Golpo romantic golpo তোমার হাসিতে

তোমার হাসিতে পর্ব ১৯


তোমার_হাসিতে পর্ব ১৯.

ফারহানাকবীরমানাল

১৯.
তানহার বাবা এসেছে। পান খেয়ে ঠোঁট লাল করে ফেলেছে। ঠোঁটে আশেপাশে পানের পিক লেগে আছে। সে টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে ফেলল। কর্কশ গলায় বলল, “ছেলে মানুষের এত হুটোপুটি করতে নেই। হাত পা ভাঙার সম্ভাবনা থাকে।”

বাদশা বলল, “আপনি ভাঙবেন নাকি?”

সে একটু চুপসে গেল। পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিয়ে কঠিন মুখে বলল, “কতকিছু ভাঙব তার হিসেব পাবে না।”

“সে না হয় না-ই বা পেলাম। কিছু প্রশ্নের উত্তর তো পেতে পারি?”

“কী প্রশ্ন?”

“আমাদের তুলে এনেছেন কেন? প্রথমে আমাকে, তারপর সাজ্জাদকে। কী চাইছেন আপনি? আপনি কী চাইছেন পরিষ্কার করে বলুন। নিজের ইচ্ছা বলতে দ্বিধা করলে আপনি কাপুরুষের তালিকায় চলে যাবেন।”

তানহার বাবা জবাব দিলো না। রইস উদ্দিনকে ডাকতে ডাকতে রান্নাঘরের ভেতরে চলে গেল। বাদশা তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তার যাওয়া দেখল। পরক্ষণেই আমার দিকে ফিরে বলল, “তোর ছোট চাচা কোথায় চাকরি করে? বলতে চাইছে কোন পোস্ট?”

“ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা। ভূমি অফিসে চাকরি করে। বিসিএসের জন্যও পড়ছে।”

বাদশা লম্বা শ্বাস নিলো। ক্লান্ত স্বরে বলল, “বুঝলাম।”

“কী?”

“সত্যি করে একটা কথা বল তো। তোর চাচা কী অবৈধ কোন কাজে জড়িত থাকতে পারে? মন থেকে ভেবে উত্তর দিবি।”

ডানে বামে মাথা দুলিয়ে না সূচক জবাব দিলাম। পরক্ষণেই মনে পড়ল চাচা আমার জন্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। যে মানুষ সত্যি জানার পরেও সামান্য হেনস্তা করতে জন্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। সে সবকিছু করতে পারে। কথাটা শুধু ভাবলাম। মুখে বললাম না। তানহার বাবা এসেছে। তার জন্য চেয়ার পাতানো হচ্ছে। সে খুব আয়েশ করল বসল। আমাদের মুখোমুখি বসে পায়ের উপর পা তুলে দিলো। হালকা প্রমোদের সুরে বলল, “শুনেছি– মানুষের শেষ ইচ্ছা অপূর্ণ থেকে ম’র’লে তার আত্মা মুক্তি পায় না। শূন্যে ভেসে বেড়ায়। তোমাদের সাথে এমন কিছু হোক তা আমি চাই না।”

আমি মুচকি হাসলাম। হাসি মুখে বললাম, “আপনি তাহলে আমাদের শেষ ইচ্ছে পূরণ করে দিবেন?”

“হ্যাঁ দেব। তবে আমার পছন্দ অনুযায়ী।”

“সেটা কী?”

তানহার বাবা আবারও হাসল। বাদশা তার হাসিতে ভীষণ বিরক্ত হলো। বিরক্ত গলায় বলল, “আপনার হেয়ালি ভালো লাগছে না। যা বলার সরাসরি বলুন।”

“গুড! তোমার এই স্প্রিরিট আমার ভালো লেগেছে।”

আমি বললাম, “আমাদের এখানে কেন নিয়ে এসেছেন?”

“কারণ তুমি আমার মেয়ে বিয়ে ভাঙতে চেয়েছ।”

“আমি আপনার মেয়ের বিয়ে ভাঙতে চাইব কেন?”

“মেয়ের বিয়ে ভাঙতে না চাইলে তার পেছনে এত তদন্ত কিসের?”

“তানহাকে আমি একটা ছেলের হাত ধরা অবস্থায় দেখেছিলাম– কথাটা আমি আমার বাড়িতে জানাই। কিন্তু কেউ বিশ্বাস করেনি। উল্টো আমাকে অপমান করে। ছোট চাচা আমায় ডেকে নিয়ে খুব কুৎসিত একটা কথা বলে। সে-সব কথার জবাব দিতে আমি তানহার ব্যাপারে খোঁজ করেছি।”

“নিজেকে মিথ্যাবাদী সাজতে দেখলে ভীষণ খারাপ লাগে বুঝি?”

“ব্যক্তিত্ব থাকলে অবশ্যই লাগে। এখন আপনার ব্যক্তিত্ব আছে কি-না সে কথা আপনিই ভালো বলতে পারবেন।”

“এত তেজ দেখাচ্ছ কিসের জোরে?”

“আত্মবিশ্বাসের জোরে। যে বাবা তার মেয়ের অমতে, মেয়ের কষ্টের কথা শোনার পরও তাকে বিয়ের জন্য জোর করে আমার মনে হয় না সে মানুষ জাতির কেউ।”

“সাজ্জাদ। মুখ সামলে কথা বলো।”

“আমি আমার মুখ সামলে রেখেছি। যথেষ্ট ভদ্র ব্যবহার করছি।”

“হুট করে এত সাহস কোথায় পেলে?”

“আল্লাহ দিয়েছেন। তিনি আমাকে মনে করিয়ে দিয়েছেন– আমার হায়াত নির্ধারিত। আমার ভাগ্য আল্লাহ নির্ধারণ করবেন। কাজেই ভয় পেয়ে আপনার হাতে পায়ে ধরার কোন প্রয়োজন মনে করছি না।”

ভদ্রলোক রাগে কাঁপছে। নিঃশ্বাসের শব্দ শোনা যাচ্ছে স্পষ্ট। চোখ-মুখ শক্ত হয়ে গেছে। তবে আমি সেদিকে খেয়াল দিলাম না। বাদশাও দিলো না। সে রাগে কাঁপতে কাঁপতে বলল, “আজকেই তোদের শেষ দিন।”

আমি বললাম, “বেশ তো। শেষ দিন যখন তখন বলে দেন– কেন এসব করলেন?”

“আমার লক্ষ্য পূরণ করার জন্য।”

“আপনার লক্ষ্য কী? নিজের মেয়েকে সরকারি চাকরিজীবীর সাথে বিয়ে দেওয়া নাকি নিজের স্বার্থের মেয়েকে ব্যবহার করা?”

তানহার বাবা কিছু বলল না। শক্ত চোখে তাকিয়ে রইল। বাদশা বলল, “আপনার ব্যাপার কেউ না বুঝতে পারলেও আমি বুঝেছি। সাজ্জাদের ছোট চাচা ভূমি অফিসে চাকরি করে। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা। খাজনা আদায়, খতিয়ান যাচাই, মাঠপর্যায়ে জমি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এসব কাজ খুব লাভজনক। এখানে ঘুষের রমরমা ব্যবসা। আরও বড় ব্যবসা জমির দলিলপত্র। এখানে চাকরি করে এমন ব্যক্তি খুব সহজেই নকল দলিল তৈরি করতে পারে। অসৎ লোকের জামাই হিসাবে ভদ্রলোক সোনার ডিমপাড়া হাঁসের চেয়ে কম কিছু নয়।”

“তুমি খুব বুদ্ধিমান।”

কথাটা বলতে গিয়ে সে খুব রহস্যময় একটা হাসি দিলো। বাদশা বলল, “আপনার মেয়ের রিলেশন আছে এ কথা জানাজানি হলে বিয়ে ভেঙে যাবে। আপনি মেয়ের বিয়ে বাঁচাতে সাজ্জাদকে তুলে এনেছেন। বুঝলাম। আমাকে নিয়ে এলেন কেন?”

“জায়েদার জন্য!”

আমি ভীষণ অবাক হলাম। বিস্মিত মুখে বাদশার দিকে তাকালাম। বাদশা বলল, “জায়েদা কী করেছে?”

“জায়েদা তোমাদের খবর পৌঁছে দিতো। তাই না? আমার মেয়ের ডাইরিও সেই তোমার কাছে নিয়ে এসেছে।”

আমার দিকে ইশারা করে কথাটা বলল। আমি বললাম, “আপনি এসব খবর কীভাবে পেলেন?”

“মনে করো দেখো– এক রাতে তানহা তোমার সাথে কথা বলেছিল। সেদিন কথা শেষ করে ঘুমিয়ে যাওয়ার পর আমি ওর ঘরে আসি। কারণ ওর নানি ওর সাথে ছিল না। এসে ফোন হাতে নিয়েই টেক্সটগুলো আমার নজরে পড়ে। তানহা বাচ্চা মেয়ে। খানিকটা বোকাসোকা। তবে আমি বুঝে যাই আইডিটা ফেক। তারপর একটু ঘাঁটাঘাঁটি করতেই বুঝলাম ওটা তোমার আইডি হতে পারে। টেক্সটগুলো ডিলিট করে দিলাম। তাহনাকেও খুব করে শাসিয়ে দিলাম। যেন সে এসব না করে।”

“তারপর?”

“তারপর জায়েদাকে ধরলাম। সে সবকিছু বলে দিলো।”

আমি একটা ছোট্ট নিঃশ্বাস ফেললাম। তীক্ষ্ণ গলায় বললাম, “বাদশাকে কেন নিয়ে এলেন?”

“টোপ হিসেবে। তাছাড়া আমার সন্দেহ হয়েছিল– তোমার এই বন্ধুটি সব কথা জানে। কারণ সে তোমার প্রাণের বন্ধু। তোমার হয়ে ধান কাটে, তোমার টাকার প্রয়োজন বলে এখানে ওখানে কাজের সন্ধান করে। এমন বন্ধু সব কথা জানবে এটাই স্বাভাবিক। সেদিন যখন তোমার বন্ধুটিকে ওই লোকগুলোর সাথে কথা বলতে দেখি তখনই আমি খুব সরল একটা পরিকল্পনা করি। তোমার বন্ধুকে কিডন্যাপ করব এবং ক্লু দিয়ে তোমাকে এই পর্যন্ত নিয়ে আসার চেষ্টা করব। আমার ধারনা ছিল তুমি পারবে। এবং তুমি পেরেছ।”

দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। একটা মানুষ নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য কত নিচে নামতে পারে। মেয়েকে দিয়ে একজন সরকারি কর্মকর্তাকে হাত করতে চেয়েছে যেন সে নিজের ইচ্ছে আকাঙ্খা পূরণ করতে পারে। মেয়ের ইচ্ছার কোন গুরুত্বও তার কাছে নেই।

তানহার বাবা বলল, “সবকিছু আয়নার মতো পরিষ্কার। বুঝতে পেরেছ নাকি আবার বলতে হবে?”

বাদশা বলল, “বলতে হবে না। জায়েজার সাথে কী করেছেন? ওকে কোথায় রেখেছেন?”

ভদ্রলোক হাসল। ভীষণ কুৎসিত রকমের হাসি। হিসহিসিয়ে বলল, “প্রেমিকার জন্য মন পু’ড়’ছে?”

আমি বললাম, “জায়েজা আমাদের প্রেমিকা না। ওর সাথে বাদশার কোন সম্পর্ক নেই। প্রথমে আমার সাথে পরিচয় হয়েছে। এতটুকুই!”

“আসলেই কী এতটুকু? উঁহু! আমার চোখ ভীষণ তীক্ষ্ণ। লোকের নজর বুঝতে সমস্যা হয় না। জায়েজা তোমার বন্ধুর প্রেমিকা না হতে পারে, তবে সে জায়েজাকে পছন্দ করে৷ আমি ওর চোখে জায়েজার জন্য মায়া দেখেছি।”

“আমার ছোট চাচার চোখে তানহার জন্য কী দেখেছেন?”

“কাউকে নিজের করে পাওয়ার তীক্ষ্ণ ইচ্ছে। এই ইচ্ছে এতটাই তীব্র যে সে কোনকিছুতে কোনক্রমেই তাকে পেতে চায়।”

“মেয়েকে এমন লোকের হাতে তুলে দিতে আপনার একটুও অনুশোচনা হবে না?”

“তামিম আমার মেয়েকে ভালো রাখবে। খুব ভালো রাখবে।”

বাদশা বলল, “তামিম মানে সাজ্জাদের ছোট চাচাকে এত বিশ্বাস করলেন কেন?”

“ওই যে বললাম আমি মানুষের চোখ পড়তে পারি।”

“আমাদের চোখে এখন কী পড়ছেন?”

সে বাদশার চোখের দিকে তাকাল। সরল গলায় বলল, “জেদ দেখতে পারছি। এমন জেদ যে আমাকে পু’ড়ি’য়ে দিতে পারলেও তোমার শান্তি হবে না।”

বাদশা একটু মিইয়ে গেল। আমি বললাম, “আমাদের সাথে এখন কী করতে চান?”

“তোমরা বলো তোমাদের সাথে এখন কী করা উচিত?”

“এ কথার মানে?”

“কথার মানে বুঝতে পারছ না। এত বুদ্ধিমান, তারপরেও বুঝতে পারছ না। আচ্ছা বেশ, অপশন দিচ্ছি। প্রথম অপশন– আমার এই বাড়ির শেষ মাথায় একটা পুকুর আছে। মাগুর মাছের চাষ হয়। ওরা আবার মাংস খেতে খুব ভালোবাসে। বললে তোমাদের শরীর কে’টে ওখানে ফেলে দিতে পারি। অথবা জীবিত অবস্থাতেও ফেলে দিতে পারি। ওদের দাঁত এত ধা’রা’লো যে আমরা পালাতে পারবে না। আমার লোকেরা না হয় কষ্ট করে হাত পা বেঁধে দেবে।”

ফট করে কোন জবাব খুঁজে পেলাম না। খানিকক্ষণ চুপ থাকার পর বললাম, “তিন্নি কোথায়?”

“ঘুমচ্ছে।”

“কোথায় ঘুমচ্ছে?”

“তানহার পাশে। তিন্নি মেয়েটাও তোমার মত চালাক। পুলিশের কাছে যাওয়ার তোড়জোড় করে ফেলেছিল। ভাগ্যিস পথ থেকে তুলে নিতে পেয়েছিলাম। না হলে খুব বড় একটা সর্বনাশ হয়ে যেত। কী বলো?”

“তিন্নি ঘুমচ্ছে মানে? কী করেছেন আপনি ওর সাথে?”

“এ বাবা! এত আৎকে উঠতে হবে না। তোমরা আমার আত্মীয় হবে৷ আমি এত নিষ্ঠুর মানুষ না। মে’রে ফেলিনি। ঘুমের ওষুধ খাইয়েছি।”

“কতগুলো খাইয়েছেন?”

“এই চার পাঁচটা। সমস্যা নেই। ম’র’বে না। খানিকক্ষণ ঘুমিয়ে উঠে যাবে।”

“আমি আরও একটা প্রশ্ন করতে চাই।”

“তোমরা এই অল্প বয়সী ছেলেপেলের এক সমস্যা। একটু আশকারা দিলে মাথায় চড়ে বসো।”

“আমার প্রশ্নের জবাব দেন।”

“প্রশ্ন বলো। হবু আত্মীয়ের কথা তো ফেলতে পারি না। তার উপর মেয়ের শ্বশুর বাড়ির লোক।”

“আমি যেখানে কাজ করতাম। ওই জায়গার মালিকও কী আপনি? বলতে চাইছে ওটাও কী আপনার ব্যবসা?”

“না না। ওটা আমার ব্যবসা না। ওটা আমার ব্যবসা হলে রইস উদ্দিনকে লাগত নাকি? পা’গ’ল ছেলে। মানুষকে নিজেকে যতই শক্তিশালী দেখাক না কেন, মৃ’ত্যুর ভয় সবার আছে।”

আমি চুপ করে গেলাম। বাদশাও চুপ। এই মুহূর্তে কী করব বুঝতে পারছি না। খানিকক্ষণ নীরবে কে’টে গেল। হঠাৎই বাদশা চিৎকার করে উঠল। তীব্র এবং তীক্ষ্ণ গলায় তানহার বাবাকে মন্দ কথা শোনাতে লাগল। তানহার বাবা বলল, “ভেবেছিলাম সহজ মৃ’ত্যু দেব। নাহ! তোদের জন্য দয়া দেখানো উচিত হবে। এই ওদের হাত পা বেঁধে ফেল। পুকুরে ফেলে দিয়ে আয়। তড়পে তড়পে ম’রু’ক দুটো।”

আমি বললাম, “আপনি ভেবেছেন আমাদের মে’রে ফেললে নিজে বেঁচে যাবেন। কিন্তু না। তেমনটা হবে না।”

“কে তোমাদের খোঁজ পাবে? মাগুর মাছগুলো শরীরের কোন চিহ্ন অবশিষ্ট রাখবে না। তাছাড়া এই জায়গার কথা আর কে জানে? তিন্নি? ধরে নাও সে আর ঘুম থেকে উঠবে না। ম’র’নে না ঠিকই, চোখও খুলতে পারবে না।”

হঠাৎই চোখের সামনে সব অন্ধকার হয়ে গেল। কী করব কিছুই বুঝতে পারছি না। বাদশাও কিছু বলছে না। থম মে’রে বসে আছে৷ গুন্ডা মতো লোকগুলো আমাদের হাত পা বেঁ’ধে ফেললো। চেংদোলা করে পুকুরের দিকে নিয়ে যেতে লাগল। আল্লাহর নাম নিয়ে চোখ বুজলাম। বাদশা বলল, “আন্টির গহনা বানাতে দিয়েছিস?”

চোখ মেললাম না। বন্ধ অবস্থায় বললাম, “দিয়েছি। হোসেন উদ্দীনের সাথে কারবার করে অনেক টাকা পেয়েছি। মায়ের জন্য আংটি বানাতে দিয়েছি। এক জোড়া বালাও বানাতে দিয়েছি। কিছু টাকা তোর জন্য আলাদা করে রেখেছিলাম। টাকাগুলো আমার ড্রয়ারে একটা বইয়ের মধ্যে আছে৷ কখনো সুযোগ পেলে নিয়ে নিস।”

বাদশা বলল, “সেই সুযোগ হবে না। তোর সাথে আমাকেও পুকুরে ফেলে দেবে।”

তার কন্ঠস্বর খুব হতাশ শোনালো। যেন সুরের ভেতরে হাজার বছরের ক্লান্তি লুকিয়ে আছে।

চলবে

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply