Golpo romantic golpo অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা

অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৯


অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা

[পর্ব ০৯](স্পেশাল টু)

লেখিকাফারহানানিঝুম

(🚫 দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয় এবং প্রাপ্তমনস্কদের জন্য উন্মুক্ত)

“উফ্ আল্লাহর বান্দি এত কথা বলছ কেন? আমি যখন বলছি আমি তোর জামাই তার মানে আমিই তোর জামাই কাহিনী শেষ।”

তেলে বে’গুনে জ্বলে উঠল ন্যান্সি। চোখে মুখে তীব্র রাগের ঝড় নিয়ে সে এগিয়ে এলো আফরিদের সম্মুখে।

দৃঢ় স্বরে উচ্চারণ করল ন্যান্সি ।
“কি সমস্যা আপনার? বাড়িতে ঢুকে এমন গুন্ডামি করছেন কেন?”

আফরিদ হঠাৎই বত্রিশ পাটি দাঁত বের করে বিদ্রূপের হাসি হাসল।
“ছে… বা’লের মাফিয়া থেকে এত বড় ডিমোশন দিলো? প্রোমশনের বদলে ডিমোশন?”

ন্যান্সির দৃষ্টি তখন ঘর্মাক্ত মামুন হায়দারের দিকে। শুকনো গলায় ঢোক গিলে বলল,
“আমার বাবা কে ছাড়ুন বলছি ছাড়ুন ওদের।”

আফরিদ ঠোঁট উল্টে বাচ্চাদের মতো ভঙ্গিতে বলল,
“ছেড়ে দেব, পাক্কা প্রমিজ। কিন্তু তার আগে শ্বশুর বাড়িতে যেতে হবে।”

তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে ন্যান্সি প্রশ্ন ছুড়ে দিল,
“কি আজেবাজে কথা বলছেন? আর আমার তো বিয়েই হয়নি, তাহলে কিসের শ্বশুর বাড়ি?”

আফরিদ গা দুলিয়ে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল।
“হয়নি হবে আই মিন, বিয়ে! চলো, তাড়াতাড়ি করে ফেলি। এই যে কাজি সাহেব, বিয়ে পড়ান তাড়াতাড়ি!”

বলার সাথে সাথেই সে এগিয়ে এসে ন্যান্সির হাত চেপে ধরল।
পরপুরুষের হাতের স্পর্শ তার গায়ে লাগতেই যেন ভিতর থেকে বজ্রাঘাত হলো ন্যান্সির। মুহূর্তেই সিংহীর মতো গর্জে উঠে ঘর কাঁপিয়ে তার গালে ঝড়ের মতো থাপ্প’ড় বসাল সে। ক্ষণিকের জন্য পুরো ড্রয়িং রুম যেন থমকে গেল। হাত কাঁপছে ন্যান্সির। জীবনের প্রথম বোধহয় কাউকে থাপ্পড় বসিয়েছে। ঈশান সহসা এগুতে চাইল, কিন্তু আঙ্গুলের ইশারায় তাকে থামিয়ে দিলো আফরিদ। ডান হাতে গাল মুছে এক গাদা থু থু ফেলল ফ্লোরে। বিরক্তি ভাব নিয়ে বলল।

“ছে মাইয়া মানুষের হাত থাপ্পড় খেতে হচ্ছে , অবশ্য যেখানে মাইয়া মানুষের র’ক্ত বইছে শরীরে সেখানে চড় থাপ্পড় তো কমন ব্যাপার। নেভার মাইন্ড।”

ঈশান আশ্চর্যের ন্যায় তাকিয়ে আছে ,এই মূহুর্তে কি আফরিদ এই এক রত্তি মেয়েটার হাত কে’টে পিরানহা মাছ কে খাইয়ে দিবে?
আফরিদ শুকনো ঠোঁট জোড়া ভিজিয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করে হেসে বলল।

“মাই ডিয়ার পার্সোনাল পিরানহা ফিশ, এমন হাইপার হতে নেই। নইলে তোমাকে কুল করতে গিয়ে আমি হট হয়ে যাব।”

ন্যান্সি তিরিক্ষি মেজাজে চেঁচিয়ে উঠলো।
“এই বের হও এখুনি।না হলে আমি পুলিশ ডাকবো।”

আফরিদের কপালে ভাঁজ পড়লো ,বড় চিন্তিত দেখালো তাকে।
“ওই মা’তারি কোন পুলিশ আমাকে ধরবে? শা’লী ভালো ভাবে বললে কানে যায় না? যদি নাটক করছিস তাহলে এখানেই সবাই কে কেটে কুটি কুটি করে ফেলব।”

আচানক চুল খামচে ধরায় ব্যাথায় ককিয়ে উঠলো ন্যান্সি। ব্যথাতুর কন্ঠে বলে উঠে।
“ছাড়ুন আমাকে , ছাড়ুন বলছি।”

আফরিদ সাপের ন্যায় হিসহিসিয়ে বলল।
“তোর বোঝা উচিত ছিলো আমি কে? আমাকে বাঁচানোর আগে একশো বার ভাবা উচিত ছিলো। আমাকে বাঁচিয়ে নিজের কবর খুঁ’ড়ে ফেলছিস!”

ন্যান্সির চোখ দুটো অশ্রু কণায় টুই টুম্বর করছে। কাঁপা কাঁপা গলায় বলল।

“তার মানে আপনাকে বাঁচানো আমার ভুল ছিলো?”

“আলবাত ভুল ছিল। আমাকে বাঁচিয়েছিস এখন আমি তোর ম’রণ হবো।”

ন্যান্সি ছাড়িয়ে নিল নিজেকে। সরে এলো পিছনের দিকে। এদিক ওদিক তাকিয়ে তুলে নিল কাঁচের ফুলদানি। আফরিদের দিকে সেটা ধরে কম্পিত স্বরে বলল।

“এই এখুনি আমার পরিবার কে ছাড় , না হলে আমি তোর মাথা ফাটাব!”

আফরিদের কোনো ভাবান্তর নেই। সে তাকিয়ে আছে নির্নিমেষ। ন্যান্সি কাঁপছে থরথরিয়ে। আকস্মিক তন্বী কে চেপে ধরলো সে। চিৎকার করে উঠল তন্বী। ন্যান্সি আঁতকে উঠে। আফরিদ হাসলো , সেই হাসি অদ্ভুত সুন্দর অথচ এই মূহুর্তে বোধহয় ন্যান্সির কাছে তা পৃথিবীর সবচেয়ে বিশ্রী হাসি বলেই মনে হচ্ছে।

“এই আমার বোন কে ছাড়ুন বলছি। এখুনি ছাড়ুন।”

আফরিদ দাঁত কেলিয়ে হাসলো।
“ছাড়ব ছাড়ব , কিন্তু তার আগে তুমি কবুল বলে দেও। দেখো মেয়ে তোমার সৌভাগ্য, আমি আফরিদ এহসান তোমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছি।”

বিয়ের কথায় হকচকিয়ে গেলেন মামুন হায়দার।
“কি সব বলছো তুমি? আমার মেয়ে গুলো কে ছাড়ো বলছি।”

আফরিদ বোধহয় বিরক্ত হচ্ছে ‌। তর্জনী আঙ্গুল উঁচিয়ে থামিয়ে দিলো তাকে।
“এই প্রতিবেশী বুড়ো একদম চুপ। কোন ক্ষেতের মোলা রে? এত কথা বলেন কেন? আর কিসের মেয়ে? কে বাপ? বুইড়া বয়সে মিথ্যা বলা বন্ধ করেন!”

ন্যান্সি কান্নারত স্বরে বলল।
“ছাড়ুন ওদের , আমি বলছি ছাড়ুন ওদের। আমার বোন কে ছাড়ুন বলছি।”

“উফ্ মাইয়া আর প্রতিবেশী বাপ দুটোই পাগল করে দিচ্ছে। এই ঈশান সব গুলো কে কে’টে ফেল পিরানহা কে খাওয়াবো , যদি এই মেয়ে বিয়ে না করে তাহলে ওর বোন কে বিয়ে করব।”

হো হো শব্দে কেঁদে উঠলো তন্বী।
“আপু বাঁচাও আমাকে , ছাড়ুন আমায়।”

ন্যান্সি কিংকর্তব্যবিমূঢ়! এই মূহুর্তে তার কি করা উচিত সে ভেবে পায় না।

“আমি তোকে দু’টো অপশন দিচ্ছি। এক হয়তো তুই আমাকে বিয়ে করবি আর নয়তো আমি তোকে বিয়ে করব! কি মাই পরাণ রাজি আছো নাকি না?”

ন্যান্সি চোখ তুলে তাকালো আফরিদের মুখ পানে , অসম্ভব সুন্দর মুখের আড়ালে ওরকম ভয়ংকর এক সত্তার বসবাস তা তো আগে বুঝতে পারেনি ন্যান্সি। যদি বুঝতে পারতো তাহলে কখনোই তাকে বাঁচাত না।
দৃষ্টি ঘুরিয়ে আপন মানুষ গুলো কে এক নজরে দেখে নিল। তাদের ব্যথাতুর মুখ গুলো।

“ছে ,এই ছেমড়ি অপেক্ষায় করায় খালি। ওরে মা’তারি ধৈর্য্য বলতে আফরিদের কিছু নাই । তাড়াতাড়ি হ্যাঁ বল।”

ন্যান্সি ঠোঁট কামড়ে কেঁদে ফেলল। অসহায় লাগছে খুব ,রিনরিনে গলায় বলল।
“ছ… ছাড়ুন ওদের । আমি আপনাকে বিয়ে করব। ওদের ছাড়ুন প্লিজ!”

সহসা তন্বী কে ছেড়ে দিলো আফরিদ। হাত বাড়াতেই অ্যালকোহলের বোতল টা নিয়ে এলো ঈশান । এমন মনে হচ্ছে হাতে কোনো ময়লা লেগে গেছে তার ,হাতে অ্যালকোহল ঢেলে দিলো ঈশান। হাত ধুয়ে সেই অ্যালকোহল ঢগঢগ করে খেয়ে ফেলল আফরিদ।

“দ্যাটস মাই গার্ল। তুমি যতক্ষণ আমার থাকবে, তোমার প্রতিবেশী বাপ মা বোন সুরক্ষিত থাকবে। যাওয়া যাক?”
🌿____
এই বাড়িটা যেন প্রথম দেখাতেই মন কেড়ে নেয়। চারপাশ জুড়ে গভীর কালো রঙের দেয়াল, যার গায়ে সূক্ষ্ম খোদাই করা নকশা। কালোর মাঝে রক্তিম লালের ছোঁয়া এমনভাবে মিশে আছে যে একবার চোখ ফেরালেও বারবার তাকাতে মন চায়। বাড়ির বাইরে এক পাশে দাঁড় করানো আছে রোলস-রয়েস ফ্যানটম এবং ল্যাম্বরগিনি অ্যাভেন্টাডর। পাশেই গোলাপের বাগান ,সারি সারি গোলাপের গাছ তাতে ফুটে উঠেছে লাল গোলাপ।

বাড়ির ভেতরে ঢুকতেই নজর যায় ডান দিকে কিছুটা দূরে কালো কাঠের খোদাই করা তাকের দিকে। পেছনে লাল ভেলভেটের নরম আভা, আর তাতে সারি সারি সাজানো দামি ম’দের বোতল। কাঁচের গ্লাসগুলো সুশৃঙ্খলভাবে রাখা, সামনে রাখা উঁচু চেয়ারগুলো মখমলের লাল গদিতে ঢাকা, বসতে মন চাইবেই।

রান্নাঘরটা আরো বেশি পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখা। অনেক গুলো মেয়ে সার্ভেন্ট নিজেদের কাজ করতে ব্যস্ত। । কালো কাঠের আলমারি, সোনালি হাতল, আর দেয়ালে রক্তিম মার্বেলের নকশা সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত সৌন্দর্য। কাউন্টারের এক পাশে সাজানো তাজা সবুজ গাছপালা, যেগুলো কালো আর লালের মাঝে প্রাণের রঙ যোগ করেছে। সামনেই লম্বা একটা ডাইনিং টেবিল রাখা। টেবিলের পিছন দিকে বড় একটা জানালা ,তার ছোট ছোট সবুজ আর্টিফিসিয়াল গাছ গুলো।
ন্যান্সি পিটপিট করে তাকাচ্ছে চারিদিকে ,এটা কি আদতেও কোনো সাধারণ বাড়ি?
শোবার ঘরে পা রাখলেই মনে হয় কল্পনার ভেতর ঢুকে পড়েছ। কালো কাঠের সুন্দর খোদাই করা চারপোস্টারের বিছানা, যার ওপর গাঢ় লাল মখমলের গদি ও বালিশ। বিছানার চারপাশে ছড়িয়ে আছে লাল গোলাপের পাপড়ি, আর সবুজ লতাপাতা দেয়াল বেয়ে উঠে এসেছে।সব গুলোই আর্টিফিসিয়াল। পাশেই সোনালি ঝাড়বাতির নরম আলো ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে।
পুরো বাড়িটাই এমন কালো, লাল আর সবুজের মিশেলে যেন এক অন্য জগতের অনুভূতি। ন্যান্সি চমকালো ,আজ পর্যন্ত সে দেখেনি কারো বাড়ি এমন কালো,লাল সবুজের তৈরি!

“ওই জানকি বাচ্চা , মহল পছন্দ হয়েছে?”

আফরিদের ভারিক্কি কন্ঠস্বর শুনে ঘাবড়ে গেল ন্যান্সি।
“পছন্দ না হলে এই পুরো বাড়ির ডিজাইন চেঞ্জ করে দেব।”

ন্যান্সি ফুঁসতে ফুঁসতে বলল।
“আপনার কোনো কথার অর্থ বুঝতে পারছি না। এত বড়লোক মানুষ আমার পিছনে পড়ে আছেন কেন? কি সমস্যা?”

আফরিদ দাঁত দেখিয়ে হেসে ফেলল।
“পিছনে পড়ে ছিলাম উপরে উঠবো বলে। সামথিং সামথিং বে ।”

থমথমে মুখ করে তাকালো ন্যান্সি।
“আপনার মতো বেয়াদব মানুষ আমি একটাও দেখিনি। প্রাণ বাঁচানোর বদলে এভাবে বদলা নিচ্ছেন?”

আফরিদ এগিয়ে এসে লম্বা হয়ে শরীর টা ছেড়ে দিল নরম বিছানায়।
“উফ্ বান্দি তোর জ্ঞান শুনতে শুনতে বিজ্ঞানী হয়ে গেছি।”

ঘৃণিত দৃষ্টিতে তাকালো ন্যান্সি, চিনতে পারছে না এই পুরুষ কে।
“বেশি কথা বলিস তুই! কাল বাদে পরশু আমাদের বিয়ে সেটা নিয়ে ভাব।”

ন্যান্সি সাপের মত ফোঁস ফোঁস করে উঠলো।
“যাকে আমি চিনি না, জানি না তাকে কেন বিয়ে করতে যাবো?”

সহসা উঠে বসলো আফরিদ। ঠোঁট উল্টে বলল।
“যাহ্ দুষ্টু এমনে বলে না হবু বউ ,বুকে লাগে। চলো পরিচিত হই আবার।”

দু পা পিছিয়ে গেল ন্যান্সি।
“আমার থেকে পালাচ্ছো কেন বউ? হোয়াই?”

ন্যান্সি পাশে থাকা গ্লাস টা তুলে ছুড়ে দিল আফরিদের দিকে। হাতে আকস্মিক ব্যথা পেয়ে কঁকিয়ে উঠলো। গর্জে ওঠে সে।
“বান্দির বাচ্চা ব্যথা পাই বে!”

“জা’নোয়ার কোথাকার!”

ন্যান্সি এক দৌড়ে রুম থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচের দিকে ছুট লাগালো। একটা অপরিচিত মেয়েকে কে দেখে বাকি সদস্যরা চমকে উঠে।

“ওই মা’তারি বাইরে পা রাখলে তোরে খাইছি।”

আফরিদের ভয়ংকর ডাকে পিছু তাকালো ন্যান্সি , এটাই বোধহয় তার ভুল। বাঘের মতো লাফ দিয়ে এসে ধরে ফেলল নিজের শি’কারি কে!

“ছাড়ুন আমায় , আপনার মতো অস’ভ্য মানুষের সাথে আমি থাকতে চাই না। ছাড়ুন বলছি।”

“চুপ শা’লী বেশী কথা বলে।”

ন্যান্সি কে এক প্রকার কাঁধে তুলে নিল আফরিদ। হনহনিয়ে চলে গেল রুমে। স্তম্ভের ন্যায় বাকি সবাই দাঁড়িয়ে আছে।

🌿

টুপ টুপ করে বৃষ্টি পড়ছে বাইরে।‌ কাঁদা জমে আছে আশেপাশের রাস্তার। সামনেই বড় একটা নদী ,এটাকে মৃ’ত্যু পুরী বলা হয়। কারণ এখন পর্যন্ত এখানে যারা যারা এসেছে তারা আর বেঁচে ফিরতে পারেনি। পাশেই একটা পরিত্যক্ত গোডাউন রয়েছে।
সাদা সাদা কিছু পাউডার দেখাচ্ছে একটা লোক। সামনেই বসে আছে মারকো।
শওকত নামের লোকটা পাউডার হাতিয়ে বলল।

“খাটি মাল! আপনি টেষ্ট করে দেখতে পারেন স্যার।”

কার্লোস কে ইশারা করতেই সে একটা পাউডার সাজিয়ে দিলো মারকোর দিকে। মারকো সেটা নিলো।

চোখ বুজে স্বর্গ সুখ গ্রহণ করলো মনে হলো।
“নাইস।”

শওকত স্বস্তির নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল।
“বলেছি তো স্যার খাটি মাল , আপনি চাইলে এমন মাল বাংলাদেশে আর পাবেন না।”

বাঁকা হাসলো মারকো।
“আই নো দ্যাট। বাট আমি রিজেক্টেড জিনিস ইউজ করি না!”

শাণিত দৃষ্টি ফেলল শওকত।
“মানে স্যার?”

বসা থেকে উঠে দাঁড়ালো মারকো , প্যান্টের পকেট থেকে বের করলো তার রিভলবার টা।
“আমার সাথে ডিল করার আগে তুই ঠিক কার কার সাথে ডিল করে ছিলি সবটা জানা আমার। ইভেন এটাও জানি সবাই তোকে ঠিক কিভাবে রিজেক্ট করেছে। মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট তুই আমার শত্রুর সাথেও ডিল করেছিস! সেও রিজেক্ট করেছে। এই মারকো তো কখনোই রিজেক্টেড জিনিস নেয় না! আর না তার সাথে ডিল করে!

শওকত কিছু বলবে তার পূর্বেই বুকে ঠায় ঠায় করে দুটো বুলেট ভরে দিলো।

চলবে………।✨

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply