খাঁচায়বন্দীফুল
jannatul_ferdous_জান্নাতুল_ফেরদৌস
৪৪ এর শেষাংশ
বৃষ্টির পরের ভেজা বাতাস সর্বাঙ্গে কাঁপন ধরিয়ে দিচ্ছে ফুলমালার। পরনের সিঁদুর রঙা শাড়িটার কিছু অংশ ভিজে গেছে। তুযার কোনো হেলদোল নেই। এমন বহু বিপরীত বিষয়ে সে অভ্যস্ত। দূরে বৃষ্টি ভেজা শহর টা ভীষণ সুন্দর লাগছে দেখতে। চারিদিকে কত আলো। উঁচু উঁচু বিল্ডিং এর জানালা গুলো দিয়ে আসা আলো খই এর মতো ফুটে আছে। কোনো টা সাদা তো কোনোটা লালচে। অন্যান্য রঙের আলোও দেখা যাচ্ছে, তবে দূরের উঁচু ভবনটার বেগুনি আলো তুযার বড় চোখে লাগলো। ফুলমালা আরেকটু ঘেষলো তুযার দিকে। বহু প্রশ্ন তার মনে। আজ সবটা জানবে তুযার থেকে। কোনো ভাবেই প্রশ্ন এড়িয়ে পালাতে দেবে না এই কিশোরী। দু’হাতে বাহু আঁকড়ে ধরলো তুযার। শার্টের হাতা ভেজা অনুভূত হলো। ফুলমালার ঘনিষ্ঠতায় তুযা হাসফাস করছে। নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে চাইলে ফুলমালার হাতের বাধন আরো গাঢ় হলো। তুযা আকাশের দিকে তাকিয়ে তপ্ত নিশ্বাস ছেড়ে বলল
“আমারে ছুঁইস না ফুল। তুই ম্যালা পবিত্র। আর আমি কালি। আমারে ছুঁইয়া গায়ে দাগ লাগাইস না।”
ফুলমালা ছাড়লো না। দৃঢ় কন্ঠে বলল
“কিয়ের এত দাগ আমনের? একজন রে ভালো পাইতেন, হ্যায় বেইমানি করছে। কই হেরে ঘেন্না কইরা নতুন জীবন শুরু করবেন। তা না, তার বেইমানির ভাড়-বোঝা নিজের ঘারে লইয়া, দাগি সাইজা ঘুরতাছেন”
“আমি ওরে ঘেন্না করবার পারি নাই রে ফুল। ওর লাইগা গোটা দুনিয়ার সবাইরে ঘেন্না করি, তয় ওরে ঘৃন্না করবার পারি নাহহ”
ফুল মালার চোখ ভিজে ওঠে ফের। অভিমানী গলায় বলে
“আমনে তো বুঝেন কাওরে ভালোবাইসা না পাইলে কেমন লাগে। কন বুঝেন না? তাইলে আমার বিষয়টা ক্যান বুঝতাছেন না। আপনারে না পাইলে আমিও যে আপনের মতো দাগি হমু। ওই যে কইলেন লাশ হইয়া গেছেন। আমার দশাও আমনের মতো হইবো তুযা ভাই।”
ফুলমালার গলা ভেঙে কান্না আসে
“আমারে ফিরাই দিয়েন না তুযা ভাই।”
তুযার ভিতরের অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে। এ মেয়েকে কোনো ভাবেই বোঝানো যাচ্ছে না। নিজেট দুই হাতের তালু ফুলমালার দিকে মেলে দিয়ে বলল
“এই হাতে ম্যালা নারীর গতর ছুঁইছি আমি। দ্যাখ। আমি ভালো না রে ফুল। আমি অপবিত্র, নোংরা। তুই ম্যালা ভালো জীবন সঙ্গী পাওয়ার যোগ্য। এই নোংরা ছুঁইয়া নিজেরে কলঙ্কিনী বানাইস না”
ফুলমালা কে তাতেও দমানো গেলো না। তুযার পুরুষালী, রুক্ষ চামড়ার হাত খানা নিজের ছোট হাত দুটি দিয়ে আঁকড়ে ধরে বলল
“আমি কলঙ্কিনী হইতেও রাজি, যদি সেই কলঙ্ক আপনি হন। পর নারী ছুঁইছেন? বেশ, আজকের পর থিকা আর ছুঁইয়েন না। আমার আজীবন কোনো আফসোস থাকবো না আপনার অতীত নিয়ে”
এবার শব্দ করে কেঁদে ফেললো ফুলমালা
“তাও আমি আপনার সাথে থাকতে চাই। ছোট্ট কবিতার মা হইতে চাই আমি তুযা ভাই। আমারে আপনার ঘরের এক কোণায় জায়গা দিয়েন। তাও আমি আপনার হইতে চাই”
তুযার এবার পালাতে হবে। নয়তো ফেঁসে যাবে এই রমনীর জালে। কথা যতই কঠিন বলতে যাচ্ছে, হচ্ছে না কঠিন।
“সর তো। ওমন ফ্যাচফ্যাচ কইরা কান্দিস না।”
“আমনেরে পাইয়া গেলে আর কোনোদিনও কান্দুম না।”
তুযা গভীর দৃষ্টিতে পরখ করলো ফুলমালা কে
“এক জনরে মনে রাইখা আরেক জনের লগে ঘর করা যায় না ফুল। তোরে তাইলে ঠকানো হইবো। কি পাবি তাইলে আমার সংসার কইরা?”
ফুলমালা চোখ মুছলো
“আমার অতকিছু লাগবো না। আমি আপনার ঘরে থাকমু। রান্না বান্না করমু, কবিতারে বড় করমু, খালাম্মার দেখা শোনা করমু। আর আমনের ঘরে ফেরার অপেক্ষা করমু। আপনি আইসা দু’দন্ড আমার সামনে বইবেন, আমনেরে নিজের হাতে খাওয়ামু। ব্যাস, আর কিচ্ছু চাই না আমার”
তুযার কাছে আর কোনো যুক্তি নেই দেওয়ার মতো। এত আসক্তি এই মেয়ের কবে হলো তুযার প্রতি। টেরও পায়নি ওর অনুভূতি এতো গভীরে চলে গেছে। ভেবেছিলো বাচ্চা মানুষ, অল্প বয়স। চোখের দেখা অনেক কিছুই পছন্দ হয়। তেমনই হবে হয়তো। ফুলমালা তুযার উত্তরের অপেক্ষায়। তুযা কে চুপ থাকতে দেখে বলল
“যে আপনারে ছাইড়া গেছে তার লাইগা, যে আমনেরে ভালোবাসে তারে দূরে সরাই দিলেন। তাইলে তো আমনে আর হেয় একই। হ্যায় নিজের স্বার্থে আপনেরে ছাইড়া গেছে, আপনিও সেই জিদে আমারে গ্রহণ করতেছেন না”
“এত কথা কবে শিখলি ফুল? আমি তোর জীবন নষ্ট করতে পারুম না।”
বেশ কিছুক্ষণ সময় যাওয়ার পরেও ফুলমালার কোনো নড়চড় দেখছে না তুযা। মনে হচ্ছে ওর কাঁধে মাথা ঠেকিয়েই ঘুমিয়ে পড়েছে। কয়েকবার ডাকলোও তুযা। তাও হেলদোল নেই। সোজা করে বসাতে গেলে ঢলে পড়লো তুযার ওপর। বুঝলো জ্ঞান হারিয়েছে। বিয়ে বাড়ির ব্যাস্ততায় খাওয়া দাওয়া করেনি বোধহয় সারাদিন। দৌড় ঝাপ তো কম করে না। শরীর দুর্বল বোধহয়।
তুযা কোলে তুলে নিলো ঘরে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ফের ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হলো। মায়াবীর ঘুমন্ত মুখশ্রীর দিকে তাকিয়ে তুযা বলল
“আমি তোরে ছুঁইতে চাই না। ক্যান বারবার আমার সান্নিধ্য পাইতে চাস তুই?”
ভিজে যাওয়া থেকে বাচতে দ্রুত স্থান ত্যাগ করলো তুযা। ফুলমালা কে কোলে করে সিড়ি দিয়ে নামার সময় মুখোমুখি হলো দীঘির। রাত অনেক হয়ে গেছে, ফুলমালা শুতে না যাওয়ায় খুজতে এসেছে দীঘি। তুযার মুখটা ছোট হয়ে গেলো। বাড়ির প্রত্যেকের চোখ ফাঁকি দেওয়া গেলেও দীঘির চোখ ফাঁকি দেওয়া অসম্ভব। তুযা তা ভালো করেই জানে। থমকে গেলো তুযার পা। দীঘি দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে বলল
“ভেবে দেখিও দাদাভাই। হারিয়ে যাওয়া ব্যাক্তিদের স্মৃতির ভার বহনের প্রভাব যেনো গিয়ে অন্য কারোর স্বপ্নের ওপর না পড়ে। অভিশাপ লাগবে কিন্তু”
“যাও ওকে ঘরে নিয়ে এসো। আমি ভাবিকে ডাকছি ওকে চেইঞ্জ করিয়ে দেবে”
দীঘি চলে গেলো অদিতি কে ডাকতে। তুযা ফুলমালা কে দীঘির ঘরে দিয়ে আর দাঁড়ালো না। চলে এলো নিজের ঘরে। শরীর থেকে ভেজা জামা খুলে গা মুছে নিলো। ক্ষুধার তৃষ্ণা হারিয়ে গেছে। খেতে ইচ্ছা করছে না আর। সিদ্ধান্ত নিলো কালই বাড়ি চলে যাবে। যদিও ওয়াহাব রাজি হবে না এমন সময় ভাইদের ছেড়ে বাড়ি চলে যেতে। কেউ না গেলে তুযা একাই যাবে। ওর মতে বদ্ধ ঘরে থাকলে মানসিক অশান্তি আরো বাড়ে।
গ্রামে থাকা লোকেরা ঘরকুনো হয়ে থাকতে পারে না। খোলা আকাশের নিচে ছোটাছুটি তাদের স্বভাব। শহরের বিল্ডিং তাদের কাছে নেহাৎ বন্দি খাঁচা। হাঁপিয়ে উঠেছে তুযা এ ক’দিনে। হাওড়ের পাড়ের শীতল বাতাস, বৃষ্টিতে চালার ঘুন্টি ঘরের ছাউনি, নদীর পাড়ের পাতা ওই বাশের মাচাল। এগুলোই তুযার জীবনের শান্তি। এই দালান কোঠায় তার পোষাচ্ছে না।
ঘড়িতে রাত একটা বেজে পঁচিশ মিনিট। তুযার ঘরের দরজায় খটখট শব্দ। পরনের শার্ট খুলে খালি গায়েই খাটে হেলান দিয়ে মেঝেতে বসে ছুলো। দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে হচকচিয়ে উঠলো। নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলো। খাটের ওপরে রাখা শুকনো একটা শার্ট গায়ে জড়ালো। ফ্লোরে ফেলে রাখা ভেজা শার্টটা তুলে ব্যালকনিতে রেখে, চোখমুখ মুছে বলল
“দরজা খোলাই আছে”
এই প্রথম বার তুযা উপলব্ধি করলো কারো ঘরে ঢুকতে দরজায় নক করে অনুমতি নেওয়ার নিয়মটা কেনো করা হয়েছে। মানুষ কে অপ্রস্তুত অবস্থা থেকে বাঁচানোর জন্যই। সাইফ দরজা ঠেলে ভিতরে আসলো। তুযা অবশ্য আন্দাজ করেছিলো। সাইফ ছাড়া এত রাতে কে আসবে। তবে সাইফের সাথেও কথা বাড়াতে ইচ্ছা হচ্ছে না। পাছে টের পেয়ে যায় তুযার অস্থিরতা। কপাল কুচকে বলল
“বউ রেখে মাঝরাতে আমার ঘরে কি তোর? যা ঘরে যা”
সাইফের মুখ ভীষণ চিন্তিত দেখাচ্ছে। তুযার পাশে বসে বলল
“রোহানের লা’শ পাওয়া গেছে পূর্বাচল লেকের ধারে”
তুযা বিরক্ত হয়ে বলল
“তো দূরে কোথাও ফেলতে পারিস নি? আর নয়তো পুঁতে দিতি। শহরে চারিদিকে মানুষের আনাগোনা। এমন চুদনামি কেনো করিস?”
সাইফ বলল
“কিন্তু আমি ওকে মারিনি। আমি তো অফিসের গোডাউনে আটকে রেখেছিলাম ওকে। দুইদিন বিয়ের ঝামেলায় যেতে পারিনি ওখানে। একটু আগে খবর পেলাম ওর লা’শ পাওয়া গেছে।”
তুযা সাইফের দিকে তাকিয়ে বলল
“তো যখন খবর পেয়েছিস সাথে সাথে বললি না কেনো আমায়?”
“গেছিলাম তোমায় খুজতে, পরে ছাদে গিয়ে দেখলাম……”
সাইফ দ্বিধা বোধ করলো কথাটা বলতে যে ছাদে ওদের দুজনকে ওই ভাবে দেখে আর ডাকেনি। তুযা গলা খাকারি দিয়ে কথা ঘুরালো
“এখন কি করবি?”
“কি করবো আবার? আমার কোনো প্যারা নেই। আমি মারিও নি। আর পুলিশ আমার টিকিটাও ছুঁতে পারবে না। আমি ভাবছি ওকে মারলো টা কে?”
তুযা মনে মনে একটু লজ্জাবোধ করছে। শালার মানুষ কত কিছু করে ফেলে আর সে সামান্য কথা বলতে গিয়ে কয়জন এর চোখে পড়ে গেলো। ধুরোওওও। সাইফ তুযা কে অন্যমনষ্ক দেখে বুঝলো কিছু চলছে ওর মনে। তুযা হঠাৎ সাইফের দিকে তাকিয়ে বলল
“এত সাদাসিধে সেজে থাকিস কি করে বাল? আমি তো দম আটকে মরেই যাবো”
“আমি এমনিতেও সাদাসিধা ই।”
বলেই চোখ টিপলো সাইফ। তুযা হেসে সাইফের পিঠে চাপড় মারলো। সাইফ উঠতে নিয়েও আবার বসলো।
“দাদাভাই তুমি বিয়ে করবে কবে?”
তুযা সাইফের দিকে চোখ পাকিয়ে তাকালো। সাইফ ঠোঁট টিপে হাসে। তুযা সাইফের গালে মৃদু চাপড় মেরে বলে
“একজন রে যাও ভাল্লাগছিলো। তুই পাকড়াও করে নিলি। ধ’ন ডা বিয়া করমুনি”
সাইফ সিরিয়াস ভাব নিয়ে বলল
“খুঁজে দিবো একটা?”
তুযা বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে বলল
“নাটক মারাইস না। যা ঘরে যা। রাইত দুপুরে বিয়ার প্যাচাল নিয়া আইছে।”
সাইফ উঠে যেতে যেতে বলল
“না তা করবে কেনো? তুমি তো বাইরে খাওয়া দাওয়া করতে পছন্দ করো।”
তুযা উঠতে নিলে সাইফ দিলো এক দৌড়। দৌড়ে গিয়ে ধাক্কা খেলো অদিতির সাথে। ফুলমালার পোষাক পাল্টে দিয়ে ঘরে যাচ্ছিলো অদিতি। সাইফ কে এমন ছুটতে দেখে অবাক হয়ে বলল
“এমন ছুটছেন কেন? কি হয়েছে?”
“আমি ছুটছি নাকি? প্রেমে আমাকে ছোটাচ্ছে। হঠাৎ করে কেমন প্রেম পেয়ে গেলো দেখো বউ”
অদিতি মজা করে নিজের হাত সাইফের বুকে রেখে বলল
“দেখি কতটা প্রেম পাচ্ছে। কই একটু ও তো পাচ্ছে না”
সাইফ অদিতির হাতটা নিজের বুকের ওপর থেকে ধরে বলল
“প্রেম ওখানে পাচ্ছে না বউ। প্রেম পাচ্ছে অন্য জায়গায়”
অদিতির হাত নিচের দিকে নামাতে গেলে অদিতি এক ঝটকায় নিজের হাত ছাড়িয়ে নিলো। সাইফ মুখ গোমড়া করে বলল
“দেখাতেও দিলে না কতটা প্রেম পেয়েছে। এখন চলো, প্রেমের প্রমাণ দিবো”
অদিতির হাত ধরতেই অদিতি সরে গিয়ে বলল
“এক তরফা প্রেমে কিচ্ছু হয় না চৌধুরী সাহেব। আমার প্রেম পাওয়া অবদি অপেক্ষা করুন। দুজনের প্রেম পেলেই প্রেম হবে। তার আগে নয়”
সাইফ ছোট ছোট চোখ করে অদিতির দিকে।
“দীঘির সাথে খুউব মিশছো তাই না?”
অদিতি মাথা ঝাঁকালো। সাইফ আচমকা কোলে তুলে নিলো অদিতিকে। অদিতি নামার জন্য ছুটাছুটি করলো।
“ছাড়ুন আমাকে। আমার প্রেম পাচ্ছে না বললাম তো”
সাইফ নামিয়ে দিলো অদিতিকে। তারপর গেটের দিকে হাটা ধরলো। অদিতি পিছন থেকে ডেকে বলল
“কোথায় যাচ্ছেন এতরাতে?”
“তুমি যখন প্রেম নিবে না, প্রেম টা অন্য কাউকে দিয়ে আসি তাহলে। তোমার যেদিন পায়, সেদিন আবার তোমার কাছে আসবো”
অদিতি হা করে সাইফের পিছনে ছুট লাগালো
“আরে শুনুন শুনুন। আমারো কেমন প্রেম প্রেম পাচ্ছে। শুনুন না”
সত্যি বলতে গত পর্বে তোমাদের রেসপন্স দেখে আমি সত্যিই ভীষণ খুশী 🥰 তাই দেখো আজ তাড়াতাড়ি গল্প দিয়ে দিলাম। তোমাদের রেসপন্স ভালো পেলে আমার লেখার আগ্রহ অনেক অনেক বেড়ে যায়। থ্যাংক ইউ পাখিরা 🥹🫶। এভাবেই সব সময় আমার পাশে থেকো 🥺🤍।
ঘাড়ত্যাড়া দীঘি আর তার নায়ক আসতে চলেছে খুব শিঘ্রই। তৈরি তো সবাই 🥰🫶
কেমন হয়েছে বলিও পাখিরা। আর যারা গ্রুপে জয়েন হওনি তারা বোনাস পর্ব মিস করছো কিন্তু 🤷♀️। কমেন্টে লিংক দিচ্ছি জয়েন হয়ে নাও। ভালোবাসা সবাইকেএএএএ 🥹🫶
Share On:
TAGS: খাঁচায় বন্দী ফুল, জান্নাতুল ফেরদৌস
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৩০
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২৯
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২৩
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২৮
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২১
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৩৩
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৩১
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৬
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৩৪
-
খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ১৯