[১৮+এলার্ট🚫]
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
পর্ব_৭
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
রাত ঘনিয়ে এসেছে। বাড়ির টার চারপাশের জঙ্গল এখন অচেনা অন্ধকারে ডুবে আছে কোথাও হালকা কুয়াশা কোথাও মাটির স্যাঁতস্যাঁতে গন্ধে বাতাস ভারী।
আবরার ধীরে ধীরে রুম থেকে বেরিয়ে এল। মুখে কোনো অভিব্যক্তি নেই শুধু ঠোঁটের কোণে কঠিন এক স্থিরতা।নিচে নেমে আসতেই ফেটিক্স তড়িঘড়ি এগিয়ে এসে বললো স্যার আজকেই কি মন্ত্রী আর তার সাথে চেলা-ফেলাদের শেষ করে ফেলবেন?
আবরার এক মুহূর্ত থামল, চোখের কোণে ঝলসে উঠল লালচে রক্তিম আলো।একটি ছোট্ট, তীক্ষ্ণ উত্তর হুঁ।
তারপর আর কিছু না বলে গটগট করে বেরিয়ে গেল বাড়ি থেকে ফেটিক্সও পিছন পিছন চলল মাথা নিচু করে, যেন জানে সামনে যা ঘটতে যাচ্ছে তা কোনো সাধারণ রাত নয়।
বাইরে বাতাস ভারী রাতের বুক চিরে তাদের পা পড়ছে শক্ত মাটিতে।দূরে গোডাউন আরও গভীর জঙ্গলের ভিতরে, যেখানে গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায় না।তারা হেঁটে যাচ্ছে হাতে টর্চলাইট পায়ের শব্দে পাতার মচমচে আওয়াজ।
জঙ্গলের নিস্তব্ধতা ভেদ করে মাঝে মাঝে শোনা যায় কোনো বন্য প্রাণীর ডাক দূরে এক পেঁচার হু হু আওয়াজ, কাছের ঝোপে হালকা নড়াচড়া, যেন কেউ বা কিছু লুকিয়ে আছে।আবরার সামনের দিকে হাঁটছে, আর তার পেছনে ফেটিক্স।আরও পেছনে, এক সারিতে প্রায় একশোর মতো বডিগার্ড সবাই কালো পোশাকে, হাতে বন্দুক চোখে সতর্ক দৃষ্টি।
চাঁদের আলো পাতার ফাঁক দিয়ে পড়ছে আবরারের মুখে তার লাল টকটকে চোখের মনি তীক্ষ্ণভাবে জ্বলে উঠছে, যেন সেই চোখে প্রতিশোধের আগুন লুকানো।যে চোখ একবার তাকালে মানুষ শিউরে ওঠে, ভয় পায়, আর বুঝে যায় আজ রাতটা কারো জন্যই শুভ নয়।
চারপাশে নিস্তব্ধতা শুধু বাতাসের হাহাকার আর আবরারের বুটের শব্দ।
প্রায় আধা ঘণ্টা হেঁটে অবশেষে তারা পৌঁছাল সেই পুরোনো গোডাউনের সামনে।জঙ্গলের বুক চিরে হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে আছে অদ্ভুত এক স্থাপনা দোতলা ইটের বাড়ি পুরো শরীর জুড়ে শ্যাওলা আর বুনো লতা-পাতা পেঁচানো।দূর থেকে দেখলে মনে হয় কোনো প্রাচীন দৈত্যের শরীরে সাপ লেপ্টে আছে।চারপাশে নিস্তব্ধতা এমন যে নিজের শ্বাসের শব্দও ভয় ধরিয়ে দেয়।
ফেটিক্স ও বডিগার্ডরা থেমে গেল, কিন্তু আবরার থামল না।আবরার নির্ভীক পদক্ষেপে এগিয়ে গেল গেট ঠেলে সোজা ভিতরে।গোডাউনের ভারী লোহার দরজা কঁকিয়ে খুলল, আর সেই শব্দে বাতাস কেঁপে উঠল যেন কোনো অভিশপ্ত ঘুম ভেঙে গেল।
ভিতরে ঢুকতেই চিৎকার বেদনার, আতঙ্কের, মৃত্যুভয়ের।মন্ত্রী এবং তার চেলা-ফেলারা একসাথে আর্তনাদ করছে।
দশজন লোক দশটি আলাদা স্টিলের চিকন বেডে শোয়ানো।তাদের হাত-পা বাঁধা কিন্তু মুখ খোলা..!
প্রতিটি বেডের মাথার কাছে এক অদ্ভুত যন্ত্র বসানো ঘুরানোর মতো।একবার ঘোরালে পুরো মাথাটাই ঘুরে যাবে, ঠিক যেভাবে পুতুলের ঘাড় ঘোরে।
আবরার ধীরে ধীরে তাদের সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
পায়ের শব্দ ধাতব মেঝেতে ঠকঠক করে বাজছে, প্রত্যেকটা ধ্বনি যেন মৃত্যুর ঘোষণা।
মন্ত্রী তাকালো ওর দিকে, চোখে আতঙ্কের ছায়া, ঠোঁট কাঁপছে কিন্তু শব্দ বেরোয় না।আবরার হঠাৎ থামল, ঠিক তার সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
তার মুখে তখন এক ভয়ংকর শান্তি একটা স্নান, নির্মম, ভেতর থেকে জমে থাকা হাসি ছড়িয়ে দিল সে।কেমন আছেন, মাননীয় মন্ত্রী সাহেব?তার কণ্ঠটা গভীর, নিচু, কিন্তু প্রতিটি শব্দে কাঁপছে ঠান্ডা প্রতিশোধের আগুন।
মন্ত্রীর চোখে তখন ভয়, হতাশা, আর মৃত্যুর ছায়া।
তার দেহ কাঁপছে, ঠোঁট শুকিয়ে গেছে, কণ্ঠ যেন কাঁটার মতো কাঁপছে,আ… আবরার… আমাকে ছেড়ে দেন সে কোনোরকমে শব্দগুলো গিলে গিলে বলল,আমি আর কখনোই আপনার কাজে বাঁধা দিবো না। আপনি যা বলবেন আমি তাই করবো।
প্রয়োজন হলে আমি আর আমার লোকেরা সারাজীবন আপনার গোলাম হয়ে থাকব, কিন্তু দয়া করে আমাদের ছেড়ে দাও।আমার… আমার বাড়িতে একটা মেয়ে আছে সে আমার জন্য অপেক্ষা করছে যেতে দাও আমাকে দয়া করে।
শেষের কথাগুলো বলতে বলতেই তার চোখ ভিজে উঠল।মৃত্যুর ভয় যখন হৃদয়ে গেঁথে বসে, তখন মানুষ আর ক্ষমতার কথা ভাবে না শুধু বাঁচতে চায়।মন্ত্রীর ক্ষেত্রেও তাই হলো..!
আবরার কিছুক্ষণ নিরব দাঁড়িয়ে রইল।
তার মুখের ছায়ায় তখন এমন এক অদ্ভুত শান্তি,
যেটা কেবল ভয়ংকর মানুষদের মধ্যেই দেখা যায়।
পরক্ষণেই আবরার হু হু করে হেসে উঠল।
গোডাউনের দেয়াল লোহার বিম এমনকি মাথার ওপরের মরচে ধরা পাখাও কেঁপে উঠল তার হাসির প্রতিধ্বনিতে।হাসিটা এমন ছিল, যেন কোনো মৃত আত্মা জীবিত হয়ে উঠে আনন্দে চিৎকার করছে।
মন্ত্রী চোখ বন্ধ করে ফেলল ভয় আর অনুশোচনায় তার গলা শুকিয়ে গেছে।
আবরার ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল তার দিকে,
চোখে এক ধরনের নির্মম দীপ্তি আর ঠোঁটে হালকা কৌতুকের ছাপ।
হঠাৎই সে মন্ত্রীর গলা শক্ত করে চেপে ধরল এত জোরে যে, মন্ত্রীর শিরাগুলো টানটান হয়ে উঠল।
দাঁতে দাঁত চেপে আবরার গর্জে উঠল,
কণ্ঠে আগুনের মতো রাগ,আমার কাজে বাঁধা দিস এতো বড়ো সাহস তোর?মন্ত্রীর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে, মুখটা নীলচে হয়ে উঠছে।আবরারের মুখ তখন একেবারে কাছে, চোখে ঠান্ডা মৃত্যু ঝিকমিক করছে আগে জানতি না আমি কতটা ভয়ংকর?
আবরার ফিসফিস করে বলল,আমার ডিকশনারিতে ক্ষমা নামে কোনো শব্দ নেই
আর তুইও আজ কোনো ক্ষমা পাবি না।
ততক্ষনে মন্ত্রীর মুখ লাল হয়ে গেছে আবরার তা দেখে মন্ত্রী কে ছেড়ে দেয় তারপর বলে না তকে তো আমি কুপিয়ে মারবো এভাবে না কথা টা বলেই দরজার দিকে তাকায় দরজার কাছে ফেটিক্স আর বডিগার্ডরা দাঁড়িয়ে আছে আবরার তাকানোর সাথে সাথেই ফেটিক্স কুড়াল নিয়ে আসে। আবরার কুড়াল খানা হাতে নেওয়ার সাথে সাথেই মন্ত্রী সহ বাকিরা ভয়ে কাঁপতে থাকে।
আবরার কুড়াল নিয়ে তাকায় মন্ত্রীর দিকে তারপর চিরচেনা পৈশাচিক হাসি দিয়ে বলে তর বউ আর বাচ্চার যদি খাবারের অভাব হয় তাহলে আমি আমার পতিতালয় নিয়ে রাখবো নি..! কি বলিস..? এবার মন্ত্রীর গর্জে উঠে বলে আমার বউ বাচ্চা নিয়ে একদম আজেবাজে কথা বলবি না শালা আবরারের রাগ টা মাথায় চড়ে বসে তারপর বলে তর বউ কে আমি পতিতালয় রাখবো দেখি তুই কোন বাল করতে পারিস শালা বাইন* ফাক
কথা টা শেষ করে আর এক মুহূর্ত দেরি করে না এক কুপ দিয়ে মন্ত্রীর দেহ থেকে মাথা খানা আলাদা করে ফেলে এই দৃশ্য দেখে বাকি নয় জন ভয়ে চিৎকার করে উঠে আবরার তা দেখে যেনো মজা পাই…! তারপর একে একে বাকি দের মাথা কেটে ফেলে। এতো গুলো মাথা কাঁটার ফলস্বরূপ আবরারের মুখ থেকে শুরু করে পুরো দেখে রক্তে ভরে যায়..! শরীরে একটু অংশ বাকি নেই যেখানে রক্ত লাগে নি পুরো লাল টকটকে লাগছে ওকে।
আবরারের মুখে তৃপ্তির হাসি যেনো বিশ্ব জয় করেছে ফেলেছে…! তারপর নিজের শরীর থেকে রক্তের গুলোর ঘ্রাণ নিতে থাকে যেনো তৃপ্তি পাচ্ছে। তারপর কুড়াল খানা ফেটিক্সের হাতে দিয়ে বলে ওদের প্রত্যেকের দেহ কেটে কুচু কুচু করে আমার কুত্তা দিয়ে খাওয়াবে। ফেটিক্স বলে জ্বি স্যার।
তারপর আবরার একজন বডিগার্ড কে বলে আর নয় টা মাথা নিয়ে আসো আমার পিছনে পিছনে..! বডিগার্ড আমতা আমতা করে বললো, কিন্তু স্যার মাথা তো দশ টা…! আবরার ভয়ংকর হাসি দিয়ে মন্ত্রীর কাটা মাথার খানা চুলে ধরে নিয়ে হেটে যেতে যেতে বলে আমি মন্ত্রীর মাথা নিয়ে যাবো তাই নয় টা…!
গোডাউনের নীচতলায় ছিল এক দীর্ঘ অন্ধকার করিডর,যার দেয়ালে ঝুলছিল মরচে ধরা লণ্ঠন।
লণ্ঠনের আলো টিমটিম করছে,আর তার ছায়া পড়ে আছে দেয়ালের ফাটলে যেন সেখানে শত শত চোখ লুকিয়ে তাকিয়ে আছে।
আবরারের পায়ের শব্দ টক টক টক ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে সে।তার পিছনে তিন জন বডিগার্ড।
তাদের হাতে মাথা গুলো..!পুরনো লোহার দরজার সামনে এসে আবরার থামল।তার চোখে তখন এক অদ্ভুত দীপ্তি না ভয়, না ঘৃণা,বরং এমন এক নির্মম শান্তি যা কেবল রক্তের গন্ধে সন্তুষ্ট মানুষদের মধ্যেই দেখা যায়।
দরজাটা খুলতেই এক ঠান্ডা হাওয়া মুখে এসে লাগল।ভেতরে অন্ধকার শুধু এক কোণে হালকা হলুদ আলো জ্বলছে।সেই আলোয় দেখা গেল একটা বিশাল খাঁচা।খাঁচার ভেতর থেকে হঠাৎ গর্জন উঠল গর্জন নয়, যেন বজ্রের আওয়াজ!
একটা সিংহ, চোখে আগুন, দাঁতে রক্তের ছাপ।
ওর চোখ পড়তেই বডিগার্ড তিনজন একটু কেঁপে উঠল।
আবরার কিছুক্ষণ সিংহটার দিকে তাকিয়ে রইল।
তার ঠোঁটে ধীরে ধীরে এক বাকা, ভয়ংকর হাসি ফুটে উঠল।
তারপর এক নজরে বডিগার্ডদের দিকে তাকাল চোখের ইশারা মিলতেই বডিগার্ডরা নিঃশব্দে এগিয়ে গেল খাঁচার দিকে।তাদের হাতে থাকা মাথাগুলো এক এক করে ছুঁড়ে দিল তারা ভেতরে।
ঝপ ঝপ প্রথম মাথাটা পড়তেই সিংহটা এক ঝাঁপে সেটা ছিঁড়ে ফেলল,দ্বিতীয়টা নখে ধরে টেনে নিয়ে গেল কোণের দিকে।পুরো ঘর ভরে গেল রক্তের গন্ধে,আর সিংহের গর্জনে দেয়ালগুলো কেঁপে উঠল।
আবরার স্থির দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য দেখছে,যেন মৃত্যুর এক নিঃশব্দ নাটক চলছে তার সামনে।তার ঠোঁটের কোণে একরাশ সন্তুষ্টি,চোখে এক ভয়ংকর তৃপ্তি।একটু পর সে হাত তুলে ইশারা করল।
বডিগার্ডরা মাথা নত করে ধীরে ধীরে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।আবরার একা রইল খাঁচার সামনে।
সিংহটা তখনও গর্জন করছে,আবরার নিজের পকেট থেকে ছোট ছুরি বের করলো তারপর মন্ত্রীর মাথা থেকে চোখ দুটো বের করে সিংহের দিকে ছুরে মারলো সিংহ টা তা একবারেই খেয়ে ফেললো আবরার এবার জিহ্বা বের করে কেটে পুনরায় ছুরে মারলো হিংস দিকে সেটাও খেয়ে নিলো আবরার এবার পুরো মাথা টাই হিংসের ছুঁরে মারলো সিংহ তাও খেয়ে নিয়ে তারপর শান্ত হয়ে গেলো আবরার তা দেখে স্নাহ হেসে বললো, তোর পেটে যে আমার কতো শত্রু আছে তা শুধু আমি জানি যাইহোক আমি আজকে আসি আবার দেখা হবে..!
~~
রাত বারো টা..!
আবরার বাড়ি তে এসে মাত্র নিয়ে বের হলো,
শাওয়ারের ঠান্ডা জল যেন শরীরের ক্লান্তি মুছে দিয়েছে, কিন্তু মনে জমে থাকা অস্থিরতা এখনো কাটেনি।আজকে কেনো জানি অন্যরকম অস্থির লাগছে তা জানেনা।বিছানায় কুহেলি গভীর ঘুমে ডুবে আছে। মৃদু আলোয় তার মুখটা শান্ত, যেন কোনো শিশুর মতো নির্ভার।আবরার থেমে গেলো কিছুক্ষণ, চুপচাপ তাকিয়ে রইলো সেই মুখটার দিকে।মেয়েটাকে দেখলে তার মনে অদ্ভুত এক নেশা জাগে একটা টান, যেটা সে বোঝাতে পারে না।
ধীরে ধীরে বিছানার কুহেলির পাশে বসল আবরার তারপর একদম কাছে ঝুঁকে ওর ভিজে চুলগুলো ঝাঁকানি দিলো সাথে সাথে কুহেলির চমকে উঠলো
চোখ কুঁচকে নড়েচড়ে উঠলো চোখ খুলে দেখে আবরার একদম সামনে এতটা কাছে যে তার তপ্ত নিঃশ্বাস ছুঁয়ে যাচ্ছে কুহেলির মুখ।
মুহূর্তটা স্থির হয়ে গেলো।জলবিন্দু গড়িয়ে পড়লো কুহেলির গলায়, আর আবরারের দৃষ্টি আটকে রইলো সেই রেখাটায় শীতল জলের নিচে উষ্ণ অনুভবের এক অদ্ভুত খেলা শুরু হলো নীরবে।
আবরার এবার হাস্কি কন্ঠে বললো, কি আছে তোমার মাঝে ছোট্ট পাখি এতো কেনো আকর্ষণ করে আমাকে..? তোমার এই ছোট্ট দেহ খানা আমাকে টানে সব সময়…!
আবরারের এহেন কথাই কুহেলি লজ্জা পেলো কান দিয়ে যেনো গরম ধোয়া বের হচ্ছে। তবুও নিজেকে সামলে কাঁপা কন্ঠে বললো, আমাকে ছেড়ে দিন আপনি, আপনার ঐ অপবিত্র হাত দিয়ে আমাকে স্পর্শ করবেন না..! আমার ঘা ঘিন ঘিন করে উঠে ঘেন্না লাগে ঐ স্পর্শে।
আবরার কুহেলির কথাই ঠোঁট এলিয়ে হাসলো তারপর বললো, তুমি তো পবিত্র তা না..? তাহলে পবিত্র আর অপবিত্র মিলে না হয় এক নতুন অস্তিত্ব গড়ে উঠবে তাতে ক্ষতি কি মাই ফাকিং স্কোয়াব। বলেই আবরার ওর হাত খানা কুহেলির জামার নিচে দিয়ে ছোট্ট দেহ জোরে স্পর্শ করতে থাকে। কুহেলি আবরারের হাত খানা বের করতে চাই কিন্তু লাভ হয় না।
কুহেলি এবার ফিসফিস করে বলে আপনি একটা জানোয়ার যার কোনো মায়া দয়া নেই নিষ্ঠুর হৃদয়ের মানুষ আপনি। আপনাকে আমার খুন করতে ইচ্ছে করছে কথা খানা বলার সাথে সাথে কুহেলি কেঁপে উঠে কারণ আবরারের স্পর্শ আরো গাঢ় হয়। কুহেলির এহন কান্ঠে আবরার বাকা হেসে ওর দেহ জোরে আরো গাঢ় ভাবে স্পর্শ করতে করতে বললো, তোমার মতো একটা টেংরা মাছ আমাকে মারবে সিরিয়াসলি…?!
কুহেলি দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে নিজেকে সামলে বললো, আপনাকে আমি মারবো মিস্টার মাফিয়া কিং। আবরার ভয়ংকর স্নান হেসে বললো, আচ্ছা আমি অপেক্ষায় রইলাম সেই দিনের কথা বলেই আবরার ওর ঠোঁট জোরা আয়ত্বে নিলো আর হাত দিয়ে বেপরোয়া ভাবে স্পর্শ করতে থাকে।
কুহেলি নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে কিন্তু কোনো লাভ হয় না আবরারের বিশাল দেহের সামনে কুহেলি নিতান্তই একটা ছোট্ট পাখি..! তাই হাজার ছটফট করলেও নিজেকে ছাড়াতে পারে না অবশেষে আবরার পুরো মত্ত হয়ে যায় কুহেলি তে কতো কান্না কতো চিৎকার কিচ্ছু এই নিষ্ঠুর মানুষ টার কান পর্যন্ত পৌঁছে না সে নিজের মতো মত্ত হয় প্রায় আড়াই ঘন্টা যাবত এই পৈশাচিক অত্যাচার চালানোর পর কুহেলি কে ছেড়ে দিয়ে অন্য পাশ ঘুরে ঘুমিয়ে যায়। আর কুহেলির অবস্থা নাজেহাল যেনো কোনো ক্ষুদার্থ সিংহ কোনো অসহায় হরিণ কে ঘাবলে ঘাবলে খেয়েছে….! কুহেলি নিজের অবস্থা দেখে ডুকরে কেঁদে উঠে…!
চলবে.....!
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৫
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৯
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৫
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৬