মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
পর্ব_৩৩
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
সকালের নরম আলো হাসপাতালের ছোট্ট কেবিনটাকে ধীরে ধীরে ভরিয়ে দিচ্ছিল।কুহেলি পিটপিট করে চোখ খুলতেই টের পেলো সে আবরারের বুকে মাথা রেখে শুয়ে আছে।
আবরারের হাতটা তার মাথার উপর কোমল ভঙ্গিতে ঘুরছে,যেন সেই ছোঁয়া দিয়ে ওর সব ভয় ক্লান্তি আর অস্থিরতা মুছে দিতে চাইছে।
কুহেলি তাকাতেই আবরার মৃদু হাসল।সেই হাসিটা ছিলো শান্ত, উষ্ণ,এবং অদ্ভুত এক প্রশান্তিতে ভরা।
— শুভ সকাল, মাই লিটল বার্ড।
আবরারের কণ্ঠে ছিলো স্নেহের স্থির সুর।
কুহেলির ঠোঁটে ফুটে উঠল মিষ্টি হাসি।
—শুভ সকাল, মাই মাফিয়া হাসব্যান্ড।
বলেই কুহেলি খিলখিল করে হেসে ফেলল হাসিটা ছড়িয়ে পড়লো পুরো কেবিন জুড়ে।
আবরারও হাসলো।সেই মুহূর্তটা দু’জনের মাঝখানে যেন নরম,শান্ত কোনো আলো ছড়িয়ে দিল।কুহেলি যখন হাসছিল,আবরারের ভেতরটা অদ্ভুতভাবে হালকা হয়ে গেল যেন এই ছোট্ট হাসিটাই তার শত উদ্বেগের ওষুধ।
হঠাৎ কুহেলি থেমে নিজের ঠোঁটে হাত রাখল।
“আহ..!”
ঠোঁট একটু ফোলা দেখে তার মুখটা লাল হয়ে গেল,যেন কিছুটা লজ্জা,কিছুটা অবাক হওয়ার রঙ সেখানে মিশে আছে।
আবরার চিন্তিত চোখে জিজ্ঞেস করল,
— ব্যথা হচ্ছে?
কুহেলি মুচকি হেসে বলল,
—ব্যথা হলে কি আপনি তো আর আস্তে আদর করবেন না আপনি আদর করেন উন্মাদের মতো।
আবরার হালকা হেসে মাথা নাড়ল।তার চোখে ছিলো নম্রতা, কেয়ার, আর একটু দুষ্টুমি মেশানো উষ্ণতা।
তারপর আবরার কুহেলির কপালে আলতো এক চুমু এঁকে দিল,চুমুটা কোনো সীমালঙ্ঘন নয়,বরং একরকম আশ্বাস,যত্ন আর ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি।
কি করবো বলো রোজ, তোমার হাসব্যান্ড তো আর অল্প সল্প আদর করতে পারে না।তোমার হাসব্যান্ড যেখানে ছোঁয়ে দিবে সেখানে চিহ্ন রেখে যাবে যাতে তুমি সব সময় তোমার হাসবেন্ড কে মনে করো।
কুহেলি চোখ নামিয়ে রাখল। লজ্জা মেশানো হাসিটা আবার ঠোঁটে ভেসে উঠল।আবরারের কথায় তার বুকের ভেতর যেন নরম প্রজাপতি ভেসে উঠল,নিরাপত্তার, কেয়ার করার, কেয়ার পাওয়ার এক অদ্ভুত বিশ্বাস।
হাসপাতালের সেই ছোট্ট কেবিন হঠাৎ করে আর হাসপাতাল মনে হলো না,মনে হলো দুইটা মানুষ ধীরে ধীরে একে অপরের পৃথিবী হয়ে উঠছে।
কিছুক্ষন পর আবরার কুহেলির দিকে তাকিয়ে হালকা হেসে বলল,
আচ্ছা, অনেক হয়েছে এখন। তুমি একবার ফ্রেশ হয়ে আসো।আমি তো একটু আগেই হয়েছি।
কুহেলি মাথা তুলতেই খেয়াল করল—আবরারের চুল পুরো ভেজা।পানি গড়িয়ে গড়িয়ে কপালের পাশে পড়ছে।তার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল।
আপনি কাপড় পেলেন কোথায়?তার কণ্ঠে অবাকভাব এতটাই স্পষ্ট যে আবরার না হেসে থাকতে পারল না।
ফেটিক্সকে দিয়ে আনিয়েছি,আবরার খুব স্বাভাবিকভাবে বলল,যেন এটা পৃথিবীর সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা।
কুহেলির মুখ সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেল।
কিহ্……!?
কুহেলি জোরেই বললো,আপনার কি লজ্জা নেই ফেটিক্স ভাইয়া কে দিয়ে কাপড় আনালেন আমাদের ব্যাপার কি ভাবলো..? হসপিটালে এসব ছিঃ!
আবরার দুষ্টু ভঙ্গিতে ভ্রু উঁচু করল।
ও তো কালই আমাদের কে চুম্বন অবস্থা দেখেছে। এখানে আর নতুন আর কি ভাববে?
এই কথাটা শুনতেই কুহেলির চোখ আরও বড় হয়ে গেল।আপনি কেবিনের দরজা বন্ধ করেননি?তার স্বর রাগে,লজ্জায়,হতাশায় কাঁপছিল—অসভ্য লোক!
আবরার অসহায় হাসির ভান ধরে বলল,
কি করবো?যখন আমার বউ নিজে থেকে রেসপন্স করতে শুরু করে তখন কি আর মাথা ঠিক থাকে? তুমি রেসপন্স করলে তো আমি পাবলিক প্লেস কেও নিজের বেডরুম মনে করবো মাই ফা*কিং স্কোয়াব।
কুহেলি মুখ খিচকে তাকাল।
আপনি আসলেই একটা অসভ্য!
এ কথা বলে কুহেলি উঠে বসে আর দেরি করলো না ফ্লোরে পা ফেলে হেঁটে ধুপধাপ সোজা ওয়াশরুমের দিকে চলে গেলো।প্রতিটা পদক্ষেপে তার রাগ স্পষ্ট
আবরার হেসে বলল,
আস্তে যাও বউ,বেশি জোরে হাঁটলে ব্যথা পেতে পারে।
কুহেলি ঠিক দরজার সামনে এসে থমকে দাঁড়াল।
ধীরে ধীরে মাথা ঘুরিয়ে আবরারের দিকে তাকাল চোখ দুটো মিশ্র রাগ আর লজ্জায় টুকটুক করছে।
এক সেকেন্ডের বেশি তাকিয়ে রইলো না।
তারপর—
ঠাস!
দরজা জোরে বন্ধ করে দিল।
আবরার দরজার শব্দ শুনেই আবার হেসে ফেলল।
ওয়াশরুমের দরজার ওপাশে কুহেলি নিশ্চয়ই এখন মুখ গরম করে নিজের চুল ঠিক করছে এটা ভেবে তার হাসি আরও থামল না।
আবরার মাথা দুলিয়ে বলল,
বউটা রাগ করলে কি মিষ্টি লাগে রে ভাই….!
ঠিক তখনই দরজায় হালকা নক শোনা গেল।
আবরারের ঠোঁটে জমে থাকা হাসিটা থেমে গেল, সে সোজা হয়ে বসল।
কাম ইন।
দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলো ফেটিক্স।
আবরার ভ্রু তুলে জিজ্ঞেস করলো,
কি হয়েছে?এতো সকালে আবার কি চাই?
ফেটিক্স আমতা আমতা করতে করতে বললো,
স্যার ফাহিম এসেছে। আপনার বাড়িতে। ভাবতে পারেন! ছেলেটার কি সাহস নিয়ে এসেছে!
আবরারের ঠোঁটে ধীরে ধীরে এক চওড়া, তীক্ষ্ণ হাসি ফুটে উঠলো।
নো প্রবলেম। শিকার যখন নিজেই ফাঁদে আসে তখন তো আর দৌড়াদৌড়ির দরকার হয় না।গাড়ি ঠিকঠাক করো। আধা ঘণ্টার মধ্যে বাড়ি ফিরবো।
ফেটিক্স মাথা নাড়তে নাড়তে বের হয়ে যাচ্ছিল। ঠিক তখনই আবরার ডেকে উঠলো,
— এক মিনিট।
ফেটিক্স থেমে পিছন ফিরে দাঁড়ালো।
আবরারের চোখে একটা অদ্ভুত কৌতুকমাখা ঝিলিক।
কাল রাতে আমাদের রুমাঞ্চ দেখেছো তাই না?
ফেটিক্স হঠাৎ গলা শুকিয়ে মাথা নিচু করে ফেললো।তারপর তুতলিয়ে বলে,
স্যার… আসলে… সরি! আমি ইচ্ছে করে….
কথা শেষ হওয়ার আগেই আবরার ঠান্ডা স্বরে বললো,স্টপ। এর জন্য শাস্তি তো দেবোই তবে এখন নয়।আপাতত আমি যা কাজ বলেছি,ওটাই করো।
ফেটিক্সের মুখ একেবারে কালো হয়ে গেল।আর কিছু বলার সাহস পেল না।শুধু মাথা নুইয়ে বেরিয়ে গেল।
দরজা বন্ধ হতেই আবরার হেসে উঠলো,
একটা সন্তুষ্ট, গভীর হাসি।
বেচারার মুখ দেখার মতো ছিল..!
~~
সকাল দশটা।
হসপিটাল থেকে একটু আগে বেরিয়েছে ওরা।আবরার গাড়ির পিছনের ছিটে বসে আছে,আর তার কাধে মাথা রেখে কুহেলি নিঃশব্দে ঘুমাচ্ছে।প্রায় আধা ঘন্টা পর গাড়ি বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালো।গাড়ি থামতেই একজন বডিগার্ড দ্রুত এসে গাড়ির দরজা খুলে দিল।আবরার অবিলম্বে কুহেলিকে কোলে তুলে নিল। কুহেলি তখনও গভীর ঘুমে।ওকে দেখতে শান্ত এবং কোমলতার একটি অনির্দেশ্য অনুভূতি হচ্ছে আবরারের।
তারপর আবরার ধীরে ধীরে বাড়ির দিকে পা বাড়াল।গাড়ির শব্দে আগেই মেইড দরজা খুলে দিয়ে অপেক্ষা করছিল।হলরুমে রুমে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই আবরারের চোখ পড়লো ফাহিমের দিকে। সে সোফায় বসে পায়ের উপর পা তুলে আছে। ফাহিম আবরার কে দেখেই একটা কিউট স্মাইল দিলো।আবরারের রাগ যেন মুহূর্তেই হ্রাস পেলো তবে সে কোনো শব্দ ছাড়লো না। নিঃশব্দে সিঁড়ি উঠে সোজা বেডরুমে যেয়ে কুহেলি কে নরম বিছানায় সযত্নে রেখে তারপর কম্ফোর্ট জরিয়ে দিলো শরীরে তারপর নিঃশব্দে রুম থেকে বেরিয়ে এলো।
আবরার ড্রাইনিং রুমে এসে দেরি না করে ফাহিমের শার্টের কলার ধরে তাকে সোফা থেকে দাঁড় করালো। ফাহিমকে মুখে হাসি,চোখে চতুরতা সব মিলিয়ে,কিন্তু আবরারের রাগকে ম্লান করতে পারলো না।
আবরারের চোখ দুটো আগুনের মতো জ্বলছিল। তার হাত ফাহিমের কলারে চেপে ধরে দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
এই হারামজাদা আমার কুহেলিকে কি করেছিস তুই?কাল রাতে আমাকে ভুলে গেছিলে কেনো? তোকে এত সাহস কে দিল আমার পাখির গায়ে হাত দেওয়ার?
ফাহিম ঠোঁটের কোণে হাসি খেলিয়ে ঠোঁট কামড়ে বলল,
আরে,এত রাগ কিরছিস কেনো..?! কিউটি তোর পাখি হওয়ার আগেই আমার ছিল। তাই ওকে আবার আমার করে নিচ্ছি আমার অধিকার আগে।
আবরারের রাগে ফাহিমের কলার আরো শক্ত করে ধরে হিসহিসে বললো,তর অধিকারের মায়েরে পাদের শুভেচ্ছা। কুহেলি শুধু আমার আর আমারি থাকবে যেই আমাদের মাঝে আসবে তাইকেই আমি পৃথিবী থেকে আউট করে দিবো।
ফাহিম হেসে উঠল,যেন আবরারের গম্ভীর রাগটা তার জন্য শুধুই বিনোদন।তারপর হেয়ালি কন্ঠে বললো,
মেরে ফেলবি?হা হা!তোর কি মনে হয় আমার মৃত্যুর ভয় আছে?কখনোই না। আর আমাকে মেরে ফেললে তো তোরই লস।কারণ পনেরো দিনের মধ্যে কুহেলি সব ভুলে যাবে,সবাইকে, শুধু আমাকে ছাড়া।
আবরার চুলায় শক্ত চুয়াল শক্ত করে কিছু বলতে যাবে তার আগেই কুহেলির রুম থেকে ভাঙাচোরার আওয়াজ পাই।আবরারের চোখে বিস্ময় আর সন্দেহের মিশ্রণ।সে ফাহিমের কলার ছেড়ে দিয়ে সিঁড়ির দিকে ছুটে গেল। ফাহিমও পিছু নিয়ে ধীরে ধীরে সিঁড়ি চড়তে লাগল।সিঁড়ির ধাপে ধাপে আবরারের হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়ে উঠল। তার হাত কাঁপছে।
আবরার রুমের দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলতেই চোখে পড়ল এক ভয়ঙ্কর দৃশ্য। কুহেলি বসে আছে বিছানার কোণে,মাথা চেপে ধরে কাঁদছে।রুমের মাঝখানে পড়ে আছে ভাঙা ফুলদানি,গাছের কুঁড়ি ও মাটির ঢের ছড়িয়ে আছে চারপাশে।কুহেলির কান্নার শব্দ রুমের দেয়াল ধরে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, যেন আবরারের হৃদয়কে ছুঁয়ে যাচ্ছে।
আবরার দৌড়ে এগিয়ে এসে কুহেলির সামনে নীরবভাবে বসে গেল।তার চোখে আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তা মিলেমিশে ঝলসানো আবেগের ঢেউ।কুহেলির কাঁপা হাত স্পর্শ করতে তার হাত বাড়ালেই কুহেলি হঠাৎ ছিটকে আবরারের থেকে দূরে সরে গেল।
পাখি, কি হয়েছে? তুমি এভাবে আমার থেকে দূরে গেলে কেনো? বিস্ময় ও ভয় মিশ্রিত কণ্ঠে আবরার জিজ্ঞেস করল।
কুহেলির চোখে আতঙ্ক, শরীর যেন দুলছে, কণ্ঠ কম্পমান আপনি কে? আর… ফাহিম কোথায়? ফাহিম কোথায়…? আপনি কোথায়..?!
আবরার বুঝতে পারল,কুহেলির আবার ঔষধের প্রভাব পড়েছে।তার হৃদয় ভেঙে যায় এই দৃশ্য দেখে।না চাইলেও,কুহেলিকে জোর করে নিজের বুকে আঁকড়ে ধরল।কুহেলি ছুটাছুটি করতে করতে কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করল,ছাড়ুন আমাকে! আমি ফাহিমের কাছে যাবো!আমার মাথা জ্বলে যাচ্ছে যেনো কেউ আগুন ধরিয়ে দিছে।সাথে শরীরের ব্যাথা আর সহ্য হচ্ছে না আমার..!আমি ফাহিমের কাছে গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে..ছাড়ুন আমাকে! আপনি কে আমাকে এভাবে ধরে রাখার ছাড়ুন আমাকে!
আবরারের মনে হচ্ছিল ওর হৃদয় চূর্ন বিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।ওর পাখি আজ ওকে চিনতেই পারছে না।
চোখ দুটো ফাঁকা,শ্বাস দ্রুত,মুখে এক ধরনের আতঙ্ক জমে আছে।
তবুও নিজেকে জোর করে সামলে নিল সে।
আবরার কুহেলির কাঁপতে থাকা ছোট্ট বদন খানা দুই হাত আর একটু শক্ত করে জরিয়ে ধরে নরম গলায় বলল,
পাখি.. পাখি শোনো…আমি আছি।তোমার সব ভয়,সব দুঃস্বপ্ন সবকিছু আমি ঠিক করে দেব।ওই ফাহিম কেউ না একদমই না। তুমি শুধু আমাকে ভরসা করো পাখি..!
শেষ কথাগুলো বলতে বলতে আবরারের কণ্ঠ ভেঙে এল।সে নিজের চোখের জল লুকাতে ব্যর্থ হলো।
কিন্তু কুহেলি যেন তাকে শুনতেই পাচ্ছিল না।
চোখের কোণে জমে থাকা আতঙ্ক যেন তার সারা শরীর দখল করে নিয়েছে।
কাঁদতে কাঁদতে সে অস্পষ্ট, কাঁপা স্বরে বলল,
আমাকে… আমাকে একটু ছেড়ে দিন…. প্লিজ। শ্বাস নিতে পারছি না… মাথা দ্বিগুন জ্বলছে..!
ওয়াশরুমে… বাথটবে…. পানি চাই… মাথা ভিজিয়ে দিন… প্লিজ… না হলে…. আমি বুঝতে পারছি না কি হচ্ছে…! আমি মরে যাবো..!
কুহেলির সেই অসহায়,ভেঙে পড়া অনুরোধে আবরারের গলা শুকিয়ে গেল।ওর কাছে এই মুহূর্তে কোনো যুক্তি নেই শুধু কুহেলিকে স্থির করা দরকার।তাই আর এক সেকেন্ড দেরি না করে সে কুহেলিকে কোলে নিয়ে, খুবই সতর্কভাবে,
ওয়াশরুমে নিয়ে গেল।
বাথটবটিতে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি ভরে সে কুহেলিকে ধীরে ধীরে শুয়ে দিলো।কুহেলি পানির স্পর্শ পেতেই একটু শান্ত হতে শুরু করল শ্বাস ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
আবরার বাথটবের একদম সামনে মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসল।চোখে তার দুশ্চিন্তা এতটাই প্রবল যে মনে হয় পৃথিবীর সব আলোর উৎস নিভে গেছে।
পাখি…আবরার আস্তে বলল
এখন একটু ভালো লাগছে?”
কুহেলি নিঃশব্দে মাথা নড়াল একটা ছোট হ্যাঁ।
আবরারের বুকটা নিভে আসা আগুনের মতো মোচড় দিয়ে উঠল।মনে হচ্ছে, ওর জায়গায় হলে সে হাজারবার ব্যথা নিতে রাজি, কিন্তু কুহেলির এই কষ্ট সহ্য করতে পারছে না..!
চলবে....!
নাইস নেক্সট বাদ দিয়ে একটু বড় করে মন্তব্য করলে খুশি হতাম। আমি এতো এতো শব্দ লেখি আর আপনাদের কয়েক টা অক্ষম মন্তব্য করতে আলসামি লাগে…!
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৮
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৩৯(১ম+২য়+শেষাংশ)
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৩৪
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৫০(১ম+২য়+শেষাংশ)
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড গল্পের লিংক
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪০
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৭
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪৬