মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
পর্ব_৬
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
আবরার ধীর পায়ে করিডর পেরিয়ে এগোতে লাগল। করিডরজুড়ে নরম আলো, কিন্তু তাতে অদ্ভুত এক ঠাণ্ডা ছায়া লেগে আছে।দেয়ালের পাশে মেয়েরা চুপচাপ তাকিয়ে আছে কেউ ভয় নিয়ে কেউবা একরকম কৌতূহলে তাদের দৃষ্টি যেন আবরারের প্রতিটি পদক্ষেপ গুনে রাখছে।
করিডরের শেষে একটা দরজা। দরজার ওপাশ থেকেই ভেসে আসছে এক নারীকণ্ঠ কখনো অনুনয় কখনো চিৎকার কখনো শুধুই কান্না।
আবরার দরজার সামনে এসে থামল। এক মুহূর্তের জন্য গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলল, তারপর দরজাটা ঠেলে খুলে ভেতরে ঢুকে গেল।রুমের ভেতরে বাতাস ভারী। জানালার পর্দা আধখোলা আলো পড়ে আছে এক নারীর মুখে। বয়স চল্লিশের কোঠায় চোখে লালচে ক্লান্তি, কিন্তু তবুও মুখে তীব্র এক প্রতিবাদের ছাপ সে বারবার একই কথা বলছে আমি আবরারের সঙ্গে কথা বলব আমাকে যেতে দাও তোমার আমি ওর সাথেই কথা বলব!
আবরার দরজার পাশে দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ, তারপর ঠাণ্ডা গম্ভীর কণ্ঠে বলল,কি সমস্যা আপনার?এভাবে চিৎকার করে পতিতালয় মাথায় তুলছেন কেন?এখনো কি ছেলেদের দরকার..? কথা খানা বলেই আবরারের ঠোঁটের কোণে এক ভয়ংকর হাসি ফুটে উঠল একটা এমন হাসি, যা মানুষের গা শিউরে দেয়।
রুমের ভেতরে বাতাস যেন জমে আছে। জানালার পাশের পর্দা অল্প নড়ছে, কিন্তু সেই নড়াচড়া যেন মৃত্যুর আগের শেষ নিঃশ্বাস।মেঝেতে বসে আছে এক মহিলা চুল এলোমেলো চোখ লাল হয়ে ফুলে গেছে গায়ে পুরোনো শাড়ি হাত-পা শিকলে বাঁধা।
শিকলের শব্দটাও যেন এই নীরব রুমে ছুরির মতো কানে বিঁধছে।
মহিলা আবরারের দিকে তাকিয়ে কাঁপা কণ্ঠে বলল,আবরার বাবা আমাকে ছেড়ে দে। আমি তো আমার শাস্তি পেয়ে গেছি। আর কতো শাস্তি দিবি আমাকে? দয়া করে ছেড়ে দে না, বাবা…!
আবরার কিছুক্ষণ নীরব রইল।তার চোখে কোনো মায়া নেই, শুধু ঠাণ্ডা ক্রোধের দীপ্তি। তারপর হঠাৎ সে হেসে উঠল একটা ভয়ংকর, ঘর কাঁপানো হাসি।মহিলার শরীরটা থরথর করে কেঁপে উঠল, যেন সেই হাসির ভেতর লুকিয়ে আছে আগুন আর প্রতিশোধের সব ছায়া।
আবরার ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল, তার ভারী বুটের শব্দ ঘরে প্রতিধ্বনিত হলো ঠক… ঠক… ঠক…
সে এসে মহিলার একদম সামনে থামল, তারপর হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল তার চোখের সমান উচ্চতায়।
আবরার এবার আগের চেয়ে আরও ঠাণ্ডা, আরও বিষাক্ত কন্ঠে বললো,আপনাকে সারাজীবন আমি শাস্তি দিলেও আমার মনের জ্বালা মিটবে না মিস আজমেরি দেওয়ানা।
আজমের দেওয়ানা নামটা উচ্চারণের সাথে সাথে বাতাস যেন থেমে গেল।মহিলার মুখের রঙ উধাও, চোখের মণি বড় হয়ে উঠল।সে কিছু বলতে চাইল, কিন্তু ঠোঁট কাঁপে শব্দ বেরোয় না।
আবরার এবার ঠান্ডা কন্ঠে বললো,আর একবার যদি শুনি আপনি এভাবে চিৎকার চেঁচামেচি করে মানুষের শান্তি বিঘ্ন করেছেন তাহলে ভালো হবে না মনে থাকে যেনো আমার কথা খানা আপনি জানেন আমার কথা কখনোই নড়চড় হয় না আর এবারো হবে না তাই মাই ইট মিসেস আজমেরি দেওয়ানা।
আজমেরি দেওয়ানা আবরারের দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে বিদ্রোহ আর ক্লান্তির এক ভাঙা মিশ্রণ কন্ঠে বললো,কি করবে? তুমি আমাকে আর কী করতে চাও? গত পঁচিশ বছর ধরে তো আটকিয়েই রাখছো আর কি করতে চাও? তার চোখে লুকানো প্রশ্নটা ছিল একধরনের অনুতাপও,যেন জীবনের অর্ধেকটাই সে ইতিমধ্যে হারিয়ে ফেলেছে।
আবরার একটু এগিয়ে বসলো চোখে অচেনা এক স্থিরতা। রুমের হালকা বাতাসে তার শ্বাস অল্প করেই চলছিল কিন্তু কথা বের হল জমে থাকা আগুনের মতো।আপনি ধারণাও করতে পারবেন না তার কণ্ঠে কোনো অনুভূতি নেই কেবল হিমশীতল নিশ্চিততা আমি কী করতে পারি আপনার সাথে। আপনাকে এমন এক জায়গায় রাখবো যেখানে সূর্যের আলো কখনই আপনার চোখে দেখবেন না।আর না খাবার পাবেন..! এখন আপনি তিন বেলা পাচ্ছেন কিন্তু তখন তিন দিন পরপর এক বেলা পাবেন কিনা, তাও সন্দেহ।
আজমেরি দেওয়ানা এবার চিৎকার করে বললো তুই এভাবে আমাকে আটকে রাখতে পারিস না ভালোই ভালোই বলছি ছেড়ে দে নয়তো আমি এমন কিছু করবো যা তর ধারণার বাইরে।
আবরার এবার বাকা হেসে বললো, এই তো কাল নাগিনীর আসল রুপ ফিরে এসেছে…!
আজমেরি দেওয়ার নিজেকে সংযত করে নিজের রাগ কে দমিয়ে আবেগী কন্ঠে বললো, আবরার বাবা আমি তো তোমার খালামনি তাই না তোমার মায়ের পরেই আমার স্থান তাহলে আমাকে এভাবে কেনো বেঁধে রেখেছো ছেড়ে দাও বাবা….!
আবরারের রাগ হলেও হঠাৎ সেই চিরচেনা ভয়ংকর স্নান হাসলো তারপর বললো, একটা কথা সত্যি নারি অভিনয়ের জন্য সেরা…! আর যদি হয় আপনার মতো এরকম গিরগিটি তাহলে তো কথাই নেই মিসেস কাল নাগিনী…!
আর আপনার এসব আবেগের উপরে আমি পুটি করে দিবো শয়তান মহিলা…!
আপনি আপনি করছি দেখে কি আজকে ভাবছিস আমি ভালো হয়ে গেছি..? না…! আমি চাইলে আজেও তকে পটির ট্যাংকি তে ডুবিয়ে রাখতে পারি, কি ডুবাবো…!?
পুটির ট্যাংকি কথা শুনেই আজমেরির মুখের রং বদলে গেলো মনে পড়ে গেলো দুই সপ্তাহ আগের কথা আবরারের সাথে অতিরিক্ত তর্ক করেছিলো বলে তার শাস্তিস্বরূপ ওকে গলা অবদি পুটির ট্যাংকি তে ডুবিয়ে রেখেছিলো প্রায় পঞ্চাশ মিনিট। কি বিশ্রি গন্ধ তা মনে হতেই ওনার গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যায় আজমেরির। নাক মুখ ছিঁটকে বললো তোর সাথে আমি আর কথা বলতে চাই না আবরার তুই বেরিয়ে যা আমার চোখের সামনে থেকে যা…!
আবরার বললো, আর এক বার যদি শুনি এরকম চেঁচামেচি করেছিস তাহলে তকে নর্দমার পাশে ফেলে আসবো তাও হাত পা কেঁটে কাল নাগিনী আর তর খাওয়া দাওয়া আজকে থেকে বন্ধ তাই এরকম চিৎকার করতে পারবি না বলেই আবরার উঠে দাঁড়িয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।
আবরার বেরিয়ে যেতেই আজমেরি দেওয়ানা গর্জে উঠে বললো, তোকে আমি ছাড়বো না আবরার তকে শেষ করে তবেই আমি মরবো….!
আবরার নিচে নেমে আসতেই শিশা দৌড় আসে ওর কাছে তারপর বলে আবরার তুমি আজকে থেকে যাও এখানে…! আবরার শিশার দিকে ভ্রু কুঁচকে বলে থেকে যাবো মানে..? শিশা মুচকি হেসে বলে আমার সাথে থাকবে বিশ্বাস করো আমি তোমাকে সুখের রাজ্যত্ব থেকে ঘুরিয়ে আনবো যেখানে তুমি কখনোই যাও নি…! সাথে সাথেই শিশার গালে শক্তপক্ত একটা থাপ্পড় পড়ে শিশার তার টাল সামলাতে না পেরে ফ্লোরে পড়ে যায় তারপর গালে হাত দিয়ে অসহায় দৃষ্টিতে আবরারের দিকে তাকায়।
আবরার গর্জে উঠে বলে শালি বাইন**** ফা*ক আমার সাথে এরকম করে কথা বলার সাহস তকে কে দিয়েছে..?
আবরারের গর্জনে আশেপাশের সব মেয়ে কেঁপে উঠে। আবরার দাঁতে দাঁত চেপে বলে আর একবার এরকম ভাবে কথা বললে যে রাস্তায় থেকে তকে তুলে এনেছি সেই রাস্তায় তকে ফেলে আসবো ব্যাস্টার্ড কোথাকার বলেই আবরার একবার সব মেয়ের দিকে তাকিয়ে গটগট করে বেরিয়ে যায়। আর পিছনে পিছনে ফেটিক্স ও যায় এতো ক্ষণ কি হলো তা ওর মাথার উপর দিয়ে গেলো…!
~~
সন্ধ্যার আলো ধীরে ধীরে জঙ্গলের গা ঘেঁষা কক্ষের ভিতরে ঢুকতে লাগল। বাহিরের অন্ধকার ঘন হয়ে এসেছে, বাতাসে ঠাণ্ডা এবং ভয়ের এক অদ্ভুত ঘ্রাণ ভেসে বেড়াচ্ছে।
কুহেলি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে রুমের এক পাশে, বড় কাঁচের জানালার সামনে। বাইরে দেখা যাচ্ছে গাছে ঘেরা পথ ছায়া এবং গাঢ় অন্ধকারে ঝাপসা হয়ে যাওয়া সবকিছু। যেন এই জঙ্গলের প্রতিটি কোণ আবরারের শক্তি অনুভব করছে।
দুই জন মেইড চুপচাপ এসে কুহেলির সামনে খাবারের প্লেট রেখে গেছিলো দুপুরের কুহেলির চোখে খুব একটা আগ্রহ নেই কিন্তু খিদে আর সহ্য করা যায় না তাই বাধ্য হয়ে জানালার পাশ থেকে এসে সোফায় বসে চুপচাপ খাবার খেতে শুরু করল।প্রতিটি কামড় যেন মনঃক্ষুণ্ণতার সঙ্গে মিলেমিশে গেছে। কুহেলি চুপচাপ খাচ্ছে, কিন্তু মনটা তার অন্যত্র ভেসে যাচ্ছে। ভেতরের এক অদৃশ্য দ্বন্দ্ব, নিজের জীবনের অব্যবস্থাপনা, আর উপরওয়ালার প্রতি এক গভীর অভিমান সব মিলেমিশে তার মনে চাপ তৈরি করছে।
কেনো এমন হলো আমার সঙ্গে…?ভেতরের এক অশব্দ গর্জন।কেনো আমার জীবন এত সুন্দর হলো না…?মনের ভিতরে এক অদ্ভুত আক্রোশ,যা কেউ শুনতে পাচ্ছে না।
কুহেলি জানে আবারও সে নিজের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে না। কিন্তু দুঃখ, অসহায়ত্ব, ক্ষোভ সবই চোখে ম্লান নীরবতার আকার ধারণ করছে।
খাবার শেষ করে আবারো রুমের কোণে কাঁচের জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে ও মনে মনে ভাবতে লাগলো প্রকৃতির নিঃশব্দতা, জঙ্গলের ভয়, এবং নিজের একাকিত্ব সব মিলেমিশে যেন তাকে আরও ছোট করে দিয়েছে।খাবার শেষ করেও তার মনটা পূর্ণ হয়নি, শুধুই এক বিরক্তি আর হতাশার ভার।
আরও গভীরে ভিতরে, সে শুধু চায় এক মুহূর্তের স্বস্তি, এক মুহূর্তের স্বাধীনতা।কিন্তু আবরারের এই নিঃশব্দ শাসন এবং এই জঙ্গলের অন্ধকার সবই তাকে তার সীমার মধ্যে আবদ্ধ করে রেখেছে।
হঠাৎ দরজার খোলার শব্দে কুহেলির ধ্যান ভাঙে
পিছনে তাকায় সাথে সাথে চোখে ভয়ের ছাপ হৃদয় দ্রুত ধকধক করতে থাকে কারণ আবরার এসেছে। কুহেলি কে এভাবে ভয় পেতে দেখে আবরার হালকা স্নিগ্ধ হাসলো একটা রহস্যময় ঘনিষ্ঠ হাসি।
দরজাটা হঠাৎ ঠক করে বন্ধ হয়ে গেল।
এবার আবরার ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে কুহেলির পেছনে দাঁড়ালো ফলস্বরূপ, কুহেলি অনিচ্ছায়ই আবরারের প্রস্তুত শক্ত বুকে ঠেকে গেল।কুহেলি সরে যেতে চাইল কিন্তু আবরার তার আগেই এক হাত দিয়ে ওর পেটে ধরে ধীরে ধীরে চেপে ধরলো সাথে সাথে কুহেলির ছোট্ট দেহ খানা কেঁপে উঠলো আবরার বললো এভাবে কেঁপো না ছোট্ট পাখি তাহলে তাড়াতাড়ি কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলবো…!
আবরারের কথা শুনে কুহেলির শরীর ঘৃণা লজ্জায় রিরি করে উঠলো, সাহস নিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বললো, আপনার কি লজ্জা শরীর নেই সব সময় এরকম আজেবাজে কথা বলেন..? আপনি একটা খারাপ লোক যার মুখে ভালো কথা নেই।
আবরার ঠোঁট এলিয়ে হেসে কুহেলির কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললো,”ইয়েস, আই’ম আ ব্যাড ম্যান। হোয়েন ডিড আই এভার ক্লেইম টু বি গুড?”
কুহেলি নিজের সর্বশক্তি দিয়ে আবরারের থেকে নিজেকে ছাড়াতে চাইলো কিন্তু আবরার ছাড়লো না বরং আরো শক্ত করে ধরলো। কুহেলি বললো ছেড়ে দেন আমাকে অসভ্য লোক এভাবে একটা মেয়ে কে আটকে রাখতে লজ্জা করে না আপনার..? আবরার বললো মেয়ে কোথায় তুমি তো মিসেস এরিক আবরার খান ভুলে গেছো নাকি..? আর ভুলে গেলেও প্রবলেম নেই আমার মনে থাকলেই হলো তোমার মনে রাখার দরকার নেই…!আর লজ্জা..? ঐ টা এরিক আবরারের ডিকশেনারী তে নেই।
কুহেলি শীতল কন্ঠে বললো, আমি মানি না আপনার এসব বিয়ে টিয়ে আমি আপনাকে কখনোই মানবো না।
আবরার কুহেলি কে এক ঝটকায় নিজের দিকে ঘুরে ওর দুই বাহু ধরে বললো, তোমাকে মানতে হবে না মাই ফা*কিং হোয়াট রোজ শুধু তোমার দেহ খানা পেলেই চলবে। কুহেলির চোখ ছলছল করে উঠলো অশ্রুে ওতো এরকম জীবন চাই নি।
আবরার স্নান হেসে হাস্কি কন্ঠে বললো, তোমাকে কান্না করলে ভিষন হট আর সেক্সি লাগে মাই ফা*কিং স্কোয়াব। বলেই আবরার কুহেলির অধর খানা নিজের আয়ত্বে নিয়ে নেয় কুহেলি ছটফট করতে থাকে এতে আবরার বিরক্ত হয়ে ওর দুই হাত নিজের এক হাতে বন্দি করে আর অপর হাত কুহেলির শরীর জোরে চলতে থাকে এঁকে বেঁকে কুহেলি আবরারের এরকম স্পর্শ নিতে না পেরে কিছু ক্ষণের মধ্যেই ঢলে পড়ে আবরারের প্রস্তুত বুকে। আবরারের এতে ভিষন রাগ হয়, এখানে সেন্সলেস হওয়ার মতো কি করলো ও..?
রাগে আর কুহেলি কে কোলে নিয়ে বিছায়া শুয়ে দেয় না বরং ওখানেই ফ্লোরে ফেলে রেখে রাগে ফুঁস ফুঁস করতে করতে রুম থেকে বেরিয়ে যায়। আর কুহেলির ছোট্ট দেহ খানা পড়ে থাকে ঠান্ডা ফ্লোরে উপরে…..!
চলবে....!
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১০
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৯
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৮+স্পেশাল
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৪(প্রথমাংশ+শেষাংশ)
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪