#মেঘের_ওপারে_আলো
#পর্ব_৩০
#Tahmina_Akhter
আলো নিজেকে কোনোমতে সামনের দিকে টেনে নিয়ে গেলো। কারো পদধ্বনি শুনে মেঘালয়, ইনায়া এবং তানিয়া একসাথে দরজার দিকে তাকালো।আলোকে দেখতে পেয়ে তানিয়া সোজা হয়ে দাঁড়ায়। তারপর আলোকে আস্বস্ত করতে মেকি হাসি দিয়ে বলল,
আলো যেন তানিয়ার কথা শুনতেও পেলো না। ড্রইংরুমের সোফায় বসে থাকা মেঘালয়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। মেঘালয়ের কপালে বেঁধে রাখা রক্তাক্ত ব্যান্ডেজের দিকে তাকিয়ে রইল। আলো হাত বাড়িয়ে স্পর্শ করতে গেলেই মেঘালয় আলোর হাত ধরে বলল,
— আমি ঠিক আছি। প্লিজ কান্না বন্ধ করো তুমি।
মেঘালয়ের কথা শেষ হলো না তার আগেই আলো কান্না করে ফেলল। তানিয়া এবং ইনায়া দুজনেই চট করে সরে গেল সেখান থেকে। কি দরকার এমন সময়ে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে থাকার?
মেঘালয় আলোর হাত টেনে ধরে তারপাশে বসিয়ে দিলো। আলো তখনও কেঁদে যাচ্ছে। মেঘালয় সোফায় হেলান দিয়ে তাকিয়ে রইল আলোর মুখের দিকে। বউটা তার একটু পর পর নাক টানছে আর চোখের পানি হাতে মুছে ফেলছে। মেঘালয়ের কেন জানি এই দৃশ্যটা দেখতে ভালো লাগছে! ভারি অদ্ভুত বিষয়! অথচ, লোকে বলে স্ত্রীদের কান্না করার সুযোগ দিতে নেই। কিন্তু, মেঘালয় আজ সুযোগ দিয়েছে। তার স্ত্রী তার জন্য কাঁদছে এরচেয়ে সুখানুভব আর কিসে আছে? নিজেকে সৌভাগ্যবান মানুষ মনে হচ্ছে আজ৷
বেশ অনেকখানি সময় অতিক্রম হবার পর মেঘালয় আলোর কান্না উপভোগ করতে পারছে না। বুকের মধ্যেখানে কেমন চিমটি কাটার মত ব্যথা অনুভব হলো। মেঘালয় উঠে বসল কোনোমতে। আলোর হাতটা টান দিয়ে তার দিকে ফেরালো। আলো মেঘালয়ের মুখের দিকে তাকালো না। মেঘালয় হাত বাড়িয়ে আলোর মুখটা ধরে উঁচু করে ধরল। ঠিক ওইসময় আলোর চোখের কার্নিশ বেয়ে
পানি গড়িয়ে পরল মেঘালয়ের হাতের ওপর। মেঘালয় অবাক হলো ভীষণ হলো।
“কেন যেন তার মন বলছে, তার মিথ্যাবতী তার হয়ে গেছে! মুখে না বলুক, কিন্ত,চোখের জল তো মিথ্যে বলছে না।”
মেঘালয় আলোর চোখের পানি মুছে দিয়ে বলল,
— আমি ঠিক আছি। তোমার চোখের সামনে বসে আছি।
— কপালের ব্যান্ডেজ রক্ত দিয়ে ভেজা। হাঁটুর এখানে ব্যান্ডেজ। বাম হাত গলায় ঝুলিয়ে রেখেছেন। তারপরও, আপনি বলছেন, আপনি ঠিক আছেন?
আলো মেঘালয়ের হাত সরিয়ে দিয়ে কথাগুলো বলেই। সোফা থেকে নেমে মেঘালয়ের পায়ের কাছে বসে পরল। ডানপায়ের হাঁটুতে রক্ত লেগে আছে এখনও। আলো মাথা উঁচু করে তাকায় মেঘালয়ের দিকে।
— কিভাবে হলো?
— হসপিটালের সামনে গিয়ে ইউটার্ণ নেয়ার সময় অপরদিক থেকে আসা লোকাল বাস ধাক্কা মারল বাইকে। ভাগ্য সহায় ছিল হয়ত! বাস তৎক্ষনাৎ ব্রেক কষলো। আশেপাশের উপস্থিত লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করল। মাথা ফেটে যে আমার রক্ত ঝরছিল আমার সেদিকে খেয়াল ছিল না।
জানো, আলো? আমি ভেবেছিলাম, আমি বোধহয় আর বাঁচব না! আমার মা’কে, তোমাকে, আমার ভাইদের, আমার অনাগত বাবুটাকে বুঝি আমার আর দেখা হবে না।
কথাগুলো বলতে বলতে নিশ্চুপ হয়ে যায় মেঘালয়। আলো মেঘালয়ের ডানহাত ধরে বলল,
— সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া আদায় করা উচিত আমাদের । আজ কত বড় বিপদ থেকে আল্লাহ তাআ’লা রক্ষা করেছেন আপনাকে।
মেঘালয় মাথা নাড়িয়ে সায় জানালো। আলো উঠে দাঁড়ালো। মেঘালয় আলোর মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।
— হাতের কি অবস্থা?
— বেশি কিছু হয়নি। পনেরোদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।
— আমি প্রায়শই আপনাকে বলি, হেলমেট ইউজ করতে। কিন্তু, আপনি কথা শুনেন না।
আলোর রাগী সুরে বলল। মেঘালয় মুখটা কালো করে বলল,
— হেলমেট পরলে চুল নষ্ট হয়ে যায়।
আলো বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে রইল মেঘালয়ের কথা শুনে। মেঘালয় আলোর দিকে তাকিয়ে বলল,
— এভাবে তাকিয়ে থাকার মানে কি? চুলগুলো কেমন চ্যাপ্টা হয়ে থাকে!
— হইছে আপনি হসপিটালে ডাক্তারি নয় ফ্যাশন শো করতে যান। সুন্দরী রোগীরা আপনার চ্যাপ্টা চুল দেখলে আরও অসুস্থ হয়ে পরবে। আপনারা কলিগরা জ্ঞান হারিয়ে পরে যাবে। রুগি এবং আপনার কলিগদের এত এত উপকার করার জন্য আপনাকে সেরা ডাক্তারের এওয়ার্ড দেয়া উচিত।
কথাগুলো বলেই আলো রেগেমেগে সেখান থেকে চলে তার ঘরে। মেঘালয় অবাক হয়ে যায়। মানে কি? এতক্ষণ কান্নাকাটি করল কার জন্য? চুলের কথা বলাতে এত রেগে যাওয়ার কি আছে?
মেঘালয় অসহায়ের মত বসে রইল। রুমে যাবে কিভাবে? পা নাড়তে পারছে না। টনটনে ব্যাথা কাবু করে ফেলছে তাকে! হুট করে দুই ভাইকে মিস করতে শুরু করল মেঘালয়। ভাই দুটো থাকলে মেঘালয়কে রুমে দিয়ে আসত।
এমনসময় আলো এলো। মেঘালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলল,
— রুমে যাবেন না?
— রেগে চলে গিয়ে আবার ফিরে এসেছো কেন?
— জানি না।
আলোর জবাবে মেঘালয় মুচকি হাসল। কারণ, তার বউয়ের যে পেটে পেটে হিংসে হচ্ছে খুব ভালো করেই টের পাচ্ছে সে।
আলোর হাত ধরে অতি সন্তর্পনে সিঁড়ি বেয়ে নিজের ঘরের দিকে চলল মেঘালয়। কারণ, আলো নিজেও প্রেগন্যান্ট। এই সময়টা আলোর জন্য রিস্কি। মেঘালয় ব্যাথা সহ্য করে আলোর হাতে হাত রেখে ছোট ছোট কদম ফেলে চলছে। গুটুর গুটুর আলাপ করতে করতে দু’জনে পৌঁছে গেছে ঘরে। মেঘালয়কে বিছানায় বসিয়ে রেখে আলো সোজা ওয়াশরুমে চলে গেল। বালতিতে পানি ভরে এনে রাখল খাটের পাশে। একটা ছোট টুকরো কাপড় এনে, পানিতে ভিজিয়ে তারপর পানি নিংড়ে মেঘালয়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। মেঘালয় ভ্রু কুঁচকে বলল,
— তুমি নিজেই তো ক্লান্ত। আমাকে নিয়ে এত চিন্তা করার দরকার নেই।
আলো যেন শুনতে পেলো না এমন ভান করে মেঘালয়ের পরনের শার্ট খুলে ফেলল। তারপর, ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিলো। একটা টুল এনে মেঘালয় পায়ের কাছে রেখে টুলে বসল আলো। তারপর, শুকিয়ে যাওয়া রক্ত মুছল। বালতিতে কাপড়ের টুকরা রাখতেই পানি লাল হয়ে যায়। আলোর ভয় হয় ভীষণ। সে রক্ত দেখতে পারে না। তবুও, আজ কেন জানি মেঘালয়ের বেলায় সে এত সাহস কোত্থেকে জোগাড় করল!
ইতিমধ্যে তানিয়া ইনায়াকে দিয়ে মেঘালয় এবং আলোর দুপুরের খাবার পাঠিয়ে দিলো। ইনায়া খাবার হাতে নিয়ে ঢুকতেই দেখতে পেলো সেই দৃশ্য। যেখানে আলো মেঘালয়ের পায়ের শুকিয়ে যাওয়া রক্ত মুছে দিচ্ছে। হুট করে ইনায়ার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল। গলা খাকারি দিয়ে তার উপস্থিতি বোঝালো। আলো এবং মেঘালয় দু’জনেই দরজার দিকে তাকাতেই ইনায়াকে দেখে অস্বস্তি ফিল করল। আলো তড়িঘড়ি করে খাটের পাশে রাখা টাওয়াল হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়ালো। টাওয়াল ছড়িয়ে দিলো মেঘালয়ের উন্মুক্ত শরীরের ওপর। মেঘালয় ঠোঁট চেপে হেসে ফেলল। ইনায়া দেখেও না দেখার ভান করল। খাবারগুলো খাটের ওপর রাখল। তারপর, আলোকে উদ্দেশ্য করে বলল,
— মেঘালয়ের চিন্তা করতে গিয়ে নিজের অনাগত সন্তানের কথা ভুলে গেলে?
আলো থমকে গেল। হাত থেমে গেল। ইনায়ার দিকে চোখ তুলে তাকালো। তারপর, নরম সুরে জবাব দেয়।
— ডাক্তার সাহেব, আমার কাছে সবকিছুর উর্ধ্বে। ডাক্তারের সাহেব যদি আমার অস্তিত্বের নাম হয়। তাহলে আমার সন্তান আমার দেহের একটা অংশ। অস্তিত্ব এবং অংশকে কেউ কি ভুলতে পারে?
আলোর জবাব শুনে ইনায়া হাসতে হাসতে মেঘালয়ের দিকে তাকিয়ে চোখ টিপ দিলো। মেঘালয় হেসে ফেলল ইনায়ার চোখ টিপ দেয়ার অর্থ বুঝতে পেরে। এদিকে আলো রেগেমেগে বালতি নিয়ে চলে গেল ওয়াশরুমে। এবার যত ইচ্ছা বেয়াই বেয়াইনকে চোখ টিপ মারুক। সে দেখবে না। মনে মনে হাজারবার বকল মেঘালয়কে। এত দুষ্টু একটা বর তার কপালে ছিল! মেয়ে মানুষ কেন তাকে দেখলে গলে যাবে? এই যে ইনায়ার মেঘালয়ের দিকে তাকিয়ে থাকার ধরণ ভালো লাগে না তার। বুকের ভেতরে অজানা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
— মেয়েটা তোকে ভালোবেসেছে ফেলেছে। তাছাড়া, ও এত সুইট কেন, মেঘালায়?
ইনায়ার কথা শুনে মেঘালয় খানিকটা অবাক হয়। তারপর, নরমসুরে বলে,
— জানি না তো। সব প্রশ্নের উত্তর জানতে নেই। উত্তর একবার জানতে পারলে আকর্ষন কমে যাবে। আলো কেন এমন? কেন ওর ভালোবাসার ধরণ এমন? আমি জানতে চাই না। কারণ, আমি জানি, আলোর না বলা ভালোবাসায় আমি তার কতখানি জুড়ে আছি!
ইনায়া মেঘালয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। মেঘালয়ের চোখেমুখে ফুটে ওঠা আলোর জন্য একরাশ মুগ্ধতা দেখতে দারুণ লাগছে। এই যে তার বড় আপা মাঝে মধ্যে বলে যে,
“কারো চোখে ভালোবাসা কিংবা মুগ্ধতা দেখতে পাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য”
আজই সে প্রমাণ পেলো। বড্ড ভালো লাগছে মেঘালয়ের চোখে আলোর মত শ্যামাকন্যার মেয়ের প্রতি তার ভালোবাসা এবং একরাশ মুগ্ধতা দেখে।
———–
দেখতে দেখতে আলোর এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হলো। মাহরীন এবং মাশফি আগামীকাল ফিরে আসবে ইন্ডিয়া থেকে। মাহরীনের জোড়াজুড়ির কারণে মাত্র পনেরো দিনের জন্য ফিরতে হচ্ছে। ডাক্তারের কাছে একপ্রকার কাকুতি মিনতি করে সে দেশে আসার জন্য অনুমতি পেয়েছে। আগের থেকে কিছুটা সুস্থ হয়েছে।
শ্বাশুড়ি ফিরে আসার সংবাদ শুনে তানিয়া এবং আলো ভীষণ খুশি হলো। মেঘালয় তো মাহরীনের পছন্দ সব বাজার-সদাই করে এনেছে। সিতারা বেগম গত দুদিন ধরে আলোর কাছে আছেন। বেয়াইনের ফিরে আসার কথা শুনে তিনিও খুশি হলেন। ইদানিং, আলোর জন্য সিতারা বেগমের মন পুড়ে। আফসার সাহেবের কতখানি জুড়ে যে আলো ছিল, একমাত্র তিনি জানতেন। বেঁচে থাকতে মানুষটাকে কত গালমন্দ করেছেন। শুধুমাত্র আলোকে আদর করতেন বলে৷ সেই দিনগুলোর কথা মনে পরলে, এখন শুধুই চোখ থেকে অশ্রু ঝরে পরে।
সিতারা বেগম মাগরিবের নামাজ আদায় করার পর। এক্সট্রা নফল নামাজ আদায় করলেন। তারপর, তাসবীহ হাতে নিয়ে ঘর থেকে বের হলেন। আলোর কাছে যাবেন এখন। কারণ,, এই সময়ে মেঘালয় বাড়িতে থাকে না। সন্ধ্যারাতে সিতারা বেগম আলোর ঘরে গিয়ে দেখলেন, আলো অসময়ে শুয়ে আছেন। সিতারা বেগম ধীরপায়ে হেঁটে গিয়ে আলোর মাথার কাছে বসলেন। আলোর মাথায় হাত রেখে আদুরে সুরে বললেন,
— কি রে আলো, অসময়ে শুয়ে আছিস যে? শরীর খারাপ লাগছে?
আলো সিতারা বেগমের স্পর্শ পেয়ে চোখ খুলে তাকালো। চোখদুটো লাল হয়ে আছে। সিতারা অবাক হয়ে যান। চোখের কোনে জমে থাকা পানি নিজের হাত দিয়ে মুছে দিয়ে বললেন,
— কি হয়েছে তোর?
— আম্মা, আমি স্বপ্নে দেখলাম, আমার রাজপুত্রের মত দেখতে একটা ছেলে হয়েছে। কিন্তু, আমার ছেলে আমাকে দেখে মুখ ফিরিয়ে নিলো। আমি তাকে হাত বাড়িয়ে স্পর্শ করতে চাইলাম। কিন্তু, কে যেন এসে আমার রাজপুত্রকে আমার সামনে থেকে নিয়ে চলে গেল?আমি শত চেষ্টা করেও তাকে আটকাতে পারলাম না।
কথাগুলো বলতে বলতে আলো ঝরঝরিয়ে কেঁদে ফেলল। কথাগুলো শোনার পর সিতারা বেগমের কলিজায় কে যেন টান দিলো! অজানা আশংকায় শরীর কাঁপছে! কারণ, গত একসপ্তাহের মধ্যে তিনদিন তিনি নিজেই স্বপ্ন দেখেছেন। আলোর বাবা এসে আলোর বাচ্চাকে কোলে নিয়ে কোথাও চলে যেতে চাইছেন। যতবার নিয়ে যেতে এসেছেন ততবারই সিতারা বেগম উনাকে ফিরিয়ে দিয়েছে।
পরপর ল একই স্বপ্ন দেখার কারণে সিতারা বেগম আলোর কাছে এসে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। শ্বাশুড়ির অনুপস্থিতিতে আলোকে দেখে শুনে রাখার জন্য সিতারা নিজেই মেঘালয়ের কাছে আগ বাড়িয়ে এই বাড়িতে এসে থাকার কথা জানায়। মেঘালয় ভীষণ খুশি হয়ে নিজে গিয়ে নিয়ে আসে সিতারা বেগমকে এই বাড়িতে।
কিন্তু, আজ আলোর এই স্বপ্ন দেখার মানে কি? সিতারা বেগম আলোর মাথা হাত বুলিয়ে আস্বস্ত করতে বারবার বলতে লাগলেন,
— খারাপ খোয়াব দেখেছিস তুই! অসময়ে ঘুমাস কেন? কিছু হবে না তোর বাবুর। আল্লাহ ভরসা।
আলোর মন মানে না। সিতারা বেগমের দৃষ্টির আড়ালে আলো তার ডান হাতটা পেটের ওপরে রেখে মনে মনে বলছে,
” তোর কিছু হলে আমি মরে যাব, বাবু। তোর মায়ের আপন বলতে কেউ নেই রে। মা’কে ছেড়ে কোথাও যাস না। “
আলোর চোখে বেয়ে অশ্রু ঝরে। মনে মনে সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করছে বারবার।
চলবে…..
Share On:
TAGS: তাহমিনা আক্তার, মেঘের ওপারে আলো
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ২৩
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ১
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ১১
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ২২
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ২৪
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ১৭
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ২৫
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ১৪
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ৪
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ২১