নির্লজ্জ_ভালোবাসা
পর্ব ৪
লেখিকাঃ-#প্রিঁয়ঁসেঁনীঁ
রেস্টুরেন্টে যেনো এক রকম ভীড় জমেছে। সেই ভীড়ের মধ্যে ডাক্তার তুরাকে দেখছেন। তুরার পাশেই শিহাব বসে আছে, যে এখন তুরার হাতের তিলু ঘষছে। শিহাবের মুখে অন্তর চাঞ্চল্য আর চিন্তার ছাপ,তুরার কি হলো, কেনো সে সেন্স হারিয়ে ফেললো, আর ওইভাবে চিৎকার বা কেনো দিলো।
তুরা যখন চিৎকার দিয়ে সেন্স হারিয়ে ফেলেছিলো, সেই চিৎকারে রেস্টুরেন্টের অনেক মানুষ শুনতে পেয়েছে, শিহাবও। শিহাব দৌড়ে ওয়াশরুমে এসে দেখে, তুরা সেন্স হারিয়ে ফেলেছে। শিহাব সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারকে খবর দিয়ে ছিলো। তুরার এক পাশে রৌদ্র দাঁড়িয়ে আছে, যার মুখ লাল টকটকা। কিছুক্ষণ আগে তুরার চিৎকার শুনে ঘুরে দাঁড়িয়ে দেখে তুরা। ওয়াশরুমে তুরাকে দেখে রৌদ্র অবাক হয়ে যায়, তুরা এই সময় এখানে কখন এলো। রৌদ্রর ভাবনার মাজেই শিহাব ওয়াশরুমে ডুকে গিয়েছিলো। মুহূর্তেই রৌদ্র বুজে যায়, তার মানে তুরা শিহাবের সাথে রেস্টুরেন্টে এসেছে,রৌদ্রের কেমন জানি জেলাসি ফিল হয়। মনটা যেনো কেনো তুরার পাশে শিহাবকে সহ্য করতে দিচ্ছে । রাগ আর জেলাসি একসাথে তার মনকে দখল করছে।ডাক্তার তুরাকে দেখে শিহাবের উদ্দেশ্য বলল।
“আসলে মেয়েটা মনে হচ্ছে সেন্স হারানোর আগে এমন কিছু দেখেছে যা সে সামলাতে পারিনি, তাই সেন্স সহজে ফিরছে না। আপনি একটা কাজ করুন, বাসায় নিয়ে যান, আর আমি কিছু ঔষুধ লিখে দিচ্ছি, সেইগুলো খাওয়াবেন, যাতে সেই দৃশ্যটা চোখে আর না থাকে।”
ডাক্তার বলার সাথে সাথে তুরা মুখ থেকে বিরবির করে বলতে থাকে।
“ছিহ্ ছিহ্ নোংরা কাজ করছে আমি লজ্জা পাচ্ছি ছিহ্ ছিহ্ লজ্জা করে না ভাইয়া নোংরা কাজ করছে ছিহ্ ছিহ্ খুবই অস্বস্তিকর এটা ঠিক না আমি লজ্জা পাচ্ছি।”
তুরার মুখের কথা শুনে সকলে একে উপরের দিকে তাকালো। শিহাব তো হাবা বনে গেলো, তুরা এসব কি বলছে। রৌদ্র তুরার কথা শুনে হালকা কেঁশে উঠলো। সে বুজতে পারলো, যদি এইভাবে থাকে, তুরা যে কোনো সময় রেস্টুরেন্টে তাকে নোংরা বয় বানিয়ে দিবে। তাই রৌদ্র সব ভেবে কাউকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই এক প্রকার তুরাকে পাঁজা কোলে তুলে নিলো এবং শিহাবের উদ্দেশে বলল,
“আপনি বাড়ি যান, আমি তুরাকে নিয়ে যাচ্ছি।”
শিহাব কিছু বলতে যাবে,তুরা সাথে সাথে চোখ খুলে নিজের অবস্থান বুজার চেষ্টা করলো। আর নিজেকে রৌদ্রের কোলে আবিষ্কার করলো। মুহূর্তে তুরা গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে লাগলো,
“আআআআআ নোংরা! নোংরা! এই নোংরা! আমাকে নামান বলছি! আপনি একটা নোংরা আমি দেখেছি আপনি ওই ওয়া……।
তুরার কথার শেষ অংশ রেস্টুরেন্টের কেউ শুনতে পারলো না, কারণ রৌদ্র একপ্রকার দৌড়ে রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে চলে গেলো, তুরাকে নিয়ে।শিহাব বরফের মতো জমে দাঁড়িয়ে রইলো। যেনো সব কিছুর ঘটনা তার মাথার উপর দিয়ে পার হয়ে গেলো, কিন্তু ভিতরে কেবল শূন্যতা, কোনো শব্দ বা অনুভূতি প্রবেশ করলো না।
তুরা রৌদ্রের শার্টের আঁচড় ধরে ধরে টানছে, কখনো ঘুষি মারছে আর চোখ ফাটিয়ে চিৎকার করে বলছে।
“এই পচা বেডা পুরুষ নোংরা পুরুষ নামান বলছি আমাকে আপনি ধরেছেন কেনো ঘৃনা লাগছে আপনাকে নামান বলছি নাহলে কিন্তু কামড় দিবো।”
রৌদ্র তুরার কোনো কথা শুনলো না। তুরাকে একপ্রকার জোর করে গাড়িতে তুলে ডোর লক করে দিলো। নিজে এসে নিজের সিটে বসে গাড়ি স্টার্ট দিতে বসলো। এমন সময়ে তুরা গাড়ির জানালা দিয়ে রেস্টুরেন্টের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করতে থাকলো।
“সবাই শুনো শুনো! এই লোকটা খুব নোংরা! আমি দেখেছি, এই লোক নোংরা! আর শিহাব, আপনি আমাকে এই নোংরা লোকের সঙ্গে যেতে দিচ্ছেন? আমি বিয়ে করবো না, আপনাকে বলে দিলাম! ওরেএএএএ! আমাকে কেউ এই নোংরররররররররররররররা!”
রৌদ্র তুরার কথা শেষ হওয়ার আগেই গাড়ি স্টার্ট দিয়ে রেস্টুরেন্টের সীমানা অতিক্রম করে ফেললো। তুরা শেষ মুহূর্তে এমন এক চিৎকার দিলো, যেনো মানুষের কানের পর্দা ফাটিয়ে দিতে পারে।
গাড়ির ভিতর তুরা রৌদ্রকে জ্বালিয়ে মারছে, বারবার চোখ বন্ধ করে মন মতো চিৎকার করছে।
“নোংরা নোংরা ভাইয়া একটা নোংরা ছিহ্ ভাইয়া নোংরা আমি দেখে ফেলেছি ভাইয়া একটা নোংরা। ভাইয়া কি বাজে কাজ করছিলো ছিহ।”
রৌদ্র তুরার অবস্থা দেখে বুজলো এখন বাড়িতে নেওয়া যাবে না, নাহলে তুরা বাড়িতেও তাণ্ডব তুলবে। কিছুক্ষণ ভাবলো কিভাবে তুরার মুখ বন্ধ করা যায়। হঠাৎ মনে হলো, তুরা কাঁশফুল খুব পছন্দ করে আগে দেখেছে বাসায় কাঁশফুল দেখার জন্য বায়না করতো। আর এখন তো কাঁশফুলের সিজন। হয়তো কাঁশফুলের কাছে নিয়ে গেলে তার চিৎকার কমানো যাবে।
যেই ভাবা সেই কাজ,রৌদ্র তার পরিকল্পনা মতো গাড়ি নিয়ে এক নদীর দারের কাঁশফুলের কাছে চলে এলো। আর ঠিক যেমন রৌদ্র ধারণা করেছিলো তাই ঠিক মতো কাজ করলো, তুরা গাড়ির জানালা দিয়ে কাঁশফুল দেখতেই তার মুখে খুশির ঝিলিক ফুটে উঠলো, চিৎকার থেমে গেলো, চোখে আনন্দের আগুন জ্বলতে লাগলো। গাড়ি থামতেই তুরা একপ্রকার ঝাঁপ দিয়ে গাড়ি থেকে নেমে কাঁশফুলের দিকে ছুটলো, দুই হাত মুখে দিয়ে চিৎকার করলো,
“ওয়াও! কাঁশফুল!”
রৌদ্র তুরার পাশে এসে দাঁড়িয়ে বললো,
“হুম, পছন্দ হয়েছে তোর?”
তুরা রৌদ্রের দিকে না তাকিয়ে কেবল উত্তর দিলো,
“হ্যাঁ, খুব! আমার কিছুদিন দরেই ইচ্ছে হচ্ছিলো কাঁশফুল দেখতে। শুধু বাবা মানা করায় আসতে পারিনি। ওহে, আমার কাঁশফুল, আমি আসছি, তোমার কাছে খুব মিস করছিলা না আমাকে তাই না আমি আসছিইইইইইই!”
কথাটা বলতেই তুরা দৌড় দিলো, একবারে কাঁশফুলের ভিতরে ডুকে গিয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে নাঁচতে লাগলো। তুরার হুশই নেই যে তার এই আনন্দের কান্ড কারও বুকের ঝড় তুলে দিচ্ছে। আর সেই ব্যক্তিটা আর কেউ নয় সয়ং আব্রাহাম রৌদ্র খান। রৌদ্র তুরার এই হাসি, এই খুশি দেখে যেনো তার বুকের পৃথিবী কেঁপে উঠলো।তুরার প্রতিটি পায়ের তাল,ঠোঁটের কোণে ফুটে থাকা হাসি সবকিছু যেনো রৌদ্রের বুকে সরাসরি তীরের মতো লাগলো, হৃৎপিণ্ডে অদ্ভুত এক স্পন্দন তৈরি করলো। চোখের সামনে তুরার আনন্দ, মৃদু লাজ, আর খুশির ঝিলিক সব মিলিয়ে রৌদ্র যেনো মুহূর্তের মধ্যে বন্দি হয়ে গেলো, আর এই হাসির কোনো প্রতিসাধন সে চাইছিলো না, শুধু চোখে রাখতেই হলো।রৌদ্র তুরার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ কণ্ঠে কেঁপে ওঠা ভাব প্রকাশ করলো,
“আমার কি হচ্ছে? আমি তুরাকে দেখে কেন এমন থেমে যাচ্ছি? কেন আমার তুরাকে এত ভালো লাগছে? ওকে দেখলে আমার বুক কেঁপে ওঠে, স্পন্দন কেঁপে উঠে। কেন ওকে দেখলে আমি দুর্বল হয়ে যাই? কি আছে এই তুরার মধ্যে, যা আমাকে এত দুর্বল করে তুলছে?”
মুহূর্তেই রৌদ্র নিজের মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে চুল টেনে ধরলো, যেনো নিজের মনকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে যাচাই করতে চাইছে, নিজের অনুভূতির গভীরে নামতে চাইছে এই অদ্ভুত দুর্বলতা, এই অচেনা উত্তেজনা, এই এক ধরনের তাড়না যা তার ভিতরে আগে কখনো অনুভব হয়নি,যা এখন তুরাকে দেখার পর থেকে হচ্ছে।
রৌদ্র নিজের ভেতরে নিজের সাথেই লড়ছে, ঠোঁট নড়ছে ধীরে, চোখে কাঁশফুলের আলোছায়া, কিন্তু মনের ভেতর এক প্রচণ্ড অস্থিরতা। সে নিজের মনকে উদ্দেশ্য করে নিচু গলায় বলে উঠলো।
“আমার মন তুই যে তুরাকে চাইছিস, তুরা কি তোকে চাইবে? তুই তো কত মেয়ের সঙ্গে নিজের অস্তিত্ব নষ্ট করেছিস। এবং কি আজ তুই তুরার সামনেও একটা নোংরা লোকে পরিণত হলি? আমি তো ওকে এই কাঁশফুলে নিয়ে এসেছি শুধু এজন্য, যেনো ও আমাকে আর নোংরা না বলে আমার আসল রূপটা যেনো ডেকে থাকে। তাহলে এখন কেনো আবার ওর দিকেই টেনে নিচ্ছিস বল?আমি যদি সত্যি ওর প্রতি আসক্ত হয়ে যাই, তাহলে তো আমি শুধু নিজের ভালোই চাইবো। ওর কি ভালো হবে, না খারাপ হবে, সেটা আমি দেখবো না। প্লিজ, আর তাকাস না ওর দিকে শান্ত হ, এইখানেই থেমে যা। এই চোখ দুটোকে আটকিয়ে দে, বন্ধ করে দে এখানে তুরার দিকে আর তাকাস না, রৌদ্র… না তাকাস।”
এই কথাগুলো বলতে বলতে রৌদ্রের গলা কেঁপে উঠলো, বুকের ভিতরটা ভারী হয়ে উঠলো।যেনো নিজেরই ভিতরে ডুবে যাচ্ছে, নিজের মনকে বুজাতে চায়, কিন্তু মনটা যেনো তুরার হাসির আলোয় প্রতিবার নতুন করে জেগে তুলছে।
রৌদ্র ধীরে ধীরে তুরার দিকে এগোতে লাগলো। প্রতিটি পদক্ষেপে বুকের ভিতর ধুকধুক শব্দটা আরও জোরে বাজছে। কাঁশফুলের কোমল সাদা ঢেউয়ের মাজ দিয়ে এগিয়ে যেতে যেতে সে তুরার পিছনে এসে দাঁড়ালো। তুরা তখন কাঁশফুলে মুগ্ধ কখনো ঝুঁকে ছুঁয়ে দেখছে, কখনো বাতাসে ওড়ানো তুলোর মতো ফুলগুলো ধরার চেষ্টা করছে। হঠাৎ তুরা পিছন ফিরে তাকাতেই রৌদ্রকে এতটা কাছে দেখে সে চমকে উঠলো, এক ধাপ পেছনে সরে গিয়ে কেঁপে ওঠা কণ্ঠে বলল,
“নোংরা আপনি… থুক্কু ভাইয়া, আপনি এইখানে?”
রৌদ্র কোনো উত্তর না দিয়ে ধীরে ধীরে আরও কাছে এগিয়ে এলো। চোখের গভীর দৃষ্টিতে তুরার চোখে চোখ রেখে শান্ত অথচ ভারী গলায় বলল,
“কেনো তুরা আমাকে এইভাবে টানছিস বল? তুরা, আমি যদি একবার তোর টানে চলে আসি তাহলে তুই ঠিক পারবি তো?”
তুরা কিছুই বুঝে উঠতে পারলো না, শুধু অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো। মনে হলো, রৌদ্রের মুখের প্রতিটি শব্দ যেনো কোনো অজানা ভাষায় বলা। তার ভাবনার মাজেই রৌদ্র আরও এক ধাপ কাছে এলো। তাদের নিশ্বাস প্রায় একে অপরের গালে ছুঁয়ে যাচ্ছে। রৌদ্র এবার আরও গভীরভাবে তাকিয়ে বলল,
“কি হলো, চুপ করে আছিস কেনো? বল, কেনো আমার বুকের ঝড় তুলে দিচ্ছিস? কেনো আমাকে এতটা দুর্বল করে দিচ্ছিস?”
তুরা হঠাৎ থমকে গেলো। এক মুহূর্তের জন্য তার চোখে ভয় আর বিস্ময় একসাথে ভেসে উঠলো। তারপর ধীরে ধীরে এক ধাপ পিছিয়ে গিয়ে অবাক কণ্ঠে বলল,
“ভাইয়া, আপনি এসব কি আবুল তাবুল কথা বলছেন? আমার ভয় লাগছে আপনাকে। এই কাঁশফুলে আপনাকে আবার কোনো পেত্নি টুতনি ধরলো না তো?”
বলেই তুরা ফিক করে হেসে উঠলো একটা শিশুসুলভ, দুষ্টু হাসি। যেনো রৌদ্রের গভীর কথাগুলো তার কাছে কেবলই এক মজার কৌতুক, কিন্তু সেই হাসিটাই আবার রৌদ্রের বুকে নতুন এক ঝড় তুললো।রৌদ্রে ধীরে ধীরে তুরার দিকে এগোতে লাগলো। তুরা রৌদ্রের ভেতরের সেই দৃষ্টি দেখে এক ধাপ, তারপর আরেক ধাপ পিছাতে লাগলো। কিন্তু রৌদ্র থামলো না সে যেনো নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে। তার কণ্ঠটা ভারী হয়ে উঠলো, নিঃশ্বাস গরম হয়ে উঠলো চারপাশের বাতাসের মতো। ধীরে ধীরে তুরার দিকে এগোতে এগোতে সে বলল,
“আমার ভিতরে কোনো পেত্নি ভর করেনি,করেছিস তুই। তোর মতো পেত্নি আমার উপরে ভর করেছে, যা আমাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।আর যদি তুই ভাবিস, আমার ভিতরে কোনো পেত্নি প্রবেশ করেছে তাহলে তুই কান খাড়া করে শুনে রাখ ওই পেত্নিটা আর কেউ না তুইইই।”
কথা শেষ করার মুহূর্তেই তুরা পিছাতে পিছাতে রাস্তার সীমা অতিক্রম করে নদীর কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে, কখন সে টেরই পাইনি। বাতাসে কাঁশফুল উড়ছে, তুরার পায়ের নিচে নরম ঘাস সরে যাচ্ছে। রৌদ্রের শেষ কথাটা যেনো বজ্রপাতের মতো এসে পড়লো তার কানেওই পেত্নিটা আর কেউ না, তুইইই! তুরা থমকে গেলো,এক পা পিছিয়ে যেতেই ভারসাম্য হারিয়ে দুলে উঠলো নদীর দিকে। নিজের শরীর টেনে ধরে বাঁচার চেষ্টা করছে, কিন্তু পায়ের নিচের মাটি যেনো ফসকে যাচ্ছে। ঠিক তখনই রৌদ্র এক লাফে এগিয়ে এসে তুরার হাত শক্ত করে চেপে ধরলো।
রৌদ্র হাত ছেড়ে দিলেই তুরা পড়ে যাবে নদীতে এমন একটা পরিস্থিতিতে এসে পড়েছে তুরা। তুরা রৌদ্রের দিকে তাকিয়ে রইলো, যার চোখে এখন অদ্ভুত এক গভীর দৃষ্টি। সে বুঝতে পারছে না রৌদ্র আসলে কি বলছে সব কিছু যেনো মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু মনের ভিতর দিয়ে একটুও ডুকছে না। তুরা কিছু বলার আগেই রৌদ্র নিচু স্বরে বলল,
“তুই অপরাধ করেছিস তুরা, তুই আমাকে জ্বালাস, তোকে দেখলেই আমি দুর্বল হয়ে যাই। এখন আমাকে জ্বালানোর শাস্তি পা ।”
কথাটা বলেই রৌদ্র হঠাৎ তুরার হাত ছেড়ে দিলো আর তুরা সাথে সাথে….!
(বাকিটুক না হয় কালকেই দিবো 😁😁)
চলবে…..
~~~
আসসালামু আলাইকুম প্রিয়পাঠকঘন আশা করি সকলে ভালো আছেন।আমার লেখায় হয়তো মাজে মাজে বানান ভুল হতে পারে তাই ভুল হলে আমাকে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন..!
Share On:
TAGS: নির্লজ্জ ভালোবাসা, প্রিঁয়ঁসেঁনীঁ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ২৮
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ২৪
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৩১
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৯
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ১৩
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ২৫
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৩০
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৩৩
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৫
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৬