ভালোবাসার_সমরাঙ্গন ||৩৭||
সারিকা_হোসাইন
হাতের ফোন পকেটে ভরে হাতের আজলায় চোখ মুখ মুছে উদ্ভ্রান্তের ন্যয় দৌড়ে দুতলায় এলো সৌম্য।ওয়েটিং চেয়ারে সটান বসে অপেক্ষা করছে নোমান।চোখে তার এক বিন্দু ঘুম নেই।ফাঁকা দৃষ্টিতে মৌনতার কেবিনের পানে চাতকের ন্যয় তাকিয়ে রয়েছে সে।আজ যেন মানুষটা চোখের পলক ফেলতেও ভুলে গেছে।পেলব মসৃন ফর্সা মুখে ক্লান্তির স্পষ্ট ছাপ।কিন্তু গায়ে মাখছে না সে।তার পাশেই আদনান মির্জা,সাদনান মির্জা।চামেলি আক্কাস মেঝেতে বসে দেয়ালে হেলান দিয়ে চোখ বুজে আছে।রেহনুমা কে পাশের ওয়ার্ডে সামান্য ঘুমের ব্যবস্থা করেছে সৌম্য।ভেতরে মৌনতার সঙ্গে শায়লা।
নোমান কে স্বশরীরে বসে থাকতে দেখে সৌম্যের মস্তিষ্কে রক্ত ছলকে উঠলো।মুহূর্তেই সফেদ সাদা চোখ মুখ ক্রোধে লাল টকটকে হলো।সৌম্যের শরীর থরথর করে কেঁপে উঠলো।ইচ্ছে হলো নোমানের গলা টিপে জিভ বের করে ফেলতে।সৌম্যের চোয়াল শক্ত হয়ে চেপে এলো।কেঁপে উঠলো দাঁতের কপাট।কিন্তু সব কিছু সয়ে নিলো মুহূর্তেই সৌম্য।অতঃপর সকলের উদ্দেশ্যে বলে উঠলো
“আমাদের সবার বাড়ি ফেরা উচিত।সবাই মিলে অসুস্থ হয়ে মহামারী লাগানোর কোনো প্রয়োজন মনে করছি না আমি।
আদনান মির্জা ছেলের কঠিন হুংকারে মুখ তুলে উপরে চাইলেন।সৌম্য এখনো চোয়াল চেপে হাত মুঠো পাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আদনান মির্জা মুখ খুললেন
“মেয়েটাকে এভাবে ফেলে কি করে যাই?তাছাড়া…
কথা শেষ করতে পারলেন না আদনান মির্জা।সৌম্য ধমকে উঠলো
“এখানে বসে তো মশা মাছিই মারছ আব্বু।আর কিছু কি করতে পেরেছ?অযথা হাউকাউ করে অন্য পেশেন্টের ডিস্টারবের কারন হচ্ছ।
ছেলের পানে বাঁকানো ভ্রুকুটি করে তাকিয়ে রইলেন আদনান মির্জা।কোমল নরম ভীতু স্বভাবের ছেলেটা কেমন হিংস্র হয়ে উঠেছে আজ।এই সৌম্য কে চিনেন না তিনি।সৌম্যের ভেতর যেন রণ’র আত্মা ভর করেছে।নয়তো কোমল সৌম্য আজ এত কঠিন কি করে?
সাদনান মির্জা সৌম্য কে অনুরোধ করলো
“সকালে এক পলক দেখে তারপর ই না হয় যাই।
সৌম্য রক্ত চক্ষু নিয়ে আঙ্গুল তুলে বললো
“দরজার সামনে যে যে অহেতুক ভিড় করার জন্য বসে থাকবে তাদের প্রত্যেকের পায়ের নলা কে টে রেখো দেব আমি।
সৌম্যের হম্বিতম্বি তে ভীত হলেন দুই ভাই।সঙ্গে মুদে আসা চোখ খুলে ধরফরিয়ে উঠলো আক্কাস আর চামেলি।আদনান মির্জা সকলকে চোখের ইশারায় স্থান ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে একপলক মৌনতার কেবিনে নজর পাতলেন।অতঃপর তপ্ত শ্বাস ফেলে সিঁড়ি ধরলেন।কিন্তু নির্বিকার বসে রইল নোমান।নোমানের ভাবলেশহীন আচরণ সৌম্যের শরীর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ভস্ম করে দিলো।অনু সৌম্যের অগ্নিমূর্তি দেখে কিছু আঁচ করে নোমানের পাশে আলগোছে এসে দাঁড়িয়ে বললো।।
“ভাইয়া আমাদের যাওয়া উচিত।সৌম্য ঠিকই বলেছে।এখানে থেকে সবাই ক্রাউড তৈরি করছি।ডক্টর দেখলেও কথা শুনাবে।চলো বাড়ি যাই।
নোমান শক্ত গলায় বলে উঠলো
“যে যা খুশি তাই ভাবুক।নোমান শাহরিয়ার ওসব কেয়ার করে না।তোর যা।আমি যাব না।
“কেন থাকবেন?মৌনতার সঙ্গে কি এমন খাতির আপনার?
ফট করে কথা খানা বলে উত্তরের আশায় তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো সৌম্য।সেই দৃষ্টিতে নোমান থতমত খেলো।সৌম্য আরেকটু গলা শক্ত করে বললো
“আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ে করা বউ মৌনতা।পর পুরুষের বউয়ের জন্য এত দরদ থাকা সমীচীন নয়।লোকে জানলে মন্দ বলবে।নিন্দা করে থু থু ছিটাতেও ভুলবে না।আর বিষয়টা আমার নিজেরও ভালো লাগছে না।আপনি প্লিজ আসুন
নোমান লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে বলে উঠলো
“মেজর সাহেব বেঁচে থাকলে অপরাধ ছিলো।যেখানে তার অস্তিত্ব ই নেই সেখানে নিন্দা চর্চা কোথা থেকে আসবে?
“মেজর সরাতে আপনার বেশ সুবিধা হয়েছে নোমান সাহেব?
সৌম্যের কথায় কেমন ভয় পেলো নোমান।উত্তর করবার আগেই হঠাৎ বেজে উঠলো নোমানের ফোন।স্ক্রিনে নিজের সহযোগী ওসমানের নম্বর।উঠে দাঁড়িয়ে সৌম্যের থেকে বেশ খানিক দূরে গিয়ে ভ্রু কুঁচকে গম্ভীর গলায় নোমান কানে ফোন তুললো
“হ্যালো….
ওপাশ থেকে ওসমানের কথায় নোমানের মাথা ঘুরে উঠলো।ফোন কেটে দিয়ে নোমান হনহন করে বেরিয়ে গেলো।সৌম্যের যেন সুবিধাই হলো।নোমান যেতেই কেবিনে দরজায় নক করলো সৌম্য।শায়লা জেগে মেয়ের পাশে বসে কাঁদছিলেন।মেয়ের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তায় রাতের ঘুম তার উবে গিয়েছে।এমন সময় দরজায় শব্দ হলো।শায়লা দ্রুত পায়ে উঠে এসে দরজা খুলে সৌম্য কে দেখে অবাক হলো ।সৌম্য ভেতরে ঢুকে দরজা আটকে দিলো।এরপর ফিসফিস করে বললো
“রণ এসেছে ছোট মা।
শায়লা নীরবে চোখের জল ছেড়ে দিলো।সৌম্য শায়লার চোখের জল মুছে বলে উঠলো
“মৌনতার সাথে একান্তে একটু সময় কাটাতে চায় ও।তুমি বাইরে যাও।
শায়লা মাথা ঝাঁকালো।কিন্তু তার উৎসুক দৃষ্টি সৌম্যের পানেই নিবদ্ধ রইলো।সৌম্য বুঝতে পেরে বলে উঠলো
“জিপে রণ ছিলো না।রণ’র বন্ধু ছিলো।সেও বেঁচে আছে ভালো আছে।এবার তুমি আমার সঙ্গে এসো তো।
শায়লা চোখ মুছে নিঃশব্দে বেরিয়ে এলেন।বাইরে বের হতেই করিডোরে রণ’র সঙ্গে মুখোমুখি হলো শায়লা।রণ’র বুকে হামলে পড়ে শায়লা চাপা গলায় বলে উঠলো
“তোর শোকে মেয়েটা মরতে বসেছে রে বাপ।মা হয়ে এসব আর সহ্য করতে পারছি না।
রণ চোখের জল আড়াল করে শায়লার মাথায় হাত বুলিয়ে বলে উঠলো
“দুটো দিন সময় দাও ছোট মা ।সব ঠিক করে দেব।
মৌনতার বেডের সামনে এসে দাড়ালো রণ।ফকফকে আলোয় মেয়েটার করুন মলিন মুখশ্রী স্পষ্ট।সেই স্পষ্ট মুখটা রণ’র কলিজা মুষড়ে দিলো।তীক্ষ্ণ ব্যথায় শ্বাস নেয়া দায় হলো।এই বুঝি হৃদযন্ত্রের ধারকান বন্ধ হয়ে যায়।এত কেন ব্যাথা বুকের মাঝ খানটায় ?রণ মৌনতার ফর্সা গলায় নজর দিলো।কালসিটে মোটা জখম ।মৌনতার অভাবে রণ কিরুপে বেঁচে থাকতে ভেবেই রণ’র অক্ষি কোটর জলে ভরল।রণ ধীর পায়ে মৌনতা বিছানায় গিয়ে বসলো।এরপর আলগোছে মৌনতার পাশে শুয়ে শক্ত করে নিজের সাথে চেপে ধরলো মৌনতা কে।গভীর ঘুমে পরিচিত স্পর্শ পেয়ে কেঁপে উঠলো মৌনতা।স্বপ্ন ভেবে ঘুমের মধ্যেই ফুঁপিয়ে কাঁদলো সে।সেই জল রণ শুষে নিলো কোমল ঠোঁটের স্পর্শে।মৌনতা হাত বাড়িয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলো রণকে।ঢুকে যেতে চাইলো রণ’র বুকের একদম গহীনে।
“আমাকে ছেড়ে কি করে চলে গেলে তুমি রণ ভাই?তোমাকে ছাড়া কিভাবে বাঁচবো বলো তো?
মৌনতার ঘুমঘুম কাতর আর্তনাদে রণ মৌনতার চোখের পাতায় আলতো চুমু আকলো।এরপর কপালে সবশেষে খসখসে অধরে।এবার চোখ মেলে তাকালো মৌন।স্বপ্ন যেন সত্যি হলো।চমকিত ভয়ার্ত হলো মৌনতা।মনে হলো মতিভ্রম।মৌনতা হাত বাড়িয়ে রণ’র নাকের ডগা স্পর্শ করল ধীরে ধীরে উষ্ঠ অতঃপর অধর।মৌনতার হাতের আঙ্গুলি গিয়ে থামলো রণ’র প্রশস্ত বক্ষে।রণ নরম করে ধরলো মৌনতার হাত।অতঃপর কম্পিত গলায় বলল
“আর বেশি গভীরে গেলে আমি ভুলে যাবো তুই অসুস্থ ।
মৌনতা রণ’র গলা জড়িয়ে ধরে হুহু করে কেঁদে উঠলো।কাঁদতে কাঁদতে অস্পষ্ট গলায় বলল
“তুমি বড্ড নিষ্ঠুর আর মিথ্যেবাদী।আমাকে কষ্ট দিতে বেশ পছন্দ তোমার তাই না?এভাবে ধুকে ধুঁকে না মেরে এক বারেই মেরে ফেলনা!এই যন্ত্রনা যে সইতে পারি না রণ ভাই।বুকের ভেতর নিষ্ঠুর বেদনা যখন তখন হামলা করে।নিঃশব্দে রক্তক্ষরণ হয় প্রতিমুহূর্তে।আমি বেঁচে আছি অথচ তুমি নাই এটা তো সৃষ্টি কর্তার দেয়া সবচেয়ে কঠিন শাস্তি।আমি যে বেঁচে থেকেও মৃত।আমার তো তুমি হীন কোন অস্তিত্ব নেই রণ ভাই।আমি ধ্বংস।
“রণ মৌনতার কপালে ঠোঁট চেপে ভেজা গলায় শুধালো
“এত বড় ভুল কি করে করতে পারলি তুই বউ?
“নিজেকে বাঁচানোর জন্য!এ ছাড়া আর উপায় কি বলো?
“তুই মরে আমার ভালোবাসাটাও মেরে ফেলতে চেয়েছিলি মৌন?এত নিষ্ঠুর তুই?আমার কথা একবারও ভাবলি না?কবে কবে এত বড় হৃদয়হীনা হলি তুই?
ব্যথায় মৌনতা গলা বিষিয়ে উঠলো।দুদিন কম কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন ডক্টর।তবুও মৌনতা দমলো না।ফ্যাসফ্যাসে গলায় বলল
“যখন শুনেছি তুমি চলে গেছো তখন কেবলই আমার মনে হয়েছে আমার সুখ,আমার হাসি,আমার আনন্দ,সব কেঁড়ে নিয়ে গেছো তুমি।রেখে গেছো কেবল আকাশ সম শূন্যতা,বিরহ আর চোখের জল।এতো এতো বিরহ,বেদনা আর অশ্রুর সমুদ্র নিয়ে কিভাবে বাচতাম আমি?তোমার সঙ্গে সঙ্গে তো সব হারিয়ে গেছিলো রণ ভাই!
রণ মৌনতার অধরের দখল নিলো।ছেড়ে দিলো তখনই।অতঃপর ফিসফিস করে বললো
“অনেক অভিযোগ করেছিস।আর করিসনা।হৃদয় ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে তোর অভিযোগে।কিন্তু আমি নিরুপায় ছিলাম।নয়তো তোর বিরহ কখনো এত দীর্ঘ হতে দিতাম না।আমায় ক্ষমা কর মৌনতা।তোর এই অবস্থা আমাকে নিষ্ঠুর কীটের মতো কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।আর বেশি সময় এভাবে চলতে থাকলে আমি ঐ কীটের দংশনে মারা পড়ব।
মৌনতা তার সরু আঙ্গুলি নিয়ে রণ’র ঠোঁট চেপে ধরলো এরপর রণ’র বুকে মুখ লুকিয়ে বললো
“তুমি আমার জীবনের একমাত্র সুখমিশ্রিত সুন্দর সুনিপুন ভালোবাসার অধ্যায় রণ ভাই।তুমি আছো আমি আছি,তুমি নেই আমি কাঙাল,ভিখারিণী, মৃত্যুপথযাত্রী।
ধীরে ধীরে অভিমানের পাল্লা দূর হলো।সমাপ্ত হলো কান্না কাটির রেশ।মৌনতা বক্ষভাজে মুখ গুজে রণ বলে উঠলো
“তুই একটা গাঁধী।গাঁধী না হলে কেউ এভাবে মরতে চায়?আমি জীবনেও এমন বোকামো করতাম না।ঠিক তোর চাইতে সুন্দরী কাউকে বিয়ে করে সুখের সংসার পাততাম।
মৌনতা জানে রণ তাকে জেনে বুঝে জ্বালাচ্ছে।তাই মেকি রাগ দেখিয়ে মৌনতা বলে উঠলো
“ভুত হয়ে তোমার বউয়ের ঘাড় মটকে দিতাম।
“আজীবন পেত্নিই রয়ে গেলি।
“তোমার একান্ত ব্যক্তিগত পেত্নী।
নির্জন নিস্তব্ধ বেদনাতুর কেবিন হাসি ঠাট্রায় ভরে উঠলো।মৌনতা গলার ব্যথা ভুলে গেলো।ধীরে ধীরে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে।মৌনতার কপালে চুমু খেয়ে রণ বলে উঠলো
*যেতে হবে।রাতে আবার আসবো।
মৌনতার মন ভার হলো।তবুও মাথা ঝাঁকালো।মৌনতা ঝলমলে চুলে বিলি কেটে মৌনতার ক্যানুলা লাগানো হাতে চুমু খেলো রণ।অতঃপর বললো
“খুব শীঘ্রই নোমান কে জেলে ভরব।আসছি।
দুদিন বাদে সুস্থ অবস্থায় মৌনতা কে বাড়িতে আনা হলো।বাড়ির সকলের মুখে অদ্ভুত এক হাসির রেশ ফুটলো।রেহনুমা সুস্থ হয়ে তরতর করে বাড়ির এটা সেটায় নজরদারি করছেন পূর্বের ন্যয়।শায়লা কোমরে আঁচল গুঁজে রান্না ঘরে কাজে লেগেছেন।দেওয়ান মির্জা সুস্থ হয়ে আক্কাসের সাথে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেছেন।চামেলি বাড়িঘর সাফ সাফাই করছেন।
যেন বাড়িতে কিছুই ঘটেনি।সব শান্ত স্থির,নির্মল।
এমন সময় নোমান এলো।এবার আর আগের মতো খুশি দেখালো না তাকে।চোখ মুখে চূড়ান্ত ক্লান্তি আর ভীতির ছাপ।ব্যাবসা বাণিজ্য বেশ মন্দা যাচ্ছে।সব জায়গায় পুলিশের আক্রমন।আপাতত গ্রামে থাকাই সেফ ।
অনু নোমানকে বসতে দিয়ে টেবিলে খাবার গোছাতে গেলো।কারন মির্জা বাড়ির সকলের খাবার টাইম এখন।
টেবিলে দেওয়ান মির্জা নোমান কে ডাকলেন।অতঃপর নিজের পাশের চেয়ারে বসতে অনুরোধ করে বলে উঠলো
“শেষবারের মতো দুটো ভালোমন্দ খাও।পরে আর খেতে পারবে কি না কে জানে?
দেওয়ান মির্জার কথা বোধগম্য হলো না নোমানের।শুধু ঠোঁটে অপ্রস্তুতের হাসি ঝুলিয়ে হাত ধুয়ে প্লেট নিয়ে বসলো।শায়লা মুরগির রানের টুকরো আর পোলাও নোমানের পাতে হাসি মুখে তুলে দিয়ে উঠলো
“খাও বাবা খাও।
নোমানের কেমন যেন লাগলো।সবাই উৎফুল্ল নিয়ে টেবিলে বসে খাবার খেতে চলেছে।নোমান দ্বিধানিত হয়ে প্লেটে হাত বাড়ালো।
এমন সময় পুলিশের স্পেশাল টিম সঙ্গে আর্মির লোক এলো।মুহূর্তেই ভরে গেলো ড্রয়িং রুম ।নোমান কেবলই এক লোকমা খাবার মুখে তুলতে নিয়েছে।
এমন সময় ভরাট গম্ভীর আদেশ দেওয়ান মির্জার ড্রয়িং রুম কাঁপিয়ে তুললো।কন্ঠটা শুনে নোমান সম্মুখে তাকালো।সমস্ত মানুষের মাথা মাড়িয়ে শ্যাম রঙা পুরুষ টাকে দেখা যাচ্ছে।নোমানের হাত থেকে খাবার পরে গেলো।হা হলো চোয়াল।ঝংকার তুলে ধেয়ে এলো ওর্ডার
“ইউ আর কামিং উইথ আস মিস্টার নোমান শাহরিয়ার।”
Share On:
TAGS: ভালোবাসার সমরাঙ্গন, সারিকা হোসাইন
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২০
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৯
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২৭
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৬
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩১
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ৩৫
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ২১
-
ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১১