প্রণয়ের_মায়াতৃষ্ণা ||১২||
ফারজানারহমানসেতু
নদীর হাওয়া এসে ছিটকে পড়ছে সবার চোখে মুখে।রোজা হাতে হাওয়াই মিঠাই নিয়ে বসে আছে। চোখ নামানো। কিন্তু তার বুকের ভেতরটা অদ্ভুত শান্ত। রাগটা পুরোপুরি যায়নি, তবে আগের মতো তীক্ষ্ণও নেই।এই প্রিয় হাওয়াই মিঠাই না খেয়ে হাতে নিয়ে বসে থাকাটা কত কষ্টের তা কেবল প্রিয় জিনিসের প্রতি দুর্বল লোকেরাই জানে। রোজা একবার ভাবল, “ লোকটা এমন কেন? একটু সরি বলে, ভালো করে বললেই তো রোজা মিঠাই খাওয়া শুরু করবে! কিন্তু নাহ, প্রথমে রাগিয়ে এখন হাতে মিঠাই ধরিয়ে দিয়েই সব শেষ!”
তূর্জান পাশ ফিরে বসেই রইলো কিছু বলল না। শুধু একমনে নদীর দিকে তাকিয়ে রইল।না তাকিয়েই কিছুক্ষণ পরে খুব স্বাভাবিক গলায় বলল, “ হাওয়াই মিঠাই কি হাওয়াতে উড়াতে চাচ্ছিস? “
রোজা আহম্বক, বলে কি এই লোক ? “ না!কেন?“
“ এমনি! চিনি বেশি খাস না তো?”
রোজা চমকে তাকাল।“ খাই বা না খাই,আপনার কি?”
তূর্জান এবার হালকা হেসে বলল,“আমার কিছু না। তবে তুই বেশি চিনি খেলে মাথা ধরবে। তারপর আবার বলবি আমার কারণে হয়েছে। আমি কিন্তু কিছু করিনি।”
রোজা কিরমির করে বলল,“আমি কি সবকিছুর জন্য আপনাকে দোষ দেই?”
“দিস।”
“দিই না! আর আপনি এসেছেন একসপ্তাহ হলো, এর মধ্যে আমাদের ভালো করে কথা পর্যন্ত হয়নি।”
“ ভালো!”
“ কিসের ভালো? আপনি পাগল টাগল হলেন না কি? এক প্রশ্নের আরেক উত্তর দিচ্ছেন!”
“না।”
দুজনেই থেমে গেল। তারপর হঠাৎ রোজার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল। তূর্জান নিষ্প্রভ নয়নে দেখল। কিন্তু কিছু বলল না। শুধু মনে মনে বলল “যাক, বরফ একটু গলেছে।”
নদীর ধারে হালকা কাদামাটি। পায়ের নিচে ভেজা মাটি নরম হয়ে দেবে যাচ্ছে।তূর্জান বলল,“চল।”
রোজা তাকাল না।“এখানেই ভালো লাগছে, ওদিকে যাবো না ।”
“পালাবি নাকি কারো সাথে ?”
“আমি পালাই না।” একটু থেমে আবার বলল, “ এইইই দাড়ান, আপনি কি মিন করতে চাচ্ছেন।”
“ কই কিছু না!”
“তাহলে? একটু আগে বললেন কেন আমি পালাবো কি না?”
“ তুই যেতে চাচ্ছিস না, তাই ভাবলাম পালাবি মনে হয়!”
রোজা উঠে দাঁড়াল।বলল,“চলুন। আর আমি কোনোদিন কোনো রিলেশনই করি নাই, সেখানে পালাবো কার সাথে? “
দুজন পাশাপাশি হাঁটছে। মাঝখানে অদৃশ্য দূরত্ব।তূর্জান বলল, “ কেন রিলেশন করিস নি? “
হঠাৎ রোজা বলল,“আপনি কি সত্যি সিরিয়াস মুডে আছেন, নাকি মজা করছেন ?”
তূর্জান থামল না। শুধু বলল, “ হঠাৎ তোর এমন কেন মনে হলো? “
“ না, করলার মুখ থেকে মিষ্টি কথা বেরোচ্ছে তো তাই একটু কনফিউস!”
তূর্জানকে এই ভোলাভুলি মেয়ে করলা বলছে। তাও নিজের অপমানটুকু গিলে ফেলল। যাই হোক তার বউয়ের সাথে আর ঝগড়া করবে না। তাই আস্তে করে বলল, “তুই কি জানতে চাস?”
“সত্যিই বলবো?”
“হুমম!”
“আপনি আমাকে কেন চ্যালেঞ্জের মতো ট্রিট করেন?”
তূর্জান এবার থামল। গভীর নিঃশ্বাস নিল।“কারণ তুই আমাকে চ্যালেঞ্জ দিস।”
“আমি?”
“হ্যাঁ। তোর চোখে সবসময় প্রশ্ন থাকে। সন্দেহ থাকে। তুই সহজ না। তোর রহস্যের কাছে পৌঁছাতে হলে চ্যালেঞ্জ করতে হয়।”
রোজা একটু চুপ করে রইল।“সবাই কি চ্যালেঞ্জে ভালোবাসে?”
“না। কিন্তু তুই কখনো কাউকে ভালোবাসিস না। কেন? “
রোজা তাকাল, প্রথমবারের মতো চোখে আগের মতো আগুন নেই।শুধু কৌতূহল।“আমি ভয় পাই তূর্জান ভাই।”
তূর্জান নরম গলায় বলল, “কিসের?”
“কারও অহংকারে হারিয়ে যাওয়ার, কেউ যদি আমাকে ভালোবেসে অহংকার করে! যদি তার অহংকার হয়ে পতন হয়ে যাই।”
এই কথাটা শুনে তূর্জানের মুখের শক্ত ভাবটা নরম হয়ে গেল।সে ধীরে বলল,“আমি তোকে হারাতে চাই না। আমি চাই তুই আমাকে হারাস।”
রোজা বুঝল না তূর্জানের বিরবির করে বলা কথাগুলো। রোজা বলল,“মানে? আপনি কি বলছেন ?”
“মানে আমি জিততে চাই না। আমি চাই তুই আমাকে এমন জায়গায় নিয়ে যাস, যেখানে আমি নিজের ইগো ভুলে যাই।”কিন্তু কথাটা এইমূহুতে বলা ঠিক হবে না। তাই বলল, “ কিছু না, চল সবাই হয়তো গাড়ির কাছে এতক্ষন চলে গেছে। আর আব্বু ফোন করেছে তাড়াতাড়ি ফিরতে হবে!”
নদীর হাওয়া চুল উড়িয়ে দিল রোজার। এই প্রথম রোজা বুঝল,এই মানুষটা সব সময় যুদ্ধ করছে না। কখনও কখনও আত্মসমর্পণও করছে।কিন্তু এই লোকের এমন ব্যবহার কেন?হাওয়াই মিঠাই
রোজা মিঠাই থেকে একটু ছিঁড়ে মুখে দিল।
“মিষ্টি।”
“জানি।”
“আপনি আগে থেকে জানতেন আমি নেবো না।”
“হ্যাঁ।”
“তাহলে দুইবার কেন কিনলেন?”
তূর্জান হালকা হাসল।“কারণ তুই যদি ভুল বুঝিস, আমি আবার চেষ্টা করব।”
“কেন? “
কি বলবে তূর্জান, তাই বলল, “যতই হোক তুই আমার কাকামনির একমাত্র আদরের মেয়ে, কাকামনি যদি জানে আমার জন্য তুই রেগে আছিস তাহলে আমাকে আবার বিদেশের টিকিট কাটতে হবে।”
রোজা থেমে গেল।এই একটা লাইনে তার বুকের ভেতর কিছু নরম হয়ে গেল। ওদিকে দুষ্টামি বাহিনী মিরান, তুবা, আ্যমেলা, অনিল সবাই দূরে বসে গুপ্তচরবৃত্তি করছে। মিরান ফিসফিস করল,
“দেখছিস? আমাদের দুলাভাই কিভাবে মিসাইল নরম করে ফেলেছ।”
তুবা বলল,“চুপ। ওরা সিরিয়াস কথা বলছে, আর আমার ভাইয়া কবে থেকে তোমার দুলাভাই হলো?”
আ্যমেলা উত্তেজিত হয়ে বলল, “এই তোমরা থামো,আই থিঙ্ক তারা মিলছে একটু একটু !”
অনিল গম্ভীর ভঙ্গিতে বলল,“আমি অফিসিয়ালি ঘোষণা করছি, অপারেশন ‘মিসাইল কুলিং’ সফলতার পথে।”
মিরান বলল,
“আজকে বাসায় গিয়ে ওদের একসাথে বসাবো। লাইট অফ, ক্যান্ডেল জ্বালাবো। কি বলো তোমরা? “
তুবা ধমক দিল,“তুমি নাটক কমাও। মিরান ভাই! তোমার ঘটে যে বুদ্ধি কম আর প্রমান দিতে হবে না। আজকে কেবল একটু নরমাল কথা বলেছে। যদি আজ এইসব করো, রোজা তোমাকে ওক্কা যাওয়ার টিকিট কাটবে, সাথে আমার ভাইয়া ফ্রি!”
আসলেই তো এত তাড়াহুড়ো করলে বিপদ আরো বাড়বে বৈ কমবে না। তার চেয়ে ভালো ধিরে সুস্থে অনুভূতি জাগ্ৰত করা।
ফিরে আসার সময় গাড়িতে সিট নিয়ে ছোটখাটো যুদ্ধ। কেউই সামনে বসবে না। সবাই পিছনে বসবে একসাথে। তূর্জান ড্রাইভ করবে।
মিরান ইচ্ছে করে বলল,
“রোজা সামনে বস। দুলাভাই ড্রাইভ করবে।”
মুখ ফসকে কি বলে ফেলেছে ভাবতেই চোখ গেলো তূর্জানের দিকে। তূর্জানের চোখ বলে দিচ্ছে মিরানের আয়ু শেষের দিকে। সবাই যেন খেয়ে ফেলা দৃষ্টি ফেলছে। মিরান বিরবির করল, “তোমরা এভাবে তাকাও কেন আমার বউয়ের হকের উপর!”
রোজা বলল,”কি বললে তুমি? “
তুবা বলল, “ কে কি বলল। তুই সামনে বস, তাছাড়া আমাদের জায়গা হচ্ছে না। “
“আমি পেছনে বসবো। আর আসার সময় জায়গা হলো এখন হচ্ছে না কেন?”
তূর্জান দরজা খুলে দাঁড়িয়ে বলল,“সামনে বস, আসার সময় তুবা অনেক কষ্টে এসেছে।”
রোজা তুবার দিকে তাকাল।তুবা মাথা ঝাকিয়ে বলল, “ হ্যাঁ আসার সময় অনেক কষ্টে এসেছি। এখন তুই সামনে না বসলে আমি এত রাতে রিক্সায় বাড়ি ফিরবো। “
“অর্ডার করলি? “
“রিকোয়েস্ট বনু!বসে পড় না!”
রোজা কিছু বলল না। সামনে বসে পড়ল।
পেছনে মিরানসহ সবাই মুখ চেপে হাসছে।
বাড়ি ফিরে সবাই রুমে গিয়ে আগে শাওয়ার নিয়ে নিল। নদীর পাড়ের বাতাসে সবার গায়ে ধুলো জমেছে।
মিরান নিচে নেমে এল, এসে তানিয়া নেওয়াজ
কে বললেন,
“ বড় আম্মু, কড়া এক কাপ কফি দাও তো, তূর্জান ভাইয়ের মাথা ধরেছে।
তানিয়া নেওয়াজ চিন্তিত কন্ঠে বললেন,
“ এইমাত্র বাড়িতে ফিরলি সব, এখন শাওয়ার নেওয়াজ কি দরকার ছিলো, ফ্রেশ হলেই হতো।
দাড়া, এখুনি দিচ্ছি, বলেই তিনি এক কাপ কফি বানিয়ে দিলেন মিরানের হাতে। মিরান ড্রয়িং রুমে আসতেই দেখল, তার ফুফাতো ভাই ঈশান এসেছে বাড়িতে , এখন পড়েছে বিপাকে কোনদিকে যাবে এতদিন পর ঈশানের সাথে দেখা হয়েছে সেদিকে যাবে নাকি তূর্জানের কাছে কফি নিয়ে যাবে। ভাবতেই দেখল রোজা কিচেন থেকে সিড়ি বেয়ে নিজের রুমে যাচ্ছে। রোজা কে দেখেই মিরান ডাকল,
“ বনু একটা কাজ কর তো, কফির কাপ টা তূর্জান ভাইয়ার রুমে দিয়ে আয় তো”
“ হুম দিয়ে আসব, আগে আমি যা আনতে বলেছি তা দাও,
“ দেব, নে আগে দিয়ে আয়, বলেই কফির কাপ রোজার হাতে দিয়ে ঈশান কে ডাকতে ডাকতে ড্রয়িং রুমে পা বাড়াল। রোজা ও কিছু না ভেবে তূর্জানে্য রুমের সামনে গিয়ে দেখল দরজা খোলা রয়েছে। রোজা কিছু না ভেবে রুমে ঢুকে গেল। কিন্তু রুমে কাউকেই দেখতে না পেয়ে কাপটা বেড সাইড টেবিলে রেখে দিল। পিছনে ফিরে তাকাতেই দেখল তূর্জান ওয়াশরুম থেকে মাথা মুছতে মুছতে বের হচ্ছে, পরনে গ্যবাডিন প্যান্ট গায়ে কিছু নেই, দেখেই প্রার্থনা দুহাতে চোখ ঢেকে বলতে শুরু করল,
“ আসতাগফিরুল্লাহ,নাউযুবিল্লাহ, তওবা তওবা তূর্জান ভাই আপনার লজ্জা শরম কিচ্ছু নাই, আপনি খালি গায়ে ভূতের মতো ঘুরে বেরাচ্ছেন।
তূর্জান রোজার কথায় বিস্মিত না হলেও হঠাৎ এত জোরে ভাই ডাকে বেশ বিস্মিত হলো। কিছু বলার আগেই রোজা চোখ ঢেকে রুম থেকে বেরিয়ে গেল।
★★
রাত গড়িয়ে সকাল হলো। দিন গড়িয়ে রাত হলো। সপ্তাহ পার হলো। তূর্জানের বন্ধুরা ফিরে গেছে, আবার আসবে বলেছে। নেওয়াজ পরিবার আজ মেতেছে তূর্জানের ভার্সিটিতে প্রথম দিন এই নিয়ে।
তুবা আর রোজাও রেডি ভার্সিটি যাওয়ার জন্য। নাস্তার টেবিলে বসতেই তাজারুল নেওয়াজ বলল, “ রোজা আম্মু, তুমি আর তুবা আজকে তূর্জানের সাথে ভার্সিটি যাও, তূর্জান তোমাদের নামিয়ে দেবে। “
মিরান তূর্জানের দিকে তাকিয়ে বলল, “ ভাইয়া গোল্ডেন চান্স, তোমার শশুরের থেকে কাকাশশুড় বেশি হেল্প করছে। কিন্তু হঠাৎ তাজারুল নেওয়াজের এমন পরিবর্তন কেন? “
তাজারুল নেওয়াজ হয়তো কিছুটা শুনল। মিরানের দিকে তাকিয়ে ইশারা করল। তার কাছে আসতে। মিরান তো ভয়ছ শেষ, সে আবার টি করল। কাছে ডেকে চটকানি দিবে নাকি। তাও বড় আব্বু যেহেতু বলেছে যেতে হবেই। তাজারুল নেওয়াজ মিরানের মাথা নিচু করে কানে কানে বলল,
“মনে মনে ভাবছো, আমি হঠাৎ তূর্জানের দিকে গেলাম কেন?”
মিরান হতবাক তার গ্ৰানি আবার জাদু আবিষ্কার করেছে না কি? মাথা ঝাকিয়ে বলল, “ হুম!”
তাজারুল নেওয়াজ বললেন, “ তোমার গুনধর ভাই, আমাকে আমার অফিসের স্ট্যাফ বানিয়েছে। তার বউ তাকে ভুলে গেছে সেই অপরাধের জন্য আমাকে দিয়ে দিনরাত এক করে অফিসের কাজ করিয়ে নিচ্ছে।অফিসের স্ট্যাফ কমিয়ে দিয়েছে। সেইদিন বললে তোমার ভাই অফিস যাবে, ওইদিন সত্যিই যাওয়ার কথা ছিলো এবং জয়েন করতে চেয়েছিলো। কিন্তু তোমার ভাই সত্যি টা জানার পর অফিস জয়েন না করে আমাকে দিয়ে তার সব কাজ করিয়ে নিচ্ছে। বলেছে যেদিন তোমার ভাবি তোমার ভাইকে ভালোবাসবে ওইদিনের আগ পর্যন্ত আমাকে সব করতে হবে নয়তো…
“ নয়তো কি বড় আব্বু? “
তাজারুল নেওয়াজ এখন নিজের ছেলের মতো কিভাবে ঠোঁট কাটা হবে। ছেলে হয়েও কি সুন্দর বলল, “ তুমি সব কাজ করে দিবে নয়তো দশবছর তুমি তোমার বউয়ের মুখ পর্যন্ত দেখতে পারবে না। বেচারা বউকে ভালোবাসে, আর ছেলে ছলেবলে কলাকৌশলে তাকে দিয়ে এগ্ৰিমেন্টে সাইন করিয়ে নিয়েছে। এইগুলো না মানলে তাকে জেলে যেতে হবে। বাবারে কি সাংঘাতিক কর্মকান্ড। মিরানকে আর কিছু না বলে আবার তাজারুল নেওয়াজ বলল, “” আম্মু তোমরা তূর্জানের সাথে যাও, আজকে এক জায়গায় যেতে হবে গাড়ি নিয়ে। “
রোজা দোমনা করে বলল, “বড় আব্বু সমস্যা নেই,আমরা চলে যেতে পারবো।”
তূর্জান মোস্তফা নেওয়াজের দিকে তাকাতেই মোস্তফা নেওয়াজ বলল, “ আম্মু যাও ভাইয়ার সাথে, তোমাদেরকে তোমাদের ভাইয়া ভার্সিটিতে নামিয়ে দেবে। “
তূর্জান বিষম খেল। ভাই থেকে হাজবেন্ড হওয়ার চান্স আছে, কিন্তু ভাইয়া থেকে কিভাবে? এমন শোনালো কথাটা যেন রোজার আপন ভাই লাগে তূর্জান। কথাটা ভাবতেই তওবা করল। ছিহ্ তার শশুর না অশুড় এইটা। তবে যাই বলুক ভাই বা ভাইয়া, তূর্জান ছাইয়া হয়েই ছাড়বে।
তূর্জান উঠে গাড়ির দিকে যেতে যেতে বলল, “ পাঁচ মিনিটে দুইজন গাড়িতে থাকবি!একমিনিট ও যেন দেরি না হয়।
মিস রোজা স্টান্ড আপ, এটা পড়ার জায়গা গল্প করার জায়গা না।
ইনশাআল্লাহ চলবে…
লাস্টের কথাটা কে বলতে পারে বলুন তো। হতে পারে….
কমু না বুঝে নেন।
Share On:
TAGS: প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা, ফারজানা রহমান সেতু
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ১১
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা গল্পের লিংক
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ১০
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৯
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৬
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৭
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৪
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৩
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৮
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ২