অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা
[পর্ব ০২]
লেখিকাফারহানানিঝুম
(🚫 দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয়)
(🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।)
“ধ্যাত বা’ল তিনটা কবুল বলতে এত সময় লাগে? বা’ন্দি জানকি বাচ্চা বল কবুল?”
দাঁতে দাঁত পিষে বলে আফরিদ এহসান। কেঁপে উঠল ন্যান্সি , ঠোঁট উল্টে তাকালো আফরিদের মুখ পানে। চোখ পাকিয়ে শাসাচ্ছে বেয়াদব পুরুষ।
কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলে উঠে ন্যান্সি।
“কবুল,কবুল,কবুল।”
কবুল শোনা মাত্র ভুবন ভোলানো হাসি টা ওষ্ঠো কোণে দেখা যায় আফরিদের। ঘাড় বাঁকায় দু দ্বারে।
আফরিদ এহসান দ্য গ্রেট মাফিয়া কিং। যার নাম দাম নিতেই কাঁপে মানুষ। তবে কিছু সংখ্যক মানুষ রয়েছে যারা তাকে চেনে না জানে না। তাদের মধ্যে এক হলো ন্যান্সি । পুরো নাম ইলহাম ন্যান্সি অ্যাঞ্জেলিনা। আফরিদের প্রাণ, জান। যার জন্য সব কিছু জ্বা’লিয়ে পু’ড়িয়ে শেষ করে দিতেও দুবার ভাববে না সে। অথচ এই ভিতু মেয়েটা কিছু বুঝে না ,না না বুঝে উঠতে চায় না।
“আহা,চল বাসর ঘরে যাই।”
সহসা উঠে দাঁড়ালো ন্যান্সি। লেহেঙ্গার দুদিক ধরে হনহনিয়ে দুতলায় যেতে যেতে বলল।
“জন্মের সময় এই তোকে কেউ মধু খাওয়ায় নি? মুখের ভাষা তো ডাস্টবিনের চেয়েও খারাপ।”
তেতে উঠল আফরিদ , মেজাজ হারাচ্ছে সে। তবে পরক্ষণেই ঘাড় ম্যাসাজ করে বলল।
“তুই খাওয়াবি বলেই খাইনি ,মধু। জানিস তো কোন মধু?”
ন্যান্সি এক প্রহর অপেক্ষা করলো না। এই ঠোঁট কাটা বেয়াদবের সঙ্গে কথা বলে নিজের মান সম্মান ক্ষুন্ন করতে চায় না মোটেও।
🌿
ফুলে ফুলে সজ্জিত বিছানায় এক পাশে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে ন্যান্সি। হাত পা থরথরিয়ে কাঁপছে তার। কিছুক্ষণ আগেই ফাহমিদা তাকে বসিয়ে দিয়ে গেছে। তার সাথে যে ঠিক কি হতে চলেছে তা বুঝতে বাকি নেই। এখুনি আফরিদ এহসান আসবে তাকে চেপে ধরে বলবে ” বান্দি তুই তুই তুই আমাকে পাগল করে দিচ্ছিস।”
মুখ ভার করে আছে ন্যান্সি , ইশ্ যদি পালাতে পারতো তাহলে বেঁচে যেতো আজ। বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো ন্যান্সি। রুমটা অত্যধিক বড়। মেপে নেওয়ার মতো নয়। রুম জুড়ে এক্সক্লুসিভ জিনিস পত্রে ভরপুর। ন্যান্সি উঠে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়ায়। ওই যে পরণের লালচে লেহেঙ্গা টা তো আফরিদ এহসান জোরপূর্বক তাকে পড়িয়েছে। না পড়লে বলে তোকে খেয়ে নেব শা’লী! বুকের ভেতর দামামা বাজছে ন্যান্সির। আফরিদ কখন আসবে আর তার ঘন্টা বাজিয়ে দেবে আল্লাহ মালুম।
🌿_
“কিন্তু আফরিদ তোমার কি মনে হচ্ছে না তুমি এবার একটু বেশি পাগলামি করছো?”
মাইমুনা এহসানের কথায় চোয়াল শক্ত হয়ে এলো আফরিদের। ক্ষিপ্ত মেজাজে বলে উঠে সে।
“মম প্লিজ , আমার এই বিষয়ে অ্যাটলিস্ট তুমি কিছু বলো না। আই লাভ হার।”
মাইমুনা এহসান বুঝতে পারেন না কি এমন আছে ওই মেয়ের মাঝে ,যার জন্য সে এত পাগলামি করে?
“ওকে রিল্যাক্স! তুমি এত প্যানিক করো না।”
শান্ত কন্ঠে বললেন মাইমুনা এহসান। আফরিদ ঈশানের উদ্দেশ্যে বলল।
“যা বলেছি তা গিয়ে রেডি কর।”
“ওকে বস।”
“ধ্যাত বাল তাহলে দাঁড়িয়ে আছিস কেন? তোদের দিয়ে কোনো কাজ হয় না।”
“সরি বস।”
কথাটা বলেই বেরিয়ে গেল ঈশান। ফাহমিদা সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে এলো। নিরবতা ভেঙ্গে মিনমিনে গলায় বলল।
“ভাইয়া, আমি ভাবি কে রুমে দিয়ে এসেছি।”
ন্যান্সি রুমে আছে কথাটা স্মরণে আসতেই চক্ষু যোগল ছোট হয়ে এলো আফরিদের। আজ তো তার বান্দি,জানকি বাচ্চার সাথে বাসর রাত। সে মোটেও তা নষ্ট করতে চায় না। নো মিনস্ নো।
মাইমুনা এহসান ফাহমিদার উদ্দেশ্যে বলল।
“ফাহমিদা গো টু স্লিপ।”
ফাহমিদা আগের ন্যায় বলল।
“ওকে মম।”
ফাহমিদা আর অপেক্ষা করলো না চুপচাপ নিজের রুমের উদ্দেশ্যে পা বাড়ায়।
আফরিদ ধুমধাম পা ফেলে সিঁড়ি বেয়ে নিজের রুমের দিকে রওনা দিলো। মাইমুনা এহসান বড্ড বিরক্ত হচ্ছেন এসবে। একজন মহিলা সার্ভেন্ট এগিয়ে এলেন। নত মস্তকে শুধান।
“ম্যাম খাবার দেওয়া হয়েছে।”
রুষ্ট কন্ঠে বলে উঠেন মাইমুনা এহসান।
“খাবে না কেউ ,ফেলে দাও সব কিছু।”
হনহনিয়ে চলে গেলেন মাইমুনা এহসান। দীর্ঘ শ্বাস ফেলে মহিলা সার্ভেন্ট।
বড়লোকি ব্যাপার স্যাপার, তারা কি বুঝবে? যেখানে ছেলে খুন করে লা’শের উপর চেয়ারে বসে খাবার খেতে পারে সেখানে একটা মেয়ে কে জোর করে বিয়ে করা তো তাদের বাঁ হাতের খেলা।
নিজের মস্তিস্ক এতটা চাপ না দিয়ে নিজের কাজে চলে গেল মহিলা। সব গুলো খাবার ফ্রিজে রেখে বাকি টুকু ফেলে দিলেন অনায়াসে।
✨
কক্ষে যেনো এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা জমে আছে । হঠাৎ করেই সেই নিস্তব্ধতাকে চিরে, গম্ভীর কড়চড় শব্দ তুলে দরজাটা খুলে গেল। প্রবেশ করল আফরিদ এহসান।
তার আগমনে কেঁপে উঠল ন্যান্সি। রক্ত জমে আসা ঠোঁটে নীরবতা । চোখে অদ্ভুত শঙ্কা। চোখে চোখ পড়তেই সময় থমকে দাঁড়ালো। একে অপরের সাথে দৃষ্টি বিনিময় ঘটে। আফরিদ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকালো বিছানার উপর রাখা ফোনের দিকে। কুংফু একটা ভিডিও চলছে। আফরিদ নিরেট কন্ঠে বলল।
“কি করছিস তুই পরাণ?”
ন্যান্সি লম্বা দম নিয়ে বলল।
“প্র্যাকটিস করছি , একটু পরে আপনার সাথে লড়তে হবে না? আমি কিন্তু কুংফু মাস্টার।”
ঘাড় বাঁকালো আফরিদ। বাঁকা হেসে বলল।
“আমার বা’লের মাস্টার তুমি!”
এহেন কথায় ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল ন্যান্সি। একটা ফাঁকা ঢোক গিলে গলা সাফ করল সে, কিন্তু বুকের কাঁপুনি থামেনি। হাতে কাঁপুনি, চোখে জল জমে উঠতে চাইছে কিন্তু সে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ন্যান্সি।
আফরিদ দরজাটা ধীরে বন্ধ করে দিল। সেই বন্ধ হওয়া দরজার ঠাস শব্দে ন্যান্সি আরও এক চুল পেছনে সরে এল, পারলে দেয়ালের সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে ফেলতে চায়।
আফরিদ আস্তে ধীরে শার্টের হাতা ফোল্ড করে নেয়। এখন কনুই পর্যন্ত গুটানো । পেশিগুলো টান টান করে ওঠে ,পেশীবহুল হাত জোড়ায় । সে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে, চোখে ঝাঁঝা’লো এক মাদকতা, কোনো কিছুতে ঘোর লাগা আ’সক্তি।
ন্যান্সি জানে এই চোখের ভাষা সে আগেও দেখেছে, অনুভব করেছে হৃদয়ের প্রতিটি তন্ত্রীতে।
এই মাদকতা কেবল চোখে নয় তার বুকের আ’গুনের ,দহনের।
“কি ব্যাপার বল তো জান? তুই আমাকে ভয় পাস না?”
কথাটা শুনে আবারো অগোচরে ফাঁকা ঢোক গিলে ন্যান্সি। মনে প্রাণে ভয় পায় সে। খুব খুব ভয় পায়। কিন্তু ন্যান্সি যে এমন কিছু জানতে পেরেছে যা তাকে সাহায্য করবে। সব কিছু বদলে যাবে এক মূহুর্তে। ভাবনার মধ্যে খানে একদম খেয়াল করেনি আফরিদ কখন তার এতটা কাছে চলে এসেছে। দেয়ালের সাথে চেপে গেল ন্যান্সি। এক হাত টেনে মাথার উপর নিজের হাত দ্বারা চেপে ধরলো আফরিদ। নেশাতুর কন্ঠে ফিসফিস করে বলল।
“বল তো ব্যাপারটা কি?”
জড়তায় জমে থাকা ন্যান্সি মৃদু স্বরে বলল।
“আ.. আমি কেন ভয় পাবো? আপনি বাঘ না ভাল্লুক?”
আফরিদের সেই চমৎকার ভুবন ভোলানো হাসি টা অধর কোণে টেনে নিল সে। থমকালো ন্যান্সি। সে বহু বার লক্ষ্য করেছে এই বেহায়া পুরুষ একমাত্র তার সামনে আসলেই হেসে ফেলে। কই এর আগে তো কারো সাথে দেখেনি হাসতে। সবসময় রাগী মুখ করে রাখে। মনে হয় মুখের আগে তার বন্দুক টা চলে দ্রুত।
“সত্যি? আমিও কিন্তু কারাটে মাস্টার। চল দু’জনে একটু কুংফু আর কারাটে খেলি অন্য ভাবে?”
আরো নিচু স্বরে বলল আফরিদ , ছুঁয়ে ফেলল রমণীর নগ্ন মেদহীন উদর। বক্ষঃস্থলে লুকিয়ে থাকা হৃদপিন্ড টা কাঁপছে তার , চোখের পাতা ভারী লাগছে। দু’জনের ওষ্ঠো জোড়া প্রায় ছুঁই ছুঁই ,সহসা মুখ ফিরিয়ে নিল ন্যান্সি। ঘেমে গেছে সে। কপালের কোণে জমেছে ঘামের কণা। বাঁকা হেসে আঙ্গুল দিয়ে স্পর্শ করলো আফরিদ। আগের ন্যায় বলল।
“এখনো কিছু করিনি,তার আগেই ঘেমে যাচ্ছো কেন?”
ন্যান্সি দু’হাতে বুকে ধাক্কা দিল আফরিদের, সরিয়ে দিলো তাকে। আমতা আমতা করে বলল।
“দু.. দূরে থাকুন আমার থেকে।”
ঘাড় ম্যাসাজ করলো আফরিদ , ভাবলেশহীন ভাবে জবাব দেয়।
“আজকে বাসর রাত আর তুই বলছিস দূরে থাকতে? লাইক সিরিয়াসলি? আমি যদি দূরে থাকি তাহলে আমার বংশধর আসতে দেরী হয়ে যাবে!”
ন্যান্সি বারংবার দৃষ্টি ফিরিয়ে তাকাচ্ছে টেবিলের উপর রাখা দুধের গ্লাসের দিকে। দিকবিদিক না পেয়ে ছুটে গিয়ে গ্লাস টা তুলে নিল।
ঈগলের মতো ছু মেরে গ্লাস টা নিয়ে নিল আফরিদ।
“আগে আমি খাই, তারপর তুই খাবি।”
বলেই চোখ টিপে আফরিদ। ন্যান্সি ফিসফিসিয়ে বললো।
“আমি কিন্তু বি’ষ মিশিয়েছি গ্লাসে।”
তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ফেলল আফরিদ। নিশ্চিত হতে আবারো শুধায়।
“আর ইউ শিওর?”
“হ্যাঁ অনেক বি’ষ মিশিয়েছি।”
অধর কোণে খেলে গেল আফরিদের চিরচেনা বাঁকা হাসিটা।
“তাহলে তো খেতেই হবে। আমার বান্দি যেহেতু বি’ষ দিয়েছে।”
ঠোঁট ফোলায় ন্যান্সি। সম্পূর্ণ দুধ টা শেষ করে আফরিদ। পরক্ষণেই গ্লাস টা ছুড়ে ফেলল ফ্লোরে। ঝনঝন শব্দে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হলো কাঁচের গ্লাস। দ্রুত হাত চালায় শার্টের বোতামে। একটা সময় টেনে ছিঁড়ে ফেলল তা। হাঁ করে তাকিয়ে আছে ন্যান্সি , ঘটনার আকস্মিকতায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেছে সে।
“আমার কাছে আসবেন না কিন্তু! দেখুন আমি কিন্তু মে’রে দেব!”
বিদ্যুৎ বেগে এগিয়ে এসে হেঁচকা টানে বিছানায় ফেলল ন্যান্সি কে। নিজের সম্পূর্ণ ভার ছেড়ে দিল তার উপর। গাল চেপে রাগান্বিত স্বরে বলল।
“তুই কার? বল বল বল। কার তুই?”
দেহ মন কাঁপছে ন্যান্সির। মাথা খারাপ হয়েছে আফরিদের। হাতের চাপ এতটাই বেশি মনে হচ্ছে গাল ছিঁড়ে দাঁতের মাড়ির সাথে সেঁটে যাবে।
“বলতে বলছি!”
হুংকারে হো হো শব্দে কেঁদে ফেলল ন্যান্সি।
“বলছিস না কেন? ফাস্ট বল তুই কার?”
“আ.. আফ..আফরিদ এহসানের। আমি আফরিদ এহসানের।”
ছেড়ে ছেড়ে বলা কথাটা শুনে শান্ত হয়ে গেল আফরিদ। ডান হাতটি গালে স্লাইড করে তার। মোলায়েম কন্ঠে শুধায়।
“কি খাইয়েছিস মাথা ভার লাগছে!”
অশ্রুসিক্ত নয়নে আফরিদের মুখ পানে চাইলো ন্যান্সি। স্পষ্ট ভাষায় বলল।
“ঘুমের ওষুধ।”
সপাটে কপালে ওষ্ঠো ছোঁয়ায় আফরিদ , দীর্ঘ এক চুম্বন এঁকে অস্ফুট স্বরে বলে।
“পালাবি?”
“হুঁ।”
আফরিদ শান্ত মেজাজে শুনে ন্যান্সির কথা। ওষ্ঠো জোড়া বিচরণ করে গলার ভাঁজে। আঁখি জোড়া খিঁচিয়ে বুঁজে আসে ন্যান্সির। আফরিদ মুঠো করে টেনে ধরে ন্যান্সির চুল গুলো।
মুখ তুলে এক পলক চাইলো ন্যান্সির দিকে। সহসা দৃষ্টি মেলে তাকালো ন্যান্সি। ওই ধূসর রঙা চোখে চোখ পড়ে তার। দৃষ্টি মেলে ফের। আফরিদ নিচু হয় ,উদরে চুম্বন লিলা চালায়। মিইয়ে যাওয়া কন্ঠে আওড়াল।
“তোকে আদর করতে ইচ্ছে করছে তো জান। কিন্তু এদিকে ঘুম পাচ্ছে যে!”
ন্যান্সি চোখে হাসে , হাসিটা অস্পষ্ট আফরিদের কাছে। ধীরে ধীরে গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল সে। সন্দিহান মন শিওর হতে চায়।
ন্যান্সি তার চুলে হাত বুলিয়ে ফিসফিসিয়ে বলে।
“আফরিদ এহসান ঘুমেশে?”
ঘনঘন নিঃশ্বাস ফেলছে আফরিদ, ন্যান্সি বুঝতে পারল লোকটা গভীর ঘুমে তলিয়ে গেছে।
“পালাচ্ছি আফরিদ এহসান। আর আপনি মোটেও খুঁজে পাবেন না আমাকে। আমি যে এবার পগারপার!”
কথাটা ভেবেই হেসে ফেলল সে।
ছয় মাস,ছয় মাসে বদলে গেছে তার সব কিছু ,আফরিদ এহসান নামক পুরুষটি বদলে দিয়েছে ইলহাম ন্যান্সি অ্যাঞ্জেলিনা নামক মেয়েটার জীবন।
চলবে………।✨
Share On:
TAGS: অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা, ফারহানা নিঝুম
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা গল্পের লিংক
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১১
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৫
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৭
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৫(প্রথমাংশ +শেষাংশ)
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৫
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১০
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৬
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৮
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৪(প্রথমাংশ + মধ্যাংশ + শেষাংশ)