নির্লজ্জ_ভালোবাসা
লেখিকা সুমিচোধুরী
পর্ব ৩২ (শেষ অংশ)
❌কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ❌
আয়ান আনোয়ার খান, আরিফুল খান, আর আশিক খানের সাথে ড্রয়িংরুমে বসে গল্প করছিলেন। ঠিক সেই সময়, তিথি সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামল। তিথি নিচে নামতেই আয়ান তার দিকে তাকাল। তিথি আয়ানকে তাকাতে দেখে মুখ ভেংচি দিল।
তিথি সোজা ডাইনিং টেবিলের কাছে এলো। সে গ্লাসে পানি নিয়ে খেতে শুরু করল। তিথি যখন মনোযোগ দিয়ে পানি খাচ্ছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে আয়ান আনোয়ার খান, আরিফুল খান ও আশিক খানের উদ্দেশে বলল।
“আমি আজকে একটা জায়গায় যাবো, আসতে আমার লেট হবে।”
আরফুল খান কৌতূহল নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন।
“কোথায় যাবি?”
আয়ান স্বাভাবিকভাবে উত্তর দিল।
“একটু চট্টগ্রাম যেতে হবে, কাজ আছে। রাত হবে হয়তো ফিরতে।”
আয়ানের কথাগুলো তিথি খুব মনোযোগ সহকারে শুনল। আয়ানের কণ্ঠস্বর শুনে মনে হলো, এই ভ্রমণটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
কথাগুলো শোনা মাত্রই তিথির মনে মনে ভাবনা শুরু হলো ‘এত দূরে যাবে? নিশ্চই বাইক দিয়ে যাবে না, গাড়ি দিয়ে যাবে।’কথাটা মনে আসতেই তিথির মুখে এক বাঁকা হাসি ফুটল। সে দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে রুমে এলো। দেরি না করে ড্রয়ার খুলে একটি চুইংগাম বের করে মুখে দিয়ে চিবুতে লাগল।
চুইংগাম চিবুতে চিবুতে তিথি এক গাল হেসে ফিসফিস করে বলল।
“আমাকে থাপ্পড় মেরেছিলে না, চান্দ? এখন দেখো তোমার কী হাল করি! এই চিনছিলে তুমি আমাকে? কিন্তু এখন আরও ভালো করে চিনবা।”
তিথির চোখে মুখে তখন এক দুষ্টুমি ভরা, প্রতিশোধের উল্লাস। আয়ান যে বিপদে পড়তে চলেছে, সেই চিন্তাতেই তিথি মজা পাচ্ছে।
তিথি চুইংগাম চিবুতে চিবুতে বাড়ির বাইরে এলো। সে চারপাশ চোখ বুলিয়ে দেখল আশেপাশে কেউ আছে কিনা। কাউকে দেখতে না পেয়ে তিথির মুখে এক বিলাস হাসি ফুটল।
তিথি আয়ান যেই গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করে, সেই গাড়ির কাছে এসে আলতো করে পেছনের দরজাটা খুলল। চুইংগাম চিবুতে চিবুতে সে ফিসফিস করে বলল।
“তোকে আজকে এমন একটা শিক্ষা দিবো, তুই শা’লা তোর জীবনের সাথে আমার নামটাও জড়িয়ে রাখবি!”
কথাটা বলেই তিথি হু হু করে হেসে উঠল। চুইংগাম মুখ থেকে বের করে সিটে লাগাতে যাবে, ঠিক তখনই তিথির চোখ গেল গাড়ির কাঁচের আয়নার দিকে!
সর্বনাশ! আয়ান আসছে। একদম তিথির পিছনেই আয়ান ফোন চাপতে চাপতে আসছে তার দৃষ্টি সম্পূর্ণভাবে ফোনে স্থির। তিথি আয়ানকে দেখে বড় বড় ঢোক গিলতে লাগল। আজ যে তার জীবন শেষ! তাকে মেরে না আলতু-ভর্তা বানিয়ে দেয় এই আয়ান!
কথাটা ভাবতেই তিথি তাড়াতাড়ি চুইংগাম ছুড়ে মারল এবং আয়ানের হাত থেকে বাঁচার জন্য লুকানোর জায়গা খুঁজতে লাগল। কিন্তু আয়ান খুব কাছে এসে পড়েছে। এখন লুকাতে গেলেও দেখে ফেলবে, আর দেখলেই ঠাস ঠাস করে দুটো লাগিয়ে দেবে।
কথাটা ভাবতেই তিথির কলিজা কেঁপে উঠল।
কোনো উপায় না পেয়ে তিথি দ্রুত পেছনের দরজা খুলে গাড়িতে উঠে পড়ল এবং সিটের নিচে কাঁচুমাচু হয়ে শুয়ে পড়ল, যাতে আয়ান কোনোভাবেই তাকে দেখতে না পায়।
আয়ান ততক্ষণে গাড়ির কাছে এসে ফোন পকেটে রেখে সামনের সিটের দরজা খুলে গাড়িতে উঠল। সে সিট বেল্ট লাগিয়ে গাড়ি স্টার্ট দিল এবং গাড়ি ঘোরাতে ঘোরাতে বাড়ির গেট দিয়ে বেরিয়ে গেল।
চৌধুরী বাড়ি,,,
আরশি এখনো সংজ্ঞাহীন অবস্থায় বিছানায় শুয়ে আছে। তার পাশেই মিনহা চৌধুরী চিন্তিত মুখে বসে আছেন এবং আরশির হাত-পা বারবার মালিশ করছেন। আর আরশির ঠিক ডানপাশে দুই হাত গালে দিয়ে হতাশ ভঙ্গিতে বসে আছে শিহাব। আরশির হাত মালিশ করতে করতে মিনহা চৌধুরী শিহাবের দিকে তাকিয়ে বললেন।
“কী হয়েছে বউমার? হঠাৎ এমন অজ্ঞান হলো কী করে?”
শিহাব দুই হাত গালে দিয়ে আরশির দিকে তাকিয়ে ছিল। তার মন তখন গভীর চিন্তায় মগ্ন। সে নিজের অজান্তেই অস্ফুটে বলল।
“তার ভবিষ্যৎ দেখে!”
মিনহা চৌধুরী কপাল কুঁচকে তাকালেন।
“মানে?”
শিহাবের এবার হুঁশ আসলো কী বলতে কী বলে ফেলেছে! মুহূর্তে শিহাব থমকে গেল এবং কথা ঘুরানোর জন্য তোতলানো গলায় মিথ্যা বলল।
“মানে? মানে কী? কিছু না। সেটা তো আমিও জানি না। মেয়েটা হঠাৎ অজ্ঞান হলো কী করে?”
শিহাবের কাঁচুমাচু কথা শুনে মিনহা চৌধুরীর মুখে এক চিলতে হাসি ফুটল। শিহাব মায়ের মুখে এমন হাসি দেখে কিছুই বুঝল না। সে হাবা হয়ে প্রশ্ন করল।
“কী হয়েছে মা? তুমি এইভাবে হাসছো কেন?”
মিনহা চৌধুরী খুশি মনে বললেন।
“দাদি হতে যাচ্ছি মনে হয়?”
কথাটা বলার সাথে সাথে শিহাব ডুক করে কেশে উঠল! এমন মারাত্মক কাশি উঠল যে থামার নাম নেই সে হু হু করে কাশতেই থাকল, যেন তার ফুসফুস বেরিয়ে আসবে! মিনহা চৌধুরী ছেলের এমন কাশি দেখে তাড়াতাড়ি এক গ্লাস পানি এনে দিলেন, তারপর শিহাবের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলেন।
শিহাব পানি খেয়ে কোনোমতে শান্ত হয়ে বড় বড় শ্বাস নিতে নিতে বিড়বিড় করে বলল।
“আরশি প্রেগনেট! ধরলাম না, স্পর্শ করলাম না, কিছু করলাম না তার আগেই এমন কথা কানে যেতে হচ্ছে! ও আল্লাহ! উপর থেকে দড়ি ফেলো, আমি উঠে পড়ি!”
শিহাবকে এইভাবে বিড়বিড় করে কিছু বলতে দেখে মিনহা চৌধুরী বললেন।
“কিরে, কিছু বলছিস মনে হয়?”
শিহাব মিথ্যা হাসি ফুটিয়ে বলল।
“কই মা, কিছু না তো?”
মিনহা চৌধুরী আরও বেশি খুশি হয়ে উঠলেন। তার চোখমুখ ঝলমল করছে। তিনি আনন্দিত কণ্ঠে বললেন।
“বলছিলাম কী, ডাক্তার ডাক না! আমার কেমন জানি লাগছে! আমি মনে হয় সত্যি সত্যি দাদি হতে যাচ্ছি!”
মিনহা চৌধুরীর কথা শুনে শিহাব কিছু বলতে যাবে, ঠিক তার আগেই মিনহা চৌধুরী হাত তুলে তাকে থামিয়ে দিলেন।
“দাঁড়া, তোর বাবা ঘুমিয়েছে। সুখবরটা দিয়ে আসি। তুই বউমার দিকে খেয়াল রাখিস।”
কথাটা বলেই মিনহা চৌধুরী শিহাবকে একদম কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে দ্রুত রুম থেকে বেরিয়ে গেলেন! তার আনন্দের তোড়ে শিহাব যেন ভেসে গেল।
শিহাব দুই হাত মাথায় দিয়ে বসে পড়ল। সে প্রায় মাটিতে মিশে যাচ্ছে! এখন সে কীভাবে বোঝাবে? তার মাথায় কেবল একটাই চিন্তা ঘুরছে এই লজ্জাজনক সত্যিটা মাকে সে কীভাবে বলবে! আরশি প্রেগনেটের জন্য অজ্ঞান হয়নি,বরং প্রেগনেট হওয়ার যন্ত্র দেখে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে! এই ভয়ানক সত্যিটা কি আজও বলা সম্ভব?
পরবর্তী পার্ট পেতে লেখিকার https://www.facebook.com/profile.php?id=61581114900558 ফলো দিয়ে রাখেন
সুইজারল্যান্ড,,,
রৌদ্র তুরার দুই চোখে একটি নরম, উষ্ণ স্কার্ফ দিয়ে বেঁধে দিয়েছে। তুরাকে একটা বিলাসবহুল গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছে সে।
গাড়ির নরম সিটে হেলান দিয়ে তুরা কিছুই বুঝতে পারছে না রৌদ্র তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। গাড়ির প্রতিটি বাঁকে, প্রকৃতির প্রতিটি নড়াচড়ায় তুরা কেবল অদম্য কৌতূহল আর অজানা আশার ঢেউ অনুভব করছে। কিন্তু রৌদ্রের প্রত্যেকটি নির্দেশ মেনে, তুরা এক গভীর বিশ্বাস নিয়ে চুপচাপ গাড়িতে বসে আছে। বাইরে ঠাণ্ডা থাকলেও, রৌদ্রের উপস্থিতি এবং তার হাতের উষ্ণতা তুরার ভেতরে এক স্নিগ্ধ শান্তি এনে দিয়েছে।
বেশ কিছুক্ষণ পর, বরফের উপর চাকার ঘর্ষণ তুলে রৌদ্র গাড়ি থামাল।
গাড়ি থেকে নেমেই কোনো কথা না বলে, রৌদ্র তুরার দিকের দরজা খুলল। তুরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই, রৌদ্র তাকে এক ঝটকায় কোলে তুলে নিল।
তুরা অবাক হয়ে রৌদ্রের গলা শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। তার চোখ বাঁধা, ফলে পরিস্থিতি আরও বিভ্রান্তিকর। তুরা ফিসফিস করে বলল।
“কী! কী করছেন? কোলে কেন নিলেন?”
রৌদ্র দুষ্টুমি করে, তুরার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল।
“বাসর করতে!”
রৌদ্রের কথায় তুরা যেন মুহূর্তেই জ্বলে উঠল। সে তার নরম মুঠি দিয়ে রৌদ্রের কাঁধে হালকা আঘাত করল।
“মানে? কী বলছেন এসব? দেখেন, এরকম কিছু ধান্দা করলে মেরে দেব আপনাকে! দূরে থাকবেন আমার থেকে। আমি এখনো রোমান্সের জন্য প্রস্তুত নই।”
তুরার রাগ দেখে রৌদ্র মুখ টিপে হাসল। সে আর কিছু না বলে তুরাকে নিয়ে বরফের পথ ধরে হেঁটে যেতে লাগল।তুরা রীতিমতো কাঁপছে ভয়ে। সত্যি সত্যি রৌদ্র তাকে নিয়ে ‘ওইসব’ করবে নাকি, সেই ভয়ই তাকে গ্রাস করছে। তুরা জানে, আজ তারা পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। এখন যা হবে, সবই শরিয়তে ফরজ। আজকের রাতটাও তাদের জন্য এক পবিত্র রাত, কিন্তু তুরা এখুনি ওইসবের জন্য প্রস্তুত না।
তুরার শরীর ভয়ে কাঁপছে দেখে রৌদ্র তার অবস্থা বুঝল। রৌদ্র দুষ্টুমি করে বলল।
“আরে বউ, কিছু করার আগেই যেইভাবে কাঁপছিস, কিছু করলে তো মনে হয় তোকে পাওয়াই যাবে না!”
তুরা রৌদ্রের বুকে মুখ লুকিয়ে বলল।
“দেখেন, বাজে কথা বলবেন না। ভালো হবে না কিন্তু!”
রৌদ্রের হাসি যেন আরও বেড়ে গেল। সে বলল।
“তাই? কী করবি?”
তুরা এবার রাগে ভয়ে মিশে গিয়ে বলল।
“মেরে ফেলব!”
রৌদ্র হো হো করে হেসে উঠল। সেই হাসিতে কোনো ভয় ছিল না, ছিল শুধু গভীর প্রেম আর অধিকারবোধের উল্লাস। রৌদ্র হাসি থামিয়ে তুরার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে নেশালো কণ্ঠে বলল।
“তাই? পারবি মারতে আমায়? আর আমি যদি এখন কিছু করি, কে আটকাবে আমায়? তুই ?কিন্তু তোর তো আটকানোর আর অধিকার নেই। তোর শরীর এবং কী, তুই মানুষটাই আমার হয়ে গিয়েছিস। এখন তোর শরীরের প্রত্যেকটা অংশে ছোঁয়ার অধিকার শুধু মাএ আমারি।”
রৌদ্রের এমন কথায় তুরা কেঁপে উঠল। বুকের হার্টবিট যেন ধুকপুক করতে লাগল সে ভয়ে নয়, বরং তীব্র অনুভূতির তোড়ে কাঁপছে। তুরা কোনো কথা বলল না, শুধু আরও শক্ত করে মুখ লুকিয়ে রইল রৌদ্রের বুকে।
রৌদ্র আর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করল না। সে তুরাকে নিয়ে তার গন্তব্যে এসে পৌঁছাল। রৌদ্র আলতো করে তুরাকে কোল থেকে মাটিতে নামিয়ে দিল। তুরার চোখ বাঁধা থাকলেও জায়গাটা বেশ ঠান্ডা এক শীতল, তাজা বাতাস তার ত্বক ছুঁয়ে যাচ্ছে। তুরা বোঝার চেষ্টা করছে, কিন্তু চোখ বাঁধা থাকায় কিছুই বুঝতে পারছে না।
রৌদ্র আলতো হাতে তুরার চোখ থেকে কাপড়ের স্কার্ফটি সরিয়ে নিল। তুরা তখনো চোখ বন্ধ করে স্থির দাঁড়িয়ে আছে। রৌদ্রের এই পাগলামি, তার শরীরের উষ্ণতা সবকিছু মিলে সে যেন সম্মোহিত হয়ে আছে। রৌদ্র তুরাকে এখনো চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তার একদম কাছে এসে দাঁড়াল। রৌদ্রের উষ্ণ নিঃশ্বাস তুরার মুখে এসে পড়ছে।
রৌদ্র এবার তুরার কানের কাছে মুখ নিয়ে গভীর,মাতোয়ারা কণ্ঠে বলল।
“চোখ খোলেন আমার বিবি জান এবং জায়গাটা দেখুন। আপনার এই বন্ধ মাখা চোখ দেখে আমার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাচ্ছে। পরে কিন্তু বাঁধন ভেঙে ভয়ঙ্করভাবে ছুঁয়ে দেবো তখন কিন্তু আপনার এই পাগল স্বামীকে সামলাতে পারবেন না।”
রৌদ্রের কথায় তুরা বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চমকে উঠল। তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত ও ভারী হতে লাগল, তার ঠোঁট কাঁপছে। রৌদ্রের এই তীব্র অধিকারবোধ এবং রোমান্টিক বিপদ তাকে একইসাথে ভয় ও গভীর উত্তেজনা দিচ্ছে।সব ভয়, সব উত্তেজনা বুকে চেপে তুরা অত্যন্ত ধীরগতিতে চোখ মেলে তাকাল। আর চোখ খোলতেই সে বিস্ময় ও মুগ্ধতায় স্তব্ধ হয়ে গেল!
রানিং….!
কালকে এই অংশটুক লিখতে পারেনি বললাম তো রৌদ্র আর তুরাকে মিলিয়ে দিতে গিয়ে আমার কষ্ট হয়েছিল লেখার মতো শক্তি আমার হঠাৎ হারিয়ে গিয়েছিল তাই তুরা আর রৌদ্রের অংশই দিছি তারপর রাতে এই অংশ লিখে রেখেছিলাম যে সকালেই দিয়ে দিবো তাই দিয়ে দিলাম এখনি।
আর অনেকে জিজ্ঞেস করছে আমার লাইফে কেউ ছিল নাকি,আমি আমার পাঠকদের বন্ধু মনে করি তাই কিছু আমি লুকাতে চাই না! হ্যাঁ আমার লাইফে কেউ ছিল যাকে পচন্ড ভালোবাসতাম কিন্তু এখন নেই বাকিটুকু তোমরাই বুঝে নাও 🙂
Share On:
TAGS: নির্লজ্জ ভালোবাসা, প্রিঁয়ঁসেঁনীঁ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৯
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ১৭
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ২৬
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৩
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ১৯
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৩১
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ২
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ১৪,১৫
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ২৯
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ২৮