Golpo romantic golpo সুতোয় বাঁধা জীবন

সুতোয় বাঁধা জীবন পর্ব ৭


সুতোয়বাঁধাজীবন

পর্বঃ০৭

কলমেসোনালিকাআইজা

⚠️ কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। চাইলে শেয়ার দিয়ে পাশে থাকতে পারেন।⚠️


এনগেজমেন্টের আয়োজনটা করা হয়েছে কমিউনিটি সেন্টারে। শুধু মাত্র দুই পরিবার এবং ঘনিষ্ট কিছু বন্ধুবান্ধব ছাড়া খুব বেশি লোককে ইনভাইট করা হয়নি। পাত্রপক্ষ বেশ অনেক্ষণ আগেই কমিউনিটি সেন্টারে চলে এসেছে। নিকিতারা এসে পৌঁছালো সবে। সঙ্গে আছে মায়া এবং রুমি। তিন বান্ধবী যেনো একে অপরের ছায়া সঙ্গী।

কমিউনিটি সেন্টারে প্রবেশ করেই সকলে ব্যাস্ত হয়ে পড়লো বাগদান সম্পন্ন করার কাজে। নিকিতাকে নিয়ে বড়রা সবাই চলে গেলো পাত্রপক্ষের সাথে দেখা করতে। পেছনে রয়ে গেলো মায়া আর রুমি। আজ তিন বান্ধবীই শাড়ি পড়েছে। যদিও শাড়ি পড়ে চলাফেরা করার অভ্যাস নেই মায়ার। শুধুমাত্র নিকিতার জোরাজুরিতে শাড়িটা পড়তে হলো। কালো রঙের জর্জেট শাড়ি। স্টোনের কাজ থাকায় ভারি শাড়িটা সামলাতে বেশ হিমসিম খাচ্ছে মায়া। শাড়ির কুঁচি গুলো একহাতে ধরে সেও পা বাড়ালো নিকিতাদের দিকে। কিন্তু বিপত্তি ঘটলো কয়েক কদম এগোতেই। এলোমেলো পায়ে হাঁটতে গিয়ে নিজের পায়ের সাথে বেঁধেই কুঁচি গুলো টান লেগে খুলে গেলো। আচমকা এহেন কান্ডে ভড়কে গেলো মায়া। অপ্রস্তুত চোখে একবার চারিদিকে নজর বুলালো। পরিচিত মুখের পাশাপাশি বেশ কিছু অপরিচিত মুখও আছে এখানে। এতোগুলা অচেনা মানুষের ভিড়ে শাড়ির কুঁচি খুলে যাওয়া বেশ লজ্জা জনক। এদিকে মায়ার অবস্থা দেখে বেচারি রুমিও হতভম্ব। সে আলতো হাতে কপাল চাপড়ে বলল,

—“দুটো ঘন্টা শাড়ি ম্যানেজ করতে পারলি না?”

—“আগেই তো বলেছি আমি শাড়ি সামলাতে পারি না।”

—“উফফ.. কি মসিবত। আচ্ছা এক কাজ কর। ওয়াশরুমে গিয়ে শাড়িটা ঠিক করে আয়। একা পারবি, নাকি হেল্প লাগবে আমার?”

—“একাই পারবো।”

রুমি আর কথা বাড়ালো না। মায়াকে ওয়াশরুমটা দেখিয়ে দিয়ে নিজে ছুটলো নিকিতার কাছে। মায়াও শাড়িটা কোনোমতে পেচিয়ে ধরে ছুটলো ওয়াশরুমে।

বেশ সময় নিয়ে শাড়ির কুঁচি গুলো ঠিক করলো মায়া। কাজ শেষে আয়নায় একবার নিজেকে পরখ করে নিলো। কালো রঙটা বেশ মানিয়েছে মায়ার শরীরে। অন্যান্য দিনের চেয়ে বরং আজ একটু বেশিই সুন্দর লাগছে। নিজেকে আয়নায় পরোখ করতে করতে কপালের ছোট্ট কালো টিপটা ঠিক করে নিলো মায়া। এরপর যাওয়ার উদ্দেশ্যে পেছন ঘুরতেই দড়জার সামনে তাসরিফকে দেখে চমকে উঠলো মায়ার অন্তরাত্মা। লোকটা কেমন যেনো স্থির চোখে তাকিয়ে আছে। কোনো নড়াচড়া নেই। আর না আছে দড়জা থেকে সরে দাঁড়ানোর তাদিগ। হঠাৎ করে তাসরিফের দর্শনে খানিকটা ভড়কে গেলেও চোখে মুখে সেটা প্রকাশ করলো না মায়া। বরং অচেনা কোনো ব্যাক্তি সামনে আছে এমন একটা ভাব ধরে সেখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালো। দড়জার কাছাকাছি এসেও বের হওয়ার আর সুযোগ পেলো না। তাসরিফ পুরো দড়জা দখল করে দাঁড়িয়ে আছে। চোখ জোড়া কেমন যেনো পাথরের মতো স্থির। চোখে মুখে খানিকটা বিরক্তি এনে মায়া বলল,

—“এমন পথ আটকে দাঁড়িয়ে আছেন কেনো? রাস্তা ছাড়ুন।”

তাসরিফ শুনলো কি না কে জানে? সে এখনও জমে যাওয়া বরফের মতো ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। মায়ার বিরক্তি বাড়লো এবার। মনের ভেতর নিভে যাওয়া রাগের ফুলকি ধীরে ধীরে নতুন রুপে জ্বলতে শুরু করলো। এবার কন্ঠে বেশ জোর খাটিয়েই মায়া বলল,

—“মেজর সাহেব। পথ ছাড়ুন।”

আচমকা পরিচিত ডাকটা কর্ণকুহরে পৌঁছাতেই চমকে উঠলো তাসরিফ। ডাকটা তার পরিচিত। বড্ড বেশি পরিচিত। এই ডাকটা সবসময় তার কানের ভেতর ছন্দ তুলে বাজে। সন্দেহ এবার আরও বেশি জোরালো হলো তাসরিফের। মায়ার মুখের দিকে গভীর দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলল,

—“কে তুমি?”

—“তা জেনে আপনি কি করবেন? পথ ছাড়ুন।”

—“পরিচয় না জানা পর্যন্ত পথ ছাড়বো না।”

মায়ার বিরক্তি বাড়লো। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে গেলো মনের ভেতর জ্বলতে থাকা অভিমানের আগুন। ভেতরটা ফুঁসে উঠলো চাপা রাগে। এই মানুষটার প্রতি বুকে পাহাড় সমান অভিমান পুষে রেখেছে মায়া। খুব সহজে হয়তো এই অভিমানের পাহাড় ভাঙবার নয়।

মায়াকে চুপচাপ ফুঁসতে দেখে দুকদম এগিয়ে এলো তাসরিফ। সেকেন্ডের ব্যবধানে হুট করেই ওয়াশরুমের দরজাটা আটকে দিলো। তাসরিফের সন্দেহ, দিহানের এই মায়াবিনীই তার মায়া। তাসরিফের বউ মায়া। যাকে দুটো মাস ধরে পাগলের মতো খুঁজে বেড়াচ্ছে সে। কিন্তু শিওর হবে কিভাবে? মুহুর্তেই তাসরিফের স্মৃতির কপাটে আঘাত করলো ছোট্ট একটা বিষয়। সেই রাতে জ্বরের ঘোর ঘনিষ্ঠ হওয়ার মুহুর্তে তাসরিফ মায়ার ঘাড়ের বাম পাশে একটা তিল দেখেছি। তিলটা বেশ বড়। অদেখা করার উপায় নেই। নিজের বউকে চেনার শেষ সম্বলটুকু বুকে আঁকড়ে ধরে আচমকাই মায়ার হাত ধরে হ্যাচকা টান দিলো তাসরিফ। আচমকা ঘটে যাওয়া ঘটনার কিছুই বুঝে উঠতে পারলো না মায়া। শুধু অনুভব করলো টান খেয়ে সে তাসরিফের পাথুরে বুকে সজোরে আছড়ে পড়েছে। সেকেন্ডের ব্যবধানে ওর ঘাড় থেকে চুল সরিয়ে দিয়েছে তাসরিফ। পরক্ষণেই কেমন যেনো স্থির হয়ে গেছে ছেলেটা। শক্তিহীনের মতো থুতনি ছেড়ে দিয়েছে মায়ার ঘাড়ে। কন্ঠস্বর বড্ড ক্লান্ত,

—“অবশেষে আমার অভিযানের সমাপ্তি ঘটলো।”

কথার মাঝেই ঘাড়ের ওপর গরম তরল জাতীয় কিছু একটা অনুভব করলো মায়া। যেনো উত্তপ্ত পানি কণা টপটপ করে ঘাড়ের ওপর পড়ছে। তবে তাতে মেয়েটার মন গললো না একটুও। বরং একবুক জেদ নিয়ে তেজি কন্ঠে বললো,

—“কোনো এক স্বামীর পরিত্যক্ত স্ত্রী আমি। আপনার সাহস কি করে হলো আমাকে ছোঁয়ার?”

—“ছোঁয়াটা যদি সেই হতভাগা স্বামীই ছোঁয়, তাহলে তো দোষের কিছু নেই মায়া।”

—“অবশ্যই আছে। যে সম্পর্কের ডোর পুরোপুরি ছিঁড়ে গেছে, সেই সম্পর্কের দোহাই দিয়ে ছোঁয়াটা খুবই দোষের।”

—“শাস্তি তো অনেক পেলাম। আরও শাস্তি পাওয়া বাকি আছে কি?”

মায়া তাচ্ছিল্য হাসলো। হাসির সাথে চোখ থেকে ঝরঝর করে কয়েক ফোঁটা অশ্রুও ঝড়ে পড়লো। এক আকাশ সমান অভিযোগ নিয়ে বলল,

—“মুক্তি চেয়েছিলেন না এই সম্পর্ক থেকে? মুক্তিই তো দিয়ে এসেছি। তবুও কেনো পিছু নিয়েছেন আমার?”

—“ভুল ছিলাম আমি। তোমাকে হারানোর পর তোমার শূন্যতা খুব করে অনুভব করেছি। তোমাকে ছাড়া বাঁচা সম্ভব নয়।”

মায়ার রাগ বাড়লো। তাসরিফের এই আবেগঘন কথাগুলো এই মুহুর্তে মায়ার কাছে বড্ড বেশি বিরক্তিকর লাগছে। রাগ কমার বদলে তরতর করে বাড়ছে। নিজের সাথে হওয়া অন্যায়, অবহেলা নতুন করে বুকের ভেতর দগদগে ঘা তৈরি করছে। সহ্য করতে না পেরে দুই হাতে তাসরিফের বুকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো নিজের থেকে। ধাক্কাটা বেশ জোরে হওয়ায় ছিটকে কয়েক কদম পিছিয়ে গেলো তাসরিফ। মায়া আঙুল তুলে শাসিয়ে বলল,

—“একদম আমার আশেপাশে আসবেন না। কোনো প্রকার অধিকারও দেখাবেন না। আমার ওপর আপনার আর কোনো অধিকার নেই মেজর সাহেব। মুক্তি চেয়েছিলেন, মুক্তি দিয়ে চলে এসেছি। আপনার সাথে আর কোনো প্রকার বন্ধনে জড়াতে চাই না আমি।”

তাসরিফ উদ্ভ্রান্তের মতো এগিয়ে এলো দুকদম। ছেলেটার চেহারায় স্পষ্ট ব্যাকুলতা। নিজের করা ভুলের জন্য অনুতাপ। মায়াকে ফিরে পাওয়ার তীব্র বাসনা। সে মায়াকে বোঝাতে যেই না কিছু বলতে যাবে ঠিক সেই মুহুর্তে সেখানে আগমন ঘটলো দিহানের। ছেলেটা দূর থেকেই মায়ার নাম ধরে ডাকতে ডাকতে এদিকেই আসছে। এখানে একমাত্র নিকিতা এবং রুমি ছাড়া তাসরিফ আর মায়ার সম্পর্কের বিষয়ে কেউ জানে না। সুতরাং হঠাৎ করে কেউ ওদের দুজনকে ওয়াশরুমে দড়জা আটকানো অবস্থায় পেলে বদনাম রটে যাবে চারিদিকে। আগত বদনামের হাত থেকে বাঁচতে তড়িঘড়ি করে ওয়াশরুমের দরজা খুলে দিলো মায়া। যাওয়ার জন্য এক পা বাড়াতেই সঙ্গে সঙ্গে ওর হাতটা ধরে ফেলল তাসরিফ। এই পর্যায়ে কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো মায়া। ভয়ার্ত কন্ঠে বললো,

—“হাত ছাড়ুন আমার। কেউ চলে আসবে।”

—“শেষবারের মতো একটা সুযোগ দাও প্লিজ। কথা দিচ্ছি, এবার……..”

নিজের কথা পুরোপুরি শেষ করতে পারলো না তাসরিফ। তার আগেই মায়া টান মেরে নিজের হাতটা তাসরিফের থেকে ছাড়িয়ে নিলো। জেদি কন্ঠে উত্তর দিলো,

—“মানুষের জীবন একটাই মেজর সাহেব। এখানে ভুল হলে দ্বিতীয় কোনো সুযোগ নেই। আপনার সাথে সম্পর্ক অনেক আগেই শেষ করে এসেছি আমি। এখন থেকে আপনি এবং আমি, দুজন সম্পুর্ন অপরিচিত দুজন মানুষ। সুতরাং দূরে থাকবেন আমার থেকে।”

ঝাঁঝাল কন্ঠে কথাগুলো বলেই দ্রুত কদমে সেখান থেকে প্রস্থান নিলো মায়া। খানিকটা যেতেই হঠাৎ করে দিহান চলে এলো সমানে। মায়াকে তাড়াহুড়ো করে আসতে দেখে একগাল হেঁসে বললো,

—“তুমি এখানে? আর আমি পুরো কমিউনিটি সেন্টার জুড়ে তোমাকে খুঁজে চলেছি।”

দিহানের আওয়াজ শুনে তৎক্ষনাৎ থমকে গেলো মায়ার চলন্ত কদম জোড়া। দিহানকে দেখে মায়া জোরপূর্বক হেঁসে বললো,

—“কেনো স্যার? কোনো দরকার?”

—“দরকারই বলতে পারো। জরুরি কিছু কথা ছিলো তোমার সাথে।”

—“জ্বি বলুন।”

দিহান কয়েক সেকেন্ডের জন্য থেমে গেলো। ইতস্তত নয়নে একবার ডানে বামে দেখে নিলো। আপাতত এই দিকটায় কেউ নেই। ওদিকে হবু বর কনের আঙটি বদল হচ্ছে। সবাই সেখানে ব্যস্ত। এটাই মোক্ষম সুযোগ। এরচেয়ে ভালো সুযোগ আজ অন্তত আর পাওয়া যাবে না। মনে মনে প্রপোজ করার জন্য জোরালো ভাবে প্রস্তুতি নিলো দিহান। যদিও একজন প্রফেসর হয়ে নিজের ছাত্রীকে প্রপোজ করতে বেশ অস্বস্তি হচ্ছে তার। কিন্তু কি করবে? কোনো উপায়ও তো নেই। দেরি করলে যদি আবার ভাগিদার চলে আসে? ভাগিদারের চিন্তা মাথায় আসতেই আচমকাই বুকটা ধ্বক করে উঠলো দিহানের। সে ইনিয়ে বিনিয়ে বলতে লাগলো,

—“আমি মানুষ হিসেবে কেমন মায়া? মানে তোমার চোখে আমি কেমন?”

—“আপনি নিঃসন্দেহে একজন ভালো মনের মানুষ স্যার। এটা আবার বলার মতো কিছু হলো?”

মৃদু হেঁসে জবাব দিলো মায়া। উত্তরটা শুনে বেশ খুশিই হলো দিহান। মনের ভেতর খানিকটা সাহসও বেড়ে গেলো যেনো। একবুক আশা নিয়ে বলল,

—“মনের ভয় অনেকটা কাটিয়ে দিলে। আসলে মায়া, আমি তোমাকে…………..”

—“ভাইয়ের এনগেজমেন্ট রেখে তুই এখানে কি করছিস?”

নিজের কথা আর শেষ করতে পারলো না দিহান। তার আগেই তাসরিফের ছোঁড়া প্রশ্ন শুনে ভড়কে গেলো কিছুটা। তাসরিফ দুই পকেটে হাত গুঁজে ভারি কদম ফেলে এদিকেই এগিয়ে আসছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বন্ধুর উপস্থিতি মোটেও পছন্দ হলো না দিহানের। যদিও তাসরিফ ওর সবচেয়ে কাছের বন্ধু। তবুও আজ কেনো যেনো ওকে নিজের ভালোবাসার পথে ভিলেন মনে হচ্ছে দিহানের। তাসরিফ কাছাকাছি আসতেই দিহান সৌজন্যমূলক হেঁসে বলল,

—“ওহ্, তোর সাথে তো পরিচয়ই করানো হয়নি। ও মায়া। আমার স্টুডেন্ট। নিহানের হবু বইয়ের বান্ধবী। আর মায়া, চিনেছো ওকে?”

শেষের প্রশ্নটা দিহান মায়াকে উদ্দেশ্য করে বলল। বিপরীতে মায়া একগাল হেঁসে জবাব দিলো,

—“কে উনি? চিনি না তো স্যার।”

—“ওহ্, তাই তো। তুমি চিনবে কিভাবে? কাল তো তুমি অজ্ঞান ছিলে। শোনো, ওর নাম তাসরিফ। আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু। কাল ওর ধমকেই তো তুমি ভয়ে জ্ঞান হারিয়েছিলে।”

—“ওমা তাই? এই দেখুন, একদিনেই কেমন চেহারা ভুলে গেছি।”

—“কোনো ব্যপার না। আত্মীয়তা যখন হলো, তখন চেহারাও মনে থাকবে।”

বিপরীতে মায়া জোরপূর্বক হাসলো একটু। কথার মাঝে খানিকটা বিরতি দিলো দিহান। কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে নিচু কন্ঠে বললো,

—“বাই দা ওয়ে! কালো শাড়িতে বেশ সুন্দরী লাগছে তোমাকে। মানে, শাড়িটা মানিয়েছে তোমার গায়ে।”

মায়ার মুখের হাসি চওড়া হলো এবার। অন্যদিকে প্যান্টের পকেটে গুঁজে রাখা তাসরিফের হাতদুটো ক্রোধ সংবরণ করতে না পেরে মুঠো হয়ে গেলো।

চলবে?

( সাইলেন্ট রিডার্সরা, পড়া শেষে লাইক কমেন্ট করবেন।)

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply