নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
নাজনীননেছানাবিলা
পর্ব_২৬
অনুমতি ব্যতীত কপি করা নিষেধ ❌❌❌❌
মিহাল এদিক সেদিক নীলা কে খুঁজছে।সে জানে এখন নীলার এখানে আসার কথা না। কারণ মুনভি তো নীলা কে বিকাল পাঁচটায় এখানে আসতে বলেছিল এবং এখন সবেমাত্র সাড়ে চারটা বাজে। কিন্তু তবুও তার মন বলছে তার নীলাঞ্জনা তার খুব কাছে। কারণ নীলা তার আশেপাশে থাকলে তার হৃদস্পন্দন যেমন বেড়ে যায় এখনো তার হৃদস্পন্দন তেমন বেড়ে আছে। এবং মিহাল খান ইদানিং নিজের মনের কথা কে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে তাই মন যেহেতু একবার বলেছে তার নীলাঞ্জনা এখানে আছে।তার খুব আশে পাশে আছে তার মানে আছে।তাই তো এত হন্তদন্ত হয়ে খুঁজছে সে নীলা কে।
নীলা মুনভির দিকে তাকিয়ে চটপট করে নম্র স্বরে বলল__
ভাইয়া আমি ফুফুর সাথে কথা বলতে চাই।
প্লিজ ম্যানেজ করে দিয়েন।
মুনভি স্মিত হেসে মাথা নাড়ল। সঙ্গে সঙ্গে নীলার ঠোঁটে হাসি খেলে গেল।সে মন খুলে হেসে চেহারে হেলান দিল।মিহাল নজর হঠাৎ আটকালো কফি শপে হাসতে থাকা মুখশ্রী দেখে।এত মিষ্টি হাসি মিহাল আগে কখনো দেখেনি অথবা দেখতি চায় নি।তার কাছে মনে হলো নীলাঞ্জনার হাসি ছিল ভোরের প্রথম আলোর মতো স্নিগ্ধ, যা মুহূর্তেই বিষন্নতাকে দূর করে দেয়। নীলার ঠোঁটের কোণে ফুটে ওঠা মৃদু হাসি যেন কোনো অজানা সুরের মূর্ছনা, যা মিহালের হৃদয়ে অলক্ষ্যেই কম্পন জাগায়। চোখের পলকে সেই হাসির ছটা মুক্তোর মতো শুভ্র ও অমল, যা চঞ্চলতাকে শান্ত করে এক মায়াবী আবেশ সৃষ্টি করে।মিহাল মুগ্ধ নয়নে নিজের নীলাঞ্জনার হাসি দেখতে লাগলো। কিন্তু গাড়ির হর্নের শব্দে তার ঘোর কাটল।সে রাস্তার মাঝখানে দাড়িয়ে নিজের নীলাঞ্জনার হাসি দেখতে ব্যস্ত ছিল। কিন্তু কিছু একটা বুঝতেই তার টনক নড়ে উঠলো।নীলার তো এখানে বিকেল পাঁচটায় আসার কথা ছিল তাহলে এখন কি করছে?
ওহ্ শিট!
বলেই মিহাল নীলা যেখান বসে ছিল সেখানে দৌড় দিল।মিহাল কে দৌড়ে নিজের দিকে আসতে দেখে নীলা এতটাই হকচকিয়ে গেল যে মুনভি কে সতর্ক করার সময়ে টুকু পায়নি দুহিতা।মিহালের দৌড়ের গতি এতটাই দ্রুত ছিল যে সে অল্প মুহূর্তের মাঝেই সে নীলাদের অনেকটা নিকটে চলে এলো।
ইকরা মিহাল কে লক্ষ্য করতেই মুনভির দিকে তাকিয়ে ধীর গলায় বলল_
আপনার বন্ধু একদম কাছে চলে এসেছে।
মুনভিও কিছু অপ্রস্তুত হলো।মিহাল কে সে দেখেছিল ঠিকই কিন্তু মিহাল যে এত কাছাকাছি চলে আসবে এমনটা সে কল্পনাও করেনি।তাই নীলা কে চোখ টিপ দিয়ে স্বভাবিক থাকতে বোঝাল।নীলা নিজেকে সামলিয়ে অন্যদিকে দৃষ্টিপাত করলো যাতে মিহাল বুঝতে না পারে যে সে এতক্ষন মিহাল কে দেখেছিল।
মিহাল একদম নীলাদের টেবিলের সামনে এসে নিজের দৌড়ের গতি থামালো। জোড়ে জোড়ে নিঃশ্বাস নিতে লাগলো সে। অনেকটা দূর থেকে সে দৌড়িয়ে এসেছে।আর শীতের মাঝে দৌড়ালে তো এমনিতেই অবস্থা বেহাল হয়ে যায়।নীলা, মুনভি এবং ইকরা তিনজনেই অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মিহালের দিকে।মুনভি তো মিহালের এমন অবস্থা দেখে মিটিমিটি হাসছে।সেও তো কোনো এক সময় মিহাল কে ইরফানের সত্য জানানোর জন্য এইভাবে পথ দৌড়িয়ে এসেছিল।মিহাল কিছুটা সময় নিয়ে নিজেকে স্বাভাবিক করে মাথা তুলে তাকাতেই তিন জনের দৃষ্টি নিজের উপর লক্ষ্য করল। তিনজন মানুষ কে নিজের দিকে এইভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে খানিকটা ঘাবড়ে গেল মিহাল।যে মিহাল খান কখনোই কাউকে ভয় পায়নি আল্লাহ ব্যতীত সেই মিহাল খানও আজকাল ঘাবড়ে যাচ্ছে। কিন্তু নীলার করা প্রশ্ন এখন তাকে ঘামতে বাঁধ্য করছে।নীলা তার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে সন্দিহান স্বরে ভদ্রতা সমেত জিজ্ঞেস করল_
প্রফেসর আপনি এখানে কি করছেন?
মিহাল ঘামছে। আসলেই তো সে এইখানে কি করছে? এর উত্তর তো তার কাছেও নেই।
চোখে ঘুম নেই আর মনে শান্তি নেই ইরফানের। আগে তার আর আরশির মাঝে যেমন সম্পর্ক ছিল এখন আর তেমন নেই। তাদের দুজনের মাঝে বিশাল দূরত্ব বেড়ে গিয়েছে। বিয়ে হয়েছে আজ অনেকদিন পর কিন্তু এখনো পর্যন্ত কাছাকাছি আস। অবশ্য এর পিছনে সে নিজেই দায়ী। নীলাকে সে ভুলতেই পারছে না আরিশর কাছে কি করে যাবে। কিন্তু দিন শেষে তো সেও পুরুষ।পাশে সুন্দরী বউ শুয়ে থাকলে তার থেকে কি নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখা যায়?
সে মাথা কাত করে আরশির দিকে তাকালো।আরিশ শুয়ে শুয়ে ফোন ঘাটছে। পরনে তার নাইট ড্রেস। ইরফান শুকনো ঢোক গিলল। এখন যদি সে আরশির কাছাকাছি আসে তাহলে তো আর নীলাকে ঠকানো হচ্ছে না কারণ তার আর আরশির তো বিয়ে হয়ে গিয়েছে।
অথচ যখন তার এই চিন্তা করা উচিত ছিল যে সে নীলাকে ঠকাচ্ছে তখন যে এই চিন্তাগুলো করেনি। নিজেকে আর থামিয়ে রাখল না। ধীরে ধীরে আরশি দিকে চেপে গেল। নিঃশব্দে আরশির হাত থেকে ফোন নিয়ে বন্ধ করে বিছানার এক পাশে রাখল।আরশি তাকালো ইরফানের দিকে। ইরফানের কামোত্তেজনা দৃষ্টি দেখে বুঝতে পারলো ইরফান কি চায়।সেও বাঁধা দিল না। দুজনের মাঝে মিলন ঘটলো ঠিকই কিন্তু এখানে ভালোবাসা ছিটে ফোঁটাও ছিল না।ছিলো শুধু কামোত্তেজনা এবং চাহিদা।
মিহাল প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে উল্টো ভাব নিয়ে বলল_
আইম ইউর প্রফেসর রাইট?সো অনলি আই ক্যান আস্কড ইউ কুয়েশচেন।ইউ কান্ট, আন্ডারস্ট্যান্ড?
সেই মূলত এই ভাবে কথাগুলো বলেছে নীলার করা প্রশ্নকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য। কারণ নীলার প্রশ্নের জবাব তার কাছে নেই। সে যদি বলতো যে সেখানে ঘুরতে এসেছে এবং তার প্রেক্ষিতে যদি আবার নীলা জিজ্ঞেস করত যে তাদের টেবিলের সামনে এসে কেন দাঁড়ালো তখন সেই প্রশ্নের উত্তর তার কাছে থাকতো না।তাই নিচে বাঁচার জন্য বাধ্য হয়ে নীলার সাথে রুডলি কথা বলতে হয়েছে তাকে।
নীলা খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে মিহাল এমন ভাবে কথা বলছে নিজেকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু তবুও তার মিহালের টোন পছন্দ হয়নি।সে প্রতি উত্তর করল না।
মিহাল নীলাকে নিরব থাকতে দেখে বুঝতে পারলো এই যাত্রায় সে বেঁচে গেছে তাই উল্টো প্রশ্ন করলো_
তোমরা এখানে কি করছো?
তিনজনেই মিহালেল প্রশ্নে অপ্রশস্ত হয়ে পড়লো। একজন আরেকজনের দিকে চাওয়া চাওয়ি করল। কিন্তু নীলা উপস্থিত বুদ্ধির জোরে বলে উঠলো _
আসলে কাল থেকে আমি আর ইকরা এখানে চিতই পিঠার বিজনেস শুরু করবো তো। আর এখানের কিছুই চিনি না তাই উনাকে বললাম এবং উনি সাহায্য করার জন্যই এখানে ডেকেছেন।
মুনভিও নিজেও কিছুটা অবাক হলো কারণ চিতই পিঠার বিজনেসের কথা তার জানা ছিল না।আর মিহাল তো অবাকের চরম পর্যায়ে চলে গেল।চোখ আপনা আপনি বড় বড় হয়ে গেল।সে অবিশ্বাস্যের কন্ঠে বলল_
চিতই পিঠার বিজনেস তাইও এখানে?
নীলা নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে জবাব দিল _
হ্যাঁ চিতই পিঠার বিজনেস করব আমি এবং ইকরা। আর এখানেই করবো। কালকে থেকেই শুরু করবো।
মিহাল এবং মুনভি দুজনেই কিছুক্ষণ নিরব থাকলো কারণ দুজনেই এখন অবাক। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে মুনভি নিজেকে সামলিয়ে নিলেও কোনো প্রতি উত্তর করল না কারণ এমন ভাব করলো যেন সে সবকিছু জানে আগে থেকেই। আর মিহাল খানিকটা সময় নিয়ে কিছু ভাবল। পরক্ষণেই তার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল।সে স্মিত হেসে বলল_
গ্রেট জব। প্রত্যেক মেয়েদের উচিত স্বাবলম্বী হওয়া। কোনো কাজই ছোট না। তোমরা এগিয়ে যাও নিজেদের মত কারোর কথায় পাত্তা দিও না। আর কোন সমস্যা হলে নিঃসন্দেহে আমাকে এসে বলবে আমি সাহায্য করবো।
ইকরার ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠল মিহালের কথা শুনে। কিন্তু নীলা মিহালের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকেই বলল__
থ্যাংকস ফর দিস অফার বাট নো প্রফেসর। ইউ আর মাই প্রফেসর রাইট। আমি কি করে আপনাকে নিজের ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলতে পারি তাই না?
মিহালের হাসি নিমিষেই গায়েব হয়ে গেল।নীলা তাকে তার কথাটাই ফিরিয়ে দিল।সে তো এভাবে কিছু বলতে চাইনি। সে তো তার নীলাঞ্জনা কে হার্ট করতে চায়নি। তাহলে কি না চাইতেও সে তার নীলাঞ্জনা কে হার্ট করে ফেলেছে? তার নীলাঞ্জনা কি তার কথায় ব্যথিত হয়েছে? মিহালের মুখে অন্ধকার নেমে এলো। সে আরো কিছু বলতে যাবে তার আগেই নীলা ইকরার উদ্দেশ্য বলল__
আমাদের এখন ফিরে যাওয়া উচিত। বাড়ি গিয়ে তো আবার সব কিছু রেডি করতে হবে।এক রাতের ভেতর দুজন মিলে এত পদের ভর্তা তৈরি করতে জান বের হয়ে যাবে।আবার অন্যান্য জিনিসপত্রও তো গোছাতে হবে নাকি? কী করে যে কি করব কিছুই বুঝতে পারছি না।
ইকরাও চিন্তায় পরে গেল।সেও সবেমাত্র সুস্থ হয়ে উঠলো। তার শরীর ভালো হয়েছে আজ ২-৩ দিন হলে। আবার নীলা গত এক সপ্তাহ যাবত প্রজেক্ট এর কাজে এতটাই ব্যস্ত ছিল যে ভালো করে ঘুমাতে পর্যন্ত পারিনি। তারপর কাল থেকেই বিজনেস শুরু করবে। দুজনের উপর বেশি চাপ পড়ে যাবে এই নিয়েই দুজন মিলে কথা বলছিল।
নিজের ভালোবাসার মানুষদেরকে চিন্তায় দেখে মিহাল এবং মুনভি দুজনের মনই অস্থির হয়ে গেলো। দুজনেই ক্লাস টু এর বাচ্চার মতো হাত উঠিয়ে এক সঙ্গে বলে উঠলো __
আমি ভর্তা বানিয়ে দিব।
নীলা এবং ইকরা এক সঙ্গে তাদের দুজনের দিকে তাকাল। এবং মিহাল আর মুনভিও একে অপরের দিকে তাকিয়ে আছে। তারপর আবার সামনের দিকে তাকিয়ে একসাথেই বলে উঠলো _
আমি খুব ভালো ভর্তা বানাতে পারি।
বলে আবার একে অপরের দিকে তাকালো।মিহাল মনে মনে বলল __
আমি তো কখনো ভর্তা বানায়নি তারপরও নীলাঞ্জনার সামনে বলে দিলাম ভর্তা বানাতে পারি। আমি না হয় মিথ্যে বললাম কিন্তু মুনভি কি করে ভর্তা বানানো শিখলো? আর কখনো আমাকে বলেনি কেন?
অন্যদিকে মুনভি মনে মনে ভাবছে__
আমি তো কটন ক্যান্ডি সামনে ভাব নেওয়ার জন্য বলে দিলাম যে ভর্তা বানাতে পারি। কিন্তু কখনো ভর্তা বানিয়ে দেখিনি এবং এটি কি করে এবং কি কি দিয়ে বানায় তার সম্পর্কেও কোন ধারনা নেই। তাহলে মিহাল কি করে পারে? তবে কি সে আন্টির কাছ থেকে ভর্তা বানানো শিখল অথচ আমাকে বলল না?
ইকরা মুনভির কথা শুনে মনে মনে বেশ খুশিই হলো। কম পাতে সে জেন্টলম্যান নাম দেয়নি। লোকটা নিতান্তই একজন জেন্টলম্যান। আর অন্য দিকে নীলা মিহালের দিকে তাকিয়ে নাকজ করে বলল__
ইউ আর মাই প্রফেসর রাইট? আমি কি করে আপনাকে দিয়ে ভর্তা বানাতে পারি তাই না প্রফেসর? আপনার শুধু শুধু কষ্ট করতে হবে না আমি সামলিয়ে দিব।
মিহালের মুখ কালো হয়ে গেল। বাচ্চাদের মত ঠোঁট উল্টিয়ে ফেলল। তার নিজের উপর বিরক্ত লাগছে কেন যে তখন সেই কথাটি বলতে গিয়েছিল এখন বারবার নিজের কথা নিজে কেই শুনতে হচ্ছে। ইঁদুরের বিষ খাইয়ে ইরফান কে মারার প্ল্যান ক্যানসেল করে এখন ইচ্ছা করছে সেই বিষ নিজে খেয়ে নিতে। কিছু না বলেই মুনভির পিঠে জোড়ে ঘুষি দিল।মুনভি ব্যথার চোখ বন্ধ করে নিলেও মুখ দিয়ে টু শব্দ পর্যন্ত করল না।আর যাই হোক নিজের কটন ক্যান্ডি সামনে প্রেস্টিজের ফালুদা করা যাবে না। সে বুঝল মিহাল কি চায়। তাই পরিস্থিতি সামলাতে নীলার দিকে তাকিয়ে অনুরোধের স্বরে বলল_ বিদেশে তো বাঙালি বাঙালিকে সাহায্য করবে তাই না? আমাকে কি তোমার এতটুকু সাহায্য করতে দিবে? তোমার প্রফেসরকে না দাও কিন্তু আমাকে দাও আমি ম্যানেজ করে নিব। আমার ওপর ভরসা করতে পারো। আর তোমরা দুজন মিলে একসাথে কত কিছু সামলাবে? অন্যান্য জিনিসগুলো তো আজকে গোজগাছ করতে হবে তাই না? আর তোমার ফ্রেন্ড কিছুদিন আগেও অসুস্থ ছিল এখন যদি এইসব কাজ করতে গিয়ে আবার অসুস্থ হয়ে যায় তখন তাকে সামলাবে নাকি নতুন বিজনেস সামলাবে? এইবার না ভাই আমাদের দুজনকে, বলে থেমে গেল তারপর নিজের কথা সংযত করে বলতে লাগলআমাকে দায়িত্ব দাও আমি ভর্তা বানিয়ে দিব কথা দিলাম।
কথাগুলো বলেই নীলার দিকে তাকিয়ে আস্বস্ত দিল। নীলাও কিছুটা শান্ত হয়ে বলল_
আচ্ছা আপনার উপর ভরসা করাই যায়।
মিহাল তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকালো নীলার দিকে। মনে মনে
বলল __
ইরফানের সাথে থেকে ঢং করা শুরু করেছে।আমি থাকতে আরেক জন কে বিশ্বাস করছে যতসব। বিয়ে করে শিক্ষা দিব এই মেয়েকে। কিন্তু বিয়ে করার আগে ডিভোর্স করার করাতে হবে।
চলবে??? গল্প দিতে দেরি হয়েছে সব দোষ ইরফানের।
Share On:
TAGS: নাজনীন নেছা নাবিলা, নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা গল্পের লিংক
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৯ প্রথম অংশ
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ২
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ২৭
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৮+বোনাস
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১৮
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৩+বোনাস পর্ব
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৭
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ২২