মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
পর্ব_২২
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
কুহেলির মুখের কথা শুনে শায়লা হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে গেলো। চোখে উজ্জ্বল ক্ষুদ্র আলো কেমন স্থির হয়ে গেছে, আর অভিমান হঠাৎই ঘন হয়ে উঠলো।
বাহ্!শায়লার গলায় অস্বাভাবিক উচ্চতা।তুই কিভাবে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হলি?আমাকে তো তোর জীবনের কিছুই বলিসনি। তুই আসলে আমাকে বেস্টু মনে করিস না?
কুহেলি এক ঝাপটে শায়লাকে আঁকড়ে ধরে, চোখে অস্থিরতা, মুখে মৃদু অনুশোচনা।অবশ্যই আমি মনে করি! কিন্তু আমি কিভাবে তকে বলতাম, তাই ভেবে পাচ্ছিলাম না। তুই তো চুপচাপ ছিলি। প্লিজ আর রাগ করে থাকিস না, প্লিজজজ
শায়লার চোখে ভেঙে ফেলা অভিমান তখনো রয়ে গেছে, কিন্তু হঠাৎই সে হালকা ভেঙে খেয়ে হাসির ছোঁয়া দিলো।আচ্ছা তাহলে আজকে আমি তোর শশুরবাড়ি যাবো।
কুহেলি হালকা অস্বস্তিতে পড়ে গেলো। মনে মনে ভাবলো শায়লাকে নিয়ে গেলে আবরার কিছু বলবে নতো?কিছুটা দ্বিধা আর অজানা চিন্তায় সে নিজেকে আটকে ফেলল।
কি রে নিয়ে যাবি না? শায়লা আবার কটাক্ষ করে বললো, চোখে ছোট্ট চঞ্চলতা।
কুহেলি জোর করে নিজের মুখে হাসি টেনে আনলো, ভেতরে ধীরে ধীরে ভয় আর দ্বিধা লুকিয়ে রেখে বললো,না না যাবি, নিয়ে যাবো।
শায়লার চোখে এক ঝলক উচ্ছ্বাস মুখে খুশির ছোঁয়া।আচ্ছা, অনেক মজা হবে!
~~
ইউনিভার্সিটির ক্লাস শেষে কুহেলি আর শায়লা একসাথে বাড়ি ফিরলো।বাড়ি দেখার পর তার বিস্ময় গভীর হলো।
শায়লা চোখ বড় করে কুহেলির দিকে তাকিয়ে বললো,ওই কুহেলি তোরা তো মাফিয়া জামাই, এত বড়লোক! আমি তো ভাবতেও পারিনি।
কুহেলি হালকা মুচকি হেসে বললো,
তুই মিথ্যা বলিস নি। আমিও প্রথম বিস্মিত হয়েছিলাম।তারপর কুহেলি শায়লা কে উদ্দেশ্য করে বললো,
আচ্ছা, তুই কী খাবি দুপুরে? কুহেলি জিজ্ঞেস করলো।
শায়লা নির্দ্বিধায় উত্তর দিলো,
বিরিয়ানি খাবো।
কুহেলি বললো,আচ্ছা, তুই আগে ফ্রেশ হয়ে আয়। আমি সার্ভিসকে বলে দিচ্ছি রান্না করতে।
শায়লা মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানালো।
কিছুক্ষণ পর, কুহেলি সার্ভিসকে ডেকে বললো,
দেখ, আজকে শায়লার জন্য বিরিয়ানি বানাতে হবে। সব প্রস্তুতি ঠিক আছে তো?
সার্ভিস মাথা হেলালো। আর কুহেলি নিজেও চুপচাপ ঘরে ঢুকে ফ্রেশ হতে গেলো আর শায়লা গেস্ট রুমে।
শায়লা রুমে বসে জানালার বাইরে তাকালো। হালকা বাতাস বইছে, রোদ মৃদু ছড়াচ্ছে। তার মনে হলো আজকের দিনটা যেন এক নতুন গল্পের শুরু।
বিশ মিনিট পর…!
শায়লার মনে হলো আর রুমে বসে থাকা সম্ভব নয়। ফ্রেশ হয়ে সে নিচে নেমে এলো, লক্ষ্য ভেবেছে পুরো বাড়ি ঘুরে দেখবে। বাড়ির প্রতিটি কোণ যেন নতুন কিছু গল্প শোনাচ্ছে, কিন্তু হঠাৎই কলিংবেল বেজে উঠলো।
শায়লা প্রথমে চমকে গেলো, কিন্তু উত্তেজনা আর কৌতূহল পায়ের তলার জ্বালা যেন আরও বাড়িয়ে দিলো। সার্ভিস দরজা খোলার আগেই, শায়লা ছুটে যেয়ে দরজা খুলে দিলো।
দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে আবরার। তার পেছনে ফেটিক্স, শান্ত কিন্তু সতর্ক দৃষ্টিতে।
আবরার ধীরে ধীরে বাড়ির ভেতরে ঢুকে আসে। ফেটিক্স তার পেছনে নিঃশব্দে ঢুকে যায়, যেন কোন অদ্ভুত নিয়মে সে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেছে।
আবরার থেমে দাঁড়ালো শায়লার দিকে তাকাল, চোখে কঠোর দৃষ্টি। গম্ভীর কণ্ঠে বললো,
তুমি কে?
শায়লার বুক ধড়ধড় করতে লাগলো। কুহেলির কাছ থেকে সে অনেক কিছু শুনেছে আবরারের কাছে মানুষ মানে যেন পান্তা ভাতের মতো। ভয়কে ছাপিয়ে সে ধীরে ধীরে বললো,
আমার নাম শায়মা চৌধুরী শায়লা। আমি কুহেলির বেস্ট ফ্রেন্ড।
আবরার গম্ভীর কন্ঠেই পুনরায় বললো,
ওহ্
তারপর তিনি গম্ভীরভাবে গটগট করে সিঁড়ি দিয়ে উপরের দিকে চলে গেলেন।
শায়লা চোখ আটকে দেখছে আবরার সিঁড়ি দিয়ে উপরে চলে গেছে। আর তার পেছনে ফেটিক্স এক দৃষ্টিতে শায়লার দিকে তাকালেন, কিন্তু সেই দৃষ্টি যেন কেটে যায়নি।
শ্যামবর্ণ, হাটু অবধি ঘন কালো লম্বা চুল। চুলগুলো আকাশের মতো ঝলমল করে, মুখটা মায়াবী যা যে কাউকে মুহূর্তেই আকৃষ্ট করতে পারে। আর ফেটিক্স মাত্র পাঁচ নয় ইঞ্চি লম্বা তার কাছে শায়লা যেন একেবারেই ছোট্ট, কোমল বাচ্চা মেয়ে মনে হচ্ছে।
ফেটিক্স যতখানি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে শায়লার দিকে তাকালো, শায়লার শরীরের ভিতরে অদ্ভুত এক টান অনুভূত হলো। তার কণ্ঠে না হলেও মনে হলো এক অজানা, অস্বস্তিকর উত্তেজনা।
শায়লা ধীরে ধীরে পায়ের তলায় শক্তি খুঁজে সোফার দিকে এগিয়ে গেল। নিঃশ্বাস নিয়ে সে বসে পড়লো।ফেটিক্সও তার পেছনে নীরবভাবে চলে এলো এবং শায়লার পাশে সোফায় বসলো।
শায়লার চোখ বড় হয়ে গেলো। তার বুকের ভেতরে অদ্ভুত একটি চাপ আদতে শান্ত থাকার চেষ্টা করলেও অস্বস্তি যেন আরও গভীর হলো। ফেটিক্সের চোখ, তার দৃষ্টি সবকিছু যেন তাকে নিরীক্ষণ করছে, এক ধরণের অচেনা শক্তি যা সে থামাতে পারছে না।
শায়লা কণ্ঠে খানিকটা কম্পমান স্বরে বললো,
আপনি কি কিছু বলবেন? এভাবে তাকিয়ে আছেন কেন?
তার মিষ্টি, কোমল কণ্ঠের আওয়াজ ফেটিক্সের মনোযোগ ছিন্ন করে। ফেটিক্স চোখ জুড়ে তাকিয়ে থাকলেও মুহূর্তেই তার ধ্যান ভাঙলো। নিজেকে সামলাতে গিয়ে সে গলা পরিস্কার করলো।
না শুধু ভাবছিলাম। বলো তো, তোমার বাড়িতে কে কে আসে?
শায়লা চোখে খানিক দ্বিধা, মুখে লাজুক হাসি। মিনিমিন করে উত্তর দিলো,
আমার মা আর ভাই।
ফেটিক্স ধীরে ধীরে শায়লার দিকে নজর দিলো। সে দেখলো কীভাবে শায়লার ছোট্ট দেহ কাঁপছে, হয়তো ভয়ে।
হালকা গম্ভীর, কিন্তু কোমল স্বরে ফেটিক্স বললো,
এভাবে ভয় পেও না। আমরা বন্ধু হতে পারি কি?
শায়লার চোখে বিস্ময়, মুখে হালকা হাসি।
বন্ধু? সে একটু অবাক হয়ে বললো।
ফেটিক্স হালকা হেসে উত্তর দিলো,
হ্যাঁ। দেখো, বন্ধুত্বের কোনো বয়স হয় না। তাই তুমি আর আমিও বন্ধু হতে পারি।
শায়লা এবার পূর্ণ দৃষ্টিতে ফেটিক্সের দিকে তাকালো।
লোকটার কুচকুচে কালো চোখে যেন এক অদ্ভুত রহস্য লুকিয়ে আছে। সিল্কি চুলগুলো বেসে ঝরে পড়েছে, চোখে এক নির্ভীক আত্মবিশ্বাসের ছাপ। সে একদম ফর্সা না হলেও, শরীরের গঠন দেখে বোঝা যায় প্রতিদিন জিম করে, নিজের যত্নে সচেতন। শায়লার চোখ অবচেতনভাবে তার পেশি, লম্বা শারীরিক গঠন লক্ষ্য করল।
শায়লা মিনিমিন করে বললো,
হু হতে পারি।
ফেটিক্স হালকা হেসে বললো,ঠিক আছে, তাহলে নরমাল হও। এভাবে কাঁপাকাঁপি বাদ দিয়ে।
শায়লা একটু লজ্জা মেশানো কণ্ঠে বললো,
আমি চেষ্টা করছি কিন্তু বন্ধ হচ্ছে না।
শায়লার এরকম বোকা বোকা কথা শুনে এবার ফেটিক্স হেসে দিলো।
শায়লা চুপচাপ তাকিয়ে থেকে মনে মনে ভাবলো,
পুরুষ মানুষকে হাসলেও এতো কিউট লাগতে পারে কি?
সে হঠাৎ বুঝলো এই মানুষটার সামনে তার ভয়, অস্বস্তি, ছোট্ট দ্বিধা সব মিলেমিশে এক অদ্ভুত আনন্দের অনুভূতিতে রূপ নিয়েছে। আর ফেটিক্সের হাসিটা যেন তাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্য দিতে শুরু করেছে।
শায়লার চোখে এক ঝলক প্রশান্তি, হালকা লাজুকতা, আর অন্তরে অদ্ভুত এক কৌতূহল যা বলে দিচ্ছে, আজকের এই মুহূর্ত তার মনে দীর্ঘদিন ধরে লেগে থাকবে।
~~
আবরার দরজা ঠেলে রুমে ঢুকতেই হালকা গরম বাতাস আর হেয়ার ড্রায়ারের মৃদু গুঞ্জন কানে এলো।কুহেলি দাঁড়িয়ে আছে ড্রেসিং টেবিলের সামনে ভিজে চুলগুলো কাঁধ ছুঁয়ে কোমরের নিচে নেমে গেছে, ফোঁটা ফোঁটা জল টুপটুপ করে গাল বেয়ে নামছে।যার ফলস্বরূপ কুহেলির পিছিয়ে কামিজ খানা হালকা ভিজে গেছে।
কুহেলি এখনো টের পায়নি যে আবরার দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আছে।হালকা আলোতে কুহেলির ভেজা চুল যেন আরো উজ্জ্বল, আরো আকর্ষণীয় লাগছে।
আবরারের চোখ এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল মনে মনে বললো,এই মেয়েটা কি সত্যিই এত সুন্দর? নাকি ভেজা চুলেই তার সৌন্দর্য দ্বিগুণ হয়ে যায়?
আবরারের গলা শুকিয়ে গেল।ও ধীরে ধীরে কুহেলির দিকে এগোতে শুরু করল।পায়ের শব্দও যেন শুনতে না পায় এতটাই আস্তে।
কুহেলি ড্রায়ারটা এক হাতে ধরে চুলে চালাচ্ছে অন্য হাত দিয়ে চুল সরাতে সরাতে নিজের কাজেই ব্যস্ত।
আবরার কুহেলির কাছে যেয়ে পিছনে থেকে কুহেলি কে ঝাপটে ধরলো আর থুতনি রাখলো ওর কাঁধে আবরারের আচমকা এহেন কান্ড কুহেলির হাত থেকে গেলো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে গেলো। হৃদস্পন্দন অত্যাধিক পরিমানে কাঁপতে লাগলো।কম্পন ছড়ালো পুরো বদনের শিরা উপশিরায়। নিশ্বাস নিতে যেনো ভুলে গেছে।লজ্জায় একাকার অবস্থা। আবরার ফিসফিস করে হাস্কি কন্ঠে গাইতে শুরু করলো,
Maine Tere Liye Chhora Hai Jamana
Jara Tera Irada Toh Bataaa
Aisey Nazaren
Mujh Se Chura Na
Jara Tera
Irada Toh Bataaa
Chhora Hai Mujhpe
Tera Hi Nasha
Kambakht Dil Ye
Kahan ja Fasaa
Main Teri Deewani
Tu Mara Deewana
Samajh Li Nazar ko
~Ishara~
আবরার গান টা ফিসফিসেয় বললেও কুহেরির কাছে মিষ্টি লাগলো কন্ঠ টা। তবে আবরার এভাবে ধরে থাকায় তেমন প্রতিক্রিয়া করলো সেই ভাবেই দাঁড়িয়ে রইলো। আবরার এবার কুহেলির ঘাটে থেকে চুল সরিয়ে ছোট ছোট চুম্বন দিয়ে ভরিয়ে দিতে থাকে সাথে সাথে কুহেলির ছোট্ট বদনের কম্পনি আরো বাড়ে পুরো বদন অবশ হয়ে আসছে। নিজেকে সামলাতে সামনের জামা খামছে ধরে বহু কষ্টে মিনমিন করে বলে, আ… আপনি না দুপুরে বাড়ি আসবেন না বললে..!?
আবরার এক টানে কুহেলি কে নিজের দিকে ঘুরায় সাথে সাথে কুহেলির হাত থেকে হেয়ার ড্রায়ার খানা পড়ে যায় মেঝেতে আর কুহেলির মুখের উপরে কিছু চুল পড়ে আবরার এক হাত দিয়ে কুহেলির কোমড় শক্ত করে ধরে আরেক হাত দিয়ে ওর মুখে পড়া চুলগুলো কানের গুঁজে দিতে দিতে বললো, তোমার সাথে রুমাঞ্চ করতে মন চাইলো তাই তো মিটিং ক্যান্সেল করে চলে আসলাম..!
আবরারের কথা শুনে কুহেলি লজ্জা নেতিয়ে পড়ে কুহেলি কে এরকম লজ্জা পেতে দেখে আবরার কুহেলির দুই গালে শব্দ করে চুমু খেয়ে বলে,
এভাবে লজ্জা পাচ্ছো যেনো তুমি আমার সাথে রুমাঞ্চ করিনি।আর আমি তো তোমার শরীরের প্রতি টা জায়গা দেখেছি, সব থেকে ভালো লেগেছে তোমার নাভির দুই ইঞ্চি নিচে গণ কালো তিল খানা।
আবরারের কথা শুনে এবার কুহেলির মন চাচ্ছে ফ্লোর ফাঁকা করে একদম নিচে পড়ে যেতে। কান দিয়ে গরম ধোয়া বের হচ্ছে মাথা একদম নিচের দিকে করে রেখেছে।
আবরার এবার কিছু টা গম্ভীর কন্ঠে বললো, তোমার বেস্ট ফ্রেন্ড কে তুমি বাড়ি তে আনবে এক বারো তো বললে না..!
কুহেলি এবার কিছু টা নড়েচড়ে দাঁড়ালো তারপর নিচু কন্ঠে বললো, আসলে ও আসতে চাইছিলো তাই নিয়ে আসতে বাধ্য হয়ছি আপনি না চাইলে আর বাড়ি তে নিয়ে আসবো।
কুহেলি কথা গুলো বলছে মাথা নিচের দিকে দিয়ে আবার কুহেলির থুতনি ধরে মাথা উপরের তুললো কুহেলি আবরারের দিকে তাকালো লাল টকটকে চোখের মনির দিকে তাকিয়ে থমকে গেলো কেমন আকৃষ্ট করে চোখের মনি গুলো।
আবরার বললো, তুমি নিয়ে আসবে তোমার ফ্রেন্ড কে আমি তা নিয়ে কিছু বলবো না তবে একটা কথা মনে রেখো তোমার জন্য আমি ব্যতিত পৃথিবীর সব ছেলে হারাম। কোনো ছেলের সাথে কথা বলা তো দূরে থাক তাকাবেও না। যদি বেশি তাকাতে মন চাই আমার দিকে তাকিয়ে থাকবে বুঝছো..!
কুহেলি মাথা উপর নিচ করে সম্মতি জানালো। তারপর একটু ইতস্তত করে বললো, আপনি সত্যি মিটিং ছেড়ে এসেছেন..?
আবরার বললো, হু
কুহেলি বললো, কতো টাকার ডিল ছিলো?
আবরার নিজের হাত দিয়ে কুহেলির ঠোঁটে স্লাইড করতে করতে বললো, বেশি না মাত্র পনেরো কোটি টাকার।
কুহেলি খানিক টা চিৎকার করে বললো, কিহ্..!
চলবে....!
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৫
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৮+স্পেশাল
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড গল্পের লিংক
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৬
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৯
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৬