হিপনোটাইজ
তাজনিন_তায়্যিবা
পর্ব:10
⭕পূনর্জন্ম বা টাইম ট্রাবল কোন ধর্মে গ্রহনযোগ্য
_______________________________ নয়,এটি কেবল রুপকথার উপমা।
___________________⭕
জানালার ফাঁক গলিয়ে দুটো ছলছলে অশ্রুসিক্ত চোখ সাক্ষী হলো আইরিশের প্রেম নিবেদনের। বড় আক্ষেপের সহিত উচ্চারণ করলো কয়েকটি শব্দগুচ্ছ,
“আমাকে কেনো ভালোবাসতে পারলেন না আইরিশ ভাই?এই সুন্দর আংটিটা তো আমারও হতে পারতো, নাকি আপনি বুঝতে পেরেছিলেন এই মূল্যবান রত্নের ভার নিতে পারতাম না আমি?একটা সামান্য কর্মীর মেয়ে বলে বুঝি আপনার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হলাম?
বৃদ্ধাঙুল দিয়ে চোখের কোনের অবশিষ্ট জলটুকু মুছে নিলো সুফি, বিরবির করে আবারো বললো,
” আমি খুব করে দোয়া করি পূনর্জন্ম বলে কিছু একটা হোক, আর সেই জন্মে আমি ফ্লোরেন্সার আগে আপনার কাছে পৌছাবো, আপনাকে আদায় করেই ছাড়বো আইরিশ ভাই।”
ফ্লোরেন্সা চিবুক নামিয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, একবার আংটিটার দিকে তাকাচ্ছে তো একবার আইরিশের দিকে। আইরিশ মুচকি হাসলো, ফ্লোরেন্সার গালে আলতো হাত রাখলো,মিহি কন্ঠে বললো,
“তোর কিছু বলার নেই ফ্লোরেন্সা?”
ফ্লোরেন্সা নিরব ওড়না খামচে ধরে চোখ বন্ধ করে নিয়েছে, কি বলবে সে? কি বলার আছে তার? আইরিশ ভাইয়ার মুখের উপর কথা বলার সাহস নেই এক বিন্দু, তার উপর প্রত্যাখ্যান করার কথা তো চিন্তাই করতে পারছে না।ফ্লোরেন্সার নিরবতায় আইরিশ ঠোঁট কামড়ে হাসলো, মাথা চুলকে বললো,
“তবে কি নিরবতা সম্মতির লক্ষন?”
ফ্লোরেন্সা এবারেও নিশ্চুপ, ঠিক সাহস জুগিয়ে উঠতে পারছে না কিছুতেই। অথচ তার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে, চিৎকার করে বলতে চাইছে,
“আমাকে ক্ষমা করুন ভাইয়া আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারবো না কিছুতেই পারবো না।”
কিন্তু ভেতরের ছটপটানি বাহিরে প্রকাশ পেলো না একটুও, ভয়ের কারনে ভেতরেই আটকে রইলো চাপা আর্তনাদ।
পরেরদিন সকালবেলা, প্রতিদিনের মতোই স্বাভাবিক সবকিছু।সূর্য নিয়মকরে একই সময় উঠেছে, পালিত মুরগীর ডাকে ভোরের সকাল কেমন রবরব সাজ।অথচ ফ্লোরেন্সার মন ভালো নেই,রাতে ঘুম হয় নি একটুও, কি করেই বা হবে, মন মস্তিষ্ক যদি থাকে অন্যকারো দখলে,তবে শুন্য দেহে প্রান সঞ্চার কি করে হবে।
নীল চোখের মানুষটার জন্য এতো কেনো উদগ্রীব লাগে তার?এতো কেনো বেশামাল লাগে নিজেকে? তবে এর নাম কি ভালোবাসা? সত্যিই কি সে মানুষটাকে ভালোবেসে ফেললো?তবে আইরিশ ভাই, তাকে কি করে প্রত্যাখ্যান করবে? বিবেকের দংশনে জ্বলেপুড়ে যাচ্ছে ফ্লোরেন্সার বক্ষপট।কি করবে কিছুই বুঝতে পারছে না।
আইরিশ ফজরের নামাজ শেষ করে মসজিদ থেকে মাত্রই নিজের ঘরে ফিরলো,ঘরে প্রবেশ করার সময় নজরবন্দী হলো এক টুকরো কাগজ,কাগজটা মূলত চিরকুট।আইরিশ ঝুকে গিয়ে চিরকুট টা নেড়েচেড়ে দেখলো, অত:পর চিরকুটের গায়ে কালো কালিতে জ্বলজ্বলে অক্ষর গুলো পড়া মাত্রই মুখের ভঙি পাল্টে গেলো তার,কাগজটা হাতে নিয়েই প্রচন্ড ক্ষিপ্ত গতিতে ছুটে গেলো জোসেফের কক্ষের দিকে।
জোসেফ ঘুমে বুদ, আইরিশ জোসেফকে ঘুম থেকে ডেকে তোলার আগ্রহ দেখালো না, বরং দরজায় অনবরত লাথি দেওয়া শুরু করলো নিজেকে সংযত রাখতে না পেরে।দু তিনটে জোড়ালো লাথি পড়তেই টিনের দরজা খুলে গেলো, আইরিশ ছুটে গিয়ে টেনে তুললো ঘুমন্ত জোসেফকে। জোসেফ কিছু বুঝে উঠার আগেই হাত চালানো শুরু করলো আইরিশ, ঘুমোনোর কারনে অচল মস্তিষ্ক জোসেফের, প্রতিঘাত করার সুযোগ পেলো না, তার আগেই আইরিশ মারতে মারতে ঘরের বাইরে নিয়ে এলো তাকে, বাড়ির উঠানে আসতেই হৈচৈ পরে গেলো পুরো বাড়িতে।আব্দুল লতিফ ভাইয়ের পুত্রের এমন কান্ডে হতহ্বিবল, ধমকের স্বরে বললো,
“কি করছো কি আইরিশ? উনি এই বাড়ির অতিথি,নিজেকে সংযত করো।”
আইরিশ চেচিয়ে উঠলো লতিফের উদ্দেশ্যে,
“চুপ করুন জেঠু, কার হয়ে সাপাই গাইছেন আপনি জানেন? এই লোকটা আর কেউ নয় লর্ড মাউন্টের ছেলে প্রিন্স জোসেফ। যে কিনা এই বাড়িতে থেকেই গঞ্জের মানুষদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে।”
জোসেফের পরিচয় জানতে পেরে বাড়ির সবাই চমকেছে তো বটেই তবে, খুব ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে সবাই, তাদের ঘাতক কিনা তার বাড়িতেই ছদ্মবেশ ধারন করে ছিলো? এইটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না,আইরিশের সাথে ফ্লোরেন্সার ভাইয়েরাও যুক্ত হলো এবার, প্রিন্স জোসেফকে সবাই মারতে মারতে রক্তাক্ত করে ফেলেছে ইতিমধ্যে।
উঠোনে হট্টগোলের শব্দ শুনে বেড়িয়ে এলো ফ্লোরেন্সা।চোখের সামনে প্রিন্স জোসেফের রক্তাক্ত দেহ দেখে শিউরে উঠলো বদন। ভেঙে আসলো পা, আতংকে মুখ চেপে ধরলো নিজেকে শান্ত রাখতে। কিন্তু কি করে সম্ভব শান্ত হয়ে সবকিছু দেখা, মানুষটাকে যে তারা মেরে ফেলছে, কি করবে সে, বুকের মধ্যে অস্থিরতা বাড়লো, কম্পনের কারনে ঝাকিয়ে উঠছে শরীর।তার ভুলের জন্য লোকটা শাস্তি পাচ্ছে, পরিচয় গোপন করে সে যদি লোকটাকে বাড়িতে নিয়ে না আসতো, তবে লোকটা জানে বেঁচে থাকতে পারতো।সহ্য করতে পারছে না, কিছুতেই সহ্য করতে পারছে না, দম বন্ধ হয়ে আসছে তার, এ যে সহ্য করার মতো দৃশ্য নয়, মানুষটার জন্য তো তার মনে প্রবল অনুভূতির সঞ্চার ঘটেছে, সেই অনুভুতির বিনাশ কি করে হতে দিবে সে?কি করে বাঁচাবে লোকটাকে। ফ্লোরেন্সা সহ্য করতে না পেরে বাধা প্রয়োগ করলো,
“এমনটা করবেন আইরিশ ভাই, উনাকে এই বাড়িতে আমি নিয়ে এসেছি, উনি কোন অন্যায় করে নি, উনার পিতা অন্যায় করেছেন কিন্তু উনি বাধা দিতে চেয়েছেন বলে ওনাকে মহল থেকে বিতারিত করেছেন ওনার পিতা, দয়া করুন ভাইয়া, ছেড়ে দিন উনাকে।”
“তুই ঘরে যা ফ্লোরেন্সা, তোকে এইখানে কোন কথা বলতে বলি নি, এই জানোয়ার টা একটা ব্রিটিশ, আমাদের বাংলার শত্রু, এই গঞ্জের শত্রু, এই গঞ্জের মানুষের শত্রু।”
কথাগুলো বলতে বলতে হাত চালালো আইরিশ।জোসেফ রক্তাক্ত নীল চোখ পিটপিট করে মেলে তাকালো ফ্লোরেন্সার দিকে, সেই অঅনুভুতি ঘেরা নীল চোখ জুড়ে কেবল রিক্ততা, অসহায়ত্ব, সেই গভীর অনুভূতির মহাসমুদ্র ঢাকা পড়েছে যন্ত্রনার চাদরে।জোসেফের চোখে চোখ পড়তেই ছটপটিয়ে উঠলো ফ্লোরেন্সা।আবারো কান্নারত কন্ঠে বলে উঠলো,
“দয়া করুন ভাইয়া উনাকে আর মারবেন না, উনি কোন অন্যায় করে নি আমি এনেছি উনাকে আত্মগোপন করতে বলেছি আমি।”
মেয়ের এরুপ শিকারোক্তি পেয়ে রেগে গেলেন লতিফ, ঠাটিয়ে চড় মারলেন ফ্লোরেন্সার গালে,
“তুমি এটা মোটেও ঠিক করো নি ফ্লোরেন্সা, এই ব্রিটিশ পুত্র আমাদের দেশ ও জাতির জন্য কতটা বিপজ্জনক তুমি জানো? সেই শত্রুকে কিনা তুমি আমন্ত্রণ জানিয়ে নিজের বাড়িতে এনে তুলেছো?অতিরিক্ত আদর পেয়ে তুমি উচ্ছন্নে চলে যাবে এটা আমি ভাবতেও পারি নি। “
এক নিঃশ্বাসে কথাটুকু বলে আরেকটি থাপ্পড় দিতে উদ্যোত হয় লতিফ, লতিফের এমন কর্মে রেগে গেলো আইরিশ, তেড়ে এসে বাধা প্রয়োগ করে বললো
“জেঠু আর একটা আঘাতও জেনো ফ্লোরেন্সার গায়ে না পরে, তবে খুব খারাপ হয়ে যাবে বলে দিলাম।”
তারপর করিমুন্নেসার উদ্দেশ্যে বললো,
“ফ্লোরেন্সাকে ঘরে নিয়ে যাও জেঠিআম্মা, আমি না বলা অব্দি দরজা খুলবে না।”
করিমুন্নেসা জলদি এসে ফ্লোরেন্সাকে নিয়ে যেতে চাইলো, ফ্লোরেন্সা যেতে নারাজ, জোসেফকে এই অবস্থায় রেখে সে কিছুতেই যাবে না,চেচিয়ে কান্না শুরু করেছে কেবল,
“ছেড়ে দিন ভাইয়া, উনাকে ছেড়ে দিন,উনি কোন অন্যায় করে নি, সুফি রে ওদেরকে আটকা সুফি, লোকটাকে মরতে দিস না সুফি।তুই তো জানিস লোকটা কোন অন্যায় করে নি।”
পাশেই দাঁড়িয়ে আছে সুফি, আইরিশের ভয়ংকর রুপের দর্শন পেয়ে সে নিজেও যে ভয়ে কাঁপছে রীতিমত , কিন্তু কি করবে সে?যেখানে এই বাড়ির কন্যা হয়ে ফ্লোরেন্সা নিজেই কিছু করতে পারলো না, সেখানে তার কিই বা করার আছে।
ইতিমধ্যে পুরো গঞ্জে খবর ছড়িয়ে গিয়েছে,গঞ্জের সবাই ভির জমিয়েছে খাঁন বাড়ির বিচার সভায়। একটি বাশের খুটির সাথে বেধে রাখা হয়েছে জোসেফের রক্তাক্ত দেহ। বিচার কার্য শুরু করার জন্য গঞ্জের সকলের মতামতের গুরুত্ব দেওয়া হবে। কেউ কেউ শাস্তি হিসেবে ওই লাশ গুলোর মতো মাথা কেটে ফেলার কথা বলছে, তো আবার কেউ কেউ বলছে আগুনে পুড়িয়ে মারতে, কেউ কেউ বলছে শরীর অঙ্গ প্রতঙ্গ কেটে নিসংস মৃত্যু দিতে।
এদিকে ফ্লোরেন্সা গলা কাটা মুরগির মতো ছটপট করছে বদ্ধ ঘরে। চিৎকার করে কাঁদছে আর হেচকি তুলছে,
“দরজাটা খুলে দিন আম্মিজান, আমাকে মুক্তি দিন, দয়া করুন আম্মিজান, নিরপরাধ লোকটাকে মারবেন না, পাপ লাগবে, ধ্বংস হয়ে যাবো আমি, এতো বড় পাপী বানাবেন না আমায়, দয়া করুন।”
ফ্লোরেন্সার চিৎকার কারো কানে যায় না, সে একা একাই নালিশ করছে উপর ওয়ালার কাছে,
“আল্লাহ গো এতো বড় অন্যায় হতে দিবেন না আপনি,রহম করুন, করুনা করুন, ওই মানুষ টা কে আমি হারাতে পারবো না কিছুতেই হারাতে পারবো না, আল্লাহ গো আমার বুকে যন্ত্রণা হচ্ছে, ওই মানুষটাকে হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা হচ্ছে, আমি মরে যাচ্ছি আল্লাহ, আমাকে বাঁচতে দিন, ওই মানুষটা কে বাঁচিয়ে দিন, দয়া করে বাচিঁয়ে দিন,মুক্তি দিন আল্লাহ এই যন্ত্রণা থেকে রেহাই দিন। এই মানুষ টা কে ভালোবেসে ফেলেছি আমি, এই অনুভুতি কেনো জন্ম দিলেন আমার মনে,কেনো কেড়ে নিতে চাইছেন এমন নিষ্ঠুর ভাবে। “
নিজের চুল খামচে ধরে অনবরত কান্না করে যাচ্ছে ফ্লোরেন্সা, কাচের চুরি পরা দুটো হাত ফ্লোরের উপর আছড়ে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলেছে, কাচ ঢুকে ফালাফালা হয়ে গিয়েছে নরম তুলতুলে হাত। অথচ সেই যন্ত্রণা কাবু করতে পারে না ফ্লোরেন্সা কে,জোসেফ কে হারানোর তীব্র যন্ত্রণার কাছে এ যন্ত্রণা যে তুচ্ছ, খুব তুচ্ছ।
চেচানোর কারনে কন্ঠ ভেঙে আসছে কিন্তু চিৎকার থামছে কিছুতেই থাকছে না,
“ওই নীল চোখের নীলাদ্রি পুরুষ, আপনি উঠছেন না কেনো প্রতিহত করছেন না কেনো?নিজেকে বাঁচান, লড়াই করুন, এভাবে মরে যাবেন না, আমি সহ্য করতে পারবো না, আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন আমি আপনাকে হারানোর যন্ত্রণা সহ্য করতে পারবো না।”
ফ্লোরেন্সা এবার উন্মাদের মতো দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো,
“খুলে দিন দরজা, আমাকে জেতে দিন, নিরপরাধ মানুষটাকে বাঁচাতে দিন, খুলুন দরজা, একটি বার খুলে দিন।”
আচমকাই হাট করে খুলে গেলো দরজা, সুফি দাঁড়িয়ে আছে অশ্রু সচল চোখে,ব্যাস্ত কন্ঠে বললো,
“ফ্লোরেন্সা দ্রুত যা, তোর ভালোবাসার মানুষকে বাচিঁয়ে নে, গঞ্জের সবাই আগুনে পুড়িয়ে মারবে তাকে।”
ফ্লোরেন্সা আঁতকে উঠল, দ্রুত বেড়িয়ে এলো ঘর থেকে, সুফিকে জড়িয়ে ধরে কেদে উঠলো,
“ধন্যবাদ সুফি, তোর এই উপকার আমি কোন দিন ভুলবো না, তুই আমার সত্যিকারের আপনজন।”
সুফি ফ্লোরেন্সার চোখের জল মুছিয়ে দিয়ে বললো,
“থাক হয়েছে, আর বলতে হবে না, দ্রুত বিচার সভায় যা “
সবার সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রিন্স জোসেফ কে আগুনে পুড়িয়ে মারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে,আইরিশ নিজ হস্তে কেরোসিন তেল ঢালছে জোসেফের রক্তাক্ত শরীরে,বিদ্রুপের স্বরে বলছে,
“আপনার ভাগ্য আপনার সহায় হলো না প্রিন্স জোসেফ, অবশেষে কিনা হারের সাথে মৃত্যুও লিখা ছিলো।দূর্ভাগা।”
আইরিশের কথা শুনে রক্তাক্ত ঠোঁট কিছুটা বাকিয়ে হাসলো জোসেফ, বিরবির করে বললো,
“আমার ভাগ্য আমি লিখি জনাব, এই খেলায় আপনার হার নিশ্চিত।”
আইরিশ রেগে গেলো, চেপে ধরলো জোসেফের গাল,
“কথার জোর এখনো যায়নি? একটু পর আগুনে জ্বলবি, মৃত্যু কে স্বরন কর,কত যন্ত্রণাময় হতে চলেছে সেই মৃত্যু।”
আইরিশ ভাঙা কন্ঠে উত্তর দিলো,
“একটু পর মানে অনেক সময়, আর এই সময়ের মধ্যে খেলা ঘুরে যাবে জনাব।”
আইরিশ সহ্য করতে পারলো না জোসেফের হেয়ালি কথা, পকেট থেকে ম্যাচের কাঠি বেড় করলো জোসেফের গায়ে আগুন ধরানোর জন্য ঠিক তক্ষুনি পরিস্থিতি উল্টো দিকে ঘুরে গেলো।
ভরা সভায় নিজের শরীরে কেরোসিন ঢালতে ঢালতে চেচিয়ে উঠলো ফ্লোরেন্সা,
“আইরিশ ভাইয়া, উনার গায়ে একটা আঁচও যেনো না লাগে তবে আমি নিজেকে নিজে পুড়িয়ে দেবো।”
চলবে,,,,,,,,,,,,
Share On:
TAGS: তাজনিন তায়্যিবা, হিপনোটাইজ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
হিপনোটাইজ পর্ব ৯
-
হিপনোটাইজ পর্ব ৩
-
হিপনোটাইজ পর্ব ৮
-
হিপনোটাইজ পর্ব ৪
-
হিপনোটাইজ পর্ব ৫
-
হিপনোটাইজ পর্ব ২
-
হিপনোটাইজ পর্ব ১
-
হিপনোটাইজ পর্ব ৬
-
হিপনোটাইজ পর্ব ৭