কি_আবেশে (৩৩)
জেরিন_আক্তার
মেরাব মাহিনের থেকে বিদায় নিয়ে স্নেহাকে নিয়ে রুমে ঢুকলো। স্নেহার সবাইকে ছেড়ে রুমে যাওয়ার কোনো ইচ্ছেই নেই। মেরাব বিছানায় এসে চিত হয়ে শুলো। স্নেহাকে বলল দরজা লাগিয়ে দিতে। স্নেহা দরজা লাগিয়ে দিয়ে মেরাবের কাছে এসে বসে বলল,
“আপনার না খুব ঘুম পাচ্ছে তাহলে ঘুমান। আমি ওদের কাছে যাই।”
মেরাব উঠে বসে বলল,
“তুমি ওদের কাছে গেলে আমার রুমে এসে লাভ হলো কি?”
“মানে?”
“চুপচাপ আমার পাশে এসে শুয়ে পড়ো!”
স্নেহা বিছানায় উঠে বসলো। তার এখন একটুও ঘুমাতে ইচ্ছে করছে না। সবাই মিলে ওইখানে মজা করবে আর এখানে সে ঘুমাবে। মেরাব চট করে উঠে লাইট নিভিয়ে দিয়ে বিছানায় চলে আসলো। স্নেহা রাগ করে অন্য পাশ ফিরে শুলো। মেরাব স্নেহার কাছে গিয়ে বলল,
“আজকে মুভি দেখবে না?”
স্নেহা পেছনে ফিরে বলল,
“না!”
“কেনো?”
“আপনি বাহিরে যেতে দেননি বলে।”
“ওসব ছাড়ো! এখন কিছু করতে দিবে কি?”
“কি করবে দিবো?”
“ওই রোমান্টিক কিছু!”
“না মানে?”
মেরাব গা ছাড়া ভাব নিয়ে বলল,
“না মানে আর কি মানে যাই বলো আমার কিচ্ছু যায় আসে না। আজকে রাতে আমি যা চাইবো তাই হবে।”
স্নেহা মেরাবের বুকে নুইয়ে মিশে গেলো। মেরাব বাকা হেসে বলল,
“তাহলে কি আমি ভেবে নিবো চুপচাপ সম্মতির লক্ষণ!”
স্নেহা কথা বলা ভুলে গেলো। কি বলবে দোটানায় পড়ে গেলো। সেদিন মেরাবের থেকে দূরে গিয়েছিলো বলে কত কষ্টে রেখেছিলো তাকে। কথা পর্যন্ত বলেনি। আর আজ দূরে গেলে মেরাব একবারে কথা বলা বন্ধ করে দেবে। এর থেকে ভালো মেরাব যা চায় তাই হবে। মেরাব যা চাইবে ভালোবেসেই তো চাইবে। এতে না করারও কিছু নেই।
মেরাব পুনরায় বলল,
“স্নেহা কি বলো, কি চাও তুমি?”
স্নেহা মাথা একটু তুলে বলল,
“আপনাকে চাই।”
এদিকে আসিফ মৌকে বিছানায় শুয়ে থাকতে দেখে এগিয়ে এসে বসলো। মৌ তখনও অবচেতন। আসিফ মৌয়ের দুগালে হাত রেখে বলল,
“এই মৌ! মৌ! মৌ! কথা বলো! কি হয়েছে? মৌ! এই মৌ! দেখো আমি এসেছি। মৌ!”
আসিফ মৌকে রেখে দরজার কাছে এলো। দরজা খুলতে চাইলে বুঝতে পারে দরজা বাহিরে থেকে বন্ধ। আসিফ আবারও মৌয়ের কাছে এলো। পাশ থেকে পানির গ্লাস এনে মুখে হালকা পানি ছিটা দিলো। কয়েকবার দেওয়ার পরে মৌ পিটপিট করে তাকালো। আসিফ স্বস্তির শ্বাস ছেড়ে বলল,
“এই মৌ, কি হয়েছিলো তোমার? অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলে কেনো?”
মৌ উঠে বসলো। মাথাটা ধরে চোখ বন্ধ করে মনে করার চেষ্টা করলো কি হয়েছিলো। পরক্ষনেই মনে পড়ে গেলো সেই টিস্যুর মধ্যেই কিছু ছিলো। এটা আসিফকে বলতে নিয়েও বলল না। আসিফকে না বলাই বেটার। মৌ কথা ঘুরিয়ে বলল,
“কেমন যেনো মাথাটা চক্কর দিয়েছিলো।”
“ওহ। এখন ঠিক আছো! জানো তোমার কথা শোনার পরে কিভাবে ছুটে এসেছি। ভেবেছি কি না কি হলো!”
মৌ গভীর গলায় বলল,
“কেনো ছুটে এসেছেন? ভালোবাসেন আমায়?”
আসিফ একবার মৌয়ের দিকে তাকালো এরপরে আবার উঠে দাঁড়িয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বলল,
“এতো কিছু করার পরও কি তোমার মনে হয়না ভালোবাসি কি না?”
মৌ মাথাটা নিচু করে ফেললো। আসিফ এগিয়ে গিয়ে ব্যালকনি খুলে রুমের বাহিরে চলে এলো।
এদিকে মাহিনেরও ভালো লাগছে না। মেরাবকে জ্বালাতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু একা একা কি করবে। সাদাফ আর সাইদাকে নিয়েই কিছু করতে হবে। ভাবতে ভাবতে নিচে এসে সাদাফকে পেলো। সাইদা গিয়েছে ফাহমিদা খানকে আসিফের খবর দিতে।
সাইদা ফাহমিদা খানকে ডেকে নিচে নামলো। মাহিন সাইদা আর সাদাফকে বলল,
“তোমরা কি জানো মেরাব কোথায়?”
সাদাফ বলল,
“আপনার সাথেই তো ছিলো!”
“হুম, আমার সাথেই ছিলো। তবে পরে বলল ওদের নাকি ঘুম পাচ্ছে!”
সাইদা বলল,
“ওহ, তাহলে ঘুমাক!”
মাহিন সাইদার কাধে হাত রেখে বোঝানোর কণ্ঠে বলল,
“তোমাদের কি মনে হয় ওরা ঘুমাতে গিয়েছে। নিশ্চই রোমান্স করতে গিয়েছে।”
সাইদা কাধ ঝাড়া দিয়ে বলল,
“তুমি ওদের দুলাভাই হয়ে কি বলছো হ্যা!”
“আমি আবার কি বলবো? তোমার ভাই আমাদের সাথে টাইম স্পেন্ড করা ছেড়ে নিজে বউ নিয়ে রোমান্স করবে এটা কেমন দেখায়।”
সাদাফ মাহিনের কথা বুঝতে পেরে বলল,
“ভাই, আপনি কি ওদের রোমান্সে বাঁধা দিতে চাইছেন?”
মাহিন হেসে বলল,
“এইতো বুঝেছো ভালো। কিন্তু তোমার বোকা বোনটাই বোঝেনা। শশুরবাড়ি এসে যদি শালা-শালীদের সাথে শয়তানিই না করলাম তাহলে আবার কেমন জামাই হলাম। তার উপরে আবার খান বাড়ির জামাই। একটু এক্সপেন্সিবই।”
মাহিন সাদাফ আর সাইদাকে নিয়ে মেরাবের রুমের সামনে চলে এলো। সাইদা আসতে চায়নি। মাহিন আর সাদাফ জোর করে ধরে নিয়ে এসেছে। যতই হোক ভাইয়ের সাথে এইরকম শয়তানি বেমানান। ওরা নাহয় দুলাভাই, চাচাতো ভাই বলে করতেই পারে। কিন্তু চাচাতো বোন হয়ে শয়তানি করা সত্যিই বেমানান।
মাহিন সাইদাকে শক্ত করে ধরে মেরাবের রুমের সামনে এসে দাড়ালো। এরপরে মেরাবকে ডেকে উঠলো,
“মেরাব! মেরাব! ঘুমিয়ে পড়েছো নাকি?”
মেরাব আর স্নেহা দুজনেই আচমকা ডাক শুনে দরজার দিকে তাকালো। মাহিন আবারও ডেকে উঠলো,
“মেরাব, রোমান্স পড়ে করো। এখন একটু দরজা টা খুলো তো ভাই!”
মেরাব রাগে দাঁত কিড়মিড় করে বিড়বিড় করে বলল,
“শালারা একটাও মানুষ না।”
সাইদা মাহিনের হাত থেকে ছাড়া পাওয়ার জন্য ছটফট করছে। এর মধ্যে সে থাকতে চায় না। মাহিন আবারও ডাকলো মেরাবকে। মেরাব স্নেহাকে উত্তর দিতে বলল। স্নেহা গলা উঁচিয়ে বলল,
“দুলাভাই, উনি ঘুমাচ্ছে।”
মাহিন শয়তানি হাসি দিয়ে বলল,
“ও ঘুমাক। তুমি দরজা খুলে দাও। আমরা ওকে জাগিয়ে নিচ্ছি।”
স্নেহা মেরাবের মুখপানে তাকালো। মেরাব স্নেহার কপালে চুমু দিয়ে রাগে হিরহির করে স্নেহার উপরে থেকে উঠে বিছানায় থেকে নেমে দাড়ালো। শার্টের বোতাম লাগাতে লাগাতে রুমের ডিম লাইট নিভিয়ে, মেইন লাইট জালিয়ে দিলো। স্নেহা বিছানায় থেকে নেমে শাড়ি ঠিক করে মেরাবের পেছনে দাড়ালো। মেরাব শব্দ করে দরজা খুলে দিয়ে কটমট দৃষ্টিতে তাকালো। মাহিন দোপাটি দাঁত বের করে হেসে বলল,
“ঘুম শেষ ভাই?”
মেরাব দাঁত চেপে বলল,
“ঘুমাতে দিয়েছেন কি?”
মাহিন হেসে বলল,
“আরে পরে অনেক ঘুমাতে পারবে এখন চলো তো!”
মেরাব বলল,
“আপনারা যান আমরা আসছি!”
“ঠিক আছে। তাড়াতাড়ি এসো কিন্তু। যদি আবারও ঘুমিয়ে পড়ো তাহলে আমরা আবারও ডাকতে আসবো।”
বলেই সাইদা আর সাদাফকে নিয়ে চলে গেলো। মেরাব পেছনে ফিরে ধুপধাপ পা ফেলে রুমে চলে আসে। স্নেহা বিছানায় এসে বসলো।
মৌয়ের প্রশ্নটা করে অপরাধবোধ হচ্ছে। ভালোই তো বাসে। ভালো না বাসলে কি এতো কিছু করতো। মৌ আর বসে থাকতে পারলো না। বিছানায় থেকে নেমে গুটি গুটি পায়ে ব্যালকনিতে চলে এলো। আসিফ অন্যদিকে ফিরে দাড়িয়ে ছিলো। মৌ হাত বাড়িয়ে ডাকতে গিয়েও গলার স্বর ভারী হয়ে এলো। আসিফ বুঝতে পেরেছে মৌ তার পেছনে। তবুও না বোঝার ভান করে রইলো।মৌ মিনিট দুই দাড়িয়ে থেকে আসিফকে পেছনে থেকে জড়িয়ে ধরলো। আসিফ পুরো শকড। মৌ তাকে জড়িয়ে ধরেছে অবিশ্বাস্য। আসিফ পেছনে ফিরে মৌকে জড়িয়ে ধরে রইলো।
এর একটু পরেই রুমের দরজা খুলে দেওয়া হলো। ফাহমিদা খান আর সাইদা রুমে ঢুকলো। আসিফ আর মৌ রুমে ঢুকে পড়লো। ফাহমিদা খান এসে আসিফের সাথে কথা বললেন। আসিফও কথা বলল। মারুফুল খানও এলেন। ফাহমিদা খান আসিফের জন্য খাবার রেডি করেই এসেছেন। তিনি আসিফকে খাওয়ার কথা বলতেই আসিফ বলল,
“আন্টি, আমি রেস্টুরেন্ট থেকে আসার আগেই খেয়ে এসেছি। এখন আর খাবো না।”
মারুফুল খান বললেন,
“খেয়ে এসেছো সেটা অনেক আগে। এখন তো অনেক রাত হয়েছে। অল্প কিছু খাও!”
মারুফুল খান আর ফাহমিদা খান জোরাজোরি করলেন কিন্তু আসিফ খেতে চাইলো না। সত্যিই খেয়ে এসেছে। রাত অনেক হওয়ায় মারুফুল খান ফাহমিদা খানকে নিয়ে চলে গেলেন। আবার ঘন্টা দুই পরেই উঠতে হবে। উনারা দুজনে চলে যাওয়ার পরে মাহিন, সাদাফ, সাইদা, আসিফ আর মৌ সবাই কথা বলতে থাকে। ওরা আজকে কাউকেই ছাড়বে না।
মেরাব ওয়াশরুম থেকে হাত-মুখ ধুয়ে বেরিয়ে রাগে গটগট করে বলল,
“আমাকে যেমন ওরা ঠিক থাকতে দেয়নি ঠিক তেমনই ওদের একটাকেও ঠিক থাকতে দেবো না।”
স্নেহা জিজ্ঞাসা করলো,
“কি করবেন এখন?”
“চলো গেলেই দেখতে পাবে।”
“চলুন!”
“তুমি যাও! আমি আসছি!”
স্নেহা চলে যেতেই মেরাব ওয়াশরুমে ঢুকলো। একটা মগে শ্যাম্পু আর পানি মিক্স করে নিয়ে রুম থেকে বের হলো। এরপরে মৌয়ের রুমের সামনে এসে স্নেহাকে ডাকলো। এতে মাহিন স্নেহাকে বলল,
“দেখোতো মেরাব কি বলে, শুনে এসো!”
স্নেহা রুম থেকে বের হয়ে মেরাবের সামনে এলো। মূলত মেরাব স্নেহাকে ওদের থেকে সরিয়ে নিয়ে এলো। এরপরেই মেরাব রুমে ঢুকে। সবাই একসাথে বসেছিলো। মেরাব মগের মধ্যে থাকা শ্যাম্পু গোলা পানি ওদের উপরে ছুড়ে মারে। মৌ, সাদাফ আর সাইদা তিনজনে মিলে বলে উঠলো,
“ভাইয়া কি করলে এটা!”
সবাই বিছানায় থেকে নেমে জামাকাপড় ঝাড়া দিতে থাকে। মেরাব ওদের দিকে তাকিয়ে বাকা হেসে বলল,
“আমার পক্ষ থেকে ছোট্ট একটা গিফট। সবাই গোসল করে নিও! শ্যাম্পু ছিলো।”
বলেই রুম থেকে বেরিয়ে স্নেহাকে নিয়ে রুমে চলে আসে। আর সবাই যে যার দিকে হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে আছে। এখন গোসল করতে হবে? সাদাফ আগে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো। এরপরে মাহিন আর সাইদা। আসিফ ওয়াশরুমে ঢুকে গেলো। শাওয়ার নিয়ে বের হলো শুধু টাওয়াল পড়ে। কোনো জামাকাপড় আনেনি কি পড়বে এখন। এরপরে মৌকে বলল মেরাবের থেকে একটা শার্ট আর প্যান্ট নিয়ে আসতে। দুজনের বডি সাইজ একই।
মৌ মেরাবের থেকে শার্ট আর প্যান্ট নিয়ে যায়। স্নেহা বিছানায় পা উঠিয়ে বসতে বসতে মেরাবকে বলল,
“আপনি কি করলেন এটা, ওদের উপরে শ্যাম্পু-পানি দিলেন কেনো?”
মেরাব এগিয়ে এসে বলল,
“আমাকে বাসর করতে দেয়নি তাই আমিও ওদের বসে থাকতে দিলাম না।”
স্নেহা গোল গোল চোখে তাকিয়ে রইলো। মেরাব হেসে বলল,
“শুধু সেহেরির সময় দেখবে ওদের কি অবস্থা হয়।”
স্নেহা কথাটা বুঝতে না পেরে সাথে সাথেই বলল,
“কি অবস্থা হবে?”
মেরাব বাকা হেসে বলল,
“সবকয়টা ভেজা চুলে বের হবে। তখন দেখো কি মনে করে সবাই। আমার সাথে শয়তানি করা না! আমিও শয়তানি কম জানি না।”
সেহেরির টাইমে সবকিছু রেডি করে স্নেহা সবাইকে ডাকতে এলো। সবাই নিচে আসার জন্য স্বীকার করলেও কেউই আগে আসে না। মেরাব সবার আগে এসে বসে আছে। সাদাফও এসেছে। ওর কি কোনো চিন্তা আছে। ও ভেজা চুলে আসলেও কেউ জিজ্ঞাসা করবে না আবার শুকনো চুলে আসলেও কেউ জিজ্ঞাসা করবে না।
মারুফুল খান আর আরিফুল খান খাবার খেয়ে চলে যায়। সাহারা খানকে রুমে পাঠিয়ে দেয় ফাহমিদা খান। সময় আছে আর আধঘন্টা। ফাহমিদা খান স্নেহাকে আবারও ডাকতে পাঠালো। মাহিন আর সাইদা বের হলো আগে। সাইদা ওড়না ঘোমটা দিয়ে বের হয়েছে। তবুও বোঝা যাচ্ছে শাওয়ার নিয়েছে। এরপরে আসিফ আর মৌ এলো।ওরা চুলটা যে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকাবে তারও সময় নেই ওদের। মেরাব হাসতে চেয়েও পারছে না ইচ্ছে করছে গড়াগড়ি পেরে হাসতে।
সবাই টেবিলে এসে বসলো। ফাহমিদা খান সবকটার দিকে তাকালেন। সবাই গোসল করেছে সত্যিই কেমন যেনো খটকা লাগছে। মেরাব তো খাওয়ার সময় মাহিনকে বলেই উঠলো,
“দুলাভাই, আপনাদের হয়েছে টা কি? সবাই একসাথে গোসল দিয়ে এসেছেন না মানে রোজা-রমজানের মাস তো!”
মাহিন কেশে উঠলো। ফাহমিদা খান মেরাবের পিঠে হালকা চাপর মেরে বললেন,
“মেরাব চুপচাপ খাও!”
মাহিন মেরাবের দিকে এগিয়ে এসে বলল,
“খান বাড়ির বড় জামাইকে এভাবে পচালে?”
মেরাব হেসে বলল,
“আপনারাও তো আমাকে রোমান্স করতে দিলেন না। তাই ভাবলাম আপনাদের সবার সামনে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিই।”
আসিফ মেরাবের হাত ধরে টেনে ফিসফিস করে বলল,
“সকালটা হতে দে। তোদেরও গোসল করিয়ে সবার সামনে আনবো। আই প্রমিস দোস্ত!”
মেরাব হেসে বলল,
“সমস্যা নেই। আমার আবার দিনের তিনবেলা গোসল করার অভ্যাস আছে। তু্ই নাহয় আরেকবার ফ্রিতেই করিয়ে দিলি।”
সেহেরি করে মেরাব আর শুলো না। রুমেই নামাজ পড়ে গাড়ির চাবি নিয়ে বের হলো। স্নেহা শুয়ে পড়লো। মেরাব বাহিরে এসে গাড়ি গোডাউন থেকে বের করতেই সামনে আসলো মারুফুল খান আর ফাহমিদা খান। দুজনেই গাড়িতে উঠে বসলো।
চলবে….
১৬০০+ শব্দসংখ্যা।
পরবর্তী পর্ব কালকে রাত আট টায় দিবো। ইনশাআল্লাহ। যারা যারা পড়বে অবশ্যই রিএক্ট দিবে।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। রেসপন্স করবেন!!!!!!
[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]
Share On:
TAGS: কি আবেশে, জেরিন আক্তার
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কি আবেশে পর্ব ৩০
-
চোরাবালির পিছুটানে পর্ব ১
-
চোরাবালির পিছুটানে গল্পের লিংক
-
কি আবেশে পর্ব ২৩
-
কি আবেশে পর্ব ২৪
-
কি আবেশে পর্ব ৩
-
চোরাবালির পিছুটানে পর্ব ২
-
কি আবেশে পর্ব ১
-
কি আবেশে পর্ব ১৯
-
কি আবেশে পর্ব ১৮