অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা
[পর্ব ১৫]
লেখিকাফারহানানিঝুম
(🚫এই গল্পের কোনো দৃশ্য, সংলাপ, প্লট অনুপ্রাণিত হয়ে কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।)
(🚫 দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয় এবং প্রাপ্তমনস্কদের জন্য উন্মুক্ত)
টিমটিমে লাইটের আলোয় বসে আছে নীলাদ্রি , একের পর এক বস্তা আসছে তাদের এহসান ইন্ড্রাস্ট্রির গোডাউন থেকে। সেগুলোর হিসেব করাই তার কাজ। একটা বস্তাও যদি গায়েব হয় বা এদিক সেদিক হয় তাহলে আফরিদ জবাই করে ফেলবে রীতিমতো।
“এই এই বস্তা গুলো যেন একটাও না ছিঁড়ে , যেমন এনেছে তেমন ভাবেই ভেতরে নিয়ে যা।”
প্রত্যেকটা কাজের লোক ঠিকঠাক ভাবে বস্তা গুলো ভেতরে গোডাউনে নিয়ে যেতে লাগল।
তাদের মধ্যে আলিফ নামে একটা ছেলে হুমড়ি খেয়ে পড়ল বস্তা সহ। ফলস্বরূপ বস্তা থেকে বেরিয়ে এলো এক বস্তা ছোট ছোট অস্ত্র। অস্ত্র গুলো দেখে আঁতকে উঠে ছেলে টা। মাটি খামচে ধরে পিছুতে লাগল।
বসা থেকে উঠে আসে নীলাদ্রি। দাঁত কিড়মিড়িয়ে বলল।
“মাদারফা’কার , ইডিয়ট কোথাকার! এই আতাউর এটাকে কে কাজে রেখেছে হ্যাঁ?”
আতাউর দৌড়ে এলো গোডাউনের বাইরে।
“জ্বি স্যার বলেন।”
নীলাদ্রি তীব্র রাগ নিয়ে আওড়াল।
“এই মূর্খ কে কাজে নিয়েছিস তুই? তোকে বলেছিলাম তো প্রফেশনাল গুলো কে কাজে নিতে।”
আতাউর তটস্থ ভঙ্গিতে এক নজর দেখল আলিফের মুখ পানে। সপাটে একটা চড় বসিয়ে বলল।
“এই বলদের বাচ্চা কাজ করতে পারছ না ঠিকঠাক?”
আলিফ নত মস্তকে দাঁড়িয়ে মিনমিনে গলায় বলল।
“মাফ করে দেন স্যার , আর ভুল হইবো না।”
নীলাদ্রি পড়ে থাকা অ’স্ত্র গুলো তুলে নিল , রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে বলল।
“একটা মা’লও যদি নষ্ট হতো না তাহলে তোর শরীরের সব র’ক্ত বের করে ফেলতো আফরিদ এহসান।”
ভেতরে ভেতরে কাঁপছে আলিফ নামক ছেলেটা।
“মাফ করে দেন স্যার।”
আতাউর সহসা দুহাত জোর করে বলল।
“নতুন ছেলে স্যার এইবারের মতো মাফ করে দেন।”
নীলাদ্রি বিনা বাক্যব্যয়ে ধুমধাম পা ফেলে ভেতরে চলে গেল।
আতাউর আলিফের উদ্দেশ্যে বলল।
“বলদের বাচ্চা সামলে কাজ করবি তো ,বড় স্যারের সামনে এগুলো করলে এতক্ষণে পুঁ’তে ফেলতো তোকে।”
কপাল বেয়ে ঘাম জমেছে বিন্দু বিন্দু আলিফের।
তাকে তো বলা হয়েছিল এগুলো সবজির বস্তা , কিন্তু এখানে তো সবজির বস্তার ভেতরে অন্য কিছু দেখতে পাচ্ছে সে। খারাপ কিছুতে জড়িয়ে গেছে না তো আবার সে? ভয়ে গলা শুকিয়ে আসছে ছেলেটার। আতাউর তাড়া দিলো। আলিফ চুপচাপ নিজের কাজে চলে যায়। একে একে ট্রাক থেকে সব গুলো বস্তা নামিয়ে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এগুলো এখান থেকে পাঠানো হবে রাশিয়া , অর্ধেক মাল যাবে রাশিয়া বাকিটা যাবে স্পেন। সবটাই করবে আফরিদ এহসান। মাল নিয়ে আসা আর সেগুলো কে ঠিকঠাক ভাবে বস্তার ভেতরে ঢুকানোর কাজ নীলাদ্রি আর সাব্বিরের কাজ। আর সেগুলো কে বাইরে পাঠানোর কাজ আফরিদ এহসানের। সাব্বির নেই আজকে , কোথায় জানি গিয়েছে সে। আজকাল এই সাব্বিরের ভাবসাব সুবিধার লাগছে না নীলাদ্রির।
টেবিলের উপর থেকে ফোন নিয়ে সাব্বিরের নাম্বারে কল লাগালো। কল ঢুকলেও রিসিভ করার প্রয়োজন বোধ করলো না।
“এই সাব্বির টা কি শুরু করেছে আজকাল? ফোন ধরছে না কেন?”
🌿_____🌿
বিছানায় পা লম্বা করে বসে আছে ন্যান্সি। এখনো তার ভেতরের ভয় কা’টছে না কাটবেই বা কি করে সে কা’টা মাথা দেখেছে। কিন্তু আফরিদ? সে বারংবার বলছে নেই কিছু!
ফাস্ট এইড বক্স নিয়ে ভেতরে এলো আফরিদ , মুখ ফুলিয়ে ন্যান্সি কে বসে থাকতে দেখে বাঁকা হাসলো।
“জানকি বাচ্চা এখনো ভয় পাচ্ছিস? ছে মাইয়া মানুষ এত ভীতু কেন?”
ন্যান্সি রিনরিনে গলায় বলল।
“আমি সত্যি দেখেছি ওখানে ছিলো মা…
“হ্যাঁ ছিলো তোর মাথা! কিছুক্ষণ পরে আমি তোর মাথাটা কে’টে ফ্রিজে রাখব,তুই আগে থেকেই নিজের ভবিষ্যৎ দেখে ফেলেছিস।”
এহেন কথায় ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল ন্যান্সি। সবকিছুতে এই লোকটার ইয়ার্কি করা চলবেই চলবে। আফরিদ পরণের স্যুট টা খুলে ছুঁড়ে ফেলল অদূরে। এগিয়ে এসে বসলো ন্যান্সির সামনাসামনি। গালে দাঁতের দাগ স্পষ্ট ,এটা আফরিদই করেছে ইচ্ছে করে। ধীরে ধীরে ওয়েন্টমেন্ট লাগিয়ে দিতে দিতে বলল।
“তুই এত নরম কেন? একটু চাপ দিলেই ভেতরে ঢুকে যায়! ত্বক এত সফট সফট কেন?”
আফরিদের লুচুগিরি দেখে ভ্রুদ্বয় কুঞ্চিত করে নিল ন্যান্সি ,ভুলে গেল কিছুক্ষণ আগের কথা মাথা থেকেই বেরিয়ে গেছে।
“আপনি এত লুচু কেন? কথার মাঝখানে সবসময় অ:শ্লীল কথা গুলো ঢুকিয়ে দেন।”
খিকখিক করে হেসে উঠলো আফরিদ।
“আমি লুচু কারণ তুমি বেশি ভদ্র বান্দি।”
নিশ্চুপ ন্যান্সি , কোন দুঃখে সে কথা বলছে এই পুরুষের সাথে? কথা বললেই অশ্লী’ল কথাবার্তা গুলো টেনে আনে সবসময়।
রুমটা আড় চোখে এক পলক দেখে নিল ন্যান্সি , মিনমিনে গলায় শুধোয়।
“আমরা কোথায় আছি? এটা কার বাড়ি আর আপনিই বা এখানে কেন?”
“Rani tu main Raja
Rani tu main Raja।”
ন্যান্সির আর বুঝতে বাকি নেই এটা আফরিদের বাড়ি। কিন্তু তারপরেও শিওর হতে শুধোয়।
“সত্যি কি আপনার বাড়ি?”
দাঁত কিড়মিড়িয়ে বলল আফরিদ।
“না এটা ভাড়া বাড়ি,তোর সাথে বাসর করার জন্য ভাড়া করছি। বাসর শেষে বিদায় হয়ে যাবো।”
আফরিদের অহেতুক কথা গুলো শুনে হাসি আটকাতে পারলো না ন্যান্সি। ফিচলে হেসে ফেলল।
তাকে হাসতে দেখে নীলাভ মনি ওয়ালা চক্ষুদ্বয় তীক্ষ্ণ হয়ে এলো। সহসা উঠে দাঁড়ালো ,এক টানে ন্যান্সি কে আবারো কোলে তুলে নিল। হিসহিসিয়ে বলল।
“আমার কথায় এত হাসি পায়?”
মূহুর্তের মধ্যে ঠোঁটের হাসিটা উবে গেল ন্যান্সির। দু’হাতে জড়িয়ে ধরে আফরিদের গলা। ভারিক্কি কন্ঠে বলে।
“নিচে নামিয়ে দিন আমাকে।”
এক প্রকার চিবিয়ে চিবিয়ে বলল আফরিদ।
“না, এখন আমি তোকে ওই ভৌতিক ফ্রিজের ভেতর রেখে আসব।”
আফরিদের কথায় ভয়ে আড়ষ্ট হয় সর্বাঙ্গ মেয়েটার। দু দ্বারে মাথা নাড়িয়ে অসম্মতি জানায়।
“না না আমি যাবো না।”
কে শুনে কার কথা? আফরিদ ঠিকই তাকে নিয়ে নিচে ড্রয়িং রুমে চলে গেল। ফ্রিজের কাছাকাছি যাওয়া মাত্র হাত পা ছুড়তে লাগল ন্যান্সি।
“নামান আমাকে , আমি যাবো না ভেতরে কা’টা মাথা আছে যাবো না আমি।”
আফরিদ সহসা গিয়ে এক টানে ফ্রিজ খুলে ফেলল ভয়ের আঁখি জোড়া আপনাআপনি বুঁজে এলো।
“বান্দি রেএ চোখ খুল দেখ তোকে ডাকছে!”
ন্যান্সি পারে না আফরিদের বুকের ভেতর ঢুকে যেতে , এতটাই শক্ত করে বুকে লেপ্টে গেছে সে।
“প্লিজ প্লিজ বন্ধ করুন, ভয় লাগছে আমার।”
আফরিদ সুযোগ টা যেনো কাজে লাগালো , দু’হাতে শক্ত করে ধরে ন্যান্সির পিঠ। ভেতরের অন্তর্বাসের এক টুকরো কাপড় যেনো ছিঁড়ে আসতে চায় তার হাতে।
নেশাতুর কন্ঠে বলে উঠে।
“মাতা’রি চোখ খোল নয়তো আমি অঘটন ঘটিয়ে ফেলব।”
কম্পিত ন্যান্সি ধীরে ধীরে চোখ মেলে তাকাল আফরিদের চোখের দিকে।
নীলাভ মনি জোড়ায় দৃষ্টি মেলে তার। ধুকপুক ধুকপুক করছে বুকের ভেতর , কন্ঠনালি কাঁপছে তার। আফরিদ ইশারা করে বলে।
“তাকা না পিছনে।”
ধীরে ধীরে মাথা ঘুরিয়ে সেদিকে তাকালো ন্যান্সি ,তার মোলায়েম চুল গুলো ছুঁয়ে যায় আফরিদের মুখশ্রী। ন্যান্সি আশ্চর্য হলো ,হিতাহীত জ্ঞানশূন্য হয়ে আসছে সে। মস্তিষ্ক যেন খালি খালি লাগছে।
“এটা কি করে সম্ভব? এখানে তো আমি অন্য কিছু দেখেছিলাম! আফরিদ আমি সত্যি দেখেছি এখানে কিছু ছিলো।”
প্রত্যুত্তরে আফরিদের কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে আবারো তার দিকে ফিরে তাকালো। সহসা তার ওষ্ঠো যোগল আয়ত্তে নিয়ে নিল আফরিদ। সর্বাঙ্গ কেঁপে উঠল ন্যান্সির। নিশ্চুপ, তীব্র আবেগের এক গহীনে ডুবে আছে দু’জনের শরীর।
আফরিদের বাহুতে আবদ্ধ ন্যান্সি যেন শ্বাস নিতে ভুলে গেছে। দু’পায়ে শক্ত করে জড়িয়ে রেখেছে আফরিদের কোমর, আর আফরিদ ধীর পদক্ষেপে সোফার দিকে এগিয়ে চলেছে। দু’হাতে তার উরুর নরম মাংসে গেঁথে আছে আফরিদের আঙুল যেন নিজের দখলে সবটা নিয়ে নিতে চায়।
ন্যান্সির ঠোঁটে চেপে ধরে আছে আফরিদ। অনন্ত চুম্বন যেখানে প্রতিটি স্পর্শে আফরিদ যেন তার ভেতরের সমস্ত উষ্ণতা টেনে নিচ্ছে নিজের কাছে। শ্বাসপ্রশ্বাস গুলিয়ে যাচ্ছে ন্যান্সির, অথচ সে জানে, এই বাঁধন থেকে নিজেকে ছাড়ানো অসম্ভব।
সোফার কিনারে এসে আফরিদ ঝুঁকে পড়ে ন্যান্সিকে নিয়ে বসে পড়ল, ঠোঁট থেকে সরল গলদেশে, আর সেখানে দাঁতে দাঁতে আলতো কিন্তু তীব্রভাবে এঁকে দিল ক্ষ’ত। ন্যান্সি অবশেষে কিছুটা মুক্তি পেয়ে লম্বা, গভীর শ্বাস টানল, কিন্তু তার শরীর এখনো কাঁপছে, ভেতরে যেন এক বন্যা বইছে। অভ্যন্তরে ঝড় উঠেছে , হৃদপিন্ড টা এই বুঝি ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে।
অবশেষে কাঁপা হাত বাড়িয়ে খামচে ধরল আফরিদের কোঁকড়ানো, ঢেউ খেলানো চুল। কণ্ঠ ভাঙা, অনুনয়ের মতো স্বরে ফিসফিস করে বলল।
“আ,,,,আফরিদ থামুন প্লিজ সরুন।”
কিন্তু আফরিদ কি কখনো কারো বারণ শুনেছে?
ঠোঁটে এক তৃপ্ত, উষ্ণ হাসি খেলে গেল ।
“হুশ বান্দি, জাস্ট কিপ স্ক্র্যাচিং মাই ব্যাক।”
ন্যান্সি নির্বাক ,কাকে কি বলবে? সে তো উল্টো টা বলছে? কি বললো এখন? পিঠে আঁচড় কা’টতে? অস’ভ্য অশ্লী’ল লোক একটা।
ন্যান্সি সহসা আফরিদের ঘাড়ে কা’মড়ে ধরে , ব্যথা অনুভব করলো আফরিদ । সয়ে নিলো সবটা , মুখ তুলে তাকায় ন্যান্সির স্নিগ্ধ মুখ পানে। হিসহিসিয়ে বলল।
“মাই পার্সোনাল পিরানহা ফিশ , উফ্ আই লাইক ইট।”
আফরিদ আরো ঘনিষ্ঠ হতে চায় , ন্যান্সির উপর নিজের পৌরুষ্ট আধিপত্য বিস্তার করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু তার পূর্বেই ফোন হাতে সদর দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকে এলো ঈশান।
“বস আপনার কঅঅঅঅঅঅ
বাকি দৃশ্য দেখতে পারলো না ঈশান , তড়িঘড়ি করে ঘুরে দাঁড়ালো দু’হাতে চোখ চেপে। বসে থাকা ন্যান্সি আফরিদ কে এক ধাক্কা দিয়ে সিঁড়ির দিকে ছুট লাগালো। পিছন দিকে তাকানোর চেষ্টা টুকু করলো না। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে কুশান গুলো ছুঁড়তে লাগল আফরিদ। পায়ের জুতো খুলে ছুঁড়ে দিলো ঈশানের দিকে।
“জাউরার জাউরা , আমার বাসরে তোর বাঁ হাত ঢুকানো অভ্যাস হয়ে গেছে তাই না? তোরে আজকে আমি খাইছি তুই দাঁড়া।”
ঈশান কে আর পায় কে ফোন ফেলে দৌড় লাগালো সামনের দিকে।
“বস আমি কিছু করিনি। বস সরি।”
বড় বড় পা ফেলে দৌড়াচ্ছে আফরিদ ,আজকে ঈশান কে কে’টে পিস পিস করে পিরানহা ফিশ কে খাওয়াবে। ছাড়বে না একদম।
“আগামী এক সপ্তাহ তুই আমার চোখের সামনে আসবি না বা’ল। না হলে তুই গেলি।”
ঈশান ছুটতে ছুটতে বলল।
“এক সপ্তাহ না বস,আগামী দুই সপ্তাহেও আমাকে দেখবেন না।”
রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গেটের কাছে দাঁড়ালো আফরিদ। ঈশান সেই যে দৌড় লাগিয়েছে আর থামার নাম নেই তার।
“বা’ল বা’ল বা’ল। আমার বিয়ে করা বউ রে ছুঁইলে পৃথিবীর সবার চুলকানি শুরু হয় , শাউ’য়্যার নাতি গুলারে জ’বাই করতে মন চায়!
চলবে………।✨
(🫣🫣 আফরিদের বাসর হতে দিলো না ঈশান ছে 😐)
Share On:
TAGS: অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা, ফারহানা নিঝুম
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১২
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৪(প্রথমাংশ + মধ্যাংশ + শেষাংশ)
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৭
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪০
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৮
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৯
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২০
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৭
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪১