মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
পর্ব_৮
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
ভোরের আলোটা জানালার পর্দা ভেদ করে আসতেই কুহেলির চোখ ধীরে ধীরে খুলে গেল।
মুহূর্তের জন্য সে বুঝতেই পারলো না কোথায় আছে তারপর পাশে চোখ যেতেই নিঃশব্দে জমে গেল সমস্ত অনুভূতি।
আবরার একদম শান্ত মুখে ঘুমাচ্ছে।এমন যেন পৃথিবীর কোনো অশান্তি কোনো অপরাধ তার ঘুমে হানা দিতে পারে না।গতরাতের ভয়াবহ মুহূর্তগুলোর কথা হঠাৎ করে মনে পড়তেই ধারালো ছুরির মতো বুক বিদ্ধ করছে কুহেলির বুকের ভিতরে।
কুহেলি তাকিয়ে রইলো আবরারের দিকে আর মনে মনে ভাবলো এই লোক টা তার জীবন শেষ করে দিয়ে কিভাবে এমন নিশ্চিন্ত ঘুম!কুহেলির বুকটা হঠাৎ ভারী হয়ে উঠলো।
তারপর কুহেলি সব ভাবনা এক সাইটে রেখে চেষ্টা করলো উঠে বসতে।শরীরের প্রতিটি পেশিতে ব্যথা ছড়িয়ে আছে তবু ব্যথা উপেক্ষা করে উঠার চেষ্টা করতে লাগলো কিন্তু যতই চেষ্টা করলো, ততই শরীরটা যেন তার নিজের নয় মনে হলো।
অসহায় হয়ে অবশেষে সে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।
চোখের পানি গড়িয়ে পড়লো বালিশে।
ঘুমের ঘোরে আবরার কপাল কুঁচকালো তারপর আধো চোখ খোলে গম্ভীর গলায় বললো, হুয়াই আর ইউ ক্রাইয়িং সো আরলি ইন দা মর্নিং?
কুহেলি আবরারের দিকে তাকাতে পারলো না বরং আরো জোরে কাঁদতে লাগলো, যেন বুকের ভেতরের সব ক্ষোভ, যন্ত্রণা, অপমান চোখের পানিতে ধুয়ে ফেলতে চায়।
আবরার এবার বিরক্ত হয়ে উঠে বসল।
তার চোখে ঘুমের ভার, মুখে বিরক্তি এবার কঠোর গলায় বললো,স্টপ ইউর ননসেন্স ক্রাইয়িং।
আবরারের এরকম কন্ঠে শুনারা সাথে সাথেই কুহেলি চুপ হয়ে গেলো কিন্তু চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে থাকে নীরবে আবরার তা খেয়াল করলো মুহূর্তের মধ্যে ওর বুকের ভেতর যেন এক অদ্ভুত ভার জমে গেছে। কুহেলির চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে নীরব অথচ তীব্র তা ভালো লাগলো না আবরারের…!
তাই আবরার ধীরে বললো,কী হয়েছে? এমন কাঁদছো কেন, কুহেলি?
কুহেলি আবরারের দিকে তাকালো না কাঁপা গলায় বললো,আমার শরীরটার দিকে তাকিয়ে দেখেন পুরো শরীর জুরে ক্ষত বিক্ষত করেছেন আপনি
আমি এখন দাঁড়াতেও পারছি না আমি এখন কীভাবে গোসল করবো বলুন..!
আবরার খেয়াল করলো কুহেলি ওর দিকে তাকাচ্ছে না এতে রাগ হলো আবরার হাত বাড়িয়ে কুহেলি কে এক টানে নিজের বুকের মতো এনে শক্ত করে জরিয়ে ধরলো এতো টাই শক্ত করে ধরেছে যেনো হাড্ডি ভেঙে যাবে ওর। তারপর আবরার বললো, আমার দিকে তাকিয়ে কথা বলবে সব সময় কুহু পাখি নয়তো তোমার এমন অবস্থা করবো যে জ্ঞান হারিয়ে বিছানায় পড়ে থাকবে এক মাস।
তারপর আবরার কুহেলির গলার ক্ষত স্থানে হাত বুলাতে থাকে এতে কুহেলির ছোট্ট দেহ খানা বারংবার কেঁপে উঠে চোখ বন্ধ করে দাঁতে দাঁত চেপে বলে আপনি একটা জানোয়ার নিষ্ঠুর মানুষ যার কোনো মায়া দয়া নেই আমাকে এভাবে কষ্ট দিয়ে আপনি কি পাচ্ছেন..? কেনো কষ্ট দিচ্ছেন..? আমি আপনার কি ক্ষতি করেছি বলুন…!
আবরার কুহেলির কথার কোনো উত্তর দেয় না বরং নিজে উঠে বসে তারপর কুহেলি কে কোলে তোলে নেয় কুহেলি ভারসাম্য সামলাতে না পেরে আবরারের গলা জরিয়ে ধরে কুহেলি ভাবতে পারি নি আবরার এরকম কিছু করবে…! আবরার কুহেলি কে নিয়ে ওয়াশরুমের দিকে পা বাড়ায়..!
সকাল ১০:৩০ মিনিট
আবরার বেডের পাশে হেলান দিয়ে কি যেনো করছে ল্যাপটপে আর কুহেলি চুপচাপ বসে আছে বেডের আরেক পাশে একটা কথা বার বার বলতে চাচ্ছে কিন্তু আবরারের রাগ সম্পর্কে ওর ধারণা আছে যদি রেগে যায় আবার তখন..! তবুও অনেক সাহস নিয়ে কুহেলি মিনমিনিয়ে বললো, আপনাকে একটা কথা বলার ছিলো..! আবরার ল্যাপটপে চোখ রেখেই গম্ভীর কন্ঠে বললো, বলো কুহেলি আমতা আমতা করে বললো, আমাকে প্লিজ আজকে বাড়িতে নিয়ে যাবে..? সত্যি বলছি আপনার সাথে যাবো আবার আপনার সাথেই চলে আসবো।
আবরার এবার ল্যাপটপ পাশে ছোট্ট টে–টেবিলে রেখে কুহেলির দিকে তীক্ষ্ণ ভাবে তাকিয়ে বললো, কালকেই তো নিয়ে আসলাম আর আজকেই বাড়ি যেতে মন চাচ্ছে কেনো..? আর তুমি কিভাবে ভাবলে আমি আজেই তোমাকে বাড়ি নিয়ে যাবো..?
আবরারের কথাই কুহেলির খারাপ লাগে তবুও হাল ছাড়ে না বরং নিজেকে সামলে মাথা নিচু করে মিনমিন করে বলে আব্বু কে অনেক দেখতে মন চাচ্ছে নিয়ে যান প্লিজ আমি কথা দিচ্ছি এরপর থেকে আপনি যা বলবেন আমি তাই করবো। আবরারের কুহেলির কথা শুনে সেই চিরচেনা ভয়ংকর স্নান হেসে বললো, আমি যা বলবো তাই করবে..? কুহেলি মাথা ঝাকালো বাচ্চা দের মতো মানে করবে।
আবরার হঠাৎ কুহেলি কে নিজের কোলে বসালো তারপর ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে ওর কানে প্রথমে আলতো করে চুমু দেয় পরক্ষনেই কানে কামড় বসিয়ে দিলো কুহেলি ব্যথায় চোখ মুখ খিঁচকে বন্ধ করে নিলো কিছু ক্ষণ পর আবরার ওর কান ছেড়ে দিয়ে হাস্কি ফিসফিসিয়ে বললো, আমার রাতে তোমাকে চাই আর তোমাকেও আমাকে হতে হবে আমার কাজে রেসপন্স করতে হবে যদি রাজি থাকো তাহলে নিয়ে যাবো। কুহেলি বললো, আমি রাজি আবরার স্নাহ হাসলো তারপর কুহেলি কে কোলে থেকে নামিয়ে বললো চলো তাহলে…!
তারপর বিছানায় থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বললো, চলো তাহলে..! আবরার আগে আগে আর কুহেলি পিছনে পিছনে হাটতে লাগলো। নিচে আসতেই ফেটিক্সের সাথে দেখা হলো ফেটিক্স বললো, স্যার আপনার সাথে কিছু কথা ছিলো আবরার একবার কুহেলির দিকে তাকালো তারপর বললো, এখন না ফেটিক্স একটা কাজে যাচ্ছি এসে শুনবো। আর হ্যাঁ এখন বডিগার্ড নিবো না। ফেটিক্স বলল, কি স্যার যদি কোনো বিপদ হয়…!
আবরার বললো ভিন্ন গাড়ি দিয়ে যাবো আর আমার চেহার কয় জন দেখেছে শুধু আমার নাম শুনেছে। ফেটিক্স বললো, আচ্ছা স্যার। আবরার দাঁড়ালো না বাড়ির বাহিরে হাটা ধরলো পিছনে পিছনে কুহেলি গেলো…!
~~
গাড়ি চলতে থাকে আপন মনে জঙ্গলের সরু রাস্তা পেরিয়ে বড় রাস্তায় উঠতেই কুহেলি দীর্ঘশ্বাস ফেললো, আবরার তা খেয়াল করে বললো কি ব্যাপার এমন ভাবে নিঃস্বাস নিচ্ছো যেনো জেল থেকে বের হলে…? লেখিকার পেইজের:তাসনিম তালুকদার বুশরা। কুহেলি একটু ঘাবড়ে যেয়ে বললো না তেমন কিছু না…! আবরার আর কোনো কথা না বারিয়ে নিজের মতো গাড়ি চালাতে থাকে। প্রায় দশ মিনিট পর কোথায় থেকে যেনো দশটার মতো গাড়ি এসে আবরারের গাড়ি ঘিরে ধরে…!
আবরারের মনে প্রথমবারের মতো এক অজানা ঘাবড়ে যাওয়ার অনুভূতি জাগলো কারণ কুহেলি তার সঙ্গে আছে। সে কুহেলির দিকে তাকাল। কিন্তু অবাক হওয়ার জায়গায়, কুহেলির মুখে কোনো ভয়, কোনো আতঙ্ক নেই। চোখগুলো যেন সমস্ত রহস্য জানে, সমস্ত অজানা ঘটনাকে ঘটবে ও তা জানে…!
হঠাৎ কুহেলি কোনো শব্দ না করে গাড়ির দরজা খুলে বেরিয়ে যায়।আবরার হতবাক হয়ে রইল। নিজের ঘাবড়ে যাওয়া মনের তাড়নায় সে হঠাৎ নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করল। ধীরে ধীরে গাড়ি থেকে বেরি হলো তখনি দেখলো এক জন পুরুষ গাড়ি থেকে নামছে কালো পাঞ্জাবী পড়া কালো ঘড়ি আর মুখ সেমাগা আর কালো চশমা চোখে। কুহেলি দৌড়ে যেয়ে ছেলেটার হাত শক্ত করে ধরলো। এতে আবরারের রাগ মাথায় উঠে গেলো আবরার যখনি এগোতে নিবো তখনি লোক টা বডিগার্ড দের কে ইশারা করতেই পাঁচ জন বডিগার্ড আবরার কে শক্ত করে ধরলো…!
এতে আবরারের রাগ এবার তরতরিয়ে উঠলো। তার চোখ লাল, গলার রগ ফুলে উঠেছে বুকের ভেতর আগুনের ঢেউ উঠছে একের পর এক। সে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কুহেলির দিকে আর তার পাশের সেই অপরিচিত ছেলেটার দিকে।
কুহেলি কিন্তু শান্ত। তার চোখে কোনো ভয় নেই, বরং এক অদ্ভুত আত্মবিশ্বাস এক মুক্তির আলো। ছেলেটার হাতটা আলতো করে ছেড়ে দিয়ে সে ধীরে আবরারের দিকে মুখ ঘুরালো। মুখে এক হালকা তিক্ত হাসি।
অনেক খারাপ জিনিস করেছেন আপনি আমার সাথে,কুহেলির কণ্ঠটা ঠাণ্ডা, কিন্তু আর না আপনার মতো সাইকোর সাথে আমি আর থাকবো না আর না আমি বন্ধু হয়ে থাকতে চাই আমি মুক্ত হয়ে থাকতে চাই খোলা আকাশে উঠতে চাই কিন্তু আপনার সাথে থাকলে তা সম্ভব নয়…!
তারপর ছেলে টা দিকে তাকিয়ে বললো ওনি আমার সুপারম্যানের আর আমি ওনার সাথেই যাবো…!
আবরার রাগি কন্ঠে গর্জে উঠে বললো, শালি ছেড়ে দে ওর হাত আমি তকে এক বার পাই তারপর তোর এমন অবস্থা করবো তুই কল্পনাও করতে পারবি না আমার সম্পর্কে তোর ধারণা নেই আমি কতো টা ভয়ংকর। কুহেলি এবার কিছু টা ঘাবড়ে যেয়ে ছেলে টার হাত আরো শক্ত করে ধরলো..!
ছেলে টা আবরারের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললো, তাকরিম শেখের সাথে যতো দিন আছে তার সাদা কেশপরি তত দিন কেউ তাকে ছুঁতে পারবে না। তারপর বডিগার্ড কে ইশারা করে কুহেলি কে গাড়ি তে উঠিয়ে নিজেও উঠে চলে যায়।
আবরার নিজের সর্বশক্তি দিয়ে বডিগার্ড পাঁচ জন কে পাঁচ দিকে ছুড়ে মারে তারপর গাড়ির দিকে যায় বন্দুক নেওয়ার জন্য কিছু তার আগেই একটা গুলির শব্দ আসে…….!
চলবে......!
আচ্ছা গুলি টা কে করলো আর কার লাগলো বলুন তো…?!😒
মাইটক্সিকহাসব্যান্ড
স্পেশাল_পর্ব
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
একটা বডিগার্ড আবরারের পায়ে গুলি করে সাথে সাথেই আবরার মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বডিগার্ড গুলো আর দাঁড়ায় না আবরার কে পড়তে দেখেই গাড়ি নিয়ে চলে যায় আর আবরার মাটি পড়ে থাকে তবে রাগে শরীর কাপঁতে কাঁপতে বলে ছাড়বৈ না আমি তোদের দুই জন কে।
অন্যদিকে….!
কুহেলি পাগলের মতো হাসতে থাকে গাড়িতে কারণ ওর করা প্লেন সাকসেসফুল হয়েছে।আসলে কুহেলি এসেছিলো একটা উদ্দেশ্য নিয়ে আর সেই উদ্দেশ্য হলো আবরার কে শেষ করা তবে তা বাংলাদেশ নয় আইসল্যান্ডের তাই আবরার কে এতো টা কাছে পেয়েও শেষ করলো না।
কুহেলি হাসতে হাসতে বললো, আমি পেরেছি তাকরিম আমি পেরেছি ঐ মাফিক কিং আবরার কে কাবু করতে পেরেছি…! তাকরিম একটু চিন্তত হয়ে বললো, কিন্তু আমরা যদি এক আইসল্যান্ডেরে চলে যায় তাহলে আমাদের কে খুঁজে পাবে কি করে..? কুহেলি নিজের হাত খানা তাকরিমের সামনে ধরে বললো এখানে GPS লাগানো আবরার দিয়েছিলো আর এটাই আবরার কে আমার কাছে পৌঁছাতে হেল্প করবে।এখন এয়ারপোর্টের কাছে কোনো হোটেলে উঠবো তারপর যখনি খবর পাবো আবরার তার লোক নিয়ে আসছে তখনি আমরা বিমানে উঠবো আর আবরার অবশ্যই বিমানের অপেক্ষা করবে না নিজের প্রাইভেট জেট দিয়ে আমার পিছো নিবে..!
তাকরিম বলে তর বুদ্ধির প্রশংসা করতে হয় রে। কুহেলি বললো তা তুমি করতেই পারো তাকরিম ভাই আমি কিছু মনে করবো না। তাকরিম বলে ভাই বলিস না কলিজায় লাগে দুই দিন পর তর আর আমার বিয়ে..! কুহেলি বাকা হেসে বলে তা তো হবেই তাতে কি..? তুমি আমার ভাইয়াই লাগো। তাকরিম বললো, কি কপাল আমার নিজের হবু বউয়ের মুখ থেকে ভাই ডাক শুনছি।
কুহেলি শুধু হাসলো আর কিছু বলে না….!
~~
আবরার বসে আছে গাড়িতে আর একজন ডাক্তার কাঁপা হাতে ওর ব্যান্ডেজ করে দিচ্ছে। আর ফেটিক্স মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে গাড়ির বাহিরে। ডাক্তার ব্যান্ডেজ করা শেষে কাঁপা কন্ঠে বললো স্যার শেষ। কিন্তু আপনার কিছু দিন রেস্ট নেওয়া দরকার….!
আবরার সাথে সাথে ডাক্তারের কলার শক্ত করে ধরে রাগি কন্ঠে বললো, শালা আমি কি তর কাছে শুনতে চেয়েছি আমি কি করবো না করবো তকে ব্যান্ডেজ করতে এনেছি করা শেষ হলে চলে যা।
ফেটিক্স এসে কোনো রকম ডাক্তার করে ছাড়িয়ে একজন বডিগার্ড কে ইশারা করে সাথে সাথে বডিগার্ড ডাক্তার কে নিয়ে যায়।
আবরার জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে থাকে কোনো ভাবেই রাগ কন্ট্রোল করতে পারছে না একটা ছেলে এসে ওর ওয়াইফ কে নিয়ে গেলো ছিঃ অথচ মানুষ কাটা কাটি করা ওর পা হাতের খেল…!
আবরার কে এতো রাগতে এর আগে কখনোই দেখি নি ফেটিক্স তবুও সাহস নিয়ে বললো, স্যার আপনি শান্ত হন। ঐ লোক ম্যাডাম কে নিয়ে যেখানেই যাক ধরা পড়তেই হবে….!
আবরার গর্জে উঠে বললো আমার চোখের সামনে থেকে নিয়ে গেলো আমার বউ কে আমি কি করে মানবো আর কি করে শান্ত হবো..! যে পর্যন্ত না ঐ ছেলে কে আমি মেরে না ফেলি সেই পর্যন্ত আমি শান্তি পাবো না…!
পরক্ষনেই আবরার বাকা হেসে ফোন বের করে কুহেলির হাতের আংকির মাধ্যমে লোকেশন বের করে। আবরার শান্ত কিন্তু গম্ভীর কন্ঠে বলে গাড়ি ছাড়ো। ফেটিক্স বলে কোথায় যাবো স্যার আমরা..? আবরার বলে আপাতত এয়ারপোর্টে যাবে। ফেটিক্স আবরারের কথার আগমাথা কিচ্ছু বুঝে না তবে একটা বিষয় বুঝে আবরার হঠাৎ শান্ত হয়েছে মানে সামনে ভয়ংক কিছু হতে চলেছে তবে আর কোনো প্রশ্ন করার সাহস পাই না গাড়িতে উঠে স্টার্ট দেয় গাড়ি।
আবরার বাকা হেসে ফিসফিসে বলে আমার থেকে পালানোর জন্য তোমাকে শাস্তি পেতে হবে পাখি অনেক বড় শাস্তি…..!
চলবে.....!
এই গল্পের প্রতিটা পর্বে নতুন নতুন জিনিস জানতে পারবেন। এতে অনেকের কাছে ভালো নাও লাগতে পারে তাতে আমার করার কিছু নেই।আর নায়ক নায়কা নিয়ে যারা চিন্তিত তাদের কে বলি নায়ক নায়কার অবশ্যই মিল হবে কারণ এটা Happy Ending ভেবেই লেখা শুরু করছি। আর যারা বলছেন এটা কোন গল্পের কপি তাদেরকে বলি আমি ঐ গল্প টা পড়লাম তবে পুরো টা না এতো সময় নেই অনেক বড় গল্প মাঝখানে মাঝখানে পড়লাম ঐটা তে নায়কা স্ট্রং পার্সোনালিটি না বাট এটাই তে নায়কা পার্সোনালিটি ভিন্ন শুধু কিছু কারণে নায়কা ন্যাকামো করেছে। আপনারা যারা গল্প পুরো টা না পড়ে কপি বলছেন তাদেরকে বলি পুরো গল্প টা পড়ুন আশা করি কোনো দিক দিয়ে মিল পাবেন না…..!
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১০
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৭
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৬
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৯
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড গল্পের লিংক
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৫
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৩