প্রেমবসন্ত_২
হামিদাআক্তারইভা_Hayat
৭.
“তুমি একা একা বসে আছো কেন কায়নাত?”
নিশা পাশে এসে বসল।কায়নাত বলল,
“আমার তো কেউ নেই।”
“আমরা নেই?আমি আছি,নিধি আছে—সবাই আছে।”
কায়নাত মৃদু হেসে বলল,
“আছো তো!তবে আমার পাশে তো নেই।”
নিশা গাল ফুলালো।চোখ পাকিয়ে বলল,
“কেমন কথা এসব?সব ননদরা খারাপ হয় না বুঝলে?আমায় ননদ নয়,নিজের বোন মনে করবে।”
কায়নাত মুচকি হেসে বলল,
“বেশ,তাই হবে।”
আজগর চৌধুরী নাচ-গান পছন্দ করেন না বলে বাচ্চারা স্লো সাউন্ডে বক্স বাজাচ্ছে।গায়ে হলুদ শুধু নামে মাত্র।এসব নাজনীনের পছন্দ নয়।তবু মরুববিদের কথা ভেবে সকালে গায়ে হলুদ দিয়েছিল।মেয়েরা তখনও মেহেদী দিতে ব্যস্ত।কায়নাত আজ অন্যদিনের তুলনায় একটু বেশি’ই শান্ত।চুপচাপ একজায়গায় বসে আছে।হঠাৎ হাত বাড়িয়ে নিজের সামনে নিয়ে এলো।ডান হাতের মধ্যখানে ‘অর্ণর বউ’ নামখানায় চোখ আঁটকে এলো।কায়নাত বিড়বিড় করে বলল-“অর্ণর বউ,কায়নাত সুবাহ?”
মেয়েটা কেমন অনুভূতি হচ্ছে।অর্ণ নামের লোকটাকে তার মোটেও ভালো লাগে না।লোকটা একটু বেশি’ই অন্যরকম।কারোর সাথে বেশি কথা বলে না,একজায়গায় বসে সবার সাথে আড্ডাও দেয় না,আর না কারোর সাথে ভালো ব্যবহার করে।সে শান্ত চোখ খানা উঁচিয়ে ছাদের কোণায় তাকাল।অর্ণ তো সেখানে দাঁড়িয়ে আছে।তার মনে হলো জীবনটা বোধহয় তাকে নিয়ে খেলছে।অদ্ভুত ব্যাপার!সামনের লোকটা তার স্বামী; অথচ সেই স্বামীর সাথে কথা বলার মতো সাহস কিংবা উপায় তার নেই।
প্রেম স্বার্থর সাথে ঝগড়া শুরু করেছে।কী নিয়ে এদের ঝগড়া হয় সেটা হয়তো নিজেরাও জানে না।ছাদে রেখা বেগম এসে বাচ্চাদের নাস্তা দিয়ে গেছেন।হয়তো সেই খাবার নিয়েই এদের আবার লেগেছে।বিচ্ছু আদি অর্ণর পাশেই অর্ণর মতো গম্ভীর ভান ধরে বুকে হাত গুঁজে দাঁড়িয়ে আছে।তার ভাব খানা এমন যেন,অর্ণ তাকেই বুঝি নকল করছে।সে কপালে গভীর ভাঁজ ফেলে স্বার্থদের দিকে তাকিয়ে আছে।প্রেম বোধহয় কথায় কথায় স্বার্থর সাথে মারামারিও লাগিয়ে দিয়েছে।এক পর্যায় বিরক্ত হয়ে বলল,
“স্বার্থ ভাই,তোমাকে তো বিয়েতে দাওয়াত দেয়নি,তাহলে এসেছো কেন?”
স্বার্থ বলল,
“দাওয়াত দেয়নি বলে আসতে পারব না?এই বেয়াদব,তোকে বলে আসতে হবে আমাকে?”
“তা নয়।কিন্তু দাওয়াত ছাড়া বিয়ে বাড়িতে এসে আমার সাথে কেন ঝগড়া করছো তুমি?”
“ঝগড়া আমি করছি নাকি তুই?মেয়েদের মতো আমার সাথে তুই চিপতে থাকিস আমি নই।”
কথা খানা ভীষণ লাগল প্রেমের।সে মুখ গম্ভীর করল।মনে পড়ে গেল কিছুদিন আগের কথা।তিন মাস একটা মেয়ের সাথে সম্পর্কে ছিল সে।মেয়েটার নাম নীলা,বয়স ২৩ কিংবা ২৪ বলেছিল।অবশ্যই ফেসবুকে পরিচয় হয়েছিল।রিলেশনে যাওয়ার ৩মাসের মাথায় বেচারা দেখা করতে চেয়েছিল।মেয়েটা রাজি থাকায় সে খুশি হয়েছিল ভীষণ।আগে কখনো মেয়েটার সাথে কলে কথা হয়নি,যা হয়েছে সব মেসেজে।দেখা করতে চাইলেও মেয়েটা দেখা করতে চাইত না।এতদিন পর দেখা করবে ভেবে খুশিতে আত্মহারা সে। একদিন সময় বের করে সে দেখা করতে গেল মেয়েটার সাথে।গুলশান ২-এ একটা বড় রেস্টুরেস্টে গেল সন্ধ্যার পর।সে উপস্থিত হওয়ার আধ-ঘণ্টা পর নীলা নামের মেয়েটা মেসেজ দিয়ে বলল সে নিজেও চলে এসেছে।প্রেম সেখানে খুঁজেও মেয়েটাকে না মেয়ে রিপ্লাই করেছিল সে তাকে খুঁজে পাচ্ছে না।আচমকা সামনের টেবিল থেকে প্রেমের দিকে স্বার্থ উকি মেরে বলল,
“এইতো সোনা,আমাকে খুঁজছ তুমি?”
প্রেম অবাক হয়ে স্বার্থর দিকে তাকিয়ে ছিল।কিছুই বুঝতে পারছিল না।স্বার্থ সামনের টেবিল ছেড়ে প্রেমের কাছে এসে বসার পর লাজুক হেসে বলল,
“আমার জন্য ফুল এসেছো জান?তোমাকে না বললাম লাল গোলাপ নিয়ে আসতে?”
প্রেম আশ্চর্য হয়ে বলল,
“তুমি এখানে কী করছো?”
স্বার্থ বলল,
“যাহ দুষ্টু,তুমি না বললে আমার সাথে দেখা করতে চাও?”
“আমি কখন তোমার সাথে দেখা করতে চেয়েছি?আমি তো নীলার সাথে দেখা করতে এসেছি।”
বলতে বলতে সে থমকে গেল।শুকনো ঢোক গিলে দাঁত চেপে বলল,
“প্লিজ এবার বলো না,নীলা নামের মেয়েটা তুমি নিজেই?”
স্বার্থ ঠোঁট টিপে উপর নিচ মাথা নাড়িয়ে বলল,
“আমি’ই নীলা।প্রেমাপার একমাত্র সুইট গার্লফ্রেন্ড।”
পুরনো কথা ভেবে ছেলেটার মুখ রক্ত’বর্ণ ধারণ করল।কী ছ্যাঁকাটাই না খেয়েছিল বেচারা।
আদি গুটি গুটি পায়ে কায়নাতের নিকটে এগিয়ে এলো।কায়নাত মুখ ভার করে বসেছিল।আদিকে দেখে মাথার আঁচল কোনরকম টেনে বলল,
“কিছু বলবে?”
আদি ওর পাশের চেয়ারে বসে অর্ণর দিকে দৃষ্টি রেখে বলল,
“তুমি তো আমার ভাবি তাই না?”
“ভাবি নয়,মামি হই।”
“ওই একই ব্যাপার।আমার গম্ভীর মামুর বউ হতে গেলে কেন তুমি?”
কায়নাত বলল,
“তোমার মামু বিয়ে করেছে বলে তার বউ হয়েছি।”
“মামু কিন্তু রেগে গেলে তোমায় ধরে আছাড়ও মারতে পারে।”
কায়নাত বিরক্ত হলো আদির কথা শুনে।সে কী জানতে চেয়েছে অর্ণর সম্পর্কে কিছু?লোকটা তাকে মরবেই বা কেন?আদি কায়নাতকে বিরক্ত করার জন্য বকবক করেই যাচ্ছে।আর সব কথায় অর্ণকে টানছে।অর্ণ দূর থেকে চোখ ছোট ছোট করে তাকিয়ে দেখছে আদির কাণ্ড।হাত উঁচিয়ে বারেবারে তাকেই তো দেখানো হচ্ছে।অর্ণ গাম্ভীর্য বজায় রেখে হঠাৎ এগিয়ে এলো তাদের নিকটে।সে মূলত আদির জন্যই এসেছে।কায়নাত অর্ণকে এগিয়ে আসতে দেখে দৃষ্টি সরিয়ে নিল।শুকনো গলা ভিজিয়ে ভাবল লোকটা কেন কাছে আসছে।
অর্ণ কাছে এসে আদির কান চেপে ধরল।বাচ্চাটা হুহু করে চিৎকার শুরু করল,
“মামু,কান ছাড়ো আমার।”
অর্ণ দাঁত চেপে বলল,
“কী করছো তুমি?মুখটা আজ কাল একটু বেশি’ই চলছে না?”
“আমি কী করেছি?”
“সেটাও আমাকে বলে দিতে হবে?”
কায়নাতের মায়া লাগল।সে অর্ণর হাত চেপে ধরে বলল,
“ওর কান ছাড়ুন তো।ব্যথা পাচ্ছে বাচ্চাটা।”
অর্ণ ছাড়ল না তার কান।কায়নাত চোখ তুলে তাকাল।লোকটা তীক্ষ্ণ চোখে তার দিকে তাকিয়ে আছে।কায়নাত হাত ছেড়ে দিলো।এই বুঝি লোকটা ধমক দিয়ে সারল।অথচ অর্ণ কিছুই করল না।আদির কান ছেড়ে দিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বলল,
“বিচ্ছুদের সাথে মিশে দুষ্টুমি করবে না।”
অর্ণ প্রস্থান করল।কায়নাত কপাল কুঁচকে ফেলল তার কথা শুনে।কোনো ভাবে কী অর্ণ তাকে বিচ্ছু বলে গেল?কত বড় সাহস লোকটার ভাবা যায়?মুখের সামনে এসে অপমান করে গেল।
সময় হলে সেও শুধে-আসলে মিটিয়ে দিবে।
•
রাত হয়েছে অনেক।ছোট ছোট বাচ্চারা ঘুমিয়ে গেছে সারাদিনের দুষ্টুমি ছেড়ে।বাড়িটা তখন ভীষণ শান্ত।বাড়ির মেয়েরাও নিজেদের ঘরে অবস্থান নিয়েছে।কায়নাত ঘরের বারান্দায় বসে ছিল চুপটি করে।নুসরাত এসে তার পাশে বসল।কায়নাতকে চুপচাপ বসে থাকতে দেখে বলল,
“নতুন নতুন মানুষের মাঝে নিজেকে মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে?”
কায়নাত দেয়ালে মাথা ঠেকিয়ে দূর আকাশপানে তাকাল।
“তা তো একটু হবেই।মা বাবাকে রেখে এভাবে একা তো কখনো থাকিনি,তাই হয়তো একটু খারাপ লাগছে।”
“হওয়ার’ই কথা।ঢাকায় যাওয়ার আগে তোমার মায়ের সাথে দেখা করবে না?”
কায়নাত চমকে তাকাল।আশ্চর্য হয়ে বলল,
“ঢাকা?কে ঢাকায় যাবে?”
“এটা তো তোমার দাদাশ্বশুর বাড়ি।তোমার শ্বশুর বাড়ি তো এখানে নয়।”
“তাহলে কোথায়?”
“ঢাকা।”
কায়নাত শক্ত হয়ে বসে রইলো।তার যে কলেজ এখানে।ঢাকায় চলে গেলে পড়বে কিভাবে?সামনেই যে পরীক্ষা তার।মুখ ফুটে সেই কথা টুকু বলতে পারল না সে।ঘরের মধ্যে নিধি বিছানা করছে।আজ নিচেও বিছানা করা হয়েছে মানুষ বেশি বলে।
কায়নাত জিজ্ঞেস করল,
“আপনি উনার কী হন?”
নুসরাত মুচকি হাসল।বলল,
“আমাকে তুমি বলেই ডাকতে পারো।আর আমি তোমার বড় ননদ হই।নিশার বড় বোন আমি।”
কায়নাত কপাল কুঁচকে বলল,
“কিন্তু উনারা না চার ভাই?”
“আমি আর নিশা খালাতো বোন হই ওদের।আমার মা বাবা মারা গেছেন আমরা ছোট থাকতে।তখন থেকেই চৌধুরী বাড়ি থাকি।খালা আর খালুকে আমরা আব্বু আম্মু বলেই ডাকি।তুমি হয়তো জানো না এসব।”
কায়নাত বলল,
“সত্যি জানতাম না।আমার কথা কী খারাপ লেগেছে তোমার?”
“মোটেও না।তুমি আমার ভাবি হও।কিছু না জানলে তো আমাদেরই জিজ্ঞেস করবে।”
কায়নাত গাল ভরে হাসল।নিশা,নুসরাত,নিধি সবার ব্যবহার এত সুন্দর,সে মুগ্ধ না হয়ে পারল না।সে হেসেই বলল,
“আমার তো কোনো বোন ছিল না।স্কুল কলেজেও তেমন কারোর সাথে চলা-ফেরা করা হয়নি।নিজে থেকে না মিশলে কেউ কথাই বলতে চাইত না।অথচ তোমরা কী সুন্দর আমার সাথে মিশে গেছো এত তাড়াতাড়ি।আমার মোটেও মনে হচ্ছে না তোমাদের আমি মাত্র কয়েকদিন ধরে চিনি।”
নুসরাত খিলখিল করে হেসে ফেলল।
“শোনো,আমরা তোমার বোনও হই আর বান্ধুবীও বুঝলে?এখন থেকে সারাটা জীবন আমাদের সাথেই থাকতে হবে।”
“যদি বন্ধু হয় তোমাদের মতো,তাহলে আমি আজীবন এমন করে থাকতেও রাজি।”
হেসে ফেলল দুজনেই।জস্না রাতের মৃদু আলোয় দুজন নারীর মুখমণ্ডল আলোয় জ্বলজ্বল করছিল।আর সাথে ছিল তাদের ঠোঁটের খিলখিল হাসি।
•
পরেরদিন সকাল বেলার মুহূর্ত।কায়নাতকে তার শাশুড়ি নিজের ঘরে ডেকেছেন।কায়নাত শ্বশুরের ঘরে বিছানায় বসে আছে চুপচাপ।ঘর ভর্তি মানুষ সেখানে।রেখা বেগম,লতা বেগম,আতিয়া বেগম এবং বাড়ির মেয়েরাও ছিল।তারা তাদের কাজে ব্যস্ত ছিল।সেখানে কাপড় পছন্দ করা হচ্ছে মেয়ের বাড়ির মানুষদের জন্য।বাড়ির কাজ আরও অনেকেই করছেন।বেহরুজ বেগম যেহেতু খুলনায় মাঝে মধ্যে এসে থাকতেন তাই এই বাড়িতেও তার অনেক কিছুই ছিল।শ্বশুর বাড়ির দেয়া জিনিস তিনি যত্ন করে এখানেই রেখে গিয়েছিলেন।কায়নাতের দিকে একটা বড় ব্যাগ এগিয়ে দিলেন তিনি।নীরবে তার কাছে বসে ধীর স্বরে বললেন,
“আমি জানি না আমার ছেলের সাথে তোমার কবে বিয়ে হয়েছিল।এখন যেহেতু জেনে গেছি তখন অস্বীকার করার মতো সাহস আমার নেই।তুমি শুধু আমার বাড়ি নয়,এই বংশের প্রথম বউ।এতদিন কোথায় ছিলে,কিভাবে ছিলে কিছুই আমি জানি না।আমার ছেলের উচিত ছিল তোমার দায়িত্ব নেয়া,তোমার সম্পর্কে আমায় জানানো।”
বেহরুজ বেগম কায়নাতের মাথায় হাত বুলিয়ে নরম হলেন একটু।বললেন,
“আমি তোমার শাশুড়ি হলেও সব সময় নিজের মা মনে করবে।তুমি আমার ছেলের বউ হলেও আমার কাছে আমার মেয়ের মতোই।”
কায়নাত মাথা নিচু করে সব কথা শুনে যাচ্ছিল।চোখে পানি জমেছে বহুক্ষণ আগে।শাশুড়িদের সম্পর্কে সে আজীবন বাজে কথাই শুনে এসেছে।অথচ আজ নিজের শাশুড়িকে দেখে সেই খারাপ ধারণাটুকু ভেঙে গেছে।
বেহরুজ বেগম সেই ব্যাগ দেখিয়ে বললেন,
“ভাবিনি গ্রামে এসে ছেলের বউয়ের সাথে দেখা হবে।তোমাকে দেয়ার মতো এই মুহূর্তে আমার কাছে কিছুই নেই মা।আমার শাশুড়ি বিয়ের সময় আমাকে কিছু গয়না দিয়েছিলেন।আমি সেগুলো যত্ন করে আলমারিতে তুলে রেখেছিলাম।আজ তুমি আমার দেয়া এই সামান্য উপহার টুকু পড়বে কেমন?”
কায়নাতের গলা ভেঙে এলো কান্নায়।এত আদুরে গলায় মিলি ছাড়া তার সাথে কেউ কখনো কথা বলেনি।মায়ের কথা মনে হতেই কান্নায় ভেঙে পড়ল মেয়েটা।কান্নার শব্দে ঘরে উপস্থিত সবাই বিছানার দিকে চোখ তুলে তাকালেন।বেহরুজ বেগম বুকে টেনে নিলেন ওকে।কায়নাত হাত বাড়িয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল শাশুড়িকে।আতিয়া বেগম গাল ভরে হাসলেন এই মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে।এইটুকুই তো চাইতেন তিনি।একদিন অর্ণর বউ এই বাড়ি আসবে,সবাই জানবে কায়নাত সুবাহ অর্ণ চৌধুরীর বিয়ে করা বউ।চৌধুরী বংশের প্রথম বউ কায়নাত সুবাহ।
দুপুরের আযান দিতেই ছেলেরা নামাজে গেলেন।নামাজ শেষে মেয়ের বাড়ি রওনা হবেন সবাই।কায়নাত নামাজ শেষ করে শাশুড়ির দেয়া শাড়ি পরেছে।লাল রঙের শাড়ি গায়ে জড়িয়ে স্বর্ণের কিছু গয়না পরেছে।মেয়েটা আয়নায় নিজেকে দেখে আজ ভীষণ অবাক হলো।সে যে এক সপ্তদশী নারী দেখে বুঝাই যাচ্ছে না।চুল গুলো খোঁপা করে মাথায় আঁচল দিয়েছে সে।পাক্কা গিন্নি গিন্নি লাগছে দেখছে।পেছন থেকে নুসরাত তৈরি হতে হতে কায়নাতকে বারবার আড়চোখে দেখছিল।মেয়েটাকে আয়নার সামনে অমন স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বলল,
“এমন করে তাকিয়ে আছো কেন?নিজেরই নজর লেগে যাবে তো।”
কায়নাত মাথা নিচু করে হেসে ফেলল।
(আমি শুধু নায়ক নায়িকার প্রেম কাহিনি লিখার জন্য গল্প লিখি না।গল্পে যেমন নায়ক নায়িকার সীন থাকবে তেমন পরিবারের প্রত্যেকের সাথে প্রত্যেকের সম্পর্কের বন্ডিং’টাও থাকবে।শুধু নায়কের জন্য কিংবা নায়ক নায়িকার জন্য গল্প পড়ে থাকলে আমি খুবই দুঃখিত।)
চলবে…?
Share On:
TAGS: প্রেমবসন্ত সিজন ২, হামিদা আক্তার ইভা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ২৯
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১৭(প্রথমাংশ +শেষাংশ)
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১৯
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ২৩
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৯
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ২৫
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ২০
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ২৭.২
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ২২