অসম্ভবরকমভালোবাসি_তোমায়
লেখিকাসুমিচৌধুরী
পর্ব ১০
🚫 অনুমতি ব্যতীত কপি করা নিষিদ্ধ 🚫
পরদিন সকালবেলা। চৌধুরী বাড়িটা যেন হঠাৎ করেই নিঝুম হয়ে এল। মিহি পাখিরা চলে গেছে। আত্মীয়স্বজনরা বিদায় নিয়েছে। বাড়িভর্তি যে শোরগোল ছিল সেখানে এখন এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। রিদিরাও রেডি হয়েছে একটু পরেই চলে যাবে। যাওয়ার আগে শুভ্রকে একবার বলে যাওয়াটা তার কাছে স্রেফ একটা কর্তব্য।রিদি একদম রেডি হয়ে শুভ্রের রুমের দরজার সামনে এসে দাঁড়াল। সে দরজায় নক করে বলল।
“আসবো?”
ভেতর থেকে শুভ্রর সেই গম্ভীর কণ্ঠস্বর ভেসে এল।
“আয়।”
রিদি ধীর পায়ে রুমে প্রবেশ করল। রুমে প্রবেশ করতেই তার পা দুটো যেন মেঝেতে গেঁথে গেল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শুভ্র কালো কুচকুচে একটা শার্ট পরেছে। সে শার্টের হাতা দুটো তার বলিষ্ঠ হাতের ওপরের দিকে ভাঁজ করছে। রিদির মনে একটা প্রশ্ন খেলে গেল। সে সবসময় শুভ্রকে কালো আর সাদা এই দুইটা রঙেই পরতে দেখেছে। কালো টি শার্ট কালো শার্ট নয়তো সাদা টি শার্ট আর সাদা শার্ট। এই দুই রঙের বাইরে শুভ্রকে সে কখনো কিছু পরতে দেখেনি। রিদির মনে এই প্রশ্নটা উঁকি দিলেও পরক্ষণেই সে শুভ্রের দিকে তাকিয়ে সব ভুলে গেল।
শুভ্রর সেই শ্যামবর্ণের গায়ের রঙ কালো শার্টের অন্ধকারের সাথে মিলে এক বিধ্বংসী সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে। শুভ্রর সেই ধারালো পৌরুষ আর শ্যামলা ত্বকের আভা রিদির চোখের পলক আটকে দিল। শুভ্রর তীক্ষ্ণ চোয়াল আর হালকা দাড়ি ঘেরা মুখমণ্ডলে কালো রঙটা এতটাই মোহনীয় মানিয়েছে যে রিদি কথা বলতেই ভুলে গেল। সে মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে রইল। এই পুরুষটার ওপর সে যতোই অভিমান করে থাকুক কিন্তু লোকটা সামনে থাকলে সে দুর্বল হয়ে পরবেই।
শুভ্র শার্টের হাতা ফোল্ড করে দামী হাতঘড়িটা কবজিতে পরতে পরতে আয়নার দিকে তাকিয়ে দেখল রিদি তার দিকে স্তব্ধ হয়ে চেয়ে আছে। শুভ্র আয়নার প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়েই খুব নির্লিপ্ত গলায় বলল।
“চলে যাচ্ছিস?”
রিদির ঘোর কাটল। সে কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে ছোট করে বলল।
“হুম। এটাই বলতে এসেছিলাম। আপনি তো আমাদের বাসায় অনেক দিন ধরে যান না। সময় পাইলে যায়েন বেড়াতে।”
শুভ্র এবার হাতের পারফিউমটা ঘাড়ের কাছে স্প্রে করল। পারফিউমের সেই মত্ত করা ঘ্রাণ পুরো রুমে ছড়িয়ে পড়ল। সে রিদির দিকে না তাকিয়েই খুব ধীরস্থিরভাবে বলল।
“তো এইটা বলতে আসছিলি?”
রিদি ম্লান মুখে বলল।
“হ্যাঁ আসি ভালো থাকবেন।”
বলেই রিদি বিষণ্ণ মনে চলে যেতে নিলে শুভ্রর ভরাট কণ্ঠস্বর কানে এল।
“দাঁড়া।”
রিদি থমকে দাঁড়িয়ে গেল। শুভ্র ধীর পায়ে হেঁটে এসে রিদির একদম সামনে দাঁড়াল। শুভ্রর সেই কড়া পুরুষালি পারফিউমের ঘ্রাণ রিদির নাকে যেতেই সে যেন এক অদ্ভুত আবেশে মাতাল হয়ে গেল। শুভ্র সরাসরি রিদির চোখের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল।
“শোন। পাখির মতো বেশি ওড়াউড়ি না করে এখন থেকে মন দিয়ে পড়াশোনা করিস। আর হ্যাঁ কাল তোদের কলেজে নাকি নতুন এক প্রফেসর জয়েন করবেন। তার ক্লাস কোনোদিন মিস দিবি না। কারণ আমার মনে হয় প্রফেসরটা খুব একটা সুবিধার হবে না।”
রিদি অবাক হয়ে প্রশ্ন করল।
“আপনি জানলেন কীভাবে?”
শুভ্র ঠোঁটের কোণে রহস্যময় এক চিলতে হাসি ফুটিয়ে বলল।
“জাস্ট গেজ করেছি। ঠিক আছে এখন যা ভালো থাকিস।”
বলেই শুভ্র আলমারি থেকে তার দামী কোটটা বের করে গায়ে জড়িয়ে নিল। সে রিদির উত্তরের অপেক্ষা না করেই দম্ভের সাথে রুম থেকে বেরিয়ে গেল। রিদি স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। শুভ্র ভাইয়ের এই রহস্যময় আচরণের মানে সে কিছুই বুঝতে পারল না। সেও একটা তপ্ত দীর্ঘশ্বাস ফেলে ধীর পায়ে রুম থেকে বেরিয়ে এল।
পুরানো এক গুদাম ঘরের ভেতরে একটা চেয়ারে হাত পা বাঁধা অবস্থায় বসে আছে এক যুবক। তার পেট থেকে বুক পর্যন্ত মোটা রশি দিয়ে চেয়ারের সাথে শক্ত করে আটকানো। ছেলেটা আতঙ্কে বারবার শিউরে উঠছে। এই যুবক আর কেউ নয় ফারহান নেহার সেই বন্ধু। কাল রাতেই নির্ভান নিজের ক্ষমতা আর লোকবল দিয়ে ফারহানকে তুলে এনেছে। কাল রাতেই নির্ভান নেহাকে নিয়ে গোপনে বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। তবে এই খবর এখন পর্যন্ত বাইরের কেউ জানে না।
কিছুক্ষণ পর সেই অন্ধকার ঘরে প্রবেশ করল নির্ভান। তার ঠোঁটে জ্বলন্ত এক সিগারেট। নির্ভানের আগমন টের পেয়েই সেখানে থাকা গার্ডরা তড়িৎ গতিতে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। নির্ভান ফারহানের সামনে আসতেই দুজন গার্ড দ্রুত একটা চেয়ার নির্ভানের পেছনে এগিয়ে দিল। নির্ভান একদম ফারহানের মুখোমুখি বসে পায়ের ওপর পা তুলে বসল। নির্ভান সিগারেটের শেষ টানটা দিয়ে এক মুখ ধোঁয়া ফারহানের কুঁকড়ে যাওয়া মুখের ওপর ছাড়ল। তারপর অত্যন্ত ঠান্ডা আর শীতল গলায় বলল।
“চিনতে পারছিস আমি কে?”
ফারহানের সারা শরীর তখন ঘামছে। সে তোতলামি করে কাঁপা গলায় বলল।
“জি… জি। আপনি নেহার ভাই নির্ভান।”
নির্ভান ঠোঁটের কোণে একটা তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটিয়ে বলল।
“বাহ। এত তাড়াতাড়ি চিনে ফেললি আমাকে? এত তাড়াতাড়ি চেনার কারণ কী?”
ফারহান ভয়ে চোখ বন্ধ করে বিড়বিড় করে বলল।
“আপনি… আপনি লন্ডনের মাফিয়া আরহাম খান নির্ভান।”
নির্ভান চেয়ারে আরও একটু আরাম করে হেলান দিয়ে বসল। তারপর প্রশ্ন করল।
” কার ভাই হই আমি?”
ফারহান এবার অপরাধীর মতো মাথা নিচু করে ভাঙা গলায় বলল।
“নেহার।”
নির্ভানের চোখের মণি রাগে সংকুচিত হয়ে এল। সে নিচু স্বরে কিন্তু তীক্ষ্ণ গলায় বলল।
“আমার বোনের সাথে যা করেছিস তুই? এর জন্য এখন তোকে নিয়ে কী করা যায় বল তো? ফুটন্ত গরম তেলে ডুবিয়ে দেব নাকি মাঝ সমুদ্রে নিয়ে শার্কের মুখে ফেলে দেব?”
মৃত্যুর এমন বীভৎস বর্ণনা শুনে ফারহানের কলিজা যেন শুকিয়ে এল। সে প্রায় কেঁদে উঠে আর্তনাদ করে বলল।
“মাফ করে দিন ভাই। আমার ভুল হয়ে গেছে। প্লিজ আমাকে মাফ করে দিন।”
‘মাফ’ শব্দটা শোনামাত্রই নির্ভানের ভেতরের পশুটা যেন জেগে উঠল। সে এক ঝটকায় চেয়ার থেকে উঠে ফারহানের চুল মুঠো করে খামচে ধরল। ফারহানের মাথাটা পেছন দিকে সজোরে টেনে ধরে দাঁতে দাঁত চেপে হুঙ্কার দিয়ে উঠল নির্ভান।
“খা’ন’কি’র পো’লা! আমার বোনের সাথে নষ্টামি করে ভিডিও করিস? আবার এখন তার ভাইয়ের সামনে দাঁড়িয়ে মাফ চাইছিস? জানিস তো নির্ভানের অভিধানে সব শব্দ থাকলেও মাফ বলে কোনো শব্দ নেই।”
ফারহান ব্যথায় কোঁকাতে কোঁকাতে আর্তনাদ করে বলল।
“ভাই আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। আমাকে মাফ করে দিন। আমার জীবনটা দয়া করে ভিক্ষা দিন।”
নির্ভান ফারহানের চুলের মুঠি আরও শক্ত করে টেনে ধরল। তার চোখের মণি এখন টকটকে লাল। সে ফারহানের কানের কাছে মুখ নিয়ে তপ্ত নিশ্বাস ফেলে বলল।
“তোকে মাফ করার তো প্রশ্ন আসেই না। তবে যদি সহজ মৃত্যু চাস তাহলে বল শুভ্র জানল কীভাবে তোর কাছে সেই ভিডিও আছে? যদি সত্যি না বলিস তবে তোকে সোজা জ্যান্ত অবস্থায় ফুটন্ত গরম তেলে ফেলে দেব।”
ফারহানের নিশ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে। মৃত্যুর হিমশীতল পরশ যেন সে অনুভব করতে পারছে। সে ভয়ে কোনো রকমে ঢোক গিলতে গিলতে বলল।
“বলছি বলছি। আসলে আমার নেহার ওপর একটা জেদ চেপে গিয়েছিল। কারণ নেহাকে আমার খুব ভালো লাগত। আমি নেহাকে সে কথা বলেছিলাম কিন্তু নেহা আমাকে রিজেক্ট করে দেয়। সে শুভ্রকে ভালোবাসে এই কথা আমাকে সরাসরি জানিয়ে দেয়। তখন অপমানে আমার জেদ বেড়ে যায়। তাই আমি একদিন নেহাকে নিয়ে পার্টিতে যাই। ওকে কড়া ড্রিংক করাই। নিজেও করি। তারপর নেহার সাথে ফিজিক্যাল রিলেশন করে ভিডিও করে রাখি যাতে পরে নেহাকে ব্ল্যাকমেইল করতে পারি। কিন্তু তার আগেই শুভ্রের পিএ ঈশান আমাকে ধরে ফেলে এবং আমাকে শুভ্রের কাছে নিয়ে যায়। এরপর আমি সব স্বীকার করি। তারা আমাকে জানের ভয় দেখিয়ে ভিডিওটা আমার কাছ থেকে কেড়ে নেয়। আমার ফোন আর সব জিমেইল থেকে ভিডিও ডিলিট করিয়ে দেয়। তারা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে যদি আর কখনো আমি নেহার ক্ষতি করার চেষ্টা করি তবে তারা আমাকে বাঁচতে দেবে না মেরে ফেলবে। এবং এবং…”
নির্ভান সব কথা শুনে রাগে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফারহানের চুল ধরে আরও জোরে টান দিল। তার চিৎকার পুরো ঘরে প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠল।
“এবং এবং কী? বল। জলদি বল।”
ফারহান হাঁপাতে হাঁপাতে গোঙাতে গোঙাতে বলল।
“শুভ্রের বোন রিদির পিছনে লেগেছিলাম আমরা কয়জন। আমার একটা বন্ধু শুভ্রের ফুফাতো বোন রিদিকে পছন্দ করত। রিদি আমার বন্ধুটাকে পাত্তাই দিত না। তারপর আমরা সব বন্ধুরা মিলে জেদ করি যে রিদিকে একদিন রেপ করব। আমরা রিদিকে ধরার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু ওই শুভ্রের জন্য করতে পারিনি। ওই শুভ্র জান দিয়ে দেবে কিন্তু রিদির গায়ে একটা পরপুরুষের ফুলের টোকা দিলে তার জান কেড়ে নেবে। ওর ভয়ে আমি অনেক দিন লুকিয়ে ছিলাম।”
রিদি নামটা শুনে নির্ভানের হাতের মুঠো ফারহানের চুল থেকে আলগা হয়ে এল। তার চোখের মণি স্থির হয়ে গেল। সে অদ্ভুত এক শীতল গলায় বলল।
“রিদি। কে এই মেয়ে?”
ফারহান ব্যথায় ফুঁসতে ফুঁসতে বলল।
“শুভ্রের ফুফাতো বোন। কিন্তু আমার সন্দেহ হয় শুভ্র আর রিদির মাঝে গভীর কিছু একটা চলছে। কারণ শুভ্র রিদিকে নিয়ে পাগলের মতো সিরিয়াস। রিদির জন্য ও জান নিতেও পারে আবার দিতেও পারে।”
নির্ভানের ঠোঁটে এবার এক পৈশাচিক আর শয়তানি হাসি ফুটে উঠল। এই তাহলে শুভ্রের আসল কলিজা। সে তার বোনকে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে অন্য পাখি নিয়ে সুখে ডানা মেলে উড়বে সেটা তো হতে দেওয়া যায় না। নির্ভান মুহূর্তেই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডদের উদ্দেশ্যে গম্ভীর গলায় আদেশ দিল।
“শোন। একে শক্ত করে বেঁধে ওই অন্ধকার ঘরটাতে ফেলে রাখ। এক ফোঁটা জল বা কোনো খাবার দিবি না। এর জন্য সহজ মৃত্যু এটাই। না খেয়ে ধুঁকে ধুঁকে পচে মরা।”
পরদিন সকালে রিদি কলেজে চলে আসে। কলেজের গেট দিয়ে ঢুকতেই তার সব বান্ধবী ভাবনা রিয়া মিথি এমনকি শুভ্রাও এসে তাকে ঘিরে ধরল,শুভ্রা রিদি ক্লাস ম্যান একই কলেজে পড়ে । রিদিদের পাঁচজনের এই গ্যাংটা পুরো কলেজে বেশ পরিচিত। রিদিকে হালকা খোঁচা দিয়ে রিয়া রহস্যময় হেসে বলে উঠল।
“কিরে। মামার বাড়ি গিয়ে কি আর ফিরতে মন চাইছিল না? শুভ্রার কাছ থেকে তো সব শুনলাম। শুভ্র ভাইয়ের নাকি বিয়ে ভেঙে গেছে। তার হবু ভাবি নাকি কার সাথে পগার পার?”
রিদি বিরক্ত হয়ে মুখ বাঁকিয়ে বলল।
“এখন কি তোরা গেটে দাঁড়িয়ে এইটা নিয়ে পঞ্চায়েত বসাবি?”
রিদির এমন কথায় ভাবনা রিদির ঘাড়ে হাত দিয়ে টেনে বলল।
“আরে না। তবে বান্ধবীর ভাইয়ের বিয়ে ভেঙে গেছে বিষয়টাই তো দুঃখজনক। দেখি আমরা নালিশ-টালিশ করে শুভ্র ভাইয়ের জন্য কিছু একটা করতে পারি কি না।”
শুভ্রা এবার ত্যাড়া চোখে ভাবনার দিকে তাকিয়ে সপাটে বলল।
“তোরা আবার কোন বাল ছিঁড়বি শুনি?”
মিথি দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বলল।
“যেই বালই ছিঁড়ি। বাল-ছাল তো একটা ছিঁড়বই।”
রিদি সবার দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল।
“তোরা আর কোনোদিন ভালো হবি না।”
রিয়া নাক কুঁচকে জেদ দেখিয়ে বলল।
“তার মানে তুই আমাদের খারাপ মনে করিস?”
রিদি হালকা হেসে তাচ্ছিল্য করে বলল।
“মনে করার কী আছে? তোরা নিজেরাই নিজেদের একবার আয়নায় দেখে নে।”
রিয়াকে আর পায় কে। সে রিদির পিঠে ধুমধাম কয়েকটা কিল-ঘুষি বসিয়ে দিয়ে হাসতে হাসতে বলল।
“হারামজাদী। নিজে আমাদের গ্রুপে থেকে আমাদেরই খারাপ বলিস?”
বান্ধবীরা সবাই মিলে এভাবেই অনেকক্ষণ আড্ডা দিয়ে হাসাহাসি করে ক্লাসের দিকে এগিয়ে গেল। তবে আজকে পুরো কলেজটা কেমন অন্যরকম ছমছমে লাগছে। ছাত্রছাত্রীদের মুখে মুখে একটাই ফিসফিসানি। আজ কলেজে একজন নিউ প্রফেসর জয়েন করবেন। তাকে ঘিরেই সব উত্তেজনা।
রিদিরা সবাই ক্লাসের সামনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছিল। এমন সময় হঠাৎ কলেজের গেট দিয়ে একটা দানবীয় বাইকের গর্জন শোনা গেল। সেই তীব্র কর্কশ শব্দে সব ছাত্রছাত্রী স্তব্ধ হয়ে গেটের দিকে তাকাল। তাকাতেই সবার নিশ্বাস যেন আটকে গেল। বারান্দার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা রিদির চোখ তো কপালে উঠে গেছে। তার নিজের চোখকেই যেন সে বিশ্বাস করতে পারছে না। সে যা দেখছে তা কি ঘোর বাস্তব নাকি কোনো দুঃস্বপ্ন।
রানিং…!
Share On:
TAGS: অসম্ভব রকম, সুমি চৌধুরী
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায় পর্ব ৫
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৭৯
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোকে পর্ব ১
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৮১
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায় পর্ব ৪
-
অসম্ভব রকম ভালোবাসি তোমায় পর্ব ৬
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৫৪
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৭০
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৮২
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৬৯