অন্তরালে_আগুন
পর্ব:৫০
তানিশা সুলতানা
জানুয়ারির ১৫ তারিখ। নওয়ান রিশাদ মুরসালিনের জন্মদিন। ঠিক ২৯ বছর আগে কোনো এক কুয়াশায় ঢাকা জানুয়ারির ১৫ তারিখে আমিনার কোল আলো করে দুনিয়াতে এসেছিলো সে।
তার আগমন তালুকদার বাড়িতে খুশির জোয়ার বয়ে এনেছিলো। পাষাণ নিষ্ঠুর নায়েব তালুকদার প্রথমবার কেঁদেছিলো ছোট্ট জানটা দেখে। অসংখ্য চুমু এঁকে দিয়েছিলো মায়াবী মুখ খানায়।
সেই ছোট্ট বাচ্চাটি এখন বড় হয়ে গিয়েছে। বিয়ে করেছে। সিগারেট খাওয়া শিখেছে। বড্ড বেপরোয়া হয়েছে।
অবশ্য ছোট থেকেই সে বেপরোয়া।
আমিনা বেগম নওয়ান এর ছোট বেলার এক খানা ফটোর পানে তাকিয়ে বসে আছে৷ অন্য সব বাচ্চাদের মতো সে কখনোই মা পাগল ছিলো না। রাতে ঘুমানোর সময় মায়ের থেকে বাবাকেই সে বেশি মিস করেছে৷
মা ছাড়া চললেও বাবা ছাড়া তার একটা দিনও চলতো না। বাবার হাত ছাড়া খাবার খেতো না। অন্যসব বাবারা তার বাচ্চাদের কাঁধে করে বড় করলেও নায়েব তালুকদার নওয়ানকে বুকে করে মানুষ করেছে। ঠিক একটা মায়ের মতো।
এখন পর্যন্ত ছেলেটা তেমনই রয়ে গেলো। বাবা পাগল ছেলে।
ভাবতে ভাবতেই মুচকি হাসে আমিনা। ফটো খানা সঠিক স্থানে রেখে রান্না ঘরের পানে ছোটে। আজকে ছেলেটার পছন্দের সব খাবার রান্না করবে। যদিও সে জানে ইতিমধ্যেই স্নেহা রান্নার তোরজোর শুরু করে দিয়েছে। মেয়েটার সব দিকেই নজর থাকে।
নওয়ান এর কি ভালো লাগে? কিভাবে সে ভালো থাকবে সবটাই স্নেহার মুখস্থ।
এই মেয়েটাকে পেয়ে গেলে নওয়ান এর একটা জীবন খুশি আর আনন্দতে ভরে থাকতো।
নুপুর নিজ কক্ষে বসে আছে চুপচাপ। মাথায় তার নানান চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। যা করছে ঠিক হচ্ছে কি?ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল না তো?
মায়া বড্ড খারাপ একটা শব্দ। মানুষের মায়ায় পড়লে জীবন ছারখার। অথচ নুপুর শিকদার স্ব ইচ্ছায় মায়ায় পরলো। ভালোবাসার মতো ভুল করল।
এই ভুলের মাশুল সে কিভাবে গুনবে?
তার যে বুক কাঁপে।
মন যেটা চাচ্ছে সেটা করতে পারছে না৷
বড্ড দোটানায় পড়েছে। এই মুহূর্তে আনুকে খুব দরকার ছিলো। নুপুরের এই দোটানা সে এক নিমিষে দূর করে দিতো। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করতো।
আনুর কথা মনে পড়তেই, বৃষ্টির সেই কান্না ভেজা অসহায় মুখখানা চোখের সামনে ভেসে ওঠে।
না না নুপুর যেটা করছে সেটা একদম ঠিক।
আনু মরে নি, তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। বৃষ্টি কোথায় কে জানে?
আরও তো কতো গুলো মেয়ে ছিলো। তাদের সবার জন্য নুপুরকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।
মায়া করলে চলবে না।
নুপুরের ফোন খানা বেজে ওঠে। স্কিনে অভি নামটা ভেসে উঠেছে।
সময় নষ্ট না করে কল খানা রিসিভ করে। ওপাশ থেকে অভি বলে
“নুপুর
তুমি চাইলে আরো একটাবার ভাবতে পারো।
“আমি আর পেছন ফিরে তাকাতে চাই না। আপনি সব কিছুর ব্যবস্থা করুন।
” স্নেহা পাগল হয়ে যাবে।
“ঠিক নিজেকে সামলে নিতে পারবে।
কারো জন্য কারো জীবন থেমে থাকে না৷ শূন্যস্থান কোনো না কোনো ভাবে পূরণ হয়েই যায়।
তাছাড়া নওয়ান আমার। তার ভালো মন্দ আমি বুঝে নিবো।
“তুমি নিজেকে সামলে নিতে পারবে?
” কিছু দিনেরই তো ব্যাপার।
আমার নওয়ান নিজেকে সুধরে নিবে। তারপর আমরা সংসার করবো। অনেক ভালো থাকবো।
কল কাটে নুপুর। বুকে হাত রেখে জোরে জোরে শ্বাস টানে। হাত পা কাঁপছে।
তখনই কক্ষে প্রবেশ করে নওয়ান। তার জন্মদিন উপলক্ষে ইতোমধ্যেই সকলেই শুভেচ্ছা জানিয়েছে। মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে ছোটখাটো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ছাত্রদল। ওই একটু কেক কাটা হবে গান-বাজনা হবে এত টুকুই।
নওয়ান এখন তৈরি হয়ে সেখানে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই বেরুবে।
শুধু চাঁদ তাকে উইশ করলো না। অবশ্যই এটা নিয়ে মন খারাপ নেই ওর।
নুপুর এমন মন মরা হয়ে বসে থাকতে দেখে এগিয়ে আসে। এবং পাশে বসে ওর মাথাটা নিজের বুকের সঙ্গে চেপে ধরে।
“রিল্যাক্স চাঁদ।
এতো হাইপার হচ্ছে কেনো?
কিসের টেনশন?
আমার চাঁদ যেমনটা চাইবে তেমনটাই হবে।
একদম ঘাবড়াবে না। তোমাকে স্টং থাকতে হবে।
নুপুর ঠোঁট কামড়ে কান্না আটকায়। প্রতিত্তোরে কিছু বলে না৷
নওয়ান হাত ঘড়িতে সময় দেখে নেয়। ইতিমধ্যে দুটো বেজে গেছে। এখন তার যেতে হবে।
তাই নুপুরকে ছেড়ে দিয়ে বলে
“খেয়ে নিও চাঁদ
আমাকে এখন একটু বেরোতে হবে
হয়তো জামাকাপড় পাল্টাতে চেয়েছিলো। কিন্তু পর মুহুর্তে কি হলো সে যেভাবে এসেছিল সেভাবেই বেরিয়ে যায়।
নুপুর এবার আর নিজেকে আটকাতে পারে না। দুই হাতে মুখ থেকে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। বিড়বিড় করে বলতে থাকে
“আমি স্টং থাকতে পারছি না নওয়ান। আমার বুকের ভেতরে অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে। কি করবো আমি?
কি করবো?
দেবেন্দ্র কলেজের মাঠে হট্টগোল লেগেছে। সবাই নওয়ানকে কেক খাওয়াতে চাচ্ছে। তার কন্ঠে গান শুনতে চাচ্ছে, তার সাথে সেলফি তুলতে চাচ্ছে।
তবে নওয়ান এর মুখে হাসি নেই। বল্টু ঠিক বুঝতে পারছে ভাই ভালো নেই। কিছু একটা হয়েছে তার। আজকে সারা দিনে একটা সিগারেটও খেলো না। এমনটা তো হয় না কখনো।
তাই মানুষের ভিড় ঠেলে নওয়ানকে বের করতে চায়।
তবে নওয়ান বের হয় না। সে সকলের উদ্দেশ্যে বলে
“আমি তোমাদের কিছু বলতে চাই।
তোমরা শুনবে আমার কথা?
সকলেই সম্মতি প্রকাশ করে।
“এমনিতে তো তোমাদের গান শোনাই। আজকে ইন্টারেস্টিং একটি স্টোরি শোনাবো।
পাপে ভরাএকটা রাজ্যে ছিলো একটা রাজপুত্র এবং রাজপুত্রের ছিলো একটা চাঁদ। অপূর্ণ সৌন্দর্যের অধিকারীনি সেই চাঁদকে রাজপুত্র অসম্ভব ভালোবাসতো। তার বেঁচে থাকার কারণ মনে করতো।
চাঁদের সব ইচ্ছে পূরণ করার জন্য প্রস্তুত ছিলো। সে মুখ ফুটে বললেই রাজপুত্র সেটা হাজির করবে। তবে চাঁদের তেমন কোনো ইচ্ছে ছিলো না। বাড়িঘর গয়না গাটি টাকাপয়সা কোনো কিছুর প্রতি তার লোভ ছিলো না।
রাজপুত্রের থেকে সে কোনো উপহার নিতো না।
এটা নিয়ে রাজপুত্রের ভিষন আফসোস ছিলো। সে খুব করে চাইতো চাঁদ তার কাছে কিছু চাক। বহুবার চাঁদের কাছেও অনুরোধ করেছে কিছু চাইতে।।
তারপর একদিন রাজপুত্রের আশা পূরণ হলো। চাঁদ একটা আবদার জুড়ে দিলো৷
রাজপুত্র কে নিঃশেষ করবে।
এটাই তার একমাত্র ইচ্ছে।
তার পতনেই চাঁদের জয়।
রাজপুত্র কি আর পারে চাঁদের এই সামান্য ইচ্ছে টুকু অপূর্ণ রাখতে?
পারেনা।
তাই সে নিজের পতনের জন্য তৈরি হয়ে যায়৷ এবং নিজের প্রজাদের ওপর চাঁদের দায়িত্ব দিয়ে চিরো বিদায়ের প্রস্তুতি নেয়।
রাজপুত্রের বিশ্বাস প্রজারা তার চাঁদকে মাথায় তুলে রাখবে। চাঁদের এতোটুকুও ক্ষতি তারা হতে দেবে না।
সভায় উপস্থিত প্রত্যেকটা মানুষই স্তব্ধ হয়ে নওয়ানের কথা শুনতে থাকে। গল্পের টুইস্ট তারা বোঝেনি। তবুও রাজপুত্রের প্রতি একরাশ দুঃখ জমা হয়। আঁখি পল্লব ভরে ওঠে। মনে মনে বলে “অসম্ভব বিনিময়ে রাজপুত্র কি পেলো? চাঁদ কতোই নিষ্ঠুর? তার কি মায়া হলো না?
তবে বল্টু গল্পের টুইস্ট বুঝে ফেলে।
সে কিছু বলার ভাষা খুঁজে পায় না। শুধু মায়া ভরা নয়নে ভাইয়ের মুখ পানে তাকিয়ে থাকে। বিলাই চোখ লাল হয়ে আছে। এক ফোঁটা পানিও জমেছে।
নওয়ান আবার বলে
“যদি কখনো তোমাদের মাঝে ফেরার সুযোগ হয়
তাহলে সেইদিন অনেক গান শোনাবো।
আর যদি ফেরার সুযোগ না হয়
মনে রেখো আমায়।
ভুলে যেও না নওয়ান তালুকদারকে।
নওয়ানের বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত নটা বেজে যায়। বল্টুও তার সাথে এসেছে।
তালুকদার বাড়ি সেজে উঠেছে নতুন রূপে।
কাঁচা ফুলের গন্ধে মম করছে। ড্রয়িং রুমের ঠিক মাঝখানটায় বিশাল বড় সাইজের একখানা কেক রাখা। নুপুর আজকে টুকটুকে লাল রঙের শাড়ি পড়েছে। নওয়ান তার প্রেয়সীকে এই প্রথমবার শাড়িতে দেখলো। ভীষণ সুন্দর লাগছে। স্নেহা, আয়াশ, আমিনা, রাশেদুল, মজনু, সবিতা, মীরা সবাই সেজেছে। কিছু আত্নীয় এবং রাজনীতিবিদও উপস্থিত হয়েছেন। সবারই খাওয়া দাওয়া হয়েছে। তারা অপেক্ষা করছিলো নওয়ান এর জন্য। সে আসলেই কেক কাটা হবে।।
ছেলেকে ফিরতে দেখে নায়েব তালুকদারের মুখে হাসি ফোটে। সে নিজের রাজকীয় আসন ছেড়ে নওয়ান এর সামনে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে বলে
” শুভ জন্মদিন আমার বাবা।
নওয়ান শুনতে পেলো না। কারণ সে তাকিয়ে আছে নুপুরের মুখ পানে। তৃষ্ণা মিটছে না তার। বহুক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারলে হয়ত একটু তৃষ্ণা মিটতো। এই মুহূর্তে চাঁদকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে।
তবে যেখানে পূরণ হবে না।
এইতো পেছনে চলে এসেছে অনেক গুলো পুলিশ। নওয়ান এর দিকে বন্দুক তাক করে তারা বলে ওঠে
“মিস্টার নওয়ান তালুকদার ইউ আর আন্ডার এরেস্ট। আপনার এগেইস্ট এ আঠারোটা খু/ন এবং নারী পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
মুহূর্তের তালুকদার বাড়িতে হট্টগোল শুরু হয়ে যায়। আমিনা হাত-পা কাঁপতে থাকে। নিজের ভারসাম্য বসায় রাখতে পারে না। মীরা তাকে ধরে। নায়েব তালুকদার স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। মজনু তালুকদারের জ্ঞান হারাবে হারাবে অবস্থা। ভয়ে কেঁপে উঠতে আত্নমা। স্নেহার কোনো ভাবান্তর নেই। সে নওয়ান এর মুখ পানে তাকিয়ে আছে।
রাশেদুল কাঁপা স্বরে পুলিশকে প্রশ্ন করে
“কেস করেছে কে?
” নুপুর শিকদার। নওয়ান তালুকদারের স্ত্রী। প্রুফ সহ সে আমাদের কাছে কেইস ফাইল করেছে।
আরেক দরফায় চমকায় সবাই। এবার স্নেহা নরেচরে ওঠে। নওয়ানের থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নুপুরের পানে তাকায়।
নওয়ান শুধু নুপুরের মুখ পানে তাকিয়ে আছে। এক সেকেন্ড এর জন্যও সে নজর সরায় নি।
রাশেদুল প্রমাণ দেখতে চায়।
পুলিশ একটা মনিটর সেটআপ করে ভিডিও ওপেনিং করে।
১. নির্বাচনের নমিনেশন পাওয়ার পরে শাহাবুদ্দিন এবং তার মেয়ে ইরাবতীকে খু/ন করেছে নওয়ান। লা/শের পাশে নওয়ান এর রুমাল এবং সিগারেট এর টুকরো পাওয়া গিয়েছিলো।
২. দৌলতদিয়া পতিতালয় নওয়ান এর তৈরি। আবির এবং তামিমকে ব্যবহার করে স্কুল কলেজের মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে পতিতালয়ে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে বিদেশে পাচার করা হয়।
আবির পুলিশকে বলে দিতে চেয়েছিলো বলে নিজে হাতে আবিরকে খু/ন করেছে নওয়ান।
শাক্ষী দিয়েছে তামিম।
৩.আকিজ ফ্যাক্টরিতে ড্রাগ এবং অশ্র সংরক্ষণ করা হয়। সেটাও নওয়ানের নির্দেশ এ।
গত পরশু তথ্য মন্ত্রীকে খু/ন করেছে নওয়ান।
এরকম হাজার খানা প্রমাণ এবং সাক্ষী ল্যাপটপের স্পিনে দেখা যাচ্ছে।
নুপুর আশ্চর্য হয়ে যায়। কপাল কুঁচকে পুলিশের পেছনে থাকা অভির পানে তাকায়। এ সবকিছু তো নায়েব তালুকদার করেছে। তাহলে নওয়ানের নাম কেনো বলা হচ্ছে? আর প্রমাণ গুলো নওয়ান এর বিরুদ্ধে কিভাবে বানানো হলো?
অভি বাঁকা হাসে। তার হাসির অর্থ কি ছিলো জানা নেই নুপুরের। তবে ভালো কিছু নয় এতটুকু বুঝতে পেরেছে।
স্নেহা চুপচাপ সবকিছু শুনছিলো। পুলিশ যখন নওয়ান কে প্রশ্ন করে
“অভিযোগ গুলো সত্যি?
নওয়ান মুচকি হেসে জবাব দেয়
” আমার চাঁদ যখন বলেছে তখন অবশ্যই সত্যি।
পুলিশ হাত কড়া পড়াতে যায় নওয়ানকে। স্নেহা সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। পুলিশের চোখে চোখ রেখে বলে
“প্রমাণ গুলো অরিজিনাল তার কি প্রমাণ রয়েছে?
হতে পারে এগুলো এ আই দিয়ে বানানো।
পুলিশ অফিসার বলে ওঠে
” আমরা প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে এরেস্ট করতে এসেছি। যাচাই বাচাই না করেই?
সবই সত্যি।
তাছাড়া নওয়ান তালুকদার নিজে স্বীকার করেছে।
স্নেহা মানতে নারাজ। সে এবার কেঁদে ফেলে।
“উনি পাগল তাই স্বীকার করছে। ওনাকে নিয়ে যাইয়েন না। জেল খানায় প্রচন্ড মশা। ওনাকে কামড়াবে।
” স্যরি ম্যাম ওনাকে নিয়ে যেতেই হবে।
বলেই হাত কড়া পড়িয়ে দেয় নওয়ানের হাতে। স্নেহা যেনো কিছু মুহুর্তেই পাগল হয়ে গেলো। সে পুলিশের পা জড়িয়ে ধরে। হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে।
নওয়ানকে ছেড়ে তাকে ধরে নিয়ে যাক।
স্নেহার এই আহাজারি পুলিশের কানে ঢোকে না। তারা নওয়ানকে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা শুরু করে দেয়।
বল্টু বলে
“স্যার ভাইয়ের সব খারাপ কাজে সঙ্গ দিয়েছি আমি। আমাকেও নিয়ে যান।
পুলিশ বল্টুকেও হাত কড়া পড়িয়ে দেয়।
চলবে
Share On:
TAGS: অন্তরালে আগুন, তানিশা সুলতানা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ২৯
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ৪৩
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ১৮
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ১৭
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ১০
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ১৬
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ২৮
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ৭
-
অন্তরালে আগুন পর্ব ৪১
-
অন্তরালে আগুন গল্পের লিংক