কি_আবেশে (০২)
জেরিন_আক্তার
মেরাবের মুখ থেকে কলেজ ছুটির কথা শুনে মারুফুল খান সাথে সাথে উঠে দাঁড়ালেন। এই কথা শোনারই অপেক্ষায় ছিলেন। এতো স্টুডেন্টকে তিনি ভুলিয়ে-ভালিয়ে রেখেছিলেন শুধু ছেলের জন্য। তিনি তৎক্ষণাৎ প্রিন্সিপাল রুম থেকে বের হয়ে চলে গেলেন। এর সাথে মেরাবও।
মারুফুল খান ড্রাইভ করছেন। মেরাব পাশের সিটে বসে আছে। মারুফুল খান ছেলের মুখের দিকে তাকাতে পারছেন না। এখনও রেগে আছে।
কিছুক্ষণ পরে মারুফুল খান নীরবতা ভেঙে প্রশ্ন করেন,
‘ মেরাব কি হয়েছে বলোতো? কোনো কথা বলছো না! যে মেয়েকে তুমি খুঁজছো সেই মেয়ে কি তোমাকে কিছু বলেছে? ’
মেরাবের থেকে ছোট্ট একটি উত্তর আসলো,
‘ না! ’
মারুফুল খান বলেন,
‘ তাহলে ওই মেয়েকে খুঁজতে এতো গুলো স্টুডেন্টকে আটকে রাখলে কেনো? ’
মেরাব তার বাবার দিকে ঘুরে বলে,
‘ বাবা তুমি তোমার ছেলের কথা না ভেবে এখনও স্টুডেন্টদের নিয়ে পড়ে আছো! একদিন না হয় কষ্ট করলো! ’
মারুফুল খান ছেলের কথা শুনে মনে মনে বলেন,, ছেলে তো নয় যেনো টাইম বোমা। মুহূর্তে মুহূর্তে বিস্ফোরণ হয়। এই ছেলের রাগের জন্য বিদেশ পড়তে পাঠালাম মনে করেছি ভালো হয়ে ফিরবে কিন্তু না এই ছেলে দ্বিগুন বোম হয়ে ফিরে এসেছে। মা হারা ছেলে তার। তিনি ছেলের এমন রাগে কিছু বলতেও পারছেন না। ছেলেকে তিনি বড্ড বেশি ভালোবাসেন।
এমন সময় মারুফুল খানের ফোনে কল এলো। কলটা তার ওয়াইফ ফাহমিদা খান করেছেন। মেরাবের মা যখন মারা যায় তখন মেরাব ছোট ছিলো তাই মেরাবের দেখভালের জন্য তিনি মেরাবের খালাকে বিয়ে করলেন। কিন্তু মেরাব নিজের মতোই থেকেছে। কখনও তার খালাকে কাছে ঘেঁষতে দেয়নি। বলতে গেলে মেরাব নিজের মায়ের জায়গায় কাউকেই বসায়নি। নিজের খালাকেউ না। সময়ের সাথে বড় হতে হতে সিদ্ধান্ত নেয় বিদেশ পড়তে যাবে। এরপরে বিদেশ পড়তে গিয়ে আজ সাত বছর পরে ফিরে এলো।
…….
এদিকে মারুফুল খান কলটা রিসিভ করলেন,
‘ হ্যালো! ’
‘ হুম! বলো! ’
‘ তুমি কোথায় আছো? মেরাবকে নিয়ে বাড়িতে আসছো না কেনো এখনও? ’
‘ এই কলেজ থেকে একটু আগে বের হলাম। আধঘন্টার মধ্যে চলে যাবো! ’
‘ ঠিক আছে! ’
মারুফুল খান ফোন রেখে মেরাবের দিকে তাকালেন। মেরাব নিরেট কণ্ঠে প্রশ্ন করে,
‘ কে কল দিয়েছিলো? ’
‘ তোমার আম্মু! ’
মেরাব গম্ভীর হয়ে অন্যদিকে তাকালো।
মারুফুল খান মেরাবকে সাথে নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করলেন। ড্রইং রুমে বসা ছিলেন মেরাবের মা ফাহমিদা খান। তিনি মেরাবকে দেখা মাত্রই উঠে এগিয়ে এলেন। যতই হোক ছেলেতো।
দীর্ঘ ৭ বছর পর মেরাবকে সামনে থেকে দেখতে পেয়ে অশ্রুকাতর হয়ে উঠেন। ফাহমিদা খান এগিয়ে এসে মেরাবকে বুকে জড়িয়ে ধরতে চান কিন্তু কি জন্যে যেনো পারেন না। তাই তিনি মেরাবকে ধরে বলেন,
‘ মেরাব, বাবা কেমন আছো? ’
‘ আমি ভালো আছি। তুমি? ’
‘ আমি ভালো আছি! ’
মারুফুল খানের পরিবার খুবই ছোট। তারা দুই ভাই, এক বোন। মারুফুল খানই ভাই-বোনদের মধ্যে বড়। তিনি এখন কলেজের প্রিন্সিপাল পদে চাকরিরত রয়েছেন। তার প্রথম ওয়াইফ ছিলেন তাহমিনা খান। তাঁদের এক সন্তান, মেরাব খান। মারুফুল খান পরে যে বিয়ে করেছেন সেই ঘরে এক মেয়ে। নাম মৌ। এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে উঠেছে।
মারুফুল খানের ছোট ভাই আরিফুল খান। তার ওয়াইফ সাহারা খান। তাঁদের এক ছেলে- সাদাফ খান, এক মেয়ে- সাইদা খান। সাদাফ পড়াশোনা শেষ করেছে। আর সাইদার বিয়ে হয়ে গিয়েছে।
মারুফুল খানের বোনের নাম নাফিসা বেগম। তার হাসব্যান্ড আফনান মির্জা। পেশায় একজন ডক্টর। তাদের এক মেয়ে, স্নেহা মির্জা। এবার কলেজে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে উঠেছে।
মেরাব নিজের রুমে যাওয়ার জন্য সিঁড়িতে উঠতে নেয়। ঠিক তখনই মেরাবের সামনে এসে দাঁড়ায় একটি মেয়ে। মেরাবের সৎ বোন। নাম মৌ। এবার কলেজে উঠেছে। মেরাব মৌয়ের দিকে তাকিয়ে বলে,
‘ কিরে শাকচুন্নি! কেমন আছিস? ’
এই কথা শুনতেই মৌয়ের মুখের হাসি ফুস করে উড়ে যায়। সাথে সাথে গাল ফুলিয়ে বলে,
‘ ভাইয়া! শাকচুন্নি বলো কেনো? ’
মেরাব সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মৌকে সাথে নিয়ে যেতে যেতে বলে,
‘ চল, তোর জন্য চকলেট এনেছি! ’
‘ আম্মু….! ’
‘ আম্মু…. আমার কানের দুল কোথায়? ’
নাফিসা বেগম মেয়ের ডাকে কিচেন থেকে তাড়াহুড়ো করে আসলেন। স্নেহা তখন নিজের বিছানার মধ্যে সব জুয়েলারি অর্নামেন্টস গুলো অগোছালো করে রেখেছে। নাফিসা বেগম কোমরে হাত রেখে মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলেন,
‘ এই কি হয়েছে? ’
স্নেহা চুলগুলো হাতখোপা করতে করতে বলে,
‘ আম্মু আমার একটা কানের দুল পাচ্ছি না। ’
‘পাচ্ছিস না। কোথায় রেখেছিলি? ’
‘ আম্মু আজকে কলেজে অনুষ্ঠানে পড়ে গিয়েছিলাম। এরপরে বাসায় এসে আর পাইনি। ’
নাফিসা বেগম এই শুনে শ্বাস ছেড়ে বলেন,
‘ তাহলে কলেজেই হারিয়ে ফেলেছিস! ’
স্নেহা বিছানায় বসে বলে,
‘ কিন্তু আম্মু, কলেজে কখন হারালো। টেরও তো পাইনি। ’
স্নেহা এই বলে কিছু মনে করার চেষ্টা করলো। ঠিক তখন মাথায় স্মরণ হলো সে একটা ছেলের সাথে ধাক্কা খেয়েছিলো। হয়তো তখনই হারিয়ে গিয়েছে। স্নেহা তৎক্ষণাৎ উঠে দাড়িয়ে বলে,
‘ আম্মু আমার মনে পড়েছে। আজ আমার একটা ছেলের সাথে ধাক্কা লেগেছিলো মনে হয় তখনই পড়ে গিয়েছে। ’
‘ দেখেছিস, ধাক্কা খেয়ে হারিয়ে ফেলেছিস আর বাড়িতে এসে খুজছিস। তোর আর তোর বাবার জ্বালায় আমারই চলে যেতে হবে। ’
স্নেহা মনটা খারাপ করে বিছানায় বসলো। নাফিসা বেগম এগিয়ে এসে বলেন,
‘ তোর আবার কি হলো? ’
‘ আম্মু, ইয়ারিং টা আব্বু আমাকে বার্থডে গিফট দিয়েছিলো। আর সেটা শেষমেষ হারিয়ে ফেললাম। ’
‘ হয়েছে আর মন খারাপ করতে হবে না। তোর আব্বুকে বলিস সেইরকম দেখে আবার এনে দিবে। এখন ফ্রেশ হয়ে খেতে আয়। আমি কিন্তু আর ডাকতে পারবো না। ’
নাফিসা বেগম চলে গেলেন। স্নেহা বিছানায় পড়ে থাকা সব জুয়েলারিগুলো গুছিয়ে রাখলো। স্নেহার দৃঢ় বিশ্বাস ওই ছেলেটার সাথে ধাক্কা খাওয়ার সময়ই ইয়ারিংসটা পড়ে গিয়েছে। স্নেহা চোখ বন্ধ করে ওই নাম না জানা ছেলেটাকে বকতে লাগলো,,, শয়তান ছেলেটার জন্যই আমার পছন্দের জিনিসটা হারিয়ে গেলো। ওকে আবার যদি সামনে পাই তাহলে ওর বাপ-দাদার নাম ভুলিয়ে ছাড়বো। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে তো দেখে না টেরা কোথাকার।
স্নেহার মেজাজ ভালো নেই। খাবার খেতে এসে ধুপধাপ এইটা সেইটা আওয়াজ করে রাখছে। আফনান মির্জা মেয়ের দিকে একবার তাকাচ্ছেন আবার তার ওয়াইফের দিকে তাকাচ্ছেন। তিনি গলা খাকারি দিয়ে স্নেহাকে বলেন,
‘ বলছি আমার মেয়ের কি হয়েছে? ’
নাফিসা বেগম বলেন,
‘ তুমি যে ওর বার্থডে তে ওকে জুয়েলারি সেট গিফট করেছিলে সেটার ইয়ারিংস নাকি আজকে হারিয়ে ফেলেছে। বলি আবার কিনে এনে দেওয়া যাবে কিন্তু সেটা তার মাথায় ঢুকছে না। ’
আফনান মির্জা ধীর কণ্ঠে বলে উঠেন,
‘ স্নেহা হারিয়ে গিয়েছে তো কি হয়েছে আবার এনে দিবো। ’
স্নেহা খাওয়া রেখে বলে উঠে,
‘ আব্বু হারিয়ে যেতো না। কলেজে একটা বজ্জাত ছেলের সাথে ধাক্কা খেয়েছিলাম। সেখানেই হারিয়ে গিয়েছে। আব্বু যদি ওই ছেলেকে যদি কোনোদিন পাই, দেখো ইচ্ছেমতো বকবো! ’
আফনান মির্জা মুখে হাসি রেখে বলেন,
‘ তোমাকে কাউকেই বকতে হবে না। আর ভালো মেয়েরা কাউকে বকে না। আমি ওইরকম জুয়েলারি সেট ম্যানেজ করে দিবো। এখন খাও!’
স্নেহা মাথা নাড়ালো কিন্তু মনে মনে যেনো শান্তি পাচ্ছে না। ভাবছে ছেলেটাকি ওদের কলেজের নাকি বাহিরে থেকে অনুষ্ঠানে এটেন্ট করতে এসেছিলো। তবে সে যেখানে থেকেই আসুক না কেনো স্নেহা চেহারা চিনে রেখেছে। যদি কোনোদিন দেখা হয় তাহলে ওই ছেলের খবর আছে।
খাওয়ার মাঝে নাসিমা বেগম আফনান মির্জাকে বলেন,
‘ স্নেহার আব্বু, কালকে কি তুমি ফ্রি আছো? ’
‘ না, কালকে অপারেশন আছে দুটো! কেনো? ’
‘ আজকে মেরাব এসেছে। ও তো আর আসবে না। ওকে দেখতেই যাবো। ভাইজান আজকেই যেতে বলেছিলো কিন্তু আমি বলেছি কালকে যাবো! ’
‘ ওহ, তাহলে তোমরা কালকে সকালে চলে যেও। আমি সন্ধ্যার দিকে চলে যাবো। ’
পাশে থেকে স্নেহা মেরাবের কথা শুনছে। সেই যে কতবছর আগে দেখেছিলো এরপরে আর দেখেওনি। কথাও হয়নি। স্নেহা তার মায়ের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করে,
‘ আম্মু আমিও যাবো সাথে? ’
‘ হুম! সকালে বেরোবো। রেডি হয়ে থাকিস! ’
‘ ঠিক আছে। ’
রাত তখন অনেকটাই। ফাহমিদা খান ঘুমাননি। শুয়ে শুয়ে নিশ্চুপ হয়ে কাঁদছেন আর কিছু একটা ভাবছেন। পাশে শুয়ে আছেন মারুফুল খান। তিনি টের পেয়েছেন ফাহমিদা এখনও ঘুমায়নি। তিনি বলে উঠেন,
‘ ঘুমাচ্ছ না কেনো? ’
ফাহমিদা খান চোখের পানি মুছে বলে উঠেন,
‘ ঘুম আসছে না! ’
মারুফুল খান গলার কণ্ঠ খাদে নামিয়ে বলেন,
‘ কি হয়েছে বলো আমাকে? ’
ফাহমিদা খান কিছুক্ষন চুপ থেকে নিচু গলায় বলে উঠেন,
‘ মেরাব কি কখনও আমায় মা বলে ডাকবে না? ’
মারুফুল খানও নিশ্চুপ হয়ে গেলেন। তিনি বলার মতো কোনো কথা খুঁজে পাচ্ছেন না। যে ছেলে এখন পর্যন্ত তার মায়ের জায়গাটাই অন্য কাউকে দেয়নি। এমন কি এই কারণেই দেশেও থাকেনি। সেই ছেলে কি করে মা ডাকবে।
পরদিন সকাল দশটার দিকে নাফিসা বেগম রেডি হয়ে ড্রইং রুমে বসে আছেন। স্নেহার জন্য অপেক্ষা করছেন।স্নেহার রেডি হওয়াই হয়নি। অবশেষে বের হলো রুম থেকে। কালো রঙের সফট জর্জেটের আনারকোলি ড্রেস পড়েছে। লম্বা চুলগুলো ছেড়ে দিয়েছে। সাথে হালকা সাজ। এতেই সুন্দর লাগছে স্নেহাকে।
নাফিসা বেগম স্নেহাকে নিয়ে বেরিয়ে গেলেন। আফনান মির্জা বাড়িতে নেই বলে ড্রাইভারই গাড়ি চালিয়ে ওদেরকে গেলেন।
খান বাড়িতে তখন ড্রইং রুমে মারুফুল খান, আরিফুল খান, মৌ, সাদাফ আর সাইদা সবাই মিলে কথা বলছে। মেরাব এতক্ষন এখানে ছিলো। এরপরে ফোন আনার জন্য আবার উপরে চলে গিয়েছে। আর ফাহমিদা খান আর সাহারা খান কিচেনে দুপুরের জন্য রান্না-বান্না করছেন।
ঠিক তখনই বাড়ির সদর দরজার কলিং বেল বাজালেন নাফিসা বেগম। কাজের মহিলা রহিমা বেগম সাথে সাথে দরজা খুলে দিলো। নাফিসা বেগম স্নেহাকে ভিতরে ঢুকলেন। মৌ এগিয়ে এসে স্নেহার পাশে দাড়ালো। আর নাফিসা বেগম সবার সাথে টুকটাক কথা বললেন। তিনি মেরাবকে দেখতে না পেয়ে মারুফুল খানকে বলে উঠেন,
‘ ভাইজান মেরাব কোথায়? ’
‘ এখানেই ছিলো। মাত্র উপরে চলে গেলো। ডেকে দিচ্ছি বস! ’
‘ না ভাইজান ডাকতে হবে না। আমি যাচ্ছি! ’
নাফিসা বেগম উপরে চলে গেলেন। মৌ স্নেহাকে বলে,
‘ তুমিও চলো ভাইয়ার সাথে দেখা করবে! ’
স্নেহা না করে না মৌয়ের সাথে চলে যায়। মারুফুল খান কিছু একটা ভাবতে লাগলেন। কালকে মেরাবের দেখা সেই মেয়েটি যদি স্নেহা হয় তাহলে মেরাব নিশ্চই রিএক্ট করবেই। আর যদি না হয় তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলবে। কথাগুলো ভাবতে ভাবতে তিনি চলে গেলেন ওদের দুজনের সাথে।
মেরাব রুমে এসে ফোন চার্জে থেকে খুলে বিছানায় বসে বসে ফোন দেখছে। এমন সময় রুমে ঢুকে নাফিসা বেগম। মেরাব নিজের ফুপ্পিকে দেখে খুশি হয়েছে। তিনি মেরাবের সাথে কথা বলতে শুরু করলেন। দুজনের কথা বলার মাঝেই মারুফুল খান রুমের বাহিরে থেকেই বলে উঠেন। ,
‘ নাফিসা তোকে ছোট ভাবি ডাকছে, দেখতো কি বলছে। আমি মেরাবকে নিয়ে নিচে আসছি। ’
‘ ঠিক আছে, ভাইজান! ’
নাফিসা বেগম চলে গেলেন। মারুফুল খান রুমে ঢুকতে ঢুকতে মেরাবকে বলেন,
‘ মেরাব দেখো কে এসেছে! স্নেহা এসেছে! ’
মেরাব হেয়ালি করে সামনে তাকিয়ে অন্য দিকে তাকায়। এরপরে মস্তিষ্কে কালকের খুঁজতে থাকা সেই মেয়েকে দেখতে পেয়ে আবারও সামনে তাকায়। স্নেহা মৌয়ের সাথে কথা বলতে বলতে মেরাবের দিকে একপলক তাকায়। এরপরে কালকের কলেজের অনুষ্ঠানে সেই ছেলেটাকে দেখতে পেয়ে তব্দা খেয়ে যায়। এর সাথেই ধাক্কা খেয়েছিলো। স্নেহা সাথে সাথে বলে উঠে,
‘ আপনি এখানে? ’
মেরাবও নাক-মুখ কুঁচকে বলে উঠে,
‘তুমি এখানে? ’
চলবে….
পরবর্তী পর্ব কালকে সকাল ১১ টার পরে আসবে। এর আগে আসবে না। ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। রেসপন্স করবেন।
[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]
Share On:
TAGS: কি আবেশে, জেরিন আক্তার
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
চোরাবালির পিছুটানে পর্ব ১
-
চোরাবালির পিছুটানে ৩
-
চোরাবালির পিছুটানে পর্ব ২
-
কি আবেশে পর্ব ৬
-
কি আবেশে গল্পের লিংক
-
চোরাবালির পিছুটানে গল্পের লিংক
-
কি আবেশে পর্ব ৫
-
কি আবেশে পর্ব ৪
-
কি আবেশে পর্ব ৭
-
কি আবেশে পর্ব ৩