জেন্টাল_মনস্টার
লামিয়ারহমানমেঘলা
পর্ব_৪৮
[ 🚫কপি করা সম্পূর্ণ কঠোর ভাবে নিষেধ ]
সে রাতে প্রিয়া নতুন জায়গায় এসে ঘুমাতে পারছিলো না৷
এদিক ওদিক করে বড্ড বিরক্ত হয়ে এক পর্যায়ে বিছনায় উঠে বসে সে।
এমন সময় দরজায় টক টক শব্দ।
চারিদিকে নিস্তব্ধ তখন। ভীষণ শান্তি মেনশনে।
এমন একটা সময় টকটক শুনে প্রিয়া টেবিল সাইড ল্যাম্প জ্বালে।
প্রিয়া দরজা খুলছে না দেখে আবারো টকটক শব্দ হলো। প্রিয়া উঠে দাঁড়ায় বিছনা ছেড়ে।
দরজার সামনে গিয়ে দরজা খুলে দেয়।
ওপাশে রেভেন দাঁড়িয়ে হাতে দু কাপ কফি।
প্রিয়া মিষ্টি হাসে রেভেনকে দেখে।
“ক্যান আই?”
রেভেনের প্রশ্ন শুনে প্রিয়া সরে দাঁড়ায়,
“সিওর মিস্টার রেভেন৷”
রেভেন ভেতরে প্রবেশ করে।
প্রিয়ার রুমের বেলকনিতে চলে আসে দু’জন।
সেখানে একটা সোফা পাতা৷
দু’জন সোফায় বসে।
“আই ওয়াজ গেসিং দ্যাট ইউ মাইট বি অ্যাওয়েক, বিকজ ইট’স আ নিউ প্লেস ফর ইউ।”
প্রিয়া মৃদু হাসে
“আপনি খুব ভালো বুঝেন আমাকে?’
রেভেন হাসে। প্রিয়ার দিকে কফি কাপ এগিয়ে দেয়।
“টেক ইট। “
প্রিয়া কাপটা নিয়ে নেয়।
দু’জন এক সাথে বসে কফি এনজয় করে।
রাশিয়ার ব্যাস্ত শহর মস্কো।
রাতের মস্কো যেন এক অদ্ভুত নীরব সৌন্দর্যে মোড়া। দিনের কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে, আর শহরটা জেগে ওঠে অন্য এক আলোয়।
রাস্তার ল্যাম্পপোস্টগুলো নরম হলুদ আলো ছড়িয়ে দেয়, যেন অন্ধকারকে আলতো করে ছুঁয়ে রাখছে। দূরে Red Square-এর দিকে তাকালে মনে হয় ইতিহাস নিজেই আলো হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বরফে ঢাকা পথগুলোতে আলো পড়লে সেগুলো চিকচিক করে ওঠে, যেন ছোট ছোট হীরের কণা ছড়িয়ে আছে।
ঠান্ডা হাওয়া মুখে এসে লাগে, কিন্তু তাতে এক ধরনের শান্তি আছে। মাঝে মাঝে গাড়ির শব্দ ভেসে আসে, আবার মিলিয়ে যায় নীরবতার ভেতরে। Saint Basil’s Cathedral-এর রঙিন গম্বুজগুলো রাতের আলোয় আরও রহস্যময় হয়ে ওঠে।
এই শহরের রাতটা কেমন যেন,
একটু একাকী, একটু রোমান্টিক, আর অনেকটা গল্পের মতো।
প্রিয়ার কফি শেষের পথে।
প্রিয়া কফি মগ নামিয়ে রেভেনের দিকে চায়৷
রেভেন দেখে প্রিয়ার ঠোঁটে ঝাক লেগে আছে।
রেভেন ধিরে ঝুকে প্রিয়ার ঠোঁটের দিকে এগিয়ে যেতে নিলে প্রিয়া একটু পিছিয়ে যায়৷
তবে রেভেন যখন আরও কিছুটা ঝুঁকে যায় তখন প্রিয়া হাত দিয়ে রেভেনকো সরাতে গিয়ে জোরেশোরে একটা থাপ্পড় লেগে যায় রেভেনের গালে।
রেভেন অবাক হয়ে যায়৷
প্রিয়াও নিজের হাতে দিকে তাকিয়ে আছে।
রেভেন অন্য দিকে মুখ করে নিচের দিকে।
ঘটনাচক্রে দু’জনই থতমত খেয়ে গিয়েছে।
রেভেন মাথা উঠিয়ে পকেট থেকে হ্যান্ডকি নিয়ে প্রিয়াকে দিয়ে দেয়৷
“আমাকে এমন নিচ ভাবার কিছু নেই প্রিয়া। তোমার ঠোঁটে কফি লেগে ছিলো ওটাই মুছিয়ে দিতাম৷”
কথাটা বলে রেভেন এক সেকেন্ডও দেরি না করে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়৷
প্রিয়া উঠে ওর পিছু নিতে নিতে ও চলে যায় রুম থেকে।
প্রিয়া তখন আয়নায় দেখে আসলেই ওর ঠোঁটে কফি লেগে।
প্রিয়ার বড্ড কষ্ট হতে লাগে।
তবে সে রেভেনের পিছু যায় না। ভাবে কাল সকালে দেখবে।
রাত কাটিয়ে ভোরের সূর্য হানা দিয়েছো ধরণী জুড়ে।
আদ্রিতা বেশ সকাল সকাল ঘুমিয়েছে তাই সকালে ঘুমটা তার দ্রুত ভেঙেছে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে সে ফ্রেশ হয়ে নিচে চলে এসেছে।
মিসেস মিহু সার্ভেন্ট দের বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন ব্রেকফাস্ট কি কি হবে।
এমন সময় আদ্রিতাকে দেখে তিনি হেঁসে বললেন,
“গুড মর্নিং প্রিন্সেস। ঘুম ভালো হয়েছে?”
আদ্রিতা এগিয়ে গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরে,
“উম অনেক ভালো।”
মিসেস মিহু মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন,
“আরেকটু ঘুমালে হতো৷”
“না। ঘুম আসছে না।”
মিসেস মিহু মেয়েকে নিয়ে সোফায় বসলেন।
আদ্রিতা মিসেস মিহুর কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল।
মায়ের ঘ্রাণ পৃথিবীর যে কোন পার্ফিউমকে হার মানাতে পারে।
আদ্রিতার কাছেও সেটাই।
আদ্রিতার জীবনের সব টুকু শুখ যেন মিসেস মিহুতে ন্যাস্ত৷
মেয়েটা বড্ড আদর পাগল ছিলো। অথচ কেউ তাকে একটু আদর করতে পারেনি এত বছরে।
আদ্রিতা এসব ভাবছিলোই এমন সময় সায়ের এসে বলে,
“বাহ আমার আদর কোথায় মম? মেয়েকে পেয়ে ছেলেকে ভুলে গিয়েছো নট ফেয়ার৷”
মিসেস মিহু ফিরে চায়৷
“এত বছরত আমার কাছেই ছিলি কই কখনোত এমন বলিস নি।”
সায়ের মায়ের পাশে গিয়ে বসে আদ্রিতার নাক টানে।
“তখনত এই লিটিল মন্সটার ছিলোনা।”
আদ্রিতা ঠোঁট বাকায়৷
“আম্মা ভাইয়া আমাকে মন্সটার বলেছে।”
মিসেস মিহু দু চোখ ভরে ছেলে মেয়ের খুনসুটি দেখলেন।
তার আত্মার শান্তি।
তার ভেতরটা খালি খালি লাগত। এখন যেন সবটা পরিপূর্ণ।
মনে মনে তিনি স্বামীকে স্বরণ করলেন,
“মিস্টার আলভি আপনি যদি থাকতেন তবে হয়ত দেখতেন। আপনার মেয়ে ছেলে কত বড় হয়ে গিয়েছে।”
বিছনায় উবু হয়ে ঘুমিয়ে ছিলো আদ্রিস।
সার্টলেস হয়ে ঘুমিয়েছে সে।
তার বলিষ্ঠ পিঠ খানা দেখা যাচ্ছে সাদা চাদরের উপরে।
পর্দা ভেদ করে সূর্যের আলো চোখের উপর এসে পড়তে বিরক্ত হয় আদ্রিস৷
সে মাথা ঘুরিয়ে ঘুমায়৷ কিন্তু তার অপর পাশের৷ জানালর পর্দাও সরিয়ে দেয় কেউ।
এবার আদ্রিস বিরক্ত হয়ে বলে,
“হোয়াট দ্যা হেল ইজ রং উইথ ইউ ড্যাম।”
আদ্রিস উঠে বসে দেখে তার সামনে আদ্রিতা দাঁড়িয়ে।
ভ্রু কুঁচকে তাকায় সে।
আদ্রিতা কোমড়ে হাত দিয়ে বলে,
“উঠুন ঘুমাবেন কত হ্যা?”
আদ্রিস তাকিয়ে আছে আদ্রিতার দিকে।
আদ্রিতা সেই চাহনি দেখে শুকনো ঢোক গিলে। এভাবে তাকানোর মানেটা আসলে খুব একটা ভালো নয় আদ্রিতার জন্য।
আদ্রিস হাতের ইসারা করে,
“কম হেয়ার৷”
আদ্রিতা পিটপিট করে তাকায়।
আদ্রিস, আদ্রিতাকে নড়তে না দেখে ফের বলে,
“আই ডোন্ট লাইক রিপিটিং মাই ওয়ার্ড’স আদ্রিতা।
তুইত জানিস এটা।”
“ই ইয়ে মানে আমি পর্দা লাগিয়ে দিচ্ছি আপনি ঘুমান৷”
“কাম হেয়ার৷ “
আবারো গম্ভীর সেই কন্ঠ। আদ্রিতা এবার উপায় না পেয়ে এক পা এক পা করে এগিয়ে যায়৷
আদ্রিতা যখন আদ্রিসের কাছে এসে দাঁড়ায়। আদ্রিস তখন আদ্রিতাকে টেনে নিজের কোলের উপর বসায়৷
আদ্রিতা চোখ বন্ধ করে নেয়।
আদ্রিস, আদ্রিতসর ঘাড়ের চুল সরিয়ে সেখানে নাক ঘষে চুমু খায়।
“পরের বার আমার গালে চুমু খাবি। এরপর বলবি গুড মর্নিং হাবি ওয়েক আপ।
দেখবি এমনিতে উঠে যাব। গট ইট?”
আদ্রিসের মর্নিং সেক্সি ভয়েজ আদ্রিতার শরীরে বিদ্যুৎ বইয়ে দিলো।
আদ্রিতার শরীরের পশম দাঁড়িয়ে গিয়েছে।
আদ্রিসের উন্মুক্ত বুকের সাথে আদ্রিতা লেপ্টে আছে। আদ্রিসের মুড বদলে যাচ্ছিলোই এমন সময় আদ্রিসের চোখ যায় দেয়াল ঘড়ির দিকে৷ তাকে অফিস যেতে হবে।
তাই সে আদ্রিতাকে ছেড়ে দেয়।
আদ্রিতার চুল গুলো কানে গুঁজে বলে,
“যা নিচে যা আমি আসছি।”
আদ্রিতা দৌড়ে চলে যায় নিচে।
আদ্রিস হাসে। তার ঠোঁটে এই কিউট হাসিটা শুধুমাত্র আদ্রিতার জন্যই আসে।
ব্রেকফাস্ট টেবিলে সবাই বসে ব্রেকফাস্ট করছে শুধু রেভেন নেই।
প্রিয়া, এদিক ওদিক খুঁজে বেড়াচ্ছে রেভেনকে কিন্তু কোথাও পাচ্ছে না।
নিজ থেকে কিছু জিজ্ঞেস ও করতে পারছে না রেভেন কোথায়৷
এমন সময় মিসেস মিহু বলে উঠলেন,
“আদ্রিস, রেভেন কোথায়? ওকেত দেখছি না সকাল থেকে।”
আদ্রিসকে সসেজ আদ্রিতার প্লেটে তুলে দিতে দিতে উত্তর দেয়,
“ও নিজের ভিলায় গিয়েছে। বলল আফিসে দেখা করবে এক বারে।”
“ও আচ্ছা। আর একটা দিন থাকত। কালত সবাই চলে যাবে।”
“ইট’স ওকে মম, হয়ত ওর কোন কাজ ছিলো। রেভেন ইজ এ সিরিয়াস গায় ইউ নো দ্যাট।”
“হ্যাঁ। তবে কাল প্লিজ সবাই একটু ছুটি নে।”
সায়ের খাবার মুখে রেখেই বলে,
“নো নো মম উই কান্ট৷ আমি এমনিতেই চাপে আছি আজকে ফিরব কিনা বাড়িতে এটা নিয়েই সংশয়।”
মিরা সবার কথা শুনছে সাইলেন্টলি। আদ্রিতাও। তবে প্রিয়ার মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেলো।
সে জানে রেভেন কেন চলে গিয়েছে।
প্রিয়ার গিল্ট হচ্ছে প্রচন্ড।
ব্রেকফাস্ট শেষ করে আদ্রিস এবং সায়ের বেরিয়ে যায় অফিসের জন্য।
প্রিয়া, মিরা , আদ্রিতা এবং মিসেস মিহু রয়ে যায়।
অফিস পৌঁছে দু ভাই এন্ট্রি নিতে পুরো অফিসে থোড়কম্প লেগে যায়।
এত দিন পর ওরা অফিসে এসেছে সব কিছু পার্ফেক্ট না হলে আজকে কারোর রক্ষা নাই।
রেভেন আগেই চলে এসেছিলো।
আদ্রিস তার কেবিনে প্রবেশ করে দেখে রেভেন আগে থেকেই সেখানে।
“কিরে সকাল সকাল চলে এলি যে?”
“নাথিং স্পেশাল বস।”
আদ্রিস এগিয়ে গিয়ে নিজের চেয়ারে বসে।
“ওকে আজকের সিডিউল বল।”
“তেমন কিছু না। ৬ টা মিটিং এডেন্ট করতে হবে।”
আদ্রিস মাথা তুলে তাকায়।
রেভেন হাসে,
“হেহে বস এটাত কম কাল এবং পর্শু ৯ টা করে মিটিং আছে। সব ক্লাইন্ট আপনাট জন্য মরিয়া হয়ে আছে। এখন পিছালে ওরা ডিল ক্যান্সেল করে দিবে এরপর সায়ের বস মিসাইলটা সরাসরি আমাদের দুজনের উপর মারবে। তারপর….”
“বাস.. “
রেভেন চুপ হয়ে যায়।
“এত ড্রামা কেন করিস তুই? মিটিং রুম রেডি?”
“জি বস সকাল ৮ টা থেকেই সব ক্লাইন্ট ওয়েটিং রুমে এসে বসে আছে।”
আদ্রিস উঠে দাঁড়ায়,
“ক্রেজি।”
“বিলিয়নার হওয়ার দুঃখ স্যার।”
আদ্রিস বেরিয়ে যায়। রেভেনও পিছু পিছু যায়।
সায়ের কেবিনে এসে নিজের ব্লেজারটা খুলে পাশে রাখে।
এমন সময় ওয়ার্নিং ছাড়াই দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করে লাড়া।
সায়ের ভ্রু কুঁচকে তাকায়,
“হোয়াট দ্য হেল। এখানে কি হচ্ছে? “
লাড়া এগিয়ে যায়।
“এটাত আমার জিজ্ঞেস করা উচিত সায়ের৷ এসবের মানে কি?”
“লাড়া আর ইউ ডাম্প ওর সামথিং?”
লাড়া চোখ ছলছল নিয়ে এগিয়ে যায়। সায়েরের সার্ট ধরে বলে,
“মেয়েটা কি ছিলো সায়ের? সত্যি তুমি বিয়ে করছো?”
সায়ের বিরক্ত হয়ে নিজের সার্ট থেকে লাড়ার হাত ছাড়িয়ে বলে,
“লাড়া যখন আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করেছি। তোমার জন্য নিজের সমস্ত টা দিয়েছি তখন তোমার এই ভালোবাসা কোথায় ছিলো? সস্তা নাটক করো না।
আমি আমার ভালোবাসা পেয়ে গেছি । আমার জীবন থেকে দুরে থাকো।
আর এখন বের হও আমার অনেক কাজ আছে।
নাহলে আমি সিকিউরিটি ডাকব। “
লাড়া আর কিছু বলবে তার আগেই সায়ের সিকিউরি এলার্ম বাজায়।
সঙ্গে সঙ্গে দু’জন সিকিউরিটি চলে আসে সায়েরের রুমে।
“আমি এই মেয়েটাকে আমার অফিসে আর দেখতে চাইনা৷”
সিকিউরি এসে লাড়াকে হাত দেবে তার আগেই লাড়া থামিয়ে দেয়।
“আমিই চলে যাচ্ছি। কাজটা ঠিক করলে না সায়ের। সবাইকে ভুগতে হবে।”
কথাটদ বলে লাড়া বেরিয়ে যায়।
সায়ের বিরক্ত হয়ে নিজের চেয়ারে গিয়ে বসে।
সারাটা দিন প্রিয়ার মনটা ভীষণ খারাপ ছিলো।
এখানে এসে এখনো সিম হয়নি তার৷
তাই কোন ফোন কলও সে করতে পারছে না।
আদ্রিস এবং সায়ের এতটা ব্যাস্ত যে নিঃশ্বাস নেওয়ার সময়টা তাদের নেই।
সিম কিনে দেওয়ার সময়টা কোথায় পাবে।
রাত তখন ১১ টা৷
আদ্রিস বসে আছে লিভিং রুমে।
মিরা কয়েকবার ঘুর ঘুর করেছে তবে সবাই কি ভববে এই জন্য আবার নিজের রুমে চলে গিয়েছে।
কিন্তু আদ্রিতা বসে আছে আদ্রিসের জন্য।
বেশ কিছুক্ষণ পর মেনশনে প্রবেশ করে আদ্রিস এবং সায়ের।
দু’জনই ক্লান্ত।
আদ্রিস তার কোর্ট টা এক হাতে ধরে ভেতরে প্রবেশ করেছে।
সায়ের নিকের টাই লুস করতে করতে আসছে ভেতরে।
আদ্রিতা ওদের দেখে উঠে দাঁড়ায়। তবে সায়েরকে দেখে এগায় না।
আদ্রিস, সামনে আদ্রিতাকে দেখে হাতের ইসারা করে নিজের কাছে আসতে বলে,
আদ্রিতা দৌড়ে এগিয়ে যায়।
আদ্রিস, আদ্রিতাকে জড়িয়ে ধরে। আজ সে লাঞ্চ করার পর্যন্ত সময় পায়নি।
সারা দিনের ক্লান্তি যেন এই মেয়েটাকে জড়িয়ে উবে গেলো।
সায়ের মৃদু হাসে ওদের দেখে। এরপর সে ওদের স্পেশ দিয়ে নিজের রুমে চলে যায়৷
আদ্রিসের বাম হাতে কোট খানা ছিলো সে ডান হাতে আদ্রিতাকে কোলে তুলে নেয়।
আদ্রিতা জড়িয়ে ধরে আদ্রিসে ঘাড়।
আদ্রিস ওভাবেই এগিয়ে যায় রুমের দিকে।
“আই মিস ইউ। তোকে ছাড়া নিঃশ্বাস নিতেও কষ্ট হয় আমার।”
আদ্রিস,আদ্রিতাকে নিয়ে রুমে গিয়ে আদ্রিতাকে সোজা বিছনায় শুইয়ে দেয়।
আদ্রিতা পিট পিট করে তাকায়৷
“আ আপনি টায়ার্ড না?”
আদ্রিস নিচু হয়ে আদ্রিতার ঠোঁট আঁকড়ে ধরে,
“তোকে দেখলে সব টায়ার্ডনেস শেষ হয়ে যায়৷”
আদ্রিতা আর কিছু বলার সুযোগ পায়না তার আগেই সে আদ্রিসের কবলে চলে যায়।
চলবে?
[ রেসপন্স করবা ঠিকঠাক ]
Share On:
TAGS: জেন্টাল মনস্টার, লামিয়া রহমান মেঘলা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ১৩ [ রহস্য সমাধান -০১]
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ২৯
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৪৩
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৪৭
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৭
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ২
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ১৩
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ২২
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৮
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৪৩