Golpo ডিফেন্স রিলেটেড মেজর ওয়াসিফ

মেজর ওয়াসিফ পর্ব ১১


মেজর_ওয়াসিফ

লেখনীতেঐশীরহমান

পর্ব_১১

[ 🚫 কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ 🚫]

লুইপা গায়ের সবটুকু জোর দিয়ে বিছানা থেকে টেনে তুলতে চায় ধারাকে, আর বিপরীতে ধারা ততটাই শক্তি চালিয়ে বিছানার সঙ্গে লেপ্টে থাকতে চায়। লুইপা এবার হাঁপিয়ে গিয়ে বলে।

__’ তুই দেখতে ছোটখাটো হলে হবে কি শক্তি আছে, আমি পারছি না। তাড়াতাড়ি ওঠ বোন আমার। ভাইজান এবার এলে কল্লা ধরে আছাড় মারবে’

তবুও ধারা ওঠেনা, কথাও বলেনা। এবার লুইপা করলো কি। আচমকা ওর পা ধরে টান দিতেই ধারা অর্ধেক বিছানা থেকে নেমে গেলো। সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে উঠে ধারা আবার বিছানায় উঠে বসতে বসতে রাগ দেখিয়ে বললো।

_‘ এসব মজা মোটেও ভালো লাগছেনা আপা। বলেছি না আমি খাবোনা। তোরা খা, ভালো করে খা। ঐ খাবার আমার গলা দিয়ে নামবেনা’

__‘ ঐ খাবার তোর খেতে হবে না, চল! একটা ডিম ভেজে দেবো’

__‘ খাবোনা আমি’

_‘ ডিমে কি দোষ করলো ‘?

_‘ কিছুই খাবোনা আমি’

লুইপা বসলো বিছানায়, শান্ত গলায় বোনকে বুঝিয়ে বলতে চায়।

__‘ তুই না খেয়ে থাকলে কি ঐ মোরগ ফিরে আসবে? তুই রাগ করে কাঁদলে ফিরে পাওয়া যাবে? যদি ফিরে পাওয়া যেতো তবে আমি তোকে বেশি করে কাঁদতে বলতাম। দরকার পড়লে আমি ও তোর সঙ্গে ভাগাভাগি করে কাঁদতাম। তার চেয়ে ভালো এখন পেটে কিছু দে। বড়ো আম্মা বলেছে তোকে এবার অনেক গুলো মুরগির বাচ্চা কিনে দেবে ঐগুলো তুই পেলে পুষে আবার নতুন করে… ‘

লুইপার কে থামিয়ে দিয়ে ধারা বলে ওঠে।

__‘ হ্যা, আমি পুষবো, যত্ন করে বড়ো করবো আর আমার চোখের সামনে দিয়ে ওরা সব জবাই হয়ে যাবে। আমি কিছু ই বলতে পারবোনা, উল্টো ধমক আমাকে খেতে হবে। এই আপা! এই মাঝরাতে এতো প্যানপ্যান ভালো লাগছে না। সর এখান থেকে। তোরা সবাই খুব ভালো, ভালো না আমি’

কথাগুলো বলেই ধারা বিছানার ওপাশ ঘুরে শুয়ে রইলো। আপাতত পুরো রুমটা জুড়ে নিরবতা নেমে এলো। লুইপা ও কোনো কথা বলছেনা, ডাকছেনা ধারাকে। আর না ধারাও কোনো কথা বলছে। ঘরের আলো চোখে পড়ছে, গায়ের ওড়নাটা টেনে মুখের উপর দিয়ে রেখে বললো।

__‘ আপা! লাইটটা বন্ধ কর’

বিপরীতে লুইপার কোনো জবাব পেলোনা। ওভাবে মিনিট দুই কাটলো তবু আলো বন্ধ হলোনা। ওভাবে শুয়ে থেকেই আবার বললো।

_‘ লাইট টা বন্ধ করতে পারছিস না’?

কথা শেষ করেই ধারা শোয়া থেকে উঠে বসে, বেশ জোরালো গতিতে ওপাশ ঘুরে যেইনা বিছানা ছেড়ে নামবে ও সঙ্গে সঙ্গে চমকে উঠে একহাত পিছনে সরে গেলো।
ততক্ষণে বিছানার কাছে একটা চেয়ার পেতে খুবই শান্ত ভঙ্গিতে বসে আছে ওয়াসিফ। এই সময়, এই মুহূর্তে ধারা মোটেও এই লোককে এখানে আশা করেনি। মোটামুটি একটু হলেও ভয় পেয়েছে ধারা। ওয়াসিফ সরু চোখে তাকিয়ে আছে ওরদিকে। দুজনের দৃষ্টি একসঙ্গে মিলতেই ধারা চোখ ঘুরিয়ে আশেপাশে তাকিয়ে দেখে,ওর আপা নেই কোথাও। আপাতত ধারার মুখে কোনো কথা নেই। ও তাকিয়ে আছে অন্য দিকে। বিপরীতে ওয়াসিফের স্থির দৃষ্টি তখন ওর দিকেই। ওদের মধ্যকার নিরবতা ভেঙে যতটা গম্ভীর, ঠিক ততটাই শান্ত কন্ঠে ওয়াসিফ বলে।

__‘না খেয়ে আছিস কেনো? কতবার ডাকতে হবে তোকে? কতজনকে অনুরোধ করতে পাঠাতে হবে তোর কাছে? দুপুর থেকে রাত পরযন্ত বাড়ির কেউ না কেউ এসে তোকে ডেকে যাচ্ছে, খেতে বলছে, গায়ে লাগছে না’?

কথাগুলো ওয়াসিফ শান্ত কন্ঠে বললেও ধারার কাছে মনে হলো লোকটা তাকে ধমকাচ্ছে। অথচ এই লোকটাও সবার মতো বিহেভ করছে ওর সাথে। এখানে ধারার ইমোশন কেউ বুঝছে না। আর সেখানে এই লোকের কথা তো বাদই। যে হাতে বন্দুক চালিয়ে তাজা প্রাণ ঝাজড়া করে দেওয়া যাদের কাজ তাদের কাছে একটা সামান্য জীবের কি এমন মূল্য থাকতে পারে? কথাটুকু মনে মনে ভেবে তাচ্ছিল্য হাসে ধারা। ও কোনো কথা বলেনা। ও কোনো কথা বলবেওনা এই লোকের সঙ্গে। ধারার থেকে কথার কোনো জবাব না পেয়ে ওয়াসিফ ফের বলে।

_‘ কথা বলিস না কি জন্য? সমস্যা কি’?

ধারা অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে বসে থাকে, ও মনে মনে আজ কঠিন শপথ নিয়েই ফেললো এই লোকের সঙ্গে সে আর কখনো কথা বলবেনা।

সময় যায়, শান্ত থাকা ওয়াসিফ একটু একটু করে মেজাজ হারায়। মেজাজ হারায় এই মেয়েটা তার কথার কোনো হ্যা, না জবাব দিচ্ছে না বলে। ধুম করে ওয়াসিফ চেয়ার ছেড়ে উঠে ডান পা দিয়ে পেছনে হালকা লাথি দিয়ে চেয়ারটা সরিয়ে দিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। বিছানার কাছে ঝুঁকে ডান হাতে ধারার মুখটা ঘুরিয়ে আনে নিজের দিকে। ধারা যথাসম্ভব চেষ্টা করে ও পেরে ওঠেনা ওয়াসিফের সঙ্গে। ওয়াসিফের এক হাতের জোর আর ওর দু’হাতের বল দিয়েও পারছেনা মুখ থেকে ওয়াসিফের হাতটা ছাড়িয়ে দিতে। ধারাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে এনে বলে।

__‘ এই তাকা আমার দিকে! ‘

ধারা তাকায়না, ও নিজেকে ছাড়াতে ব্যস্ত হয়। ওয়াসিফ গর্জে ওঠে।

__‘ এই তোকে বলছিনা তাকাতে’

তবুও ধারা তাকায় না। ঐটুকু মেয়ের জেদ দেখে মেজাজ আরো চটে যায় ওয়াসিফের। বলে।

__‘ রিভেঞ্জ নিতে চাচ্ছিস ভালো কথা, তবে আমাকে কপি করবিনা। একদমই করবিনা।’

ইতিমধ্যে ধারার চোখ ছলছল করে ওঠে, মেজাজ ওর ও কমনা। রক্ত তো একই বংশেরই। ধারা তেতে উঠে এক ঝটকায় নিজেকে সরিয়ে নিয়ে বলে।

__‘ কথায় কথায় অসভ্যদের মতো আচার-আচরণ করেন কি জন্য? গায়ে হাত দিয়ে কি প্রমাণ করতে চান বিয়ে করে আমার মাথা কিনে নিয়েছেন? বলবোনা আমি আপনার সঙ্গে কথা, কি করবেন আপনি ‘?

ওয়াসিফ শক্ত চোখে তাকিয়ে থেকে বলে।

__‘ বেয়াদবির লিমিট ক্রস করে যাচ্ছিস। গলা নামিয়ে কথা বল, বাড়িতে অনেক মানুষ ‘

__‘ বলবোনা গলা নামিয়ে কথা, আমি ভয় পাই আপনাকে? ভয় পাচ্ছি না আপনাকে, আমার সব ভয় ভেঙে গেছে, আর শুনেন! এই বিয়ে টিয়ে ও আমি কিছু মানিনা। আপনি ছুটিতে এসেছেন ভালো হয়েছে যাওয়ার আগে ডিভোর্স….. ‘

কথা শেষ করে উঠতে পারেনা। আচমকা দু-হাত কানে চেপে মৃদু চেচিয়ে ওঠে ‘ ও মা! ‘

ইতিমধ্যে পরপর দু’টো ফুলদানি দেয়ালে ছুড়ে মারলো ওয়াসিফ। সঙ্গে সঙ্গে তা ভেঙে কয়েক শ টুকরো ঘরের মেঝেতে গুড়িয়ে পড়লো। তৃতীয় ফুলদানিটা হাতে তুলেও ছুড়লোনা, জায়গায় রেখে দিয়ে বললো।

__‘ আর একটা সাউন্ড করলে এই ফুলদানির জায়গায় তুই থাকবি ‘

ধারা আর একটা কথাও বলেনা, ও কান থেকে হাত নামিয়ে শুধু দেখে মিনিটের মাথায় পরিষ্কার মেঝেতে কাঁচের শ’খানেক টুকরো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সেকেন্ডের মধ্যে কি থেকে কি হয়ে গেলো ও কিছুই বুঝতে পারছে না। ওয়াসিফ বলে।

_‘ কি যেনো বললি একটু আগে, কথায় কথায় অসভ্যদের মতো আচার-আচরণ করি কেনো? অসভ্য কাকে বলে? সঙ্গা জানিস? না জানলে দু’টো বাক্যে বলছি শুনে রাখ। রাস্তা ঘাটে, অটো বা লোকাল বাসে মেয়েদের ওড়না ধরে খোট দেওয়া ঐ মুখোশধারী পুরুষ গুলো হয় অসভ্য-জানো*য়ার। যাদের কুনজর সর্বদা পথের ঐ মেয়ে গুলোর দিকে থাকে। বিবাহিত পুরুষ তার বিয়ে করা বৌয়ের হাত ধরলে অসভ্য হয় না। ‘

কথাগুলো শেষ করেই ওয়াসিফ শক্ত করে ধারার লাউয়ের ডগার ন্যায় সরু হাতটা খপ করে ধরে টেনে তোলে বিছানা থেকে। সেকেন্ডের মধ্যে বিছানা ছেড়ে উঠেই ধারা বড়ো বড়ো চোখ করে তাকিয়ে থাকে নিজের হাতটার দিকে। ও বল শূন্য আপাতত। অন্য সবার কাছে শক্তি দেখাতে পারলেও এই লোকের সঙ্গে পেরে ওঠেনা। তবুও আরেকটা হাতে খুব চেষ্টা চালায় নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে ততক্ষণে ওয়াসিফ লম্বা কদমে ওকে টেনে নিতে থাকে। পায়ে পায়ে জড়িয়ে যাচ্ছে ধারা। এত দ্রুত হাঁটতে পারছেনা ও, আর না পারছে কোথাও খুঁটি মেরে দাড়িয়ে পড়তে। ও একহাতে চেষ্টা চালায় ওয়াসিফের ঐ শক্ত হাতের বন্দী থেকে নিজের হাতটা ছাড়িয়ে নিতে।

_‘ ছাড়ুন, কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আমাকে’?

ওয়াসিফ কোনো কথা বলেনা। দোতালার সিঁড়ি থেকে টেনে এনে ওকে দাঁড় করায় ডাইনিংয়ের সামনে। হাত ছেড়ে দিয়ে চেয়ারের দিকে ইশারা করে বলে।

__‘দশ মিনিটে খেয়ে উঠবি, বোস ঐখানে ‘

ততক্ষণে লুইপা রান্না ঘর থেকে ডিম ভাজি করে এনে বোনের সামনে খাবার প্লেট এগিয়ে রেখে চুপচাপ দাঁড়ায়। ওয়াসিফ ওকে চোখের ইশারায় চলে যেতে বলতে দেরি হলেও ওর ছুটে চলে যেতে সময় লাগলো না।

ধারা এখনো চেয়ারে বসেনি, ওয়াসিফ বলে।

_‘ বসতে বলেছি’

ধারার কন্ঠস্বর শান্ত তবে তর্ক করেই বলে ওঠে।

__‘ আপনার সব কথা শুনে চলতে হবে নাকি?’

ওয়াসিফ ও কথার কোনো জবাব না দিয়ে শক্ত চোখে তাকায়। আস্তে দাঁত চেপে বলে।

_‘ তুই কিন্তু এবার আমার ধৈর্য্য হারা করছিস’
ডান হাতটা দেখিয়ে বলে।

__‘ এই হাতটা এখনো ভালো আছে, চুপচাপ বসে খেয়ে উঠে যা’

ধারার জেদ প্রচুর, একবার চেপে বসলে সহজে কমেনা। ও বলে।

_‘ খাবোনা আমি’

_‘ খাবি না’?

ধারা পরপর তিনবার বলে।

__’ না, না’ না’

ওয়াসিফ অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে ঠোঁট কামড়ে নিরব দম ফেলে নিজের মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে তাকায় ধারার দিকে। ওয়াসিফ এবার পুরোপুরি শান্ত। বলে।

_‘ চল আমি খাইয়ে দি’

ওমন কথায় ধারা ভেতরে ভেতরে চমকে ওঠে, তাকায় ওয়াসিফের দিকে। ততক্ষণে ওয়াসিফ বেসিং থেকে হাত ধুয়ে এসে প্লেটে হাত দিয়েছে সবে ওমনি ধারা বলে।

_‘ বললাম না খাবোনা আমি’

_‘ চুপচাপ বোস, কথা বলিস না।’

হঠাৎ ই চোখ ঘুরিয়ে তাকাতে ধারার চোখ পড়ে দোতলার উত্তর দিকে। সঙ্গে সঙ্গে দুটো মানুষ কেমন হুড়োহুড়ি করে ঢুকে গেলো বলে মনে হলো ধারার। ধারা নিশ্চিত এরা মেহমানদের মধ্যে ঐ দু’জন ই হবে। ওখান থেকে চোখ ফিরিয়ে আনতেই ওর মুখের দিকে এক লোকমা ভাত ধরে দাঁড়িয়ে থাকে ওয়াসিফ।

_‘ হা কর’

ধারা মিনমিন করে বলে।

_‘ রেখে দিন, আমি খাচ্ছি ‘

_‘ এটা নে, তারপর বাকিটা নিজে খা’

ইতিমধ্যে ওয়াসিফের ফোন বেজে ওঠে পকেটে, ওয়াসিফের মধ্যে ব্যস্ততা টের পেতে ধারা উপায়ন্তর না পেয়ে খেলো সেই এক লোকমা ভাত। ওয়াসিফ দ্রুত হাত ধুয়ে, মুছে ফোন রিসিভ করার আগে বলে গেলো।

_‘ এসে যেনো দেখি তোর খাওয়া শেষ ‘

ফোন রিসিভ করে ওপাশে যেতেই ধারা বসে চেয়ারে। এই লোক ততক্ষণ থামবে না, খেয়েই তবে উঠতে হবে ধারাকে।

এতোক্ষণ নিচে চলিত এই নিরব যুদ্ধের প্রতিটা দৃশ্য দেখেছে সামির আর আরিয়ান। ওয়াসিফ চলে যেতেই আরিয়ান বলে।

_‘ বলেছিলাম না, এটাই স্যারের বৌ’

সামির বলে।

__‘ স্যারের বৌ ঠিক আছে, তবে ভাই কাহিনি কি’?

আরিয়ান বলে।

_‘ শালা তুই তো পড়ে পড়ে ঘুমিয়েছিস, টের পাবি কিভাবে? এই যে দুপুরে আর রাতে মোরগ পোলাও খেলিনা এটা ভাবির পোষা ছিলো। ভাবিকে না জানিয়ে ওটাকে কাতল করা হয়েছে তাই তো ভাবি রাগ করে দু’বেলা খায়নি। এখন স্যার গিয়ে তোষামোদ করে খাওয়াচ্ছে ‘

‘ বলিস কি’?

‘ হু, এটাই কাহিনি ‘

সামির কিছুটা ভয়ে ভয়ে বলে।

‘ ভাই আমি রাত থাকতে থাকতে রওনা হবো, আমার আর স্যারের বাড়ি বেড়ানোর শখ নেই। দেখা যাবে সকালে পেট কেটে বের করে নিতে চাইবে। তখন আমি ঐ মোরগ কোথা থেকে দেবো? তা তো এতসময় হজম হয়ে গেছে। ভাবি যা ভয়ঙ্কর ‘

আরিয়ান ওর পিঠে একটা থাবা বসিয়ে ঘরে ঢুকিয়ে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বলে।

‘ আমি শুধু স্যারকে দেখলাম এতক্ষণ, কি ধৈর্য্য রে বাবা! কাহিনি কি এখন শুরু হয়েছে, সেই রাত বারোটা থেকে, এখন দেড়টা বাজে। ঘরের মধ্যে কি হয়েছে তা জানিনা’

সামির বলে।

‘ আমি এতদিন জানতাম স্যার মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, চোটপাট হাত চলে, আজ দেখলাম, বিশ্বাস ও করলাম। আমাদের স্যারের অনেক ধৈর্য্য ‘

আরিয়ান ডান হাত তুলে স্লোগান দেওয়ার মতো করে বলে।

‘ জয়! মেজর শাহেদ ওয়াসিফের ধৈর্য্যের জয়’

সামির বলে।

‘ জয়,জয়,জয়’

চলবে

[ গল্প পড়ে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করে যাবেন]

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply