কি_আবেশে (২৪)
জেরিন_আক্তার
মেরাব আসিফের গান শুনে সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল,
“তোর আবার প্রেমের প্রতি ইন্টারেস্ট হলো কবে থেকে?”
“যবে থেকে তু্ই বিয়ে করেছিস সেদিন থেকেই ভাবছি আমারও কিছু একটা করা দরকার।”
“তো কি করবি ঠিক করলি?”
আসিফ নাক-মুখ কুঁচকে বলল,
“প্রেম করবো না। যা বুঝলাম প্রেমে রিক্স। করলে বিয়েই করবো।”
মেরাব বলল,
“তোর ভাবসাপ ভালো ঠেকছে না। বিয়ে করলে অন্তত জানাইস।”
আসিফ মনে মনে বলল, বিয়ে তো তোর বোনকেই করবো। জানালে কি করতে দিবি। আর জানাতেও চাই না। সারাজীবন তো ভালো কাজই করে গেলাম। এখন না হয় একটু ভণ্ডামি করেই বিয়ে করলাম।
আসিফ কথাগুলো ভাবতে ভাবতে হেসে উঠলো।হাসতে হাসতে মেরাবকে বলল,
“তু্ই হলি আমার ভাই। তোকে না জানিয়ে বিয়ে করবো এটা হতে পারে না। তবে একটু সারপ্রাইস আছে।”
মেরাব আর কোনো কথা বাড়ালো না। আসিফকে নিয়ে ড্রইং রুমে বসলো। ফাহমিদা খান আর স্নেহা আসিফের সামনে নাস্তা এনে রাখলো। আসিফ অল্প কিছু খেয়ে, কথা-বার্তা বলে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। ফাহমিদা খান অনেক জোরাজোরিও করলেন থাকার জন্য। আসিফ সবার কাছে বিদায় জানিয়ে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালো। মেরাব আসিফের সাথে যেতে যেতে বলল,
“গাড়ি এনেছিস?”
“হুম। তো আজকে বের হবি না?”
মেরাব বলল,
“হুম। হতে হবে একটু। তু্ই যাবি?”
“না রে! আজ আর কোথাও বের হতে পারবো না।”
“কেনো?”
“ওই বাবার সাথে একটু কাজে যেতে হবে। আর যদি সময় বের করতে পারি তাহলে তোকে জানাবো।”
“ঠিক আছে।”
আসিফ চলে গেলো। মেরাব বাড়িতে চলে এলো। স্নেহা ফাহমিদা খানের সাথে কাজ করছে কিচেনে। মেরাব স্নেহাকে ডাক দিয়ে বলল,
“স্নেহা কফি বানিয়ে দাও!”
“দিচ্ছি।”
মেরাব নিজের ফোন বের করে ফেসবুকে ঢুকলো। সাইদা আবার ওর স্বামীর সাথে কথা বলতে বলতে সোফায় এসে বসলো। কথা বলা শেষ করে মেরাবকে বলল,
“ভাইয়া, কালকে চলে যাবো। আমাকে একটু দিয়ে আসবে।”
“কেনো তোর জামাইকে বল!”
“ওর হাতে সময় নেই।”
মেরাব মুখ বেকিয়ে বলল,
“এহ, সময় নেই! সারাদিন কথা বলতে তো ঠিকই পারিস, তখন কি সময় উড়ে উড়ে আসে!”
সাইদা মেরাবের পাশে এসে বসে বলল,
“সত্যিই ওর কাছে সময় নেই। আর আমার শশুরও ব্যাস্ত মানুষ, আসতে পারবে না।”
“তাহলে গাড়ি পাঠিয়ে দেই!”
“না, তুমি দিয়ে আসবে।”
“তোর ভাইকে বল! আমার কালকে কলেজে যেতে হবে। কলেজ কালকে বন্ধ দিয়ে দিবে। কলেজ ছেড়ে তোর সাথে যেতে পারবো না। তু্ই বরং সাদাফকে বল!”
সাইদা ফোঁস করে শ্বাস ছেড়ে বলল,
“আর সাদাফ! ও যাবে না।”
“কেনো?”
“ওর নাকি কাজ আছে।”
“ওহ।”
“ঠিক আছে। বিকেলে রেডি হয়ে থাকিস, নিয়ে দিয়ে আসবো।”
“সত্যিই?”
“হুম।”
মিনিট দুই পরে মেরাব বলল,
“মৌ কোথায় রে?”
“দেখলাম তো স্টাডি টেবিলে বসে আছে।”
“ওহ, আর ছোট আম্মু?”
“মা গিয়েছে মামার বাসায়। মামাকে দেখতে।”
“ওহ।”
সন্ধ্যার দিকে মেরাব, স্নেহা আর সাইদা একসাথে বসে কথা বলছে। মেরাব সাদাফকেও পরে ডেকে ওদের সাথে বসায়। সাদাফ স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলতে থাকলো। কালকে মৌয়ের বার্থডে। এটা নিয়েই ওরা কিছু সারপ্রাইস প্ল্যান করছে। কালকে না করলে আর হবে না। কারণ পরশু থেকে রোজা শুরু।
সবাই মিলে ঠিক করলো রাত বারোটায় কেক নিয়ে উইশ করবে সবাই। কথা বলা শেষে সাদাফ কেক কিনতে বাহিরে গেলো।
মৌ রাতের খাবার খেতে একবার নিচে এসেছিলো। খাবার খেয়ে সবার সাথে কথা বলে নিজের রুমে চলে যায়। মেরাবরাও সারপ্রাইস সম্পর্কে ওকে কিছু বুঝতে দেয়নি।
মেরাব আর স্নেহা জেগে আছে। ঠিক সময়ে মৌকে উইশ করবে বলে। মেরাব রুমে পায়চারি করছে। স্নেহা বিছানায় বসে মুভি দেখছে। মেরাব স্নেহার দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বলল,,,কই একটু জামাইয়ের সাথে কথা বলবে, একটু টাইম স্পেন্ড করবে। তা না! এত্ত মুভি দেখতে পারে। ইচ্ছে করছে এই রাত্রিবেলা পানিতে চুবাতে।
স্নেহা মেরাবের কথাগুলো শুনলো না। তবুও মন বলছে মেরাব কিছু বলল। ফোন রেখে উঠে দাড়ালো স্নেহা। মেরাবের কাছে গিয়ে বলল,
“কিছু বলছিলেন?”
“নাহ কি বলবো?”
“ওহ, আমার মনে হলো কিছু বললেন হয়তো।”
মেরাব বিড়বিড় করে বলল,
“ঠিক শুনেছো!”
স্নেহা বিছানায় এসে হেলান দিয়ে বসলো। মেরাব দুষ্টু হেসে এগিয়ে এসে বসলো। দুজনে মুখোমুখি।স্নেহা মেরাবকে বলল,
“কিছু বলবেন?”
মেরাব চট করে স্নেহা ঠোঁটে নিজের ঠোঁট রাখলো। স্নেহা দুহাত দিয়ে মেরাবকে সরিয়ে দিতে নিলে মেরাব স্নেহার দুইহাত দেয়ালে চেপে ধরলো। স্নেহা নড়াচড়া করতে নিলে মেরাব নিজের শরীরের ভার ছেড়ে দিলো স্নেহার উপরে। মেরাব স্নেহার ঠোঁট ছেড়ে দিয়ে তাকালো। স্নেহা লজ্জায় চোখ বন্ধ করে রইলো। একই সাথে স্নেহার ঠোঁট তিরতির করে কাপছে। মেরাব আবারও স্নেহার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো। আস্তে আস্তে স্নেহার হাতও ছেড়ে দিলো। স্নেহা মেরাবের ঘাড়ের উপরে শার্ট খামচে ধরলো। মেরাব স্নেহার ঠোঁট ছেড়ে দিয়ে গলায় মুখ ডুবালো।
রাত বারোটা বাজার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে সমানতালে ফোন বেজে উঠে মৌয়ের। মৌ কালকে রাতে ঘুমাতে পারেনি। আজ বিভরে ঘুমাচ্ছে। ফোন বারবার বেজে উঠায় ঘুম ভেঙে যায়। চোখ বন্ধ করেই ফোন হাতে নিয়ে চোখ খুলে আসিফের নাম দেখে ধপ করে উঠে বসলো।বিড়বিড় করে বলল,, এতো রাতে কল দিয়েছে কেনো? কোনো কিছু হলো নাকি?
ফোন রিসিভ করে কানে ধরতেই আসিফ বলল,
“কখন থেকে ফোন দিয়ে যাচ্ছি। ধরছিলে না কেনো?”
“ভাইয়া ঘুমাচ্ছিলাম।”
“ওহ। তুমি কি এখন একাই? না মানে পাশে কেউ আছে কি?”
“না নেই।”
“ওহ, আচ্ছা।”
“ভাইয়া এতো রাতে কেনো কল দিলেন?”
“কেনো আমার কল দেয়া বারণ নাকি?”
“না, তা বলিনি।”
“তাহলে?”
“মানে এতো রাতে কল দিয়েছেন কিছু বলবেন কি?”
“হুম।”
“কি বলুন?”
আসিফ ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখলো ঠিক বারোটা বাজলো। সাথে সাথে গভীর গলায় বলল,
“হ্যাপি বার্থডে মৌ!”
মৌ তৎক্ষণাৎ ফোন কানে থেকে সামনে নিয়ে ডেট দেখলো। আজ যে তার বার্থডে সেটা খেয়ালই ছিলো না। ফোনটা আবার কানে নিতেই আসিফ বলল,
“ফার্স্ট উইশ করার জন্যই এতো রাতে কল দেওয়া।”
মৌ একটু খুশি হয়েই বলল,
“থ্যাংক ইউ, ভাইয়া। অনেক অনেক খুশি হয়েছি। তবে আমার বার্থডে ডেট জানলেন কি করে?”
আসিফ গভীর গলায় বলল,
“কথায় আছে না মনের টান থাকলে সবই জানা যায়। বিষয়টা এমনই হয়েছে।”
মৌ কিছু বলবে ঠিক তখন বাহিরে থেকে নক করে মেরাবরা। প্রতিদিন দরজা খোলাই রাখে আজকে কি মনে করে যেনো বন্ধ করেই ঘুমিয়েছে। যা দেখে মেরাব প্রচন্ড রেগে আছে।
মৌ তৎক্ষণাৎ ফোনটা ওইভাবেই রেখে দিয়ে বিছানায় থেকে নেমে দরজা খুলে দিলো। মেরাব সাথে সাথে বলল,
“হ্যাপি বার্থডে শাকচুন্নি।”
পাশ থেকে সাইদা বলল,
“ভাগ্গিস প্রথম ডাকেই দরজা খুলেছিস নাহলে দেখ বারোটা এক বেজে যেতো।”
মেরাব রুমে ঢুকতে ঢুকতে বলল,
“প্রতিদিন তো দরজা লাগাস না আজকে কি জন্যে দরজা লাগিয়েছিস? ইচ্ছে করছে বটগাছে বেধে রাখি।”
“ভাইয়া! কি বলছো!”
সাদাফ বলল,
“মেরাব ভাই ঠিকই বলেছে। তোকে উইশ করবো বলে ঘুমাইনি। আর এক মিনিট দেরি হলে আমিও তোকে বট গাছে বেধে রেখে আসতাম।”
আসিফ কথাগুলো শুনে হাসছে। সাদাফ বিছানার দিকে এগিয়ে এসে চাদর সরিয়ে বসতেই দেখলো মৌয়ের ফোনে কেউ কল দিয়েছে। সাদাফ ফোন হাতে নিতে নিতে বলল,
“মৌ তোকে মনে হয় কল দিয়েছে কেউ?”
সাথে সাথে আসিফ কল কেটে দেয়। মৌ এগিয়ে এসে ফোন হাতে নিয়ে বলল,
“ভাইয়া, আমার বান্ধবী কল দিয়েছিলো। ও মাত্রই বলল যে বারোটায় উইশ করবে। একমিনিট বাকি ছিলো। উইশ করার আগে তোমরা এলে, তখন দরজা খুলে দেখি তোমরা বার্থডে উইশ করতে এসেছো।”
স্নেহা বলল,
“যাক, ভালোই হয়েছে। আমরাই আগে উইশ করতে পেরেছি।”
মেরাবের কাছে বিষয়টা হালকা খটকাই লাগলো।এই মাঝরাতে ওর বান্ধবী জেগে থাকবে ওকে উইশ করার জন্য! সিরিয়াসলি!
সকালবেলা মৌ ঘুমিয়েই ছিলো। সকাল আটটা বাজে। এই মুহূর্তে আবারও ফোনের রিংটোনে ঘুম ভাঙলো। একরাশ বিরক্তি নিয়ে উঠে বসলো। ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলো অচেনা নাম্বার। রিসিভ করে কানে নিলো।
“হ্যালো, আপনি কি মৌ বলছেন?”
“হ্যা। আপনি কে?”
“আপু আপনার একটা পার্সেল এসেছে। গেটের সামনে আসুন একটু!”
“কিসের পার্সেল? আমি কিছু তো অর্ডার করিনি।”
“আপু, আসিফ পাঠিয়েছে।”
মৌয়ের স্মরণে এলো আসিফ রাতে বলেছিলো একটা পার্সেল আসবে সেটা রিসিভ করতে হবে। মৌ বিছানায় থেকে নামতে নামতে বলল,
“দুই মিনিট দাঁড়ান! আমি আসছি!”
বলেই কল কেটে দিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকলো।
মেরাব আর মারুফুল খান নাস্তা করতে বসেছে। মারুফুল খান এখনই চলে যাবেন কলেজে আর মেরাব যাবে দশটার দিকে। মেরাব খেতে খেতে স্নেহাকে চোখ মারলো। স্নেহা ভেঙচি কেটে মারুফুল খানকে বলল,
“বড় মামা কিছু লাগবে?”
“না। দেখো মেরাবের কিছু লাগবে কি না।”
স্নেহা মেরাবকে বলল,
“আপনার কিছু লাগবে?”
“হুম।”
“কি দিবো?”
“রুমে চলো!”
মারুফুল খান আচমকা এরূপ কথায় কেশে উঠলেন। স্নেহা মেরাবের পিঠে চিমটি কেটে মারুফুল খানের দিকে পানি এগিয়ে দিলো। মেরাব বলল,
“পানি খাও।”
মারুফুল খান পানি খেয়ে শান্ত চোখে ছেলের দিকে তাকালেন। স্নেহা কিচেনে চলে গেলো। মনে মনে ভাবলো,,মেরাব এই সময় এমন কথা বলেছে বড় মামা কি না কি মনে করবে। আর এই অসভ্য লোকটাও রুমে চলো বলতে হবে কেনো? শুধু আজ রুমে যাই, উনাকে আচ্ছামতো দিবো। মেরাব খাওয়া শেষ করে উঠে দাঁড়িয়ে স্নেহাকে বলল,
“কিছু লাগবে বলছিলে না। রুমে এসে জামাগুলো আয়রন করে দিয়ে যাও! তাহলেই হবে। এছাড়া আর কিছু লাগবে না।”
বলেই আবারও স্নেহার দিকে তাকিয়ে চোখ মেরে চলে গেলো। স্নেহা কিচেনে থেকে মাথাটা নত করে উপরে চলে গেলো। মারুফুল খান ভাবুক গলায় বললেন, এইটা কি আমারই ছেলে!
মৌ পার্সেলটা খুলে দেখলো লাল রঙের একটা শাড়ি সাথে একটা চিরকুট। সেখানে লেখা—-
“শাড়িটা পড়ে সকাল দশটায় বের হবে।
আমি গাড়ি নিয়ে আসবো তোমাকে নিতে।”
মৌ একটু অবাক হলো। এটা নিশ্চিত এগুলো আসিফের কাজ। কিন্তু উনার এইগুলো কাজ করার পেছনে কি লাভ।
স্নেহা রুমে এসে মেরাবের সাথে তেমন কোনো ঝামেলা বাঁধালো না। চুপচাপ জামাগুলো আয়রন করে দিলো।
সাড়ে নয়টার দিকে মেরাব রেডি হয়ে নিলো। এখন কলেজে যাবে। স্নেহা সেইযে জামাগুলো আয়রন করে দিয়ে বের হয়েছে আর রুমে আসেনি। মেরাব রুম থেকে বের হওয়ার আগে স্নেহাকে ডাকলো। স্নেহা রুমে এসে বলল,
“ডেকেছিলেন?”
“হুম। কলেজে যাওয়ার আগে তোমায় একটু দেখে যেতাম তাই ডেকেছি।”
“ঢং!”
“তাও তো তোমার মতো না।”
“কি বললেন?”
মেরাব ঠোঁট কামড়ে হেসে বলল,
“বয়রা!”
স্নেহা রেগে ফুলে একাকার। শুধু বলল,
“রাতে দেখে নিবো আপনাকে!”
মেরাব বাঁকা হেসে বলল,
“দেখো এখনই। খুলবো!”
স্নেহা নাক-মুখ কুঁচকে বলল,
“অসভ্য লোক কোথাকার! আজ রাতে সত্যিই আপনার খবর আছে।”
এই বলে স্নেহা ওয়াশরুমে ঢুকলো। মেরাব ফোন আর ওয়ালেট হাতে নিয়ে বলল,
“আসছি। কিছু লাগলে কল দিও।”
স্নেহা ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে বলল,
“সাবধানে যাবেন!”
“হুম।”
মেরাব চলে গেলো। যাওয়ার সময় মৌয়ের রুমের দিকে গেলো। শাড়ি পড়ে বসে আছে। মেরাব কৌতূহলবসত রুমে ঢুকে বলল,
“কিরে শাকচুন্নি এতো সেজেগুঁজে বসে আছিস কেনো?”
মৌ মেরাবকে দেখে ঘাবড়ে গিয়ে বলল,
“ভাইয়া, আমার বান্ধবীরা সারপ্রাইস এরেঞ্জ করেছে সেখানে যেতে বলেছে।”
“ওহ। চল আমি নিয়ে যাই!”
“না, ভাইয়া। আমি চলে যেতে পারবো।”
“ঠিক আছে। আর সবই ঠিক আছে তো শাড়ি পড়েছিস কেনো?”
মৌ আমতা আমতা সুরে বলল,
“ও ওরা শাড়ি পড়ে আসবে সবাই।”
“ঠিক আছে। সাবধানে যাস। কিছু হলে কল দিস। আমি আসছি।”
“ঠিক আছে।”
মেরাব স্বাভাবিক ভাবেই চলে গেলো। কিন্তু মনে মনে যেনো অস্বাভাবিক লাগছে। মৌকে কেমন ভালো ঠেকছে না।
চলবে….
পরবর্তী পর্ব কালকে ইফতারের পরেই দিবো ইনশাআল্লাহ। যারা যারা পড়বে অবশ্যই রিএক্ট দিবে।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। রেসপন্স করবেন!!!!!!
[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]
Share On:
TAGS: কি আবেশে, জেরিন আক্তার
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কি আবেশে পর্ব ১০(স্পেশাল পার্ট)
-
কি আবেশে পর্ব ৬
-
কি আবেশে পর্ব ১৭
-
চোরাবালির পিছুটানে পর্ব ২
-
কি আবেশে পর্ব ৭
-
কি আবেশে পর্ব ১১
-
কি আবেশে পর্ব ১৩
-
কি আবেশে পর্ব ২০
-
কি আবেশে পর্ব ১৯
-
কি আবেশে পর্ব ২২