প্রণয়ে_গুনগুন
পর্ব_৮
মুন্নিআক্তারপ্রিয়া
গুনগুন প্রণয়ের মাথা থেকে হাত সরিয়ে নিল। ব্যস্ততার সুরে বলল,
“আমি তাহলে আসি।”
প্রণয় কিছুটা হতাশ হলো। তবে মন খারাপের রেশ গুনগুন পর্যন্ত পৌঁছাতে দেয়নি। উপরন্তু মিষ্টি করে হেসে বলল,
“ঠিক আছে। গুড নাইট।”
“গুড নাইট।” বলে গুনগুন নিচে নেমে গেল।
বাড়ির ভেতর ঢুকল লুকিয়ে কিছুটা চোরের মতো করে। কারণ শাড়ি হাতে কেউ ওকে দেখে ফেললে সর্বনাশ হয়ে যাবে তখন। নিজের ঘরে ঢুকে দরজা আটকিয়ে প্যাকেট থেকে শাড়িটা বের করল গুনগুন। রেড ওয়াইন রঙের একটা সুন্দর জর্জেট শাড়ি। সিম্পল হলেও খুব সুন্দর! গুনগুনের শাড়িটা পছন্দ হয়েছে। তবে ট্রায়াল দিল না। প্যাকেটে ঢুকিয়ে আলমারিতে রেখে দিল।
কাজের মেয়ে সখিনার ডাক শুনে ড্রয়িংরুমে এলেন পমিলা বেগম। একটু ঘুমাবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু সখিনার ডাকাডাকিতে বিরক্ত হয়ে বাইরে এসে বললেন,
“এখান থেকে ডাকাডাকি না করে রুমে যেতে পারিস না?”
সখিনা বকাঝকার পরোয়া না করে বলল,
“দেখেন ক্যাডা আইছে।”
এতক্ষণ ড্রয়িংরুমে কারো উপস্থিতি খেয়ালই করেননি তিনি। এবার পাশ ফিরে তাকিয়ে প্রণয়কে দেখেই তিনি ভূত দেখার মতো চমকে গেলেন। বিস্ময় কাটিয়ে ওঠার পর আনন্দে তার চোখমুখ ঝলমল করে উঠল। তিনি এগিয়ে গিয়ে প্রণয়ের বাহুতে হাত রেখে বললেন,
“প্রণয় বাবা! তুই! কেমন আছিস?”
প্রণয়ের কিছুটা জড়তা কাজ করছে। এই বাড়িতে সে আসে না। আজ কতদিন, কত মাস পরে এসেছে তার নিজেরও মনে নেই। এতদিন পর আসার পরও তার ভেতর পুরনো সেই সঙ্কোচ ও জড়তা কাজ করছে। তবুও প্রণয় হাসার চেষ্টা করে বলল,
“ভালো আছি, মা। তুমি কেমন আছো?”
“আমিও ভালো আছি। আয় আমার রুমে আয়।”
“না, রুমে যাব না। এখানেই বসি।”
পমিলা বেগম রুমে না যাওয়ার কারণ বুঝতে পেরে বললেন,
“উনি এখন বাসায় নেই তো!”
“না থাকুক। রুমটা তো ওনারই। আমরা এখানেই বসি, মা? বেশিক্ষণ থাকব না।”
তিনি আর জোর না করে বললেন,
“ঠিক আছে।”
এরপর সখিনাকে বললেন কিছু খাবার-দাবার আনতে। প্রণয়ের পাশে বসে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন তিনি। কতদিন পর ছেলেটাকে কাছ থেকে দেখছেন! প্রণয় বলল,
“একটা দরকারে এসেছি।”
পমিলা বেগম ব্যস্ত হয়ে বললেন,
“টাকা লাগবে বাবা? কত লাগবে বল?”
প্রণয় বিষাদমিশ্রিত হাসি দিয়ে বলল,
“টাকা লাগবে না। তোমাকে একটা জিনিস দিতে এসেছি।”
“কী জিনিস?”
প্রণয় প্যাকেট থেকে শাড়ি বের করল। মায়ের হাতে দিয়ে বলল,
“নিজের প্রথম ইনকামে তোমার জন্য একটা শাড়ি কিনেছি। তোমার পছন্দ হবে কিনা জানিনা। কিন্তু অনেক শখ করে কিনেছি।”
পমিলা বেগম অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
“তোর ইনকাম?”
“হুম। আমি, কুলসুম ও মাসুদ মিলে একটা ফুডকোর্ট খুলেছি। এখন আর ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরি না। টিউশনিও করাব এখন থেকে। তুমি যে মাস শেষে আমাকে বিশ হাজার করে টাকা পাঠাতে, সেই টাকা আর আমাকে পাঠিও না।”
“কিন্তু…”
“আর কোনো কিন্তু না। এখন আমি নিজে ইনকাম করা শিখে গিয়েছি।”
পমিলা বেগমের চোখ ভরে গেছে অশ্রুতে। চোখের পলক ফেললেই নোনাজলগুলো গাল বেয়ে পড়বে। তিনি কথা বলতে গিয়েও লক্ষ্য করলেন, কণ্ঠস্বর কাঁপছে। প্রণয় মায়ের হাত ধরে বলল,
“খবরদার! কাঁদবে না।”
পমিলা বেগম হুহু করে কান্না শুরু করে দিলেন। বাচ্চাদের মতো কাঁদছেন তিনি। কাঁদতে কাঁদতেই প্রণয়ের মাথায়, গালে হাত বুলিয়ে বললেন,
“তুই এত পালটে গেলি কীভাবে রে, বাবা?”
প্রণয়ের মাথায় তখন একটাই নাম এলো। ‘গুনগুন’। সাথে ফুটে উঠল ঠোঁটে এক চিলতে হাসি। হেসে বলল,
“গুনগুনের জন্য।”
“গুনগুন! কে গুনগুন?” বিস্মিত কণ্ঠে জানতে চাইলেন তিনি।
“আমার পরিবর্তনের কারণ এই মেয়েটাই।”
“আমার বউমা?”
প্রণয় এবার শব্দ করে হেসে ফেলল। বলল,
“না, মা! বলতে পারো আমার শুভাকাঙ্ক্ষী। শ’ত্রু থেকে কীভাবে যেন এত কাছের হয়ে গেল! ওর কথা শুনলে আমার কাছে নেশার মতো লাগে। ওর জন্য আমার মাঝে এতটা পরিবর্তন এসেছে যে, ও যদি বলে গরু আকাশে ওড়ে, আমি হয়তো তা-ই বিশ্বাস করে নেব।”
পমিলা বেগম চোখের পানি মুছে বললেন,
“এতটা ব্যাকুল এই মেয়ের জন্য? আবার বলছিস আমার বউমা না, তোর শুভাকাঙ্ক্ষী। হিসাব তো ঠিক মিলছে না।”
“সত্যি, মা। তুমি যেমন ভাবছ তেমন কিছুই না। ও হলো আকাশের চাঁদ। ওর সাথে কি আমার যায়? ও কখনোই আমায় ভালোবাসবে না।”
“এটা তো ওর কথা জানলাম। আমি তো জানতে চাচ্ছি, তোর কথা। তুই ভালোবাসিস না?”
“না। আর হয়তো ভালোবাসা উচিতও না।”
“এভাবে কেন বলছিস? আমার ছেলে কোনো অংশে কম নাকি? গুনগুন যদি চাঁদ হয় তাহলে আমার ছেলে সূর্য।”
প্রণয় হেসে বলল,
“না, মা। সূর্য হলে গুনগুন-ই সূর্য। ওর রাগ, জেদ সূর্যের আলোর মতো প্রখর।”
“আমার সাথে একদিন দেখা করিয়ে দিস।”
“দেবো।”
“দেখব কে সেই মেয়ে যে আমার উদাসীন ছেলেটার জীবনে এভাবে দিশার আলো হয়ে এসেছে। মেয়েটার মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করে দিতে হবে তো!”
প্রণয় হাসল। বলল,
“এখন তাহলে যাই, মা।”
“যাই মানে? সখিনা খাবার আনতেছে। খেয়ে তারপর যাবি।”
“না, মা। এই বাড়ির খাবার আমি খাব না। তুমি একদিন সময় করে আমার কাছে এসো। তোমাকে আমার দোকানের খাবার খাওয়াব। কবে ফ্রি থাকবে আমাকে জানিও। তোমাকে এসে নিয়ে যাব আমি।”
পমিলা বেগম প্রণয়ের চোখে-মুখে স্পষ্ট আত্মসম্মানবোধ দেখতে পাচ্ছিলেন। তাই তিনি আর খাওয়ার জন্য জোর করলেন না। ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন,
“খুব শীঘ্রই যাব সেই সূর্যমুখী মেয়েটাকে দেখতে আর তোর দোকানের খাবার খেতে।”
“তোমার অপেক্ষায় থাকব, মা।”
প্রণয় মায়ের থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে গেল। আজ কেমন যেন একটা আত্মতৃপ্তি পেয়েছে মায়ের সাথে কথা বলে। অদ্ভুত একটা শান্তি লাগছে। প্রণয় বের হয়ে যাওয়ার পর পমিলা বেগম শাড়িটা বুকে জড়িয়ে ধরে আবার হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলেন। এবার তিনি দুঃখে কিংবা কষ্টে কাঁদছেন না। আনন্দে ও ছেলের পরিবর্তন দেখে কাঁদছেন। কত রাত তিনি কান্না করে জায়নামাজ ভিজিয়েছেন, শুধু প্রণয়ের একটা গতি হোক এই দোয়া করে। অবশেষে আল্লাহ্ ওনার দোয়া কবুল করেছেন। তিনি মনে মনে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে লাগলেন।
.
.
সকাল ১০টা বাজে। ক্লাস নেই বিধায় কম্বলের ভেতর গুটিসুটি মেরে ঘুমাচ্ছে গুনগুন। সেই সময়ে ফোনের বিদঘুটে রিংটোন বেজে উঠল। ঘুমের সময় সুরেলা শব্দ শুনলেও বিরক্ত, বিদঘুটে ও বি’ষের মতো লাগে। গুনগুনেরও এখন এরকম লাগছে। সে অর্ধখোলা দৃষ্টিতে ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকাতেই বুকটা ধ্বক করে উঠল। ঘুম ছুটে গেল নিমিষেই। শোয়া থেকে উঠে বসল। কতদিন, কত সপ্তাহ্, কত মাস পর এই কাঙ্ক্ষিত নাম্বারটি থেকে কল এলো?
কাঁপা কাঁপা হাতে কল রিসিভ করে হ্যালো বলল গুনগুন। ফোনের ওপাশ থেকে ভরাট হাসি-খুশি পুরুষালি কণ্ঠস্বর ভেসে এলো,
“কেমন আছেন, ম্যাম? আমায় কি চিনতে পেরেছেন?”
গুনগুন কণ্ঠস্বর গম্ভীর করে বলল,
“নাটক কোরো না, মাহবুব। তোমার নাম্বার আমার ফোনে সেইভ করা আছে।”
“ওহ গড! নাম্বার তাহলে ডিলিট করোনি?”
“করা উচিত ছিল?”
“আমি তো এটাই আশা করেছিলাম।”
“তুমি তো কত কিছুই আশা করো।”
“রাইট! আমি তো আশা করেছিলাম, তুমি বোধ হয় বিয়েশাদীও করে ফেলেছ।”
“মাহবুব!”
“ইশ! এভাবে নাম ধরে ডেকো না তো, পাগল হয়ে যাই আমি।”
“তাই? এই কয়েক মাসে কোথায় ছিল তোমার পাগলামি?”
“তুমি তো সব-ই জানো। যাই হোক, নতুন বয়ফ্রেন্ড কি বানিয়েছ?”
“মাহবুব, তোমার কি মনে হয় এসব আজাইরা কাজ করে বেড়াই আমি? আমার আর কোনো কাজ নেই?”
মাহবুব হাসতে হাসতে বলল,
“কাজ আছে নাকি? কী কাজ করো তুমি?”
“মেজাজ খারাপ কোরো না তো!”
“আচ্ছা ঠিক আছে। রাগ কোরো না। আমি এখন সিরিয়াস। বলো কেমন আছো?”
“যেমন রেখে গেছ।”
“কেমন রেখে গেছি হুম? উতলা, উদাসীন?”
“তুমি কি ফাইজলামি করার জন্য কল করেছ?”
“না। একটা গুড নিউজ দেওয়ার জন্য।”
“কী নিউজ?”
“আমার ব্যাংকে জব হয়ে গেছে।”
গুনগুন খুশি হয়ে বলল,
“কংরাচুলেশন। ট্রিট কবে দিচ্ছ?”
“দেখা যেদিন হবে।”
“কবে দেখা হবে?”
“তুমি চাইলে আজ-ই।”
“তুমি ফ্রি কখন?”
“সন্ধ্যায়।”
“ঠিক আছে। সন্ধ্যায় তাহলে পুরনো কফিশপে দেখা হচ্ছে।”
“ঠিক আছে। পরে কল দেবো তাহলে।”
“ওকে।”
কল রাখার পর গুনগুন যেন আকাশে-বাতাসে উড়ছিল! কতদিন পর সে কাছ থেকে মাহবুবকে দেখতে পাবে!
সারা সকাল, দুপুর, বিকেল কাটল গুনগুনের অস্থিরতায়। কখন যে সন্ধ্যা হবে সেই অপেক্ষাই যেন ফুরাচ্ছিল না। পাঁচটার দিকে গোসল সেরে যখন গুনগুন সাজছিল তখন প্রণয়ের কল এলো। গুনগুন কল রিসিভ করে বলল,
“হ্যালো।”
“রেডি হয়েছ?”
গুনগুন কিছুটা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল,
“রেডি হওয়ার কথা জিজ্ঞেস করছেন কেন?”
“সে কী! রাতে না তোমাকে বললাম আজ মা আসবে? তোমার সাথে দেখা করিয়ে দেবো।”
গুনগুনের গতকাল রাতের কথা মনে পড়তেই অনুশোচনা শুরু হয়ে গেল মনের ভেতর। ঘুমের ঘোরে কথা বলেছিল বলে প্রণয়ের কথা দিব্যি বেমালুম ভুলে গিয়েছে। এদিকে মাহবুবের কল পেয়ে আনন্দে, উত্তেজনায় অন্য কিছুও আর মনে ছিল না। কিন্তু সে এখন কী করবে? কণ্ঠস্বর নরম করে বলল,
“সরি! আজ হয়তো আমি দেখা করতে পারব না।”
“কেন?”
“আমি এখন একটু বের হবো। দরকারি কাজ আছে একটা। আপনার কথা আমার একদম মনে ছিল না। আমি সত্যিই ভীষণ দুঃখিত। আপনি আন্টির সাথে আমাকে ফোনে কথা বলিয়ে দিয়েন। আমি আন্টিকেও সরি বলব। খুবই খারাপ লাগছে আমার।”
প্রণয়ের মন খারাপ হচ্ছিল ঠিক, কিন্তু গুনগুনকে এতবার সরি বলতে দেখে এখন ওর আরো বেশি খারাপ লাগছে। প্রণয় বলল,
“তুমি এতবার সরি বোলো না তো। আজ না হোক অন্য একসময় আম্মুর সাথে তোমার দেখা করিয়ে দেবো। কিন্তু একটা রিকোয়েস্ট করব, রাখবে?”
“কী?”
“আমার দেওয়া শাড়িটা পরবে আজ? যেখানেই যাও শুধু রেডি হয়ে একটা ছবি তুলে পাঠাবে।”
“অন্য একদিন পরি শাড়িটা?”
“প্লিজ!”
এমনিতেই প্রণয়কে দেওয়া কথা রাখতে পারেনি গুনগুন। তাই কিছুটা হলেও ওর মন খারাপ হয়ে গেছে। অনুশোচনা হচ্ছে। এখন ওর দেওয়া শাড়িটা পরলে যদি প্রণয় কিছুটা খুশি হয়, তবে তা-ই হোক। গুনগুন সরাসরি ‘হ্যাঁ’ না বলে বলল,
“আচ্ছা দেখি।”
কিন্তু সে রেডি হলো প্রণয়ের দেওয়া শাড়িটা পরেই। বাড়িতে বলেছে রাধিকার বাড়িতে একটা অনুষ্ঠান আছে। বাড়ির নিচে নেমে গেইটের সামনে থেকেই গুনগুন রিকশা নিয়ে নিয়েছে। প্রণয়ের দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় প্রণয়ের সাথে ওর চোখাচোখি হয়ে যায়। খাবার বানানো বাদ দিয়ে যতক্ষণ গুনগুনকে দেখা গিয়েছে, প্রণয় হা করে তাকিয়ে ছিল। মাসুদ এবং কুলসুমও দেখেছে গুনগুনকে। কিন্তু এখন ওরা দেখছে প্রণয়কে। কুলসুম ঠোঁটটিপে হাসলেও মাসুদ মুখের ওপর বলে বসল,
“শা’লা এরকম হাবাইত্তার মতো চাইয়্যা না থাইক্যা কাম কর। ওয় গেছে গা। আর নাই অহন।”
প্রণয় লজ্জা পেয়ে আর কিছু বলতে পারল না। মাথা নত করে হাসছে সে।
গুনগুন কফিশপের সামনে গিয়ে ভাড়া মিটিয়ে রিকশা থেকে নামল। বুক ঢিপঢিপ করছে। হৃৎস্পন্দন বাড়ছে দ্রুত। সে একটু একটু করে দুই তলায় উঠছিল। সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় মনে হচ্ছিল পড়ে যাবে। মাহবুবকে দেখার অধির আগ্রহ, উত্তেজনায় সবকিছু এলোমেলো লাগছিল। গুনগুনের ফোনে মেসেজের টোন বেজে ওঠে তখন। ফোনটা হাতেই ছিল তখন। স্ক্রিনে ভেসে উঠেছে প্রণয়ের নাম। মেসেজটি প্রণয় পাঠিয়েছে। গুনগুন সিঁড়িতে দাঁড়িয়েই লক খুলে মেসেজটি ওপেন করতে যাবে তখনই পেছন থেকে সেই সুপরিচিত কণ্ঠস্বরটি ভেসে এলো,
“সুইটহার্ট!”
গুনগুন চমকে পেছনে তাকাল। মাহবুবকে দেখে হার্টবিট মিস করল। পুরনো কতশত স্মৃতি মুহূর্তেই ভেসে উঠল চোখের পাতায়। সেই সাথে অদ্ভুত হারে বাড়ছে বুকের চিনচিন ব্যথা। মাহবুবের হাসি হাসি মুখটা বুকের ভেতর অস্থির কম্পনটা আরো বাড়িয়ে তুলছে। মাহবুবের আগমন প্রণয়ের অস্তিত্ব ভুলিয়ে দিয়েছে। প্রণয়ের মেসেজটি আর পড়া হলো না, যেখানে আবেগ মিশিয়ে লেখা ছিল,
“তোমাকে লাল শাড়িতে একদম লাল টুকটুকে একটা মিষ্টি বউয়ের মতো লাগছিল, মাশ-আল্লাহ্!”
চলবে…
Share On:
TAGS: প্রণয়ে গুনগুন, মুন্নি আক্তার প্রিয়া
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রণয়ে গুনগুন পর্ব ২
-
প্রণয়ে গুনগুন পর্ব ৩
-
প্রণয়ে গুনগুন পর্ব ৬
-
প্রণয়ে গুনগুন গল্পের লিংক
-
প্রণয়ে গুনগুন পর্ব ৪
-
প্রণয়ে গুনগুন পর্ব ৫
-
তুমি অজান্তেই বেঁধেছ হৃদয় গল্পের লিংক
-
প্রণয়ে গুনগুন পর্ব ৭
-
প্রণয়ে গুনগুন পর্ব ১