Golpo কষ্টের গল্প শেষ পাতায় সূচনা

শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩৯.১


শেষ পাতায় সূচনা [৩৯.১]

সাদিয়াসুলতানামনি

—বাবা দেখো দেখো, কিভাবে তাজ আর ভাইয়া খেলছে। তাজ এমনিতে শান্ত বাচ্চা, কিন্তু একবার যার সাথে মিশে যায়। তার সাথে এত দুষ্টুমি করে, দুদণ্ড আর বসতে দেয় না শান্ত হয়ে।

নিজের ফোনে ধারণকৃত আরেকটা ভিডিও জিনিয়া তার বাবাকে দেখাতে দেখাতে বলে। আজ তাজওয়াদ আর জাওয়াদ যখন নিজেদর মতো খেলায় ব্যস্ত ছিলো, তখন জিনিয়া লুকিয়ে লুকিয়ে কতগুলো ভিডিও নিয়ে রেখেছে বাবা-মাকে দেখাবে বলে। সেগুলোই কতক্ষণ যাবৎ দেখাচ্ছে।

মি.শেখ ছলছল চোখে নাতি আর ছেলের খেলা করার দৃশ্য দেখতে থাকেন। কতদিন পর ছেলের এমন প্রাণ খোলা হাসি দেখলো ভদ্রলোক। সব স্বাভাবিক থাকলে আজ হাসিখুশিতে মুখরিত থাকত শেখ মহলের অন্দর। কিন্তু তার স্ত্রীর করা একটা ভুলে আজ তাদের সুখের সংসারটা ছন্নছাড়া হয় গিয়েছে।

—কই আমাকেও একটু দেখা না জিনিয়া। আমিও একটু দেখতে চাই আমার দাদুভাইকে।

কাতর গলায় অনুরোধ করে বলে মিসেস শেখ। তার কথা কর্ণগোচর হতেই মি.শেখ ফোনের স্ক্রিন থেকে চোখ উঠিয়ে তার দিকে তাকান। জিনিয়া ফোনটা তার মায়ের দিকে এগিয়ে দিতে গেলে মি.শেখ তাকে থামিয়ে দেন। তারপর মিসেস শেখকে বলেন–

—তোমার দেখার দরকার নেই এসব। তোমার তো আবার আমার ছেলের সুখ, হাসিমাখা মুখ সহ্য হয় না। নজর লাগিয়ে দিবে আমার ছেলের খুশিতে। জিনিয়া যাও নিজের রুমে যাও ফোন নিয়ে।

বাবার আদেশে জিনিয়া চলে যায় নিজের রুমে। মি.শেখও সেখান থেকে উঠে হাঁটা দেন নিজেদের রুমের উদ্দেশ্য। তিনি একবারের জন্যও খেয়াল করেন নি পেছন ফিরে তাকালেন না, দেখলেন না স্ত্রীর অশ্রু বর্ষণ।


স্টুডেন্ট পড়িয়ে বাসায় ফিরছিলো আরওয়া তখনই তার পথ আটকে দাঁড়ায় এলাকার সবচাইতে কুখ্যাত ছেলেটি। তার নাম হাবিব। হাবিব আজ বেশ কয়েক বছর ধরে আরওয়াকে প্রপোজ করছে বিয়ে করার জন্য, কিন্তু আরওয়া প্রতিবারই তাকে রিজেক্ট করে ফিরিয়ে দিয়েছে। তার মতো বখাটে, মাস্তান, নেশাখোর ছেলেকে কোন মেয়েই বিয়ে করতে চাইবে। তারউপর হাবিব আগেও দুটো বিয়ে করেছিল। হাবিবের বাবা তাদের গ্রামের চেয়ারম্যান হওয়ার দরুন গ্রামে তার আলাদাই প্রভাব-প্রতিপত্তি।

আরওয়া হাবিবকে একবার দেখেই তাকে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে নেয়, কিন্তু বখাটে হাবিব তার হাত ধরে ফেলে পেছন থেকে। আরওয়া চমকে গিয়ে হাঁটা থামিয়ে দেয়, কিন্তু পেছন ফিরে তাকায় না। রুক্ষ গলায় বলে–

—হাবিব ভাই, হাতটা ছাড়েন।

হাবিব একটা বিশ্রী হাসি দিয়ে বলে–

—হাতটাই তো ধরছি জানেমান। অন্য কোথাও তো ধরি নাই। ওসব ধরাধরি বিয়ের পরেই করমু।

হাবিবের কথা শুনে তার চ্যালাপ্যালারা হো হো করে হেঁসে ওঠে। অন্যদিকে ঘৃণায় আরওয়ার মুখ কুঁচকে নেয়। ঝট করে টান দিয়ে নিজের হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে মুখ ভর্তি করে থু থু ফেলে রাস্তার পাশে। তার এহেন কাজে হাবিবের চ্যালাপ্যালাদের হাসি বন্ধ হয়ে যায়। হাবিবও রাগী দৃষ্টি নিয়ে আরওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকে।

আরওয়া চোখে-মুখে প্রচন্ড ক্রোধ নিয়ে বলে–

—আপনার মতো কু**কুরকে বিয়ে করার আগে, দড়ি-কলসি গলায় বেঁধে নদীতে ঝাপ দেওয়া পছন্দ করবো আমি। খবরদার আর কখনো যদি আমার হাত ধরার দুঃসাহস করেছেন তো, বাড়ি গিয়ে পুলিশ দিয়ে টানতে টানতে থানায় নিয়ে যাবো।

কথাগুলো শেষ করে আরওয়া হাঁটা দেয় তার বাড়ির উদ্দেশ্যে। এদিকে তার এমন অপমানে হাবিব রাগে ফনা তোলা সাপের মতো করতে থাকে। মনে মনে প্রতিজ্ঞা নেয় এই অপমানের কঠিন প্রতিশোধ নিবে সে।


কেটে গিয়েছে মাস খানেক সময়। প্রজেক্টটা হাতে নেওয়ার পর থেকে পূর্ণতা ব্যস্ততা বেড়ে বহুগুণ। সেই সাত সকালে অফিসে যায়, সেখান থেকে প্রজেক্টের তিনটা লোকেশনেই একবার করে পরিদর্শন করে, কাজ ঠিক করে হচ্ছে কিনা তাই। তারপর ক্লান্ত পরিশ্রান্ত হয়ে ছেলেকে অফিস থেকে নিয়ে বাসায় ফিরে। তাজওয়াদ সারাদিন অফিসেই থাকে।

পূর্ণতা সবসময় তাকে প্রেজেক্টের লোকেশনগুলোতে নিয়ে যায় না তাজওয়াদকে। কনস্ট্রাকশন শুরু হয়েছে, আল্লাহ না করুন কখন কি বিপদ ঘটে যায় এই ভয়ে। সারাদিন টনির সাথে অফিসে থাকতে থাকতে তাজওয়াদ এবার প্রচন্ড বিরক্ত। সে তার মায়ের সাথে অফিসেই যেতে চায় না। বাড়িতেই থাকতে চায়। কিন্তু বাড়িতে তার ভরসা করার মতো কেউ নেই যার কাছে নিজের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বনকে রেখে সে নিশ্চিন্তে কাজে যেতে পারবে।

কয়েকদিন বাসায় রেখে যাওয়ার পর হুট করেই তাজওয়াদ একেবারে পাগল হয়ে গিয়েছে বাসায় থাকার জন্য। এর পেছনের কারণ অনুসন্ধান করার পর পূর্ণতা জানতে পারে, সে চলে যাওয়ার পর আঞ্জুমান সারাক্ষণ থাকে তাজওয়াদের কাছে। এটা জানার পর সে অনেক চিন্তিত হয়ে পড়েছে। তাকে তাজওয়াদের থেকে দূরে সরাতে পূর্ণতা আজ আঞ্জুমানকে বলে–

—তুমি যে আমার সংসার ভেঙেছো, আমার সন্তানকে তার পরিবার ছাড়া করেছো এটা যদি আমি আরিয়ান ভাইয়াকে বলে দেই, তাহলে তুমি বুঝতে পারছো তোমার জায়গাটা ঠিক কোথায় হবে? যদি এসব না চাও, তাহলে আমার ছেলের থেকে দূরে থাকবে। তোমার সম্পর্ক আমার ভাই ও তার বাবা-মায়ের সাথে। আমার ও আমার ছেলের সাথে তোমার কোন সম্পর্ক না ছিলো, না আছে, না হবে।

পূর্ণতার কথা শুনে আঞ্জুমানের চেহারা কোন প্রকার ভয় বা বিচলতা দেখা গেলো না। সে আগের মতোই সাবলীল, শান্ত মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে। তাকে এমন শান্ত ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পূর্ণতার কপালে ভাজ পড়ে। সে ভেবেছিলো, মেয়েটা হয়ত তার ভাইকে অতীতের কথা জানায়নি, তাই একটু ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাজওয়াদের থেকে দূরে সরাতে চেয়েছিল। ইদানীং তার সাথে তাজওয়াদের সখ্যতা বেড়েছে অনেকটা। পূর্ণতা চিন্তিত তাদের এই সখ্যতাকে নিয়ে তাই সে আঞ্জুমানকে ভয়-ভীতি দেখাতে এই কথাগুলো বলে।কিন্তু সেসবের কিছুই হলো না।

—তোমার ভাই জানে এসব।

—কীহ্হ্হ্হ্?

আঞ্জমান নিজের ঠোঁট জিভ দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে এলোমেলো দৃষ্টি ফেলে কেমন ছাড়া ছাড়া ভাবে বলে–

—হ্যাঁ, তোমার ভাই শুরু থেকেই সব কিছুই জানে। আমাদের সম্পর্কটা শুরু হয়েছিল তার হাত ধরেই। কয়েক বছর আগে সে আমাদের গ্রামে গিয়েছিল, তার এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে। তার সেই বন্ধুর বোন আবার আমার ফ্রেন্ড ছিল। একদিন আমার ফ্রেন্ডের বাসায় আমি যাই, তখন আমাকে দেখতে পেয়ে তার ভালো লেগে যায়। সে আমার ফ্রেন্ডের মাধ্যমে আমার নাম্বার নিয়ে কথা বলা শুরু করে। এমনভাবে এক বছর যায়, ততদিনে সে আমাকে বেশ কয়েকবার প্রপোজ করে। কিন্তু আমি নাকচ করে দেই। আমি ওকে চিনতাম, কিন্তু ও’ তো আর আমায় চিনতো না। হীনমন্যতায় ভুগছিলাম আর তোমার সাথে করা অপরাধের জন্য গিল্টি ফিলি করতাম। এজন্য শুরুতে তার ডাকে সাড়া দেই নি। কিন্তু ও’ নাছোড়বান্দার মতো আমার পেছনে পড়ে থাকে। একসময় ওর পাগল করা ভালোবাসায় আমি সাড়া দিতে রাজি হই।

সেজন্য একদিন দেখা করি, আর নিজের সব কীর্তিকলাপের কথা জানাই ওকে। আরিয়ান সবটা শুনে কিছুক্ষণ থম মেরে বসে থাকে। তারপর বলে, তুমি যেটা করেছো মানছি সেটা অন্যায়। অন্যায় না অপরাধ। কিন্তু তুমি এর জন্য অনুতপ্ত। আর অনুতপ্ততার উপরে আর কোন সাজা নেই। তুমি এই কয়েক বছর যেই মেন্টাল অশান্তির মধ্য দিয়ে গিয়েছো সেটাই তোমার অপরাধের শাস্তি দিয়ে দিয়েছে। আমি যেমন আমার বোনকে ভালোবাসি, তোমাকেও ভালোবাসি। তোমার খারাপ, ভালো সবটা নিয়েই তোমাকে ভালোবাসি।

পূর্ণতা হয়ত এখন এখানে নেই, কিন্তু আমি কিছু একটা করে তাকে আবারও দেশে ফিরিয়ে আনবো। তারপর তার সংসার জোরা লাগিয়ে দিবো। এতে তুমি আমাকে সাহায্য করবে। তাহলেই তোমার অন্যায়ের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়ে যাবে।

পূর্ণতা আঞ্জুমানের এহেন কথা শুনে আকাশ থেকে পড়ে। তার ভাই বিষয়টাকে এত সহজ ভাবে ধরেছে সে বিশ্বাসই করতে পারছে না। সে কর্কশ গলায় বলে–

—আর কত মিথ্যে বলবে? মিথ্যে বলতে বলতে তুমি ক্লান্ত হয়ে যাও না?

—বিশ্বাস করো তুমি আমাকে ভাবী। আমি যা বলছি সত্যি বলছি। দরকার হয় তুমি তোমার ভাইকে জিজ্ঞেস করো।

শেষের কথাটা বলার সময় তার গলা কেমন কেঁপে ওঠে ও চেহারা কেমন একটা ভীত ভাব দেখা যায়। কিন্তু পূর্ণতার চোখে তা ধরা পড়ে না। সে তো ভাবছে, কি করে আরিয়ান এসব জেনেও এই মেয়েকে বিয়ে করলো? আঞ্জুমান পরোক্ষভাবে তার বাবার মৃত্যুর সাথে জড়িত, ওর জন্য পূর্ণতার সংসারটা ভেঙে গিয়েছে, এসব জানার পর আরিয়ান পারলো কি করে ওকে বিয়ে করতে? এত ভালোবাসে আরিয়ান তাকে? আচ্ছা ওর নিজের বোনের সাথে যদি এমনটা হতো, তাহলে আরিয়ান কি পারত আঞ্জুমানকে বিয়ে করতে? সবার মতো আজ আরিয়ানেরও আরেকটা রূপের সাথে পূর্ণতা পরিচিত হয়ে গেলো। হায় রে ভাই! একটা মেয়ের জন্য তার বোনের প্রতি হওয়া অন্যায়কে ভুলে গেলো!

আহমেদ বাড়ির সকলেই পূর্ণতার সাথে হওয়া ঘটনাটা অল্পস্বল্প জানত। কিন্তু তারা কেউ আঞ্জুমানকে চিনত না। আর চেনার কথাও না। যেখানে পূর্ণতার বাবার সাথেই শেখ পরিবারের সাক্ষাৎ হয়েছে হাতে গোণা কয়েকবার, সেখানে আঞ্জুমানকে চেনা তো অসম্ভব প্রায়ই।

পূর্ণতার আজ আবার ভীষণ কান্না পায় আরিয়ান সম্পর্কে এসব জেনে, কিন্তু সে কাঁদে না। কান্না দূর্বলদের অ*স্ত্র। আর এত কিছু সহ্য করার পর কি সে আসলেই আর দূর্বল রয়েছে? সে যদি দূর্বলই হতো এত আঘাত, এত বিশ্বাসঘাতকতার পরও কি বেঁচে থাকত?

পূর্ণতা ঢোক গিলে নিজের কান্নাটাকে গিলে নেয়। তারপর হিসহিসিয়ে বলে–

— তোমার মতো মিথ্যুকের কথা শুনে আমার ভাইকে ভুল বুঝার মতো বেকুব পাবলিক না আমি। অবশ্যই আমি সত্য-মিথ্যা যাচাই করব। আর হ্যাঁ, তোমাকে আমি ওয়ার্নিং দিচ্ছি আঞ্জুমান, আমার ছেলের থেকে দশ হাত দূরে থাকবে। ভালো তোমাকে আমার ভাই বাসে, আমি না। আমার ছেলের সাথে যদি কিছু করার পরিকল্পনাও মাথায় আনো, এবার এই মাথাটাকেই ঘাড় থেকে আলাদা করে দিবো আমি। এসব যদি ফাঁকা বুলি মনে করো তাহলে খুব ভুল করবে। বউ পূর্ণতা তোমাকে যথাযথ শিক্ষা দিতে না পারলেও, মা পূর্ণতা তোমাকে এমন শিক্ষা দিবে যে তুমি কেঁদে কুল পাবে না। কথাটা মাথায় রেখে এই বাড়িতে থেকো।

আঞ্জুমানকে ঝেড়ে, থ্রে””ট দিয়ে পূর্ণতা তার রুমে চলে আসে। অন্যদিকে আঞ্জুমান তার যাওয়া দেখে মুচকি মুচকি হাসতে থাকে।

রুমে এসেই পূর্ণতা সোজা চলে যায় বেলকনিতে। জানুয়ারির কনকনে ঠান্ডা বাতাস নাক দিয়ে টেনে ভেতরে নেয়। নিজের ভেতরে আবারও জ্বলে ওঠা কষ্টের আগুনটাকে এই হিমেল বাতাস দিয়ে নেভানোর ক্ষুদ্র একটা প্রচেষ্টা করে মাত্র সে।

বারংবার তার আপন ভাবা মানুষদের থেকে কষ্ট পেতে পেতে এখন সে ক্লান্ত। আজকাল নিজের ছায়াকেও বিশ্বাস হয় না। কখন যে তাকে ধোঁকা দিয়ে দেয় সে টেরও পাবে না। সে যখন নিজের কষ্টকে বিভিন্ন উপায়ে কমানোর প্রচেষ্টা মত্ত তখনই তার ফোনটা সশব্দে বেজে ওঠে। রাত এখন প্রায়ই এগারোটার উপরে। এই এত রাতে কে ফোন দিলো আবার?

প্রশ্ন নিজের মনে চেপে রেখেই পূর্ণতা রুমে এসে সেন্টার টেবিলের উপর থেকে ফোনটা নিয়ে আবারও বেলকনিতে চলে যায় যাতে তাজওয়াদের ঘুমের ডিস্টার্ব না হয়। তাজওয়াদকে পূর্ণতা একটা কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করিয়ে দিয়েছে। দিনের আধা বেলা ঐখানে থাকে, আর বাকি আধা বেলা হয় অফিসে নাহয় বাসায় কাটায়। এতে করে পূর্ণতা কিছুটা হলেও স্বস্তি পায়।

পূর্ণতা নাম্বারটা দেখে চিনতে পারে না। কিছুটা দ্বিধা নিয়েই কলটা রিসিভ করে সালাম দেয়। অপরপাশের ব্যক্তিটি সালামের জবাব নিয়ে বলে–

—এত তাড়াতাড়ি সাহেবকে ভুলে গেলেন ম্যাডাম?

এমন উদ্ভট কথা শুনে পূর্ণতার কপালে ভাজ পড়ে কয়েকটা। সে ব্যক্তিটিকে ফিরতি প্রশ্ন করে বলে–

—সরি, কে বলছিলেন?

—তাজওয়াদের বাবাই আর আপনার এককালের বয়ফ্রেন্ড।

ব্যক্তিটির কথা শুনে পূর্ণতার চোখ নিমিষেই রসগোল্লার ন্যায় বড় বড় হয়ে যায়। সে এতটা ভুলো মনের কি করে হলো যে, এই ব্যক্তিটির কণ্ঠস্বর ভুলে গেলো? পূর্ণতা বিস্ময় নিয়ে বলে–

—তুমি?

—ইয়েস সুইটহার্ট, আমি।

[গল্পটি ভালো লাগলে বেশি বেশি শেয়ার করে আপনার গল্প প্রেমী বন্ধুদের নিকট পৌঁছে দিন।]

শব্দসংখ্যা~১৬০০
~চলবে?

[কি মনে হয় আঞ্জুমান কি সত্যি বলছে? নাকি মিথ্যে? আর ছেলেটা কে গেস করেন তো🤭

আজ গল্প দেওয়ার কথা ছিলো না তাও দিলাম। ছোট বলে অভিযোগ করতেই পারেন, কিন্তু আমার পক্ষে এর চেয়ে বড় দেওয়া সম্ভব হচ্ছিলো না।

ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠনমূলক মন্তব্য করবেন। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স ]

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply