Golpo romantic golpo নির্লজ্জ ভালোবাসা

নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ১১


#নির্লজ্জ_ভালোবাসা

পর্ব ১১

লেখিকা_প্রিঁয়ঁসেঁনীঁ

রৌদ্র গভীর মনোযোগ নিয়ে ভাবছে তুরার কিছু কথা। কথা গুলো রৌদ্রের মাথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তুরা তখন এক ধমকের মতো বলেছে।

“যদি আমাকে আপনার সত্যিই ভালো লাগে, তাহলে আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আমার প্রতি আপনার ভালো লাগা আছে। আপনার ভালোবাসা যদি সত্যিকারের হয় ও,তবে জোর করে ভালোবাসা যায় না। ভালোবাসা অর্জন করতে হয় নিজের চরিত্র বদলে,সম্মান করে নিজেকেই নিজের করে নিতে হয়। আপনি হয়তো বিয়ে করে আমার শরীর পেতে পারবেন, কিন্তু মন পাবেন না। আপনার ভালোবাসা যদি প্রকৃত হয়, তাহলে আপনি আমার শরীর নয়,প্রথমে আমার মনকে পাওয়ার চেষ্টা করবেন। আমি আপনাকে এক মাস সময় দেব। এই এক মাসে আপনাকে বদলাতে হবে,যেসব মেয়েদের সঙ্গে আপনি দিনরাত কাটিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে ক্ষমা চাইতে হবে এবং নিজে নামাজে ও মোনাজাতে আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে মাফ চাইতে হবে। আমার শর্তগুলো যদি আপনি এক মাসের মধ্যে পূরণ করতে পারেন, তবেই আমি আপনাকে তিন কবুল বলে বিয়ে করবো।”

রৌদ্র অনেক খন ভেবে কিছু বলতে যাচ্ছিলো কিন্তু তুরার কণ্ঠ সেই মুহূর্তেই আবার গর্জে উঠলো তীক্ষ্ণ, দৃঢ়, অথচ ভেতরে কাঁপন জাগানো এক সুরে সে বলল।

“কি হলো,আপনি কি রাজি?এই ছাড়া যদি আপনি আমাকে বিয়ে করতে চান,তাহলে করতে পারেন। তবে আমি আপনাকে আগে থেকেই বলে রাখছি এই জীবন থাকতে আমি কখনো আপনাকে স্ত্রী হিসেবে সম্মান দেব না। অর্থাৎ,আপনি আমার জীবনে থাকবেন, কিন্তু আমার মনে কোনো জায়গা পাবেন না। কারণ একজন নারী কখনোই চায় না তার স্বামী হোক আপনার মতো একজন মানুষ। যদিও কেউ চায়, সেটা তাদের মন মানসিকতা, কিন্তু আমি আলাদা। আমি আপনাকে আমার স্বামী হিসেবে চাই না,রৌদ্র খান।”

তুরার কথা শুনে রৌদ্রের মুখে কোনো কথা ফুটলো না। চোখ দুটো হঠাৎই স্থির হয়ে গেলো, তারপর ঠোঁটের কোণে হালকা এক টান রাগ আর অভিমান মিশে এক তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করলো তুরার দিকে। মুহূর্তেই সে তার গার্ডদের দিকে তাকিয়ে নিঃশব্দে এক ইশারা করলো। গার্ডরা বসের চোখের ভাষা বুঝতে সময় নিলো না, দ্রুত কাজীকে নিয়ে জায়গা ছাড়লো। তারপর রৌদ্র নিজেই গভীর শ্বাস নিয়ে বড় বড় পা ফেলে বাইরে চলে গেল।রৌদ্র চলে যেতেই তুরা চারপাশে একবার তাকালো, তারপর হঠাৎই নিজের আনন্দ চেপে রাখতে পারলো না। মুখে ফুটে উঠলো দুষ্টু এক হাসি, চোখে চকচক করলো বিজয়ের ঝিলিক। মুহূর্তেই সে দুই হাত উঁচু করে নাচতে শুরু করলো, নিজের মনেই বলল।

“ডিংকা চিকা, ডিংকা চিকা, তুরা তুই শেষ পর্যন্ত পেরেছিস!”

তার গলায় খুশির সুর, মুখে একরাশ দুষ্টু তৃপ্তি। তারপর সামান্য থেমে হাসতে হাসতে বলল,

“এখন আমি এই এক মাসের মধ্যে যেভাবেই হোক পালাবো! আমি তো যাস্ট রৌদ্র ভাইয়াকে ভালো হতে বললাম, তাই বলে কি আমি তার জীবনে থাকবো কখনো না! আমার যে করেই হোক এখান থেকে পালাতে হবে!”

তুরা কথাগুলো বলতে বলতে নিজের চুল ঠিক করলো, আয়নার দিকে গিয়ে তাকিয়ে চোখ টিপ দিলো। যেন নিজের বুদ্ধির প্রশংসা করছে নিজেই।

“তুরা,তুই তো জিনিয়াস রে!”

পুরো হাসপাতাল যেন এক তাণ্ডবক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। ওয়ার্ডের ভেতর রোগীর আর্তনাদ, নার্সদের দৌড়ঝাঁপ সবকিছু ঢেকে দিচ্ছে এক মানুষের পাগল হয়ে যাওয়া চিৎকার। শিহাব চোখ লাল হয়ে উঠেছে, মাথার চুল এলোমেলো, হাতে ব্যান্ডেজ জড়ানো রক্তাক্ত দাগ তবুও সে থামছে না। ডাক্তাররা চেষ্টা করছে তাকে শান্ত করতে, কিন্তু কোনো কিছুর তোয়াক্কা করছে না সে। পাগলের মতো ধাক্কা মারছে, চিৎকার করে কাঁদছে, ভেঙে ফেলছে সামনে থাকা জিনিসপত্র। চারপাশের সবাই হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছে, যেন কেউ আগুনের সামনে পড়েছে।শিহাব বুক ফেটে যাওয়া গলায় গর্জে উঠল, চোখে আগুন নিয়ে বলল।

“আমি ওই রৌদ্রকে ছাড়বো না! ওকে আমি মেরে ফেলবো! ওই আমার কাছ থেকে আমার তুরাকে কেড়ে নিচ্ছে! আজ আমি শুধু মাত্র তার জন্য তুরাকে পাচ্ছি না!”

শিহাব দেয়ালে ঘুষি মারলো, ব্যথায় মুখ কুঁচকে গেল, কিন্তু থামল না। কণ্ঠ আরও ভারী হয়ে উঠলো।

“তুরা আমার হাত ধরতে চায়, কিন্তু এই রৌদ্রের বা’চ্চা আমাদের জীবনে বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে! আমি ছাড়বো না রৌদ্রকে আমি ছাড়বো না!”

তার চোখে জল আর রক্ত একসাথে গড়িয়ে পড়ছে, মুখে ব্যথা, কিন্তু হৃদয়ে শুধু একটাই আগুন প্রেম, ক্ষোভ, আর প্রতিশোধের।

শিহাবে কেবিনের বাইরে শিহাবের বাবা-মা মাথা ধরে বসে আছে, চোখে অজস্র উদ্বেগ আর কষ্ট। তাদের ছেলেটা আজ এমন বেদনাদায়ক অবস্থায় পড়ে আছে দেখে তারা কোনোভাবেই মেনে নিচ্ছে না। বারবার নিজেরা একে অপরকে চেপে ধরে ফিসফিস করে বলছে আমাদের একটা মাএ ছেলে যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে তাঁরা বাঁচতে পারবে না।

শিহাবের বাবা গোঁজামিল করেই বহু গুন্ডা লাগিয়েছে। খোঁজ করে রৌদ্রকে এনে দেবার জন্য টাকা দিয়ে লোক জোগাড় করেছেন, আর পুলিশে অভিযোগও করেছে। রাজশাহীর প্রতিটি কোণা তন্নতন্ন করে খোঁজ চলছে রাস্তাঘাট, অট্টালিকা, পরিচিত কারও বাড়ি সব দিয়েই ছেঁকে দেখা হচ্ছে। তবু কোনো সন্ধান মিলছে না। লোকজন বলছে রৌদ্র যে তুরাকে কোথায় রেখেছে, মনে হচ্ছে পৃথিবীতে কেবল রৌদ্র ছাড়া আর কেউ জানে না। এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে শিহাবের বাবা-মার বুক কেঁপে উঠে,চোখে অনুতপ্ত এক আশঙ্কা কখনো শান্তি নেই তাদের মনে।

শিহাব কক্ষের ভেতরে পাগলের মতো ঘোরে বেড়াচ্ছে। কেবিনের বেঞ্চ, টেবিল, ইনফিউশন স্ট্যান্ড যতো কিছু হাতে পাচ্ছে, সব ভাঙিয়ে ফেলছে। ওষুধের বোতল লড়িয়ে পড়ছে, পত্রিকা ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাচ্ছে। নিজের চুল আঁকড়ে ধরে বারবার নিজের কানে ধাক্কার মতো বলে উঠছে

“ছাড়বো না! আমি রৌদ্রকে ছাড়বো না! আমি ওর শেষ দেখে নিবো!”

,,,,,,,

রৌদ্র গাড়ির কাছে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মুখে চিন্তার ছাপ। তখন বাড়ি থেকে সুজা এসে নদীর পাড়ে নেমেছে। রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে গাড়ির সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রৌদ্রের পাশে একজন গার্ডও দাঁড়িয়ে আছে, রৌদ্রকে উদ্বিগ্ন দেখে গার্ড এগিয়ে এসে বিনয়পূর্ণ কণ্ঠে বলল।

“বস, যদি কিছু মনে না করেন, আমি একটু কথা বলবো। ম্যাম যা বললেন, আসলে খারাপ কিছু বলেননি। ম্যামের কথাগুলো যদি আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়, তা হলে আপনারও ভালো হবে আপনি ম্যামকেও পেয়ে যাবেন। পৃথিবীর সব নারী এক নয় কারো স্বপ্ন থাকে, ইচ্ছা থাকে একজন ভালো স্বামী পেতে। ম্যামেরও তেমনই একটা আশা আছে। তাই ম্যাম চাইছেন আপনি সব ছেড়ে দিয়ে ম্যামের মনের মতো হওয়ার চেষ্টা করুন। আর এতো কথা বলার জন্য আমি দুঃখিত ভালো মনে হলো তাই আপনাকে বলতে হলো।”

রৌদ্র গার্ডের কথাগুলো শুনে গভীরভাবে নিঃশ্বাস ফেললো। বুকের ভেতরটা যেন হঠাৎ করেই ভারী হয়ে উঠলো। কেন জানি না, আজ নিজের কাছেই নিজেকে ভীষণ ছোট আর নোংরা মনে হচ্ছে তার। চোখ বন্ধ করলেই ভেসে উঠছে একের পর এক মুখ যত নারীর সঙ্গে সময় কাটিয়েছে, যাদের অনুভূতি নিয়ে খেলেছে, তাদের প্রতিটা চাহনি আজ যেন তাকে বিচার করছে। মনে হলো, জীবনের সব ভুলের হিসাব একসাথে বুঝে নিতে হচ্ছে তাকে এই মুহূর্তে। যদি সে সাধারণ একজন মানুষ হতো, যদি তার অতীতটা এত নোংরা না হতো, তাহলে হয়তো তুরা তাকে একটুখানি হলেও মেনে নিতো। কিন্তু এখন সব কিছুই যেন দেরি হয়ে গেছে। রৌদ্র আরেকবার দীর্ঘশ্বাস ফেললো, চোখ তুলে আকাশের দিকে তাকালো যেন নিজের ভেতরের পাপগুলোকে ঢেকে ফেলতে চায় নীরব নীল আকাশের তলায়।

,,,,,,

রাত ১০:০০। ছুই ছুই বাতাসে তুরা রুমের বেলকনিতে বসে মনের সুখে আচার খাচ্ছে। ভবনের সামনে অনেক গার্ড পাহারা দিচ্ছে। রৌদ্র রুমে ঢুকে তুরাকে খুঁজতে থাকে, রুমে না পেয়ে বেলকনিতে এসে দেখে তুরা আচার খেতে খেতে আরাম করে বসে আছে। রৌদ্র ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল,

“তুই এই রাতে আচার খাচ্ছিস? আচার কোথা থেকে পেলি তুই?”

তুরা রৌদ্রের কথায় রৌদ্রের দিকে তাকিয়ে গর্জে হেসে উত্তর দিলো।

“একটা নেরু মামুকে বলেছি আমাকে আচার এনে দিতে। না হলে আমি তোদের বসকে বলে দেব আমি আচার খেতে চাইছি কিন্তু দেস নাই । তখন তোদের বস ল্যাং*টা করে ব্রিজের উপর রশি দিয়ে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখবে তখন তোদের মানুষিক সম্মানও হারাবে, চাকরিটাও যাবে।”

তুরা কথাটা বলে আবার মনোযোগ দিল আচার খাওয়ায়। মুখে একরাশ তৃপ্তি, ঠোঁটের কোনে হালকা আচার লেগে আছে দেখলে মনে হয় কোনো শিশু মজা করে কাঁচা আমের আচার খাচ্ছে। রৌদ্র একপাশে দাঁড়িয়ে তুরার দিকে তাকিয়ে রইলো সেই দৃশ্য যেন তাকে অদ্ভুত এক অনুভূতিতে ভরিয়ে তুলছে। জানে, এই মেয়েটাকে রাগিয়ে রাখা যায়, ভয় দেখানো যায়, কিন্তু বোঝা যায় না।রৌদ্র ধীরে তুরার দিকে এগিয়ে এলো, গলায় অজানা কোমলতা ভেসে উঠলো।

“তুরা”।

তুরা রৌদ্রের কোমল স্বরে চমকে উঠে মাথা ঘুরিয়ে তার দিকে তাকালো। রৌদ্রের চোখে আর সেই আগুন নেই, নেই অহংকার বা রাগ একটা শান্ত, নরম দৃষ্টি তুরার দিকে নিবদ্ধ হয়ে আছে। সেই দৃষ্টিতে যেন কোনো কথা নেই, অথচ তুরার বুকের ভেতর কেমন জানি এক মুহূর্তে থেমে গেল সবকিছু। সে চুপ করে রৌদ্রের দিকে তাকিয়ে রইলো, যেন বুঝতে চেষ্টা করছে এই মানুষটা হঠাৎ এমন করে তাকিয়ে আছে কেনো।

তুরা এখনো নিজের ভাবনার ভেতর ডুবে আছে, রৌদ্রের সেই শান্ত চোখের দৃষ্টি যেন তার মনের ভেতর ঢুকে বসে আছে। ঠিক তখনি রৌদ্র এক হাত বাড়িয়ে তুরার ঠোঁটের কোনে লেগে থাকা আচারের দাগটা আলতো করে মুছে দিলো তুরা মুহূর্তে চমকে উঠলো, বুকের ভেতর ধুক করে উঠলো কিছু একটা।রৌদ্রের আঙুলের ছোঁয়া বিদ্যুৎ চমকের মতো কাঁপিয়ে দিলো।তুরার শরীর। সে কিছু বলার আগেই রৌদ্র তুরার কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে খুব নিচু গলায়, নরম অথচ গভীর স্বরে বলল

“তুরা আমি যদি তোর সব শর্ত মেনে চলি তাহলে তুই কি আমার হবি?”

তুরা স্থির হয়ে গেল। চোখের পাতা কাঁপছে, বুকের ভেতর ঢেউ খেলছে অজানা অনুভূতি। কিন্তু মুখে কোনো কথা নেই শুধু নিঃশব্দ নীরবতা, আর রৌদ্রের নিঃশ্বাসের উষ্ণতা তার গালে ছুঁয়ে যাচ্ছে।

রৌদ্র তুরার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলো, সেই দৃষ্টিতে কোনো আগুন নেই শুধু এক অদ্ভুত কোমলতা, এক অচেনা আবেগের পরশ। তুরাকে কিছু বলতে না দেখে রৌদ্র গলার স্বরটা আরও নিচু হয়ে করে বলল, যেন প্রতিটি শব্দ তুরার বুকের ভেতর গলে পড়ছে।

“কি হলো জান বল না একবার, আমি যদি সব ছেড়ে দিই তুই কি আমার হবি?”

তুরা চমকে উঠলো, রৌদ্রের গরম নিঃশ্বাস তার গালের পাশে ছুঁয়ে যাচ্ছে, শরীরটায় এক অচেনা শিহরণ বয়ে গেল। সে বুঝতে পারছে না কী বলবে এই তো কিছুদিন আগেও রৌদ্র তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মানুষ ছিল আর সব শর্ত দিয়েছিলো সে নিজেকে বাঁচার জন্য , অথচ আজ এই মানুষটার কণ্ঠে যেন এক অন্যরকম টান। তুরা নিজের ভেতরে লড়ছে, মাথায় যুক্তি, হৃদয়ে অজানা টানাপোড়েন।অবশেষে নিজের অজান্তেই সে রৌদ্রের দিকে তাকালো চোখে একটু ভয়, একটু কৌতূহল, আর খুব সামান্য কোমলতা মিশে আছে। এক মুহূর্তের দ্বিধার পর তুরা নিঃশব্দে হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ল।

রৌদ্রের ঠোঁটে এক মৃদু মুচকি হাসি ফুটে উঠলো, সে আলতো করে তুরার গাল টেনে নিয়ে তুরার মুখে নরম করে ফুঁ দিলো যেন ভালোবাসার ছোঁয়া নয়, কোনো প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত। তারপর আর কিছু না বলে, ধীরে ধীরে পেছন ফিরে রুম ছেড়ে চলে গেলো।

তুরা স্থির হয়ে বসে রইলো সবকিছু যেন তার মাথার উপর দিয়ে চলে গেলো। মনটা অদ্ভুত ভিজে উঠেছে। একটু আগে কি হলো কেনো রৌদ্রের এমন শান্ত দৃষ্টি তাকে এতটা বিচলিত করলো, তা সে বোঝতেও পারছে না। তার বুকের ভেতর হঠাৎ করেই এক অজানা ঢেউ ওঠছে, শরীরে অচেনা শিহরণ বয়ে যাচ্ছে। যা সে নিজের সাথেও পরিচয় করতে পারছে না।

চলবে…!

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply