Love_or_Hate
ইভেলিনা_তূর্জ
পর্ব_৩
কলিং বেলের শব্দ হতেই রোজ ইউভানকে বুকে ধাক্কা দিয়ে সরে যায়।ইউভান বিরক্ত নিয়ে দরজার কাছে গিয়ে পাসওয়ার্ড টিপতেই দরজার লক খুলে যায়।রোজ কিছুটা কৌতূহল নিয়ে উঁকি মারে কে এলো হঠাৎ দেখতে।রোজ চোখ সরু করে তাকাতেই দেখে ড্যানিম জ্যাকেট পড়া একটা লোক ভিতরে প্রবেশ করেই ইউভান এর গলা জড়িয়ে ধরে ফেলে, চোখের সানগ্লাসটা খুলে উচ্চশব্দে হেসে উঠে,
“ডেনমার্ক থেকে কিছু না বলে চলে এলি কেনো হা’রামি”
“যাস্ট সাট আপ, দামিয়ান।তোকে এখানে আসতে কে বলছে।গো ব্যাক।”
“হাহা।আমি একা আসিনি।”
দামিয়ান হাত উঁচু করে দরজার দিকে ইশারা করতেই ইউভান দেখে তুষার আর লাড়া ভিতরে প্রবেশ করছে।ইউভান আজ তিনদিন হলো ডেনমার্ক থেকে দেশে এসেছে।বন্ধুদের কাউকে কিছু না বলেই চলে এসেছে।তবু ইউভান এর হুট করে দেশে আসার ব্যাপারটা বড়ই অদ্ভুত ঠেকলো দামিয়ানদের কাছে।তাই তারাও চলে এলো ইউভানের কাছে।ইউভান এদিকে রাগে কটমট করছে। লাড়া তুষার ভিতরে প্রবেশ করে ইউভান এর কাছে আসে।কারোর দৃষ্টি রোজের দিকে না পড়লেও লাড়া ঠিকি রোজকে খেয়াল করলো।রোজ সিঁড়ির কাছে গুটিসুটি মেরে দাঁড়িয়ে আছে। লাড়া ইউভানকে রোজের উদ্দেশ্য বলে,
“এই মেয়ে কে রিক।তোর বাড়িতে কি করছে?”
সবাই রোজের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে। ইউভান ম’দের গ্লাসে চুমুক দিয়ে কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে,
“মে’ইড, সি ইজ মাই পার্সোনাল মে’ইড,এই বাড়ির সকল কাজ ও করবে।”
কথাটা শুনতেই বাকিরা বিস্মিত হয়ে একএে ব’লে উঠে,
“মে’ইড”
দামিয়ান ঘাড় ঘুড়িয়ে রোজের দিকে তাকিয়ে সোজা রোজের কাছে চলে আসে।ইউভান নিজের জন্যে পার্সোনাল মে’ইড রেখেছে তা কারোরই বিশ্বাস হলো না।যে কিনা নিজের কাছে মেয়েদের ঘেষতেই দেয় না।সহ্য করতে পারে না সে নাকি আবার মেই’ড রেখেছে তাও পার্সোনাল। দামিয়ান রোজের কাছে যেতেই রোজ হালকা পিছিয়ে যায়। দামিয়ান মৃদু হেসে বলে উঠে,
“ওয়াও তুমি তো অনেক সুইট “
ঘাড় ঘুড়িয়ে ইউভানের দিকে দৃষ্টি ফেলে বলে,
“কিরে ভাই এত সুন্দর মেয়ে তোর বাসার কাজের মেয়ে হয় কি করে।
একেতো ইউভান জোর করে তাকে রে’প করেছে, তার উপরে তাকে সবার চোখে নিজের বাড়ির মে’ইড বল্লো।রোজের খুব কান্না পেলো।কতোটা সস্তা হয়ে গিয়েছে সে। কতোটা অপমান বোধ করছে মনে মনে।অতি কষ্টে চোখের জল জমিনে পড়া থেকে আটকে রাখলো।দামিয়ানের কথায় ইউভান তাচ্ছিল্য হেসে বলে,
“উহু।হ’ট তাই না। সেই জন্যই তো পার্সোনাল মে’ইড বানিয়েছি।”
রোজ ঘৃণায় নাক ছিটকালো।তার চিৎকার করে এদের সকলকে বলতে মন চাইছে যে তাদের গুনোধর পিশাচ বন্ধু তাকে জোর করে ধ/র্ষ/ন করেছে।তবে পারলো না।নিজের ইজ্জত এর কথা ভেবে।ধ/র্ষিতা শব্দটা থেকে কাজের লোক শব্দটা হাজারগুনে ভালো।দামিয়ান রোজের আরেকটু কাছে এসে পরক করতে থাকে কি এমন আছে এই মেয়ের মধ্যে যে ইউভানের মতো নারী বিষাদ পুরুষ একে সোজা নিজের বাড়িতে থাকতে দিয়েছে। দামিয়ান এর চোখ রোজের ঘাড়,গলার উপর ছোট ছোট কা’মুড়ের ক্ষতর উপর আটকে যায়।চোখ বড় বড় করে এক পাঁ পিছিয়ে যায়। রোজ তার পড়নের ওড়নাটা সরিরে আরও আস্টে পিস্টে জড়িয়ে নেয়।দামিয়ান একবার ইউভান এর দিকে তাকায় তো আবার ঘাড় ঘুড়িয়ে ইউভান এর দিকে তাকায়। দামিয়ান সিঁড়ি থেকে নেমে ইউভান এর কাছে আসে।হিসহিসিয়ে বলে,
“এক ফা’কার,তুই না বললি ও তোর মে’ইড,শালা।তুই কি করেছিস মেয়েটার সাথে। সত্যি করে বল তো।কতো সুইট একটা মেয়ে।সত্যি করে বল ভাই “
ইউভান বাঁকা হাসে।
“মেয়েটা একেবারে কড়া মা’ল,শুধু একটু শরীরের জ্বালা মিটিয়েছি বেশ্।বাট আই ডোন্ট লাইক হার”
“ছিহ।ছিহ্।রিক তুই কি মেয়েটার সাথে ইন’টিমেট হ’য়েছিস।?”
“তুর মুখ দিয়ে যদি এসব নিয়ে আর একটাও কথা বের হয় তোর জিভ টেনে ছিড়ে ফেলবো”
“ভাই, মেয়েটার সাথে উল্টা পাল্টা কিছু করিস না। এমনিতেও ইউ ডুন্ট লাইক গার্লস, আই নো।তাও, মেয়েটাকে সরল মনে হচ্ছে দোস্ত। উল্টো পাল্টা কি করেছিস”
“তোকে ভাবতে হবে না এসব নিয়ে, ইভেন কাউকেই না। ওকে”
“উহু।ডাল ময়া কুচ কালা হে।এতো প্রিটি মেয়ে যদি আমার গার্লফ্রেন্ড হতো ইশশ্।রাণী করে রাখতাম।তুই ব্যাটা মে’ইড বলছিস”
কথাটা কানে যেতেই ইউভান দাঁতে দাঁত পিষে বলে,
“ফা’ক। এই মেয়ে আমার কাছে থাকবে।না হলে আমার তৃষ্ণা মিটবে না।একে শাস্তি দিতে না পারলে আমি নিজেই শেষ হয়ে যাবে।
ভাই কি এমন শএুতা তোর এই ফুলের মতো মেয়েটার সাথে। ছেড়ে দে। আমায়….
“কুত্তা’র বাচ্চা চুপ।মরতে না চাইলে চুপ হ।”
দামিয়ান ভয়ে এখানেই চুপ হয়ে যায়।লাড়া এসে একটা চেয়ারে বসে রোজকে আদেশ করে তাকে এক গ্লাস পানি দিতে।তবে ইউভান কড়া গলায় বলে দেয় রোজ শুধু তার পার্সোনাল মেইড আর কারোর না।তাকে আদেশ না দিয়ে নিজের কাজ নিজে করার জন্যে।কেননা এতো বড় বাড়িতে কোনো মেইডই নেই।দেখাশোনার জন্যে একটা কেয়ারটেকার পর্যন্ত নেই।
রাতে সকলে ডিনার শেষ করে যে যার যার মতো বেড রুমে গিয়ে শুয়ে পড়েছে।ইউভান সন্ধ্যর সময় বাড়ির বাহিরে গিয়েছে এখনো আসে নি।রোজের ভালো লাগে না একদমি দম বন্ধ হয়ে আসে এখানে ইউভান নেই সারাদিনে দানাপানিও মুখে দেয় নি।ইউভানের অনুপস্থিতির সুযোগে রোজ উপরে যায়নি আর।নিচের তলায় একটা বেড রুমে শুয়ে আছে।তবে ঘুমোতে পারছে না।শান্তি লাগছে না তার একটুকুও।নিজের ফোনটাও বাড়িতে।রাত এখন প্রায় এগারোটা, সারাদিন কিছু না খাওয়ার ফলে শরীর খারাপ লাগছে। গলাটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে।পানির তৃষ্ণা সহ্য করতে না পেরে শুয়া থেকে উঠে ডাইনিং এ চলে আসে চারপাশ গুটগুটে অন্ধকার। বাহিরের চাঁদের আলো এসে পড়ছে হালকা হালকা কাঁচের জানালা গলে।রোজ গুটিগুটি পায়ে ফ্রিজ খুলে ভিতর থেকে ঠান্ডা ওানির একটা ওয়াটারপট বের করে এক ঢুকে পানি গিলে নেয়।পিপাসা মিটায়।ফ্রিজের ডোর লাগিয়ে যেই না পিছনে ফিরে অন্ধকারে কাউকে তার সামনে দেখতে পেয়ে ভয়ে অঁতকে উঠে। ছায়ামূর্তিটা তাকে এক ধাক্কায় ঠান্ডা দেয়ালের দিকে ঠেসে দেয়।কোমর জড়িয়ে একটু ঝুঁকতেই রোজ দেখতে পায় ইউভান আর কেউ না।জোরে জোরে শ্বাস টেনে তোতলিয়ে বলে,
“আ… আপনি।কখন এলেন”
“তার কৈফিয়ত কি আমি তোকে দিব? আগে এটা বল আমার বেড রুমে তোকে পেলাম না কেন?”
রোক কোনো জবাব দেয় না।ইউভান রোজের ঘাড়ে তার গরম নিঃশ্বাস ফেলে গাল চেপে ধরতেই রোজ মুখ সরিয়ে চিবিয়ে বলে,
“আপনার নোং’রা নোং’রা হাতে আমাকে ধরবেন না।জ্বলে যায় আমার শরীর।”
“হুহ জ্বলারি কথা।
“ছিহঃ
ইউভান রোজের অঁধরে আঙুল ঠেকিয়ে, রোজের গলার ওড়নাটা খুলে নিজের হাতে পেঁচিয়ে নেয়।রোজের বুক কেঁপে উঠে জোরে জোরে উঠা নামা করতে থাকে।ইউভান শুকনো ঢুক গিলে রোজের পিঠ খামচে ধরে বলে,
“দেখিস নি।এখন দেখে নে।নু’ড হয়ে আসি আরও ভালো করে দেখে নিবি”
রোজ হাত দিয়ে ইউভানের বুকে ধাক্কা দিয়ে সরাতে চায়।ইউভান রোজের দু-হাত নিজের এক হাত দিয়ে চেপে দেয়ালে ঠেসে, অনবরত রোজকে চু’মু খেতে থাকে,একেরপর এক চু’মুতে ভিজিয়ে দিতে থাকে। রোজ এর নিঃশ্বাস আটকে আসে।ইউভান, একটা … দুটো… তিনটে… চারটে.. পাঁচে..নয়. অগণিত চুমুতে ভড়িয়ে দিতে থাকে,টানা নয়,দশ মিনিট পড় থেমে নিজের শার্টের বোতমে হাত রেখে তা খুলতে শুরু করে।নিজের জিম করা ফর্সা বুক উন্মু’ক্ত করে রোজের চুল মুঠ করে তার বুকে কাছে এনে নেশালো কন্ঠে বলে,
‘নাও। ইট’স ইউর, টাইম।কিস কর আমায়।নট সফ’টলি, হার্ডলি।”
.
.
.
.
.
(চলবে)
[পরবর্তী পর্ব পেতে রেসপন্স করুন🌿❤️]
Share On:
TAGS: Love or hate, ইভেলিনা তূর্জ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
Love or hate পর্ব ১৩
-
Love or hate পর্ব ১২
-
Love or hate পর্ব ২১
-
Love or hate পর্ব ২
-
Love or hate পর্ব ১৮
-
Love or hate পর্ব ২৫
-
Love or hate পর্ব ৯
-
Love or hate পর্ব ৮
-
Love or hate পর্ব ৬
-
Love or hate পর্ব ১৬