মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
পর্ব_২৬
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
রুমটা অদ্ভুত শান্ত।নিঃশব্দ, অর্ধেক অন্ধকার।
দেয়ালের ল্যাম্পগুলো থেকে নরম কমলা আলো পড়ছে—এই আলোতে যেন সবকিছুই সন্দেহজনকভাবে সুন্দর।
হঠাৎ খুব কাছে থেকে একটা কণ্ঠ ভেসে এলো নিচু, রহস্যময়, আর অনুভূতিহীন শান্ত
সাদা চুলের রানি শুনতে পাচ্ছো?
কুহেলির বুক ধক করে উঠলো, যদিও চোখ তখনো আধখোলা।কণ্ঠটা আবারও কাছে ঝুঁকে, গা ছমছমে নরম গলায় বলল,
দেখো তোমাকে নরক থেকে এনে স্বর্গে এনেছি আমি।এখন আমরা সুখে সংসার করবো।
কুহেলির চোখের পাতা কেঁপে উঠল।ধীরে ধীরে, খুব ধীরে,সে পিটপিট করে চোখ খুললো।দৃষ্টিতে প্রথমে ভেসে উঠলো ছাদের গোলাকার ডিজাইন।সবকিছুই অপরিচিত।
গলা শুকিয়ে আছে, মাথা ভার করে আছে অনেকক্ষণ অজ্ঞান ছিলো তার কারণে।
সে আস্তে করে উঠে বসলো, হাত দিয়ে বিছানার চাদর ধরলো।চোখ চারদিকে ঘুরতেই মনের ভেতর ঘূর্ণিঝড়ের মতো স্মৃতি ফিরে এলো—
গেট,দশটা গাড়ি,ফাহিম ভাইয়া,মুখে রুমাল,
তীক্ষ্ণ ঘুমের গন্ধ,তারপর সব অন্ধকার।
মুহূর্তেই শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।
কুহেলি কাঁপা গলায় সামনে তাকালো—সেখানে বসে আছে ফাহিম।একদম আরামে, যেন অনেকদিন ধরে এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিল।
চোখে অদ্ভুত এক কোমলতা,ঠোঁটে নিয়ন্ত্রণহীন নীরব হাসি,যা ভালোবাসা নয়—একটা অধিকারের অনুভূতি।
কুহেলির ভেতরটা ধপধপ করে উঠছে।মনে হচ্ছিলো বুকের ভেতর একটা অদৃশ্য হাত চেপে ধরেছে।ভয় অচেনা জায়গা অচেনা নীরবতা
আর সামনে বসা ফাহিমের স্থির, অবিচল দৃষ্টি—
সব মিলিয়ে কুহেলির হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছিল।
তবুও নিজেকে জোর করে শান্ত করলো।
কাঁপা ঠোঁট জোড়া একবার ভিজিয়ে নিলো, তারপর জোর করে কথা বললো,
আপনি আমাকে এখানে কেনো এনেছেন?
তার কণ্ঠে ভয় লুকানো, কিন্তু সাহসও ছিল।
ফাহিম একটু মাথা কাত করলো, যেন তার প্রশ্নটা খুব স্বাভাবিক।
তার ঠোঁটে নরম, অথচ বিপজ্জনক একটা হাসি ফুটে উঠলো।
কারণ তোমার তো ওখানে থাকতে কষ্ট হচ্ছিল, তাই না?
কুহেলি দম আটকে তাকিয়ে রইলো।
ফাহিম কথা চালিয়ে গেল,
আমি তাই তোমাকে এখানে এনে রেখেছি।
নিরাপদে।আমার কাছে।
তার কথায় এমন কোমলতা ছিল,
যা ভীষণ অস্বস্তিকর।
ফাহিম ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালো, কুহেলির দিকে এগিয়ে এলো, তবে ছোঁয়নি।সামনে দাঁড়িয়ে খুব শান্তভাবে বললো,
বিশ্বাস করো, আমি তোমাকে জোর করবো না।
কখনও না।তুমি শুধু বলো,
ফাহিমের চোখে অদ্ভুত এক নরম উন্মাদনা ঝিলিক দিয়ে উঠল।
তুমি কি ফিরে যেতে চাও সেই আবরারের কাছে?
যে তোমার জীবনে শুধু কষ্ট, দুঃখ আর অপমানই দিয়েছে?
কুহেলির নিশ্বাস আটকে গেল।ফাহিমের কথা যেন একটা বিষধর সাপের মতো সোজা মনের ভিতর ঢুকে যাচ্ছিল।
কিন্তু সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার—কুহেলির মন একমুহূর্ত থমকে গেলো এই কথায়।
আবরার সে কি সত্যিই ওকে ভালোবাসে?
না কি শুধু নিজের মতো করে ব্যবহার করে?
দু’বার অজ্ঞান হয়েছে সবার সামনে ধমক
রাগ অতিরিক্ত অধিকার আরও অনেক কিছু।
ফাহিমের প্রশ্নটা হঠাৎ খুব যুক্তিসঙ্গত মনে হলো তার কাছে—
আবরারের কাছে কেনো যাবে?
কুহেলি গলায় শব্দ আটকিয়ে ফেললো।
মনে হলো বুকের ভেতর কোথাও কিছু ভেঙে যাচ্ছে।
ফাহিম তার মুখের পরিবর্তনটা খুব মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করলো।তার ঠোঁটের কোণে তৃপ্তির হাসি ফুটলো।
এটা সে চেয়েছিল।
ঠিক এটাই।
আর কুহেলি প্রথমবারের মতো সত্যিই ভয় পেতে শুরু করলো ফাহিমের নয়,নিজের অনুভূতির।
~~
গাড়ি রাত আটটার দিকে এসে ধীরে ধীরে থামলো আবরারের বাড়ির সামনে।আজ কুহেলি অসুস্থ—এই ভাবনাটাই সারাদিন আবরারের মাথা ভার করে রেখেছিল।মন টিকছিল না কোথাও।
যতই ব্যস্ততা থাকুক, যতই মিটিং লম্বা হোক মেয়েটার চিন্তা তার মনকে রেহাই দেয়নি।
প্রজেক্ট নিয়ে শিশা কথা বাড়িয়ে ফেলায় দেরি হয়ে গেছে—নাহলে আরও আগেই চলে আসতো।
বডিগার্ড দরজা খুলতেই আবরার দ্রুত নেমে এলো।তার চেহারা গম্ভীর, চোখে তীব্র তাড়াহুড়োর ছাপ।পিছন থেকে এক বডিগার্ড ছুটে এসে দরজা ধরলো।
কিন্তু দু’পা এগোতেই—এক অদ্ভুত দৃশ্য তার চোখের সামনে ভেসে উঠলো।
সামনের লনে দরজার সামনে বাগানের গেটের ধারে যেদিকেই তাকায়—জায়গায় জায়গায় বডিগার্ড পড়ে আছে।
স্থির।নড়ছে না।শরীর নীলচে।শ্বাস নেই—এটা স্পষ্ট।
আবরার জমে গেল।
অনুভূতিটা শব্দে বোঝানো যায় না।রাগ নয়, ভয় নয় বরং এমন এক শীতল আতঙ্ক, যা সবচেয়ে ঠান্ডা রক্তের মানুষকেও কাঁপিয়ে দিতে পারে।
তার সাথে থাকা বডিগার্ড ছুটে গেল কয়েকজনের দিকে।আবরার ধীরে ধীরে হাঁটু গেড়ে বসল এক বডিগার্ডের পাশে—শরীর স্পর্শ করতেই ঠান্ডা বরফের মতো মনে হলো।
পুরো শরীর নীল..!
আবরারের গলা নিচু, অদ্ভুত শান্ত, অথচ ভেতরে আগ্নেয়গিরি ফেটে যাচ্ছে।
ধীরে ধীরে চারদিকে তাকালো বাড়িতে আজ মাত্র পাঁচশো বডিগার্ড ছিল,আর বাকিদের অন্য কাজে পাঠানো হয়েছিল।তবুও—সবাই পড়ে আছে?একসাথে?নির্বিঘ্নে?কোনো শব্দ ছাড়াই?
এটা সাধারণ আক্রমণ নয়।এটা পরিকল্পিত।
খুব নিখুঁত।এবং ভয়ঙ্কর।
তার বুকের ভেতর হঠাৎ একটা চিন্তা বজ্রপাতের মতো নেমে এলো—রোজ।
আবরার ধপ করে দাঁড়িয়ে গেল।মাথা উত্তপ্ত হতে লাগলো।গলা শুকিয়ে গেল।চোখ রক্ত লাল হয়ে উঠলো।
“পাখি..”
নিচু স্বরে ফিসফিস করলেও শব্দটা ছিল ধ্বংসের বার্তা।এক সেকেন্ড দেরি না করে বাড়ির দিকে ছুটে গেল।
আবরার বাড়ির দরজায় ঢুকতেই থমকে দাঁড়াল।
পুরো ফ্লোরজুড়ে অস্বাভাবিক নীরবতা।নীরবতা—যেটা বাড়ির মতো জায়গায় কখনোই থাকে না।
এক সেকেন্ড পরে সে হুঙ্কার দিয়ে ওঠে,এটা কী অবস্থা?!
দেখল—একজন, দুইজন নয়—বাড়ির সব মেইড মেঝেতে অচেতন পড়ে আছে।কারও চোখ বন্ধ, কারও নিঃশ্বাস প্রায় শোনা যায় না।যেন কোনো অদৃশ্য ঝড় এসে সবকিছুকে নিশ্চুপ করে দিয়েছে।
আবরারের বুকের ভেতরটা মুহূর্তেই শক্ত হয়ে গেল।
সে দৌঁড়ে ছুটল বেডরুমে।
খালি।
তারপর গেস্ট রুম।তারপর কিচেন।তারপর ছাদ।
তারপর বাগান।
বাড়ির কোনো কোণ,কোনো দরজা, কোনো রুম কিছুই বাদ রাখল না।প্রতিটি জায়গায় ঢোকার সাথে সাথে তার গলা আরও উঁচু হতে লাগল,
রোজ! রোজ প্লিজ বাইরে এসো!এরকম মজা আমার মোটেও পছন্দ না।দেখো, আমার হৃদয় কাঁপছে তুমি কোথায়?
তার কণ্ঠে রাগের চেয়ে ভয় বেশি ছিল—একটা কাঁপা কাঁপা ভয়।যে ভয় খুব কম মানুষই আবরারের চোখে দেখেছে।কিন্তু রোজ—না।রোজ কোথাও নেই।
ফেটিক্সসহ বাকি বডিগার্ডরা দূর থেকে দাঁড়িয়ে আবরারকে দেখছিল।তাদের মাঝে ভয়ের স্রোত বয়ে গেল।কারণ আজ তারা দেখছে—একজন আবরারকে নয়, এক উন্মাদ আবরারকে যে
একজন মানুষকে যাকে হারানোর আতঙ্ক মুহূর্তেই বোকা বানিয়ে দিয়েছে।
ফেটিক্স গিলে নিয়ে খুব কাঁপা গলায় বলল,
স্যার মনে হচ্ছে ম্যামকে কেউ কিডন্যাপ করে নিয়ে গেছে..!
আবরার থেমে গেল।ধীরে ধীরে মাথা তুলে তাকাল ফেটিক্সের দিকে।
তার চোখ সবসময় শান্ত, ঠান্ডা, হিসেবি আজ লাল টকটকে আগুনের মতো।যেন মুহূর্তেই যা সামনে পাবে, ছিন্নভিন্ন করে ফেলবে।
এক পা এগিয়ে এসে আবরার শীতল, রাগে জ্বলা গলায় বলল,
আমার পাখিকে কিডন্যাপ করার মতো সাহস
কার?
শেষ শব্দটা যেন দেয়াল ভেদ করে বেরিয়ে গেল।
যে শোনে, সে বুঝবে এক ঝড় জন্ম নিয়েছে।
হঠাৎ আবরার কিছু একটা ভেবে পকেট ফোন বের করে দ্রুত স্ক্রিনে একটি নাম স্পর্শ করল,আজিজুল শেখ।দেশের প্রধানমন্ত্রী। তার প্রভাবশালী পরিচিতদের তালিকার সবচেয়ে উপরের নাম।
রিং শোনা গেল মাত্র একবার।তারপরেই শান্ত অথচ কর্তৃত্বপূর্ণ কণ্ঠ ভেসে এলো,
হ্যাঁ আবরার? এমন সময়ে ফোন করার কারণ?
আবরার শ্বাস টেনে নিয়েই বলল,তার শব্দগুলো যেন শীতল ধাতুর মতো কঠিন—
পুরো দেশে কার্ফো জারি করুন।সব সীমান্ত বন্ধ।
কেউ কোথাও যেতে পারবে না—আর দেশ ছাড়ার তো প্রশ্নই ওঠে না।
ওপারে মুহূর্তের নীরবতা।তারপর প্রধানমন্ত্রী একটু বিদ্রূপভরা হাসিতে বললেন—
আমি কি তোমার কথায় দেশ চালাই?
এত বড় সিদ্ধান্ত তোমার ইশারায় নেবো না।
কোনো উত্তর না দিয়ে আবরার ফোন কেটে দিল।
ফোন নামানোর সময় তার চোখে যে আগুন জ্বলছিল,তা দেখে ফেটিক্স পর্যন্ত গলা শুকিয়ে গিয়েছিল।আবরার ধীরে মাথা তুলল, সরাসরি ফেটিক্সের চোখে তাকিয়ে বললো,
এই দেশ আধা ঘণ্টার মধ্যে কেঁপে উঠবে।আধা ঘন্টার ভিতরে প্রধানমন্ত্রী ভবনে বোমা মারবে বুঝলে..!
আর তারপর কাজ আপনাআপনি হয়ে যাবে।তারপর ওরা নিজে থেকেই দেশে লকডাউন করে দেবে।
ফেটিক্সের মুখে আতঙ্কের ছায়া।কিন্তু বিরোধিতা করার সাহস নেই।সে মাথা ঝাঁকিয়ে দ্রুত বেরিয়ে গেল—যেন প্রতিটা সেকেন্ড তার কাছে জীবন-মৃত্যুর মতো।
আবরার শান্ত হয়ে দাঁড়াল না।সে সোজা বাইরে বেরিয়ে গাড়িতে উঠল।ড্রাইভার দেরি না করে ইঞ্জিন চালু করল।গাড়ি ছুটে চলল রাতের অন্ধকার ভেদ করে,যেখানে রাস্তার আলোও যেন ভয়ে পথ ছেড়ে দিচ্ছে।
গাড়ি থামল এক বিশাল পুরনো গুদামের সামনে—
আবরারের ব্যক্তিগত নিরাপদ ঘাঁটি।
ভেতরে ঢুকতেই দেখা গেল,সারি সারি বডিগার্ড জড়ো হয়েছে,সবার মুখে উদ্বেগ আর বিস্ময়ের মিশ্র ছাপ।আবরার যখন কাউকে এভাবে একত্র করে,তখন সাধারণ কোনো ঝামেলা নয়—কিছু বড়, অস্বাভাবিক, এবং বিপজ্জনক কিছু ঘটতে যাচ্ছে।
গুদামের ভেতরের বাতাস ভারী হয়ে আছে,
চোখে-মুখে সবার একটাই প্রশ্ন,
ম্যাম কে খুঁজে পেতে আবরার স্যার ঠিক কী পরিকল্পনা করছে?
আবরারের হাঁটার শব্দ,তার চোখের দৃষ্টি,
আর নিঃশব্দ রাগ—সব মিলিয়ে রাতটার ভেতর এক রহস্যময় উত্তেজনা তৈরি করল।
এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।
আবরার ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে বিশাল সবার দাঁড়ালো। সামনে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে তার নিরাপত্তা বডিগার্ড—সংখ্যায় যেন অন্তহীন। আলো পড়ে তাদের কালো ইউনিফর্মে ঝলসে উঠছে ধাতব ব্যাজগুলো। চারদিক নিস্তব্ধ,শুধু ফ্লোরের ওপর ভারী বুটের চাপা শব্দ।
এক মুহূর্ত থেমে আবরার গভীর শ্বাস নিলো। তারপর বজ্রকণ্ঠে বললো,
শুনে রাখো সবাই! আজ রাত শেষ হওয়ার আগেই আমার স্ত্রীকে খুঁজে বের করতে হবে। একশো হেলিকপ্টার আকাশে উঠবে, বিশ হাজার গাড়ি রাস্তায় নেমে যাবে। দশ হাজার ট্র্যাকিং কুকুরও নামানো হবে।পুরো দেশজুড়ে অনুসন্ধান চলবে—এক ইঞ্চিও বাদ না!
তার কণ্ঠের শেষ দিকটা এত তীক্ষ্ণ হয়ে উঠলো যে বাতাস যেন থমকে গেল। উপস্থিত সবাই অবচেতনেই কেঁপে উঠলো। কোনো শব্দ নেই সবাই শুধু তার চোখের আগুন টের পাচ্ছে।
আবরার আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিলো সারি সারি বডিগার্ডের দিকে।
একটা সুযোগ দিচ্ছি তোমাদের—ব্যর্থতা চলবে না।
নিঃশব্দে এক গাঁইগুঁই করা গরগর শব্দে সামনে এসে দাঁড়াল প্রধান নিরাপত্তাকর্মী। মাথা নত করে গম্ভীর স্বরে বললো,
জি, বস। ব্যবস্থা হয়ে গেছে। অপারেশন শুরু হচ্ছে এখনই।
আবরার আর কিছু বললো না। শুধু ঘুরে গাড়ির দিকে হাঁটা শুরু করলো। তার পেছনে সাথে সাথে দৌড়ে দাঁড়ালো সব বডিগার্ড। কালো পোশাক, ভারী ধাতব অস্ত্র, টর্চলাইটের আলো—সব মিলিয়ে মুহূর্তের মধ্যে চারপাশে যুদ্ধ প্রস্তুতি নেওয়ার মতো উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হলো।
গাড়ির দরজা খুলতেই আবরারের চোখে আবার সেই দৃঢ় সংকল্প ফিরে এলো।আজ রাতটায় পুরো দেশ জানবে—একজন মানুষ তার প্রিয়জনের জন্য কতদূর যেতে পারে।
চলবে.....!
কালকে আর প্রধানমন্ত্রী কে খোঁজে পাবে না কেউ🙂👍
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৫০(১ম+২য়+শেষাংশ)
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২০
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৫
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪৯
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪৭
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৭
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৩৬