বেলতুলি – [২৪]
লাবিবা ওয়াহিদ
[অন্যত্র কপি সম্পূর্ণ নিষেধ]
রিমঝিমের আশ্বাস সত্যিই সাময়িক ছিল। ঠিক বিয়ের পরপরই কোত্থেকে সাকিবের মা এলেন। ভদ্রমহিলা কোনোদিক থেকে এসে মৌনোর বাবা অর্থাৎ রিয়াজ সাহেবকে ধরলেন। ছেলের জন্য মৌনোর হাত চাইলেন।
দূর থেকে সাকিব মাকে মৌনোকে দেখিয়েছে। মৌনো সব দিক থেকেই চোখে লাগার মতো। তাই ভদ্রমহিলারও পছন্দ হতে বেশি সময় লাগল না। এমন রূপসী পুত্রবঁধু ছেলের ঘর আলো করে আসলে তাকে আর পায় কে? প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে যাবেন তিনি। তাই পাত্রী হাতছাড়া হওয়ার আগেই এই কাজটা করে বসলেন। বড়ো মামা রিয়াজ সাহেবের পাশেই ছিলেন। সঙ্গে ইয়াসিনও।
এবারের ঘটনা সম্ভবত যতটা বড়ো হবার কথা ছিল ততটাও হয়নি। কারণ এবারের প্রস্তাবটা অভিভাবক দিয়েছেন, সাকিব দেয়নি। তাই তাকে প্রত্যাখ্যান বেশ সম্মানের সাথেই করা হলো। সাকিব সম্পর্কে ইয়ামিনের শালা হয়। আর মৌনো তার ভাগনে লাগে। সেক্ষেত্রে এরকম প্রস্তাবে নাকচ করাটা যুক্তিযুক্ত বটে। ইয়ামিন, ইয়াসীন ক্ষেপে গিয়েছিলেন বটে, তবে আশ্চর্যজনক ভাবে দুজনই নীরব থেকেছেন। যতই হোক, সদ্য বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে ইয়ামিনের। তর্ক-বিতর্ক হলে নতুন বউ অর্থাৎ সালমার ওপর মন্দ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা আছে। একজন মেয়ে বিদায় বেলায় খুব সেন্সিটিভ থাকে। যদি এমন মুহূর্তে শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে নিজ বাড়ির মানুষদের প্রতি স্বামী কিংবা বাকিদের নেতিবাচক প্রক্রিয়া দেখে তবে হিতে বিপরীত হবে।
ইয়াসীন মামা তো ভদ্রমহিলার মুখের ওপর বলে বসেছিলেন,
–“আরেহ, জানেন না আমাদের মেয়ে আপনার ছেলের সম্পর্কে ভাগনি হয়? ভাগনির সাথে বিয়ে কী করে হবে?”
ব্যাস! ভদ্রমহিলার মুখ কালো হয়ে গেল। তিনি আগে জানতেন না মৌনো পাত্রের সম্পর্কে ভাগনি হয়, জানলে কী আর মান-সম্মান বরবাদ করতে আসতেন? ছেলের নজর পড়েছে ভাগনির উপর? ছি, কী জঘন্য খবর। লোকে জানলে কী বলবে? তিনি যত সুন্দরীই হোক, এমন কেলেঙ্কারি নিতে পারবেন না। তার বংশের, পরিবারের একটা নাম-ডাক আছে। ছেলেকে প্রশ্রয় দিয়ে তা ধ্বংস করার প্রশ্নই আসে না।
ইয়াসীন মামা তো কুটিল হাসির সাথে ভদ্রমহিলার ঝামটা মা(১)রা মুখটা দেখছিলেন। এত পৈশাচিক আনন্দ তিনি শেষ কবে পেয়েছিলেন জানা নেই। অগত্যা, মৌনোর বাবার থেকে রিজেক্ট হয়ে মহিলা ফিরে গেলেন। গিয়ে যে সাকিবের পিঠে কয়েক ঘা লাগিয়ে দিলেন তা মৌনোর কিছু কাজিনদের নজর এড়াল না।
বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফিরে মৌনো আবারও নিজেকে ঘর বন্দী করে বসে আছে। কোনো নড়চড় নেই, কথাবার্তা নেই। হঠাৎ কী হলো কে জানে? সবাই ধরেই নিল মৌনোর আবারও প্রস্তাব আসায় সে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে। এজন্য সবাই থেমে থেমে তার সাথে দেখা করে গেল। যখন সবাই দেখল মৌনো কারো সঙ্গ চাচ্ছে না, তখন তারা হতাশ মুখে নীরবে ফিরে গেল। শুধু থেকে গেল এশা। সে আবার দুনিয়ার এত অংক-হিসাব বুঝে না। সে নিতান্তই সরল জীবন-যাপন করা বাচ্চা। তাই তো এক নাগাড়ে সারাদিন কী কী করেছে, যত অভিযোগ আছে সব মৌনোর কাছে ঝেড়ে দিতে লাগল। মৌনোর সাথে বলা শেষ হলে জুনায়েদের মাথা খাবে। রিমঝিমের মাথা ভেজে খাওয়া আগেই শেষ।
কিন্তু ব্যাপার হলো, মৌনোর কী আদৌ সেদিকে খেয়াল আছে? সে যে বেখেয়ালী জানালা দিয়ে বিশাল আকাশটায় নজর স্থির করে আছে। সেখানে অসংখ্য তারাদের মেলা। মৌনো তারাদের সাথে মিশে গেলে কী খুব ক্ষতি হয়ে যেত?
ধীরে ধীরে রাত আরও গভীর হলো। ইয়ামিনকে তখন জোরপূর্বক বাসর ঘরে ঢুকানো হয়েছে। মৌনো বাইরে সবার হৈ-হুল্লোড়, হাসির শব্দ শুনতে পাচ্ছে। কিন্তু তবুও সে রুম থেকে বের হলো না, ওদের আনন্দে ভাগও বসাল না। এশা বকবক করতে করতে তার কোলেই মাথা রেখে ঘুমিয়ে গেছে। এই ঘরটায় তারা তিন বোনই থাকে।
মধ্যরাতে হঠাৎ কী হলো কে জানে, মৌনো বাবাদের ঘরে ঢুকে গেল। জেদ ধরল সে আজই ভোরের ট্রেনে বাড়ি ফিরবে। কেন, কী হয়েছে সেসবের কোনো উত্তরই দেওয়া হলো না। মৌনো আগে কখনো, কোনো ব্যাপারে এতটা অনড় কিংবা জেদ করেনি। তবে আজ তাকে বড্ড অস্থির দেখাচ্ছে। রাজিয়া শেখ এতে ভয় পেয়ে গেলেন। গত দুইদিন মেয়ের ওপর দিয়ে যা ঝড় যাচ্ছে। স্বামীর কাছে শুনেছেন তিনি, সেখানেও মেয়ের শান্তি মেলেনি। মায়ের মন তো, সন্তানের এই অস্থিরতা ফেলে দিতে পারলেন না। রাজি হয়ে গেলেন ফিরে যাওয়ার জন্য। যেহেতু রিয়াজ সাহেবেরও রোগী আছে, তাই তিনিও অমত করলেন না। তিনি তো উলটো চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় ছিলেন ঢাকায় ফেরার জন্য। স্ত্রীর ভয়ে বলার সুযোগই পাচ্ছিলেন না। মেয়েটা এক ধাক্কায় উপকারই করল।
সে রাতে ইয়ামিনদের আর বিরক্ত করলেন না রাজিয়া শেখ। বড়ো ভাই, ভাবী, ইয়াসীন ওদের সবার থেকে বিদায় নিয়ে একপ্রকার তড়িঘড়ি করেই পাঁচটার ট্রেনের টিকিট কাটল। ইয়াসীন মামা তাদের স্টেশনে সব ব্যবস্থা করে দেন। মৌনোর দিকে হতাশ চোখে তাকিয়ে গলা নামিয়ে বললেন,
–“তোকে ভেবেছিলাম মেজবাহ খাওয়াব, বাজারের গরম গরম মিষ্টি খাওয়াব, পতেঙ্গায় নিয়ে যাব। কিছুই যে হলো না।”
মৌনো নিজের মনের ঝড় বুঝতে দিল না। বেশ হাস্যোজ্জ্বল গলায় বলল,
–“পরেরবার আসলে বাড়িতে থাকব না মামা। সব সময় তোমার সাথে ঘুরে বেড়াব। আর তুমি না সিনেমা করবে? ঢাকায় শুটিং হলে অবশ্যই বলবে।”
সিনেমার আলাপে ইয়াসীন মামা মুচকি আসলেন। পৃথিবীতে এই একটা বিষয়ই তার মন ভালো করতে পারে। সিনেমা। সিনেমা তৈরি, শুটিং, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির আলাপ। ইয়াসীন মামার অন্যতম ট্যালেন্ট হচ্ছে তিনি একজন ডিরেক্টর। মোটামুটি দুটো সিনেমাতে এই অবধি কাজ করেছেন। বেশ ভালোই সাড়া ফেলেছেন দর্শকদের মধ্যে, তবে আহামরি নয়৷ কিন্তু এতেই ইয়াসীন সাহেব সন্তুষ্ট। তার বিশ্বাস, শূন্য থেকেই এক সময় সফলতা আসবে। তাই বলা যায় এতশত গুণের মধ্যে শুধু দোষ একটাই, বিয়ের প্রতি তীব্র অনীহা।
মৌনো চট্টগ্রামের আকাশে শেষবারের মতো তাকাল। নিবিড়কে বড্ড মনে পড়ছে। মানুষটা হয়তো জানেও না, সে যে ফিরে যাচ্ছে। আচ্ছা, নিবিড় কী তাকে খুঁজবে? খোঁজার অবশ্য কথা নয়। মৌনো দীর্ঘশ্বাস ফেলল। চোখে ভেসে উঠল নিবিড়ের সাথে কাটানো চট্টগ্রামের সমস্ত মুহূর্ত। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, নিবিড়ের সাথে দিন গুলো স্বপ্নের মতো ছিল। মৌনো অন্ধকার আকাশপানে দৃষ্টি স্থির রেখে আপনমনে আওড়াল,
–“না জানি আবার কবে আপনার দেখা পাই, নিবিড় ভাই।”
রত্না নতুন মোবাইল পেল আজ। প্রায় অনেকদিন পর। মোবাইল চুরি যাওয়ার পর তার বাবা খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি মোবাইল কিনে দেওয়া নিয়ে। রত্নাও সাহস করে চাইতে পারেনি। রত্না যাই চাক, সব তার মায়ের কাছেই চায়। তাকে জীবনে সবচেয়ে মাথায় তুলে রেখেছে এই মা। ভদ্রমহিলাও বেশ স্মার্ট হয়ে চলাফেরা করতে পছন্দ করেন। তবে রত্নার বাবা এসবের মধ্যে বেশ উদাসীন। তিনি মনে করেন মেয়ে মানুষ পালা মহিলা মানুষের কাজ। তাই তার আড়ালে যে মেয়ে কত কি করে বেরিয়েছে বা করছে তা তিনি তেমন একটা জানেন না, প্রায়ই তিনি ব্যবসায়িক কাজে ঢাকার বাইরে থাকেন। ঘরে মা-মেয়েই থাকে। তবে তিনি খুব আধ্যাত্মিক স্মার্টনেস পছন্দ করেন না। উশৃঙ্খল, ভিনদেশিদের মতো চলাচলও না।
রত্না যে চুলে কালার করেছে এটা আজও তার বাবা জানে না। মেয়ে তার কারবারি গোপন রাখতে সদা চতুর। বাবা থাকলে সে বেশ মাথায় ঘোমটা তুলে রাখে। ধরা পড়ার ভয়ে বাবার মুখোমুখিও খুব একটা যায় না।
কিন্তু আজকাল ভদ্রলোককে চিন্তিত লক্ষ্য করা যায়। তিনি গম্ভীর মুখে বারবার মেয়েকে নিবিড়ের খবর জিজ্ঞেস করেন। এতে অসহায় পড়ে যায় রত্না। সে তার বাবাকে কী করে বলবে তার বাগদত্তা তার খোঁজ অবধি নেয় না। অথচ তিনি সবই দেখছেন, পর্যবেক্ষণে রাখছেন। এমনিতে সোফিয়া খানম অর্থাৎ রত্নার হবু শাশুড়ির আচরণ ভালো, তিনি সবসময়ই দেখেন রত্নাকে স্নেহ করতে। মশিউর সাহেবও হাসি-খুশি। তবে তিনি এখনো নিবিড়ের অংকটা ধরতে পারছেন না। মানুষ তো মাসে একবার হলেও হবু শ্বশুরকে কল করে ভালো-মন্দ জিজ্ঞেস করে। এ কেমন ছেলে যে কিছু জিজ্ঞেস করা তো দূর, বাগদান সারা হয়েছে অথচ কেমন নিখোঁজ হয়ে আছে। ব্যাপারটা মোটেও ফেলে রাখার মতো নয়। তার মতো রক্ষণশীল, আত্মসম্মান পূর্ণ পুরুষের জন্য তো একদমই নয়।
আজ খাবার টেবিলে ভদ্রলোক খাবার খেতে খেতে রত্নার উদ্দেশে বললেন,
–“নিবিড়কে বলবে আমাকে কল করতে। কথা-বার্তা যেন বলে। আর নয়তো তোমাদের এই বিয়ে নিয়ে আমার ভাবতে হবে। কী বলেছি বোঝা গেল?”
এই খবর শোনার পর থেকে রত্না দিন রাত শুধু ঘরবন্দী হয়ে কাটাচ্ছে। সে কামরুলকে দিয়ে আবারও নিবিড়ের নাম্বার টুকেছে। কামরুল কপাল-মুখ কুঁচকে বলল,
–“আপনে কেমন হবু বৌ ভাইয়ের। যে সামান্য নাম্বারটাও মুখস্ত খরতে হারেন না।”
রত্নার মুখ কালো দেখাল।
–“আগের ফোনে সেভ করা ছিল, মুখস্থ করা হয়নি। কে জানত চুরি হবে?”
কামরুলের ভাষ্যমতে, বেলতুলির সবচেয়ে চুন্নি মেয়ে রত্নার এই কালো আঁধারে ঢাকা মুখ দেখার মতো ছিল। সে নিজের হাসি আড়াল করল। কী যে পৈশাচিক আনন্দ হচ্ছে তার। চোর রত্নার সামনেই দাঁড়িয়ে অথচ রত্নার মতো মাথামোটা কখনো জানবেও না। অবশ্য, রত্না মাথা-মোটা নয়.. সে কুবুদ্ধিতে বরাবরের মতোই সেরা। তবুও সে ধরতে পারেনি এই চোরা চালানটা আসলে কে করিয়েছে। কামরুল বিশ্বাস করে সবচেয়ে বুদ্ধিমান-বুদ্ধিমত্তাও তাসের এই কার্ড ধরতে পারবে না। এসবের মূলে নিবিড় বলে কথা। হাত সাফাই কীভাবে করতে হয় তার বেশ ভালো করেই জানা। কেন যে নিবিড় ডিফেন্সে গেল! এখানে থাকলে ভুলিয়ে ভালিয়ে, তেল-পেট্রোল মে(১)রে নিবিড়কে রাজি করাত। তারপর কামরুল আর তার চোর বন্ধু পুরো এলাকা লুট করত। ওহ, তার তো রোদ চশমাও কেনা বাকি। ধান্দাটা করতে কামরুল দেরী করল না।
–“নিবিড় ভাইয়ের নাম্বার দিতে পারুম, তবে শর্ত পূরণ করতে অইব ভাবী।”
রত্নার মুখ চকচকে দেখাল।
–“কী শর্ত।”
–“পাঁচশো দিবেন। রোদচশমা কিনমু।”
রত্নার চোখ কপালে উঠে গেল।
–“কিহ? রোদ চশমার দাম পাঁচশো হলো কবে? সেগুলো তো একশো..”
–“আপনেরে কইছি ট্যাকা দিতে। ট্যাকা লওয়ার পর আমি রোদচশমা কিনমু আর বুড়িগঙ্গায় ভাসাই দিমু এডা আপনের দেহার বিষয় না। নাম্বার নিলে নেন নয়তো যাই গা।”
কামরুল চালাকি করে চলে আসতে নিল। একদম তার ধারণা অনুযায়ী রত্না তাকে পিছুডাক দিল। কামরুলের শর্তও পূরণ করল। কিন্তু পাঁচশো টাকা কচকচে নোট হাতে দেখে তার চোখ জোড়া জ্বলজ্বল করে উঠল। সে তৎক্ষনাৎ ফড়ফড় করে নিবিড়ের নাম্বার বলে দিল।
যখন নিবিড় রাতে কামরুলকে কল দিল, কামরুল মুহূর্তেই পল্টি নিয়ে নিল।
–“কসম ভাই, আমি আপনের নাম্বার দেই নাই। আপনের মায় দিছে, কসম কইরা কইতে পারুম!”
নিবিড় ওপাশ থেকে বলল,
–“আমার মাকে আর রত্নাকে আমি ভালো করেই চিনি। সাথে তোকেও, কামরুল। সত্যি বল নয়তো আমি এসে তোর পা দুটা টুকরো করে দিব। কত দিয়েছে?”
কামরুল মুখ ছোটো করে রইলো। বলার সাহস পেল না। ভেবেছিল নিবিড়কে যেমন তেমন করে বুঝ দিয়ে দিবে। কিন্তু নিবিড় তো তার থেকেও বড়ো শেয়ানা। হঠাৎ-ই কামরুলের মাথায় একটা কুবুদ্ধি এলো। মুহূর্তেই প্রসঙ্গ পালটে বলল,
–“ভাই, আপনেরে তো আসল কথাই কই না। মৌনো আপারা তো ফিরছে কাইলকে। জানেননি? আমি দুপুরে খানা দিয়া আইছিলাম।”
ওপাশ থেকে নীরব শোনাল। কামরুল দাঁত কেলিয়ে হাসল। ওষুধ তাহলে কাজে দিয়েছে।
–“কালকে না মামার বউভাত ছিল?”
–“তা তো কইতে পারমু না ভাই। মনে হয় ভাতের লগে বউ দেয় নাই, এইল্লিগা আইয়া পড়ছে।”
নিবিড় ওপাশ থেকে ধমকাল,
–“মৌনো মামার বউ দিয়ে করবে? কিসব আজেবাজে বকিস তুই কামরুল? ভালো হবি না?”
কামরুল চকচকে টাকাটা হাতে নিয়ে পিষেপিষি করতে করতে বলল,
–“আমি তো ভালোই ভাই, এইল্লিগাই তো বাপ-মা আমার নাম “মাসুদ” না রাইখা “কামরুল” রাখছে।”
®লাবিবা ওয়াহিদ
চলবে~~
[পেজের রিচ ডাউন। গল্প দিচ্ছি অথচ সিংহভাগ পাঠকদের ফিডে পর্ব পৌঁছায় না। আপনাদের কাছে অনুরোধ যারা পড়বেন তারা সকলে সাড়া দিবেন, এতে অন্যান্য পাঠকদের ফিডেও পর্বটি পৌঁছাতে পারবে।]
Share On:
TAGS: বেলতুলি, লাবিবা ওয়াহিদ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
বেলতুলি পর্ব ৩
-
বেলতুলি পর্ব ১৪
-
বেলতুলি পর্ব ১৬
-
বেলতুলি পর্ব ১৯
-
বেলতুলি পর্ব ১
-
বেলতুলি পর্ব ১৩
-
বেলতুলি পর্ব ২৩
-
বেলতুলি পর্ব ৯
-
বেলতুলি পর্ব ২১
-
বেলতুলি পর্ব ৫