Golpo romantic golpo দিশেহারা

দিশেহারা পর্ব ৭৪


দিশেহারা (৭৪)

সানা_শেখ

সোহা কিছু না বলে চোখ বন্ধ করে নিল। অনিমা চৌধুরী কিছুটা এগিয়ে মেয়ের একহাত ধরে বললেন,

“মাফ করে দেনারে, মা। সিয়াম আমার সঙ্গে কথা বলে না, তুইও সেভাবে কথা বলিস না। আমার আর এসব ভালো লাগে না।”

সোহা কিছু বলার জন্য চোখ মেলেছিল আর সেই মুহূর্তেই রুমে ফিরে এলো শ্রবণ। শ্রবণকে দেখে অনিমা চৌধুরী সোহার হাত ছেড়ে দিয়ে সরে এলেন কিছুটা। শ্রবণ সোহার কাছে এগিয়ে এসে বলল,

“ঘুমাসনি কেন এখনো?”

“ঘুমাবো, বাবু মাত্রই ঘুমিয়েছে। তুমিও ঘুমিয়ে পড়ো।”

“হুম।”

শ্রবণ সোহার উপর দিয়েই ঝুঁকে ছেলেকে আদর করল। অনিমা চৌধুরী উল্টো ফিরে শুয়ে পড়লেন। তিনি রাতটুকু মেয়ের সঙ্গেই থাকেন। শানের জন্য রাতে বেশ কয়েকবার শোয়া থেকে উঠতে হয়। বারবার শোয়া থেকে উঠতে সোহার কষ্ট হয়। শ্রবণ চাইলেও রাতে জেগে থাকতে পারে না এখন। সাইকিয়াট্রিস্ট পই পই করে বলে দিয়েছেন শ্রবণের রাত জাগা যাবে না, তার পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম প্রয়োজন। অন্তত পনেরোদিন ঠিক মতো ঘুমোতে হবে, রাত জাগা যাবে না। সোহা শ্রবণের দুই হাত ধরে অনুরোধ করে বলেছে সাইকিয়াট্রিস্ট যেই নিয়ম অনুযায়ী চলতে বলেছে সেই নিয়ম অনুযায়ীই যেন চলে শ্রবণ। সোহার এমন অনুরোধ ফেলতে পারেনি শ্রবণ, তাই রাতে তাকে ঘুমের ঔষুধ খেয়ে ঘুমোতে হয়। ঘুমের ঔষুধ খেয়ে ঘুমোলে একেবারে সকালে ঘুম থেকে ওঠে। রুমে ক্যামেরা লাগিয়ে রেখেছে, অনিমা চৌধুরী তার অগচরে তার স্ত্রী সন্তানের কোনো ক্ষতি করার চেষ্টা করলে তার খবর আছে। জান নিয়ে আর এই বাড়ি থেকে বের হতে পারবে না।

অনিমা চৌধুরীর দিকে একবার তাকিয়ে সোহাকেও আদর করল। সোহা চোখ বড়ো বড়ো করল শ্রবণের এমন কাণ্ডে। আওয়াজ বিহীন ঠোঁট নাড়িয়ে বলল,

“আম্মু আছে তো।”

শ্রবণ ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে সোহার ওষ্ঠ জোড়ায় আলতো চুমু খেয়ে দোলনার দিকে এগোল। দোলনায় উঠে স্লিপ মাস্ক পরে শুয়ে পড়ল বুকের উপর বালিশ চেপে। কবে যে আবার আগের মতো বউটাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমোতে পারবে?
সোহা বিছানা থেকে শ্রবণের দিকে তাকিয়ে রইল।
তাকিয়ে থাকতে থাকতে সোহা নিজেও চোখ বন্ধ করে নিল। হসপিটাল থেকে ফেরার পর একরাত শ্রবণের সঙ্গে ঘুমিয়েছিল। শ্রবণের ঘুমের ভীষণ ডিস্টার্ব হয় তার সঙ্গে ঘুমোলে, সে যতবার ঘুম থেকে উঠত ছেলের কাঁথা-কাপড় চেঞ্জ করার জন্য, শ্রবণ-ও ততবার জেগে উঠত। কয়েকবার তো নিজেই চেঞ্জ করে দিয়েছিল, দিনের বেলায় এখনো দেয়। সোহা শ্রবণের ঘুম আর মানসিক সুস্থতার কথা ভেবে তাকে অন্য রুমে ঘুমোতে বলেছিল কিন্তু শ্রবণ রাজি হয়নি। দোলনাটাকেই বিছানা বানিয়ে সেখানে ঘুমায়। সোহার অসুবিধা আর আরামের কথা ভেবে অনিমা চৌধুরীকে সোহার সঙ্গে ঘুমোতে বলেছে শ্রবণ। রাতে শানের হাগু-মুতু অনিমা চৌধুরী পরিষ্কার করেন, সোহাকে আর কষ্ট করে শোয়া থেকে উঠতে হয় না এখন।

                     *********

শানের বয়স এখন আড়াই মাস। সোহা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছে, চলাফেরা করতে কোনো কষ্ট হয় না। স্বামী-সন্তান নিয়ে তার দিন কাটছে দারুণ আনন্দে!
চৌধুরী বাড়ির সবাই বাড়িতে ফিরে গেছে আরো আগেই। প্রায় সবাই মাঝে মধ্যেই চলে আসে তিনজনকে দেখার জন্য, বিশেষ করে শান। সে-ই এখন সকলের মধ্যমণি, তাকে দেখার জন্যই ঘন ঘন আসে। সিয়াম আর স্পর্শ তো শ্রবণের বাড়িতে এলে আর বাড়ি থেকে যেতেই চায় না। দুই ভাই বড়ো ভাইকে অনেক অনুরোধ করেছে যেন তাদের সঙ্গে গিয়ে এক বাড়িতেই থাকে, কিন্তু জেদি শ্রবণ কোনোভাবেই রাজি নয়। সে একবার যদি মুখ ফুটে দুই ভাইকে বলে পার্মানেন্ট তার বাড়িতে থেকে যেতে তাহলে দুই ভাই থেকে যাবে। শ্রবণ যেহেতু মুখ ফুটে বলে না তাই দুই ভাইও থাকতে পারে না। বাড়িতেও যায় না—তাদেরও থাকতে বলে না।

শ্রবণ ছেলেকে নিয়ে শুয়ে আছে বিছানায়। সোহা গেছে গোসল করতে। গোছল বোধহয় প্রায় শেষ, অনেকক্ষণ ধরেই তো গেছে।
শ্রবণ ছেলেকে পাশে শুইয়ে রেখেছে। ছেলেটা বাবার শরীর ঘেঁষে শুয়ে মুখের দিকে তাকিয়ে বাবার বলা প্রত্যেকটা কথা মনোযোগ সহকারে শুনছে। ছেলেকে এত মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনতে দেখে শ্রবণ হাসল, হেসে ছেলেকে উঁচু করে ধরে চুমু খেলো বেশ কয়েকটা। পেটে মুখ ঘষতেই খ্যাক খ্যাক করে হেসে উঠল বাচ্চাটা। ছেলের হাসি মুখ দেখে শ্রবণ আরো বেশি হাসল। দুই হাতে ছেলেকে উঁচু করে ধরে বলল,

“আমার কলিজা, আমার আব্বু, আমার জান, আমার—

বাকি কথা বলতে পারল না শ্রবণ, তার আগেই তার ছেলে অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে। পেটে চাপ পড়ায় বাবার মুখের উপর বমি করে দিয়েছে, ফল স্বরূপ বমি শ্রবণের মুখে ঢুকে গেছে।
ছেলেকে পাশে শুইয়ে দিয়ে লাফিয়ে শোয়া থেকে উঠে বসে ফ্লোর ভাসিয়ে বমি করে দিলো শ্রবণ। এরা মা-ছেলে মিলে কী পেয়েছে তার সঙ্গে? একজন গায়ে বমি করে—আরেকজন মুখে বমি করে! ছিঃ!
শান চিৎকার করে কান্না শুরু করেছে। শ্রবণ নিজেকে সামলাবে নাকি ছেলেকে সামলাবে বুঝতে পারছে না। সোহা ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে শ্রবণকে বমি করতে দেখে তার কাছে ছুটে এলো আতঙ্কিত হয়ে। কপালে হাত রেখে ভয়ার্ত কন্ঠে বলল,

“কী হয়েছে? এভাবে বমি করছো কেন?”

শ্রবণ কোনো রকমে বিছানার দিকে ইশারা করে দৌড়ে ওয়াশরুমে প্রবেশ করল। ওয়াশরুমে এসে আরো বমি করল। পেট খালি হতেই কুলি করে মুখ ধুয়ে নিল ভালোভাবে।
সোহা ছেলেকে কোলে নিয়ে ঘটনা আন্দাজ করতে পারল কিছুটা। ছেলের ঠোঁটের কোণে বমি লেগে আছে। বেবি ওয়াইপস দিয়ে ছেলের মুখ পরিষ্কার করে ছেলেকে শান্ত করার জন্য ব্রেস্ট ফিডিং করতে দিলো। চোয়াল শক্ত করে তাকিয়ে রইল দরজার দিকে।
শ্রবণ ওয়াশরুম থেকে বের হতেই মেজাজ নিয়ে বলল,

“কী বলে গেছি আর কী করেছো? শিক্ষা হবে না তোমার? বারবার বলে গেলাম ওকে উঁচু করবে না এখন, মাত্র খাইয়েছি। তার পরও উঁচু করেছো কেন? ভালো হয়েছে না এখন? কয়েকবার মুখের উপর বমি করেছে, এর পর কবে যেন খাইয়েই দিবে।”

শ্রবণ টাওয়েল দিয়ে হাত মুছতে মুছতে কাচুমাচু ভঙ্গিতে বলল,

“খেয়াল ছিল না, কথা বলতে বলতে উঁচু করে ফেলেছি। ওকে কেন বমি করতে হবে? তোদের দুজনের যন্ত্রণায় আমি বমি করতে করতেই ম’রে যাব। যখন পেটে ছিল তখন তুই বমি করিয়েছিস, এখন দুনিয়ায় এসে সে নিজেই বমি করায়! আল্লাহ মাবুদ, কী যন্ত্রণা! ভাল্লাগেনা!”

শেষের কথাগুলো উপরের দিকে তাকিয়ে বলল। সোহাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল ফ্লোর পরিষ্কার করার জন্য মেইডকে ডাকতে। এখন সোহার সামনে থাকলে তার ঝাড়ি খেতে হবে কতকগুলো। বউয়ের ঝাড়ি খাওয়ার চেয়ে একটু কষ্ট করে নিচে গিয়ে মেইডকে ডেকে আনাই ভালো।

মেইড এসে রুম পরিষ্কার করে দিয়ে যাওয়ার পর শ্রবণ রুমে এলো। শান ঘুমিয়ে গেছে। সোহা রুমে নেই। ওয়াশরুমের দিকে তাকিয়ে দেখল ভেতরে লাইট জ্বলছে। উসখুস করে ওয়াশরুমের দরজায় এসে দাঁড়াল। সোহা বের হওয়ার জন্য ঘুরতেই শ্রবণকে দেখতে পেল। কপালে কয়েক ভাঁজ ফেলে বলল,

“কী হয়েছে? কিছু বলবে?”

“খিদে পেয়েছে?”

“ওয়াশরুমে বসে খাবে নাকি?”

শ্রবণ চোয়াল শক্ত করল সোহার কথা শুনে। সে ওয়াশরুমে বসে খাবার খাবে? তার এমন রিঅ্যাকশন দেখে সোহা মনে মনে হাসল। ওয়াশরুম থেকে বের হতে হতে বলল,

“ছেলেকে খাওয়াতে হয় আবার ছেলের বাপকেও খাইয়ে দিতে হয়। নিচে যাও, এগুলো শুকিয়ে দিয়ে আসছি।”

শ্রবণ দাঁড়িয়ে রইল আগের মতোই। সোহা ব্যালকনি থেকে ফিরে এসে দেখল সিয়াম দাঁড়িয়ে আছে শ্রবণের সঙ্গে। ভাইয়াকে দেখে হাসি মুখে কাছে এগিয়ে আসতে আসতে বলল,

“কেমন আছো, ভাইয়া?”

“ভালো, তুই কেমন আছিস?”

“আলহামদুলিল্লাহ ভালো। একাই এসেছো?”

“না। আম্মুও এসেছে। ভাইয়া ভার্সিটিতে গেছে, দাদা ভাইও যেন কোথায় গেছে।”

“কোথায় আম্মু?”

“আসছে।”

সোহা শ্রবণের মুখের দিকে তাকাল। শ্রবণের চেহারা গম্ভীর হয়ে রয়েছে। হয়তো অনিমা চৌধুরী এসেছে শুনেই চেহারার এই হাল করেছে।
সোহা প্রেগন্যান্ট হওয়ার পর অনিমা চৌধুরী যত যাই বলুক না কেন—শান হওয়ার পর তাকে ভীষণভাবে ভালোবেসে ফেলেছেন। নাতিকে না দেখলে, কোলে না নিলে তার ভালো লাগে না। কেমন অস্থির হয়ে ওঠেন, ছটফট লাগে। শ্রবণের প্রতিও মায়া জন্মেছে এখন।

অনিমা চৌধুরী রুমের সামনে এসে দাঁড়াতেই সোহা এগিয়ে এসে মাকে জড়িয়ে ধরল। ভালোমন্দের খোঁজ খবর নেওয়ার পর রুমের ভেতরে প্রবেশ করলেন অনিমা চৌধুরী। শ্রবণের দিকে তাকিয়ে বললেন,

“কেমন আছো, শ্রবণ?”

শ্রবণ গাম্ভীর্য ভাব বজায় রেখে বলল,

“আলহামদুলিল্লাহ।”

আর কিছু না বলে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল শ্রবণ। অনিমা চৌধুরী নাতির পাশে দাঁড়িয়ে বললেন,

“নানা ভাই কখন ঘুমিয়েছে?”

“অকাজ করে কিছুক্ষণ আগেই ঘুমিয়েছে।”

“কী অকাজ করেছে, আমার মামা?”

সোহা ভাইয়ার দিকে তাকিয়ে বলল,

“আজকেও তিনি বাবার মুখের উপর বমি করে দিয়েছিল।”

সিয়াম তড়িৎ গতিতে বড়ো ভাইয়ের মুখের দিকে তাকাল। তার চোখমুখ দেখে ফিক করে হেসে উঠল মুহূর্তেই। সোহা আর অনিমা চৌধুরীও ঠোঁট চেপে হাসলেন। শ্রবণ বমি যে কতটা ঘৃণা করে সেটা বাড়ির সবাই খুব ভালো করেই জানে।

                      **********

জুমআর নামাজ আদায় করে ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফিরল শ্রবণ। শানের বয়স এখন দুই বছর। ভীষণ চঞ্চল আর দুষ্টু প্রকৃতির ছেলে। মেজাজ হয়েছে বাবার মতো। ভীষণ রাগ, একবার রেগে গেলে সহজে শান্ত করা যায় না। সে যা করতে চাইবে সেটা করতে দিতে হবে নয়তো চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে শ্বাস নিতেই পারে না। রাগ উঠলেই চেহারা লাল হয়ে ওঠে, আর চুলগুলো সজারুর কাঁটার মতো খাড়া খাড়া হয়ে যায়।

রুমে প্রবেশ করতেই দেখল সোহা বিছানায় বসে আছে নামাজ আদায় করে। শান মাকে দেখেই ভুবন ভুলানো হাসি দিয়ে ডাকল,

“আম্মা…আম্মাহ!”

সোহা ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল দুজনের দিকে। দেখল শানের হাতে একটা জিলাপী। জিলাপীর রস দিয়ে পাঞ্জাবি আর নিজের হাতমুখের বারোটা বাজিয়ে ফেলেছে। শ্রবণের ডান হাতের দিকে তাকিয়ে দেখল তার হাতেও দুটো জিলাপী রয়েছে। বিস্ময়ে সোহার চোখজোড়া রসগোল্লার মতো হয়ে গেল। বিছানা ছেড়ে দুজনের কাছে এগিয়ে আসতে আসতে বলল,

“জিলাপী কোথায় পেলে? বাড়িতে তো জিলাপী নেই।”

শ্রবণ ছেলের মুখের দিকে তাকাল একবার তারপর বউয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,

“মসজিদ থেকে দিয়েছে।”

সোহার চোয়াল ঝুলে পড়ল শ্রবণের কথা শুনে। বিস্মিত হয়ে বলল,

“মসজিদ থেকে জিলাপী নিয়ে এসেছো?”

“এনেছি কী সাধে? নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হবো তখন একজন শানের দিকে জিলাপী এগিয়ে দিলো। এই ছেলে সঙ্গে সঙ্গে হাত বাড়াল সেটা নেওয়ার জন্য। আমি নিতে দিবো না বলে দরজার দিকে এগোতেই গলা ছেড়ে চিৎকার শুরু। জিলাপী না নিয়ে আসবে না। ওর কান্না দেখে বাধ্য হয়ে নিতে দিলাম। লোকটা আমাকেও দুটো সাধলো কিন্তু আমি রাজি হলাম না। আবার চলে আসার জন্য পা বাড়াতেই গলা ছেড়ে কান্না শুরু। আমাকেও নিতে হবে। বাইরে বেরিয়ে এসে এই ছেলের জন্য আবার ভেতরে ফিরে গিয়ে জিলাপী আনতে হয়েছে আমার। এই দুটো জিলাপী হাতে নিয়ে বাড়িতে আসতে আসতে কী যে লজ্জা লাগছিল তা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।”

শ্রবণের কথা শুনে ফিক করে হেসে উঠল সোহা। মায়ের মুখে হাসি দেখে ছোটো শান নিজেও হাসল। মায়ের মুখের দিকে জিলাপী এগিয়ে দিয়ে বলল,

“আআআ।”

“তুমি খাও, আব্বু।”

শ্রবণ ছেলেকে কোল থেকে নামিয়ে দিলো। হাতের জিলাপী দুটো সোহার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল,

“নে, খা।”

সোহা একটা হাতে নিয়ে বলল,

“ওটা তুমি খাও।”

শ্রবণ একটা জিলাপী হাতে তাকিয়ে রইল মা-ছেলের দিকে। দুজনেই জিলাপী খাচ্ছে। শান অদক্ষ হাতে জিলাপী ধরে খাচ্ছে। দুদিন পর রাস্তায় বেরিয়ে ফকির দেখে না আবার বাবাকে ফকিরের মতো ভিক্ষা করতে বলে! যা বিচ্ছু ছেলে, বিশ্বাস নেই একে দিয়ে।

চলবে……..

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply