১২.
ডার্ক সাইড অফ লাভ (১৮+এলার্ট ❌)z
দূর্বা_এহসান
বাইরে হাড়কাঁপানো শীতের প্রকোপ। তরুর নাক-মুখ ঠান্ডায় লাল হয়ে আছ। শরীরের প্রতিটি হাড় হিম হয়ে আসছে। পরিস্থিতির বিড়ম্বনায় এই হাড়কাঁপানো ঠান্ডার মাঝেও তাকে আজ দুই দুবার গোসল করতে হয়েছে। ভেজা চুলের গোড়া থেকে অদ্ভুত এক শিরশিরানি নেমে যাচ্ছে মেরুদণ্ড বেয়ে। শরীরটা বড্ড দুর্বল লাগছে আজ, প্রতিটি পা ফেলতে যেন যুদ্ধ করতে হচ্ছে তাকে।
মৃন্ময় কয়েক পা এগিয়ে যাচ্ছিল। তরু পেছনে পড়ে রইল। সিঁড়ির ঠিক মুখটায় এসে সে থমকে দাঁড়াল। নিচে ডাইনিং টেবিলটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সেখানে রজনী বসে আছে। পরিপাটি করে সাজানো খাবার দাবার, আর রজনীর মুখে এক চিলতে হাসি। সেই হাসির ঝিলিক তরুর চোখের মণি বিদ্ধ করল। রজনীকে ওভাবে বসে থাকতে দেখে তরুর ভেতরে কেমন এক অস্থিরতা কাজ করল। হঠাৎ কী হলো কে জানে, পা বাড়াতে গিয়ে তাল সামলাতে পারল না সে।
- আআআ! টাল সামলাতে না পেরে সে ধপ করে সিঁড়ির ওপর বসে পড়ল। মৃন্ময় কয়েক ধাপ নিচে নেমে গিয়েছিল, কিন্তু তরুর চিৎকার শোনা মাত্র সে যেন বিদ্যুদ্বেগে ঘুরে দাঁড়াল। এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে সে ছুটে এলো তরুর কাছে। তরুর বিবর্ণ মুখের দিকে তাকিয়ে মৃন্ময়ের চোখেমুখে ফুটে উঠল রাজ্যের অস্থিরতা। সে চট করে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল তরুর পায়ের কাছে।
-;কী হয়েছে? পড়লে কীভাবে? ব্যথা পেয়েছ খুব?
মৃন্ময়ের কণ্ঠে এমন ব্যাকুলতা আগে কখনো শোনেনি তরু। তার দুই হাত দিয়ে সে তরুর হাত দুটো আগলে ধরার চেষ্টা করছে। মৃন্ময়ের এই অস্থিরতা, এই উন্মাদের মতো ছুটে আসা তরুকে বিস্মিত করেছে
তরু কোনো উত্তর দিতে পারল না। সে স্রেফ অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল মৃন্ময়ের তীক্ষ্ণ আর মায়াবী চোখগুলোর দিকে। এই লোকটাই না কয়েকদিন আগে হাড় হিম করা গলায় বলেছিল সে তাকে ঘৃণা করে? অথচ এই মুহূর্তে মৃন্ময়ের চোখে কোনো ঘৃণা নেই, বরং আছে হারানোর এক অজানা ভয়। তরুর হৃদস্পন্দন কি ঠান্ডায় বেড়ে গেল নাকি মৃন্ময়ের স্পর্শে, তা সে বুঝতে পারছে না।
টেবিলের ওপাশ থেকে রজনীর হাসিমুখটা মুহূর্তেই ম্লান হয়ে গেল। সে দেখল, মৃন্ময় তরুর হাঁটুতে আলতো হাত বুলিয়ে দিচ্ছে, যেন সে এক অতি মূল্যবান কাঁচের পুতুল।
- বলছো না কেন?কোথায় ব্যথা পেয়েছো?
- কোথাও না।
মৃন্ময়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ। সে তরুর উত্তরের তোয়াক্কা না করে ওর পায়ের গোড়ালি পরীক্ষা করতে শুরু করল।
-কোথাও না মানে কী? অকারণেই বুঝি কেউ ওভাবে চিৎকার করে বসে পড়ে?
তরু থমকে আছে। সে বলতে পারল না যে, ব্যথার চেয়ে রজনীকে ওভাবে হাসিমুখে ডাইনিং টেবিলে বসে থাকতে দেখে সে বেশি চমকে গেছে। মৃন্ময়ের হাতের স্পর্শে এক অদ্ভুত শিহরণ বয়ে যাচ্ছে ওর শরীরে। ঠান্ডা পানির দুই দফার গোসলে শরীরটা এমনিতেই অবশ হয়ে আসছিল, এখন মৃন্ময়ের উষ্ণ হাত দুটো যেন ওর রক্তে চাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনছে।
-উঠে দাঁড়াতে পারবে?”
মৃন্ময় তরুর চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল।তরু অস্ফুট স্বরে বলল,
-পারব বোধহয়।
মৃন্ময় আলতো করে ওর হাত ধরল। তরু যখন টালমাটাল পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে, তখন রজনী টেবিল থেকে উঠে সিঁড়ির কাছে এগিয়ে এল। রজনীর সেই ঝকঝকে হাসিটা এখন একটু ম্লান।
“কী হলো মৃন্ময়? তরু ঠিক আছে?
রজনীর কণ্ঠে অতিমাত্রায় কৃত্রিম মমতা।মৃন্ময় কোনো উত্তর দিল না। সে তরুর এক হাত নিজের কাঁধের ওপর তুলে নিয়ে ওকে কোলে তুলে আগলে ধরে নিচের দিকে নামতে শুরু করল। তরু অনুভব করল, মৃন্ময় ওকে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্ত করে ধরেছে।
নিচে নামার পর মৃন্ময় সরাসরি তরুকে ডাইনিং টেবিলের দিকে না নিয়ে সোফায় বসিয়ে দিল। তারপর রজনীর দিকে তাকিয়ে শীতল গলায় বলল,
- খাবার একটু গরম করে দাও রজনী। ওর শরীর খুব খারাপ, এ অবস্থায় ঠান্ডা খাবার খেতে পারবে না।
রজনীর মুখের হাসিটা এবার পুরোপুরি মিলিয়ে গেল। সে অবাক চোখে মৃন্ময়ের দিকে তাকিয়ে রইল। যে মৃন্ময় তরুকে দু’চোখে দেখতে পারত না, সে আজ তার জন্য হুকুম দিচ্ছে?
রজনী স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। মৃন্ময়ের এই রূপ তার কাছে সম্পূর্ণ অচেনা। সে যন্ত্রচালিতের মতো রান্নাঘরের দিকে পা বাড়াল, কিন্তু তার মনের ভেতর ঈর্ষার এক বিষাক্ত জ্বালা মোচড় দিয়ে উঠল।
এদিকে সোফায় বসে থাকা তরুর অবস্থা শোচনীয়। ঠান্ডায় তার দাঁতে দাঁত লাগছে। মৃন্ময় বুঝতে পারল শুধু সোফায় বসিয়ে রাখলে ওর কাঁপুনি কমবে না। সে দ্রুত নিজের গায়ের কোট টা খুলে তরুর গায়ে জড়িয়ে দিল।মৃন্ময়ের শরীরের উষ্ণতা মিশে আছে। তরু কুঁকড়ে বসে রইলl
ওর ভেজা চুলের গোড়া থেকে টপ টপ করে পানি পড়ছে। মৃন্ময় বড় একটা তোয়ালে নিয়ে এসে অত্যন্ত মৃদু হাতে তরুর চুল মুছে দিতে লাগল। রান্নাঘর থেকে রজনী ধোঁয়া ওঠা গরম খাবারের বাটি নিয়ে বেরিয়ে এল। তার চোখ মুখ শক্ত। টেবিলের ওপর সজোরে বাটিটা রেখে সে বলল,
- খাবার রেডি। ওকে টেবিলে নিয়ে আসো মৃন্ময়।
মৃন্ময় তরুর দিকে তাকাল। তরু ওঠার চেষ্টা করতেই আবার মাথাটা ঝিমঝিম করে উঠল তার। সে চোখ বন্ধ করে সোফায় মাথা ঠেকিয়ে দিল। মৃন্ময় আর দেরি করল না। রজনীর দিকে তাকিয়ে শান্ত স্বরে বলল,
- ও টেবিলে যেতে পারবে না। রজনী, এক বাটি স্যুপ আর রুটি এই ট্রে-তে করে এখানে নিয়ে এসো। আমি ওকে এখানেই খাইয়ে দেব।
রজনীর হাত থেকে চামচটা প্রায় পড়েই যাচ্ছিল। সে অবিশ্বাসের সুরে বলল,
-তুমি নিজ হাতে ওকে খাইয়ে দেবে?
মৃন্ময় এবার তরুর ভেজা চুলের ওপর হাত রেখে রজনীর দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাল। তার কণ্ঠে বরফশীতল কাঠিন্য,
- হ্যা
রজনী আর এক মুহূর্ত সেখানে দাঁড়াল না।রাগে তার ফর্সা মুখ লাল হয়ে উঠল। সে হনহনিয়ে নিজের রুমে চলে গেল।
- খাবো না।
মৃন্ময়ের ইশারায় বাড়ির সব স্টাফরা ড্রয়িং রুম ছাড়লো।আপাতত মৃন্ময় আর তরু ছাড়া পুরো ড্রয়িং রুমে কেউ নেই। সময় দেখলো মৃন্ময়।আর কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে বেরোতে হবে। ইম্পর্ট্যান্ট কাজ আছে।এর মধ্যে এই মেয়ে আবার বেঁকে বসেছে। মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে ওর।
মৃন্ময় তরুকে টেনে নিলো নিজ বাউডোরে। কোলে বসালো। জামা গলিয়ে তরুর মেদহীন পেটে হাত চলে গেলো ওর। হালকা করে চেপে ধরলো।
শিউরে উঠলো তরু। শরীরে কেমন শিরশিরে অনুভূতি হলো। এই প্রথমবার এমন হলো মৃন্ময়ের ছোঁয়ায়। মৃন্ময় খাইয়ে দিল ওকে। না করার সুযোগ পেলো না আর তরু।
খাওয়া শেষ হতেই মৃন্ময় ঠান্ডা একটা নিশ্বাস তরুর ঘাড়ে ফেললো।
- দ্রুত রেডি হয়ে এসো। বাইরে বেরোবো।
মুখ ফুলিয়ে গাড়িতে বসে আছে তরু।সামান্য ঠান্ডা লেগেছিল।এজন্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হলো? ওষুধ সে দুই চোখে দেখতে পারে না। মৃন্ময় নিজেই তাকে কষ্ট দেয়,আবার নিজেই দরদ দেখাচ্ছে।কিছুই মাথায় ঢুকছে না ওর। বাড়ি ফিরছে এখন তারা।
- মুখ ওরকম করে রেখেছো কেন?
জবাব দিলো না তরু। মৃন্ময়ের সাথে কথা বলার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই ওর। মুখ ঘুরিয়ে বাইরে তাকিয়ে রইলো। মৃন্ময় সামনে থেকে চোখ ফিরিয়ে আবার ওর দিকে তাকালো। দাঁতে দাঁত চেপে আবার একই প্রশ্ন করলো।কিন্তু এবারেও জবাব এলো না।
হঠাৎ থেমে গেলো গাড়িটা।তরু তাল সামলাতে না পেরে সামনের দিকে ঝুঁকে গেলো।মাথা বাড়ি খেলো মৃন্ময়ের হাতে। আকস্মিক এরকম কান্ডে তরু তাকালো মৃন্ময়ের দিকে।রেগে চোখমুখ লাল করে তার দিকেই তাকিয়ে আছে।
এই মুহূর্তে তরু বুঝতে পারল ওর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কতবড় ভুলটা করেছে।আশেপাশে তাকালো। শুনশান একটা রাস্তা। তাড়া এবং তাদের গাড়িটা ছাড়া আর কোথাও কেউ নেই। ভয়ে সিটিয়ে গেলো একদম তরু।
মৃন্ময় এক টানে তাকে এনে আঁ চ ড়ে ফেললো নিজের বুকে। কোমর শক্ত করে জড়িয়ে কোলে নিলো।এক হাতে চুল আর আরেক হাতে গলা ধরলো।
- জবাব দিচ্ছিলি না কেন?মুখে কি টেপ লাগানো?নাকি আমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করে না? অ্যানসার মি
ভয়ে ইতোমধ্যে গলা শুকিয়ে গেছে তরুর।তারমধ্যে আবার গলা চে পে ধরেছে।কিভাবে উত্তর দিবে? মৃন্ময়ের হাতটা সরানোর চেস্টা করল।
- আমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করে না তোর,তাইনা?
বলেই গলা ছেড়ে দিলো তরুর।চুল শক্ত করে চেপে ধরে ঠোঁট দুটোয় হামলে পড়লো। তরু কিছু বুঝে উঠার আগেই সম্পুর্ণ মৃন্ময়ের দখলে চলে গেলো।কয়েক মিনিটের কিসের মধ্যেই মৃন্ময় হাত দিয়েছে প্যান্টের বেল্টে।তরু কোলে থাকায় বুঝতে পারলো।তার পেট ছুঁয়েই হাত টা চলে গেছিল।চোখ বন্ধ তরুর মাথায় নানান ভাবনা চলে এলো।এই রাস্তায়?
মৃন্ময় এক টানে বেল্ট খুলে ফেললো।তরুর গায়ে থাকা হাঁটু সমান কামিজ টা ততক্ষণে বুকের উপর চলে এসেছে। ঠোঁট ছাড়লো মৃন্ময়।তরুর রক্তে মেশানো ঠোঁটের দিকে চাইলো। হালকা হাসি ফুটে উঠল।তার সাথে কথা না বলা। ব্যথায় চোখমুখ খিঁচে বন্ধ করে আছে তরু।
মৃন্ময় সময় নিলো না।তরুর হাত জোড়া উচু করে ধরে এক টানে জামাটা খুলে ফেললো।কালো জামার নিচের পিংক কাপড়ের ছোট টুকরোটা বেশ নজর কাড়লো ওর।কাধের দিকে চিকন ফিতাটা গলিয়ে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলো। আর তার পরেই, রাবারের বেল্টটা টেনে ছেড়ে দিলো।তরুর সাদা ধপধপে চামড়ায় এতো জোরে লাগলো যে তরু চিৎকার করে উঠলো।
- আহ্।কি করছেন?পাগল হয়ে গেছেন?ওটা খেলার জিনিস?
এবার তরুর মতোই নীরব থাকলো মৃন্ময়। ঠোঁটের কোণে একটা বাকা হাসি। সে আবারও কাধের দিকে হাত বাড়ালো। এবার আর টেনে কাঁধেই ছেড়ে দিলো না।কাধ থেকে নামিয়ে এলো।
বুকের এক পাশ উন্মুক্ত হয়ে গেলো।কালো কুচকুচে তিলতা দৃশ্যমান হলো।মৃন্ময় তৎক্ষণাৎ কামড় বসালো জায়গাটায়।সামনের সব কটা দাঁতের দাগ বসিয়ে দিলো।
মুখ সরিয়ে হাত দিয়ে সামান্য প্রেস করলো।
- তরু,আমার হাত কি দুর্বল?এগুলো এখনো প্রথম দিনের আকারেই আছে।পরির্বতন হচ্ছে না কেন? হোয়াই?”
তরুর মুখ পানে তাকিয়ে বললো। কান গরম হয়ে গেলো তরুর। ঠিক কতটা খাচ্ছর হলে এভাবে বলে। মৃন্ময় আবারো সুধালো,
- দেখতে কিছুটা কিটি বুবস এর মত। বাট আই লাইক ইট।
বিড়ালের মত! তরু চোখ খুললো না লজ্জায়। সাহস দেখিয়ে মৃন্ময়ের মুখে হাত রাখলো একটা। কাজ হলো তাতে, মৃন্ময় চুপ করে গেলো।তার পরিবর্তে তরুর অন্য কাধের ফিতেটাও পরে গেলো।সম্পূর্ণ বুকে চলতে থাকলো মৃন্ময়ের হাতের অ ত্যা চা র। সাদা চামড়া লাল হয়ে গেলো।তাতেও থামার নাম নেই।
এক সময় মৃন্ময় আর ধৈর্য রাখতে পারলো না। দুটো মানব শরীর দিনের আলোয় রাস্তায় নিজ গাড়িতে ড্রেসলেস হয়ে গেলো। তরু কল্পনাতেও ভাবে নী এরকম কিছু হবে।গাড়ির ভিতর থেকে বাইরের সবকিছু দেখা গেলেও বাইরে থেকে ভিতরে দেখার উপায় নেই।ঠিক এটারই ফায়দা উঠলো মৃন্ময়।
- ছাড়ুন প্লীজ।পরিবেশ দেখুন। বাইরে আমরা।
- ঘরে থাকলে বুঝি নিজ ইচ্ছায় কাছে আসতে।
চুপ করে গেলো তরু।তরুর কোমর দুইহাতে জড়িয়ে ধরলো মৃন্ময়।লাস্ট একটা কথা তরুর কানের কাছে মুখ নিয়ে বললো।
– জাম্প বেবিগার্ল।
চলবে……..
(২.৫k রিয়েক্ট হলে নেক্সট পার্ট আসবে)
Share On:
TAGS: ডার্ক সাইড অফ লাভ, দূর্বা এহসান
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ডার্ক ডিজায়ার পর্ব ১৪
-
ডার্ক ডিজায়ার গল্পের লিংক
-
প্রিয়া আমার পর্ব ৩
-
ডার্ক সাইড অফ লাভ পর্ব ১৩
-
ডার্ক ডিজায়ার পর্ব ১৬
-
প্রিয়া আমার পর্ব ২
-
ডার্ক সাইড অফ লাভ গল্পের লিংক
-
প্রিয়া আমার গল্পের লিংক
-
ডার্ক ডিজায়ার পর্ব ৩(প্রথমাংশ + শেষাংশ)
-
ডার্ক সাইড অফ লাভ পর্ব ৭