদের দিকে এগিয়ে দিলো। তা দেখে আরভিদ পুনরায় ক্ষেপে গিয়ে বলল, “বিষ নেই আমাকে পারলে বিষ খেয়ে মার বোন। তোর মতো পাগলের গুষ্টির সাথে সংসার করার চেয়ে আমার মরে যাওয়াই উত্তম।”

“না স্বামী না, আপনি পরলে আমি বিধবা হয়ে যাবো। আমাদের এখনো বাচ্চাকাচ্চা হওয়া বাকি।”

“চরিত্রহীন মেয়ে দূরে থাক। আগেই জানতাম আমার মতো বড়লোক হ্যান্ডসামকে দেখে লোভ সামলাতে পারিসনি।”

আর্যা কাছে এগিয়ে আসতেই আরভিদ দুই কদম পিছিয়ে যায়। তা দেখে সে বাঁকা হেসে বলল, “আরে হ্যান্ডসাম চিন্তা করো না, তোমার ওই দেহ করায় গন্ডায় যদি আমি উশুল না করি তবে আমার নামও আর্যা না।”

“আমার বাড়ি এটা বুঝলি? বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোর বাপের টাকলা মাথায় ডাব ফিক্কা মারব। এক ছোট বেলায় হিশু নিয়ে এত কাহিনী করেছে তো তোর বাপে? দাঁড়া, আবার যদি তোর বাপকে মুতে না ভিজিয়েছি আমিও মীর বাড়ির ছেলে না।”

“সমস্যা নেই প্রিয়, কখন মুতু ধরে বলে দিও আমি এইবার ড্রাইপার পরিয়ে দিবো। ডাইপারের হাফ টাকাটা খালি দিলেই হবে।”


সাঁঝের ঘুম ভাঙে এই বিকেল বেলা। সে চোখ মেলতেই পাশে দেখতে পায় আরযানকে। ভয়ে চমকে উঠে সে। মনে পড়ে যায় কাল রাতের কথা। আরযান তাকে রুমে বন্দি করে রেখে যায়। তার শরীরে প্রচন্ড ব্যথা। রাতে তার ওপর দিয়ে যেই ঝড় গিয়েছে এখনো বেঁচে আছে কী করে? নাকি ওপরে চলে গেছে আর সেখানেও আরযান ভাই তাকে কেলাতে চলে এসেছে। সাঁঝ উঠে বসার চেষ্টা করতেই আরযান তাকে ধাক্কা মেরে আবার শুইয়ে দিয়ে বলল, “তোর শরীর ভালো না শুয়ে থাক।”

“আমি বেঁচে আছি এটাই অনেক।”

আরযান তার দিকে তাকাকেই সে থতমত খেয়ে যায়৷ এইরে এটাকে আবার রাগিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। তবে এবার এই বদলোকের একটা গতি করতে হবে। কী এমন করলে এই লোক সাঁঝের পেছন ছাড়বে? একটু বাঁচতে চায় সে। এভাবে বাঁচা যায়?

“আপনার কাজ নেই?”

“তোকে কৈফিয়ত দিতে হবে?”

“আমি সারারাত এখানে ছিলাম? হায় আল্লাহ বাড়ির লোক আমার জন্য চিন্তা করছে।”

“তোর বাড়ির লোক, আমারও বাড়ির লোক। তাই এত ভাবতে হবে না তোকে নিয়ে। আর তুই হচ্ছিস মীর বংশের জন্য মাথা ব্যথা। একরাত ওই বাড়িতে ছিলি না, তাই সবাই একটু আরামে ঘুমাতে পেরেছে।”

“তাহলে আমাকে বিয়ে দিয়ে দেন। আমি এত পাপ করছি, আপনি কেন আমাকে বিয়ে নামক শাস্তি দিচ্ছেন না। আমায় শাস্তি দেন ভাই, আমাকে জলদি শাস্তি দেন।”

“নাটক বন্ধ কর। আর তৈরি হয়ে নে। তোকে ওই বাড়িতে লাত্থি মেরে ফেলে আমাকে অফিসে যেতে হবে। আজকে কতগুলো মিটিং তোর জন্য ক্যান্সেল করেছি জানিস?”

“আমার জন্য কেন করবেন?”

“তো করব না বলছিস? পরে তোকে বিয়ে দিলে যাতে তোর জামাই কথায় কথায় বলতে পারে,তোর ঠিক ভাবে যত্ন কেন নেই নি? তুই চাস তোর জামাই আমাদের কথা শুনাক?”

“বাহ্ রে আমি তা কখন বললাম।”

“বলিসনি বলছিস? আকার ইঙ্গিতের কথা আমি বুঝতে পারি।”

সাঁঝ উঠে যায়। তবে উঠতে গিয়ে শরীরে জোর পায়না। তবুও হেঁটে গেঁটে ওয়াশরুমে যেতেই আরযান পেছন থেকে বলে, “আমার ওয়াশরুম ব্যবহার করছিস, ওটা ওয়াশকরে দিয়ে যাবি।”

“কেন?”

“তুই পা ফেললেও ওয়াশরুমের ফ্লোর নোংরা হয়ে যাবে। কারন তুই সাঁঝের থেকে আমার ওয়াশরুম বেশি পরিষ্কার।”

“তাহলে ওয়াশরুম ধুয়ে পানি খান।”

আরযান না শুনে রেগে উঠে আসতেই সাঁঝ জলদি ভেতরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেয়। আরযান কম কোথায়? সে বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে দিয়ে বলে, “ছুটির ঘন্টা পড়েছিস না? এখন ফিল কর বাস্তবে। আমার ওয়াশরুমে তো নোংরাও নেই। পানি আর টিস্যু শেষ হলে খাবি কীরে সাঁঝ।”

“আপনার মাথা। এসবে ভয় পাই না আমি।” আরযান হাতের মুঠোটা শক্ত করে মুঠো করে ওয়াশরুমের দিকে তাকিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। থাকুক এই মেয়ে এখানেই।

চলবে?

(3k রিয়েক্ট না হলে পরের পর্ব দিব না।)

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply