শেষপাতায়সূচনা [০৪]
সাদিয়াসুলতানামনি
বেশ জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সাজানো হয়েছিল “রংধনু” নামক রিসোর্টের ব্যাক ইয়ার্ডটা। কিন্তু ঘন্টা খানেকের ব্যবধানে সেই জায়গাটা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আশেপাশে অসংখ্য কাচ আর কাচ। সেই কাচ গুলোর মাঝেই বসে আছে এক অসম্ভব সুন্দর রমণী।
আফজাল আহমেদ দৌড়ে মেয়ের কাছে এসে তার পাশে বসে পড়ে। নিজের পাশে কারো উপস্থিতি টের পেয়ে রমণীটি তার রক্তলাল বর্ণের চক্ষু দ্বারা সেদিকটায় তাকায়। নিজের জন্মদাতা পিতা ও তার ভালোবাসার একমাত্র আশ্রয়স্থলকে দেখতে পেয়ে রমণীটি নিজেকে আর আঁটকে রাখতে পারে না। বাবার বুকে আছড়ে পড়ে শব্দ করে কাঁদতে থাকে সদ্য মন ভেঙে যাওয়া এই অপ্সরীটি।
এই ধ্বংসস্তূপ তৈরি করার পেছনে যার অবদান, সে হলো আহমদ গ্রুপ অব ইন্ড্রাস্টির একমাত্র কর্ণধর ও আফজাল সাহেবের একমাত্র সন্তান ❝আনাবিয়া আহমেদ পূর্ণতা❞। বিশ বছর বয়সেই বাবার হাত ধরে ব্যবসার জগতে তার পদার্পণ। সময়ের সাথে সাথে বাবার শিক্ষা ও নিজের বুদ্ধিমত্তার দ্বারা মাত্র বাইশ বছর বয়সেই একজন তুখোর বিজনেস ওমেন বনে গিয়েছে। গত একবছর ধরে তাদের কোম্পানি সরকারি, বেসরকারি সব টেন্ডারগুলো পেয়ে আসছে। এর পেছনে অবশ্যই পূর্ণতার মেধা, যোগ্যতা ও বুদ্ধিমত্তার জন্যই সম্ভব হয়ে যা বলার অপেক্ষা রাখে না।
রূপে,গুনে, বুদ্ধিমত্তায় তিনেতেই অনন্য পূর্ণতা। তার নামটা যেনো স্বার্থক তার এসব গুণের কারণে। বংশীয় ব্যবসায়ী হওয়ার দরুণ বিজনেসটা যেনো তার রক্তের সাথে মিশে রয়েছে। বিজনেস জগতে তাদের সাথে টক্কর দেওয়ার মতো যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী গত এক দশকে দেখা মিলে নি। সফলতার সাথে সাথে তাদের যেমন শুভাকাঙ্ক্ষী হয়েছে, তেমনি শত্রুও কম জন্মায়নি।
অসাধারণ মেধা ও চোখ ধাধানো, মনোহরণ করা সৌন্দর্যের অধিকারী এই রমণী তার বাইশ বছরের জীবনে এমন একজন শ্যাম পুরুষের প্রেমে পরেছিল, যে কিনা তারই অধীনস্থ একজন। তার বেতন পোষা একজন সাধারণ কর্মচারী। ব্যক্তিটি হলো জাওয়াদ শেখ। তার অফিসের ম্যানেজার।
ত্রিশ বছর বয়সী এই শ্যাম পুরুষও কিন্তু কম যোগ্যতা সম্পন্ন না। চরিত্রের স্বচ্ছতা, ব্যক্তিত্বের প্রখরতা ও বুদ্ধিমান এই পুরুষের গায়ের রঙ শ্যাম হওয়া সত্ত্বেও, পূর্ণতা তাকে মন দিতে একবারের জন্যও দ্বিধাবোধ করে নি। কিন্তু সেই শ্যাম পুরুষ যে তার কোমল মনটাকে নিজের হাতে রক্তাক্ত করলো, যখন সে বললো–
—সরি। আই কান্ট এক্সেপ্ট ইউর প্রপোজাল। জাস্ট বিকজ, আই এম এনগেজড।
কথাটা শেষ করেই জাওয়াদ এই রিসোর্ট থেকে বের হয়ে যায় হনহনিয়ে। একবারও পেছনে ফিরে তাকানোর প্রয়োজন অনুভব করে না। সে হয়ত দেখতে চায় না, তার রিজেকশনেনএকটা মনভাঙা মেয়ের করুণ সেই দৃষ্টি।
অন্যদিকে প্রথম ভালোবাসার কাছে রিজেকশন পেয়ে পূর্ণতা যেনো কোন প্রতিক্রিয়া দেখাতেও ভুলে যায়। ছোটবেলা থেকেই সে ছেলেদের থেকে একটা দূরত্ব বজায় রেখে চলেছে। স্কুল, কলেজ এবং বর্তমানে ভার্সিটিতেও তার কোন ছেলে বন্ধু নেই। মেয়ে বন্ধুর সংখ্যাও নিতান্তই কম। তার সবচাইতে কাছের ও প্রিয় ব্যক্তিটি হলো তার বাবা।
সাড়ে সাত বছর বয়সে যখন পূর্ণতার মা তাকে একটা রোড এক্সিডেন্ট থেকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই পূর্ণতার সামনে মারা যান, তখন থেকেই পূর্ণতা বেশ চুপচাপ হয়ে যায়। তার মা মারা যাওয়ার প্রথম একবছর তো সে কারো সাথে কথাই বলতো না, তার বাবা অনেক কষ্ট করে তাকে কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনে। তারপর থেকে আফজাল আহমেদই হয়ে যান পূর্ণতার সবচাইতে কাছেই মানুষটি।
জাওয়াদের রিজেকশন পূর্ণতাকে কেমন অস্বাভাবিক করে তুলে। সে আপনমনে বিড়বিড় করতে করতে হঠাৎই ভায়োলেন্ট হয়ে যায়। তার ভেতর যেনো কোন অসুরে শক্তি ভর করে। ধ্বংসযজ্ঞের শুরু করে নিজের হাতে সাজানো ব্যাক ইয়ার্ডে। রিসোর্টটা তার বাবার হওয়ায় কোন স্টাফ তাকে কিছু বলতে ভয় পেয়ে যায়। তারচেয়েও বেশি ভয় পায় তার অস্বাভাবিক কর্মকান্ডে।
রিসোর্টের ম্যানেজার কি করবেন ভেবে না পেয়ে তাড়াতাড়ি করে আফজাল আহমেদের কাছে ফোন লাগান। মেয়ের এমন অবস্থার কথা শুনে আফজাল সাহেব গাড়ি নিয়ে ছুটে আসেন রিসোর্টে। তারপর লেগে পরেন মেয়েকে শান্ত করতে।
পূর্ণতা অস্বাভাবিক আচরন করার এক পর্যায়ে হঠাৎই অজ্ঞান হয়ে যায়। তার এমন অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঘটনায় আফজাল সাহেব বেশ ভয় পেয়ে যান। পূর্ণতা তার মায়ের এক্সিডেন্ট নিজ চোখে দেখায় তার শিশুমস্তিষ্কে বেশ বাজে প্রভাব ফেলে এবং এক পর্যায়ে তাকে বেশ ট্রমাটাইজ করে তোলে। ডাক্তারের ভাষায় একে “পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসওর্ডার” বলে অভিহিত করা হয়। ডাক্তার আফজাল সাহেবকে বারবার করে সতর্ক করেছেন, পূর্ণতাকে যেনো কোন বিষয় নিয়ে চাপ না দেওয়া হয় বা সে যেনো নিজ থেকে চাপ না নেয়। তাহলে এতে করে তার মানসিক অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যাবে।
এসব কথা স্বরণ করেই আফজাল সাহেব আরো ভীত হয়ে পরেন। সে একজন মেয়ে স্টাফের সহায়তায় তাকে একটা রুমে নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে ডাক্তারকে কল করেন। ডাক্তার এসে পূর্ণতার চেক-আপ করে তাকে কিছু ঔষধ দিয়ে যান, এবং আফজাল সাহেবকে পুনরায় সতর্ক করে যান পূর্ণতার হেল্থের বিষয়ে।
সেদিনের পর পূর্ণতার মাঝে বেশ পরিবর্তন আসতে শুরু করে। নিয়মিত অফিসে যায় না, কারো সাথে কথাও বলে না একমাত্র তার বাবা ছাড়া। খায় না ঠিক মতো। ঘুম? সেটাও পূর্ণতার মর্জিমতো চলে। না খেয়ে ও না ঘুমিয়ে পূর্ণতার অপরূপ সৌন্দর্যে বেশ ভাটা পড়ে, যা সকলেরই চক্ষুগোচর হয়।
পূর্ণতার এমন অবনতি দেখে আফজাল সাহেব বেশ চিন্তিত হয়ে পরেন। একটা মাত্র সন্তান তার। সেই সন্তানটিও যখন ভালোবাসার অভাবে নিজের শরীর-স্বাস্থ্য খারাপ করে ফেলে তখন সেটা যেকোন বাবার জন্যই পীড়াদায়ক বিষয় হয়ে পড়ে।
এদিকে পূর্ণতাকে রিজেক্ট করে দিয়েও জাওয়াদের মাঝে কোন গিল্টিনেস নেই। তার মতে, সে তার বাগদত্তার প্রতি লয়াল থেকেই কাজটি করেছে এবং কাজটি যৌক্তিক। কিন্তু কোথাও যেনো পূর্ণতার শূন্যতা তাকেও ভাবাচ্ছে।
একদিন আফজাল সাহেব অফিসে এসে জাওয়াদকে তার কেবিনে ডাকেন। তারপর তাকে পূর্ণতাকে বিয়ে করার প্রস্তাব রাখেন। জাওয়াদ মানা করে দিলে, সে জাওয়াদকে সম্পত্তির লোভ দেখায়। তার ধারণা, জাওয়াদ এত কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির কথা শুনে নিজের বাগদান ভেঙে পূর্ণতাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যাবে। কিন্তু বিষয়টা হয় উল্টো।
আফজাল সাহেবের এমন চিন্তাভাবনার কথা শুনে তুখোড় আত্মসম্মানী জাওয়াদের আত্মসম্মানে আঘাত হানে। সে বেশ অপমানিত ও নিচু বোধ করে নিজেকে। সেই সাথে পূর্ণতার সম্পর্কে তার চিন্তাধারাতেও আমূল পরিবর্তন আসে। সে ভাবে, পূর্ণতা বড়লোক বাবার সেসব বখে যাওয়া সন্তান, যারা কোন কিছু পছন্দ হতে সেটা নিজে হাসিল করতে না পারলে বাবার টাকা দিয়ে হাসিল করতে চায়। অজ্ঞতাবসত সে পূর্ণতার নিখুঁত ও খাঁটি ভালবাসাকে শুধু ভালোলাগা ভেবে নেয়।
আফজাল সাহেব তাকে বিষয়টা ভাবতে বলে নিজে মিটিংয়ের উদ্দেশ্যে চলে যায়। অন্যদিকে জাওয়াদের সব ক্ষোভ গিয়ে পরে পূর্ণতার উপর। সে তৎক্ষনাৎ পূর্ণতাকে ফোন দিয়ে অফিসের পাশের কফিশপে আসতে বলে জরুরি ভিত্তিতে। পূর্ণতা তো নিজের শ্যামসুন্দর পুরুষের ফোন পেয়েই অস্থির হয়ে গিয়েছে। সে ভাবে জাওয়াদ হয়ত তার প্রপোজাল এক্সেপ্ট করতে তাকে ডাকছে।
বেশ প্রফুল্লচিত্তে পূর্ণতা আসে জাওয়াদের সাথে দেখা করতে। যেই দেখা করায় বদলে যায় তাদের সকলের ভবিতব্য। সূচনা হয় এক নতুন ও অমীমাংসিত অধ্যায়ের।
~বর্তমান~
—মম, আই নিড টু গো টু ওয়াশরুম ইমিডিয়েটলি।
ঘুম ভাঙা গলায় তাজ কথাটি বলে ওঠে। অতীতের তিক্ত স্মৃতি থেকে বের হয়ে এসে পূর্ণতা ছেলেকে নিয়ে যায় ওয়াশরুমে। তারপর ফ্রেশ করিয়ে নিয়ে এসে খাওয়াতে বসে তাকে। দুই লোকমা খাবার খাওয়ার পর তাজ আর খেতে পারে না ঝালে। ছেলেটা অবিকল তার বাপের মতো হয়েছে, অথচ জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত একবার দেখা পেয়েছে তার পিতার। তাও পাঁচ বছর বয়সে।জাওয়াদও একদমই ঝাল খেতে পারত না।
পূর্ণতা আর সেই ঝাল খাবার খেতে দেয় না ছোট তাজকে। ছেলেকে নিজের ফোনে কার্টুন ছেড়ে দিয়ে নিজে বের হয়ে আসে রুম থেকে। রাত প্রায়ই অনেক হওয়ায় রিসোর্টের প্রায় সব স্টাফই ঘুমিয়ে পরেছে। ছেলেটাকে কি খাওয়াবে ভেবে মাথা উলটপালট হয়ে পূর্ণতার।
পূর্ণতাকে এই সময়ে রুম ছেড়ে আসতে দেখে একজন স্টাফ তার কাছে এগিয়ে আসে। জানতে চায় পূর্ণতার কি প্রয়োজন। পূর্ণতা বিষয়টা খুলে বললে, স্টাফটি জানায় সেফ ঘুমিয়ে পরেছে। পূর্ণতা তখন নিজেই বলে, সে রাঁধবে
স্টাফটি তাকে কিচেনে নিয়ে যেতেই পূর্ণতা পাক্কা রাধুনি হাতে ঝটপট একটা বোল স্যুপি নুডলস বানিয়ে নেয়। কাজ শেষ করে ব্যবহৃত সব বাসনকোসনও নিজেই ধুয়ে দেয়। স্টাফটি মানা করলেও পূর্ণতা শুনে না। শেষে আসার সময় ঐ স্টাফকে ধন্যবাদ দিয়ে রুমে চলে আসে।
পূর্ণতা রুমে আসতেই তাজওয়াদ আদোও আদোও গলায় প্রশ্ন করে ওঠে–
—মাম্মা, ইউ মন্সতার আনতেলের তাতে তুমি কেনু? আর আমাকে চেড়ে তুমি এত সেদেগুদে কুতায় গিয়েতিলে?
তাজওয়াদ কার্টুন দেখা বাদ দিয়ে পূর্ণতার ফোন ঘাঁটতে ঘাঁটতে জাওয়াদ ও পূর্ণতার বিয়ের ছবি বের করে ফেলে। পূর্ণতা জাওয়াদকে ছেড়ে যাওয়ার সময় তার স্মৃতি বহন করে এমন কোন জিনিস নিজের সাথে নিয়ে যায়নি, একমাত্র তাজওয়াদকে ছাড়া। ইভেন আগের ব্যবহৃত মোবাইলখানা সেও কানাডার ফ্লাইটে ওঠার আগেই এয়ারপোর্টেই ফেলে রেখে গিয়েছিল।
একদিন হুট করেই তার আগের আইডি সাজেশনে আসে। তখন সে পাঁচ মাসের প্রেগন্যান্ট। জাওয়াদকে দেখার প্রবল তৃষ্ণা থেকেই সে তার আগের আইডির ওয়ালপেপার থেকে তাদের এই ছবিটি ডাউনলোড করে। যার জন্য সব হারালো, সেই তাকেই ভালোবাসতে ভালোবাসে পূর্ণতা।।
তারপর এই ছবিটিই দেখে নিজের তৃষ্ণা নিবারণ করতো। পূর্ণতা তাজকে কখনো পিতা শব্দটির সাথে পরিচয় করায় নি। কারণ পিতা সম্পর্কে জানতে পারলেই সে জানতে চাইবে, তার পিতা কোথায়? সে কেন তাজওয়াদ বা পূর্ণতার কাছে আসে না? তখন সেই প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিবে সে। এসব ভেবেই, পূর্ণতা কখনো জাওয়াদকে পরিচয় করায় নি তাজওয়াদের সাথে।
পূর্ণতা গ্যালারি থেকে বের হয়ে পুনরায় ইউটিউবে ঢুকে। কিন্তু তাজ কথাটা ভুলে না। সে আবার প্রশ্নটি করলে পূর্ণতা গম্ভীর গলায় বলে–
—খাওয়ার সময় এত কথা বলতে হয় না তাজ।
মায়ের গম্ভীর গলা শুনে তাজের অভিমান হয়। সে তার ফুলো ফুলো গাল গুলো আরেকটু ফুলিয়ে নিয়ে চুপচাপ খেতে থাকে। কার্টুনও দেখে না অভিমান করে। পূর্ণতা বিষয়টা বুঝতে পারে। সে আগে চুপচাপ খাওয়াটা শেষ করে। তারপর ছেলেকে বুকে নিয়ে শুয়ে পরে। তাজের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলে–
—ঐ আঙ্কেলটা আমার একজন পরিচিত লোক ছিল। আমরা একটা ফাংশনে গিয়েছিলাম তখন ছবিটা তুলেছিলাম। আর যখন ছবিটা তুলেছিলাম তখন তো আমার ছোট আব্বাটা আল্লাহর কাছে ছিল। আমার কোলে তো ছিল না, থাকলে কি আমি আমার আব্বাটাকে না নিয়ে ঘুরতে যেতাম বলো? মাম্মা কি কখনো তার তাজ বাবাকে ছেড়ে কোথাও গিয়েছে?
তাজওয়াদ মাথা নাড়িয়ে না-বোধক উত্তর জানায়। পূর্ণতা তারপর তাকে বিভিন্ন গল্প শুনিয়ে ঘুম পাড়ায়। তাজওয়াদ ঘুমিয়ে পরতেই পূর্ণতা ফোন থেকে সেই ছবিটা বের করে দেখতে থাকে। ছবিটার দিকে তাকিয়ে থেকেই পূর্ণতা বলে–
—আপনাকে ভালোবাসতেও আমি ভীষণ ভালোবাসি শ্যামসুন্দর পুরুষ। না হলে আপনি আমার, করলাম না আমি আপনার সংসার কিন্তু আমি সারাজীবন আপনাকে ভালোবেসে যাবো নীরবে নিভৃতে।
📌গল্পটি ভালো লাগলে বেশি বেশি শেয়ার করে, আপনার গল্প প্রেমী বন্ধুমহলের কাছে পৌঁছে দিন।🤍
শব্দসংখ্যা~১৫০০+
চলবে?
[
Share On:
TAGS: শেষ পাতায় সূচনা, সাদিয়া সুলতানা মনি
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৩
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২০
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৬
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১০
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৮