দ্যাআনপ্রেডিক্টেবললাভ
পর্ব : ১২
লেখক_Jahirul_islam_Mahir
☘️
“ওয়াক থু মিস্টার পান্ডা আপনি নেশা করেছেন ” ?
“হুম নেশা করেছি”,,
“”নেশা লেগেছে নেশা, প্রেমের নেশা”,
“আজ রাতে তোমায় দিবো ভালোবাসা”
“তোমার সাথে ডিস্টিং ডিস্টিং খেলে পার করবো সারারাত”,
“বৌ তোমার জন্য আমার এই নেশা অনন্তকাল”।
“তোমার চোখের মায়ায় আমি হারিয়ে যাবো”,
“তোমার বাহুডোরে আমি বাঁধা পড়বো”,
“তোমার ভালোবাসায় আমি সারাজীবন থাকবো”,
“ঘরওয়ালী, তুমি আমার, শুধুই আমার।”
“বাহ্ বাহ্ বাহ্ কি সুন্দর গান। গান টা সো বিউটিফুল সো এলিগেন্স লুকিং লাইক যাস্ট ওয়াও”,
” বৌ গান টা তোমার পছন্দ হয়েছে” ?
“হুম খুব খুব পছন্দ হয়েছে”।
“তাহলে করতে দাও ?
“কি করতে দিবো” ?
“ডিস্টিং ডিস্টিং”
“ডিস্টিং ডিস্টিং মানে কি ?
“ডিস্টিং ডিস্টিং খেলার মানে বুঝ না” ?
“নাহ বুঝি না” ?
“আদনান আদ্রিয়ানার দিকে তাকিয়ে একটা শয়তানি হাসি দিয়ে বলে”,,
“তাহলে চলো ডিস্টিং ডিস্টিং খেলার মানে বুঝায়”
“এই কথা বলে আদনান আদ্রিয়ানার কোমর জড়িয়ে ধরে নিজের কাছে টেনে নেয়”
“২৮ বছর অপেক্ষা করছি বৌয়ের সাথে ডিস্টিং ডিস্টিং করার জন্য আর করতে পারবো না , বৌ পাতাল ঘরে চলো বাসর করবো”
“পাতাল ঘরে কেনো মিস্টার পান্ডা এখানে কি হয়েছে” ?
“২৮ বছরের জমা কৃত DNA যখন তোমার মধ্যে সাপ্লাইয়ের কাজ শুরু করবো তখন তুমি অনেক সুখ পাবা” এতো সুখ পাবা যে সুখে চিৎকার করবা” ? বাড়িতে তো দুইজন সার্ভ আছে আমি চাই না আমার বৌয়ের সুখের চিৎকার তাঁরা শুনুক”!
“আদনানের মুখে এমন কথা শুনে আদ্রিয়ানা লজ্জা পেয়ে যায়”! আদনানের বুকে ঘুষি মেরে আদনানের বুকে মুখ গুঁজে ফেলে আদ্রিয়ানা”।
“আদনান আদ্রিয়ানা কে নিজের বিরহ ডুরে আগলে নিয়ে বললো, “বৌ তাহলে পাতাল ঘরেই চলো, সার্ভদের থেকে দূরে একটু সুখের চিৎকার করি “।
“আদনান আদ্রিয়ানা কে কোলে তুলে নিয়ে পাতাল ঘরের দিকে হাঁটা দিলো। আদ্রিয়ানার লজ্জায় আদনানের গলা জড়িয়ে ধরে আদনানের বুকে মুখ গুঁজে আছে”।
“আদনানের বাড়ির দক্ষিণ পাশে একটা পাতাল ঘর আছে, যেটা দেখতে একটা রোমাঞ্চকর গল্পের মতো। পাতাল ঘরটা বেশ বড়, প্রায় ২০০০ স্কয়ার ফিটের মতো দেওয়ালগুলো কালো পাথরের তৈরি, যেটা দেখে মনে হয় যেনো রাতের আধারে ডুবে আছে। ঘরের ভেতরে একটা বড় বেড, যেটা দেখে মনে হয় যেনো একটা স্বপ্নের রাজ্য। বেডের চারপাশে লাভ লাইট জ্বলছে, যেটা দেখে মনে হয় যেনো হাজার হাজার তারার আলো। ঘরের এক কোণে একটা ছোট্ট বার, যেখানে আছে বিভিন্ন রকমের ড্রিংকস। আর ঘরের মাঝখানে একটা বড় আকারের জাকুজি, যেটা দেখে মনে হয় যেনো একটা স্বপ্নের সমুদ্র।
“পাতাল ঘরের ভেতরে একটা রোমাঞ্চকর পরিবেশ, যেখানে আছে শুধু দুইজন মানুষের জন্য জায়গা”। আদনান আদ্রিয়ানা কে বেডের উপর বসিয়ে দেয়”। “আদনান আদ্রিয়ানার দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিলো”। “আদ্রিয়ানা লজ্জায় মাথা নিচু করে আছে”। আদনান আদ্রিয়ানার একদম কাছে গিয়ে বললো,
“বৌ, আজকের রাতটা অন্যরকম হবে”।
আদ্রিয়ানা মাথা তুলে তাকিয়ে বললো, “কেনো? কি হবে আজকে?”
“আদনান আদ্রিয়ানার আরো কাছে গিয়ে বললো,
“আজকে আমরা আমাদের ভালোবাসার রাত কাটাবো”। আর ডিস্টিং ডিস্টিং খেলবো”!
“আদ্রিয়ানা লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলে”
“বৌ এতো লজ্জা পেলে ডিস্টিং ডিস্টিং খেলবো কেমনে” ?
“এই কথা বলে আদনান আদ্রিয়ানা কে কাছে টেনে নেয়”! নিজের ঠোঁট দুটো দিয়ে আদ্রিয়ানার ঠোঁট দুটো দখল করে নেয়। আদনানের সাথে আদ্রিয়ানা ও রেসপন্স করে”। মিনিট পাঁচেক পর আদনান আদ্রিয়ানার ঠোঁট দুটো মুক্ত করে দিয়ে আদ্রিয়ানার দিকে তাকায়। আদনান কে নিজের দিকে তাকাতে দেখে আদ্রিয়ানা লজ্জা পেয়ে আদনানের গলা জড়িয়ে ধরে”। আদনান আদ্রিয়ানা কে জড়িয়ে ধরে আদ্রিয়ানার ঘাড়ে মুখ বসিয়ে দেয়। আদ্রিয়ানা কেঁপে উঠে। আদ্রিয়ানার শরীর জুড়ে একটা শিহরণ বয়ে যায়”। ফলে শরীরের সব শক্তি দিয়ে আদনানের গলা জড়িয়ে ধরে আদ্রিয়ানা”। আদনান আদ্রিয়ানা কে বেডের উপর শুইয়ে দেয়। পরনে থাকা টিশার্ট টা খুলে ফেলে। আদনান কে টিশার্ট খুলতে দেখে আদ্রিয়ানা চোখ বন্ধ করে ফেলে। আদনান আদ্রিয়ানা কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বলে,,,
বেইবি প্রথম বার ডিস্টিং ডিস্টিং খেলতে গেলে একটু কষ্ট হবে। আমার গলা জড়িয়ে ধরে সহ্য করে নিও প্লীজ। কষ্ট পেলে যত ইচ্ছে তত চিৎকার করো তাঁর পর ও আমাকে থামতে বলো না প্লীজ” ?
“আদ্রিয়ানা কিছু বলে না শুধু আদনানের দিকে তাকিয়ে থাকে”। আদনানের চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারে যে আদনান আজ নিজের মধ্যে নেই।”
“আই প্রমিজ বৌ বেশি কষ্ট দিবো না। লিমিটের মধ্যে থাকার চেষ্টা করবো”।
“এই কথা বলে আদনান তাঁর কাজ কনটিনিউ করতে থাকে। আদ্রিয়ানা বিছানার চাদর খামচে ধরে চোখ বন্ধ করে আদনানের দেওয়া আদর ভালোবাসা উপভোগ করছে”।
“ঘন্টা খানেক পর আদনান বলে উঠে,,
“বৌ আমার গলা জড়িয়ে ধরে। এখন আসল ডিস্টিং ডিস্টিং খেলা শুরু করবো”।
“আসল মানে ? আসল ডিস্টিং এখনো শুরু করেন নিই তাহলে এতক্ষণ কি করছেন” ?
“এতক্ষণ তো ডিস্টিং ডিস্টিং খেলার ট্রেইলার প্র্যাকটিক্যাল করে দেখিয়েছি আর এখন ডিস্টিং ডিস্টিং খেলার ফুল মুভি দেখাবো”।
“আদনানের মুখে এমন কথা শুনে আদ্রিয়ানা আদনানের গলা জড়িয়ে ধরে চোখ বন্ধ করে ফেলে”।
“আদনান আদ্রিয়ানার কপালে একটু চুমু খাই”
“আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাহিম”।
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”।
“মিস্টার পান্ডা আস্তে”।
“ব্যথা লাগছে বেইবি” ?
“হু….হুম মিস্টার পান্ডা অনেক ব্যাথা লাগছে”!
“ব্যথা লাগলে যত ইচ্ছে তত চিৎকার করো। ডিস্টিং ডিস্টিং খেলার সময় বৌ চিৎকার করলে খেলা টা জমে উঠে”
“এই কথা বলে আদনান তাঁর কাজ কনটিনিউ করতে থাকে”!
“বাকিটুকু ইতিহাস”
☘️
“ভোর ছয়টা”। আদনান এখনো ডিস্টিং ডিস্টিং খেলায় ব্যস্ত। আদ্রিয়ানার চোখ বন্ধ করে আছে। বন্ধ চোখ থেকেও অনবরত গড়িয়ে পড়ছে নোনাজল। সেই দিকে আদনানের কোন খবর নেই। খবর থাকবেই বা কি করে। ২৮ বছরের একটা প্রাপ্তবয়স্ক যুবক ২৮ বছর ক্ষুধার্ত থাকার পর খাবার পেয়েছে। সেই তো খাবার খেতেই ব্যস্ত থাকবে”।
“অপরদিকে শরীরের অসহ্য ব্যথা নিয়ে চুপ করে শুয়ে আছে আদ্রিয়ানা। চোখ থেকে টুপটুপ করে অশ্রু ঝরছে। আদ্রিয়ানা আর সহ্য করতে না পেরে কাঁপা কাঁপা গলায় বলে ফেলে”,,
“মিস্টার পান্ডা এইবার ছেড়ে দিন প্লীজ। আমার কষ্ট হচ্ছে”!
“আদনান আদ্রিয়ানার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বলে”,,
“আর একটু সহ্য করে নাও বেইবি এক্ষুনি হরমোন বেরিয়ে যাবে”।
“এই কথা বলে আদনান তাঁর কাজ কনটিনিউ করতে থাকে। মিনিট দশেক পর ক্লান্ত হয়ে আদ্রিয়ানার বুকের উপর মাথা রেখে আদ্রিয়ানা কে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়ে”। আদ্রিয়ানা আদনানের মাথায় কিছুক্ষণ হাত বুলিয়ে দিয়ে আদনান কে জড়িয়ে ধরে”। সারা রাত ঘুমোতে না পারাই দুজনেই চোখেই ঘুম নেমে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যে দুজনেই হারিয়ে যায় ঘুমের রাজ্যে”।
☘️
“দুপুর বারোটা। এইমাত্র আদ্রিয়ানার ঘুম ভেঙ্গেছে। চোখ মেলে দেখে আদনান এখনো তা কে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে। আদ্রিয়ানা আস্তে করে আদনান কে ডাকে”….
“মিস্টার পান্ডা। ও মিস্টার পান্ডা শুনছেন ?
“আদনান ঘুম ঘুম কন্ঠে বলে”…..
“হুম শুনছি বলো
” আদ্রিয়ানা বলে, “উঠেন, দুপুর হয়ে গেছে।”
“আদনান আদ্রিয়ানা কে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে”…
“দুপুর হয়ে গেছে তো কি হয়েছে” ?
“আপনার বৌয়ের খুব ক্ষুধা লাগছে”।
“আগে বলবা না “
“এই কথা বলে আদনান আদ্রিয়ানার উপর থেকে সরে বেডে শুয়ে পড়ে। আদ্রিয়ানা উঠে বসে আদনানের দিকে ঝুঁকে বলে”…
“না উঠে শুয়ে পড়লেন যে” ? ফ্রেশ হবেন না, না কি” ?
“আগে তুমি ফ্রেশ হয়ে এসো তাঁর পর আমি ফ্রেশ হবো”।
“আচ্ছা ঠিক আছে কিন্তু ফ্রেশ হয়ে পড়বো কি ?
“আদনান কাবাটের দিকে আঙুল তুলে বলে”…
“ওই কাবাটে দুই টা থ্রিপিস রাখা আছে”!
“পাতাল ঘরে থ্রিপিস? মিস্টার পান্ডা আপনি কি আমি ছাড়া অন্যা মেয়ে কে এখানে নিয়ে এসেছেন” ?
“এই পাতাল ঘরে তো অনেক মেয়েই এসেছে”।
“মানে ?
” এই পাতাল ঘর টা আমার তৈরি করা না। এটা আমার আগে যে মাফিয়া কিং ছিলো তাঁর তৈরি করা। ও মেয়েদের কে কিডন্যাপ করে এনে এই পাতাল ঘরে রাখতো এবং তাদেরকে পাচার করে দিতো”।
“সংক্ষেপে সব কিছু আদ্রিয়ানা কে খুলে বলে আদনান”!
“ওও আচ্ছা। তা সেই মাফিয়া কিং এখন কোথায়” ?
“কবরে'”!
“ওও মারা গেছেন” ?
“মারা যায় নিই মেরে ফেলা হয়েছে” আর তোমার জামাই তা কে মেরেছে” ?
“আপনি মেরেছেন ? কিন্তু কেন ?
“পাচার হওয়া থেকে মেয়েদের কে বাঁচানোর জন্য”!
“বেরি গুড। দশ জন মেয়ে কে বাঁচানোর জন্য একজন কে খুন করা জায়েজ আছে”।
“হুম” এখন যাও ফ্রেশ হয়ে নাও”।
“আদ্রিয়ানা ভালো করে শরীরে চাদর পেঁচিয়ে নেয়। ওয়াসরুমে যাওয়ার জন্য বেড থেকে উঠতে গিয়ে ও উঠতে পারে না। তাঁর সারা শরীরে অসহ্য ব্যথা থাকায় দূর্বল হয়ে পড়েছে। আদনান তা বুঝতে পেরে বেডের নিচে পড়ে থাকা সর্ট প্যান্ট টা পড়ে নেয়। বেড থেকে নেমে আদ্রিয়ানা কে কোলে তুলে নিয়ে ওয়াসরুমে চলে যায়”। আদ্রিয়ানা কে ঝর্ণার কাছে দার করিয়ে দিয়ে ঝর্ণা টা ছেড়ে দেয়। শরীরে পানি পড়তেই শরীর জ্বলে উঠলো আদ্রিয়ানার”। আর আদ্রিয়ানা ব্যাথায় চিৎকার করে উঠলো, “
মিস্টার পান্ডা, এটা কি করছেন? আমার শরীর জ্বলে যাচ্ছে!”
“আদনান আদ্রিয়ানাকে জড়িয়ে ধরে বললো, “সরি, আমি ভুলে গিয়েছিলাম। তুমি একটু সহ্য করো, আমি পানি বন্ধ করে দিচ্ছি”।
আদনান পানি বন্ধ করে দিয়ে আদ্রিয়ানাকে কোলে তুলে নিয়ে ওয়াসরুম থেকে বের হয়ে এসে আদ্রিয়ানা কে বেডের উপরে বসিয়ে দেয়। আদনান আদ্রিয়ানার শরীরে লোশন লাগিয়ে দিতে লাগলো। আদ্রিয়ানা আদনানের দিকে পলকহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো”। আদ্রিয়ানা চোখে পানি চলে আসলো। কেউ একজন তাকে ও খুব ভালোবাসে। তাকে কেয়ার করে।
কেন উনি আমাকে এতো ভালোবাসো? আমি তো উনার যোগ্য নই”।
“আদনান আদ্রিয়ানার চোখের দিকে তাকিয়ে বললো, “আই অ্যাম রিয়েলি সরি বৌ। কাল রাতে তোমাকে অনেক কষ্ট দিয়ে ফেলছি। আমি ….
“বাকিটুকু উচ্চারণ করতে পারে না আদনান।আদ্রিয়ানা আদনান কে জড়িয়ে ধরে বললো, মিস্টার পান্ডা, আমি আপনাকে খুব ভালোবাসি”।
“আদনান আদ্রিয়ানা কে নিজের বিরহ ডুরে আগলে নিয়ে বলে”,
“আমিও তোমাকে খুব ভালোবাসি, মিসেস পান্ডা”
সময়ের অভাবে রিচেক দেওয়া হয় নিই
“আর একটা কথা তোমাদের জন্য ইউনিক বাসরের সিন লিখতে গিয়ে বার বার কন্ট্রোললেস হয়ে যাওয়া নিষ্পাপ ভদ্র আমি। বুঝেনই তো বেডা মানুষ বলে কথা। অনেক কষ্ট করে এই সিন টা লিখছি পরের পর্ব থেকে আমার থেকে রোমান্টিক ইউনিক সিন খোঁজো না প্লীজ”।
চলবে,,,,
( ভুল ক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ধন্যবাদ )
Share On:
TAGS: জাহিরুল ইসলাম মাহির, দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ১১
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ৪
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ৩
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ১৬
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ১
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ১৩
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ৭
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ১৫
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ২
-
দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ১৪