Golpo romantic golpo দিশেহারা

দিশেহারা পর্ব ৬০


দিশেহারা (৬০)

সানা_শেখ

“ডাইনির বাচ্চা, তুই আমাকে কিপ্টা বললি? গত এক মাসে তোর পেছনে কোটি টাকার বেশি খরচ করেছি আর তুই আমাকে কিপ্টা বলছিস?”

শ্রবণের রাগ দেখে সোহা চুপসে যায়। বুঝতে পারে ঝোঁকের মাথায় উল্টাপাল্টা বলে ফেলেছে। এই মাথাটারও না আজকাল কী যেন হয়েছে। শ্রবণ যেভাবে তাকিয়ে আছে, তেড়ে এসে না ঠাস করে লাগিয়ে দেয় একটা। না, মা’রবে না মোটেও। সোহা জানে যাই হয়ে যাক শ্রবণ ওকে মা’রবে না এখন। একটু ধমকাধমকি করবে, ও কোনো ব্যাপার না। ভয়কে জয় করে মেকি রাগ দেখিয়ে বলে,

“কোটি টাকা খরচ করে খোটা দিচ্ছ? আমি তোমার কাছে কোটি টাকার জিনিস চেয়েছি? তুমি কোটি টাকা খরচ করে প্লাটিনাম, ডায়মন্ড, গোল্ড এনে দিতে পারো আর দশ/বিশ টাকা খরচ করে শিমের বিচি এনে দিতে পারছো না? কিপ্টা লোক কোথাকার। বাবু, তোমার আব্বু কিপ্টা, এত টাকা থাকতেও আমাদের না খাইয়ে রাখছে।”

সোহার কথা শুনে হতভম্ব শ্রবণ। নিজের কান আর চোখ কোনোটাকেই বিশ্বাস করতে পারছে না। বিস্ময় নিয়ে অবিশ্বাস্য কন্ঠে বলে,

“তোকে আমি না খাইয়ে রেখেছি?”

“হ্যাঁ।”

“এই ডাইনির বাচ্চা, আসার পরেই যে দুই প্লেট ফুচকা আর হাফ প্লেট ঝাল মুড়ি খেলি সেগুলো তোর বাপ এসে কিনে দিয়ে গেছে? হাওয়াই মিঠাই, বাদাম এগুলো কে কিনে দিয়েছে?”

“তাহলে শিমের বিচি এনে দাও।”

শ্রবণ রাগে ফোস ফোস করতে করতে জেদ ধরে বলে,

“পারবো না আমি।”

“যাওওওও।”

“ওই বা/লের বিচি কিনতে যেতে পারবো না আমি।”

“কীসের বা/লের বিচি? ওগুলো শিমের বিচি। খেতে অনেক মজা, এনে দাও না গো চৌধুরী সাহেব।”

শ্রবণ বড়ো বড়ো চোখ বানিয়ে সোহার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।
সোহা বাইরের দিকে তাকিয়ে দ্রুত শ্রবণের দিকে এগিয়ে ওর হাত ধরে ঝাঁকিয়ে বলে,

“ও বাবুর আব্বু, যাও না, লোকটা চলে যাচ্ছে। যাও, যাও না প্লীজ। শিমের বিচি ভাজা খেতে না পারলে বাবু হওয়ার পর বাবুর লোল পড়বে, সেই লোল তোমার শার্টে, গালে আর নাকে লাগিয়ে দেবে।”

শ্রবণ ঘৃণায় নাকমুখ সিটকে দাঁতে দাঁত পিষে বলে,

“তুই আমাকে পাগল বানিয়ে তবেই ক্ষান্ত হবি সেটা কয়েকদিন ধরে খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছি।”

“যাও না, লোকটা চলে যাচ্ছে তো।”

শ্রবণ ওয়ালেট হাতে নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে ডাকতে ডাকতে দৌড় শুরু করে ভ্যানের পেছনে। লোকটা ইতি মধ্যেই অনেকটা দূরে চলে গেছে।
সোহা গাড়ির পেছনে একবার উঁকি দেয়, শ্রবণ এখনো দৌড়াচ্ছে। সিটে শরীর এলিয়ে দিয়ে নিজের উঁচু পেটের ওপর হাত রেখে মুচকি মুচকি হাসতে শুরু করে।

শ্রবণ বিচি কিনে এনে সোহার হাতে ধরিয়ে দিয়ে গাড়িতে উঠে বসে।

“এতগুলো!”

শ্রবণ সোহার মুখের দিকে তাকিয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে বলে,

“জন্মের খাওয়া খা এখন।”

সোহা আর কিছু না বলে একটা তুলে মুখে দেয়। আহ, কী শক্ত, চোয়াল নড়ে উঠেছে।
একটা বিচি ছিলে শ্রবণের দিকে এগিয়ে ধরে বলে,

“খাও, দেখো কত মজা।”

“খাবো না এই বা/লের বিচি। খেতে চেয়েছিস, এখন তুই-ই খা।”

“এগুলো বা/লের বিচি না, এগুলো শিমের বিচি; শিমের বিচি।”

“বকবক না করে চুপ থাক।”

“তাহলে খাও।”

“বলছি তো খাব না।”

“এই একটাই খাও।”

শ্রবণের আর কথা বলতে ইচ্ছে করছে না তাই ঘাড় ঘুরিয়ে হা করে। সোহা ওর মুখে বিচি পুরে দিয়ে নিজে খেতে শুরু করে।
এর পর আরো কয়েকবার শ্রবণের মুখে বিচি ছিলে ছিলে পুরে দিয়েছে সোহা, শ্রবণ খাচ্ছে চুপচাপ, বলছে না কিছু।
সোহা আবার বিচি ছিলছে শ্রবণকে খাওয়ানোর জন্য। শ্রবণ ফট করে ঘাড় ঘুরিয়ে সোহার দিকে তাকায়। কপাল ভ্রু কুঁচকে বলে,

“তুই দাঁত দিয়ে ছিলে ছিলে আমাকে বিচি খাওয়াচ্ছিস?”

সোহা ইনোসেন্ট ফেস বানিয়ে বলে,

“বিচির খোসা অনেক শক্ত, হাত দিয়ে ছিলতে পারছি না।”

“তাই বলে তুই দাঁত দিয়ে ছিলে নিজের লালা সহ আমাকে খাওয়াবি?”

“তো কী হয়েছে? আচ্ছা যাও, আর খাওয়াবো না। নাও, তুমি খোসা সহ খাও।”

“সবগুলো বিচি এখন দাঁত দিয়ে ছিলে ছিলে আমাকে খাওয়াবি।”

“তাহলে আমি কী খাব?”

“না খেয়ে থাক।”

সোহা মুখ গোমড়া করে দাঁতের নিচ থেকে শিমের বিচি বের করে শ্রবণের মুখে পুরে দেয়। ওর কী দোষ? বিচির খোসা অনেক শক্ত, হাত দিয়ে ছাড়াতে পারছে না তাইতো দাঁতের সাহায্য নিতে হচ্ছে।

ফ্ল্যাটে ফিরেই ফ্রেশ হওয়ার জন্য সোহা ওয়াশরুমে ঢুকেছে। শ্রবণ ড্রেস চেঞ্জ করে নিয়েছে। হঠাৎ ফোন বেজে ওঠায় হাতে নিয়ে দেখে মাজেদা আন্টি।

“হ্যালো, শ্রবণ?”

“হ্যাঁ, আন্টি। বলুন।”

“আমি দেশের বাড়িতে যাচ্ছি, ফিরবো কয়েকদিন পর। হুট করেই যেতে হচ্ছে, মা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফ্রিজে মাছ, মাংস, সবজি কিছুই নেই, শুধু কিছু ডিম আছে। দুধওয়ালা সকালে দুধ দিয়ে যাবে। সকালেই বাজার করতাম কিন্তু তার আগেই তো আমাকে চলে আসতে হলো। কোনোভাবে ম্যানেজ করে চলতে পারবে না কয়েকদিন?”

“সমস্যা নেই, আন্টি।”

“আচ্ছা, রাখছি তাহলে, ভালো থেকো।”

“আপনিও ভালো থাকবেন, আন্টি।”

ফোন রাখতেই সোহা ফ্রেশ হয়ে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসে। এসেই শুয়ে পড়ে, ভীষণ ক্লান্ত লাগছে। শ্রবণ হাতের ফোন রেখে ওর দিকে তাকিয়ে ওয়াশরুমে প্রবেশ করে।
ফ্রেশ হয়ে এসে দেখে সোহা চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। হাতমুখ মুছতে মুছতে বিছানার কাছে এগিয়ে এসে দাঁড়ায়।

“সোহা, জেগে আছিস?”

সোহা ঘুম ঘুম চোখের পাতা টেনে তুলে তাকায়। ঘুম জড়ানো ভারী গলায় বলে,

“বলো।”

“ঔষুধ খেয়েছিস?”

সোহা মুখ শুকনো করে মৃদু স্বরে বলে,

“ভুলে গেছি।”

শ্রবণ কিছু না বলে সোহার ঔষুধ আর এক গ্লাস পানি ওর হাতে দেয়। সোহা ঔষুধ খেয়ে শ্রবণের হাতে গ্লাসটা দিয়েই আবার শুয়ে পড়ে। চোখ বন্ধ করতেই আবার তাকায়। শোয়া থেকে উঠে বসতে দেখে শ্রবণ কপালে কয়েক ভাঁজ ফেলে ড্রেসিং টেবিলের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে বলে,

“কী হয়েছে? আবার উঠছিস কেন?”

“তুমি তো রাতে খাওনি, খাবে না?”

“আমি বেড়ে খেয়ে নেব, তুই ঘুমিয়ে পড়।”

সোহা বিছানা ছেড়ে নামতে নামতে বলে,

“ভাত নেই, ভাত রান্না করতে হবে।”

শ্রবণ হাতে মুখে আর গলায় ময়েশ্চারাইজার মাখতে মাখতে ড্রেসিং টেবিলের সামনে থেকে সরে এসে সোহার সামনে দাঁড়ায়। আদেশের সুরে বলে,

“ঘুমোতে বলেছি, তুই ঘুমা।”

“তুমি কী খাবে?”

“খাব না। ঠিক হয়ে শো।”

সোহাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে রুমের মেইন লাইট অফ করে দেয়। এক গ্লাস পানি পান করে বিছানায় উঠে শুয়ে পড়ে সোহাকে নিজের দিকে ফিরিয়ে ওর বুকে মুখ গুঁজে। সোহা মিনমিন করে বলে,

“পুরো রাত পড়ে আছে, তোমার খিদে পাবে।”

“পাবে না। আমার চিন্তা বাদ দিয়ে ঘুমা।”

“শুকনো খাবার আছে, সেগু—

“ঘুমোতে বলেছি।”

সোহা আর কোনো কথা বলে না। শ্রবণের চুলে হাত বুলাতে বুলাতে নিশ্চুপ হয়ে রইল। ওর মনের ভেতর খচখচ করছে, শ্রবণ না খেয়ে ঘুমাবে, ওর মোটেও শান্তি লাগছে না।
সোহার ছটফটানি টের পেয়ে শ্রবণ বলে,

“আমার তেমন খিদে পায়নি, যদি পায় ঘুম থেকে উঠে খেয়ে নেব।”

সোহা কিছু না বলে চুপ করে রইল। শ্রবণ ওর বুক থেকে মুখ তুলে বলে,

“আগামী কয়েকদিন মাজেদা আন্টি আসবেন না। সকালে নাস্তা তৈরি করিস।”

“আচ্ছা।”

শ্রবণ আবার বুকে মুখ গুঁজে নীরব হয়ে যায়।

                        **********

সোহা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা তৈরি করেছে দুজনের জন্য। ডিম সিদ্ধ করেছে, ডিম ভাজি করেছে, আটার রুটি আর ফ্রুটস জুস।

শ্রবণ নাস্তা করার জন্য ডাইনিং টেবিলের কাছে এগিয়ে আসে। সোহা শ্রবণের প্লেটে রুটি আর ডিম ভাজি তুলে দিয়ে নিজের প্লেটে নেয়। চেয়ারে বসতে বসতে বলে,

“মাছ, মাংস, সবজি কিছুই তো নেই ফ্রিজে। দুপুরে কী রান্না করব?”

মুখে থাকা সিদ্ধ ডিম গিলে শ্রবণ বলে,

“আন্টি বলেছিলেন কিছু নেই ফ্রিজে, বাজার করতে হবে।”

“আন্টি যাওয়ার আগে বাজারটা করে দিয়ে গেলেই পারতেন।”

“হুট করে না গেলে করেই দিয়ে যেতেন।”

“এই কয়েকদিন আমরা কী খাব?”

“বাজার করতে হবে। তোকে আমি বাইরের খাবার খাওয়াব না।”

“বাজার কে করবে?”

শ্রবণের মুখের দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে বলে,

“তুমি?”

“অ্যাহ!”

“তাহলে কে করবে?”

“আমি জানিনা।”

শ্রবণ খাওয়া শুরু করে আবার। মাছ, মাংস, সবজি কিনতে নাকি যাবে শ্রবণ চৌধুরী! হাহ, আর মানুষ পেলো না?
সোহা কিছু না বলে নিজেও খাওয়া শুরু করে।
খেতে খেতে শ্রবণ চিন্তায় বিভোর হয়ে আছে। বাজার কে করে দেবে? রেস্টুরেন্ট থেকে কিছু কিনে এনে সোহাকে খাওয়াবে না। রেস্টুরেন্টের খাবারে অনেক ভেজাল থাকে। ওরা খাবারের স্বাদ আর কালার আনার জন্য অস্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার করে। ও নিজে খায় সেটা বড়ো কোনো বিষয় নয়, কিন্তু সোহাকে এখন কিছুতেই খাওয়াবে না। সোহা অসুস্থ হলে বাবুরও অসুস্থ হওয়ার চান্স আছে। আর ওরা দুজন অসুস্থ হলে শ্রবণ পাগল হয়ে যাবে। তাই এমন কিছু কখনোই হতে দেওয়া যাবে না, কিন্তু বাজার কে করবে?
চৌধুরী বাড়িতে কল করে বললে এক ঘণ্টার মধ্যে বাজার এসে হাজির হবে কিন্তু শ্রবণ ওই বাড়ির কাউকে বলবে না।

খাওয়া শেষ করে উঠে দাঁড়িয়ে বলে,

“কী কী লাগবে লিস্ট করে দিস খাওয়া শেষ করে।”

“আচ্ছা।”

শ্রবণ বেডরুমের দিকে এগিয়ে যায়।
সোহা খাওয়া শেষ করে স্টাডিরুমে গিয়ে বাজারের লিস্ট তৈরি করে। লিস্ট নিয়ে রুম থেকে বের হতেই দেখে শ্রবণ রেডি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ড্রয়িং রুমে।

“হয়ে গেছে?”

সোহা লিস্ট এগিয়ে দিয়ে বলে,

“হয়ে গেছে।”

শ্রবণ লিস্ট হাতে নিয়ে চেক না করেই পকেটে ভরে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যায়। সোহা ওর যাওয়ার পথে তাকিয়ে রইল। শ্রবণ নিজেই বাজার করতে যাচ্ছে? নাকি অন্য কাউকে দিয়ে করাবে?

                    ************ 

দুই হাতে দুটো বাজারের ব্যাগ নিয়ে লিফট থেকে বের হয় শ্রবণ। ফ্ল্যাটের সামনে এসে ডান হাতের ব্যাগ নিচে নামিয়ে রেখে দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে।
সোহা ড্রয়িং রুমে বসে শ্রবণের অপেক্ষায় ছিল এতক্ষণ। শ্রবণকে ফিরে আসতে দেখে বসা থেকে উঠে এগিয়ে আসে ওর কাছে। শ্রবণ সোহার মুখের দিকে তাকিয়ে ব্যাগ দুটো দুই হাতে নিয়ে রান্নাঘরের দিকে আগায়। সোহা ওর পেছন পেছন রান্নাঘরে এসে দাঁড়ায়।

“চেক করে দেখ কোনোকিছু লাগবে কি-না।”

সোহা একটা নিচু টুল টেনে বসে ব্যাগ দুটোর কাছে। ব্যাগের ভেতর থেকে সবকিছু বের করে শ্রবণের মুখের দিকে তাকায়।

“আমি এসব আনতে বলেছিলাম?”

“তাহলে?”

“তুমি লিস্ট দেখে আনোনি?”

“লিস্ট পকেট থেকে কখন পড়ে গিয়েছিল বুঝতেই পারিনি। যা যা পেয়েছি, সেসবই নিয়ে এসেছি।”

“বাজার তুমি করেছ?”

“হ্যাঁ।”

“সত্যি?”

“মিথ্যে কেন বলব?”

“তুমি না বললে তুমি বাজার করতে পারবে না?”

“তোকে বিয়ে করে তো কত কিছুই করলাম, যা কোনোদিন করতে হবে দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। আরো কী কী করতে হবে আল্লাহ ভালো জানেন।”

“বিয়ে করতে বলেছিল কে?”

“কী বললি?”

সোহা কথা ঘুরিয়ে বলে,

“কাঁচা মরিচ আর ধনেপাতা কই?”

“এসবও লাগবে?”

“হ্যাঁ।”

“একেবারেই শেষ হয়ে গেছে?”

“অল্প আছে, আজকেরদিন চলবে।”

“আজকেরদিন চালা, আগামীকাল এনে দেব। এখন আর বাজারে যেতে পারবো না। বাজারে গিয়ে চর্কির মতো ঘুরতে ঘুরতে মাথা ঘুরে গেছে, পা ব্যথা করছে। জীবনে যা সব করার কথা দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি তোকে বিয়ে করে সেসব করতে হচ্ছে।”

“মাছ কে’টে আনোনি কেন?”

“মাছ কে’টে বিক্রি করে?”

“জানিনা তো। আন্টি তো সবসময় কা’টা মাছ নিয়ে আসেন।”

“মাছ কা’টতে পারবি না?’

“পারবো।”

“আমি চেঞ্জ করে আসছি।”

শ্রবণ বেরিয়ে যায় রান্নাঘর থেকে। সোহা মাছ, মাংস আর সবজির দিকে তাকিয়ে রইল। লিস্টে শ্রবণের পছন্দের সবকিছুর নাম লিখে দিয়েছিল, আর শ্রবণ ওর পছন্দের সবকিছু নিয়ে এসেছে।

শ্রবণ মাত্রই প্যান্ট চেঞ্জ করেছে। টিশার্ট পরবে তার আগেই কানে ভেসে আসে সোহার চিৎকার আর ঝনঝন শব্দ তুলে কিছু পড়ে যাওয়ার আওয়াজ। আতঙ্কিত হয়ে হাতের টিশার্ট ফেলে দৌড় শুরু করে রান্নাঘরের দিকে। কলিজার পানি শুকিয়ে গেছে।

চলবে……….

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply