কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ ⚠️
খাঁচায়বন্দীফুল
jannatul_ferdous_জান্নাতুল_ফেরদৌস
পর্ব- ২৭
ঘরের সামনে নদীর কান্নারত কন্ঠ পেয়ে দ্রুত উঠে বসে তুমুল। পরনে শুধু একটা প্যান্ট। তুমুল কে উঠতে দেখে অদিতিও তাকালো সেদিকে। নদীও পিছনে ঘুরলো। তুমুল দরজার সামনে অদিতিকে দেখে তারাহুরো করে শার্ট গায়ে জড়িয়ে নেয়। বোতাম আটকাতে আটকাতেই এগিয়ে আসে
“ভাবি….আপনি যেমনটা ভাবছেন, সেরকম কিছুই নয়। আসলে..”
“অদিতি। নদী উঠেছে?”
তুমুলের কথা শেষ হওয়ার আগেই সায়রা ডাকে অদিতি কে। এদিকেই এগিয়ে আসছে। নদী দুহাতে নিজের মুখ আটকে বড় বড় চোখে তাকায় অদিতির দিকে। অদিতি ধাক্কা দিয়ে নদীকে রুমের ভিতর দিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়।
“কি হলো বউমা? উঠেনি নদী?”
“উঠেছে কাকিয়া। ফ্রেশ হতে গেলো। ওয়াশরুমে।”
সায়রা অদিতির হাত ধরে বলল
“কয়েকটা দিন বাড়িতে খুব খেটেছো মা। যাও একটু আরাম করো। দুপুরের রান্না টা আমি আর নদীই করে নিবো”
দরজার ওপাশ থেকে সব কথা শুনছে নদী আর তুমুল। অদিতি হেসে বলল
“তার কোনো প্রয়োজন নেই কাকিয়া। আপনি আরাম করুন। দুপুরের রান্না আমি আর নদী আপু মিলে করে নেবো। তারপর না হয় রেস্ট নিবো”
সায়রা স্মিত হেসে বলল
“আচ্ছা নদী এত দেরি কেন করছো বলোতো? ডাকো ওকে”
“আপনি যান ফ্রেশ হয়ে নিন কাকিয়া। আমি আপুকে নিয়ে আসছি”
অদিতির কথা মতো সায়রা চলে গেলো। অদিতি দরজা খুলে ঘরের ভিতরে ঢুকে, দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে দিলো। তুমুল বুকে হাত দিয়ে বড় করে শ্বাস নিলো।
“থ্যাংকস ভাবি। আপনার এই উপকার আমি জীবনেও ভুলবোনা”
অদিতি তাচ্ছিল্যের স্বরে বলল
“এমন নোংরা একটা কাজে সাহায্য করে নিজেকে খুব বড় ঘৃণার পাত্রী লাগছে আমার। ছিঃ নদী আপু। তুমি এত টা নিচে কবে নেমে গেলে বলোতো।”
অদিতি তুমুলের দিকে ফিরে বলল
“আর এই যে আপনি। লজ্জা করে না আপনার? একটা মেয়েকে একা বাড়িতে পেয়ে, তার সুযোগ নেওয়া”
তুমুল সামান্য এগিয়ে আসলো।
“ভাবি আমরা কোনো পাপ কাজ করছিলাম না।”
“হ্যা সে তো দেখতেই পেলাম। দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়ে এক ঘরে রাত কাটিয়েছে। সেটা কে
তো পাপ বলে না তাই না?”
তুমুল কে কিছু বলার সুযোগ ই দিচ্ছে না অদিতি।
পিছন থেকে নদী চেচিয়ে বলল
“ভাবি আমরা স্বামী স্ত্রী”
অদিতি পিছন ফিরে নদীর দিকে তাকালো। বিষ্ময়ে চোখ ছানাবড়া হয়ে গেছে তার। সন্দিহান কন্ঠে বলল
“কি বললে আবার বলো”
এবার তুমুল বলল
“ভাবি আমরা স্বামী স্ত্রী। বিয়ে করেছি আমরা”
অদিতি বাকরুদ্ধ। নিজের কান কে বিশ্বাস হচ্ছে না। ওরা বিয়ে কবে করলো? আর বাড়ির কাওকে না জানিয়ে নদী বিয়ে করতে পারে? এটাও সম্ভব নদীর দ্বারা? অদিতির ঘোর কাটে পায়ে কারো স্পর্শ পেয়ে। নিচে তাকিয়ে দেখে নদী ফ্লোরে বসে অদিতির পা জড়িয়ে ধরেছে। কেদে কেদে অদিতিকে বলল
“দোহাই তোমার ভাবি। কাউকে জানিও না তুমও। এই অবস্থায় বাবা-মায়ের সামনে পরলে আমি কাওকে মুখ দেখাতে পারবো না। দয়া করো। ভাবি প্লিজ।”
অদিতি নদীকে টেনে তুলল
“ আরে আরে কি করছো। পা কেন ধরছো আপু? ছাড়ো। আমি কাউকে বলবল না ছাড়ো।”
অদিতিকে এ বাড়িতে আনার পর নদীই একমাত্র পাশে থেকেছিলো। সেসব ভুলে যাবার মতো অকৃতজ্ঞ নয় অদিতি। তাছাড়া বিয়েই তো করেছে। ভুল কিছু তো আর করেনি। অদিতি একটু নরম হলো
“আমি কাওকে কিছু বলবো না। কিন্তু এভাবে কয়দিন? সবাই তো সবটা জানবেই”
তুমুল বলল
“আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। সময় মত আমরাই জানাবো সকলকে”
নদী অদিতির দুহাত জড়ো করে ধরলো
“তুমি ভাইয়া কেও বলবে না ভাবি”
“আমি কাওকে বলবো না। ভরসা রাখতে পারো।”
“কিন্তু এখন ওনাকে এখান থেকে বের করতে হব”
অদিতি একটু ভেবে বলল
“বাইরে দারোয়ান আছে। তাছাড়া বাড়ি ভর্তি লোক। কেউ না কেউ দেখবেই। এর চেয়ে উনি সারাদিন এখনে থাকুক। রাতে বেরিয়ে যাবে”
নদী অবাক হয়ে বলে
“কি বলছো? পাগল হয়ে গেছো? সারাদিন বাড়িতে কী করে থাকবে”
অদিতি বলল
“এমনি তেও তোমার রুমে সারাদিন দীঘি ছাড়া কেউ আসে না। মা, কাকিয়া কেউ বেশি বের হবে না সারাদিন। তুমি ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে থাকবে। আমি বলবো তুমি পড়ছো। ওকে?”
“ওকে”
অদিতি চলে যেতেই দুজন স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়লো। নদী আলগোছে মাথা রাখলো তুমুলের চওড়া বুকে। দুজনে গোসল করে নিলো। কিন্তু খিদেতে পেট জ্বলে যাচ্ছে দুজনেরই। তুমুল বিছানায় বসে আছে। আর নদী রুমের মধ্যে পায়চারি করছে। অদিতির রান্না হবে তবে না খাবার নিয়ে আসবে।
সাইফও রুমে বসে বসে ভীষণ বিরক্ত হচ্ছে । আজ অদিতি কে খুব কথা শোনাবে। সব সময় দূরে দূরে থাকা। আজ মজা বুঝাবে। এক কাপ কফিও ভীষণ দরকার। বাধ্য হয়ে নিজেই গেলো অদিতির খোঁজে। কানে ব্লুটুথ দিয়ে গান শুনতে শুনতে সিড়ি দিয়ে নামছে। হঠাৎ খেয়াল করলো গেটের সামনে কারো জুতা রাখা। ছেলের জুতো। কিন্তু পুরুষ মানুষ এ বাড়িতে ৩ জনই আছে। বাবা-কাকা কেউ ই এ ধরনের জুতা পরে না। এটা সাইফের জুতাও না। তাহলে কার?
বাইরের কারও জুতা ভিতরে কি করে আসবে? অদিতি কয়েকটা পরোটা আগেই ভেজে নিয়েছে সাথে দুইটা ডিম। আর দুইটা ছোট বাটিতে সবজি। নদী কালকে রাতে বানিয়েছিলো সবজি টা। ওদের খেতে দিতে হবে তো। দুপুরের জন্য ভাত বসিয়ে দিয়ে খাবারের ট্রে টা নিয়ে রান্নাঘর থেকে বের হচ্ছে, ওমনি সাইফের মুখোমুখি হলো। সাইফ ভ্রু কুচকে তাকিয়ে আছে অদিতির দিকে।
“কার জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছো এই সময়?”
“নদী আপুর জন্য। বেচারির পরীক্ষা ক’দিন পর। খুব পড়ছে। পড়ার চাপে খাবারই খেতে পারে নি সকাল থেকে”
“ওহ। তা দুইটা কেন সব?”
অদিতি আমতা আমতা করে বলল
“এ…একটা নদী আপুর। আরেকটা দীঘির।”
সাইফ অদিতির দিকে একটু এগিয়ে এসে বলল
“অন্যের পড়াশোনা নিয়ে খুব চিন্তা না? আপনার যে কলেজে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে, সে বিষয়ে ভেবেছেন?”
অদিতি একটু পিছিয়ে গিয়ে বলল
“কাল থেকে যাবো”
“মনে যেনো থাকে। আট তারাতারি খাবার টা দিয়ে রুমে আসেন। আপনার আজ হচ্ছে।”
“কিন্তু আমাকে তো রান্না করতে হবে”
সাইফের রক্তচক্ষুর দিকে তাকিয়ে চুপসে গেলো অদিতির মুখ। মাথা নিচু করে আলগোছে হাঁটা দিলো নদীর ঘরের উদ্দেশ্যে। সাইফ এখনো একই জায়গায় দাঁড়িয়ে। আজ ছাড়বে না অদিতি কে কোনভাবেই। অদিতি খানিক এগিয়ে আবার পিছন দিকে তাকালো। সাইফ পকেটে হাত গুজে রান্না ঘরের দরজা হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে এখন অদিতি কে দেখছে। আদিতি ফের গেলো এগিয়ে। নদীর ঘরের সামনে গিয়ে দরজা দুইবার টোকা দেওয়ার পর নদী ভিতর থেকে জিজ্ঞেস করল
“ কে?”
অদিতির গলার স্বর সতর্ক
“নদী আপু আমি। দরজা খোলো।”
নদী স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়ে দরজা খুলে দিল
“এসো ভেতরে এসো”
অদিতি খাবারের ট্রেটা নদীর দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল
“এখন যাওয়া যাবে না আপু। ওদিকে তোমার ভাইয়া দাঁড়িয়ে আছে। তাড়াতাড়ি খাবারটা নাও আবার দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে দাও।”
নদী দেরি করলো না, খাবারের ট্রে টা হাতে নিয়ে ভেতরে রেখে অমনি দরজা আবার ভিতর থেকে ছিটকিনি তুলে দিল।
সাইফ গ্যাট হয়ে দাঁড়িয়ে আছে দরজার সামনে। অদিতি এত পথ দ্রুত হেঁটে এলেও সাইফের কাছাকাছি আসতে হাটার গতি থামিয়ে দিল। সাইফ পকেটে গোজা হাতটা বের করে অদিতির কাঁধ জড়িয়ে ধরে বলল
“চলো”
অদিতি নরম গলায় বলল
“এমন করে না লক্ষীটি। দেখুন বারোটা বেজে গেছে। এখন রান্না করবো তারপর বাড়ির সকলে খাবে”
“সো হোয়াট? আমি বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করে দিচ্ছি। আধা ঘন্টার মধ্যে চলে আসবে। মা কাকিয়া কে বলে দিবে তোমার শরীর ভালো না। এখন রুমে চলো।”
এর ওপর অদিতি আবার কিছু বলতে পারবে নাকি? বাধ্য মেয়ের মত চলে গেল সাইফের সাথে। অদিতি ঘরে ঢুকলে সাইফ ও পেছন পেছন ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল। অদিতি রাগে গিজগিজ করতে করতে গিয়ে খাটের উপর বসলো।
“এখন দিনে দুপুরে ঘরে দরজা বন্ধ করে বসে থাকুন”
সাইফ কাছে এগিয়ে আসতে আসতে বলল
“আমি কি বোকাচোদা নাকি? যে বসে থাকার জন্য দরজা বন্ধ করেছি?”
অদিতি চোখ রসগোল্লার মত করে সাইফের দিকে তাকালো। সাইফ অদিতির চাহনিতে একটু অবাক হয়ে ভ্রু নাচালো।
“ভাইয়ের থেকে শিখেছেন তাই না? আপনাকে তো কখনো গালি দিতে শুনি না”
সাইফ শব্দ করে হেসে ফেলল। অদিতির পাশ ঘেষে বসে বললো
“যাই বল দাদা ভাইয়ের গালাগাল গুলো ভালই লাগে বলো?”
“আপনার লাগতে পারে, আমার মোটেও লাগেনা। ছিঃ কি মুখের ভাষা ওনার। কি কথার ছিরি। বড় ছোট কিচ্ছু মানে না”
সাইফ একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল
“দাদাভাই বদলে গেছে দেখে ভালো লাগলো।”
কিন্তু অদিতি তারপরেও নিশ্চিত হতে পারছে না। আদৌ কি লোকটা ভালো হলো? নাকি মেহেরজানের শোকে কিছুদিন নিরব হয়ে গেছে মাত্র? সাইফ অদিতির ঘারের পাশের চুলগুলো হাত দিয়ে সরিয়ে দিয়ে আদুরে গলায় বলল
“এ্যাই বউ, কি ভাবছো অত?”
অদিতি এখনো ভাবনায় ডুবে। তুযার প্রতি ভয় এত দ্রুত কাটবে না ওর। যে নৃশংস রুপ তুযার দেখেছে, সেই রূপ থেকে তুযা এত দ্রুত বেরিয়ে আসবে? কিন্তু অদিতি বোধ হয় জানে না, ওই নৃশংস, পাষান লোকটার ভিতরেও একটা ত্যাগি রুপ আছে। আপন জনের ভালোর জন্য লোকটা নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে সব সময় প্রস্তুত থাকে। যদিও সবার সামনে দেখায় তার জিদ টাই বড় । কিন্তু ভিতর থেকে তার সম্পূর্ণ ভুল।
নিজের পরিবার এবং ভাই বোনের ভালোর জন্য সে চরম পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে। যা সকলের ই অজানা। অদিতির ঘোর কাটলো ঘাড়ে প্রচন্ড ব্যথায়। কুকিয়ে উঠল ব্যথায় সে। আন মনে হয় কিছু ভাবতে দেখে সাইফ অদিতির ঘাড় বরাবর জোরে একটা কামড় বসিয়ে দিয়েছে।
কামরের তীব্রতা খুবই বেশি ছিল। অপ্রস্তুত অবস্থায় এমন কামড় অদিতি কে মারাত্মক যন্ত্রণা দিয়েছে। ব্যথায় চোখ ছল ছল হয়ে এলো তার। নাকের পাটাও লাল হয়ে গেল। সাইফ অদিতির দিকে একবার তাকিয়ে আবার কামড় দেওয়া জায়গায় হাত বুলাতে লাগলো
“বেশি ব্যথা পেয়েছ বউ?”
অদিতি সাইফের হাত সরিয়ে দিলো নিজের কাধ থেকে। চোখের পানি গুলো টলমল করছে। সাইফ নিজেও খেয়াল করেনি এতটা ব্যাথা লাগবে। যে বউটা কেদেই ফলবে। সাইফের কোনো আদর আর মানলো না অদিতি। কষ্ট পেয়েছে ভীষণ। সাইফ যতই বোঝানোর চেষ্টা করছে, অদিতি ততই অভিমান দেখিয়ে সরে যাচ্ছে। এক পর্যায়ে বেরিয়ে গেলো রুম থেকে। সাইফ ও ছাড়লো না। নিজেও গেলো পিছন পিছন।
কিন্তু ভাগ্য ওদের সাথে এক্কা দোক্কা খেললো। সিড়ি দিয়ে নামতেই সামনে পড়লো আঞ্জুমান। অদিতির কান্নারত লাল মুখশ্রী দেখে ভ্রু গুটিয়ে নিলো। সাইফ ও দৌড় থামিয়ে এক জায়গায় চুপ করে দাঁড়ালো। আঞ্জুমানে এগিয়ে এসে অদিতির মুখে হাত দিয়ে বলল
“কি হয়েছে বাবু?কাঁদছিস কেন? এই সাইফ, কি করেছিস ওকে?”
সাইফ মনে প্রানে দোয়া করছে আল্লাহ এই মেয়ে যেন আবার মুখকে কিছু না বলে দেয়। অদিতি কিছু না বলে চোখ মুছতে মুতে এক দৌড়ে চলে গেল রান্না ঘরের দিকে। এবার সাইফকে কে বাঁচাবে আঞ্জুমানের থেকে?
“তুই বকেছিস ওকে?”
“ না না। একদম না?”
“তাহলে….?”
আঞ্জুমান সন্ধিহান চোখে তাকায় সাইফের দিকে। সাইফ একনাগরে দুদিকে ঘাড় নাড়ে। আঞ্জুমান কটমট করে তাকিয়ে বলে
“ছিঃ বাবু। তুই বৌমার গায়ে হাত তুলেছিস?”
“দাড়া আজই তোর বাবাকে বলছি। এত বড় অসভ্যতা তুই কোথা থেকে শিখলি”
আঞ্জুমান বকতে বকতে চলে গেল নিজের ঘরে। সাইফ থ মেরে দাঁড়িয়ে রইল। কি হয়ে গেলো? তার মাথার উপর দিয়ে গেল সব। চেচাতে চেচাতে আবার রান্না ঘরের দিকে ছুটল
“আরে এই বালের বউ”
সাইফ হঠাৎ খেয়াল করলো নদীর ঘরের সামনে কোনো পুরুষের অবয়ব। অদিতির কথা বাদ দিয়ে হাটা দিলো নদীর ঘরের দিকে। একটু আগেও নদীর ঘরের দরজা খোলা দেখা গেলেও সাইফ কাছাকাছি আসতেই নদী দরজা বন্ধ করে দিল।
সাইফ দরজা টুকা মেরে ডাকলো
“নদী? এই নদী? ঘরে আছিস?”
নদীর আত্মাটা কেঁপে উঠল সাইফের কণ্ঠ শুনে। ফিসফিস করে তুমুলের কানে কানে বলল
“ একশো বার করে যে বললাম বাইরে না যেতে। এখন কি হবে?”
“আমি কি করবো। ইম্পর্টেন্ট কল। রুমে নেটওয়ার্ক পাচ্ছিলো না”
“এখন আপনার নেটওয়ার্ক ধুয়ে খান। ভাইয়া য….”
“কি রে। শুনতে পাচ্ছিস না আমার কথা?”
সাইফের ধমকে। নদী আবারে কেপে উঠলো।
“দরজা টা খুলবি? নাকি ভেঙে ফেলবো?”
চলবে?
পরবর্তী পর্ব পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখো। যাতে পোস্ট করার সাথে সাথে তোমাদের নিউজ ফিডে চলে যায়। 💜🫶
Share On:
TAGS: খাঁচায় বন্দী ফুল, জান্নাতুল ফেরদৌস
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২৩
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৮
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২০
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২৮
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২৫
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৮
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৩
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৩
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৫